Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাকাহিগড় অভিযান – ৫

    ৫

    ওরা কিন্তু দারোগাবাবুর কথামতো ঘরে ফিরল না। কেনই বা ফিরবে? সবে তো সকাল ন’টা। এখনই কী কেউ ঘরে ফেরে? ওরা দু’জনে পায়ে পায়ে উদ্দেশ্যহীন ভাবে এগিয়ে চলল।

    মালা বলল, চন্দনদা, আজ দুপুরে কিন্তু তুমি ঘুমিয়ো না। আমি তোমাকে নিয়ে নন্দন পাহাড়ে যাব। তুমি খেয়েদেয়ে বাগানে চলে আসবে। আমিও তাই। তারপর সবাই শুয়ে পড়লেই পালাব আমরা। কেমন? কমলুর সঙ্গে তোমার আলাপ করিয়ে দেব। তারপর ওর কাছ থেকে আরও কিছু বিশদ জেনে নিয়ে আজকালের ভেতরেই শুরু করব আমরা কাকাহিগড় অভিযান।

    এমন সময় হঠাৎ অপ্রত্যাশিত ভাবে দেখা হয়ে গেল ভাস্করমামার সঙ্গে। ভাস্করমামা তখন একটা দোকানে বসে গোগ্রাসে কচুরি খেয়ে চলেছে। এদের দু’জনকে একসঙ্গে দেখেই তো কচুরি গলায় আটকাবার উপক্রম হল।

    মালা বলল, ভয় নেই আমরা ভাগ বসাব না।

    চন্দন বলল, কেন বসাব না? চলো তো, আমরাও খেতে বসি। তবে ভাস্করমামার পয়সায় খাব না। আমার কাছে গোটা কুড়ি টাকা আছে। তাতেই চালাব।

    মালা চন্দনকে অনুসরণ করল।

    দুপুরবেলা খাওয়া দাওয়ার পর মালা আর চন্দন বাগানে এল। পূর্ব পরিকল্পনা মতো ওরা এসে প্রথমে একটি গাছতলায় বসল। তারপর অনেকক্ষণ ধরে বাগানের গাছের ডালে বেঁধে রাখা দোলনায় দোল খেল দু’জনে।

    হেমন্তের দুপুর। মিষ্টি রোদের হাসি ছড়িয়ে দুপুর গড়াতে লাগল। একসময় মালা বলল, এবার নিশ্চয়ই সবাই বিশ্রাম করছে। চলো আমরা পালাই। চন্দন বলল, চলো।

    ওরা চুপিসারে বাগান থেকে বেরিয়েই আবার মন্দিরমুখো হল। খানিক যাবার পরে একটা রিকশা ডেকে তাতেই চাপল দু’জনে। না হলে হাঁটাপথে নন্দন পাহাড় অনেক দূর।

    দেওঘর শহর এখন পুজোর ছুটির যাত্রীতে ভরে আছে। চেঞ্জারদেরও আমদানি মন্দ হয়নি। তাই শহরের একপ্রান্তে নন্দন পাহাড়ের যাত্রী সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

    ওরা বেশ কিছুক্ষণের মধ্যেই এসে হাজির হল নন্দন পাহাড়ের পাদদেশে। চন্দনের মন কিন্তু ভরল না পাহাড় দেখে। এটা কী! পাহাড়, না টিলা? মালভূমির মতে৷ খানিকটা জায়গা ছাড়া কী এটা? ভাস্করমামা ঠিকই বলেছিল, এটা আসলে উঁচু একটা মাটি ও পাথরের ঢিপি ছাড়া আর কিছু নয়।

    যাই হোক। তবু এমন সুন্দর পরিবেশ তো কলকাতায় নেই। তাই এই উন্মুক্ত পরিবেশে মুক্ত বিহঙ্গের মতো ওরা দু’জনে নানা কথায় কল কল করতে করতে এগিয়ে চলল।

    একেবারে শেষধাপে পৌঁছে ওরা ছোট-ছোট কয়েকটি মন্দির দেখতে পেল। মালা চেঁচিয়ে ডাকল, কমলু! এ কমলু বহিন?

    একটি ঘরের ভেতর থেকে উত্তর এল, যাচ্ছি। তারপরই মালার বয়সি ফ্রকপরা একটি গোলগাল চেহারার কিশোরী মেয়ে ছুটে এল সেখানে।

    এই কমলু।

    চন্দন অবাকচোখে দেখল কমলুকে।

    মালা বলল, আমার চন্দনদা।

    কমলু হেসে বলল, সমঝ গিয়া। তুমনে তো মুঝে সব কুছ বাতায়া। বলে চন্দনকে বলল, আপনি মালার দাদা, তা হলে আমারও দাদা।

    এমন সময় খড়মপায়ে এক বৃদ্ধ মৈথিলী ব্রাহ্মণ এগিয়ে এলেন সেখানে, এ লেড়কা কৌন হ্যায়রে কমলু?

    মালার দাদা।

    জিতে রহো বেটা। কাঁহা মকান তুমহারা?

    চন্দন মালার দিকে তাকাল।

    কমলু বলল, বাবা আপনাকে জিজ্ঞেস করছেন আপনার বাড়ি কোথায়? চন্দন বৃদ্ধকে প্রণাম করে বলল, কলকাতায়।

    বৃদ্ধ কমলুকে বলল, ইয়ে দোনোকো থোড়া পরসাদ তো দে দো কমলু বিটিয়া।

    কমলু মালা ও চন্দনকে ডেকে নিয়ে গেল লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে। তারপর একবার এদিকে সেদিক দেখে নিয়ে বলল, তুমহারা সাইকিল কাঁহা?

    মালা বলল, কাল রাত্রে চুরি হয়ে গেছে।

    কমলু বলল, আমি জানি।

    তুমি কী করে জানলে?

    আমি সব কিছু জানি। তুমহারা সাইকিল কাল্লুনে চুরায়া।

    মালা রাগে কাঁপতে কাঁপতে বলল, ও। এটা তা হলে ওই বদমাশটার কাজ? হ্যাঁ। আজ সবেরে ও আয়া থা। ওই সাইকিল লে কর। তোমার সাইকিল তো আমি চিনি। যেই–না বলেছি এই সাইকিল তুম কাঁহাসে চুরায়া কাল্লু? ও হাস হাস কর ভাগ গিয়া।

    চন্দন ও মালাকে কমলু তখন প্রসাদ খেতে দিয়েছে। খেতে খেতে চন্দন বলল, তুমি কাল্লুকে চেনো মালা?

    হ্যাঁ চিনি। গুন্ডা-বদমাশ একটা।

    কমলু বলল, এইখানকার মানুষ যত ভাল ও তত খারাপ। বুঝলেন তো চন্দনদাদা, এই মালাদের বাড়িতে যে বড় একটা ডাকাইতি হয়ে গেল তার মধ্যে ওই কাল্লু ভি ছিল। ওই দিন রাতে আমার বাবুজির কাছে ও এসেছিল চুরি করে আনা রাধাকিষণজির ওই মূর্তি রাখনে কে লিয়ে। লেকিন আমার বাবুজি বহুত গোঁস্সা কিয়া। উসকো মার মারকে হটা দিয়া।

    চন্দন বলল, তোমার বাবুজি তো ভুল করলেন কমলু। মূর্তিটা রেখে তো মালাদের খবর দিতে পারতেন।

    কমলু বলল, না। দলে তো কাল্লু একা ছিল না। বিরজু, শ্যাম এরাও সব ছিল। এরা তো ভাল লোক নয়। যদি ওরা বাবুজিকে মেরে ফেলত?

    চন্দন বলল, আচ্ছা মালা, এই কাল্লু, বিরজু, শ্যাম এদের তুমি চেনো? সবাইকে চিনি, বদের ধাড়ি এক একটা।

    কমলুর কথামতো এরাই যদি তোমাদের মূর্তি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকে তা হলে ওই যে লোকদুটো কাল রাতে আমাদের দু’জনকে চুরি করতে আসছিল ওরা কারা? তুমি ওদের চেনো?

    না।

    এরা কি কাকাহিগড়ের সাধুর লোক?

    তাও জানি না।

    চন্দন এবার কমলুকে বলল, কমলু বহিন, ওই কাকাহিগড়ের সাধুবাবা কেমন লোক?

    কী করে জানব? তবে মূর্তিচুরির পর থেকেই তো ওই সাধুবাবাকে এখানে আসা যাওয়া করতে দেখেছি। আর কাল্লু, বিরজু, শ্যাম এরা হয়ে উঠেছে ওর আসল চ্যালা।

    মালা বলল, ঠিক আছে। চন্দনদা, আর এখানে গল্প করে লাভ নেই। এখন দেখি সাইকেলটার কোনও গতি করতে পারি কী না। কাল্লুর ডেরায় একবার আমি হানা দেব।

    কাল্লুর ডেরা কোথায়?

    কমলু জানে।

    কমলু বলল, ও তো হিয়াসে বহুত দূর পড় যায়ে গা। তুমকো হারলাঝুরি যানা পড়েগা।

    হারলাঝুরি?

    ইঁ।। করমনাশা নদী কে কিনার মে।

    তুমি আমাদের নিয়ে যাবে কমলু?

    কমলু যেন শিউরে উঠল, নেহি। নেহি। ও সমঝ যায়ে গা। তুম দোনো যাও। চন্দন বলল, তা হলেও তো সেই একই ব্যাপার হবে। আজ হঠাৎ আমাদের দু’জনকে হারলাঝুরিতে দেখলে ও তো বুঝেই নেবে কমলুর মুখে শুনেই আমরা এসেছি।

    মালা বলল, তাও তো বটে। তবে এক কাজ করা যাক। যেন আমরা বেড়াতে বেরিয়েছি এইভাবে দু’জনে একটা রিকশায় চেপে হারলাঝুরিতে গিয়ে পড়তে পারি।

    সেই ভাল।

    এই বলে ওরা দু’জনে নেমে এল পাহাড় থেকে। পাহাড়ের নীচে দু’-তিনটি রিকশা যাত্রী পাবার আশায় অপেক্ষা করছিল। ওরা গিয়ে তাদেরই একজনকে ঠিক করল হারলাঝুরি দেখিয়ে আনবার জন্য। কথা হল হারলাঝুরি দেখিয়ে রিকশা ওদের শিবগঙ্গার কাছে ছেড়ে দেবে।

    ওরা সেই রিকশায় চেপে প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যে হারলাঝুরিতে গিয়ে পৌঁছুল। ভারী চমৎকার জায়গা। কর্মনাশা নদীর ধারে এখানকার শিবমন্দিরের তুলনা নেই। কিন্তু মুশকিল হল এখানে কোথায় কাল্লুর বাড়ি? ওরা সন্ধানী দৃষ্টিতে এদিকসেদিক দেখতে দেখতে হঠাৎ এক জায়গায় এসে থমকে দাঁড়াল।

    ওই তো। ওই তো মালার সাইকেলটা। একটি গাছতলায় নিতান্ত খেলো জিনিসের মতো পড়ে আছে। কোনও লোক নেই, জন নেই। শুধু মাটিতে কাত হয়ে শোয়ানো অবস্থায় পড়ে আছে। কিন্তু কেন? কাল্লু যখন চুরি করেছে তখন হয় এটাকে ব্যবহার করবে নয় তো বেচে দেবে। কিন্তু এ কী রহস্য?

    যাই হোক। মালা আর চন্দন টেনে আনল সাইকেলটাকে। তারপর যেই না মালা তাইতে চেপে বসতে যাবে, অমনি আশপাশের পাথরের আড়াল থেকে তিন-চারজন ছিপছিপে চেহারার বড় বড় ছেলে বেরিয়ে এল। তাদের সকলকেই মালা চিনল। তারা হল কাল্লু ও তার তিন সঙ্গী।

    কাল্লু বলল, আরে মালা! আমি তোমারই জন্যেই অপেক্ষা করছিলাম। আমি জানতাম তুমি আজ আসবে। ওই জন্যেই তো সাইকেলটা নিয়ে ওই কমলু ছুঁড়িটাকে দেখিয়ে এনেছিলাম। যা ভেবেছি তাই। ও তোমাকে বলল, আর তুমি অমনি ছুটে এলে। কিন্তু তোমার সঙ্গে এই লালটু ছেলেটাকে কখনও ঘুরতে দেখিনি তো? ও চিড়িয়াটি কে?

    মালা রুখে দাঁড়িয়ে বলল, মুখ সামলে কথা বলবি কাল্লু। নেহি তো চপ্পল মারকে মুখ তোড় দুঙ্গা। এ মেরা দাদা। বলেই সাইকেলটা ঠেলে দিল কাল্লুর দিকে।

    আচমকা সাইকেলের ধাক্কায় কাল্লু ছিটকে পড়ল।

    ওর সঙ্গে আরও যে তিন সঙ্গী ছিল তারা তখন ঝাঁপিয়ে পড়ল মালার ওপর। তারপর শুরু হল ধস্তাধস্তি। চন্দনও মালাকে মুক্ত করবার জন্য লাফিয়ে পড়ল তাদের ঘাড়ে। তারপর আঁচড়ে কামড়ে কিল-চড়-ঘুসি মেরে ব্যতিব্যস্ত করে তুলল সকলকে। ইতিমধ্যে কাল্লুও উঠে দাঁড়িয়েছে। তার হাতে একটা শক্ত মোটা লাঠি। সেই লাঠির বাড়ি চন্দনের মাথায় এক ঘা দিতেই মাথাটা কী রকম যেন ঘুরে উঠল চন্দনের। ও চোখেমুখে অন্ধকার দেখতে লাগল। ও বেশ বুঝতে পারল কারা যেন পাঁজাকোলা করে ওকে তুলে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দিল নদীর খাদে। উঃ। সে কী অসহ্য যন্ত্রণা। ধীরেধীরে চোখেমুখে জাল পড়ে এল। সব কিছু কেমন যেন অন্ধকার হয়ে গেল চোখের সামনে।

    এদিকে মালাও শরীরের যথাশক্তি প্রয়োগ করে লড়াই চালিয়ে যেতে লাগল। কিন্তু চারজনের সঙ্গে একা ও পেরে উঠবে কেন? তার ওপর চোখের সামনে চন্দনের ওই মর্মান্তিক পরিণতি ওকে দারুণ নার্ভাস করে দিল। মনে মনে ভয়ও পেল যথেষ্ট। যদি কোনওরকমে নিজেকে অক্ষত শরীরে বাঁচিয়ে নিয়ে ও ফিরতে পারে তা হলেই বা হবেটা কী? চন্দন কী বাঁচবে? তা ছাড়া ওর মা-বাবার কাছে গিয়ে কোন মুখে ও এই নিদারুণ সংবাদটা পৌঁছে দেবে? ওর চোখফেটে যেন জল এল।

    ততক্ষণে ওর অসর্তকতার সুযোগ নিয়ে কাল্লু আর ওর তিন সঙ্গী ওকে আষ্টেপিষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে। এই সব কাজে ওরা দারুণ অভ্যস্ত। তাই এমন কায়দা করে মালাকে বাঁধল ওরা, যে একটু শব্দ পর্যন্ত বের করতে পারল না।

    এই অঞ্চলটা অত্যন্ত নির্জন। তাই কোনও লোকজনই এগিয়ে এল না ওদের সাহায্য করতে। অসহায় চন্দন আহত ও সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে রইল কর্মনাশার খাদে। কে বলতে পারে না যে, গভীর রাতে ত্রিকূটের কোনও বাঘ জল খেতে এসে ওর নরম নধর শরীরটাকে চিবিয়ে চিবিয়ে খেয়ে যাবে না? মালাও অসহায় ভাবে ভগবানকে ডাকতে লাগল। মনে মনে বলতে লাগল, হে ভগবান। আর যেন ওকে ঘরে ফিরতে না হয়, কারণ চন্দনের এই অবস্থার জন্য ও-ই তো দায়ী। ওর এই রকম ক্ষতি করে চন্দনের মা-বাবার সামনে ও কী করে দাঁড়াবে?

    কাল্লুর দল এবার বন্দিনী মালাকে কাঁধে নিয়ে নদী পার হল। তারপর ঘন বনের ভেতর দিয়ে নিয়ে চলল চুপিসাড়ে। ততক্ষণে সূর্য অস্ত গেছে। আঁধারের ধূসর যবনিকা ধীরে ধীরে নেমে আসছে প্রকৃতির বুকে। ওরা মালার হাত-পা-মুখ সবই বেঁধেছে। বাঁধেনি শুধু চোখদুটো। মালা এখন স্থির হয়ে আছে। কেন না ও বুঝেছে এখন আর অস্থির হয়ে কোনও উপায় নেই। ধীরে ধীরে দুর্বৃত্তদের অত্যাচারের কাছে ওকে আত্মসমর্পণ করতেই হবে।

    যাই হোক। ওরা এক সময় একটু উচ্চস্থানে উঠতে লাগল। মালা বুঝল এ জায়গাটা পাহাড়ি এলাকা। চারদিকে পাহাড়। এই পাহাড়ের একটু উচ্চস্থানে একটি পুরনো মন্দিরের ভেতর ওরা আটকে রাখল মালাকে।

    মন্দিরের জানালাদরজা সবই পুরনো। কিন্তু মজবুত। সেই ঘরে ওকে রেখে কাল্লু বলল, আজকের মতো থাকো তুমি এই ঘরে। ওই কমলু ছুঁড়ির সঙ্গে একবার মুলাকাত করে আসি। ওকে আমি এমন শিক্ষা দেব যে বুঝবে ও। তারপর ওই ছেলেটার মতো তোমারও অবস্থা আমি খারাপ করে দেব।

    কাল্লু চলে গেল ওর তিন সঙ্গীকে নিয়ে।

    হাত-পা-মুখ বাঁধা মালা একাকী সেই অন্ধকার ঘরে পড়ে রইল চুপ চাপ। জলপিপাসায় জিভ যেন শুকিয়ে আসতে লাগল। তার ওপর মশার কামড়। কী যে আছে কপালে তা কে জানে?

    ওরা চলে যাবার অনেক পরে মালা অনুভব করল কারা যেন আশপাশে ঘোরাফেরা করছে! তবে কী ওরা ফিরে এসেছে এতক্ষণে? কিন্তু না। এরই মধ্যে ওদের ফিরে আসা তো সম্ভব নয়! তা হলে!

    একটু পরেই যমদূতের মতো চেহারার দু’জন লোক আলোহাতে ওই ঘরে ঢুকল। তারা ওইভাবে মালাকে পড়ে থাকতে দেখেই চমকে উঠল, এই কৌন হো তুম?

    মালার তো মুখবাঁধা।

    একজন এসে ওকে বাঁধন মুক্ত করল।

    মালা বলল, থোড়া পানি পিয়েগি।

    পানি পিয়োগি? হিয়া তো পানি উনি কুছ নেহি হ্যায়। ক্যা নাম হ্যায় তুমহারা? মকান কাহা।

    আমার নাম মালা। মকান দেওঘর।

    হিয়া কৌন লে আয়া?

    দো-তিন বদমাশ লে আয়া হামকো।

    সমঝ গিয়া।

    মালা বলল, শুনুন, আপনারা কে তা জানি না। দয়া করে আমাকে বাঁচান। আমার এক দাদাকে ওরা মেরে কর্মনাশার খালে ফেলে দিয়ে এসেছে। তাকে উদ্ধার করুন।

    ওদের একজন বলল, যারা তোমাকে নিয়ে এসেছে তাদের কাউকে তুমি পয়হানবে?

    হ্যা। হারলাঝুরির কাল্লু আর ওর দোস্তরা নিয়ে এসেছে আমাকে।

    আচ্ছা, কাল্গুনে লে আয়া তুমকো? তো ইয়ে বাত পহলে বতায়া নেহি কিউ?

    ঠিক হ্যায়। তুম ভাগো। হাম সমঝেগা উসকা সাথ।

    আর একজন বলল, তুমকো হিয়া রাখকে ও কাঁহা গয়া?

    মালা বলল, নন্দন পাহাড়ে যে পূজারি ব্রাহ্মণ আছেন, ওনার লেড়কি কমলুকে ও জোর করে নিয়ে আসতে গেছে। ও হয়তো কমলুকে মেরেই ফেলবে। নয়তো আমাদের দু’জনকেই পাচার করে দেবে অন্য কোথাও।

    লোকদুটো হো হো করে হেসে উঠল। বলল, তো তুম এক কাম করো। আভি মাত যাও হিয়াসে। চুপ চাপ বৈঠা রহো। যব ও আদমি আয়েগা তব মার মারকে হাড্ডি তোড় দুঙ্গা উসকো। আউর কমলুকো ভাগাকে লে আয়াগা তো উসকো লে কর তুম দোনোনে এক সাথ চলি যাওগি।

    মালা বলল, তার আগে একটু জল খেতে পারলে হত।

    লোক দু’জনের একজন বলল, ঠিক আছে। বইঠো তুম। ডরো মাত। আমি জল আনছি। বলে চলে গেল।

    আর একজন যে বসেছিল, মালা তাকে বলল, আপনারা কে তা জানি না। কিন্তু আপনারা না–এসে পড়লে আমার খুব বিপদ হয়ে যেত।

    লোকটি বলল, খোকি, আমরা ভাল লোক না আছি। আমরা ডাকাইতি করে খাই। ও কাল্লু বদমাশ ভি হামারা সাথ থা লেকিন—

    এখন আর নেই। এই তো?

    হা। এক রাত হামলোক বহুত বঢ়িয়া ডাকাইতি কিয়া। কমসে কম পাঁচ সাত লাখ রুপিয়াকা এক মূর্তি চুরায়া থা। তো ও মুরত কাকাহিগড় ভেজনা থা উসকো। লেকিন ও কাহা-হাপিস কর দিয়া কৌন জানে। ওইদিন সে ও স্রেফ ভাগতা।

    মালা অবাক হয়ে বলল, বলেন কী! মূর্তিটা একেবারে লোপাট করে দিল? হাঁ। আজ আমরা একটা খারাপ কাম করবার জন্যে ইখানে এসে পড়েছিলাম। তা ভালই হল, কাল্লুকা সাথ মোকাবিলা হো যায়েগা।

    মালা বলল, আচ্ছা কাকাহিগড়ে কী আছে?

    ও সাধুবাবা আছে না ? ওই সাধুবাবা ফরেন কানট্রিতে মূর্তি সাপ্লাই করে ফরেন মানি কামাই করেন। হামারা হিয়া পর যো চিজ কা দো-দশ লাখ রুপিয়া দাম হোগা, ওই চিজ ফরেন ভেজলে সাধুবাবা পঁচাশ লাখ কামিয়ে নেবেন।

    মালা বলল, তা ওই মূর্তিটা যে কাল্লু আপনাদের ফাঁকি দিয়ে কাকাহিগড়ের সাধুকে দেননি, তার কী প্রমাণ আছে?

    কাকাহিগড়ের সাধুর হাতে ওই মূর্তিটা গেলে ও তো আমাদের দু’জনের হাতেই পাচার হবে। ওই সাধুবাবা ভি তাজ্জব বনে গেছেন। কাল্লু বলেছে মূর্তিটা নন্দন পাহাড়েই হাপিস হয়ে গেছে।

    কিন্তু কী করে? কমলুর বাবা অত্যন্ত ভালমানুষ।

    জানি। ঝাজি আচ্ছা আদমি। উয়ো অ্যায়শা কাম নেহি কিয়েগা। মালুম হোতা হ্যায় কাল্লু অকেলে কাম করনে মাংতা।

    আচ্ছা এমনও তো হতে পারে যে আপনাদের কোনও পালটি দল তৈরি হয়েছে?

    উঁহু। ও নেহি হো সতা।

    তা হলে! কাল্লুকে ঘা কতক দিয়ে কথাটা আদায় করতে পারছেন না আপনারা?

    আরে! ও সাধুবাবা বহুত মার মারা উসকো।

    ওকে জানে মারছেন না কেন আপনারা?

    জানে মারলে ফায়দা কী? আমরা চারদিকে নজর রাখছি। ও মাল এইখান থেকে বাইরে যাবে তো হাতে হাতে ধরব। উসকে বাদ মজা দেখায়গা বদমাশ কো।

    মালা একটুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, আপনারা কোথায় থাকেন? আমরা জঙ্গলে থাকি। পাহাড়ে থাকি। তা কাল্লু তোমাকে কীভাবে এখানে নিয়ে এল? আনলই বা কেন?

    আমি কমলুর দোস্ত ছিলাম। আমার একটা সাইকেল ওই কাল্লু শয়তানটা চুরি করে এনেছিল। সেই খবর পেয়ে ওর ডেরাতে আমি আমার দাদা যাই। সেই সময় কাল্লু আমার দাদাকে মেরে নদীতে ফেলে দেয়। আর আমাকে হাত-পা-মুখ বেঁধে এখানে নিয়ে আসে।

    আরে বাঃ। কাল্গুনে তুমহারা সাইকিল চুরায়া? অ্যায়শা ছোট কাম কব সে শুরু কিয়া ও? হামলোক অ্যায়শা কাম তো কভি নেহি কিয়েগা। ঘড়ি, আংটি, রেডিয়ো; সাইকিল এ সব কভু নেহি চুরায়াগা। হামারা বিজনেস লাখ লাখ রুপিয় কা।

    এই সমস্ত আলোচনার পর মালার মাথাটা কেমন যেন ঝিম ঝিম করতে লাগল। যা কিছু সূত্র ও অনুসন্ধান করেছে সবই যেন কীরকম পরস্পরবিরোধী হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হল। যেমন, কমলুর মুখে ও শুনেছে ওদের মূর্তি চুরি যাওয়ার পর কাকাহিগড়ের সাধুবাবা নন্দন পাহাড়ে বেশি করে যাতায়াত করছেন। কিন্তু কেন? ও আরও শুনেছে কাল্লু এবং তার দলবল সাধুবাবার খুব প্রিয় হয়ে উঠেছে। যদি তাই হয় তা হলে কাল্লু মূর্তিটাকে হাপিস করার পরও সাধুবাবার প্রিয় পাত্র কী ভাবে হতে পারে? এবার প্রশ্ন, এত জায়গা থাকতে কাল্লু মূর্তিটা ওই নন্দন পাহাড়েই বা নিয়ে গেল কেন? মূর্তিটা তো সরাসরি কাকাহিগড়েই নিয়ে যেতে পারত। এর পরের প্রশ্ন ওইটুকু সময়ের মধ্যে মূর্তিটাকে পাহাড় থেকে হাপিস করল কে? এবার যেটা মনে আসে সেটা হল ওই অসময়ে মালা ও চন্দন হারলাঝুরিতে যাওয়া মাত্রই যেখানে কাল্লুর দেখা পেয়ে গেল সেখানে এই লোকদুটো কাল্লুকে খুঁজে পায় না কেন? সর্বোপরি লোকদুটো মালার কাছেই বা গড় গড় করে তাদের প্রকৃত পরিচয় দিতে গেল কেন? এবং গতরাতে ওদের যে লোকদুটো খুন করতে আসছিল তারাই বা কারা, কীসের জন্যই বা ওই বাগানে ঘোরাফেরা করে? মালার চিন্তার গ্রন্থিগুলো সব যেন জট পাকিয়ে যেতে লাগল। ওর বার বারই মনে হতে লাগল এই লোকদুটো ওকে আগাগোড়া সব বানিয়ে বলছে না তো?

    ইতিমধ্যে অপর লোকটি একটি বোতলে করে জল নিয়ে এল।

    তৃষ্ণার্ত মালা সেই জল ঢক ঢক করে খেয়ে নিল এক নিশ্বাসে। তারপর বলল, আমার দাদাকে ওরা মেরে নদীর খাদে ফেলে দিয়েছে। আপনারা একটু আসবেন আমার সঙ্গে? ধরাধরি করে তুলে আনতাম দাদাকে।

    লোক দু’জন একবার পরস্পরের মুখের দিকে তাকাল। তারপর বলল, জরুর যায়েঙ্গে। লেকিন ইস মওকে মে কাল্লু আ যায়েগা তো?

    এত তাড়াতাড়ি ও কী করে আসবে? নন্দন পাহাড় কী এখানে?

    হুঁ। ঠিক হ্যায় চলো। বলে লোক দু’জন মালাকে নিয়ে সেই উচ্চস্থান থেকে ধীরে ধীরে জঙ্গলের পথ ধরে কর্মনাশা নদীর দিকে এগোতে লাগল। সামনেই কোজাগরি পূর্ণিমা বলে নির্মল আকাশে জ্যোৎস্নার প্রভাব খুব। কাজেই চাঁদের আলোয় উজ্জ্বল প্রকৃতির বুকে কোনও অন্ধকার নেই। তাই পথ চলতেও অসুবিধা নেই।

    ওরা ধীরে ধীরে কর্মনাশার খাদে এসে নামল। কিন্তু কই? কোথায় কে? এক জায়গায় একটু রক্তের দাগ রয়েছে। এবং এক পাটি চটি জুতো পড়ে আছে। এ ছাড়া আর কোনও অস্তিত্বই কোথাও নেই। রক্তের দাগটা নদীর জলের কাছ পর্যন্ত এসেছে। অর্থাৎ এদিক থেকেই কোনও বন্য জন্তু এসে নিয়ে গেছে চন্দনকে। চলে গেছে অরণ্যের বক্ষভেদ করে ভয়ংকর ত্রিকূটের দিকে। মালা হঠাৎ ডুকরে কেঁদে উঠে লুটিয়ে পড়ল পাথরের বুকে।

    ওর কান্না দেখে সঙ্গের লোক দু’জনেই কী রকম হয়ে গেল যেন। ওদের মনটা খুব নরম হয়ে গেল। বলল, কাঁদছ কেন খুকি? মাত রোনা। চলো আমরা তোমাকে দেওঘর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসি। যদিও অনেক দূর তবু ভয় নেই। এসো।

    মালা কাঁদতে কাঁদতে বলল, না না না, আমি এই মুখ বাড়িতে গিয়ে কাউকে দেখাতে পারব না। তোমরা আমাকে তোমাদের বাড়িতে নিয়ে চলো। না হলে মেরে ফেলো। ওর মা-বাবার ওই একটিই মাত্র ছেলে। ওকে না নিয়ে আমি কিছুতেই বাড়ি ফিরতে পারব না।

    লোক দু’জন মালার হাত ধরে তুলে দাঁড় করাল। তারপর বলল, ঠিক আছে। আও মেরা সাথ। বলে পাথরের খাঁজ ধরে ওপরে উঠে অন্ধকারে বেশ খানিকটা যাবার পর ছোট্ট একটি গ্রামে এসে পৌঁছুল ওরা।

    ওদের একজন একটি বাড়ি থেকে একটি মোটর বাইক নিয়ে এসে মালাকে তাইতে বসাল। তারপর বাইকটাকে ঝড়ের গতিতে ছুটিয়ে নিয়ে চলল দূরের পাহাড়ের দিকে।

    মালা বলল, আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?

    কাকাহিগড়।

    কাকাহিগড়?

    হ্যাঁ। হামারা সাধুবাবাকা পাস।

    ও আদমি তো আচ্ছা নেহি। মুঝে ডর লাগতা।

    তা হলে চলো। তোমার ঘরেই তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আসি?

    মালা বলল, না।

    তব চুপ চাপ রহো।

    একটা বুলেট যেন রাতের বিভীষিকার মতো ভটভট শব্দে ছুটে চলল। এত জোরে যে তা বলবার নয়। এক এক সময় মালার মনে হল ওটা এখুনি বুঝি দুর্ঘটনায় পতিত হবে। কিন্তু না! এই সময় সাহসী শক্তিমান লোকটা নির্বিঘ্নেই ওকে নিয়ে পথ চলতে লাগল। এক জায়গায় এসে বাইক থামাল।

    এখানে চারদিকে শুধু পাহাড়-পাহাড় আর পাহাড়। আর কী দারুণ নির্জনতা। একসময় একটি ছোট পাহাড়ের একেবারে উচ্চস্থানে একটি গুহার কাছে এসে লোকটি বলল, শোনো, আজ রাতটার মতো তুমি এখানে থাকো, কেমন? তারপর কাল সকালে এসে তোমার ব্যবস্থা করছি।

    মালা বলল, সাধুবাবা কোথায়?

    উনি আছেন। এখন দেখছি তোমাকে কিছু খাবার দিতে পারি কি না। ভুগ লাগ গিয়া না? বলে সে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }