Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গিরিগুহার গুপ্তধন – ৭

    সাত

    ওরা দু’জনে এবং ভেলুয়া একটি সংকীর্ণ বনপথ ধরে ছোটা শুরু করল। একটু ছুটে আসার পরই পাথরে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল দীপংকর, উ হু হু। বাবারে, মরে গেলুম।

    কী হল! কী হল দীপ।

    দীপংকরের পায়ের বুড়ো আঙুলের মাথাটা কেটে গিয়ে তখন গল গল করে রক্ত ঝরছে।

    চম্পা বলল, লেগেছে খুব?

    হ্যা। ভীষণ জ্বালা করছে।

    ওতে কিছু হবে না। পাথুরে জায়গা। আমার অমন কত লাগে। দাঁড়াও এক্ষুনি রক্ত বন্ধ করে দিচ্ছি। বলে ছুটে গিয়ে তিন রকম গাছের পাতা হাতের তালুতে কচলে লাগিয়ে দিল দীপংকরের পায়ে। এরপর ওর পায়ের দু’-এক জায়গায় অতি চমৎকারভাবে ম্যাসেজ করে ওর হাতধরে টেনে তুলল ওকে।

    দীপংকর বলল, খুল লেগেছে। আর একদম ছুটতে পারব না।

    আর ছুটতে হবেও না। আমার হাত ধরো। ধরে একটু একটু করে পা ফেলে এগিয়ে এসো।

    দীপংকর তাই করল। চম্পার হাত ধরে উঠে দাঁড়িয়ে ওর কাঁধে ভর করে একটু একটু চলা শুরু করল। এইভাবে কিছু পথ আসতেই এক জায়গায় থেমে দাঁড়িয়ে চম্পা বলল, আরে এসে গেছি। ওই দেখা যায় বাসাড়েরা গ্রাম। ওখানেই আমাদের ইকলু থাকে। তবে কী জানো দীপ, এখানেও আমরা বিপদমুক্ত নই। তার কারণ লালজির লোকেরা জেনে গেছে আমরা পালিয়ে এসেছি এখানে। হয়তো আমার বাবুজিও জেনে যাবে। কাজেই ওই পাহাড়ে তোমার জেঠুর সম্পত্তি যেখানে আছে, সেখানে যাওয়াটা হয়তো আমাদের উচিত হবে না। সে কী! তা হলে এত কষ্ট করে এখানে আসাটাই তো বৃথা।

    যেতে পারি। কিন্তু প্রচণ্ড লড়াই বেধে যাবে। হয়তো সেই যুদ্ধে তোমাকে আমাকে দু’জনকেই মরতে হতে পারে। রাজি?

    রাজি। আমি মরতে চাই। তবে ওই ধনরত্নের সন্ধান লুঠেরাদের হাতে তুলে দিয়ে নয়। ওদের সমুচিত শিক্ষা দিয়ে। তোমাকে জেঠু নিজে হাতে যা দিয়ে গেছেন তা উদ্ধার না করে আমি যাব না। আমার হয়তো ফাঁসি হবে, কিন্তু তোমার তো দীর্ঘ জীবন আছে।

    চম্পা দীপংকরের মুখে হাত চাপা দিয়ে বলল, বার বার তুমি ওকথা বলো না দীপ। তা হলে আমার মন খুবই খারাপ হয়ে যাবে। মা রংকিনীর ওপর ভরসা রাখো। মা নিশ্চয়ই সন্তুষ্ট হবেন। হয়তো শেষ পর্যন্ত তোমার কিছুই হবে না।

    এই বলে কথা বলতে বলতে ওরা বাসাড়েরা গ্রামে পৌঁছুল। ওই তো ইকলুর কাঠের ঘরের দোতলায় ইকলু বসে বসে কী যেন খাচ্ছে। জেঠুর পয়সায় ইকলুও তো এখন বড়লোক।

    চম্পা দূর থেকেই ডাকল, ই-ক-লু…উ…।

    ভেলুয়া ইকলুকে দেখেই ভৌ ভৌ ডাক ছেড়ে মনের আনন্দে ছুটল ইকলুর বাড়ির দিকে।

    ইকলুও তখন বারান্দা থেকে ওদের দেখতে পেয়ে হাত নেড়ে নেড়ে ডাকছে। কী আনন্দ! কী আনন্দ!

    ওরা ইকলুদের বাড়িতে যেতেই কোনও আত্মীয়কুটুম্ব সব এলে যে রকম হয়, সেই রকম হইচই পড়ে গেল। ইকলু দোতলা থেকে নেমে এসে চম্পাকে দু’হাতে বুকে জড়িয়ে ধরে ঝর ঝর করে কাঁদতে লাগল।

    আর ভেলুয়া করল কী, ইকলুকে আঁকড়ে ধরে অনবরত কেঁউ কেঁউ করতে লাগল। ধুলোয় গড়াগড়ি খেতে লাগল! ইকলু পরমাদরে তার গায়ে হাত বুলিয়ে দিতে লাগল তখন।

    চম্পা বলল, আমাদের খুব বিপদ। এই বিপদে তোমাকে একটু সাহায্য করতে হবে ইকলুভাই।

    বলুন দিদিভাই কী করতে হবে?

    তার আগে পরিচয় করিয়ে দিই এই ছেলেটির সঙ্গে। এই যে ছেলেটি দেখছ, এ হচ্ছে তোমার মনিব সেই মানিকজেঠুর ভাইপো।

    হ্যাঁ হ্যাঁ। দীপংকর। ডাক নাম দীপু। বাবুর কাছে অনেকবার শুনেছি ওর কথা। ছোটবেলায় ওকে তো দেখেওছি। বাবু টাটানগরে বাড়ি করবার পর তো ও এসেছিল। তখন অবশ্য ও ছোট ছিল খুব। তা ও এখানে কী করে এল?

    সেই কথাই তো বলব তোমায়। এখন আমরা কয়েকটা দিন থাকব তোমাদের এখানে। আমাদের দু’জনকে এখানে একটু আশ্রয় দিতে হবে। আর খিদেয় পেট জ্বলে যাচ্ছে আমাদের। এখুনি তুমি আমাদের দু’জনকে কিছু খেতে দাও। কাল থেকে প্রায় না-খেয়েই আছি আমরা। খেতে খেতে সব বলব।

    ইকলু অবাক চোখে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল দীপংকরের দিকে। তারপর বলল, বসো। বসো তোমরা। আমি এক্ষুনি ব্যবস্থা করছি তোমাদের জলখাবারের। বলেই ভেতর বাড়িতে ঢুকে গিয়ে সম্ভবত ওর বউকে কোনও কিছু করবার নির্দেশ দিয়ে এল।

    একটু পরেই ওপরের ঘরে ইকলুর বউ ও মেয়েরা দু’থালাভর্তি

    সিদ্ধ আর আলু-মরিচ দিয়ে গেল।

    মুড়ি, রাঙালু

    ইকলুর বউ বলল, চা খাও তো তোমরা? চা আনছি আমি।

    দীপংকর ও চম্পা হাসি মুখে বলল, হ্যাঁ খাই। বলে খুব তৃপ্তি করে সেই সব খেতে লাগল। খেতে খেতেই সব কথা খুলে বলল ইকলুকে।

    সব কিছু শোনার পর রাগে লাল হয়ে উঠল ইকলুর মুখ। ওর দু’চোখে যেন আগুন ছুটতে লাগল। বেশ বজ্রকঠিন গলায় বলল, তোমাদের কোনও ভয় নেই ভাই। যতক্ষণ আমি বেঁচে আছি ততক্ষণ এই গ্রামে ঢুকে ওরা তোমাদের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারবে না। বাবুজিকে খুন করার অপরাধে এখানকার বুনোরা এখন এমন খেপে আছে যে লালজির লোকদের দেখলেই মেরে ফেলবে ওরা।

    কিন্তু তবুও ওরা তো আমাদের খোঁজে না এসে পারবে না।

    শুধু তোমাদের খোঁজে কেন, ওদের মুখের গ্রাস বাবুজি যেভাবে ছিনিয়ে নিয়েছেন, তাতে সেই সবের খোঁজেও ওদের আসতে হবে! চোরাগোপ্তাভাবে রাতের অন্ধকারে আসেও ওরা এখানে। তবে এ গ্রামে নয়। ওই ওধারে যে পাহাড়গুলো রয়েছে দেখছ ওইখানে।

    চম্পা বলল, জানি আমি। ওই গহন গিরিকন্দরে গুহায় গুহায় কেন ওরা কীসের আসায় ছুটে বেড়ায় জানি। আজ এখনই ওইখানে আমাদের যেতে হবে। তাই—।

    না দিদিভাই। ওখানে পাহাড়ের ফাটলের গায়ে যে স্বর্ণশিরা আছে, তাই থেকে সোনার সন্ধানে এখনও ওই পাহাড়মালার অধিবাসীরা রুজি-রোজগারের ধান্দা দেখছে। ওদের সঙ্গেও লালজির লোকদের যোগাযোগ। কাজেই ওখানে তোমাদের যাওয়া ঠিক হবে না।

    তা হলে জেঠু নিজে হাতে আমাকে যা দিয়ে গেছেন, তা তো চিরকাল ওইখানে লুকানো থাকবে।

    তা কেন? খুব সাবধানে এবং কৌশলে ওগুলো আনতে হবে। কিন্তু সে কাজ এখনই না। আরও দু’-চার দিন যাক। তার আগে ওদের গতিবিধি আমি লক্ষ করি।

    চম্পা বলল, আচ্ছা ইকলুভাই, ওখানকার পাহাড়িরা তো আমাকে চেনে। আমি যদি ঘুরে বেড়ানোর ছলে ওখানে যাই?

    না যেয়ো না। তার কারণ তখন তুমি এমনই যেতে। তোমার জেঠুকে সবাই মানত, ভয়ও করত। এখন তিনি নেই এবং তুমি ছেলেমানুষ, কাজেই ওইসব মালপত্তর নিয়ে আসতে গেলেই বিপদে পড়বে তুমি। ওরা ঠিক তোমার পিছু নেবে এবং ছিনতাই করবে। তা ছাড়া তোমায় তো বলেইছি ওই লালজির অনেক লোক ওখানে আছে। বিশেষ করে লালজির গোপনীয় অনেক কিছুই লুকানো আছে ওই সব গুহায়। কাজেই ওখানে গেলে তোমাদের দু’জনকে আলুভাতের মতো মুখে পুরে নেবে ওরা। এক, যেতে পারো রাত্রিবেলা। কিন্তু তখন হিংস্র জানোয়ারগুলোর উপদ্রবে পথ চলতে পারবে না। কাজেই ওখানে যাওয়ার ব্যাপারে একটা মতলব বার করতে হবে।

    ওরা যখন এইসব আলোচনা করছে তেমন সময় একটি পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনে চমকে উঠল ওরা, ইকলু! এ ইকলু ভেইয়া? জেরা শুনো তো?

    ইকলু সেই ডাক শুনে বারান্দার রেলিং ধরে ঝুঁকে বলল, আরে ঠাকুর সিং? কী ব্যাপার!

    থোড়া সা গড়বড়। আমার চম্পা বিটিয়া তুমহারা পাশ আয়া কি নেহি? চম্পা! কই না তো!

    আয়া নেহি?

    না। তবে বাবুজির কুকুর ভেলুকে আজ সকাল থেকে এখানে দেখছি! একথা না-বলা ছাড়া অবশ্য আর কোনও উপায় ছিল না। তার কারণ ভেলুয়া অদূরেই উঠোনে শুয়ে শুকনো মুড়ি চিবোচ্ছিল। ইকলু বলল, চম্পাদিদি এখানেই বা আসবে কেন? আপনি কি বকাঝকা করেছেন কিছু?

    ওসব কোনও ব্যাপারই নয়। তো ঠিক আছে, ও যদি এখানে আসে তা হলে যেভাবেই হোক ওকে এখানে আটকে রাখবে। ওর সঙ্গে একটা ছেলেও থাকবে হয়তো। আমি বিকেলের দিকে আর একবার এখানে খোঁজ নিতে আসব। ভেলুয়া যখন এখানে এসেছে তখন ওরা খুব কাছাকাছিই আছে।

    ইকলু বলল, ঠাকুর সিং? আপনি আর কোনও সময়েই এখানে আসবেন না। কারণ আমাদের এখানকার লোকেরা আপনার ওপরেও খুব একটা সন্তুষ্ট নয়। চম্পা আমার কাছে কোনওরকমে এসে পড়লে আপনি জানবেন ও খুব নিরাপদেই থাকবে। কিন্তু আপনার লালব্জির নজর নেই তো ওর ওপর?

    আছে ইকলু ভাই। ওর সঙ্গে একটা লেড়কাও আছে। ওই লেড়কা মানিকবাবুর ভাই কা লেড়কা! মাথার একটু গোলমাল আছে। বাড়ির কথা মনে করতে পারছে না। কাউকে চিনতে পারছে না। তা ওই লেড়কাটাকে বাড়িতে রেখেই আমি ভুল করেছি। চম্পা বিটিয়াকে সাথে নিয়ে ও ভেগেছে। ওর জন্যে আমার লেড়কি বিপদে পড়ে যাবে।

    ইকলু সব শুনে বলল, বাবুর ভাইয়ের লেড়কাকে তুমি ঘরে রেখেছ। লালজির সঙ্গে ওদের দুশমনি, আর তুমি বলছ ও তোমার বিটিকে নিয়ে ভেগেছে। ঠাকুর সিং! তোমার উমর কত হল? তুমি কি এই কথাটা একবারও মনে করতে পারছ না যে, ওই লালজিই ওদের দু’জনকে ধরে নিয়ে গিয়ে লুকিয়ে রেখেছে কোথাও?

    ঠাকুর সিং প্রায় চিৎকার করে উঠল, ইকলু! তুমি— তুমি ঠিকই বলেছ ইকলু। এই কথাটা তো আমার একবারও মনে হয়নি। লালজির লোকেরাও ওদের সরিয়ে দিতে পারে। কিন্তু এই ভেলুয়াটা ওরা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এইখানে এসে জুটল কী করে?

    ইকলু বলল, আমি এদিকটা দেখছি। তুমি লালজির দিকে নজর রাখো ঠাকুর সিং। যাও দেরি কোরো না।

    ঠাকুর সিং দেরি করল না। অদূরে গাছের ডালে বেঁধে রাখা একটা দেশি ঘোড়ার পিঠে চেপে পাহাড়ি পথের বাঁকে উধাও হয়ে গেল।

    ঠাকুর সিং চলে যাবার অনেক পরে ঘরের ভেতর থেকে বেরিয়ে এল দু’জনে। পেট ভরে জল খাবার খেয়ে, চা খেয়ে ওরা এখন তৃপ্ত।

    ইকলু বলল, আর তোমাদের ভয় নেই। আমি এখুনি লোক লাগিয়ে দিচ্ছি। তারা চারদিকে নজর রাখবে। এই এলাকার ভেতরে কেউ ঢুকলেই তির কাঁড় দিয়ে শেষ করে দেবে তাকে। বলেই ইকলু হন হন করে কোথায় যেন চলে গেল। চম্পা ও দীপংকর দেখল একজন আদিবাসী লোক উঠোনের প্রান্তে বসে

    মুরগি কাটছে। তার মানে দুপুরে মাংস-ভাত ভালই জমবে।

    চম্পা বলল, চলো দীপ, তোমাকে এক জায়গায় নিয়ে যাই। কোথায়?

    যেখানে আমাদের জেঠুর সমাধি সেইখানে।

    একথা শুনেই দীপংকরের মন উতলা হয়ে উঠল। বলল, চলো চলো। আগে সেখানে যাই।

    চম্পা ডাকল, আয় ভেলুয়া। আ যা মেরা সাথ।

    দীপংকর বলল, আবার হিন্দি!

    স্যরি!

    ওরা দু’জনে ইকলুদের গ্রাম ছেড়ে কোথায় যেন এগিয়ে চলল। সঙ্গে চলল ভেলুয়া।

    বেশ কিছু পথ আসার পর ঝর ঝর করে একটা জল পড়ার শব্দ শোনা গেল। দীপংকর কানখাড়া করে সেই শব্দ শোনার পর বলল, ও কীসের শব্দ! মনে হচ্ছে যেন, কাছেই কোনও জলপ্রপাত আছে।

    হ্যাঁ। ওই সেই বিখ্যাত ঝরনা ধারাগিরি। ওই—ওই দেখো। আর ওইখানে ওই যে যিশু ক্রশ দেখছ, ওটাই হচ্ছে জেঠুর সমাধি।

    ভেলুয়া এতক্ষণ মন্থর গতিতে ওদের সঙ্গে আসছিল। এবার তিরবেগে ছুটে সেই সমাধির ওপর গড়াগড়ি খেতে লাগল।

    দীপংকর ও চম্পাও ছুটল।

    চম্পা বলল, এই এখানে তোমার জেঠু তাঁবু খাঁটিয়ে থাকতেন।

    কিন্তু এ তো দেখছি গভীর জঙ্গল চারদিকে। এখানে বাঘ আসত না? বাব্বাঃ। তা আবার আসত না? তবে উনি খুব সাহসী লোক ছিলেন। তার ওপর জাল দিয়ে চারদিক ঘেরা থাকত। তাই বাঘ-ভালুকে কোনও ক্ষতিই করতে পারত না জেঠুর।

    কথা বলতে বলতেই ওরা এখান-সেখান থেকে কিছু বনফুল তুলে ফেলল। তারপর সেগুলো এপিটাফের ওপর ছড়িয়ে দিয়ে প্রণাম জানাল জেঠুর স্মৃতির উদ্দেশে।

    আর ভেলুয়া? সে সমানে গড়াগড়ি খেতে লাগল সেখানে। মুখ দিয়ে ‘আঁউ আঁউ’ শব্দ করে কী করুণভাবে কাঁদতে লাগল।

    চম্পা বলল, আজ দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর আমরা আবার আসব এই পথে। তারপর?

    তারপর আজই যাব ওই দূরের পাহাড়ে। সেখানে ছোট্ট একটি গুহার ভেতরে এক গোপন স্থানে আমার সম্পত্তি লুকানো আছে। যা তোমারও।

    কিন্তু আমার যে খুব ভয় করছে।

    কীসের ভয়?

    যদি বাঘ-ভালুকের হাতে পড়ি?

    সে ভয় যে নেই তা নয়। তবু সাবধানে সাহসে ভর করে যেতে হবে। ইকলুকে জানাব না। ওর ওখান থেকে গোটা দুই ছোরা নিয়ে লুকিয়ে পালাব। একটা দড়ি জোগাড় করতে হবে।

    ওসব কী হবে?

    পাহাড়ে উঠতে গেলে এগুলো চাই।

    আমি বলছিলাম কী, আজকের দিনটা বিশ্রাম নিয়ে কাল সকালে যদি খুব ভোর ভোর যেতে?

    তা গেলেও হয়। তবে সকালের দিকে লোকজন এসে পড়ার সম্ভাবনাটা খুব। কারণ মাঝেমাঝে অনেকে ওইখানে পাথর কাটতে আসে। ওরা থাকলে কিন্তু আমাদের জিনিসপত্তর ওদের চোখের সামনে দিয়ে নিয়ে আসা একটা অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। তার চেয়ে আমি চাই কী, ওগুলো সংগ্রহ করে রাতটা ওই গুহায় কাটিয়ে কাল খুব ভোর ভোর উঠে রওনা দেব। তারপর যেখানেই হোক পালাব এখান থেকে।

    তা না হয় হল। কিন্তু ওই রত্নসামগ্রী নিয়ে দিনমানেও কি পালাতে পারব আমরা? যদি কেউ কেড়ে নেয়?

    সেটা আমার ওপর ছেড়ে দাও। এখন চলো ঘরে ফেরা যাক।

    এমন সময় ইকলুর গলা শোনা গেল, চম্পা দিদিভাই! ও চম্পা দিদিভাই ! বলি এখানে কী করছ?

    চম্পা হাসি মুখ করে বলল, দীপংকরকে দেখাচ্ছিলাম, ওর জেঠুর সমাধি। আমাকে বলে আসা উচিত ছিল তো? আমি কত ভাবছি তোমাদের কথা।

    তোমরা এখন এমন একজনের নজরে রয়েছ, যার চোখ থেকে তোমাদের আড়াল করা অসম্ভব। অথচ রক্ষা তোমাদের করতেই হবে।

    চম্পা বলল, ইকলুভাই, আমি কালই দীপুকে নিয়ে পালাতে চাই কলকাতায়। তুমি কি একটু ব্যবস্থা করে দেবে? কালই চলে যাবে?

    হ্যাঁ।

    তোমার জিনিসগুলো নেবার তা হলে কী হবে?

    ভাবছি লোভ করব না। যেখানকার জিনিস সেখানেই থাক। আমরা আপাতত পালিয়ে বাঁচি।

    ইকলু কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, না না। তা ঠিক নয়। জীবনে বেঁচে থাকতে গেলে কিছু কিছু জিনিসের খুবই প্রয়োজন আছে। তোমার জিনিস তুমি নিয়ে যেয়ো। ওর মূল্য অনেক। আমি তো বাবুজির সামান্য ভৃত্য ছিলাম একজন। উনি আমাকেও বঞ্চিত করেননি। আমাকে উনি যা দিয়ে গেছেন তাতে এই গ্রামটাকে এখন আমি কিনতে পারি। এখনও অনেক— অনেক ধন রত্ন আমার ঘরের ভেতর মেঝের নীচে পৌঁতা আছে। যা পেয়েছি তার দশভাগের এক ভাগেই আমি বড়লোক। বাকি ন’ভাগ এ জীবনে হয়তো খরচই করতে পারব না।

    চম্পা বলল, আমি কিন্তু তোমার ওপর ভরসা রাখছি।

    ইকলু বলল, বেশ। আজই আমি একটা খড়বোঝাই গোরুর গাড়ি ঠিক করে রাখব। তোমরা ওগুলো উদ্ধার করে নিয়ে এলেই ওই খড় চাপা দিয়ে আমি তোমাদের ঘাটশিলায় পৌঁছে দেব, কেমন?

    এই চমৎকার প্রস্তাবে ওরা দু’জনেই আনন্দে নেচে উঠল। দীপংকর ঠিক করল ভেলুয়াকেও ওদের সঙ্গে নিয়ে যাবে। এখন পেটভরে খেয়েদেয়ে ইকলুর ঘরে তেড়ে একটা ঘুম দিলেই সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে দু’জনের। ওরা পায়ে পায়ে ঘরের দিকে এগোল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }