Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶

    অধ্যায় ৫১ : একজন আধুনিক গোমাছি – পিটার সিংগার

    অধ্যায় ৫১ : একজন আধুনিক গোমাছি – পিটার সিংগার

    আপনি একটি বাগানে, যেখানে আপনি জানেন যে একটি পুকুর আছে, হঠাৎ করে পুকুরের পানিতে কিছু পড়ার শব্দ এবং চিৎকার শুনতে পেলেন। আপনি বুঝতে পারলেন যে একটি শিশু পানিতে পড়ে গেছে, এবং সে ডুবে মারা যেতে পারে। কী করবেন আপনি? আপনি কি কিছু না করে পাশ দিয়ে হেঁটে চলে যাবেন? এমনকি যদিও আপনি কথা দিয়েছেন এক বন্ধুর সাথে দেখা করবেন, আর অপেক্ষা করলে দেরি হয়ে যাবে সেখানে পৌঁছাতে। পুকুরটা খুব গভীর না, কিন্তু খুবই কর্দমাক্ত। আপনার সবচেয়ে ভালো জুতাটা নষ্ট হবে যদি আপনি সাহায্য করতে চান। কিন্তু আপনার আশা করা ঠিক হবে না যে অন্য মানুষরাও সেটি বুঝবে যদি আপনি পানিতে লাফিয়ে না পড়েন শিশুটিকে বাঁচাতে। বিষয়টি মানুষ আর জীবনকে মূল্য দেবার বিষয়। একজন শিশুর জীবন অনেক বেশি মূল্যবান যে-কোনো মূল্যেরই একজোড়া জুতার চেয়ে, এমনকি সবচেয়ে মূল্যবান কোনো গাড়ির চেয়েও। আর এর ব্যতিক্রম কিছু যারা ভাবেন তারা আসলেই একধরনের অমানব। আপনি পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়তেন এমন পরিস্থিতিতে, তাই না? অবশ্যই, আপনি সেটি করবেন। কিন্তু আবার ধরুন, আপনি সম্ভবত যথেষ্ট পরিমাণ টাকা আয় করেন, উন্নয়নশীল দেশের কোনো শিশুকে অনাহারে বা কোনো ক্রান্তীয় ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া থেকে বাঁচানোর ক্ষমতা আপনার আছে। আর সেটি করতে এই পুকুরে ডুবতে থাকা বাচ্চাটি বাঁচানোর জন্য যে জুতাটি নষ্ট করতে আপনি প্রস্তুত, সম্ভবত তার মূল্যের চেয়ে বেশি পরিমাণ কিছু হবে না। তাহলে কেন আপনি অন্য শিশুটিকে সাহায্য করেননি, ধরে নিচ্ছি আপনি করেননি? খুব সামান্য পরিমাণ টাকা সঠিক দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দিলে সেটি অন্তত একটি জীবন বাঁচাতে পারে। শৈশবের বহু সংক্রামক ব্যাধিকে খুব সহজে প্রতিরোধ করা যেতে পারে তুলনামূলকভাবে অল্পকিছু টাকার বিনিময়ে, যা তাদের টিকা বা অন্য ঔষধের মূল্য পরিশোধ করতে সাহায্য করবে। কিন্তু কেন আপনি একইভাবে অনুভব করেন না যখন আফ্রিকাতে কেউ মারা যায়, ঠিক যেমন করে আপনি অনুভব করেন যখন কোনো শিশুকে চোখের সামনে পানিতে ডুবে মারা যেতে দেখেন। যদি আপনি একইভাবে অনুভব করেন দুটি ক্ষেত্রেই, তাহলে আপনি অবশ্যই ব্যতিক্রম। আমরা অধিকাংশ মানুষ তেমন নই, এমনকি যখন এই বাস্তব সত্যটা নিয়ে আমরা খানিকটা অস্বস্তি অনুভব করি।

    অস্ট্রেলীয় দার্শনিক পিটার সিংগার (জন্ম ১৯৪৬) যুক্তি দিয়েছিলেন, আপনার সামনে ডুবতে থাকা শিশু আর আফ্রিকায় অভুক্ত কোনো শিশু আসলে খুব বেশি ভিন্ন নয়। আমাদের আরো বেশি ভাবা উচিত সেইসব শিশুদের নিয়ে সারা পৃথিবীজুড়ে যাদের আমরা বাঁচাতে পারি, যতটা আমরা করি তার চেয়েও। যদি আমরা কিছু না করি, তাহলে শিশুরা যারা হয়তো বাঁচত, তারা অবশ্যই অল্পবয়সে মারা যাবে। এটি কোনো অনুমান নয়। আমরা জানি এটি সত্য। আমরা জানি যে হাজার হাজার শিশু প্রতিবছর মারা যায় দরিদ্রতাজনিত কারণে। কেউ মারা যায় অনাহারে, যখন উন্নত বিশ্বে মানুষরা ফ্রিজে পচতে থাকা খাদ্য ফেলে দিতে বাধ্য হয়, তাদের সেগুলো খাওয়ার জন্য সময় কিংবা ইচ্ছা হয়ে ওঠে না বলে। অনেকেই পরিষ্কার পানি পায় না পান করার জন্য। সুতরাং আমাদের উচিত যা আমাদের আসলেই দরকার নেই এমন একটি কিংবা দুটি বিলাসিতা পরিত্যাগ করে, সেইসব ভাগ্যবঞ্চিত মানুষগুলোকে সাহায্য করা, কারণ তারা এমন জায়গায় জন্ম নিয়েছে, যেখানে জন্ম নেয়ার ক্ষেত্রে তাদের কোনো হাত নেই। জীবনের আদর্শ হিসাবে এটি বেশ কঠিন দর্শন। তার মানে এমন নয় যে আমাদের কী করা উচিত সে-বিষয়ে সিংগার ভুল কিছু বলছেন। আপনি হয়তো বলতে পারেন যদি আপনি কোনো অর্থ দান না করেন, অন্য কেউ সম্ভবত সেটি করবে। এখানে ঝুঁকিটি হচ্ছে আমরা সবাই সেই ‘দেখতে থাকা’ মানুষগুলোর মতো হবে, প্রত্যেকেই মনে করবেন যে অন্য কেউ-না-কেউ যা প্রয়োজন সেটি অবশ্যই করবে। এই পৃথিবীর বহু মানুষ চরম দরিদ্রসীমার নিচে বাস করেন, প্রতিদিনই তারা ক্ষুধার্ত হয়ে দিন পার করে। তাদের প্রয়োজন কখনোই মিটবে না অল্প কয়েকজনের দানে। এটি সত্য যে চোখের সামনে ডুবতে থাকা কোনো শিশুর ক্ষেত্রে খুব সহজ দেখা যে অন্য কেউ শিশুর সাহায্যে এগিয়ে আসছে কিনা, কিন্তু বহুদূরের কোনো দেশে কষ্ট ভোগ করছে যারা, তাদের ক্ষেত্রে বলা সম্ভব না আমাদের কাজের কী প্রভাব পড়ছে বা অন্য মানুষদের কাজের প্রভাবই কী সেখানে, অবশ্যই তার মানে এই না যে কোনোকিছু না-করাই শ্রেষ্ঠ সমাধান।

    এই বিষয়টির সাথে যুক্ত সেই ভয়টিও যে, ভিন দেশের গরিব মানুষকে দান করলে বিত্তবানদের দানের উপর সেই মানুষগুলোর নির্ভরশীলতা বাড়বে, এবং সেটি তাদের বাধা দেবে তাদের নিজেদের খাদ্য উৎপাদনে সচেষ্ট হতে বা পানির জন্য কুয়া আর বসবাসের জায়গা নির্মাণের ক্ষেত্রে। এবং একসময় এটাই পরিস্থিতির আরো অবনতির কারণ হবে, এমনকি যদি আপনি কিছু না দানও করেন। এমন উদাহরণও আছে যে পুরো দেশই বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল হয়েছে। এর মানে হচ্ছে, যদিও, দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোয় শুধুমাত্র দান করাই উচিত না আমাদের বরং আমরা সতর্কভাবে ভাবব কী সাহায্য এসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো প্রদান করছে। কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা চেষ্টা করব না সাহায্য করতে। কিছু মৌলিক চিকিৎসা সহায়তা বহু দরিদ্র মানুষকে একটি ভালো সুযোগ দেয় বাইরের কোনো সাহায্য ছাড়াই স্বনির্ভর হবার জন্যে। এমন বেশকিছু দাতব্য প্রতিষ্ঠান আছে যারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষিত করে স্বনির্ভর হবার জন্য, পরিষ্কার খাবার পানির জন্য কুয়া খনন, স্বাস্থ্যশিক্ষা দান ইত্যাদি নানা কর্মসূচি পরিচালনা করার মাধ্যমে। সিংগারের যুক্তি এমন নয় যে আমাদের উচিত অন্যকে সাহায্য করার জন্যে টাকা দান করা বরং আমাদের সেইসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করা উচিত যাদের সম্ভাবনা আছে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্গতদের উপকার করা, যা তাদের স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে। তার বার্তা খুব স্পষ্ট: যখন কিনা প্রায় সুনিশ্চিতভাবে আপনি অন্য মানুষের জীবনকে সত্যিকারভাবে প্রভাবিত করতে পারবেন এবং আপনার সেটি করা উচিত।

    সিংগার সুপরিচিত জীবিত দার্শনিকদের মধ্যে অন্যতম একজন। আংশিকভাবে এর কারণ তিনি বেশকিছু সর্বজনীন ধারণা আর দৃষ্টিভঙ্গিগুলোকে প্রশ্ন করেছিলেন। তার কিছু বিশ্বাস স্পষ্টতই খুবই বিতর্কিত। বহু মানুষ বিশ্বাস করেন মানুষের জীবনের চূড়ান্ত পবিত্রতায়। এর মানে অন্য কোনো মানুষকে হত্যা করা সবসময়ই ভুল। সিংগার সেটি মনে করেন না। যদি কেউ এমন কোনো পরিস্থিতিতে থাকে, যাকে বলা হয় persistent vegetative state বা কোনো অসুখের কারণে যার পরিস্থিতি অপরিবর্তনীয়ভাবে বোধশক্তিহীন, যে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন করা সম্ভব না মানে, সেই মানুষটিকে বাঁচানো হয়েছে শুধুমাত্র শরীর হিসাবে, কোনো ধরনের অর্থময় সচেতনা ছাড়া এবং যার ভবিষ্যতে কোনো সময় নিরাময় হবার সম্ভব নয়, তাহলে সিংগার মনে করেন এই ক্ষেত্রে ইউথানাসিয়া বা তাকে দয়া প্রদর্শন করে মরার সুযোগ দেয়া উচিত, বা মরতে সাহায্য করা উচিত কোনো কষ্টভোগ করা ছাড়াই। এই পরিস্থিতে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার অর্থহীন। তিনি বিশ্বাস করতেন, কারণ এই পরিস্থিতিতে তাদের কোনো সুখ অনুভব করার ক্ষমতা নেই, এমনকি তারা কীভাবে বাঁচতে চান সেটাও তারা নির্বাচন করতে পারে না। তাদের বেঁচে থাকার কোনো শক্ত ইচ্ছা নেই, কারণ কোনো ধরনের ইচ্ছা ধারণ করার ক্ষমতা তাদের নেই। এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো তাকে বেশ কুখ্যাত করেছে বেশকিছু গোষ্ঠীর কাছে। এমনকি এইসব বিশেষ ক্ষেত্রে ইউথানাসিয়া বা দয়ার সাথে মৃত্যুর বিষয়টি সমর্থনের জন্য তাকে নাৎসি বলেও চিহ্নিত করা হয়েছিল, যদিও সেই বাস্তবতাটি উপেক্ষা করে যে, তাঁর বাবা-মাও ছিলেন ভিয়েনাবাসী ইহুদি, যারা নাৎসিদের হাত থেকে পালিয়ে বেঁচেছিলেন। আর এই নামে তাকে ডাকার কারণ নাৎসিরা বহু অসুস্থ আর শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীকে হত্যা করেছিলে, কারণ তারা দাবি করেছিল এদের জীবনগুলো আসলেই যাপনের উপযুক্ত না, তাদের বেঁচে থাকার কোনো অর্থ নেই। কিন্তু খুবই ভুল হবে যদি কেউ নাৎসিদের এই হত্যা নীতিকে ইউথানাসিয়া বা দয়ার সাথে মৃত্যু হিসাবে চিহ্নিত করে। আর যাই হোক না কেন এটির উদ্দেশ্য কাউকে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণাভোগ থেকে মুক্তি দেয়া ছিল না, আর নাৎসিরা মনে করত তাদের সমাজ থেকে বাতিল করা যাবে কারণ তারা অপ্রয়োজনীয়, তাদের ভাষায় useless mouths, যাদের খাওয়াতে হবে কিন্তু তারা কোনো কাজ করতে পারবে না, এবং তারা মনে করত এরা তাদের তথাকথিত শুদ্ধ এরিয়ান বর্ণকে দূষিত করছে। এখানে কোনো দয়া প্রদর্শন নেই। এর ব্যতিক্রম সিংগার আগ্রহী ছিলেন সংশ্লিষ্ট সেই মানুষগুলোর জীবনের গুণগত মান নিয়ে, নাৎসিনীতির কোনো অংশকেই তিনি সমর্থন করতেন না। কিন্তু তার সমালোচকরা তার দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক ততটাই বিকৃত করেছিল যেন একই রকম মনে হয়।

    সিংগার প্রথম পরিচিতি পান তার প্রভাবশালী বই Animal Liberation (১৯৭৫) প্রকাশ হবার পর, যেখানে তিনি প্রাণীদের উপর মানুষের আচরণ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। এর আগে ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে জেরেমি বেনথাম প্রস্তাব করেছিলেন, প্রাণীদের কষ্ট আর দুর্দশার লাঘব করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে, কিন্তু সত্তরের দশকে যখন সিংগার প্রথম লিখতে শুরু করেছিলেন এই বিষয়ে, খুব কম দার্শনিকই বিষয়টি এভাবে দেখেছিলেন। সিংগার, বেনথাম আর মিল হচ্ছেন কনসিকোয়েনসালিস্ট। এর মানে তারা বিশ্বাস করেন শ্রেষ্ঠ কাজটি হবে সেটি যা সংশ্লিষ্ট সবার সেরা স্বার্থটি রক্ষা করবে। সেরা কাজটি হবে সেটি যেটি সবচেয়ে সেরা পরিণতির কারণ হয়। আর কোনটি সবচেয়ে ভালো পরিণতি সেটি জানার জন্য, আমাদের জানার দরকার এবং বিবেচনা করতে হবে সবার জন্যে কোটি সবচেয়ে ভালো, যার মধ্যে সব প্রাণীদের কল্যাণও অন্তর্ভুক্ত। বেনথামের মতো, সিংগার বিশ্বাস করতেন যে প্রায় সব প্রাণীদের মূল ও সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, যন্ত্রণা বা ব্যথা বা কষ্ট অনুভব করার ক্ষমতা। মানুষ হিসাবে, আমরা মাঝে মাঝে বেশি পরিমাণ কষ্ট পাই, একই পরিস্থিতিতে কোনো প্রাণী যতটুকু পেতে পারে, কারণ আমাদের যুক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা আছে, বোঝার ক্ষমতা আছে আমাদের সাথে কী ঘটছে। এই বিষয়টিও আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে। সিংগার, যারা প্রাণীদের বিষয়ে যথেষ্ট পরিমাণ গুরুত্ব দেন না তাদের নাম দিয়েছেন speciesist বা প্রজাতিবাদী, এটি অনেকটি বর্ণবাদী (racist) বা লিঙ্গবাদী (sexist) শব্দগুলো যেভাবে ব্যবহৃত হয় তেমন। বর্ণবাদী তাদের নিজের বর্ণের মানুষদের সাথে ভিন্নভাবে আচরণ করে: তারা তাদের সাথে বিশেষ সুবিধা দিয়ে আচরণ করে। তারা অন্য কোনো বর্ণের মানুষকে সেই সুবিধাটা দিতে চায়না যারা সেটি পাবার যোগ্য। একজন শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী হয়তো, যেমন, কোনো একটি কাজের জন্য অন্য একজন শ্বেতাঙ্গকে নির্বাচন করবে এমনকি যখন তার চেয়েও যোগ্য কোনো কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি আছেন, যিনি সেই পদের জন্য আবেদন করেছেন। স্পষ্টতই সেটি ন্যায়বিচার নয় ও ভুল। Speciesism-ও বর্ণবাদের মতো। এটি শুধুমাত্র সৃষ্টি হয় যখন আপনি শুধু আপনার প্রজাতির দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে কিছু দেখেন অথবা এর প্রতি আপনি বিশেষভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। মানুষ হিসাবে আমরা শুধুমাত্র ভাবি অন্য মানুষদের কথা যখন সিদ্ধান্ত কী করতে হবে। কিন্তু সেটি ভুল। প্রাণীরা কষ্টভোগ করে এবং তাদের কষ্টকে আমাদের বিবেচনায় রাখা উচিত।

    সমান পরিমাণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন মানে না এই যে সব প্রাণী প্রজাতির সাথে ঠিক একইভাবে আচরণ করা উচিত, সেটির কোনো অর্থ হয় না। যদি আপনি কোনো ঘোড়ার পিঠে হাত দিয়ে একটা চড় মারেন, সেটি ঘোড়ার জন্য তেমন কোনো ব্যথার কারণ হবে না। কারণ ঘোড়ার চামড়া বেশ পুরু, কিন্তু আপনি যদি সেই একই চড় মারেন কোনো মানবশিশুকে, সেটি বেশ তীব্র ব্যথার কারণ হবে। কিন্তু আপনি যদি যথেষ্ট তীব্রতার সাথে কোনো ঘোড়াকে আঘাত করেন, কোনো শিশুকে সেই চড় মারলে যেমন ব্যথা হতে পারত সেই পরিমাণ ব্যথা সৃষ্টি করার জন্য, তাহলে সেটি কোনো শিশুকে চড় মারার মতোই নৈতিকভাবে ভুল কাজ। অবশ্যই, দুটো কাজের কোনোটাই করা আপনার উচিত নয়। সিংগারের প্রস্তাবনা, আমাদের সবারই নিরামিষাশী হওয়া উচিত, শুধুমাত্র এই কারণে যে আমরা কোনো প্রাণী না-খেয়েই খুব সহজেই ভালোভাবে বাঁচতে পারি। প্রাণী থেকে উৎপাদিত হওয়া যে-কোনো খাদ্যের পেছনে যন্ত্রণাভোগ আর নিষ্ঠুর খামার পদ্ধতি, আর তীব্রভাবে প্রাণীরাও সেই যন্ত্রণাটি অনুভব করে। কোনো খামারে চাষ করা মুরগিদের যেমন রাখা হয় খুবই ক্ষুদ্রসংকীর্ণ খাঁচায়, কিছু শূকরকে এমনভাবে আটকে রাখা হয় যে তারা এমনকি পাশ ফিরতেও পারে না, আর গবাদি পশুদের জবাই করার পদ্ধতি খুবই যন্ত্রণাময় তাদের জন্যে। সিংগার যুক্তি দিয়েছিলেন, অবশ্যই এটি নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয় এমন খামারব্যবস্থাকে অব্যাহত রাখা। কিন্তু এমনকি আরো মানবিক খামারপদ্ধতিও অপ্রয়োজনীয়, কারণ আমরা মাংস ছাড়া বেশ ভালোভাবে বাঁচতে পারি। আর তার মূলনীতির সাথে বিশ্বস্ততা প্ৰদৰ্শন করে তিনি এমনকি তার একটি বইয়ে ডাল বানানোর রেসিপি প্রকাশ করেছিলেন তার পাঠকদের মাংসের বিকল্প আমিষ খোঁজার জন্য অনুপ্রাণিত করার জন্য।

    খামারে চাষ করা প্রাণীরাই শুধুমাত্র মানুষের দ্বারা নির্যাতিত হয় না, বিজ্ঞানীরাও প্রাণীদের ব্যবহার করেন তাদের গবেষণায়। শুধুমাত্র ইঁদুর কিংবা গিনিপিগ নয়, বিড়াল, কুকুর, বানর এবং শিম্পাঞ্জিদেরও আমরা পরীক্ষাগারে দেখি, তাদের অনেককেই নানা ধরনের যন্ত্রণা আর নির্যাতনের শিকার হতে হয়, যখন তাদের শরীরে নানা ঔষধ কিংবা বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয়। কোনো একটি গবেষণা নৈতিকভাবে আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য কিনা সেটি পরীক্ষা করার জন্য তাঁর সিংগার টেস্টটি প্রস্তাব করেছিলেন: আমরা কি সেই একই পরীক্ষাটি কোনো মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এমন কারো উপরে করতে পারব? যদি সেটি না পারি, তিনি বিশ্বাস করেন, তাহলে সেই ধরনের মানসিক সচেতনা আছে এমন কোনো প্রাণীর উপর সেই পরীক্ষাটি করা অনৈতিক। তার এই পরীক্ষাটি খুবই কঠিন, এবং খুব বেশি পরীক্ষা এই টেস্টটি পাস করতে পারবে না। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে, সিংগার প্রাণীদের গবেষণায় ব্যবহার করার বিষয়টি বিরোধিতা করেন। নৈতিকতার প্রশ্নগুলোর উত্তর অনুসন্ধানে সিংগারের সার্বিক পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে কনসিসটেন্সি বা সঙ্গতি বা পূর্বাপর মিলের ধারণা।এর মানে হচ্ছে একই ধরনের বিষয়গুলোকে একইভাবে আমাদের দেখতে হবে। তার কাছে বিষয়টি যুক্তির যে, যদি মানুষের ক্ষতি করা ভুল হয় যদি সেটি যন্ত্রণা বা ব্যথার কারণ হয়ে থাকে, তাহলে অন্য প্রাণীদের যন্ত্রণা ভোগ করার বিষয়টিরও আমরা তাদের সাথে কীভাবে আচরণ করব সেটিকে প্রভাবিত করা উচিত। যদি কোনো প্রাণীর ক্ষতি করলে কোনো মানুষের ক্ষতি যতটা যন্ত্রণার সৃষ্টি করে তারচেয়ে বেশি যন্ত্রণার কারণ হয়, তাহলে যদি বাধ্য করা হয় তবে উত্তম হবে প্রাণী ও মানুষের মধ্যে যন্ত্রণা দেবার জন্য মানুষকেই বেছে নেয়া।

    বহু বছর আগের সক্রেটিসের মতো, সিংগার ঝুঁকি নিতে ভয় পাননি যখন আমাদের কীভাবে জীবন কাটানো উচিত সেই বিষয়ে জনসমক্ষে কোনো বক্তব্য দিয়েছেন। তার কিছু বক্তৃতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে, তাকে হত্যা করার হুমকিও দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাসত্ত্বেও তিনি দর্শনের সেরা ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন। কিছু ব্যাপকভাবে ধারণকৃত ধারণাকে নিরন্তরভাবেই তিনি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছেন। তার দর্শন প্রভাবিত করেছে তার জীবনাচরণকে, এবং যখন তিনি অন্যদের সাথে একমত নন, সবসময়ই তিনি প্রস্তুত তার চারপাশে সবার মতামতকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য, একটি উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবার জন্যে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, সিংগার তার উপসংহারগুলোকে সমর্থন করেছেন তার যুক্তিনির্ভর প্রস্তাবনাগুলো দিয়ে যা গভীর ও ব্যাপক গবেষণা ও বাস্তব সত্য দ্বারা তথ্যপুষ্ট। তার উপসংহারগুলোর সাথে আপনার একমত হবে না দার্শনিক হিসাবে তার আন্তরিকতাটি অনুভব করার জন্য। দর্শন, আর যাই হোক না কেন, সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী হয় বিতর্কের মাধ্যমে, যুক্তি আর সাক্ষ্যপ্রমাণ ব্যবহারে। সিংগারের কোনো দৃষ্টিভঙ্গির সাথে যদি আপনি ভিন্নমত পোষণ করেন, যেমন, প্রাণীদের নৈতিক অবস্থান অথবা কোনো পরিস্থিতিতে ইউথানাসিয়া বা দয়াপূর্ণ যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর অধিকার নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, খুব ভালো সম্ভাবনা আছে তার বই পড়ার পর বিষয়গুলো আপনাকে খুব কঠিনভাবে ভাবাবে, আপনি আসলেই কী বিশ্বাস করেন এবং কীভাবে সেগুলোকে সমর্থন করছেন বাস্তব তথ্য, যুক্তি আর নৈতিক মূলনীতিগুলো।

    দর্শনের সূচনা হয়েছিল বিব্রতকর প্রশ্ন আর কঠিন চ্যালেঞ্জের সাথে: সক্রেটিস যেমন গোমাছি হিসাবে পরিচিতি পেয়েছিলেন, দার্শনিক পিটার সিংগারের মতো আজকের সময়ের গোমাছি যখন আছেন, খুবই ভালো সম্ভাবনা আছে যে সক্রেটিসের সেই চেতনাও অব্যাহত থাকবে ভবিষ্যতের রূপ দেবার জন্য।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }