Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাকাহিগড় অভিযান – ২

    ২

    ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে। আরে সত্যিই তো। এই তো। এই তো চলেছে ধীরে শ্লথ গতিতে। একটু একটু করে আলো ঝলমল জনমানবহীন স্টেশনের প্লাটফর্মের সামান্য পেরিয়ে ট্রেন এখন লিলুয়ামুখো। এ ট্রেন অবশ্য লিলুয়ায় থামবে না। একেবারে বর্ধমানে।

    চন্দনরা বাড়িতে অল্প স্বল্প খেয়ে এসেছিল। এখানে আর একটু জলযোগ সেরে নিল। বড় বড় লাড্ডু আর ক্ষীরকদম টপা টপ গালে ফেলে ঢক ঢক করে জল খেয়ে নিল সবাই।

    ভাস্করমামা লাড্ডু খেতে খেতে বলল, ট্রেনজার্নিতে সব চেয়ে আমোদের ব্যাপার হল এই খাওয়াটা। আর খেতে গেলেই মনে পড়ে যায় শ্রীমন্তদার মেয়ে সোমার কথা। কী দারুণ মিষ্টিখোর ওইটুকু মেয়ে। মুখে বলবে একদম মিষ্টি খাব না। মিষ্টি খেলে গা গুলোয়। আর মিষ্টি একবার হাতে পেলে রক্ষে নেই। সঙ্গে সঙ্গে গপা গপ। তার ওপর পুরী কিংবা বেনারস বেড়াতে গেলে তো কথাই নেই। ট্রেনে উঠেও মিষ্টি। সেখানে গিয়েও মিষ্টি।

    ট্রেন তখন হুড় হুড় করে ছুটেছে। পাশের সিটে পা গুটিয়ে বসে এক বুড়ো আপন মনেই বলল, লেলুয়া গেল।

    চন্দন ফিক করে হেসে ভাস্করমামার দিকে তাকাল, লেলুয়া আবার কী গো মামা। লিলুয়া তো।

    ভাস্করমামা বলল, চুপ। শুনতে পেলে রেগে যাবে।

    ট্রেন ছুটছে তো ছুটছেই। দারুণ স্পিডে ছুটছে। ট্রেনের যাত্রীরা বার্থের ওপর শয্যা পেতে শুয়ে পড়ল সব।

    ভাস্করমামা বলল, নে শুয়ে পড়। ভোরবেলা নামতে হবে। চন্দনও শুয়ে পড়ল।

    ওর মাথার কাছে ঝোলাব্যাগে সেই ছোরা নাইলন দড়ি সব রেডি। কেন না ও জানে আজকাল ট্রেনজার্নিতে মানুষের নিরাপত্তা নেই, যে কোনও মুহূর্তে চোর-ডাকাতের আবির্ভাব হতে পারে। ও শুয়ে শুয়ে পিট পিট করে দেখতে লাগল সেরকম কেউ ওঠে কি না। উঠলেই দড়িটাকে ল্যাসোর মতো করে চোরের গলায় আটকে মারবে অ্যায়শা টান যে ঘুঘুমশাই ফাঁদে আটকে ছটফটাং। কিন্তু না। অনেকক্ষণ জেগে থেকেও সে রকম কারও অস্তিত্ব টের পেল না ও। অবশেষে ট্রেনের দুলুনিতে দু’চোখ জুড়ে ঘুম নেমে এল ওর, ঘুম আর ঘুম।

    ঘুম ভাঙল ভাস্করমামার ডাকে, এই ওঠ ওঠ। জসিডি এসে গেছে। এই চন্দন।

    চন্দন ধড়মড়িয়ে উঠে বসল।

    কীরে। কখন থেকে ডাকছি। উঠবি তো।

    চন্দন বলল, যাঃ। এই তো ডাকলে তুমি।

    তোকে দু’-তিনবার ডেকেছি। খুব ঘুমিয়েছিস তুই। বাবা-মা সবাই তখন উঠে দাঁড়িয়ে মালপত্তর হাতে নিয়েছেন।

    চন্দনও ভাস্করমামার পিছু পিছু ট্রেন থেকে নেমে পড়ল।

    শেষ শরতের রাত্রিশেষের এই জসিডিতে এখন রীতিমতো ঠান্ডার ভাব। আর কী সুন্দর মুক্ত বাতাস। চন্দন বুকভরে নিশ্বাস নিল। ওরা ট্রেন থেকে নামার একটু পরেই ছেড়ে দিল ট্রেন। খুব অল্প সময় স্টপেজ। চলে যাওয়া ট্রেনের লাল আলোটার দিকে তাকিয়ে চন্দন আপন মনেই একবার টা-টা করল।

    টিকিটটা ওদের বৈদ্যনাথধাম পর্যন্তই ছিল। তাই ওভার ব্রিজ পেরিয়ে ওপাশের প্ল্যাটফর্মে ওরা গেল ওরা। বৈদ্যনাথধামের ট্রেনও তখন দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। সে কী অপূর্ব পরিবেশ।

    এরই মধ্যে কম্বল সোয়েটার সব বেরিয়ে পড়েছে এখানে। কিছু বাঙালি যাত্রী থাকলেও বেশির ভাগ যাত্রীই হিন্দুস্থানি। কিছু প্লাটফর্মে কিছু ট্রেনের কামরায় উঠে বসে আছে। কেউ কেউ ট্রেনের কামরায় বাঙ্কে উঠে শুয়ে আছে। চন্দনরাও একটা পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন বগি দেখে উঠে বসল। এখন শেষরাতের ট্রেনে যাত্রী খুব বেশি নেই। কাজেই বেশ আরাম করে গুছিয়ে বসা গেল।

    সুনন্দবাবু বললেন, বাবাঃ। বেশ ঠান্ডা পড়ে গেছে তো এখানে? চন্দন আর ভাস্করমামা প্লাটফর্মে হয়েছিল। ওদেরও শীত করছিল। তবে গায়ে মাখছিল না।

    দেবযানী বললেন, এই তোমরা উঠে এসো ভেতরে। না হলে ঠান্ডা লাগবে।

    চন্দন বলল, না। আমি এখুনি ভেতরে ঢুকব না। আমার একটুও শীত করছে না। তা ছাড়া ট্রেন ছাড়তেও দেরি আছে। এই অন্ধকারে কী চুপচাপ ভূতের মতো বসে থাকা যায়?

    সত্যিই বগিতে আলো ছিল না। ছিল না মানে, জ্বলছিল না। সব বগিই অন্ধকার। ইঞ্জিন না লাগা পর্যন্ত জ্বলবে না।

    ভাস্করমামা বলল, এখনও পঁয়তাল্লিশ মিনিট চুপচাপ বসতে হবে।

    সুনন্দবাবু বললেন, ততক্ষণে একটু করে চা খেয়ে নিতে পারলে হত। একটা ভাল দেখে চা-ওয়ালা ডাকো তো দেখি?

    ভাস্করমামা বলল, না না। এখানে চাওয়ালাকে ডেকে চা খাবার দরকার নেই, রেলের স্টলে যে চা তৈরি হয়, তা খুব ভাল। ওই চা-ই নিয়ে আসছি আমি। বলে স্টলে গিয়ে চার কাপ চায়ের অর্ডার দিল ভাস্করমামা।

    সুনন্দবাবু নিজেও ট্রেন থেকে নেমে এলেন এবার। তারপর ওদের পাশে এসে দাঁড়ালেন।

    স্টলওয়ালা চা দিলে, এক কাপ চা জানালা গলিয়ে দেবযানীর দিকে এগিয়ে দিয়ে নিজে প্লাটফর্মে দাড়িয়েই চা খেতে লাগলেন।

    ভাস্করমামা আর চন্দনও চায়ের পেয়ালা নিয়ে পায়চারি করতে করতে চায়ে * চুমুক দিতে লাগল। ভাস্করমামা চা খেতে খেতেই বলল, জানিস চন্দন, যে বাঙালি এই শেষরাতে জসিডি স্টেশনে চা খেতে খেতে একটু পায়চারি না করল তার জীবনই বৃথা।

    চন্দন বলল, সত্যি মামা, চা যে কতখানি এনার্জিদায়ক, তা আজই প্রথম অনুভব করলাম। সত্যি, কী ভাল যে লাগছে।

    চা খাওয়া শেষ হলে কাপ জমা দিয়ে ভাস্করমামা বলল, চল, একটু ওদিক করে এগিয়ে চল। একটা জিনিস দেখাব তোকে।

    ওরা পায়ে পায়ে এগিয়ে চলল। মস্ত প্লাটফর্ম। তাই ধরে বেশ খানিকটা এগোবার পর এক জায়গায় ওরা অনেক পাখির কলরব শুনতে পেল। আকাশ তখনও অন্ধকার। তবে সামান্য ফিকে হয়ে আসছে। কিন্তু তারায় তারায় ভরে আছে আকাশ।

    ভাস্করমামা ডানদিকে আঙুল দেখিয়ে বলল, ওই যে দূরের দিকে অন্ধকারে সব ঢাকা রয়েছে দেখছিস, ওই দিকে হল ত্রিকূট পাহাড়। আর এ পাশেও আছে অনেক পাহাড়ের সারি। এগুলোর নাম জানি না। আমাদের এই ট্রেনটা নন্দন পাহাড়ের পাশ দিয়ে যাবে।

    ‘নন্দন পাহাড়’ নামটা খুব মিষ্টি, না? ওই পাহাড়ে ওঠা যায়?

    ভাস্করমামা বলল, কেন যাবে না? আসলে ওটা একটা ঢিবি। আমার মতে ওটাকে কখনওই পাহাড় বলা উচিত নয়। টিলা অবশ্য বলা যেতে পারে। হঠাৎ পি-ই-প করে একটা ইঞ্জিন ভকস ভক ভকস ভক করতে করতে পাশ দিয়ে চলে গেল।

    , ভাস্করমামা বলল, চল, আর ঠান্ডায় দাঁড়িয়ে থেকে লাভ নেই। এই ইঞ্জিনটাই আমাদের গাড়ির সঙ্গে লাগবে। সময়ও বেশি নেই।

    ওরা ধীরে ধীরে ওদের বগিটার দিকে এগিয়ে চলল।

    এমন সময় যমদূতের মতো একটা লোক এগিয়ে এল ওদের দিকে। লোকটা ভাস্করমামার দিকে তাকিয়ে বলল, কোথায় যাবেন বাবুরা, দেওঘর? হ্যাঁ।

    উঠবেন কোথায়?

    বিলাসী টাউন।

    কে পাত্তা আছে?

    শংকর।

    শংকর। কোন শংকর?

    বিলাসী শংকর। তবলা বাজায়। কেরামৎ খাঁ সাহেবের ছাত্র। অ। তা ওখানেই উঠবেন, না অন্য কারও বাড়ি যাবেন? আমরা যাব একেবারে শেষমাথায়। নিরুপম বসুর বাড়ি। অ। সমঝ গিয়া। তো তুম চারুভিলা যাওগে? হ্যা। চারুভিলাতেই যাব।

    কুছ দিন পহলে বহুত বঢ়িয়া ডাকাইতি হো গিয়া হুঁয়া পর। তুমি তো সবই জান দেখছি। তা ওই চুরি যাওয়া মূর্তিটার কোনও হদিস পাওয়া গেছে?

    লোকটি আর সে কথার কোনও উত্তর না দিয়েই চলে গেল।

    ভাস্করমামা আর চন্দনও এল ওদের বগিটার কাছে।

    একটু পরেই, ইঞ্জিন জোড়া লাগল ট্রেনে। সব কম্পার্টমেন্টে আলো জ্বলে উঠল। যথাসময়ে ছাড়ল ট্রেন। শেষরাতের আবছা আঁধারে সে এক অপূর্ব অভিযান।

    বৈদ্যনাথধাম স্টেশনে ট্রেন যখন থামল, আকাশের ঘোর তখনও কাটেনি, জসিডি থেকে বৈদ্যনাথধাম মাত্র একটিই স্টেশন। এর মাঝে আর কোনও স্টেশন নেই। ওরা সকলে স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে প্লাটফর্মের বেঞ্চিতে বসে রইল।

    কয়েকজন পাণ্ডাও ওদের তীর্থযাত্রী ভেবে শুরু করল নানা রকম জিজ্ঞাসাবাদ। কিন্তু শংকর পাণ্ডার নাম শুনে বেশি বিরক্ত না করে সরে পড়ল যে যার।

    এখানকার পাণ্ডাদের ভেতর এই একটা ভাল নিয়ম রয়েছে, যে এরা যেমন নতুন যাত্রীদের নিজের করে পাবার জন্য ঝুলোঝুলি করে, তেমনি অপর কোনও পাণ্ডার যাত্রী পরিচয় পেলে আর তাকে জ্বালাতন করে না।

    ভাস্করমামা বলল, শংকর আমাদের বহু দিনের পুরনো পাণ্ডা। আসলে ওর বাবাই পাণ্ডা ছিল আমাদের। এখন বাবা তো নেই। শংকর আছে। তবে শংকর এইসব যাত্রীধরা ব্যবসা করে না। কেন না ও এখন এই অঞ্চলের এক বিখ্যাত তবলিয়া। ওর ছেলেরাই এ সব কাজ করে।

    দেবযানী বললেন, আমার কিন্তু খুব খারাপ লাগে এই সব ব্যাপারগুলো, তীর্থস্থানে আসব, ঠাকুর দর্শন করব, আমার যা মন চায় তাই দিয়ে পুজো দেব এই তো জানি। পাণ্ডার খপ্পরে পড়ব কেন?

    ভাস্করমামা বলল, তুই বুঝিস না দিদি। আসলে যে কোনও তীর্থে পাণ্ডারা যেমনই বিরক্তিকর, তেমনি আত্মরক্ষার হাতিয়ার হিসেবে এদের যে কোনও একজনকে মেনে নেওয়া তেমনি বুদ্ধিমানের কাজ। বাইরে গেলে দু’দশ টাকা খরচা করতেই হয়। কাজেই এদের মারফত ঠাকুরের পূজা-পাঠ করলে এরাও ঠান্ডা হয়, অন্যেও বিরক্ত করে না। এক সময় অবশ্য ছিল যখন ওদের উপদ্রবে মানুষের জীবন পর্যন্ত বিপন্ন হত। এখন আর সেদিন নেই।

    ওরা যখন বসে বসে নিজেদের ভেতর এইসব আলোচনা করছে, তেমন সময় একজন টাঙ্গাওয়ালা এসে বলল, টাঙ্গা লাগবে নাকি বাবুসাব?

    সুনন্দবাবু বললেন, হ্যাঁ লাগবে।

    আকাশ তখন ফর্সা হয়ে গেছে। চারদিকের গাছপালা, ঘরবাড়ি বেশ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। যদিও সকাল নয়, ভোর। তবুও এখন যাওয়া যেতে পারে। রাস্তায় লোকজনও চলাচল করছে।

    কাঁহা যায়েঙ্গে?

    বিলাসী টাউন।

    বিলাসী টাউন? কাহা পর।

    একেবারে শেষমাথায়। চারুভিলা জানো তো?

    হাঁ হাঁ। ঠাকুরবাড়ি।

    ওইখানে যাব। চলিয়ে।

    ভাড়া কত নেবে?

    ও লোক যিতনা বোলে গা।

    দেবযানী বললেন, কে কী বলবে না-বলবে সে কথা রাখো। তুমি কী নেবে তাই বলো দেখি?

    আমি জায়দা ভাড়া নেব না মাজি। দশ রুপিয়া লাগে গা। ভাস্করমামা দেবযানীকে ইঙ্গিত করে বলল, ঠিক আছে। ওরা সবাই টাঙ্গায় চেপে বসল।

    চন্দন তো খুব খুশি। আসলে বিদেশে এসে টাঙ্গা চাপবার একটা আনন্দ আছে। বিশেষ করে দেওঘর, রাজগির এবং বুদ্ধগয়ায় টাঙ্গা না চাপলে সত্যিকারের ভ্রমণ-রসই পাওয়া যায় না। এখানকার পরিবেশ, বাতাসে নতুন জায়গায় আসার গন্ধ, সব কিছু চন্দনের মনকে পরিপূর্ণ করে তুলল। স্টেশন এলাকা ছেড়ে আসতেই এক জায়গায় একটা ঘড়ির টাওয়ার চোখে পড়ল।

    ভাস্করমামা বলল, আমরা এবার বাজারের পাশ দিয়ে মন্দির বাঁয়ে রেখে এগোতে থাকব।

    চন্দন বলল, আচ্ছা মামা, তুমি কতবার দেওঘরে এসেছ?

    সে কী মনে আছে? তবে অনেকবার। আসলে ছোড়দির কাছে আসা-যাওয়া তো আমিই করি। এখানকার সব আমি চিনিয়ে দেব তোকে। প্যাড়াগলি থেকে প্যাড়া কিনে খাওয়াব।

    টাঙ্গা তখন জনবহুল দেওঘর শহরের ওপর দিয়ে টুংটাং শব্দ করতে করতে বিলাসী টাউনের দিকে এগিয়ে চলেছে। শিব-গঙ্গা বাঁয়ে রেখে সোজা বিলাসী টাউন ধরে যাবার সময় ডানদিকে একটি কালভার্টের পাশে বড় একটি অশ্বত্থ গাছের পিছনে ‘অর্জুন নিবাস’ নামে একটি বাড়ি দেখিয়ে ভাস্করমামা বলল, ওই আমাদের পাণ্ডার বাড়ি।

    বাড়ির ভেতর থেকে তখন ‘তুং তাং’ করে তবলার আওয়াজ আসছে।

    যাই হোক। টাঙ্গাটা এই পথ ধরে আরও কিছু দূরে এক জায়গায় এসে থেমে গেল। সেইখানে রাস্তার ধারে বারো বিঘে জমির ওপর পাঁচিলঘেরা বাগানের মধ্যে বহুদিনের পুরনো একটি বাড়ি। আগেকার দিনের চ্যাপ্টা চ্যাপ্টা ইটের গাঁথনি দেওয়া। পাঁচিলের মরচে ধরা লোহার গেট খোলাই ছিল। সেটা পেরিয়ে বাগানের মধ্যে ঢুকে একটু এগোতেই বাড়িটা। গেটের দু’পাশে বড় বড় ইউক্যালিপ্টাস গাছ। তাদের ধপধপে সাদা বিশাল গুঁড়ি দেখে অবাক হয়ে গেল চন্দন। কী সুন্দর। দূরে বহু দূরে পাহাড়ের রেখা। আর খুব সামনেই এক বিশাল পাহাড়। চন্দন অবাক হয়ে চেয়ে রইল সেই পাহাড়টার দিকে, ভাস্করমামা বলল, কী দেখছিস? ওই হচ্ছে ত্রিকূট।

    চন্দন বলল, দুপুরে খেয়েদেয়ে যাবে মামা?

    দূর বোকা। ও কি এত কাছে নাকি যে যাব? ও এখান থেকে অনেক দূর। ওখানে যেতে হলে ভোর ভোর বেরোতে হয়! তারপর গাইড নিয়ে পাহাড়ে উঠে, নেমে ফিরতে সেই বেলা একটা।

    টাঙ্গাওয়ালা ওদের নামিয়ে দিয়ে ভাড়া পেয়ে চলে যেতেই ওরা হাতাহাতি করে মালপত্তর নিয়ে ভেতরে ঢুকল। ভেতরে ঢুকেই হাঁক দিল ভাস্করমামা, ছোড়দি! এই ছোড়দি! কে এসেছে দেখ।

    বলার সঙ্গে সঙ্গেই রূপামাসি ছুটে এল, ওমা বড়দি! জামাইবাবু! আসুন আসুন। কী ভাগ্যি। চন্দন তুই কত বড় হয়ে গেছিসরে!

    দেবযানী আবেগে জড়িয়ে ধরলেন রূপাকে। তারপর বললেন, তোর চিঠি পেয়ে ভীষণ মন খারাপ হয়ে গেল। এতদিনের ঠাকুর তোদের।

    আর বলিস না দিদি। ঠাকুর চলে যাবার পর থেকে কী দুর্যোগ যে যাচ্ছে আমাদের। আজ এর অসুখ, কাল ওর অসুখ। তা ছাড়া তোর ভগ্নিপতিরও মন মেজাজ ভাল যাচ্ছে না। মানসিক ভারসাম্য একেবারেই হারিয়ে ফেলেছে। এক এক সময় ভাবি কী যে হবে।

    নিরুপম কোথায়?

    এই একটু বেরিয়েছে। এসো এসো, ভেতরে এসো।

    ওরা পায়ে পায়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকল।

    রূপামাসির একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। ছেলেটির নাম বুবাই। মেয়েটির নাম বুবুন। খুবই ছোট। একটির বয়স পাঁচ, অপরটির তিন।

    চন্দনের সব কিছু দেখে শুনে মনে হল, স্বর্গ যদি কোথাও থাকে তা এইখানেই। এটা বাড়ি না তপোবন? না কোনও আশ্রম? মাসির অনেক ভাগ্য তাই এইরকম একটি পরিবেশে রয়েছে। তবে হ্যাঁ, এ যা জায়গা তাতে এখানে ধন-সম্পত্তি নিয়ে বাস করা যায় না। এই রকম নিরালা প্রান্তরে এত বড় একটা বাড়িতে কেনই বা ডাকাতি হবে না! একপাশে শূন্য মন্দির। ঠাকুর দালান। বাড়িটা বেশ অভিনব। চারদিকে ঘর, মাঝখানে উঠোন। পিছনের দিকে জলকল বাথরুমের ব্যবস্থা।

    ভেতরে যেতেই একজন বর্ষীয়সী মহিলা এগিয়ে এলেন। মুখে তাঁর বিষাদের ছায়া। বললেন, এসেছ মা? আমরা তো সর্বস্ব খুইয়ে বসে আছি। আমাদের সাত পুরুষের ঠাকুর। এক সন্ন্যাসীর দেওয়া। এই ঠাকুর চুরি যাবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি। সন্ন্যাসী, ঠাকুর দেবার সময় বলেছিলেন ‘একে যত্ন করবি। নিত্য ভোগ দিবি। তবে মনে রাখিস এই ঠাকুর যেদিন চলে যাবে সেদিনই জানবি তোদের সর্বনাশ ঘনিয়ে আসবে।’ তাই কী যে ভয়ে ভয়ে আছি বাবা, তা তোমাদের কী বলব। আমরা তো কখনও কোনও অনাচার করিনি। তবে কেন এমন হল?

    দেবযানী, সুনন্দবাবু ভাস্করমামা ও চন্দন সকলেই প্রণাম করল তাঁকে। ইনি রূপামাসির শাশুড়ি। খুব ভাল মানুষ।

    দেবযানীর হাত ধরে তিনি সস্নেহে সকলকে ঘরে নিয়ে গেলেন।

    রূপামাসির বাড়িতে একটা চাকর ছিল। নাম বনমালী। সে কোথায় গিয়েছিল কে জানে। এখন পরিচয় পেয়ে সকলের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম শুরু করল। বনমালীর বয়স সাতাশ-আঠাশ। বেশ করিতকর্মা লোক। ভাস্করমামার দিকে তাকিয়ে এমনভাবে হাসল যে তাতেই বোঝা গেল ভাস্করমামার সঙ্গে দারুণ ভাব। ভাস্করমামাকে বনমালী ‘মামাবাবু, মামাবাবু’ করতে লাগল।

    ভাস্করমামা বলল, তা হলে বনমালী, আমাকে আমার ঘরটা খুলে দাও। ওই ঘরে আমরা দু’ মামা-ভাগ্নায় থাকব। চন্দন তুই আমার কাছেই থাকবি তো? চন্দন বলল, নিশ্চয়ই। মা রূপামাসির কাছে থাকুক। বাবা যেখানে হোক। আমি তোমার কাছ ছাড়া থাকছি না।

    বনমালী সঙ্গে সঙ্গে একটা ঘরের চাবি খুলে ঝাড়মোছ করে সব পরিষ্কার করে তক্তাপোশের ওপর বিছানা পেতে বেড কভার বিছিয়ে মনোরম করে তুলল। তারপর বলল, যান বাবুরা, মুখহাত ধুয়ে আসুন আগে, জামাপ্যান্ট ছেড়ে ফেলুন। এখুনি হয়তো আপনাদের চা জলখাবারের ডাক পড়বে।

    ভাস্করমামা ও চন্দন তাই করল। বাথরুমে মুখহাত ধুয়ে দাঁত মেজে একেবারে ঝকঝকে হয়ে নিল দু’জনে।

    দেবযানী একটু ক্রিম মাখিয়ে দিলেন চন্দনকে। তারপর রূপামাসির সঙ্গে খোসগল্পে মেতে উঠলেন।

    সুনন্দবাবুও এবার পোশাক পালটে তাঁর অতি সাধারণ লুঙ্গিটি পরে বাথরুমে যাবার ব্যবস্থা করতে লাগলেন।

    রূপামাসির রান্নাঘরে তখন জনতা স্টোভে চায়ের জল ফুটছে।

    রূপামাসি বলল, জামাইবাবু এসেছেন এতে যে আমার কী আনন্দ তা কী বলব। ওঃ কতবার যে বলেছি আসতে তার ঠিক নেই। তবে আসবার আগে একটা চিঠি দিতে পারতেন তো?

    দেবযানী বললেন, কেন চিঠি পাসনি? আমরা তো রিজার্ভেশন করেই চিঠি দিয়েছিলাম। আমি নিজে লিখেছি চিঠি। তোর জামাইবাবুর ভুলো মন, পাছে ভুলে যায় তাই নিজে চিঠি পোস্ট করেছি।

    ওমা, সে কী! কই চিঠি পাইনি তো?

    এমন সময় বিদ্যুতের মতো ঝলক লাগানো ফ্রকপরা একটি কিশোরী মেয়ে বেণী দুলিয়ে ছাদের সিঁড়ি বেয়ে নীচে এসে পাশের ঘরে ঢুকল। তারপর একটা মোটা বই বগলদাবা করে রান্নাঘরে এসে ঢুকল।

    রূপার মাসির শাশুড়ি বললেন, কীরে, কোথায় ছিলি তুই?

    আমি তো ছাদে পড়ছিলাম।

    অ। তাই ভাল, আমি ভাবছিলুম সাড়াশব্দ পাচ্ছি না যখন, তখন নিশ্চয়ই কোথাও গেছিস তুই। যা তোকে পাহাড়ে পেয়েছে।

    মেয়েটি বলল, এনারা কে দিদা?

    তোর কাকিমার বড়দি-জামাইবাবু। নে পেন্নাম কর।

    মেয়েটি সঙ্গে সঙ্গে দেবযানী ও সুনন্দবাবুর পায়ে হাত ঠেকিয়ে প্রণাম করল। ভাস্করমামা তখন নিজের ঘরে ছিল তাই প্রণামটা পেল না। থাকলে পেত নিশ্চয়ই।

    দেবযানী বললেন, বাঃ বেশ মেয়েটি তো। একেবারে ফুলের মতো। এটি কে মা?

    রূপামাসির শাশুড়িকে দেবযানী ‘মা’ বলেন।

    রূপামাসি বলল, ও হচ্ছে মালা। আমার বড়জায়ের মেয়ে। ও তাই নাকি?

    সুনন্দবাবু বললেন, খুব ফর্সা তো! এত ফর্সা সচরাচর দেখা যায় না। ওর মা খুব ফর্সা।

    দেবযানী বললেন, ওরা তো ধানবাদে থাকে শুনেছি। কবে

    এসেছে ওরা?

    রূপামাসির শাশুড়ি বললেন, ওরা মানে ও একাই এসেছে। ওর বাবা এসেছিল। কালীপুজোর পর আমি যাব। তখন আমার সঙ্গে চলে যাবে। ওই একটিই মেয়ে। দিনরাত শুধু বই মুখে দিয়ে বসে আছে। আর ফাঁক পেলেই উধাও হয়ে যাচ্ছে। কী ঘোরান ঘুরতে পারে মেয়েটা। একদণ্ড ঘরের কোনায় থাকে না।

    দেবযানী বললেন, চমৎকার মেয়ে।

    মালা আর বসল না প্রণাম করেই ওপরে চলে গেল।

    রূপামাসি বলল, চন্দন, তোর মামা কি করছে রে?

    মামা ওঘরে শুয়ে আছে। মাথার যন্ত্রণা হচ্ছে খুব।

    চন্দন জানে, মামা এখন মোটেই শুয়ে নেই এবং মাথার যন্ত্রণাও হচ্ছে না। আসলে মামা ঘরের দরজা বন্ধ করে বিড়ি খাচ্ছে। কিন্তু একথা তো গুরুজনদের সামনে বলা যায় না। তাই ওই কথা বলল।

    একবার ডাক তো! বল, চা হয়ে গেছে।

    চন্দন গিয়ে ডাকতেই আধ খাওয়া বিড়িটা ভাস্করমামা জানালা গলিয়ে পিছনে বাগানের দিকে ফেলে দিল। তারপর দরজা খুলে বেরিয়ে আসতেই চন্দন বলল, মাসি ডাকছে। চা খাবে এসো।

    যাচ্ছি, তুই যা।

    চন্দন চলে আসার একটু পরেই ভাস্করমামা এল। রূপামাসি বলল, এই শোন, চা খেয়ে তুই একবার তোর জামাইবাবুর খোঁজে যা দিকিনি। বনমালীই যেত। ওকে পাঠিয়েছি বাজারে।

    রূপামাসি চা আর টোস্ট প্রত্যেককে ভাগ করে দিলেন। তারপর নীচের থেকেই ডাকলেন, মালা।

    ওপর থেকে সাড়া এল, কেন?

    চা খাবি?

    না।

    সুনন্দবাবু চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, আমি আসলে খুব নিরিবিলি জায়গা পছন্দ করি। কিন্তু তোমাদের এখানটা যে এত নিরিবিলি, এত মনোরম তা জানতাম না। এলাকাটাও তো শহরের শেষপ্রান্তে। দূরে পাহাড়।

    তবু তো ছাদে ওঠেননি। ছাদে উঠলে শুধু পাহাড় আর বনভূমি দেখবেন। তা ছাড়া আমাদের নিজেদের বাগানের গাছপালাই একটা ছোটখাটো বনভূমি। চন্দন ছাদে ওঠবার জন্য উশখুশ করছিল। তাই চা–টোস্ট খেয়েই বলল, মা, একবার ছাদে যাবে?

    রূপামাসি বলল, তুই যা না!

    ভাস্করমামা বলল, চন্দন, আমার সঙ্গেও যেতে পারিস।

    সুনন্দবাবু.বললেন, না না ওকে এখন কোথাও নিয়ে যেয়ো না। একটু রেস্ট নিক। বিকেলে বরং যেখানে যাবার যাবে। সারারাতের ট্রেন জার্নি। এখন স্নান করে খেয়েদেয়ে আগে একটু ঘুমোক।

    চন্দন বলল, আমি তা হলে ছাদে যাই? বলেই সিঁড়ি বেয়ে তর তর করে ছাদে উঠে এলো চন্দন।

    প্রকাণ্ড ছাদ। হবে নাই বা কেন? এই বাড়ির চৌহদ্দিটাই কী কম। ছাদে উঠেই দেখল চারদিকে শুধু পাহাড় পাহাড় আর পাহাড়। আসলে ঘেরা ছাদ। তাই ছাদের বাহার আছে। এক পাশের বাগানে কত ফুল গাছ। আর সেই দিকেই আলসের কোণে সতরঞ্জি বিছিয়ে সেই লাল টুকটুকে কিশোরী মালা একমনে কী একটা বই যেন মনোযোগ দিয়ে পড়ছে।

    চন্দন পাহাড়, বনভূমি ও মালভূমির সৌন্দর্য দেখতে দেখতে পায়ে পায়ে সেই দিকে এগিয়ে এল। ওর খুব ইচ্ছে হল এই ফুটফুটে মেয়েটির সঙ্গে আলাপ জমাতে। কিন্তু মুশকিল হল ও তো ওর সমবয়সি কোনও মেয়ের সঙ্গে কখনও কথা বলেনি। তাই দূরের ত্রিকূট পাহাড়টার দিকে আঙুল দেখিয়ে আলাপের ভঙ্গিতে সলজ্জভাবে বলল, আচ্ছা, ওই পাহাড়টার নাম কী?

    মালা ওর দিকে না তাকিয়েই বলল, নেকু, সব জানে। বলে আর একটুও না বসে শতরঞ্জি গুটিয়ে নেমে এল নীচে।

    অপমানে চন্দনের মুখটা লাল হয়ে উঠল। একে ও অভিমানী ছেলে। তার ওপর এই অবহেলা। বেদনায় দুটিচোখ জলে ভরে উঠল। তারপর মনে মনে প্রতিজ্ঞা করল একবার যদি সুযোগ ও পায়, তা হলে এই অপমানের চরম প্রতিশোধ ও নেবেই নেবে। গায়ের রং ফর্সা বলে এত অহংকার। সেও কি ফর্সা কম? কী স্পর্ধা, একেবারে মুখের ওপর বলে গেল ‘নেকু’। ছিঃ ছিঃ ছিঃ।

    চন্দন আহতও হল। আবার মনে মনে নিজেকে ধিক্কারও দিল। সত্যিই তো ‘নেকু’। কেন সে নিজের থেকে যেচে কথা বলতে গেল? না-গাল বাড়ালে এমন চড় তো সে খেত না। সে তো জানতই ওটা ত্রিকূট পাহাড়। তবু কেন গায়ে পড়ে জিজ্ঞেস করতে গেল?

    এমন সময় ভাস্করমামার গলা শোনা গেল, চন্দন! চন্দন ! আমি এখানে।

    ভাস্করমামা উঠে এসে বলল, কীরে, কী হয়েছে তোর? মুখখানা এমন করে আছিস কেন?

    ও কিছু না। তুমি কই গেলে না মেসোমশাইকে খুঁজতে?

    জামাইবাবু এসে গেছেন। বনমালী বাজার যাচ্ছিল। যাবার পথে রাস্তায় দেখা পেয়ে খবর দিয়েছে।

    চলো তবে নীচে যাই। মেসোমশাইকে পেন্নাম করে আসি।

    চল। তারপর তোকে বাগানটা ঘুরিয়ে দেখাব।

    চন্দন ও ভাস্করমামা নীচে এসে নিরুপমকে প্রণাম করল নিরুপম জড়িয়ে ধরল চন্দনকে, থাক থাক বাবা।

    চন্দন অবাক হয়ে গেল নিরুপমকে দেখে। এ কী হয়েছে মেসোর। সেই দীপ্ত চেহারার জৌলুস কোথায় গেল? এক মুখ দাড়ি। কেমন যেন পাগল পাগল ভাব। ঠিক যেন গাছের ডালেই বোঁটায় আটকে শুকিয়ে আছে একটি ফুল।

    ভাস্করমামার সঙ্গে চন্দন একাত্ম হয়ে শুরু করল ঘুরে বেড়ানোর কাজ। এখন অখণ্ড অবসর। খাওদাও ঘুমোও গল্পের বই পড়ো আর ঘুরে ঘুরে বেড়াও। ভাস্করমামা চন্দনকে নিয়ে এই বাড়ির চৌহদ্দির মধ্যে যে বিশাল বাগানটা আছে তাই ঘুরিয়ে দেখাতে লাগল।

    সত্যি, কী মনোরম। এত বড় বাগান চন্দন এর আগে আর কখনও দেখেনি। কত যে জানা অজানা গাছ রয়েছে সেখানে তার যেন হিসেব নেই। ভাস্করমামা আর চন্দন যখন বাগানে ঘুরছে, তখন হঠাৎ দেখতে পেল একটি কাঁঠাল গাছের নিচু ডালে দোলনা খাটিয়ে এক মনে দোল খেয়ে যাচ্ছে কিশোরী মালা। ফ্রক পরে বেণী দুলিয়ে যেন একটি বিদ্যুৎ ঝিলিক মারছে।

    চন্দন সেদিকে তাকিয়েই এমনভাবে চোখটাকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিল যেন সে ভ্রূক্ষেপই করছে না ওকে।

    কী মামা ভাল

    মালাই ভাস্করমামাকে দেখে দোল খাওয়া থামিয়ে বলল, আছেন?

    ভাস্করমামা হেসে বলল, হ্যাঁ, তোমার খবর কী?

    ভাল, কখন এলেন?

    সকালেই এসেছি। তুমি এসেছ জানতাম না তো!

    আমিও জানতাম না আপনি এসেছেন। ছাদে পড়ছিলাম কিনা।

    তোমার মা-বাবার খবর ভাল?

    হ্যা। বাবা তো পুজোর আগে এসেছিলেন।

    ভাস্করমামা আর চন্দন ঘুরে ঘুরে বাগানের গাছপালা দেখতে লাগল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }