Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – বিমল কর

    বিমল কর এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যশিড়ির বড়মামা – বিমল কর

    যশিড়ির বড়মামা

    এক

    যশিডি থেকে কালুদা সরাসরি দু’দুটো চিঠি নিয়ে হাজির। সাতসকালেই। একটা চিঠি আমার নামে, ঝন্টু। অন্য চিঠিটা মায়ের নামে, নুটু। আমাকে চিঠি লিখেছে বড়মামা। মায়ের চিঠি এসেছে মামির কাছ থেকে। অত সকালে কালুদাকে দেখে আমরা একটু ঘাবড়েই গিয়েছিলাম। সকালের ট্রেনে হাওড়া স্টেশনে নেমে যেভাবে রাতজাগা বাসি চোখমুখ আর খোঁচা খোঁচা দাড়ি নিয়ে কালুদা আমাদের লেকটাউনের বাড়িতে এসে হাজির হল, তাতে ঘাবড়ে যাবারই কথা ।

    মা ভয় পেয়ে বলল, “কী হয়েছে কালু?”

    কালুদা বলল, “ভয়ের কিছু নেই পিসিমা, চিঠি নিয়ে এসেছি।”

    কালুদা বড়মামার কাছেই থাকে। বছর দশ-বারোর বেশি বই কম নয়। বড়মামার যোগ্য সাকরেদ। আমার বড়মামার নাম, মহাদেব দত্ত। মামির নাম, মহাদেবী। বাপের বাড়ি থেকে দেবী নাম নিয়েই এসেছিল মামি। শ্বশুরবাড়িতে একসময় দেবীর আগে মহা যোগ হয়ে গেল। হবারই কথা। মামা-মামি দুইই সমান। দাঁড়িপাল্লায় চাপলে, মানে ওজনে চাপালে কেউ কারুর থেকে কম নয়, স্বভাবেও সমান সমান। আত্মীয়রা বলত, যেমন দেবা, তেমনি দেবী।

    বড়মামার চিঠি পড়ে আমি হাসব না কাঁদব; বিছানায় গড়াব না মটিতে লুটোব; পেট ব্যথার ওষুধ খাব না মাথা ঘোরার—কিছুই ঠিক করতে পারলুম না। শেষমেশে হাসতে হাসতে বিষম খেয়ে মরে যাচ্ছিলুম আর কী।

    মা এসে বলল, “এত হাসছিস কেন? মরবি।”

    আমি বললুম, “মামা পাগল হয়ে গছে। টোটাল ম্যাড।”

    মায়ের হাতে ছিল মামির চিঠি। মা দেখিয়ে বলল, “বউদি কাশী চলে যাচ্ছে। লিখেছে, সংসারে আর থাকবে না। ঘেন্না ধরে গেছে।”

    “তা ধরতে পারে। মামির আর দোষ কোথায়? মামা যশিড়ির বাড়িতে পাগল পোষার ব্যবস্থা করছে। মামা কী লিখেছে, শুনবে?” বলে আমি মামার চিঠিটা পড়তে লাগলাম।

     

     

    “ঝন্টু মহারাজ, এই পত্রে আমার আশীর্বাদসহ তোমায় কয়েকটি প্রয়োজনীয় কর্মের দায়িত্বভার ন্যস্ত করিতেছি। আমার যশিডির বাড়িটার পূর্বদিকে যে আউট হাউসটি আছে, সেই বাড়িটিতে আমি একটি পাগল-পালন নিবাস খুলিব। অনেক ভাবিয়া চিন্তিয়া (চিন্তা করিয়া) আমি এই কাজটি করিতে যাইতেছি। এ-জগতে যথার্থ পাগল পাওয়া ভার। উন্মাদ, ক্ষেপা, বাতিকগ্রস্ত, সেয়ানা—প্রভৃতি পাগল বিস্তর। ঈশ্বরের জগতে বাঁদরের সংখ্যা অনেক, সর্বত্রই তাহারা বিচরণ করিতেছে। হায় রে দু-দশটি যথার্থ পাগল নাই। আমার এই সাধু সংকল্পে তুমি আমার সহায় হইবে, এই ভরসা করি। নিচের বিজ্ঞাপনটি কলিকাতার বড় দুটি কাগজে আজই দিয়া আসিবে। যাহাতে আগামী রবিবার অবশ্যই প্রকাশ পায়। তোমায় টাকা পাঠাইলাম। বিজ্ঞাপন প্রকাশ পাইলেই পাঁচ কপি করিয়া কাগজ কিনিয়া এখানে চলিয়া আসিবে। অন্যথা না হয়। ইন্টারভিউয়ের সময় তোমাকে আমার প্রয়োজন। আশীর্বাদ জানিবে। ইতি তোমার বড়মামা।”

    মা চিঠি পড়া শুনতে শুনতে বলল, “বড়দার মাথাটা একেবারেই গেছে।” বিজ্ঞাপনটা শোনো।…“যথার্থ পাগল চাই। বয়স পঁচিশ হইতে পঁতাল্লিশের মধ্যে হইলেই চলিবে। জাতিধর্মের বিচার নাই। মহিলা পাগলের আপাতত কোনও ব্যবস্থা নাই। নির্বাচিত পাগলদের থাকা খাওয়া ধুতি জামা ফ্রি। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পর মাত্র দশজন পাগলকে নির্বাচন করা হইবে। যথা শীঘ্র পাল্টে আবেদন করিতে হইবে। বিলম্বে হতাশ হইবার সম্ভাবনা। ঠিকানা শ্রীযুক্ত মহাদেব দত্ত। মহাদেব ভবন। যশিডি। বিহার।

     

     

    মা ততক্ষণে গালে হাত দিয়ে মুখ হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছে। কথা বলতে পারছিল না। শেষে কোনও রকমে বলল, “বউদির কপাল। সারাটা জীবন জ্বলেপুড়ে মরল।

    এরপর বউদি যদি কাশী চলে যায়—তার দোষ কী।”

    “যাবে না। দাঁড়াও না আমি যাচ্ছি। মামিকে ম্যানেজ করে ফেলব!”

    “তুই যাবি?”

    “যাব না। বড়মামার হুকুম।’

    “তুই যাবি কেমন করে? অফিস?”

    “ছুটি নেব। শীতের ছুটি। বেড়িয়ে আসি ক’দিন!”

     

     

    “তুইও পাগল!”

    “নরানাং মাতুলক্রম…।” বলে আমি হাসতে লাগলুম।

    দুই

    চেনাশোনা আর বন্ধুবান্ধব না থাকলে কোনও কাগজেই বোধ হয় আমি ওই অদ্ভুত বিজ্ঞাপন বার করতে পারতাম না। টাকা দিয়েও নয়। তা কাগজওয়ালাদের হাসিঠাট্টা হজম করে বিজ্ঞাপনটা বার করা গেল। কৃতিত্ব স্বপনেরই।

    ডিসেম্বর মাস চলছে। কলকাতার গায়েও শীত ধরেছে সবে। বছর শেষের ছুটি নিয়ে নিলাম অফিস থেকে। তারপর যশিডির গাড়ি ধরলাম।

    যশিডি কলকাতা নয়। পৌষ পড়ার মুখে শীত পড়ে গিয়েছিল। আমিও বেশ তৈরি হয়ে এসেছিলুম। গরম জামাকাপড় তো ছিলই, মায় মাফলার, মাংকি ক্যাপও নিতে ভুলিনি।

     

     

    যশিডিতে আমার মামার বাড়িটিকে ভূতের বাড়ি বললেও বলা যায়। পাঁচিল ঘেরা মস্ত সীমানা। যদিও পাঁচিলের অনেক জায়গা ভেঙে পড়েছে। পুরনো হয়েছে তার চেহারা, শ্যাওলা ধরেছে, কালো হয়েছে, ফাটলের গায়ে গায়ে লতাপাতা। মামা সদ্যসদ্য পাঁচিল সারানোর কাজে মিস্ত্রিমজুর লাগিয়েছে দেখলাম। গাছে গাছে চারিদিক ভরা।

    ইউক্যালিপটাস, দেবদারু, আম, জাম, নিম—কী নয়। ফুলবাগান নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, আবার নতুন করে বাগান তৈরি হচ্ছে। দক্ষিণের দিকে এই বাংলো বাড়ি। বড়ই। পেছনে কুয়ো। পুবে একটা ব্যারাক গোছের বাড়ি। তা ছোট নয় তেমন, ঘর বারান্দা রয়েছে। এই বাড়ির কাজেও সবে মিস্ত্রিমজুর খাটতে শুরু করেছে দেখলুম। মামা ওখানেই পাগল-পালন নিবাস বা আশ্রম খুলবে। আমার বড়মামা ছিল পুলিস-দারোগা। জীবনে একটাও চোর-ছ্যাঁচড় ধরেনি। ডাকাতও নয়। থানায় যাদের ধরে আনা হত মামা তাদের “জিলাবি”, “বুদিয়াকা লাড্ডু”, “নিমকিন” খাওয়াত। ফলে মামা যখন যেখানে রাজত্ব করেছে, চোর ছ্যাঁচড়া খুব শান্তি-স্বস্তিতে ছিল। বড় চুরি করত না। লজ্জা পেত। হোলিতে মামাকে মিষ্টি-মাস্টার ভেট দিয়ে যেত খুশি হয়ে।

    এ হেন মামার কিন্তু বেশ নাম হয়েছিল। সবাই ডাকত মহাদেব দাগাজি বলে। দাগাজি মানে দারোগাজি। চাকরিতে দশ ঘাটের জল খেয়ে বড়মামা যখন রিটায়ার করল, তখন যশিডির এই পুরনো বাড়িটাই কিনে ফেলল। বাড়িটা এক অ্যাংলো ইন্ডিয়ান সাহেবের। সাহেব ছিল না, মেমসাহেব জলের দরে বাড়ি জমি বাগান সব বেচে দিয়ে চলে গেল কানপুর। বড়মামা তার জনা চারেক পুষ্যি নিয়ে জাঁকিয়ে বসল বাড়িটাতে। দাদুর রেখে যাওয়া টাকা-পয়সা আর মামার গচ্ছিত মিলে ভালোই জমেছিল ব্যাংকে। মামা-মামির কোনও সন্তান নেই। আছে কালুদা, রামভরত, গোপিয়া আর করুণাদি।

     

     

    বাড়িতে ঢুকেই মামা কয়েকটা কাজ সেরে নিয়েছিল। ‘লিলি লজ’ নাম পাল্টে বাড়ির নাম করেছিল ‘মহাদেব ভবন’ বসার ঘরে মস্ত মস্ত ছবি টাঙ্গিয়েছিল শ্রীকৃষ্ণ, বুদ্ধ, যিশুর, ছিল রামকৃষ্ণদেবের ছবি, বিবেকানন্দর। আর আমার দাদুর। দিদিমার।শোবার ঘরেরও পাল্টে ছিল কিছু কিছু। মামির রান্নাঘর হয়েছিল এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত। পাখি, কুকুর, বেড়াল—মামার না ছিল কি! মামার আদরের কুকুরকে মামা ডাকত, ‘গোল্ডি’ বলে। মানে, ওরে আমার সোনা। কুকুরটা ষোলো আনা নেড়ি খালি খেত, আর ঘুমিয়ে থাকত। কাউকে কামড়াত না। ঘরে ব্যাঙ ঢুকলে সে-বেটা ভয়ে লেজ গুটিয়ে পালাত। আমি বছরে বার দুই তিন মামার কাছে আসতাম। মামা যে আমাকে ভালোবাসে। মামিও।

    তিন

    বাড়ি আসতে-না-আসতেই মামা বলল, “এসেছিস! বাঁচালি !”

    “তোমার বিজ্ঞাপন বেরিয়ে গেছে।”

    “জানি। অল রেডি তিনটে চিঠি এসে গিয়েছে। আরও আসবে। তবে বুঝলি ঝন্টু, ওই যথা শীঘ্র কথাটা বদলে দিলেই হতো। ওই আরও সাতটা দিন গ্রেস দিয়ে একটা তারিখ থাকা দরকার ছিল। লোকে দেখবে, তবে না দরখাস্ত করবে।”

     

     

    “লোকে নয় মামা, পাগলে দেখবে—তবে না—”

    “ইয়েস ইয়েস। তা তুই দশ-পনেরোটা দিন থেকে যা।” “দেখি !”

    “দেখি কিরে! এতবড় কাজ! তুই না থাকলে চলে?” “মামির খবর কী?”

    ‘দেখে আয়! বাক্স গোছাচ্ছিল! কাশী যাবে!” আমি বললুম— “যাবে যাও কাশী, আই ডোন্ট কেয়ার, বাজার আমি চিনি।” মামি না থাকলে মামার চলে না।

    তবে হ্যাঁ, মামা বাঁশি বাজাতে জানে। আড় বাঁশি। অনেকে তাই মামাকে বাঁশি দারোগাও বলত আড়ালে।

    মামার কাছ থেকে মামির কাছে গিয়ে দেখলুম, তুলসিপাতা গোলমরিচ আদার রস দিয়ে মামি এক ঘটি চা করছে। বলল, “তোর গলা পেয়েছি। নুটু কেমন আছে? তোর বাবা? বাড়ির আর কী খবর?”

    খবরাখবর দিয়ে বললুম, “তুমি কাশী যাচ্ছ? মা আমাকে পাঠাল। বলল, তোর মামি কাশী যাচ্ছে। তুই সঙ্গে যা। কাশীতে এখন ভীষণ প্লেগ লেগেছে। কখন কী হয়?”

     

     

    মামি আঁতকে উঠে বলল, “প্লেগ! কই শুনিনি তো!”

    “শুনবে কোথা থেকে! ওদিককার কাগজ কি এদিকে আসে! তারপর গভর্নমেন্ট রয়েছে না, প্যানিক ছাড়িয়ে যাবে বলে সব চেপে দিচ্ছে।”

    “ও! তা প্লেগে মরা ভালো, তবু পাগলের হাতে মরা ভালো না।” মামির কথায় হাসতে হাসতে দম বন্ধ হয়ে যায় আর কি !

    মামি বলল, “যা, এই লোটা আর গ্লাসটা তোর মামাকে দিয়ে আয়। ঠাণ্ডা লাগিয়েছে বুড়ো। গলায় ইঞ্জিনের ভোঁ বাজছে। বসে বসে খাক।…আর তুই হাতমুখ ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে আয়। চা-টা খেয়ে নে।”

    মামি আর মামা দুজনেই আকারে সমান। প্রায় গোলাকার। মামি বেশি গোল। খানিকটা বেঁটে। মামির গায়ের রং এই বয়সেও কী ফরসা। চোখমুখ যেন মা দুর্গার ছাঁদের মতন। মাথার চুলও সব সাদা ।

     

     

    মামার রং মামির চেয়ে কম ফরসা। মাথায় মামা মাঝারি। চোখমুখ নিরীহ ভালো মানুষের মতন। মাথায় চুল বেশি নেই। মাঝখানে টেরি। মস্ত একটা গোঁফ রাখে মামা। দারোগা গোঁফ রাখে মামা। দারোগা গোঁফ। এখনও মামা খাকি হাফ প্যান্ট, কলার তোলা গেঞ্জি, নরম চপ্পল পরে প্রায়ই বসে থাকে বাড়িতে। বাইরে ফুল প্যান্ট। পাজামাও পরে মামা।

    চায়ের লোটা গ্লাস নিয়ে এসে মামাকে দিলাম। বললাম, “কই, মামি তো কাশী যাচ্ছে না!”

    মামা বলল, “বললাম তো তোকে। মুরোদ আমার জানা আছে বুড়ির।”

    চার

    সাতদিনের মাথায় হিসেব করে দেখলুম, একশো পঁয়ত্রিশটা চিঠি এসেছে।

    আজকাল ডাকঘর মানে গুমঘর। বারো আনাই গুম হয়ে যায়। উত্তরপাড়া থেকে কলকাতা চিঠি আসতে—যদি একান্তই আসে—পাক্কা একুশ দিন। বউবাজার থেকে শ্যামবাজার পাঁচ দিন। তা আন্দাজ করে দেখলে মনে হয়, নয় নয় করেও অন্তত শ’চারেক চিঠি ছাড়া হয়েছিল মামার ঠিকানায়। পেয়েছি মাত্র একশো পঁয়ত্রিশ।

     

     

    মামা বলল, “নট ব্যাড দেড়শো হলেই ইন্টারভিউ শুরু করব।”

    বললাম, “মামা, আমার ছুটি ফুরিয়ে যাবে। আর মাত্র ছ’সাত দিন হাতে আছে।”

    “ছুটি বাড়িয়ে নে। আরও সাতটা দিন। ভাগ্নে, সৎ কাজে ভাগ্নেরাই মামাদের সহায় হয়। ইন্টারভিউয়ের চিঠি ছাড়া শুরু কর। জাস্ট সাতদিন পরে থেকে ইন্টারভিউ নেব। দিনে পনেরো কুড়ি। যারা আসবে তারা রাহা খরচ পাবে। পঞ্চাশ টাকার বেশি নয়। আর এখানে ইন্টারভিউ দিতে আসবে সকালবেলায়, দুপুরের খাওয়া পাবে—রুটি, ডাল, কুমড়োর ছক্কা, গুড়। ব্যস–আর কিছু নয়। সে চিঠি ছাড়তে শুরু কর আজ থেকেই।” অত চিঠি লিখবে কে? মামা বলল, কার্বন কপি কর, শুধু নাম ঠিকানাটা পাল্টে দিবি। বুঝলি? যথেষ্ট বুঝলাম।

    ওদিকে আউট হাউস অনেকটাই সারানো হয়ে গেছে। পাগলরা থাকবে তো! ঘরের ভেতর চুনকাম চলছিল। গোটা দশেক দড়ির খাটিয়া এসে হাজির হয়েছে। বিছানাপত্র কম্বলের ব্যবস্থা হচ্ছে।

    মামি সবসময় ফুঁসছে। বলছে, “ওই ঘরে কেউ থাকুক না থাকুক—আসল পাগলকে আমি তালা বন্ধ করে রেখে দেব। জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিল আমায়! বাবা গো, তুমি একবার দেখে যাও— কী হাল হয়েছে আমার।” মামা আছে নিজের মতন। আউট হাউসের কাজ দেখছে, দেওঘর থেকে সতরঞ্জি আর কম্বল কিনে আনাচ্ছে পাগলদের বিছানার জন্যে, ওদিককার কুয়োতলা পরিষ্কার করিয়ে ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়েছে একগাদা !

     

     

    এরই ফাঁকে ফাঁকে মামা আমার সঙ্গে পরামর্শ করে নিচ্ছে, ইন্টারভিউটা কীভাবে নেওয়া যায়? লিখিত প্রশ্নের উত্তর তো সবাই দিতে পারবে না—কারণ লেখাপড়াই হয়তো জানে না তারা। তখন লিখিত প্রশ্নের পঞ্চাশ নম্বর কীভাবে অ্যাডজাস্ট করা যাবে! মৌখিক প্রশ্ন নিয়ে অবশ্য সমস্যা নেই।

    মামা বলল, “ঝন্টু, যারা লেখাপড়া জানে না তাদের প্রতি আমাদের মানবিক কর্তব্য আছে। নয় কী?’

    সাধু বাংলা, সাধু প্রস্তাব। বললাম, “তা আছে।”

    মামা বলল, “তাহলে ওদের মণ্ডল কমিশনের অ্যাডভানটেজ দিতে হবে! ঠিক কিনা!”

    হাসতে গিয়ে আমার পাজামার কোমরের দড়ি ছিঁড়ে গেল!

    পাঁচ

    দশ দিনের মাথায়, মানে আমি যশিডি আসার সতের দিনের মাথায় শুরু হল ইন্টারভিউ। মামা বাংলো বাড়ির বারান্দায় টেবিল খাতা কাগজ কলম রুল, ফিতে হান্টার, বেঁটে দূরবীন মানে বাইনাকুলার, কিছু কলা, ভিজে ছোলা—আরও কত কী নিয়ে বসে আছে।

     

     

    পাশের চেয়ারে আমি।

    আউট হাউসের দিকে জনা কয়েক পরীক্ষার্থী পাগল।

    মামা ঘড়ি দেখল! বেলা ন’টা।

    কালুদা সামনে দাঁড়িয়ে।

    মামা বলল, “ঝন্টু, আরম্ভ করা যাক।”

    “হ্যাঁ, শুরু হোক।”

    মামা কালুদাকে বলল, “যাও নিবারণ গুইকে ডাক।”

    নিবারণ গুঁই এল।

    তালপাতার সেপাই। পরনে পাজামা, গায়ে ছেঁড়া জামা, তার ওপর এক বেখাপ্পা সোয়েটার, একটা খদ্দরের চাদর কোমরের কাছে বাঁধা।

    মামা শুরু করল।

    “নাম কী হে তোমার?”

    “নিবারণ গুঁই!”

    “বাবার নাম!”

    ‘পতিতচরণ গুই।”

    “দেশ বাড়ি কোথায়?”

    “জেলা গোড়া, বাঁকুড়া…।” “কী কর তুমি?”

    “আজ্ঞে, কিছু করি না।”

    “লেখাপড়া জান ? ”

    “না আজ্ঞা।”

    “তুমি যে ঠিকঠাক পাগল তার প্রমাণ কী?”

    “এত জানা কথা সাহেব! আমার বাপ পাগল ছিল বটে, ঠাকুরদাও পাগল ছিল। আমরা পাগলের বংশ। মায়ের দিক থেকেও তিন পুরুষ।’

    “…তোমার বনেদিআনা আছে। ভালো কথা। এবার বাপু এই বারান্দায় হাঁট তো।” নিবারণ হাঁটতে লাগল। মামা টেবিল থেকে বাইনাকুলার তুলে নিয়ে তাকে দেখতে লাগল। হাঁটা শেষ হল। মামা হঠাৎ দুটো কলা নিয়ে এগিয়ে দিল।

    “আচ্ছা!…এই কলাজোড়া খাও তো হে!” নিবারণ সামনে এসে কলা নিল। নিয়ে পিছিয়ে গিয়ে খোসা ছাড়াতে লাগল ।

    “খাব আজ্ঞা?”

    “বললাম তো, খাও!”

    কলা খেয়ে নিবারণ হাতের মুঠোয় খোসা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল।

    মামা হঠাৎ কালুদাকে ডাকল। ডেকে হান্টারটা এগিয়ে দিল। বলল, “ওর পিঠে দশ ঘা লাগা। জোরে জোরে।” নিবারণ আঁতকে উঠল। “আজ্ঞা মশায়, চাবুক খাব?

    কেন? কী অপরাধ করলাম?”

    মামা বলল, “বেটা, কলা খেয়ে খোসা হাতে নিয়ে তুমি দাঁড়িয়ে আছ, তুমি পাগল! আমায় ঠকাতে এসেছ! আমি খাঁটি পাগল চিনি না! তোমার হাঁটা দেখে বুঝেছি—তুমি ছিঁচকে চোর। পা টিপে টিপে হাঁট। তুমি পাগল নও। কোন পাগল কলার খোসা হাতে দাঁড়িয়ে থাকে হে।…যাও, বেরিয়ে যাও। জোচ্চোর কোথাকার।…ঝন্টু, ওর রাহা খরচ বিশ টাকা দিয়ে দাও। গেট আউট। কালু, ওর ডালরুটি ওকে দিয়ে দেবে, বেলা বারোটায়। যাও তুমি! হতভাগা!”

    নিবারণ চলে গেল। তারপর এল নীলমণি সাহানা। মামা বলল, “লেখাপড়া জান?”

    “অল্পস্বল্প। আট ক্লাস।”

    “এই নাও কাগজ পেন্সিল।”

    নীলমণি কাগজ নিল।

    “নাও লেখ। কণ্টক রণ্টন লুণ্ঠন অবগুণ্ঠন…।”

    নীলমণি লিখল।

    “দাও দেখি।”

    মামা কাগজ নিয়ে দেখল।

    বলল, “তুমি কিসের নেশা কর হে নীলুবাবু? গাঁজা, না গুলি।”

    “করি না ঠাকুর। কালেভদ্রে খাই।”

    “গাঁজা?”

    নীলমণি মাথা নিচু করল।

    মামা বলল, “নীলবাবা, তুমি বেশ পণ্ডিত। বানান যা লিখেছ! পাগল তো নও বাবা তুমি। বুদ্ধি ধর। তা তুমি ফক্স মানে জান?”

    “ফ-কস” “হ্যাঁ, ফক্স!”

    “শুনেছি বাবা…”

    “শুনেছ বটে, এবার জেনে যাও। তুমি একটি স্লাই ফক্স। মাগনায় খাওয়া-পরার লোভে পাগল সাজতে এসেছ!…তোমার তো সাহস কম নয়। আমি বত্রিশ বছর পুলিসে ছিলাম। মহাদেব দারোগা। আমায় ফাঁকি দেবে। কালু, বেটাকে দশ ঘা দে ! জোরে জোরে।”

    নীলমণি লাফ মেরে দু পা সরে গেল ।

    “আমি কিছু বুঝতে লারছি বাবা!”

    মামা বলল, “লারবে বটে! চাবুক খাও—তারপর বুঝবে। তুমি রাস্কেল বানান লেখার নাম করে আমায় তেল মেরেছ। লিখেছ কী হে! বাবা আপনি ভগবান। বেটা আমি ভগবান। ভগবান গাছে ফলে! কালু, মার বেটাকে—দশ চাবুক, গায়ের ছাল তুলে দে…।”

    নীলমণি লাফ মেরে বারান্দার নিচে। তারপর দে দৌড়।

    ছয়

    মামার ইন্টারভিউ চলতেই লাগল। পাঁচ সাতজন করে আসে ওরা। নানা জাতের পাগল-ছাগল, ছিটেল, ধূর্ত ধান্ধাবাজরা। আজকালকার দিনে যশিডির মতন জায়গায় মাগনায় থাকা-খাওয়া—আসবে না কেন! মামা তাদের হরেক কায়দায় পরীক্ষা করে। কাউকে ওঠবোস করায় পঞ্চাশবার, কাউকে বলে নাচতে, কাউকে বলে ডিগবাজি খাও তিরিশবার, কাউকে দশ ঘটি জল ঢকঢক করে খেয়ে হামাগুড়ি দিতে বলে।

    এইসব দেখে-শুনে আমি বললাম, “মামা তুমি যে ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় করে ফেললে। এত পাগল আসছে, তোমার পছন্দ হচ্ছে না?”

    মামা হাতের কাগজ দেখিয়ে বলল, “কেমন করে হবে বল এরা কেউ একশোর মধ্যে তিরিশ নম্বরও পাচ্ছে না। পাস মার্ক বলে একটা কথা আছে তো!”

    “গ্রেস দাও। আমাদের টাইমে গ্রেস ছাড়া কিছু হয় না।”

    “তাই দেব।…আর দুটো দিন দেখি।”

    শেষ পর্যন্ত এল বংশী মণ্ডল।

    দেখার মতন চেহারা। আবির্ভাবও চোখ চেয়ে দেখতে হয়। মানুষটা ঢেঙা, রং কুচকুচে কালো, টকটকে লাল চোখ, একগাল খোঁচা খোঁচা দাড়ি। পরনে তাপ্পিমারা জিনসের প্যান্ট, গায়ের ছেঁড়াফাটা জামার চারদিকে নানা ছাপছোপ। একটা হাত-কাটা বেয়াড়া কোট গায়ে। মাথায় জকি ক্যাপের মতন এক টুপি। লোকটার দু কাঁধে দুই বিচিত্র জিনিস ঝুলছে। এক কাঁধে দড়ি দিয়ে বাঁধা একটা মোটরগাড়ির প্যাঁক-প্যাঁক হর্ন, আর অন্য কাঁধে এক হাঁড়ি ঝুলছে। বোধহয় অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি। কিন্তু এত চিট-কালো যে বোঝাই যায় না ওটা কিসের। হাঁড়ির মুখ ঢাকা। পাশে কয়েকটা ফুটো।

    মামার কাছে এসেই বংশী স্যালুট করার ভঙ্গিতে মাথায় হাত ঠেকিয়ে বলল, “গুড ইভনিং স্যার!” বলার আগে অবশ্য মাথার জকি-টুপিটা খুলে নিয়েছিল। আহা সে কী চুল! সজারুর কাঁটা বললেও চলে। বংশীর কথা শুনে আমি থ। সকাল বেলায় গুড ইভনিং!

    মামা গম্ভীর হয়ে বলল, “গুড ইভনিং!”

    “নেম”

    “বনশি মনডিয়াল।”

    “মণ্ডল!”

    “ইয়েস স্যার।”

    “বাবার নাম?”

    “আয়েসা মনডিয়াল।”

    “আয়েসা! সে তো মেয়েদের নাম।”

    “ওয়ান মিনিট স্যার।” বলে লোকটা তার কাঁধ থেকে হাঁড়ি আর হর্ন নামিয়ে রাখল। রেখেই এক ডিগবাজি। তারপর দু’হাত মাটিতে রেখে মাথা নিচু পা উঁচু করে থাকল সামান্যক্ষণ। আবার সোজা হয়ে দাঁড়াল। দাঁড়িয়ে মাটি থেকে পাঁচানো প্যাঁক প্যাঁক হর্ন তুলে নিয়ে কানে রেখে বাজাল বার কয়েক।

    আমি একেবারে হাঁ।

    বংশী এবার হাসল। বলল, “বাবার নাম ফকিল মনডিয়াল।”

    মামা যেন একটু থমকে গিয়েছিল। বলল, “তুমি ওটা কী করলে? খেলা দেখাচ্ছ!” “নো স্যার। আমার মাথার ঘিলু সাইড চেঞ্জ করে।”

    “সে কী হে”

    “হ্যাঁ স্যার।…ওয়ানস আপন এ টাইম–আমার এই মাথায় একটা ডাব পড়েছিল। ফ্রম এ গ্রেটহাইট। বাড়ির বাগানে স্যার আমি একেবারে অজ্ঞান। থ্রি ডেজ। তখন থেকেই মাথার ঘিলু সরে গেছে। ঘিলুটাকে জায়গায় আনতে হলে ওটা করি।

    মামা বড় বড় চোখ করে আমায় দেখল।

    “ঘিলু প্লেসিং। ঝন্টু, টেকনিক্যালি পারফেক্ট, কী বলিস! প্রথমে প্লেসিং, তারপর হর্ন মেরে অ্যাডজাস্টমেন্ট!” বলেই মামা বংশীর দিকে তাকাল। “তুমি কী করতে হে?”

    “মালি স্যার। চার্চে মালিগিরি।”

    “ক্রিশ্চান?”

    “ইয়েস স্যার।”

    “লেখাপড়া জান?”

    “ভেরি লিটল!”

    “বাংলা ইংরেজি…!”

    “এক যে ছিল মা তার ছয়টি ছাঁ—জানি স্যার! রাট ক্যাটানি।”

    মামা বেশ খুশি হয়ে উঠছিল। বলল, “তুমি কী কী জান?”

    “গার্ডেন করতে জানি স্যার। কাগজের পাখি ফুল করতে পারি। দুধ-আণ্ডা করতে জানি।”

    “দুধ-আণ্ডা কি হে?”

    “ডিম ফেটিয়ে দুধ আর চিনি মিশিয়ে মামলেট করতে হয় স্যার। খেতে ভালো।” “তুমি নিজে কী খাও?”

    “যা পাই খাই। মাংস খাই না।”

    “কেন?”

    “ঘিলু গরম হয়ে যায়।”

    “আচ্ছা!…..তা তুমি আর কী কী পার?

    “কমসম সবই পারি স্যার।”

    “তোমার হাঁড়িতে কি আছে হে?”

    “দেখবেন?”

    “কী আছে বল তো আগে?”

    “সেভেন নেংটিস সাত ভাই চম্পা…”

    “সাত ভাই…”

    “আমার পোষা সাতটা নেংটি ইঁদুর স্যার। দেখবেন? দেখুন না। হাঁড়ির মুখ তুলে মাটিতে নামিয়ে দিচ্ছি। ইঁদুরগুলো কোথাও যাবে না। আমার পাশে বসে থাকবে।”

    বলতে বলতে বংশী মাটিতে বসে তার হাঁড়ির মুখের ওপর থেকে ঢাকা সরিয়ে একটা একটা করে ইঁদুর বার করে আশেপাশে রাখতে লাগল। ইঁদুরগুলো সত্যিই নেংটি, ছোট ছোট। তারা একটু নড়ল না। আশ্চর্য!

    মামা হঠাৎ বলল, “ওগুলো তো মাটির হে! আসল ইঁদুর কই ! ”

    বংশী নিজের মনেই ইঁদুরগুলো নানাভাবে রাখছিল আর বলছিল, “না স্যার। এগুলো আসল। আপনি বুঝতে পারছেন না। সকালবেলায় এদের একটু আফিংয়ের ঝিম থাকে। মুড়িগুঁড়োর সঙ্গে আফিংয়ের জল মিশিয়ে দিই কিনা। এখন এরা ঘুমোচ্ছে। রাত্তিরে দেখবেন জেগে গেছে। ঘরময় লেজ তুলে খেলে বেড়াচ্ছে। দিনে এরা ঘুমোয়।” বলতে বলতে বংশী একটা একটা করে ইঁদুর তুলে নিয়ে আবার হাঁড়িতে রেখে দিল।

    মামা বললেন, “বংশী, তুমি যথার্থ পাগল। খুব আনন্দ পেলাম। তুমি এখানে থাকবে। তোমাকে নিয়েই শুরু করব।” বলে আমার দিকে তাকালেন। “ঝন্টু, এই হল আসল। ওর কোনও নকল নেই। ইঁদুরের মতো জীবকে র‍্যাটকিলার না খাইয়ে খাওয়ায়। আহা প্রাণে কত মায়া! এত এতদিনে মনের মতন পাগলা পেয়েছি।”

    মাসখানেক পরে বড়মামার চিঠি পেলাম কলকাতায়।

    “ঝন্টু, গত রবিবার বংশী আমাদের ছাড়িয়া চলিয়া গিয়াছে। যাইবার সময় আমার দুটি প্যান্ট, একজোড়া কেডস, ঘড়ি, ট্রানজিস্টার, রেডিয়ো, ক্যামেরা ও কিছু চুরুট লইয়া গিয়াছে। তোমার মামির বিশেষ কিছু নেয় নাই। গরম শাল ও পঞ্চাশটি টাকা মাত্র। বংশী চলিয়া যাওয়ায় আমার বড় ফাঁকা ফাঁকা লাগিতেছে। এমন একটি মানুষ আবার কবে দেখিতে পাইব জানি না ।”

    চিঠি পড়ে বড়মামার জন্যে আমারও বড় দুঃখ হচ্ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article বিমল কর সাহিত্যের সেরা গল্প

    Related Articles

    বিমল কর

    কাপালিকরা এখনও আছে – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    রাজবাড়ির ছোরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    ঘোড়া সাহেবের কুঠি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    সেই অদৃশ্য লোকটি – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    শুদ্ধানন্দ প্রেতসিদ্ধ ও কিকিরা – বিমল কর

    October 30, 2025
    বিমল কর

    কিকিরা সমগ্র ১ – বিমল কর

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }