Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অভিশপ্ত তিড্ডিম – ৮

    আট

    আমরা ধীর পায়ে গুহামুখের কাছে এলাম।

    টর্চের আলোয় পথ দেখে গুহামুখের সামনে সেই পাঁচিলের মতো খাড়াই পাথরটার কাছে গেলাম।

    এইখান দিয়ে বারবার এই বাধা অতিক্রম করে জংলিটা যে কী করে যাতায়াত করছে তা ভেবে পেলাম না। নাকি অন্য কোনও পথ আছে?

    এদিক ওদিক দেখতে দেখতেই খাড়াইটার গা দিয়ে সরুমতো একটি প্যাসেজ নজরে পড়ল। প্যাসেজটা এত ছোট যে তা নজরে পড়বার নয়। বড় জোর একজন লোক তার ভেতর দিয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি দু’জন নয়। বাহাদুরকে নিয়ে আমি আগুপিছু হয়ে সেটায় প্রবেশ করলাম। এবং খাড়াইটার পাশে পৌঁছে গেলাম।

    এইখান দিয়েই আমরা খাড়াই ডিঙিয়ে এখানে এসেছিলাম। যাই হোক, পথটা জেনে আবার আমরা খাড়াইয়ের ওপাশে চলে গেলাম। কেন না যে পথে পালকি চেপে জংলিদের সর্দারকে আমরা যেতে দেখলাম, সে পথটা আমাদের অতি অবশ্যই একবার জেনে রাখা দরকার।

    ঝোপড়ির পিছনদিক দিয়ে পথ। আমরা সেই পথে গেলাম।

    যেতে যেতে এক জায়গায় দেখলাম পাথরের ছাদের নীচে মস্ত একটি গোশালা। গোরু ভরতি গোশালাটা মোটা মোটা শাল কাঠের খুঁটি দিয়ে ঘেরা। তারই একপাশে পালকিটা পড়ে আছে।

    গোশালার বাঁদিকে একটি পাথরের দেওয়ালে মস্ত দরজা। দরজার আংটায় দড়ি বাঁধা।

    খুব সাবধানে দড়িটা খুলে আমরা ভেতরে ঢুকে পড়লাম। ঢুকেই সিঁড়ি পেলাম নীচে নামার।

    সিঁড়ি বেয়ে আস্তে আস্তে নীচে নামতে লাগলাম দু’জনে। কয়েক ধাপ নামতেই দেখলাম দালান মতো একটা অংশ।

    বাহাদুর চমকে উঠে বলল, আরে! এ তো সেই জায়গা!

    সেই জায়গা মানে?

    যেখানে জংলিরা আমাদের বন্দি করে রেখেছিল।

    যাক এ পথটা চেনা হয়ে গেল।

    আমরা সেই জায়গা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেদিকে সেই সর্বনাশা পাখিটা আছে সেদিকের বারান্দায় গেলাম।

    তারপর পাখিটার নজর এড়িয়ে পা টিপে টিপে বারান্দা পার হতেই আবার সিঁড়ি। ওই তো রামদুলালবাবুর ঘর।

    রামদুলালবাবু তখন নিশ্চিন্তে নিদ্রা যাচ্ছিলেন।

    ঘরে গিয়ে বাহাদুর আর আমি ঝুঁকে পড়ে রামদুলালবাবুকে একবার ডাকতে গিয়েও থেমে গেলাম।

    থাক। দরকার নেই। মাথাপাগলা লোক। বোঝালে হয়তো বুঝবে না। যদি চেঁচিয়েমেচিয়ে ওঠে?

    তার চেয়ে নিজেরাই একবার চেষ্টা করে দেখি।

    তাই মানচিত্রের নির্দেশমতো পথে এগিয়ে চললাম।

    ওই তো মাথার ওপর নীল আকাশ। এই তো সেই পাঁচিলের খাড়াই। পথ শেষ। কিন্তু গুপ্তধন? গুপ্তধন কোথায়?

    অথচ গুপ্তধনের নির্দেশ এইখানেই দেওয়া আছে। ভাবতে গেলেও মাথাটা যেন ঘুলিয়ে যায়।

    বাহাদুর বলল, কেন আর আলেয়ার পিছনে ছুটতে গিয়ে মিথ্যে দেরি করছেন বাবু? দরকার নেই গুপ্তধনের। এখন ভালয় ভালয় কেটে পড়ি চলুন।

    সত্যি কথা বলতে কী, আমাকে তখন গুপ্তধনের নেশায় পেয়ে বসেছে। বললাম, না বাহাদুর। ম্যাপ যখন রয়েছে, তখন পালাবার পথ খুঁজে বার করা আমাদের পক্ষে এমন কিছু কঠিন হবে না। তবুও ভাগ্যচক্রে একবার যখন এসে পড়েছি এখানে, তখন রাজা শাতকর্ণির সেই রত্ন ভাণ্ডার না দেখে যাব না।

    সে কি আমারও ইচ্ছে নয় বাবু? যদি পারি তো সঙ্গে করে কিছু নিয়েও যাব। সে পরের কথা। এখন আমাদের যেমন করেই হোক খুঁজে বার করতে হবে গুপ্তধন কোথায় আছে। সংকেত অনুযায়ী গুপ্তধন এখানেই থাকবার কথা। কিন্তু মানচিত্রের ধাঁধা বড় জটিল।

    আমি বারবার ধাঁধাটার সমাধানের চেষ্টা করতে লাগলাম। ভাবতে ভাবতে হঠাৎ জট খুলে গেল। আমি আনন্দে লাফিয়ে উঠলাম।

    বাহাদুর বলল, হদিস পেলেন কিছু?

    নিশ্চয়ই।

    বাহাদুরের মুখও আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল। যাক। আমাদের এই প্ৰচষ্টা তা হলে বিফলে যাবে না। রাজা হবার বাসনা আমরা রাখি না। শুধু রহস্যের আবরণটা খুলে দেখতে চাই।

    আমি ধাঁধাটার যা মানে করলাম, তা হল এইরকম, ‘নীল তারা ঝিকমিক, বিশ গতি ডানদিক।’ অর্থাৎ আমাদের মাথার ওপর সেখানে নীল তারা ঝিকমিক করছে তার ডানদিকে বিশ পা যেতে হবে। আমরা পা মেপে সেইভাবেই গেলাম।

    সামনেই পাথরের দেওয়াল। পথ নেই।

    এবার লেখা আছে ‘রাধা মোড় ছ’ চরণ, সাবধানে হে মরণ।’ রাধা মোড়ের মানে বুঝলাম না। তবে অনুমান করলাম রাধা তো কৃষ্ণের বাঁদিকে থাকে। অর্থাৎ এখানকার এই ঘন অন্ধকারকে যদি কৃষ্ণ ধরা হয়, তবে এর বাঁদিকে ছ’ চরণ অর্থাৎ ছয়-পা যেতে হবে।

    তাই গেলাম। টর্চের আলোয় পথ দেখে দেখে গেলাম।

    তারপর সাবধানে হে মরণ’। এবার সাবধান হতে বলেছ। সত্যিই ছ’-পা যাবার পর আর এক পাও যাবার জায়গা নেই।

    গভীর গর্ত। গর্তটা অন্তত দু’ হাত চওড়া।

    না জেনে কেউ যদি আচমকা এসে পড়ে এখানে, তা হলেই গুপ্তধন নেওয়া মাথায় উঠে যাবে তার।

    বাহাদুরকে দাঁড়াতে বলে আমিই আগে লাফ দিয়ে গর্তটা পার হলাম। তারপর এল বাহাদুর।

    ওকে অবশ্য লাফাতে হল না। এক জায়গায় চওড়া মোটা একটা শক্ত কাঠের তক্তা ছিল, সেটা পেতে দিতেই চলে এল সে।

    এবার লেখা আছে, ‘শিলাটন খান তিন, অমাবস্যা সারাদিন।’

    মিলিয়ে দেখলাম একেবারে অঙ্কের হিসাবের মতো সবই ঠিক ঠিক মিলে যাচ্ছে। ঘন অন্ধকার যেন আরও ঘন, আরও জটিল সেখানে। কোথাও এতটুকু ফাঁক নেই।

    সেইখানে তিনটে আংটাওয়ালা পাথর ছিল। সেগুলো টেনে তুলতেই নীচে নামার সিঁড়ি পেলাম।

    এবার ‘একুশে চরণ রেখো, সামনে তাকিয়ে দেখো।’ একুশ ধাপের সিঁড়ি ভেঙে নীচে নেমেই সামনে তাকালাম।

    দেখলাম একটি প্রকাণ্ড সিংহ দরজায় মস্ত একটি তালা ঝুলছে। পাশেই দেওয়ালে আছে চাবি। সেই চাবি দিয়ে তালা খুলে দরজাটা ফাঁক করতেই সব অন্ধকার যেন দূর হয়ে গেল। দেখলাম প্রকাণ্ড একটি সোনার পিলসুজে মস্ত একটি সোনার প্রদীপ জ্বলছে। আর তার পিছনে রুপোর রেলিং দেওয়া একটি ঘরের মধ্যে মস্ত একটি রত্ন সিংহাসন। সিংহাসনকে বেড় দিয়ে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে আছে মস্ত একটা সাপ। দেখলে বুক যেন শুকিয়ে যায়।

    ঘরের ভেতর শত শত কলসিতে মোহর ভরা।

    শুধু তাই নয়। আরও কত যে ধনরত্ন রয়েছে সেখানে, তার আর সীমা নেই। বিশ্বের ঐশ্বর্য যেন একত্রিত হয়েছে এখানে। এরকম ধনভাণ্ডার বোধহয় এর আগে কখনও কোথাও ছিল না। চোখে দেখেও অবিশ্বাস্য বলে মনে হতে লাগল সব। মনে হল যেন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে এক স্বপ্নের জগতে বিচরণ করছি। বড় বড় হিরের টুকরোগুলো ঘরময় এমনভাবে ছড়ানো যে, দেখলে লোভ লাগে। হয়তো এইরকমই কুবেরের ঐশ্বর্য। যেমনি ধনসম্পদ, তেমনি সাপের রাজত্ব সেখানে। ছোট বড় নানা ধরনের সাপ কিলবিল করছে। আমার মনে হল এগুলো সাপের ফণা তো নয়, মৃত্যুরূপী প্রলোভন যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। আমরা মুগ্ধ নেত্রে এবং অপলকে সেই লোভনীয় ধনরাশির দিকে চেয়ে রইলাম।

    বাহাদুর বলল, বাবু! এর কিছুও কি আমরা নিয়ে যেতে পারব না? না। কী করে নেবে? এইসব সাপেরা হল মূর্তিমান যখ। এমনকী এই জংলিরাও। তাই এই সম্পদে কেউ হাত দেয় না। যে দিতে যায় সে মরে। একমাত্র রাজা শাতকর্ণি নিজে যদি কখনও নরদেহ নিয়ে পৃথিবীতে আসেন এবং পথ ভুলে তোমার আমার মতো এই গুহায় কখনও যদি ঢুকে পড়েন, তা হলে গুপ্তধন তিনিই শুধু নিতে পারবেন। যখের ধনের এই নিয়ম। তুমি আমি তো সে লোক নই। অতএব এর ওপর আমাদের কোনও অধিকারও নেই।

    কে বললে আমরা সে লোক নই। এই তো, আপনিই মহারাজ শাতকর্ণি আর আমি আপনার মহামন্ত্রী। ওই দেখুন আপনার কপালে রাজ চক্রবর্তী তিলক। আসুন এ সবই আমরা লুটে পুটে নিই।

    তোমাকেও দেখছি এখন রামদুলালি রোগে ধরেছে। এসো চলে এসো। বলে ওর হাত ধরে টান দিলাম।

    বাহাদুর একটুও নড়ল না। দু’হাতে শক্ত করে সেই রেলিংগুলো ধরে দাঁড়িয়ে রইল। আমিও।

    আবার অনেকক্ষণ ধরে সেই গুপ্তধনের জৌলুস দেখে সেখান থেকে বেরিয়ে এলাম আমরা। আসবার সময় যেমন তালা দেওয়া ছিল, ঠিক সেইভাবে তালা দিয়ে যেভাবে এসেছিলাম সেইভাবেই ফিরে এলাম।

    বাহাদুর বলল, এবার কি আমরা ফিরছি?

    হ্যাঁ। একবার জল পার হতে পারলে আর কোনও ভয় পাখিটা যদি আবার চেঁচামেচি শুরু করে?

    নেই।

    করলেই বা। ওর চিৎকার জংলিদের কানে যাবে না। তারা এখন গুহার বাইরে

    ঝোপড়িতে আছে। তবে রামদুলালবাবু ছুটে আসতে পারেন। ওকে কবজা করতে এক মিনিটও লাগবে না আমার।

    আমরা ফিরে আসতে আসতে রামদুলালবাবুর ঘরের কাছে থমকে দাঁড়ালাম একবার। তারপর আবার সেই বারান্দায় গিয়ে উপস্থিত হলাম। একপাশে একটি প্রদীপ জ্বলছে।

    প্রদীপের ক্ষীণ আলোয় গুহার সেই ঘন অন্ধকার একটুও দূর হয়নি। আমরা যেতে আমাদের দেখে কর্কশ কণ্ঠে বিকট চিৎকার শুরু করে দিল পাখিটা।

    বাহাদুর বলল, ফায়ার। বাবু, এখুনি গুলি করুন ওটাকে। না হলে ওর চিৎকার আমাদের বিপদ ডেকে আনবে।

    না। অযথা একটা প্রাণকে নষ্ট করতে চাই না আমি।

    বারান্দার একপাশে সেই মোটা শক্ত দড়িটা তখনও ঝুলছে দেখলাম। সেই দড়ি ধরেই নামতে যাচ্ছি এমন সময় রামদুলালবাবু এসে হাজির, এ কী! তোমরা এখানে?

    ভয়ে বাহাদুরের মুখ শুকিয়ে গেল। আমি বললাম, বিদায় রামদুলালবাবু। রামদুলালবাবু বিস্মিতভাবে বললেন, তোমরা এখনও বেঁচে আছ? শুধু শুধু মরব কেন? তোমরা তা হলে পালাতে গিয়ে মরনি? না। এই তো দেখছেন দিব্যি আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছি। সে তো দেখতেই পাচ্ছি। কিন্তু…। কোনও কিন্তু নয়। এখন বলুন আপনিও আমাদের সঙ্গে যাবেন কি না? রামদুলালবাবু চমকে উঠলেন, না না। আমি যাব না। আমি কোথাও যাব তোমরাও যেয়ো না। গেলেই মরবে।

    না।

    আমরা মরব না রামদুলালবাবু। দেখছেন তো এখনও পর্যন্ত এদের কবলে থেকেও কেমন অক্ষত শরীরে বঁচে আছি। এরা আমাদের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারেনি। আমাদের বুদ্ধিই আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছে।

    রামদুলালবাবু কী যেন ভাবতে লাগলেন। তারপর বললেন, তোমরা তা হলে সত্যিই পালাতে চাও?

    চাই কেন, পালাচ্ছি তো?

    গুপ্তধন নিতে তোমরা তা হলে আসনি? না।

    তোমরা যে পালাবে, পালাবার পথ জান?

    আপনি জানেন?

    না। তা হলে তো কবেই পালাতাম।

    তার মানে পালাবার ইচ্ছে আপনারও আছে। শুধু উপযুক্ত সঙ্গীর অভাবে পালাতে সাহস করেননি। এই তো?

    হ্যাঁ।

    আমাদের কাছে ম্যাপ আছে। সেই ম্যাপ দেখে পালাব। কোনওরকমে একবার গুহার বাইরে যেতে পারলেই ব্যস।

    কিন্তু ম্যাপের নকশা যদি ভুল হয়? তা হলে কিন্তু অবধারিত মৃত্যু। তা জেনে রেখো। এই গুহার জঠরে জঠরে অতিকায় পাইথনের বাস।

    আপনার কোনও ভয় নেই রামদুলালবাবু। আসুন আমাদের সঙ্গে। রামদুলালবাবু এবার সাহস পেয়ে দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, বেশ, আমিও যাব। তবে তার আগে…

    তার আগে? বলুন তার আগে কী?

    কিছু গুপ্তধন আমাদের নিয়ে যেতে হবে।

    বাহাদুর বলল, ঠিক বলেছেন। আমারও তাই ইচ্ছে।

    আমি বললাম, না ওতে আমাদের কোনও লোভ নেই।

    রামদুলালবাবু বললেন, আমার আছে। আমি যে গুপ্তধনের লোভেই এখানে এসেছিলাম।

    আমি রামদুলালবাবুকে বুঝিয়ে বললাম, দেখুন গুপ্তধন যে কোথায় কীভাবে আছে তা আমরা দেখে এসেছি। সেই অতুল ধনরাশি আমরা গাড়ি বোঝাই করেও নিয়ে যেতে পারব না। কাজেই কোনও লাভ নেই।

    রামদুলালবাবু এবার খেপে উঠলেন, তবে দূর হও তোমরা। যেমন যাচ্ছ তেমনি চলে যাও। আমাকে ডেক না। তোমাদের জমিদারি আছে, দেশে গিয়ে তোমরা তাই ভাগ করবে। কিন্তু আমার কী আছে? আমি কী খাব? আমি কি ভিক্ষে করব? না ডাকাতি করব?

    আমি বললাম, কিচ্ছু করতে হবে না আপনাকে। আমি একটা যাত্রাদলে অভিনয় করি। আমাদের অধিকারীকে বলেকয়ে সেই দলেই আমি আপনার একটা কাজ করে দিতে পারব। সে ক্ষমতা আমার আছে। যতদিন না কাজ হয়, ততদিন আপনি আমার কাছেই থাকবেন।

    আমার কথায় রামদুলালবাবু আশ্বস্ত হলেন। বললেন, বেশ, তা হলে চলো। তবে যাবার আগে দুটো কাজ আমাদের করতে হবে। কী কাজ?

    প্রথম হচ্ছে পাখিটাকে মুক্তি দেওয়া। আর দ্বিতীয় কাজ হল এই গুপ্তধন যাতে কেউ কখনও আবিষ্কার করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করে যাওয়া। অর্থাৎ এখানকার সবকিছুই আমি ধ্বংস করে দিতে চাই। যে জিনিস আমরা পেলাম না, তা কাউকে নিতে দেব না।

    বাহাদুর আমি পরস্পরের মুখের দিকে তাকালাম।

    রামদুলালবাবুর চোখমুখ কেমন যেন নিষ্ঠুর হয়ে উঠছে।

    আমি বললাম, কী করে ধ্বংস করবেন?

    বিস্ফোরণ ঘটাব। সব চুরমার করে দেব। ধ্বংস করে দিয়ে যাব এখানকার সবকিছু। অভিশপ্ত তিড্ডিমের সমস্ত অভিশাপের শেষ হয়ে যাবে। আমার মতো জীবনের এই দীর্ঘ বাইশটা বছর কাউকে আর গুহার অন্ধকারে বন্দি হয়ে থাকতে হবে না। কোনও মানুষের অমূল্য জীবন আর কখনও জংলিদের সংস্কারের বলি হয়ে বৃথা নষ্ট হবে না।

    সেরকম কিছু কি আছে আপনার কাছে?

    আছে।

    কী আছে?

    ধ্বংসের বারুদ। এসো, দেখবে এসো।

    আমরা রামদুলালবাবুকে অনুসরণ করলাম। এ অবশ্য মন্দ নয়। এখানকার সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যাক, সেটা যে একান্তভাবে আমরাও চাই।

    আমরা রামদুলালবাবুর সঙ্গে অন্যত্র ফিরে গেলাম। রামদুলালবাবুকে যে, দলে টানতে পেরেছি এতে আমাদের মনোবল বেড়ে গেছে খুব। মনকে তবু তো বোঝাতে পারব অভিশপ্ত তিড্ডিমে গিয়ে আর কিছু হোক, বা না হোক তার অভিশাপের কবল থেকে একটা মানুষকেও আমরা ফিরিয়ে আনতে পেরেছি।

    রামদুলালবাবু গুহার অন্ধকার কোণ থেকে কী যেন একটা বাঁধা অবস্থায় নিয়ে এলেন। কাছে আনতে বাহাদুর আমি অবাক হয়ে বললাম, কী এটা? –

    ধ্বংসের বারুদ। খুলে দেখো।

    আমরা সব দেখে চমকে উঠলাম, আরে! এ কোথায় পেলেন?

    সংগ্রহ করেছি।

    সে তো বুঝতেই পারছি। কিন্তু কী করে?

    কিছুদিন আগে জনা চারেক লোক এখানে এসেছিল। জংলিরা তাদের প্রত্যেককে হত্যা করেছে। এসব তাদেরই। আমি লুকিয়ে রেখেছিলাম। শুধু ফিটিং করতে জানি না বলে কাজে লাগাতে পারিনি। আর বেরোবার পথ জানি না বলে, পালাতেও সাহস করিনি। পারবে তোমরা এগুলো দিয়ে এখানকার সবকিছুকে লণ্ডভণ্ড করে দিতে?

    আমি বললাম, পারতেই হবে।

    বাহাদুরও এতক্ষণ অবাক হয়ে দেখছিল। বলল, এ তো খুব হেভি ওয়েটের ডিনামাইট দেখছি।

    হ্যা। তারে তারে জুড়ে দিয়ে পলতের মুখে শুধু একটু আগুন ছুঁইয়ে দেবার অপেক্ষা। পারবে? সাহস আছে?

    বাহাদুর বলল, কী যে বলেন। সাত বছর মিলিটারিতে চাকরি করেছি। তবে এগুলোকে ফিটিং করতে সময় লাগবে একটু।

    লাগুক। এখন আমি তো তোমাদের সহায়। আর ভয় কী?

    আমিও পিস্তলটা উঁচিয়ে ধরে বললাম, আপনি তো সহায় রইলেনই। তবুও বাধা যদি কিছু আসে তখন এটা তো সঙ্গে আছেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }