Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কাকাহিগড় অভিযান – ৬

    ৬

    পাহাড়ের এই ছোট্ট গুহায় অন্ধকারে একাকী মালার খুব ভয় করতে লাগল এবার। এই কি কাকাহিগড়? কিন্তু এখানে আশ্রয় কই? সাধুবাবা থাকেন কোথায়? এখানে কোনও আলোও তো নেই। এই গুহায় সাপ থাকতে পারে। বাঘভাল্লুক আসতে পারে।

    একটু পরেই অবশ্য আলো হাতে একজন লোক এল। লোকটিকে মালা চিনতে পারল না। তার হাতে একটি খাবারের থালা। তাইতে দু’খানা রুটি আর সামান্য ডাল ছিল। লোকটি বলল, খা লেও।

    মালা বলল, না। আমার খিদে নেই।

    আরে মা ভবানী কী পরসাদ। জলদি খা-লো।

    মালা আর দ্বিরুক্তি না করে খেয়ে নিল। তারপর বলল, জল।

    লোকটি বলল, আতে হেঁ। বলে চলে গিয়ে কিছু সময়ের মধ্যেই এক লোটা জল নিয়ে এল।

    মালা ঢকঢক করে সেটা খেয়ে নিল। তারপর লোকটা চলে যেতেই গুহা থেকে নামা শুরু করল সে। কিন্তু নীচে নেমেই অবাক। আরে এ তো ওর অতি পরিচিত জায়গা। এই কাকাহিগড়! এখানে তো ও বহুবার এসেছে। কিন্তু না। মালা বুঝতে পারল লোক দু’জন ওকে বোকা বানিয়েছে। আসলে ওরা চুরিডাকাতি যাই করুক। মালাকে অপহরণ করার ঝুঁকিটা নিতে চায়নি। তাই কাকাহিগড়ে না-নিয়ে গিয়ে ওকে এনে ছেড়ে দিয়ে গেছে তপোবন পাহাড়ের এক গুহায়।

    মালা তখন প্রচণ্ড ভয় পেয়ে ঘরে ফেরাই ঠিক বলে মনে করল। তাই প্রাণপণে দৌড় লাগাল সে। দেওঘর অনেক দূর। তবু ছুটল।

    হঠাৎ ওর মুখের ওপর একটা জিপের জোরালো আলো এসে পড়ল। মালা

    চোখ আড়াল করে দাঁড়াতেই কে যেন খপ করে ধরে ফেলল ওকে। তারপর বলে উঠল, এই তো পেয়েছি। একা একা এখানে কী করছিলে তুমি?

    মালা বলল, কে আপনি?

    তার আগে বলো সেই ছোকরা কোথায়?

    মালা কেঁদে বলল, জানি না।

    জানবার দরকার নেই। একটাকে যখন পেয়েছি, তখন আর একটাকেও খুঁজে বার করব। উঃ। রীতিমতো ভাবিয়ে তুলেছিলে তোমরা? কোনও বদলোকের পাল্লায় পড়েছিলে নিশ্চয়ই?

    মালা অতিকষ্টে ঘাড় নেড়ে বলল, হ্যাঁ।

    ওঠো গাড়িতে ওঠো। পুলিশের জিপ মালাকে নিয়ে দেওঘরের দিকে এগিয়ে চলল।

    পুলিশের গাড়ি এসে যখন মালাকে ওর বাসায় পৌঁছে দিল তখন মধ্যরাত। বাড়িতে এতক্ষণ কান্নার রোল উঠেছিল। এবার মালাকে ফিরে আসতে দেখে মুখে হাসি ফুটল সকলের। কিন্তু চন্দন? চন্দন কই? সে নেই কেন?

    দিদা ছুটে এসে মালাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। বললেন, আমি তোকে কালই রেখে আসব তোর বাবার কাছে।

    দেবযানী ছুটে এসে বললেন, আমার চন্দন! তাকে কোথায় রেখে এলি মা? বল সে কোথায় ?

    মালা ঝর ঝর করে কাঁদতে লাগল।

    কী হল? কিছু বল? চুপ করে আছিস কেন?

    সুনন্দবাবু নির্বাক ভাবে বললেন, তোমার কোনও ভয় নেই। তুমি নির্ভয়ে আমাকে সব কিছু খুলে বলো তো মা! তোমরা কোথায় গিয়েছিলে, কী করছিলে বা কী হয়েছিল?

    মালা সব বলল।

    শোনা মাত্রই দেবযানী সংজ্ঞাহীন হলেন।

    রূপামাসী বললেন, সন্ধে হয়ে গেল তবু তোদের পাত্তা নেই দেখে জামাইবাবু আর তোর কাকু থানায় গিয়েছিলেন। গিয়েই শুনলেন তোরা নাকি কাল রাতের ঘটনা থানাতে জানিয়ে এসেছিলি। তোদের কথার ভিত্তিতে পুলিশ ওই লোকদুটোকে ধরে ফেলেছে। কিন্তু সেই যে ভরদুপুরে ছেলেটাকে নিয়ে উধাও হলি তুই। সেটা কি না করলেই চলছিল না? এখন কোথায় খুঁজব ছেলেটাকে? নিরুপমবাবু বললেন, সে আর নেই। মালার কথা যদি সঠিক হয় তা হলে

    বাঘের পেটেই গেছে সে।

    এমন সময় ভাস্করমামা এসে হাজির হল। বলল, নাঃ। অনেক খুঁজলাম। কোথাও পেলাম না ওদের। তবে এখানকার পুলিশ সম্বন্ধে আমার যা ধারণা ছিল তা পালটে গেল। তারপর হঠাৎ মালাকে দেখে বলল, আরে মালা! কখন ফিরলে তোমরা?

    দিদা বললেন, তোমরা নয়, ও কালামুখী একা ফিরেছে। সে ছেলে ফেরেনি। এই পোড়া মুখ নিয়ে ও যে কেন ফিরল তা বুঝতে পারছি না। অজানা অচেনা জায়গায় শান্তশিষ্ট ছেলেটাকে নিয়ে গিয়ে বেঘোরে মারলে গো মেয়েটা। ছিঃ ছিঃ ছিঃ।

    ভাস্করমামা বলল, চন্দন ফেরেনি?

    না।

    মালা একবার ভাস্করমামার মুখের দিকে তাকাল। তারপর কী যেন বলতে গিয়েও বলতে পারল না।

    এমন সময় দরজার কড়া নড়ে উঠল।

    নিরুপমবাবু দরজা খুলে দিতে দু’-তিনজন কনস্টেবলসহ পুলিশ অফিসার ঘরে ঢুকলেন। তারপর সরাসরি মালার কাছে এসে প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা মালা ঠিক করে বলো তো, তোমরা হারলাঝুরিতে কীজন্য গিয়েছিলে?

    মালা বলল, আমার সাইকেল উদ্ধার করতে।

    বেশ। তুমি কী করে জানলে যে তোমার সাইকেল ওইখানে আছে? আমার এক বান্ধবী কমলু ওটা দেখেছে! কাল্লু নামে এক বদমাইশ ওটা চুরি করে। ওর বাড়ি হায়লাঝুরিতে।

    কমলু কোথায় থাকে।

    নন্দন পাহাড়ে।

    বুঝেছি। গুণধর ঝাজির মেয়ে, তাই না?

    হ্যাঁ। কাল্লু আমার দাদাকে নদীর খাদে ফেলে দিয়ে আমাকে জঙ্গলের পুরনো মন্দিরে আটকে রাখে। পরে ও কমলুকে ধরে আনতে যায়। ওকে বোধহয় ওই মন্দিরেই নিয়ে যাবে ওরা।

    সে কী! কই এসব কথা তো তুমি গাড়িতে বললে না আমাদের? চলো চলো শিগগির চলো। অনেক দেরি হয়ে গেছে।

    দিদা বললেন, ওকেও আবার যেতে হবে বাবা?

    হ্যাঁ মা, ও সঙ্গে থাকলে আমাদের সুবিধে হবে। কারণ ক্রিমিন্যাল ধরার চেয়েও এখন ওই ছেলেটার ব্যাপারে একটু নিশ্চিন্ত হতে হবে। ব্যাপারটা তো রহস্যজনক। কারণ এখনও পর্যন্ত এখানে নরখাদক জন্তুজানোয়ারের অস্তিত্বের কোনও খবর আমরা পাইনি। কাজেই ছেলেটা যে বাঘের পেটে গেছে, এ আমরা বিশ্বাস করতে রাজি নই। আমরা কথা দিচ্ছি ছেলেটাকে যে ভাবেই হোক ফিরিয়ে আনবই। আর ওই লোকদুটোকে গ্রেফতারের পর আপনাদের মূর্তি চুরির রহস্যও অনেকটা ফাঁস হয়ে এসেছে।

    রূপামাসি বলল, আর আমাদের মূর্তির দরকার নেই। দয়া করে ছেলেটাকে উদ্ধার করে ওর মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিন।

    পুলিশের গাড়ি মালাকে নিয়ে ঝড়ের বেগে নন্দন পাহাড়ের দিকে ছুটল। যতদূর যাওয়া যায় ততদূর যাবার পরই জিপ থামিয়ে পাহাড়ে ওঠা শুরু করল কিন্তু ওপরে উঠেই যে দৃশ্য ওরা দেখল তা রীতিমতো রোমাঞ্চকর।

    মন্দিরপ্রাঙ্গনে ঝাজির রক্তাক্ত মৃতদেহটা উপুড় হয়ে পড়ে আছে। মনে হচ্ছে রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধের পর মৃত্যুকে বরণ করতে বাধ্য হয়েছেন প্রবীণ পূজারি। মালা জোরে ডাক দিল, কমলু! এ কমলু! কমলু বহিন। কিন্তু কেউ কোথাও নেই। সাড়া দেবে কে?

    পুলিশ অফিসার বললেন, ওরা তা হলে ঝাজিকে মেরেই কমলুকে নিয়ে গেছে। মেয়েটার এখন কী হাল তা কে জানে? এদের বিরাট একটা চক্র তো।

    মালা বলল, শুনুন, আপনারা বিশ্বাস করবেন কি না জানি না, ওই কাকাহিগড়ের সাধুও এই পাপচক্রের সঙ্গে জড়িত।

    কাকাহিগড়ের সাধুবাবা!

    হ্যাঁ।

    তুমে ক্যাওসে মালুম হুয়া?

    আমি জানি। জানতে পেরেছি।

    এমন সময় আরও এক ঝাঁক পুলিশ এবং একজন পুলিশ অফিসার এসে হাজির হলেন সেখানে। বললেন, কিউ স্যার কুছ মিলা?

    প্রথম অফিসার ইঙ্গিতে পড়ে থাকা ঝাজির মৃতদেহটা দেখিয়ে দিলেন। আরে! মার্ডার ! একদম মর চুকা?

    ওদিককার খবর কী?

    আপনার কথামতো ওই লোকদুটোকে বেদম পিটিয়েছি। ওরা সব কথা কবুল করেছে।

    কী বলছে ওরা?

    এর উত্তরে দ্বিতীয় অফিসার যা বললেন তা হল এই, এখানে এদের তিনটি দল। এর মধ্যে কাকাহিগড়ের সাধুবাবাও আছেন। আসলে নিরুপমবাবুদের ওই রাধাকৃষ্ণমূর্তি এই তিন দলের কারও কাছেই নেই। এই নিয়েই এদের মধ্যে বিরোধ। তিন দলের মধ্যে কাল্লু এবং ওর তিন সঙ্গীকে নিয়ে একটি দল। একটি দলে আছে হীরুক ও ভীরুক নামে দুই শয়তান। আর একটি দল হল শোভরাজ সিং আর জগমোহনের। অর্থাৎ যে লোকদুটোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওরা বলছে নিরুপমবাবুদের ওই অগাধ সম্পত্তি এবং বহুমূল্য ওই রাধাকৃষ্ণমূর্তির প্রতি লোভ ওদের অনেকদিনই ছিল। তাই ওরা সকলেই মূর্তিটি অপহরণ করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল অনেকদিন থেকে। কিন্তু অপহরণ করলেই তো হল না। এ মূর্তি বেচবে কার কাছে ? তা ছাড়া উপযুক্ত দাম না পেলে অযথা চুরিডাকাতি করেও তো লাভ নেই। এই সময় মুঙ্গেরের ভগবানদাস জেঠিয়া এগিয়ে এলেন। ইনি একজন ইন্টারন্যাশনাল স্মাগলার। এরই মাধ্যমে কাজ করবার কথা ওরা স্থির করল। ভগবানদাসের নামে ওয়ারেন্ট আছে। লোকটা তাই সাধুর ছদ্মবেশ নিয়ে কাকাহিগড়ে এসে ঘাঁটি গেড়েছে। অনেক উঁচু মহলের লোকের সঙ্গে তাঁর দহরম মহরম। তাই মুঙ্গের পুলিশ সব জেনেশুনেই আর ওকে ঘাঁটায়নি। বিশেষ করে তিনি যখন এলাকার বাইরের চলে গেছেন তখন আর তাঁকে নিয়ে মাথাব্যাথা কেন? কাকাহিগড়ের এই সাধুর প্রতি এখানকার পুলিশেরও যে সন্দেহ ছিল না তা নয়। এই মূর্তিটাকে চারদিকে তন্ন তন্ন করে খোঁজার পরও ওই সাধুর আস্তানার দিকে দৃষ্টি পুলিশ ঠিক রেখেছিল।

    কিন্তু মুশকিল যেটা হল সেটা হচ্ছে, মূর্তিটা তা হলে গেল কোথায়? কাকাহিগড়ের ধারেকাছেও মূর্তির অস্তিত্ব পুলিশ পায়নি।

    শোভরাজ সিং ও জগমোহনের মুখ থেকে পুলিশ যে তথ্য আবিষ্কার করেছে তা হল, ওই দিনের ডাকাতির পর ওই মূর্তিটা সাধুবাবা নিজের কাছে রাখতে চাননি। কারণ উনি জানতেন মূর্তি নিজের কাছে রাখা মানেই পুলিশের খপ্পরে পড়া। তাই কাল্লুকে দিয়ে নন্দন পাহাড়ে ঝাজির কাছে পাঠিয়ে দিতে গিয়েছিলেন। ঝাজি মূর্তিটা ঠাকুরের আলমারিতে লুকিয়ে রাখলে কেউই টের পেত না। এবং পরে সময়মতো পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে মূর্তিটা ওখান থেকে সরিয়ে দুমকায় নিয়ে গিয়ে রাখা হত। তারপর চলে যেত যথাস্থানে। কিন্তু নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ ঝাজি কোনও প্রলোভনেই রাজি হননি ও কাজ করতে। এই নিয়ে কাল্লুর সঙ্গে সে-রাতে দারুণ বচসা হয়। আর সবচেয়ে আশ্চর্য সেই বচসার ফাঁকে মূর্তিটা যেন কর্পূরের মতো উধাও হয়ে যায় সেখানে থেকে। তা হলে কী তৃতীয় কোনও ব্যক্তি সেখানে ছিল? যদি থাকে, সে কে?

    এরপর দলের লোকেদের মধ্যে শুরু হয় পরস্পরের পরস্পরকে সন্দেহ করার পালা। কেউ কাউকেই আর বিশ্বাস করতে পারে না। এবং সবার রাগ গিয়ে পড়ে ওই কাল্লুরই ওপর। কেন না মূর্তিটা তো ওর হাত দিয়েই গিয়েছিল। আর সেই সঙ্গে চারুভিলার বাগানবাড়িটাও হয়ে ওঠে ওদের একটা ঘাঁটি। কারণ ওদের দৃঢ় ধারণা হয়েছিল মূর্তিটা কাল্লু আদৌ বেশি দূরে নিয়ে যায়নি। হয়তো এই চারুভিলার বাগানেই কোনও গোপনস্থানে লুকিয়ে রেখেছে। নন্দন পাহাড়ে মূর্তি নিয়ে যাওয়ার পর ঝাজি ওই মূর্তি রাখতে রাজি না হওয়ায় সে-রাতে ওরা ওই বাগানেই কোথাও এসে মূর্তিটা লুকিয়ে রাখে অথবা হারলাঝুরিতে কাল্লুর নিজের এলাকায় বাড়ির কাছাকাছি রাখে কোথাও। তবে ওই মূর্তি হারলাঝুলিতে নিয়ে যাওয়ার চেয়েও এই বাগানে নিয়ে আসার সুবিধেটাই বেশি।

    শোভরাজ সিং এও বলেছে ওইদিন রাতে মালা ও চন্দনকে বাগানে ঘুরতে দেখে ও অনুমান করেছে মূর্তি বাগানেই আছে। এবং ওই মেয়েটি এবং ছেলেটি নিশ্চয়ই সে খবর জানে। তাই ওরা ওদের তুলে নিয়ে যাবার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ওরা যে এমন মারাত্মক, তা ওরা জানত না।

    যাই হোক, এখানকার সব কিছু তদারকির পর দু’জন কনস্টেবলকে ঝাজির মৃতদেহ পাহারা দিতে বলে পুলিশ মালাকে নিয়ে চলল হারলাঝুরির দিকে। যেখানে কর্মনাশা নদীর খাদে চন্দনকে ওরা ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়েই আর এক বিস্ময়। ওরা দেখল নদীর বালিতে পর পর তিনটি মৃতদেহ লাইন দিয়ে সাজানো আছে। তাদের সর্বাঙ্গে নিদারুণ ক্ষতচিহ্ন। এই মৃতদেহগুলি আর কারও নয়। কাল্লুর তিনসঙ্গীর। কাল্লু হয়তো ওই তিনসঙ্গীকে মেরে কামলুকে নিয়ে পালিয়েছে। যাই হোক, কাল্লুকে এখন ধরতেই হবে। না হলে কমলু উদ্ধার হবে না। মালা সকলকে নিয়ে এরপর জঙ্গল পার হয়ে সেই পাহাড়ে পুরনো মন্দিরে

    গেল। কিন্তু কোথায় কে? না কমলু, না কান্নু, কারও সন্ধান পাওয়া গেল না

    সেখানে।

    এইবার চন্দনের কথায় আসা যাক।

    জীবনে যে ছেলে কখনও বাবা-মা’র কাছে সামান্য একটা চড়ও খায়নি তার মাথায় লাঠির ঘা পড়লে সে সহ্য করতে পারবে কেন? তাই ওই দারুণ আঘাতে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিল সে। মাথার একটা পাশ সামান্য কেটে অথবা ফেটে রক্তও ঝরছিল ছুঁয়ে ছুঁয়ে। সেই সঙ্গে রক্ত ঝরছিল নাক দিয়ে। এর ওপর ওকে নদীর বালিতে খাদের মধ্যে ফেলে দেওয়ায় গা-গতরও যথেষ্ট ব্যথা হয়ে ওঠে। ওর যখন ধীরে ধীরে জ্ঞান ফিরে এল তখন প্রথমটা খুব হকচকিয়ে গেল ও। তারপর নিজেকে বালির মধ্যে আবিষ্কার করে শঙ্কিতও হল। এরপর সামনেই জল দেখে বুকে হেঁটে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল সে। তারপর জলে মুখ দিয়ে একটু একটু করে জল খেল। নদী বা ঝরনার জল কখনও এভাবে খেতে নেই জেনেও খেল। না-খেয়ে উপায় নেই। তৃষ্ণায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে। জল খেয়ে মুখহাত ধুয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসে হাঁফ ছাড়ল ও। সর্বাঙ্গে ব্যথা। কেন না পাহাড়িয়া নদী তো, চারদিকে বালির সঙ্গে পাথর নুড়ির ছড়াছড়ি। তাই ছুড়ে ফেলে দেওয়ার জন্য সর্বত্র আঘাত।

    প্রথমেই ওর মালার কথা মনে পড়ল। কোথায় গেল মালা। দুর্বৃত্তরা কি মালাকে নিয়ে চলে গেছে? না মালা পালাতে পেরেছে আত্মরক্ষা করে? চন্দন তখন ধীরে ধীরে ডাঙার ওপর উঠে এল। উঠে দেখল এ তো সেই জায়গা। যেখানে ওরা ওর মাথায় আঘাত করেছিল। মালার সাইকেলটা তখনও পড়েছিল সেইখানে ঝোপঝাড়ের পাশে।

    চন্দন সেটা টেনে আনল। যাক। আর কিছু হোক-না-হোক এখন পালিয়ে তো বাঁচা যাবে। আর মালাকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসন, বাড়ির লোকেরা সকলেই আছে। এমন সময়—

    এ কী? এ কার গলা? কমলুর না? ও দেখল হারলাঝুরির ডাঙা থেকে কাল্লু  ও তার সঙ্গীরা প্রায় টানতে টানতে নিয়ে আসছে কমলুকে

    কমলু চিৎকার করছে, ছোড় দো। মুঝে ছোড় দো।

    ছেড়ে তো দেব। তার আগে বল ওই মূর্তিটাকে কোথায় হাপিস করিয়ে দিল তোর বাবা?

    ম্যায় কুছ নেহি জানতা।

    সব কিছু জানিস তুই। আসলে তোর বাবা আর তুই হলি পাক্কা শয়তান। না হলে চোখের পলকে ওই মূর্তিটা হাওয়া হল কী করে? আর ওই মালা। ও লেড়কি ভি সব জানে। মূর্তিটা হাপিস হল, আর ও লেড়কির সঙ্গে তোর দোস্তি বাড়ল? বল শিগগির?

    আমি জানি না।

    এমন সময় নদীর ওপারের জঙ্গলের ভেতর থেকে একজন ভয়ংকরদর্শন লোককে ছোরা হাতে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল।

    তাকে দেখা মাত্রই কী রকম যেন হয়ে গেল কাল্লুর দলবল। কিন্তু তা ক্ষণিকের জন্য। পরক্ষণেই ওর সঙ্গীরা হুপহাপ করে ঝাঁপিয়ে পড়ল সেই লোকটির ওপর। শুরু হল খণ্ড যুদ্ধ। কিন্তু সেই ভয়ংকর শক্তির সঙ্গে ওরা পারবে কেন? তাই চুনোপুঁটির মতো মরতে লাগল। এলোপাথারি ছোরা চালিয়ে তিনজনকে ঘায়েল করতেই কাল্লু পিছন দিকে দৌড় লাগাল।

    কিন্তু পালাবি কোথায় বাছাধন? চন্দন তখন পাণ্ডব গোয়েন্দা। একটি মাঝারি সাইজের পাথর কুড়িয়ে সজোরে ছুড়ে মারল কাল্লুর মাথাটা লক্ষ্য করে। অব্যর্থ টিপ। বেলের মতো ফেটে গেল মাথাটা। কাল্লু মুখ থুবড়ে পড়ে গেল পথের ওপর।

    চন্দন ছুটে গেল কাছে। গিয়ে সমবেদনার সুরে বলল, লেগেছে ভাই? আহা! আমারও তখন এমনিই লেগেছিল। এখন বল তো আমার বোন কোথায়? জানি না।

    ততক্ষণে কমলু ছুটে এসেছে, আরে! চন্দনদাদা? মেরা বহিন কাহা? মালা ! সেই কথাই জিজ্ঞেস করছি ওকে। ও বলছে, জানে না।

    কমলু সঙ্গে সঙ্গে ওর চুলের বেণী থেকে একটা কাঁটা বার করে কাল্লুর একটা চোখে সজোরে গেঁথে দিল। বলল, শয়তান। তুই আমার পিতাজিকে খুন করেছিস। এখন বল মালা কোথায়?

    কাল্লু আর্তনাদ করে উঠল, আ-আ-আ।

    এখনও বল। একটা চোখ গেলে দিয়েছি। আর একটা দেব। বল শিগগির। পুরানা মন্দির মে পাহাড় পর।

    নদীর গর্ভে যে ভয়ংকর লোকটি এতক্ষণ হত্যালীলায় মেতে উঠেছিল সে লোকটি এবার ধীরে ধীরে উঠে এল ওপরে। তারপর কাল্লুকে ধরে টেনে তুলে দাঁড় করিয়ে বলল, তোকে আমি অনেকদিন ধরে খুঁজছিলাম রে কাল্লু। সামান্য একটা সাইকেল চুরি করতে গিয়ে কেমন ফেঁসে গেলি দেখ। আয় আমার সঙ্গে। মা কালীর কাছে তোকে বলি দেব আজ। জয় মা কালী কী।

    কমলু বলল, হীরুভাইয়া। কাল্গুনে হামারা পিতাজিকো মারডালা। ক্যা বোলা! ঝাজিকো মারডালা ইয়ে কুত্তা? হ্যাঁ।

    ঠিক হ্যায়। তুম রোও মাত, যাও, ঘর চলা যাও।

    লেকিন ও মালা বহিন?

    তুমহারা মালা বহিন তো কাকাহিগড় চলি গয়ী ভীরুভাইয়া কা সাথ। যাও, তুম ঘর চলা যাও। বলে আবার নদীর জলে নেমে গেল লোকটি। অবশ্যই কাল্লুকে কাঁধে উঠিয়ে নিয়ে।

    চন্দন আর কমলু অবাক বিস্ময়ে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল পরস্পরের মুখের দিকে।

    চন্দন সাইকেলটা টেনে নিয়ে কমলুকে বলল, চাপো তুমি সামনের দিকে। আমি ডবল ক্যারি করছি। তোমার বাবা যখন নেই, তখন আজ রাত্রিটার মতো আমাদের ঘরেই চলো তুমি। তারপর মেসোকে দিয়ে পুলিশে খবর দেওয়াব।

    কমলু বলল, চন্দনদা! আমি কাকাহিগড়ের পথ চিনি। আগে চলো আমরা সেখানেই যাই। মালাকে উদ্ধার করি। না হলে ও তো ভাববে। আর থানা-পুলিশ করেই বা কী হবে? কাল্লু আমার পিতাজিকে খুন করেছে। কিন্তু তুমি ওর মাথা ফাটিয়েছ, আমি চোখ কানা করেছি, আর হীরুভাই ওকে জ্যান্ত কবর দেবে। এখানেই তো বদলা নেওয়া হয়ে গেল আমাদের।

    ওই হীরুভাইটা কে?

    ও ভি ডাকু হ্যায়।

    বলো কী?

    হ্যাঁ, ওরাই তো সবাই মিলে ডাকাতি করেছে মালাদের বাড়িতে। ওরা যখন নন্দন পাহাড়ে আমাদের মন্দিরের পিছনদিকে বসে সব কিছুর আলোচনা করত, আমি তখন লুকিয়ে লুকিয়ে শুনতাম। হীরুক আর ভীরুভাইয়া আমাকে খুব ভালবাসে। বাবাকেও খাতির করত।

    কমলুর নির্দেশিত পথ ধরে চন্দন দ্রুত সাইকেল চালনা করতে লাগল। সারাগায়ে এত ব্যথা। তবু এক অপূর্ব মনোবলে এগিয়ে চলল ওরা।

    কাকাহিগড়। চারদিকে ছোট বড় পাহাড়ের সমাবেশ। ওই তো ত্রিকূট পাহাড়ের চুড়ো দেখা যায়। কত ছোট-ছোট টিলা। টিলাগুলোর অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বড়জোর দু’বছর এগুলোর মেয়াদ। কেন না এখানে পাথর কাটার কাজ দ্রুত চলছে। চারদিকে নুড়িপাথর জড়ো করা। অরণ্যনিধনের তোড়জোড়ও চলছে পুরো দমে। বড় বড় গাছের কাটা ডাল পড়ে আছে যেখানে সেখানে।

    ওরা এক পাশে সাইকেলটা লুকিয়ে রেখে ধীরে ধীরে পথ চলতে লাগল, জঙ্গল আর টিলার মাধখানে দিয়ে! পথ চলার সময় চন্দন বুঝল কমলু কাঁদছে। বলল, কেঁদে কী করবি রে? যা তোর কপালে ছিল, তা হয়েই গেছে। চন্দন বড়দাদার মতো তুমির বদলে তুই বলতে লাগল কমলুকে।

    এখন আমি কী করব দাদা? আমার যে কেউ নেই।

    চন্দন বলল, কে বললে তোর কেউ নেই? আমি তো আছি। আমি তোর দাদা। আমার কত বোনের শখ ছিল। তা এমন একটি বোন পেলাম, সে কী ছেড়ে দেব বলে? কী সুন্দর দেখতে তোকে। লোককে দেখিয়ে আমার বোন বলে গর্ব করব। আমাকে রাখি পরিয়ে দিবি, ভাইফোঁটা দিবি। আর আমি বড় হয়ে চাকরি করলে রাজপুত্তুর ছেলের সঙ্গে তোর বিয়ে দেব।

    কমলু বললে, আচ্ছা দাদা, তুমি আমাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইছ, কিন্তু তোমার মা-বাবা আমাকে রাখবেন? সে দায়িত্ব আমার।

    কিন্তু আমার বাবুজি। বাবুজির দেহান্ত হয়ে গেল তাঁর সৎকারের কী হবে? সব ঠিক হয়ে যাবে। আগে মালাকে উদ্ধার করি আয়। তারপর ব্যবস্থা করব। আর আমি কথা দিলাম আজ থেকে তুই আমার কাছেই থাকবি।

    এইভাবে যেতে যেতে এক জায়গায় থমকে দাঁড়াল ওরা। দেখল সামনেরই একটি পাহাড়ের উচ্চস্থানে এক রুদ্র-মূর্তি সন্ন্যাসী ওদের দিকে তাকিয়ে চুপ চাপ দাঁড়িয়ে আছেন। সন্ন্যাসীর চোখের যেন পাতা পড়ছে না।

    চন্দন ও কমলুকে দেখেই তিনি আকাশ ফাটিয়ে হাঃ হাঃ শব্দে হেসে উঠলেন। বললেন, আরে কমলু বিটিয়া, তুম হিয়া পর ক্যায়সে আ গয়ি, তুমহারা পিতাজি কাহা?

    কমলু বলল, পিতাজিকা নিধন হো গিয়া।

    আ-হা-হা-হা-। হায় রে।

    চন্দন বলল, সাধুবাবু! আমার বোন মালা আপনার এখানে আছে। ওকে ফিরিয়ে দিন। আমরা ওকে নিতে এসেছি।

    আরে বাঙ্গালি বাচ্ছা। তুম কৌন?

    ওই যে মালা, যাকে ভীরুভাই নিয়ে এসেছে আমি তার দাদা।

    ও। তব তুম চারুভিলা কা লেড়কা?

    হ্যাঁ।

    ঠিক আছে। তোমার বোন মালা আমার কাছেই আছে। এসো এখানে এসো। ওই দিকের রাস্তাটা দিয়ে এসো।

    ওরা সাধুর নির্দেশিত রাস্তাটা ধরে নেমে আসতে গিয়েই দেখল, এক জায়গায় কয়েকজন বলিষ্ঠ চেহারার লোক ওদের দিকে তাকিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।

    তাদের দেখেই শিউরে উঠল কমলু। ভয়জড়ানো কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, চন্দনদা! পালিয়ে চলো এখান থেকে। এদের মতলব ভাল নয়। আমি এদের সবাইকে চিনি। এরা বড় সাংঘাতিক।

    চন্দন বলল, তবে তাই চল। কিন্তু আমরা কি পারব এদের খপ্পর থেকে পালাতে। আর পালিয়েই বা লাভ কী? মালাকে তো উদ্ধার করতে হবে।

    আমরা এখুনি গিয়ে পুলিশে খবর দেব। না হলে শুধু হাতে দু’জনে আমরা কী করে কী করব বল? আমার বাবুজি মরে গেল। এখন যদি ওরা তোমাকেও মেরে ফেলে তো আমার কে থাকবে?

    চন্দন বলল, তবে আয়। খুব জোরে ছুটতে হবে কিন্তু।

    এই বলে ওরা দ্রুত ছুটতে লাগল।

    কাকাহিগড়ের সেই সাধু চিৎকার করে উঠলেন, পাকড়ো, পাকড়ো, জলদি পাকড়ো উয়ো দোনোকো।

    ওরা তখন তিরবেগে ছুটছে জ্যোৎস্নালোকিত কাকাহিগড়ের বন্ধুর প্রান্তরে। খানিক ছুটে যাওয়ার পরই দেখল মূর্তিমান যমের মতো দু’জন লোক ওদের সামনে ছোরা উঁচিয়ে দাড়িয়ে আছে।

    দেখেই থেমে পড়ল ওরা।

    পাশেই একটি পাহাড়ের ঢাল ছিল। সেটা দিয়ে গড় গড় করে খানিকটা গড়িয়ে নেমে এল ওরা। একটু সমতল প্রান্তরে। তারপর আবার ছুট। ছুট ছুট-ছুট। কিন্তু আবার খানিক আসার পর দেখল, এখানেও ওদের পালাবার পথ রুদ্ধ। এদিকেও দু’জন লোক দাঁড়িয়ে আছে ছোরা হাতে।

    ইতিমধ্যে ওরা ভয়ে এমনই হতচকিত হয়ে গিয়েছিল যে সাইকেলটা কোন পথে কোনখানে রেখে এসেছিল, তাও আর মনে করতে পারল না।

    হঠাৎ একসময় দু’-তিনজন লোক ঝাঁপিয়ে পড়ে ওদের দু’জনকেই পাঁজাকোলা করে তুলে নিল।

    চন্দন ও কমলু আত্মরক্ষার অনেক চেষ্টা করল। কিন্তু পারল না।

    ওরা ওদের নিয়ে এল একটু সমতলে। সেখানে একটি গাছের গুঁড়ির সঙ্গে চন্দনকে বাঁধল। তারপর কমলুকে ছাড়া অবস্থাতে রেখেই ওরা একটু দূরে সরে গিয়ে পাহারা দিতে লাগল ওদের।

    কমলু চিৎকার করতে লাগল, ছোড় দো, ছোড় দো মেরা ভাইয়া কো। এমন সময় কাকাহিগড়ের সেই সাধু এসে এসে দাঁড়ালেন সেখানে। বললেন, আরে! কমলু বিটিয়া! তু ইতনা ডরতি হ্যায় কিঁউ মুঝে দেখ কর?

    কমলু সন্ন্যাসীর পায়ের ওপর লুটিয়ে পড়ে বলল, আমার দাদাকে ছেড়ে দিন সাধুবাবা।

    দেগা। জরুর দেগা। তবে তুই আমাকে ঠিক করে বলত মা ওইদিন রাতে মূর্তিটা তোর পিতাজি কোথায় লুকিয়ে ফেলেছিল?

    সাধুবাবা। আপনার কসম খেয়ে বলছি, ওই দিন রাতে মূর্তিটা আমার বাবা থানা-পুলিশের ভয়ে রাখতে না চাইলে ওই কাল্লু শয়তানটা ওটা নিয়ে পালিয়ে যায়।

    তারপর!

    তার পরের ব্যাপার আমি কিছুই জানি না।

    সাচ।

    হ্যাঁ সাধুবাবা।

    না। তুই ঠিক বলছিস না। সাচ বাত কী আছে ঠিক করে বল দেখি? বলে চন্দনের দিকে এগিয়ে গেলেন সাধুবাবা। তারপর ওর চুলের মুঠি ধরে বললেন, এই তুই কিছু জানিস? জেনে থাকিস তো বল।

    চন্দন বলল, জানি। কমলুও জানে, আমিও জানি। আর আমার বোন মালাও জানে। আগে ওকে মুক্তি দিন। তারপর সব বলব।

    তোর বোন এখানে তো নেই। তপোবন পাহাড়ের গুহায় তাকে রাখা হয়েছিল, কিন্তু পরে তাকে আর দেখছি না। হয়তো সে এতক্ষণে বাড়ি পৌঁছেই গেছে।

    চন্দন বলল, তা হলে জেনে রাখুন এখুনি পুলিশও আসছে।

    পুলিশ। আসুক না। আমার কাছে মন্ত্রী কমিশনার সবাই তো আসে। বুরবাক লেড়কা। আমাকে পুলিশের ভয় দেখাচ্ছিস তুই? তা হলে জেনে রাখ, অনেক বড় নৌকোয় আমার দড়ি বাঁধা। পুলিশ আমার কিছু করতে পারবে না। যদি পারত, তা হলে এতদিনে আমার অনেক কিছুই করত। এখন যদি বাঁচতে চাস তো ঠিক করে বল, ওই মূর্তিটা কোথায়?

    ওই মূর্তিটা আমাদের বাগানেই এক জায়গায় পুঁতে রেখেছি আমরা। কোনখানে?

    আমাদের নিয়ে চলো দেখিয়ে দিচ্ছি।

    সাধুবাবা বললেন, ঠিক বলছিস?

    হ্যাঁ, আমার হাত-পা খুলে দাও এবার। বড্ড লাগছে আমার। সাধুবাবা বললেন, বেশ খুলে দিচ্ছি। তবে আজ রাতের মতো আমাদের এখানে থাকতে হবে তোদের দু’জনকে। যদি ওটা পাই তা হলে কাল এমনিই ছাড়া পাবি। না হলে কিন্তু মা কালীর কাছে বলি দেব তোদের দু’জনকেই।

    বেশ তাই দেবেন। এখন ছাড়ুন তো।

    সাধুবাবা ওর বাঁধন মুক্ত করে বললেন, ঠিক কোনখানে আছে বল তো ওটা। বাগানের পিছনে পাঁচিলের গায়ে যে শিরীষ গাছটা আছে সেইখানে। সাধুবাবা দলের লোকদের বললেন, যাও! তুমসব জলদি চলা যাও হুঁয়া পর। সাধুর লোকেরা তখনি ছুটল।

    সাধু ওদের দু’জনকে নিয়ে তাঁর আশ্রমের দিকে এগোতে লাগলেন।

    ইতিমধ্যে কমলু ও চন্দন ইশারা করে নিল। তারপর চোখে চোখে কথা বলে যেই-না একটা পাথর কুড়িয়ে মারতে যাবে, অমনি সাধুবাবা খপ করে এক হাতে ধরে নিলেন কমলুকে, কিন্তু চন্দন ততক্ষণে সাধুর জটা ধরে ঝুলে পড়তেই নকল জটা খুলে এল খস করে।

    এ কী! এ তো ছদ্মবেশী। এ তো সাধু নয়।

    চন্দন বলল, কে আপনি? আপনি তো কাকাহিগড়ের সাধু নন।

    সাধুবাবা ক্রোধে আত্মহারা হয়ে বললেন, কে আমি একটু পরে বুঝবি। শয়তান ছেলে, যদি তোর কথা মিথ্যে হয়, ওরা মূর্তি না-পেয়ে ফিরে আসে তা হলে আজই শেষরাতে তোদের বলি দেব মায়ের কাছে। এখন চল তোদের দু’জনকে মায়ের মন্দিরে রেখে আসি।

    এই বলে দু’জনের হাতের নড়া ধরে টানতে টানতে সাধুবাবা ওদের নিয়ে একটা টালির চালা দেওয়া ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে শিকল তুলে নিল।

    আসলে হারলাঝুরিতে মাথায় ঘা খেয়ে নদীর খাদে পড়ে গিয়ে চন্দনের শরীরে শক্তি বলে আর কিছুই ছিল না। তাই সে আর বেশিরকম বাধা দিতে পারল না। তবু ওরা দু’জনে সেই বন্ধ দরজায় লাথির পর লাথি মেরেই চলল।

    এক সময় ক্লান্ত হয়ে থামল দু’জনে। যে ঘরে ওরা ছিল সেই ঘরে মিট মিট করে একটি প্রদীপ জ্বলছিল। সেই প্রদীপের আলোয় ওরা দেখল, এইটাই মায়ের মন্দির। এক পাশে কয়েকটি নরমুণ্ডের করোটি রাখা আছে। তারই মাঝখানে মাকালীর মূর্তি।

    কমলু বলল, আচ্ছা চন্দনদা।

    বল।

    তুমি যে ওদের মিথ্যে করে বললে মালাদের বাগানে শিরীষ গাছের নীচে মূৰ্তিটা পোঁতা আছে। কিন্তু একথা তো ঠিক নয়, কাজেই ওরা যখন মূর্তি না পেয়ে ফিরে আসবে, তখন কী হবে?

    আরে বুঝলি না কেন, এই অছিলায় ওদের একটু দূরে সরিয়ে দিলাম। এর ফলে হল কী ওরা মূর্তি উদ্ধার করতে গিয়ে নির্ঘাত ধরা পড়বে। কেন না মালা কি এতক্ষণে বাড়ি গিয়ে হই-চই পাকিয়ে থানা-পুলিশ করেনি ভেবেছিস? আর এই সময়ের মধ্যে আমরাও এখান থেকে পালাবার কোনও মতলব বার করতে পারব।

    কী করে পালাবে?

    শোন, তুই এক কাজ কর। দুটোহাত পিছনে রেখে আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে জুড়ে শক্ত করে দাঁড়া। আমি তোর হাতে পা দিয়ে কাঁধে উঠে ওপরের টালি ফাঁক করে পালাই। তারপর ওদিকে নেমে দরজার শিকল খুলে তোকে নিয়ে পালাব।

    কমলু বলল, বাঃ। তোমার বেশ বুদ্ধি তো।

    এ ছাড়া উপায় নেই রে।

    চন্দনের কথা মতো কমলু তাই করল। এবং এই উপায়ে চন্দনও অনায়াসে ওর হাতে পা রেখে কাঁধে উঠল। তারপর টালি সরিয়ে বাইরে বেরিয়ে দরজা খুলে দিতেই মুক্তি পেল কমলু।

    এবার আর কোনওদিকে না গিয়ে সোজা পাহাড়ি পথে দৌড়তে লাগল ওরা। চন্দন কমলুর একটা হাত শক্ত করে ধরে ছুটতে লাগল।

    ইতিমধ্যে কী করে যেন টের পেয়ে সাধুবাবাও ছুটে এসেছেন তখন, রুখ যা! এ বাঙ্গালি রুখ যা। নেহি তো মার ডালুঙ্গা।

    চন্দন ঘুরে তাকিয়ে দেখল কাকাহিগড়ের সাধুবাবা আবার সেই আগের মতো জটাজুটধারী হয়ে দাড়িয়ে আছেন।

    হঠাৎ কোথা থেকে ছুটে এসে ‘চন্দনদা’ বলে ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল মালা। তারপর বাচ্চা মেয়ের মতো হাউ হাউ করে কেঁদে বলল, তুমি বেঁচে আছ চন্দনদা! আমি তো ভেবেছিলাম মরেই গেছ। আমার জন্য তুমি অনেক কষ্ট পেয়েছ না? সামান্য একটা সাইকেলের জন্য কী কাণ্ড।

    চন্দন মালাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, তোমার সাইকেল আমি উদ্ধার করেছি মালা। কিন্তু তুমি এখানে কী করে এলে।

    আমি এসেছি পথ খুঁজে। তবে একা নয়। সঙ্গে এক গাড়ি পুলিশ নিয়ে। একটু আগেই একটা দলকে রাস্তায় ধরে ফেলেছে পুলিশ। এখন বাকি শুধু ওই যত নষ্টের গোড়া সাধুটা। ব্যাটা ভণ্ড।

    কোন সাধু! ওটা তো ছদ্মবেশী, ওই জটা ওর পরচুলা। তাই নাকি?

    হ্যাঁ।

    হতে পারে। তবে কাকাহিগড়ের সাধু উনিই।

    মালার কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই গুডুম করে একটা শব্দ। আর সেই শব্দের সঙ্গে আর্ত চিৎকার করে লুটিয়ে পড়ল কমলু। চন্দন মালাকে টেনে নিয়ে বড় একটা পাথরের খাঁজে গা আড়াল করল।

    আবার একটা গুলি এসে লাগল পাথরের গায়ে।

    কাকাহিগড়ের সাধু ক্ষিপ্ত হয়ে গুলি চালাচ্ছেন।

    ততক্ষণে দলে দলে পুলিশ ছুটে এসেছে সেখানে।

    মালা ও চন্দন আড়াল থেকে বেরিয়ে ছুটে গেল কমলুর কাছে। কমলু যন্ত্রণায় ছটফট করছে। ওরা দু’জনে পাঁজাকোলা করে তুলে নিল কমলুকে।

    এদিকে পুলিশের লোকেরা হিড়হিড় করে টেনে আনল সাধুবাবাকে।

    একজন অফিসার হাতে হাতকড়া পরিয়ে বলল, তারপর ভগবানদাসব্জি। আপনি এতদিন অনেক খেল দেখিয়েছেন। এইবার আপনার পালা শেষ।

    সাধুবাবা উত্তেজিত হয়ে বললেন, ম্যায় সর্বানন্দ গিরি হুঁ। ভগবানদাস নেহি। চন্দন ছুটে গিয়ে সাধুর জটাটা টেনে খুলে দিয়ে বলল, এইবার বলুন আপনি কে?

    সাধুবাবা উত্তেজিত হয়ে বললেন, মেরা ক্যা কসুর?

    আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। শুধু প্রমাণের অভাবে এতদিন আপনাকে গ্রেফতার করতে পারছিলাম না আমরা, আপাতত অন্য কোনও প্রমাণ নাথাকলেও ছেলেমেয়ে ধরে আটক করা এবং খুনের অভিযোগে আপনাকে গ্রেফতার করা হল। নাউ ইউ আর আন্ডার অ্যারেস্ট ফর কিডন্যাপিং অ্যান্ড মার্ডার।

    মালা ততক্ষণে একটা টুকরো পাথর তুলে নিয়ে সাধুর নাকে ছুড়ে মেরেছে। সবাই হাঁ-হাঁ করে উঠল, এ ক্যা হ্যায়। তুমনে হাত মাত লাগাও।

    মালা বলল, ও আজ জেলে ঢুকলে কাল ঠিক বেরিয়ে যাবে। কিন্তু আমার দেওয়া এই স্মৃতিচিহ্নটুকু যাতে চিরকাল আঁকা থাকে সেই ব্যবস্থাই করলাম।

    এরপর যন্ত্রণাকাতর কমলুকে ধরাধরি করে জিপে ওঠানো হল। তারপর ওর চিকিৎসার জন্য পুলিশের জিপ দ্রুত ওকে নিয়ে এগিয়ে চলল দেওঘরের হাসপাতালের দিকে। সঙ্গে মালা, চন্দনও চলল।

    এর দিন তিনেক পরের কথা। চারুভিলায় সেদিন দারুণ উৎসব। সেই রাধাকৃষ্ণমূর্তি আবার নতুন করে প্রতিষ্ঠার দিন আজ। বহু লোক নিমন্ত্রিত হয়েছেন। আর তো কোনও ভয় নেই। দলের সবাই ধরা পড়েছে। হীরুক ও ভীরুক মরেছে পুলিশের গুলিতে। কাল্লুর মৃতদেহটা নদীর চরায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বাদবাকির সবাই লকআপে। কমলুর কথানুসারে নন্দন পাহাড়ের পানি ট্যাঙ্কির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে রাধাকৃষ্ণমূর্তিকে। শেষ নিশ্বাস ফেলার আগে কমলুই বলে গেছে, ওর বাবার সঙ্গে কাল্লুর কথা কাটাকাটির সময় মূর্তিটা ও লুকিয়ে ট্যাঙ্কের মধ্যে ফেলে দেয়। সেই সূত্রেই পাওয়া গেছে মূর্তিটা। কিন্তু এত আনন্দর মধ্যে কমলুই নেই, এটা যেন দুঃস্বপ্নের মতো। এ যেন ভাবাই যায় না। তাই চারুভিলার ছাদে আলশের ধারে হাতে হাত রেখে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকা মালা ও চন্দনের চোখ বেয়ে টপ টপ করে অশ্রুর ধারা মুক্তোর মতো ঝরে পড়তে লাগল। দূরের পাহাড়, সবুজ অরণ্যানি এবং মেঘমুক্ত আকাশ কমলুর অভাব কতখানি বোধ করবে জানি না। তবে এই দুই কিশোরকিশোরীর হৃদয়ে কমলুর স্মৃতি হয়তো বরাবরের জন্য আঁকা হয়ে থাকবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }