Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤷

    দিঘা সৈকতে আতঙ্ক – ১

    এক

    বাপ্পার চোখদুটো আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

    পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে এইরকম একটা সুযোগ এসে যাবে, তা ও ভাবতেও পারেনি। অঘ্রাণের এই সোনাঝরা দিনে দিঘা সৈকতের হাতছানি ওকে যেন পাগল করে তুলল।

    ওয়ারেন হেস্টিংস একদা যে দিঘাকে আবিষ্কার করেছিলেন এবং আজও যে দিঘার আকর্ষণে শতসহস্র মানুষ ছুটে যায়, সেই স্বপ্নের দিঘায় বেড়াতে যাবার সাধ কি ওর একদিনের? ওরই স্কুলের রঞ্জন, পিনাকী, দেবাশিস ওদের বাবামায়ের সঙ্গে কতবার দিঘা গেছে। তাদের মুখে কত গল্প শুনেছে ও। তা ছাড়া ওদের এলাকা থেকে রিজার্ভ বাস তো বছর-বছরই ছাড়ে। বছরের প্রায় সব সময়ই একটা না একটা দীঘা স্পেশাল’ ছেড়েই থাকে। দলে দলে লোক যায়। দিঘা সৈকতে ভ্রমণ করে অপার আনন্দ নিয়ে ফিরে আসে। আর খবরের কাগজগুলো তো দিনের পর দিন লোভনীয় বিজ্ঞাপনে সুন্দরী দিঘায় আসার আমন্ত্রণ জানায় মানুষকে। সেই সব বিজ্ঞাপনের স্কেচ দেখে, এরওর মুখে গল্প শুনে, মনে মনে দিঘা সম্বন্ধে একটা ধারণাই করে ফেলেছে বাপ্পা। তাই মা’র মুখে দিঘার কথা শুনেই লাফিয়ে উঠল সে। আনন্দের উচ্ছ্বাসে মায়ের দু’হাত আঁকড়ে ধরে বলল, সত্যি! কবে যাবে মা?

    বাপ্পার মা সুজাতাদেবী সস্নেহে ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললেন, বাপি সন্ধের পর বাড়ি আসুক। তারপর দিনটা ঠিক হবে। যদি ছুটি পান তো কালই।

    মা! আবেগে বাপ্পার গলা দিয়ে যেন শব্দ বেরোতে চায় না। সত্যি বলছ বাপি যদি ছুটি পান তো কালই?

    হ্যাঁ রে হ্যা। যদি ছুটি পান তো কালই। না হলে যেদিন ছুটি পাবেন সেদিনই, মোটকথা তোর বাপি এতদিনে রাজি হয়েছেন দিঘায় যেতে।

    আনন্দে অভিভূত বাপ্পা ঘরে বসেই যেন ওর মানসচোক্ষে সমুদ্রকে দেখতে পেল।

    বাপ্পার বাবা কলকাতার গোয়েন্দা পুলিশের একজন পদস্থ অফিসার। নাম অসমঞ্জ রায়। এমনিতে পুলিশের লোক বলতে সাধারণত যেরকম হয়, উনি কিন্তু তার সম্পূর্ণ বিপরীত। অত্যন্ত সাদামাটা সুদর্শন লোক। মুখে হাসিটি লেগেই আছে সবসময়। স্ত্রী সুজাতাদেবী এবং বারো বছরের বাপ্পাকে নিয়ে সুখের সংসার। এই সৎ ও ভদ্র মানুষটি অঞ্চলের সকলের কাছেই অত্যন্ত জনপ্রিয়। যাই হোক! মা’র মুখে দিঘার কথা শোনার পর বাপ্পা যেন অস্থির হয়ে উঠল।

    বাপি যে কখন সন্ধের পর বাড়ি আসবেন, সেই আশাতেই অধীর হয়ে উঠল সে। আনন্দের বন্যাটা মনের মধ্যে প্রবল বেগে আলোড়িত হলেও, সেটা অবশ্য ছড়িয়ে পড়তে পারল না। তার কারণ, ওই যে মা বললেন ‘যদি ছুটি পান তো কালই।’ কিন্তু যদি ছুটি না-পান? তা হলে? তা হলে কবে, কতদিনে? দিন স্থির করলেও কি যাওয়া হবে? হয়তো তখন এমন একটা জরুরি কাজ এসে পড়বে যে, যাত্রা স্থগিত রেখে বাপিকে তখন ছুটির দিনেও ছুটোছুটি করতে হবে।

    তাই এক দারুণ উত্তেজনায় ছটফট করতে লাগল বাপ্পা। অথচ বাপিটা কী! আগে থেকে অফিসকে না জানিয়ে কিছুতেই অফিস কামাই করবেন না। বাপি নিজেই তো বলেন, সারা বছরের কত ছুটিই তাঁর পচে যায়। বাপ্পা ভেবেই পায় না ছুটি কী করে পচে। ছুটি কি আলু, না বরফচাপা মাছ? ছুটি-ছুটিই। তবুও বাপির ছুটি নাকি পচে যায়। যাই হোক, বাপি আগে থেকে অফিসকে না-জ়ানিয়ে ছুটি নেবেন না। এবং রবিবার বা অন্য কোনও ছুটির দিন কোথাও বেড়াতে যাবেন না। বাপির ধারণা ছুটির দিনে নাকি কোনও বেড়ানোর জায়গায় যেতে নেই। তা হলে নাকি খুব একটা ভিড়ভাট্টার মধ্যে পড়ে যেতে হয়। অনেক সময় পছন্দমতো ঘর পাওয়া যায় না। সত্যিই কি? হয়তো তাই। বাপি তো অনেক বোঝেন। বাপি বুদ্ধিমান লোক। তবে বাপ্পা যদি বাপির মতো হত, তা হলে যখন যেখানে মন চাইত, চলে যেত।

    যাই হোক, সারাদিনের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হল বিকেল চারটেয়। অসমঞ্জবাবু বাপ্পাকে চমকে দিয়ে হঠাৎই এসে পড়লেন বিকেলে। বাপ্পা বাপিকে দেখেই অবাক হয়ে বলল, কী হল বাপি! তুমি এত সকাল-সকাল ফিরলে যে?

    অসমঞ্জবাবু সস্নেহে বাপ্পাকে কাছে টেনে নিয়ে বললেন, রোজই তো দেরি করে আসি। তাই আজ একটু সকাল করেই, ফিরলাম। বলে বাপ্পার চিবুক ধরে একটু আদর করে বললেন, কেন, মামণি কিছু বলেননি তোমাকে?

    হ্যা। তুমি ছুটি পেয়েছ বাপি?

    পেয়েছি।

    তা হলে কালই যাচ্ছি আমরা?

    কালই। খু-উ-ব সকালে। তুমি কিন্তু আজ একটু তাড়াতাড়ি ঘুমোবে এবং কাল খুব ভোরে উঠবে। অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমিয়ে রোদ উঠলে তারপর উঠবে, এইরকম যেন করবে না, বুঝলে?

    না-না-না। তুমি দেখে রেখো, আনন্দে হয়তো আমার সারারাত ঘুমই হবে না।

    আমি খু-উ-ব ভোরে উঠব। তোমরা ওঠার অনেক আগেই উঠে পড়ব আমি। আমিই তোমাদের ঘুম থেকে ডেকে তুলব।

    অসমঞ্জবাবু ঘরে এসে মুখহাত ধুয়ে জামাপ্যান্ট ছেড়ে সোফায় দেহটা এলিয়ে দিলেন। বাপ্পার মা সুজাতাদেবী কফি আর টোস্ট এনে বললেন, তা হলে কালই যাচ্ছ তো?

    বাপ্পার বাবা সম্মতিসূচক ঘাড় নাড়লেন।

    এদিকে ছেলে তো শুনেই লাফালাফি শুরু করে দিয়েছে। না-গেলে দারুণ মন খারাপ হয়ে যেত ওর।

    অসমঞ্জবাবু টোস্টে কামড় দিয়ে হাসিমুখে কফির পেয়ালায় চুমুক দিয়ে বললেন, তোমার মন খারাপ হত না? তারপর বললেন, দিন চারেকের মতো ছুটি পেয়েছি। অনেকদিন ধরেই যাব যাব ভাবছি, অথচ যাওয়া আর হয়ে উঠছে না। তা ছাড়া বাপ্পাটা প্রায়ই দিঘা দিঘা করে। পুরী তো তিন-চার বার গেলাম। এবার দিঘাতেই যাই। পশ্চিম বাংলার উপকূলে এমন চমৎকার সমুদ্রসৈকত রয়েছে অথচ আমরা অবহেলা করে যাই না।

    সুজাতাদেবী বললেন, আমরা অবহেলা করে যাই না বলতে যদি তুমি আমাদের পরিবারের কথা বলো, তা হলে অবশ্য আলাদা। না হলে আমরা সবাই দিঘায় যেতে চাই। দলে দলে মানুষ দিঘার হাতছানি পেয়ে দিঘার ছুটছে। তুমিই শুধু বলো পুরীর কাছে দিঘা! তুমিই তো বলো, কী আছে দিঘায়? গঙ্গার জলের মতো ঘোলা জল, ছোট ছোট ঢেউ, একেবারে বাজে জায়গা। ওতে সমুদ্র দেখার সাধ মেটে না। দিঘায় যাওয়া মানেই গঙ্গার বড় একটু আকার দেখতে যাওয়া।

    বাপ্পা চোখদুটো বড় করে বলল, সেকথা ঠিক। শুধু বাপি কেন, অনেকেই সেকথা বলে। পুরীর কাছে দিঘা হয়তো কিছুই নয়। তবুও দিঘা দিঘাই। দিঘার কোনও বিকল্প নেই। জানো বাপি, আমি শুনেছি দিঘায় অনেক ঝাউবন আছে। খুব ঘন ঝাউবন। দিঘায় অনেক উঁচু উঁচু বালিয়াড়ি আছে।

    সুজাতাদেবী বললেন, এই তো সেদিন কীসে যেন পড়লাম, দিঘা উন্নয়ন পরিকল্পনা দিঘাকে আরও মনোরম, আরও সুন্দর করে গড়ে তুলতে চারশো চুয়াল্লিশ একর জায়গা নিয়ে দিঘাকে সৌন্দর্যময়ী করে তুলছেন। এখানে তৈরি হবে ডিয়ার পার্ক। সুন্দর একটি মিনি বোটানিক্যাল গার্ডেন। একশো একর জায়গা নিয়ে তৈরি হবে একটি কৃষি গবেষণাগার। সে যাই হোক, দিঘার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল সমুদ্র এবং তার সুন্দর শক্ত ও মসৃণ সৈকত। হাঁটলে পায়ে কাদা লাগে না। সমুদ্রপ্রেমিক পর্যটকরা দিঘার সি বিচকে পৃথিবীর বিখ্যাত ‘মিয়ামি সি বিচের’ সঙ্গেও তুলনা করেন।

    বাপ্পা তার ডাগর-ডাগর চোখ মেলে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়েছিল এতক্ষণ, সব শুনে বলল, বলো কী! ‘মিয়ামি সি বিচের’ কথা বইতে পড়েছি। রেডিয়োতেও একদিন শুনছিলাম। তার সঙ্গে দিঘার তুলনা! আজকেই কাগজে পশ্চিমবঙ্গ সরকার দিঘা সৈকতের একটা ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন ছেপেছে। দেখবে? বলেই ফুড়ুত করে ঘর থেকে উধাও হয়ে গেল বাপ্পা।

    অসমঞ্জবাবু কফির পেয়ালায় শেষ চুমুক দিয়ে হাসতে হাসতে বললেন, পাগল ছেলে কোথাকার।

    সুজাতাদেবী সস্নেহে বাপ্পার চলে যাওয়া দেখলেন। তাঁর বুকের গভীরে তখন অপূর্ব সুখের অনুভূতি। প্রাণোচ্ছল সন্তানের এই ভ্রমণের উন্মাদনা তাঁর মনকেও মাতিয়ে তুলেছে।

    পরদিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠলেন অসমঞ্জবাবু। পাছে ঘুম ভাঙতে দেরি হয় তাই ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রেখেছিলেন।

    সুজাতাদেবীরও ঘুম ভাঙল। আর বাপ্পা? তাকে ডাকার সঙ্গে সঙ্গেই ফিক করে হেসে ফেলল সে। বলল, আমি তোমাদের চেয়েও অনেক আগে উঠেছি। লেপের গরমে চুপচাপ শুয়েছিলাম শুধু। বুঝলে? কিন্তু বাপি, শীতটা তো বেশ জাঁকিয়ে পড়েছে। এত ভোরে গেলে তোমার কষ্ট হবে না? তুমি যে বেশি শীত একদম সহ্য করতে পার না।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, না। তবে তুমি কিন্তু চট করে দাঁত মেজে, মুখ ধুয়ে তৈরি হয়ে নাও। হিরুদা এখুনি আসলেন বলে। এখন ঠিক চারটে। আর পাঁচ-দশ মিনিটের মধ্যে এসে পড়বেন হিরুদা।

    বাঁধা-ছাঁদা যা করবার, তা রাত্রেই করে রেখেছিলেন ওরা। এখন শুধু বাথরুমের কাজ সেরে তৈরি হয়ে নেওয়া। ওরা যখন তৈরি হচ্ছেন, ঠিক সেই সময়ই বাইরে মোটরের হর্ন শোনা গেল।

    অসমঞ্জবাবু হেঁকে বললেন, এক মিনিট।

    বাপ্পা দরজা খুলে বাইরে এল। হিরুকাকা মোটরের ভেতর থেকেই চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কত দেরি?

    বাপ্পা বলল, হয়ে গেছে।

    অসমঞ্জবাবু ও সুজাতাদেবী ঘরের আলো নিভিয়ে বাইরে এসে দরজায় তালা দিলেন। তারপর মোটরে উঠে পিছনের সিটে বাপ্পাকে নিয়ে শালমুড়ি দিয়ে তিনজনে গুছিয়ে বসতেই, হিরুকাকা ঝড়ের গতিতে উড়িয়ে নিয়ে চললেন অ্যামবাস্যাডারটাকে।

    কী প্রচণ্ড শীত আজ। রক্তমাংসের শরীরের ভেতর যে হাড়গুলো আছে, সেগুলো পর্যন্ত কনকনিয়ে উঠল ঠান্ডায়।

    খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সল্টলেক থেকে হাওড়ায় এসে পড়লেন ওঁরা। এতে ভোরে রাস্তা-ঘাট সব ফাঁকা। কাজেই বিলম্ব হল না। বিনা বাধায়, বিনা ট্রাফিক জ্যামে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে গেলেন।

    এবার ট্রেনের পথ। হাওড়া থেকে লোক্যাল ট্রেনে মেচেদা। ঝক্কি কী কম? এরপর আবার ট্রেন থেকে নেমে বাস। সেই বাসে চেপে চার পাঁচ ঘণ্টা হু হু করে ছোটার পর দিঘা।

    মেচেদায় ওরা যখন ট্রেন থেকে নামল, তখন সকাল সাতটা। সারি সারি বাস এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যাবার জন্যে অপেক্ষা করছে। সোনারোদ্দুর ঝরে পড়ছে অকৃপণভাবে। শীতের সকালে এই রোদের ঝলমলানি খুবই ভাল লাগল বাপ্পার।

    অসমঞ্জবাবুকে দেখেই কয়েকজন কন্ডাক্টর ছুটে এল, দিঘা যাবেন নাকি বাবু?

    এই যে দিঘার বাস দাঁড়িয়ে আছে এখানে। এই বাসটা আগে ছাড়বে। অসমঞ্জবাবু বললেন, কিন্তু ও-বাস তো ভরতি। আমরা একটু ভাল করে আরামে বসে যেতে চাই।

    এতেও বসার জায়গা পাবেন বাবু। ড্রাইভারের পাশে সামনের দিকে ভাল বসার সিট আছে।

    অসমঞ্জবাবু উঠলেন। উঠে ড্রাইভারের পাশে চারজনের বসার মতো লম্বা গদিওয়ালা সিট দেখে খুব খুশি হয়ে সুজাতাদেবীও বাপ্পাকে ডাক দিলেন। বেশ ভাল বাস। ঝকঝকে-তকতকে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। চমৎকার। বাপ্পা তো দারুণ খুশি।

    সামনের কাচ দিয়ে চারদিক কী সুন্দর দেখা যাচ্ছে। প্রাইভেট বাস। অথচ লাক্সারি বাসের মতো। ক্যাসেটের গানও শোনা যাচ্ছে। হিন্দি গান অবশ্য, সময় কাটানোর পক্ষে এই-ই বা মন্দ কী?

    ওরা বসার সঙ্গে সঙ্গেই ড্রাইভারও উঠল। অসমঞ্জবাবু ড্রাইভারকে বললেন, বাস কখন ছাড়বে? একটু চা-টা খেয়ে আসা যাবে?

    ড্রাইভার বলল, না না। এখনই ছাড়বে বাস। এখন চা খেতে যাবেন না। কাঁথির আগে বড় স্টপেজও কিছু নেই। কাঁথিতে বাস দশ মিনিট থামবে। ওইখানে যা ইচ্ছে খাবেন। সবকিছু পাওয়া যাবে ওখানে। বলতে বলতেই ছেড়ে দিল বাস।

    তমলুকের ওপর দিয়ে গিয়ে নরঘাটের হলদি নদীতে মাতঙ্গিনী সেতু পেরিয়ে বাস উল্কার গতিতে ছুটে চলল। তারপর বিভিন্ন গ্রামগঞ্জ পার হয়ে বেলা এগারোটা নাগাদ বাস এসে পৌঁছুল কাঁথিতে।

    বাপ্পা বলল, বাপি, কাঁথিকেই তো কণ্টাই বলে, তাই না?

    হ্যাঁ। এখানে কাজু বাদামের চাষ হয়। আর এই কাঁথি থেকেই ন’কিলোমিটার দূরে জুনপুট। জুনপুটের নির্জন সমুদ্রতীরও ভারী মনোরম জায়গা।

    শংকরপুর, খেজুরি, হিজলি সবই এখান থেকে কাছাকাছি। তা ছাড়া বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত কপালকুণ্ডলার মন্দির এইখান থেকেই দেখতে যায় লোকে। আমরা যাব না বাপি?

    ফেরার দিন যদি সময় পাই তো যাব।

    সুজাতাদেবী বললেন, খুব চা-তেষ্টা পাচ্ছে বাপু আমার। একটু চায়ের ব্যবস্থা করো।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, অবশ্যই। যা ঠান্ডা, তাতে এবার একটু চা না-খেলেই নয়। তার ওপর এতখানি জার্নির পর খিদেও পেয়েছে। এবার পেটেও কিছু দিতে হবে।

    ড্রাইভার বলল, যা করার তাড়াতাড়ি করুন।

    অসমঞ্জবাবু আর বাপ্পা নীচে নামল। কাছেই চায়ের দোকান। গরম গরম কিছু শিঙারা আর জিলিপি ঠোঙাভরতি কিনে সুজাতাদেবীর হাতে দিয়ে, অসমঞ্জবাবু চায়ের অর্ডার দিলেন। চা তৈরি হলে এক কাপ চা সুজাতাদেবীকে এগিয়ে দিয়ে নিজেরা দোকানে বসেই খেয়ে নিলেন।

    ড্রাইভার তখন হর্ন বাজিয়ে বাস ছাড়বার উপক্রম করছে।

    বাপ্পা তাড়াতাড়ি উঠে বসল। অসমঞ্জবাবুও উঠলেন। বাস ছাড়ল। এবার দ্রুতগামী বাসের ভেতরে বসে চারদিক দেখতে দেখতে শিঙারা-জিলিপি খাওয়া।

    কাঁথি থেকে দিঘা ঘণ্টাখানেকের পথ। বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ ওরা যখন দিঘায় পৌঁছল, তখন আনন্দে নেচে উঠল মন।

    বাসে বসেই সমুদ্র দেখতে পেয়েছিল ওরা। বাস ওদের নামিয়ে দিয়ে আরও একটু দূরে কিয়াগেড়িয়ায় ওড়িশাসীমান্তে চলে গেল।

    ওদের এখন সামনে সমুদ্র। সমুদ্রের নীল-নীল জলরাশি, সফেন জলোচ্ছ্বাস। দিঘার নির্জন সৈকতের ঝাউবনে সামুদ্রিক বাতাস লেগে সোঁ সোঁ শব্দ হচ্ছে। দিঘার অথই নীল জলরাশি নিয়ে বঙ্গোপসাগর যেন ওদের সবাইকে সমুদ্রস্নানের জন্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কী সুন্দর—কী সুন্দর—কী আশ্চর্য সুন্দর তার রূপ।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }