Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নয়নাগিরি অভিযান – ৯

    নয়

    ও সি বলরাম ত্রিবেদী সব শুনে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইলেন। তারপর গম্ভীর গলায় বললেন, ও শয়তান ডিসুজা যব তক জিয়েগা তব তক সবকো জ্বালায়গা। বহুত খতরনক ও আদমি। পুলিশকো ভি ট্রাবল দেতা। আদমি কো ভি। ঠিক হ্যায়…। বলে এস আইকে বললেন, যাও মকান সার্চ করো। জলদি যাও। লেকিন…।

    ডরো মাত।

    এস আইকে তবুও ইতস্তত করতে দেখে ত্রিবেদী দারুণ রেগে গেলেন। তারপর নিজেই উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, সমঝ গিয়া। ম্যায় যা রহা হুঁ।

    এস আই বললেন, হামকো গলদ মাত সমঝিয়ে স্যার। ও হামরা ডিপার্টমেন্ট কা এক বড়া অফিসার থা

    লেকিন আভি ও এক মোস্ট অর্ডিনারি ক্রিমিনাল।

    এস আই মাথা হেঁট করলেন।

    ত্রিবেদী বললেন, চলুন। দেখি কোথায় ওরা আপনাদের ছেলেকে আটকে রেখেছে।

    পুলিশের গাড়ি ঝড়ের বেগে ছুটে চলল রাজপথ ধরে। গৌতম সঙ্গে থাকলেও সে বুঝতে পারল না কোথা দিয়ে এবং কীভাবে ওরা পৌঁছে গেল সেই গলির মুখে।

    একদল পুলিশ সহ মি. ত্রিবেদী, সত্যবাবু ও গৌতমকে সঙ্গে নিয়ে সেই কুখ্যাত বাড়িটার কাছে এসে হাজির হল।

    বাড়ির দরজায় নক করতেই এক বৃদ্ধ চাকর এসে দরজা খুলে দিল।

    ঘরের ভেতর ঢুকতেই সকলে দেখল দানবাকৃতি এক মধ্যবয়সি ভারিক্কি চেহারার লোক দু’জন বন্ধুর সঙ্গে তাস খেলছেন। ত্রিবেদীকে দেখেই আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, আরে ত্রিবেদীজি। আপ খুদ চলে আয়ে মেরে গরিবখানে পর? আইয়ে আইয়ে বয়ঠিয়ে।

    ত্রিবেদী বললেন, আমি এখানে বসবার জন্য আসিনি মি. ডিসুজা। আমি জানতে এসেছি আপনি আপনার ওই নোংরা ব্যবসাটা এবার বন্ধ করবেন কি না? ডিসুজা হো হো করে হেসে বললেন, ত্রিবেদীসাব, আপ তো কানুন কা ধর্মাবতার। লেকিন ইতনা কলঙ্ক মুঝ পর মাত দিজিয়ে।

    গৌতম বলল, কলঙ্ক তো আপনি নিজেই নিজের গায়ে মাখছেন মশাই। আমার এক বন্ধুকে আপনার লোকেরা নিয়ে এসে লুকিয়ে রেখেছে এখানে। তা ছাড়া আপনার দুই সাগরেদ শংকর আর দয়ালদার মুখে শুনেছি কয়েকটি ছেলেমেয়েকেও আটকে রেখেছেন আপনার এই বাংলোতে।

    ডিসুজা এবার চোখ লাল করে বললেন, শয়তান কা বাচ্চা। অ্যায়শা কাম ম্যায় নেহি করতা। তেরা দোস্ত ইধার চোরি করনে আয়া তো মার মারকে উসকো জাহান্নমমে ভেজ দিয়া। বলে ত্রিবেদীকে বললেন, আপ অন্দর যাইয়ে। সার্চ করকে দেখিয়ে। লেকিন এক বাত। ফির কভি অচানক আকে হামকো ডিসটার্ব মাত কর না, সমঝা?

    ত্রিবেদী বললেন, মি. ডিসুজা, আপনার এখানে সার্চ করে আমি যে কিছুই পাব না তা আমি জানি। তবু অভিযোগের ভিত্তিতে এখানে এসেছি। তবে একটা কথা মনে রাখবেন এখন কিন্তু আপনি আর এস পি নন। নিজের দোষে নিজের নাম সরকারি ব্ল্যাক লিস্টে উঠিয়ে সাসপেন্ড হয়ে বসে আছেন। আজ যারা আপনাকে মদত দিচ্ছে— এতটুকু স্বার্থে ঘা লাগলে কাল কিন্তু তারাই আপনাকে ব্ল্যাকমেল করবে। আর সেদিন আমি নিজে এসে আপনার হাতে হাতকড়া পরাব। এবং সেদিনেরও খুব বেশি দেরি নেই। আচ্ছা গুড বাই। বলে সকলকে বললেন, চলুন।

    সত্যবাবু বললেন, একবার একটু খুঁজে দেখবেন না ছেলেটাকে যদি কোথাও লুকিয়ে রেখে থাকে?

    কী লাভ? ও এখানে নেই। যেভাবেই হোক আমার আসার খবর পেয়ে পাচার করে দিয়েছে ছেলেটাকে। সেই সঙ্গে অন্য মেয়েদেরও। দেখছেন না উনি নিজের থেকেই জোর গলায় সার্চ করতে বলছেন।

    এবার গৌতম বলল, আচ্ছা, নয়নাগিরিটা কোথায়?

    ত্রিবেদী বললেন, নয়নাগিরি? ও নাম তো কখনও শুনিনি।

    ওদের মুখে শুনেছি ওরা ওইখানেই সকলকে পাচার করে। সেখান থেকেই যা হবার হয়।

    তা হলে অন্য কোনও স্টেটে। বিহারে নয়। তবে নামটা যখন কানে এসেছে তখন খোঁজখবর আমি নেবই।

    সত্যবাবু বললেন, আপনি বাঙালি স্যার?

    হ্যাঁ। অবশ্য বাংলার বাঙালি নই। প্রবাসী বাঙালি। আমার দেশ ছিল পূর্ববঙ্গে। যশোর জেলায়।

    ছেলেটার ব্যাপারে তা হলে কী হবে?

    চেষ্টা করব। ওরা নিজেরাই যখন ওদের ফাঁদে পা দিয়েছে, তখন ফল ভোগ করতেই হবে। ডিসুজা তো বলেই দিল জাহান্নমে পাঠিয়ে দিয়েছে। তা ওর জাহান্নম নয়নাগিরিও হতে পারে, আবার বুকে পাথর বাঁধা অবস্থায় গঙ্গার নীচেটাও হতে পারে। ছেলেটাকে আদৌ বাঁচিয়ে রেখেছে কিনা তাই বা কে জানে? এক এক সময় মনে হয় গুপ্তঘাতক দিয়ে মেরে ফেলি শয়তানটাকে। কিন্তু ওর সার্কেলটা এমনই যে, সব জেনেশুনেও আমরা অসহায়। আমিও ফ্যামিলিম্যান তো?

    গৌতম বলল, আচ্ছা এক কাজ করলে হয় না? মহেন্দুঘাটের বস্তিতে ভোজপুরী লোকদুটিকে ঢুকতে দেখেছিলাম, মানে যারা গোপাকে নিয়ে পালাচ্ছিল বা যাদের কবল থেকে নিজেকে মুক্ত করে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিল গোপা। সেই লোকদুটোকে মোচড় দিয়ে কোনও কথা আদায় করা যায় না?

    ত্রিবেদী বললেন, হ্যাঁ। সেটা অবশ্য করা যায়। চলো তো দেখি।

    ওরা মহেন্দুঘাটে এসে যখন পৌঁছল তখন নিস্তব্ধ চারদিক। কেউ কোথাও নেই। একে তো শীতকাল। তায় রাতও গভীর। সবাই ঘরের ভেতর দরজা জানালা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েছে যে যার।

    তারই মধ্যে পুলিশ নিয়ে ঠিক জায়গায় গিয়ে হাজির হল গৌতম। কিন্তু হলে কী হবে? বাড়ি ঠিক করতে পারল না।

    ত্রিবেদী নিজেই এবার চিৎকার করে উঠলেন, পুলিশ পুলিশ। তারপর ঢিসুম ডুসুম করে দুটো বন্দুকের ফাঁকা আওয়াজ করালেন একজন কনস্টেবলকে দিয়ে। সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিকের মতো কাজ হল। বেশ কয়েকজন লোক কাঁচা ঘুম ভেঙে ঘর থেকে বেরিয়ে এল বাইরে। তাদের সঙ্গে সেই ভোজপুরী দুটোকেও দেখা গেল।

    গৌতম দেখেই চিনতে পারল তাদের। বলল, ওই তো। ওই সেই লোকদুটো। পুলিশ দেখেই ওরা ছুটতে গেল।

    ত্রিবেদী হুংকার দিলেন, হল্ট।

    একজন থামল আর একজন যেই পালাতে গেল ত্রিবেদী বললেন, ফায়ার। কনস্টেবলরা গুলি করল।

    গুলি খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়ল লোকটি।

    যে লোকটি ধরা দিল ত্রিবেদী তার হাতে হাতকড়া পরিয়ে বললেন, ক্যা নাম তুমহারা।

    মেরা নাম যজ্ঞেশ্বর।

    সামকো তুম ও লেড়কিকো কাঁহা লেকে ভাগা?

    বাবু, মেরা বাত তো শুনিয়ে…।

    ঠাস করে গালে একটা চড়।

    কতদিন করছ এইসব নোংরা কাজ? কিতনা রুপিয়া মিলতা তুমকো?

    রুপিয়া নেহি মিলতা বাবু। ও ডিসুজা সাব কা আদমি শংকরবাবু শোনপুরমে ভেজা থা। হাম দোনো ভাই মিল কর গিয়া। শংকরবাবুকা বাত নেহি শুননেসে ও হামকো বস্তিসে নিকাল দেগা।

    শোনপুরে কোথায় গিয়েছিলে তোমরা?

    নেহি গিয়া সাব। ও লেড়কি অচানক পানিমে কুদ পড়ি তো হাম বাপস আয়ি। শোনপুরকা পতা?

    ও তো মুঝে মালুম নেহি। শংকরজিনে কহা থা তুম স্টেশন পর চলা যাও, হুঁয়া আদমি মিলেগা।

    ওই আদমিকে তুমি চেনো?

    জি সাব।

    কী নাম?

    নাম নেহি মালুম। লেকিন ম্যায়নে বহুত দফে দেখা উনকো।

    তোমরা কি আজ শুধু মেয়েই পাচার করছিলে? না কোনও ছেলেও পাচার করেছ?

    ম্যায়নে তো এক আধা মুর্দা লেড়কা কো হাই ড্রেনমে ফিক দিয়া। ও মাই গড। কাঁহা পর?

    চলিয়ে ম্যায় দিখাতা হুঁ!

    যজ্ঞেশ্বরের সঙ্গে সকলেই চলল হাই ড্রেনের দিকে। গৌতম তখন কেঁদে ফেলেছে। বাড়ি ফিরে কী বলবে ওর মাকে? অর্ধমৃত পল্টন হাইড্রেনের অন্ধকূপে বিষাক্ত গ্যাসে এতক্ষণে মরেই গেছে হয়তো।

    সত্যবাবুর চোখে জল। কী থেকে কী হয়ে গেল। সংকট এমনই একটা দিকে মোড় নিয়েছে যে মৃত্যুপথযাত্রী বাবার কাছে মুখে একটু জল দেবার জন্যও থাকবার উপায় নেই।

    হাইড্রেনের কাছে গিয়ে ম্যানহোলের ঢাকনা খুলে যজ্ঞেশ্বর বলল, এর্হি পর ফিক দিয়া ও লেড়কাকো।

    পুলিশ নাকে রুমাল চাপা দিয়ে টর্চের আলো ফেলেও ভেতরে পাঁক আর নোংরা জল ছাড়া কিছুই দেখতে পেল না। পল্টনের কোনও অস্তিত্বই সেখানে নেই।

    সত্যবাবু জিজ্ঞেস করলেন, কতক্ষণ আগে ফেলেছ তোমরা ছেলেটাকে? এক-দেড় ঘণ্টা পহলে।

    ত্রিবেদী হতাশ হয়ে বললেন, চলুন থানায় চলুন। ও ছেলের আশা ছেড়ে দিন। কাল সকালের আগে আর কিছু হবে না। সকালবেলা ভেতরে লোক নামিয়ে চেষ্টা করব ডেড বডিটা উদ্ধার করবার।

    পুলিশের গাড়িতে চেপেই ফিরে এলেন সকলে।

    এস আই সত্যবাবুকে বললেন, আপ ঘর চলা যাইয়ে। আপকা পিতাজিক৷ নিধন হো গিয়া।

    শিশুর মতন ডুকরে কেঁদে উঠলেন সত্যবাবু, বাবা নেই!

    না। আভি খবর আয়া। সবেরে আদমি লেকে হসপিটাল চলা আইয়ে। ডেড বডি মিল যায়ে গা।

    সত্যবাবুর চোখের সামনে সমস্ত চরাচরটা যেন দুলে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে গৌতমকে নিয়ে একটা অটোয় করে চলে এলেন কদমকুঁয়ায়।

    এরই মধ্যে সত্যবাবু অসম্ভব রকমের শক্ত করে নিলেন নিজেকে। গৌতমকে বললেন, শোনো, হাতে আর আধঘণ্টা সময় আছে। তুমি এখুনি গোপাকে নিয়ে চলে যাও এখান থেকে।

    অসম্ভব। আপনি কী বলছেন কাকুমণি!

    ঠিকই বলছি বাবা। পল্টনের নিয়তি ওকে কোথায় টেনে নিয়ে গেছে জানি না। মেয়েটাও যমের মুখ থেকে ফিরে এসেছে। আর এতটুকু রিস্ক নিতে আমি চাইছি না। গোপাও ছুটে এসেছে তখন। সে করুণভাবে বলল, এই সময় আমাদের চলে যাওয়াটা কি ঠিক হবে?

    যাবার এই তো সময় মা। আর একটু পরেই আমাদের এ বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। এখন আমাদের শোকতাপ কান্নাকাটির পালা। সারাদিন আমরা বাবার শেষকৃত্য নিয়ে মেতে থাকব। ওই সময় তোমাদের দেখাশোনা করবে কে? আমাদের দেখবার লোকের অভাব হবে না। তোমরা এই বিশ্রী পরিবেশ থেকে সরে যাও। তা ছাড়া বলা যায় না ইতিমধ্যে আবার কী অঘটন ঘটে। বলে মানিব্যাগ বার করে দুটো একশো টাকার নোট গৌতমের হাতে দিয়ে বললেন, গোপাকে একা ছাড়তে সাহস পাচ্ছি না, তাই তোমাকে পাঠালাম। নিজের বোনের মতো সঙ্গে করে নিয়ে যেয়ো। তা ছাড়া এই পরিবেশে তোমারও থাকা চলে না। তুমি কাশীতে ওদের বাড়ি দু’-চারদিন থাকো। আমি তোমার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলে নেব। যাতে তিনি গিয়ে তোমাকে নিয়ে আসেন সেইরকম ব্যবস্থাই করব। পল্টনের জন্য দুঃখ কোরো না। ওইরকম দুর্ভাগ্য তোমারও হতে পারত।

    গৌতম ও গোপা প্রণাম করতে গেল সত্যবাবুকে। উনি বললেন, আমার অশৌচ অবস্থা। এ সময় আমাকে প্রণাম করতে নেই।

    ওরা বাবলিদির সঙ্গে দেখা করতে গেল। কিন্তু বাবলিদি তখন আর প্রকৃতিস্থ নেই। কাকিমাকে জড়িয়ে ধরে ফুলে ফুলে কাঁদছেন বাবলিদি। সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো দেহটা যেন ওঠা-নামা করছে।

    গোপা আর গৌতম স্তব্ধ হয়ে গেল।

    ওদের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা জামাকাপড়ের ব্যাগ ও অন্যান্য টুকিটাকি জিনিসপত্তর সব দরিয়াপুরে কাকুমণির বাড়িতেই রয়ে গেছে। তা থাক। জিনিসপত্তরের চেয়ে নিরাপত্তা বড়। ওরা আর বিলম্ব না করে বড় রাস্তায় এসে দাঁড়াল।

    কাকুমণির সেই ছাত্রটি যে ওদের টাকা দিয়েছিল সে-ই তৎপর হয়ে অটোর ব্যবস্থা করে দিল।

    গৌতম বলল, তোমার কাছে আমরা দুই বন্ধু ঋণী রয়ে গেলাম।

    কী জন্য ভাই? ওই টাকাটার ব্যাপারে?

    ঠিক তাই। আমাদের সব কিছুই তো কাকুমণির বাড়িতে।

    ওর জন্যে তোমরা চিন্তা কোরো না। বিদেশে বিভুঁয়ে এরকম হতেই পারে। এখন তোমরা নিরাপদে নির্বিঘ্নে পৌঁছলে আমরা সবচেয়ে বেশি খুশি হব। ওখানে গিয়েই কিন্তু পৌঁছনো সংবাদ দিয়ো।

    গৌতম বলল, কীভাবে দেব?

    আমাদের বাড়ি ফোন আছে।

    গোপা বলল, আমার মা জানেন। উনি তো মাঝে মাঝে ফোন করেন কাকুমণিকে। ফোনেই খবর দেব আমি। আপনারা একটু দেখবেন দাদুভাইয়ের শেষকাজটা যাতে ভালভাবে হয়।

    গৌতম বলল, যেতে মন চাইছে না তবু যেতেই হবে।

    থেকেই বা কী করবে? তার চেয়ে চলে যাওয়াই ভাল। এইরকম শোকতাপের পরিবেশে না-থাকাই উচিত।

    গৌতম বলল, তা ছাড়া গোপাকে তো আর এখানে রাখা ঠিক নয়। হারানিধি যখন একবার ফিরে পাওয়া গেছে, তখন ওকে ওর মায়ের কাছেই পৌঁছে দিতে হবে।

    আমি কি স্টেশন পর্যন্ত যাব তোমাদের সঙ্গে?

    গোপা বলল, কোনও দরকার নেই। আপনি বরং কাকুমণিকে দেখুন। বাবলিদি যাতে নির্বিঘ্নে শ্বশুরবাড়ি যেতে পারেন সেই ব্যবস্থা করুন। অটো স্টার্ট নিল।

    ওরা হাত নেড়ে টা টা করে বিদায় জানাল।

    অটো এ-পথ, সে-পথ করে ফাঁকা রাস্তায় ছুটে চলল স্টেশনের দিকে।

    বেশ খানিকটা এসেছে এমন সময় হঠাৎ বুঝতে পারল একটা স্কুটার ভয়ংকর গতিতে এগিয়ে আসছে ওদের দিকে। তাই না দেখে তো, ভয়ে বুক শুকিয়ে গেল ওদের।

    সর্বনাশ। দুর্ঘটনা ঘটবে না তো?

    গৌতম অটো ড্রাইভারকে বলল, মেহেরবানি করকে জেরা হুঁশিয়ারিসে চালাইয়ে ভাই।

    কুছ নেহি হোগা।

    উধার দেখিয়ে।

    স্কুটারটা তখন আরও কাছে এগিয়ে আসছে। একেবারে মুখোমুখি। তবে ধাক্কাটাক্কা না দিয়েই পাশ কাটিয়ে সোঁ করে বেরিয়ে গেল সেটা।

    তারই মধ্যে আরোহীকে দেখে চমক উঠল গৌতম। সেই ভীষণ দানবাকৃতি শয়তানটা। যে ওদের রিকশায় ধাক্কা দিয়ে পালিয়েছিল।

    গৌতম বলল, আবার বোধহয় আমরা একটা জালে জড়াতে যাচ্ছি। কীরকম।

    ওই স্কুটারই আমাদের ধাক্কা দিয়েছিল কাল বিকেলে কদমকুঁয়ায় যাবার পথে। এখন আবার আমাদের টার্গেট করছে।

    সে কী! তা হলে তো ভয়ানক ব্যাপার? আবার কী আমরা ওদের খপ্পরে পড়ে গেলাম?

    মনে হচ্ছে তাই।

    কী হবে তা হলে?

    জানি না। এখন তোমাকে নিয়েই আমার ভয়।

    গোপা সভয়ে জড়িয়ে ধরল গৌতমকে। দু’ চোখ বুজে ওর কোলে মুখ লুকল।

    গৌতম বলল, ভয় পেয়ো না। এই সময় অসীম ধৈর্য এবং সাহস সঞ্চয় করতে না পারলে সমূহ বিপদ। ওরা যে ভাবেই হোক টের পেয়ে গেছে আমরা পালাচ্ছি বলে।

    কিন্তু কীভাবে পেল?

    হয়তো বা ওদের কোনও চর ঘুরঘুর করছিল আমাদের আশপাশে।

    ওই ওই আসছে। আবার আসছে।

    সত্যিই এল। সেই দানব আবার ধেয়ে এল ওদের দিকে। এবং পাশ কাটিয়ে চলেও গেল।

    ড্রাইভার বিরক্ত হয়ে বলল, দুশমন হামকো টার্গেট করতা কিউ?

    গৌতম বলল, ওর টার্গেট তুমি নও। আমরা।

    সঙ্গে সঙ্গে অটো থামাল ড্রাইভার। বলল, উতারো।

    গৌতম ভয় পেয়ে বলল, এই আধোঅন্ধকারে নির্জন পথে তুমি আমাদের নামিয়ে দেবে?

    হ্যাঁ। ওই লোকের টার্গেট যখন তোমরা, তখন হামকো ছোড় দিজিয়ে। ওর সঙ্গে দুশমনি আমি করব না। ও অ্যাকসিডেন্ট করেগা তো হামারা গাড়ি টুট যায়েগা।

    কিন্তু এইভাবে বাঘের মুখে ছেড়ে দিলে ও আমাদের মেরে ফেলবে যে।

    তুমহারা বদনসিবমে যে হোগা ও-তো হোগাই।

    স্কুটার তখন আবার সজোরে ছুটে এসেছে এদের দিকে।

    অটো থেকে ওরা তখন নেমে পড়েছে। না-নামা ছাড়া উপায়ই বা কী? যতক্ষণ ওর খোশামোদ করবে ততক্ষণ আত্মরক্ষার অন্য কোনও উপায় ঠিক করে নেবে।

    ওরা নামতেই স্কুটার এসে থামল ওদের পাশে।

    নেলো বলল, কী হল, গাড়ি খারাপ হয়ে গেল নাকি?

    গোপা-গৌতমের মুখে কথা নেই।

    ড্রাইভার অটো নিয়ে পালাচ্ছিল। নেলো ঘুরে গিয়ে ধরল তাকে। একেবারে অটোর সামনে এমনভাবে স্কুটারটাকে নিয়ে গেল যে আর এগোতে পারল না সে।

    নেলো স্কুটার থেকে নেমে এসে ড্রাইভারকে বলল, কাঁহা ভাগতা তুম? ড্রাইভার বলল, ও সব ঝুট ঝামেলাকি কাম হামি না করবে নেলোদাদা। ইসি লিয়ে নিকাল দিয়া দোনো কো। আভি তুম সামালো। ও লড়কা কিসিকা লেড়কি লেকে ভাতা কৌন জানে?

    নেলো তখন ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিয়েছে ড্রাইভারের গালে। ড্রাইভার গালে হাত বুলোতে বুলোতে বলল, মেরা ক্যা কসুর?

    উঠাও উসকো। কাঁহা যা রহে ও?

    স্টেশন পর।

    লে চলো।

    কিন্তু কাদের নিয়ে যাবে?

    গৌতম ও গোপা তখন ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে।

    কালো রাত শেষ হয়ে এলেও আলোর আভাস নেই। স্ট্রিট লাইট এবং অন্যান্য যানবাহনের আলোয় পিচ ঢালা পথ যেন অজগরের পিঠ। তারই ওপর দিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে দু’জনে। গৌতম একটা হাত শক্ত করে ধরে আছে গোপার। মাঝে মাঝে পিছু ফিরে দেখছে।

    অটো আর স্কুটার দুটোই ওদের অনুসরণ করল।

    ওরা কোনদিকে যাবে, কোথায় যে লুকোবে, কিছু ঠিক করতে পারল না। নেলো স্কুটার নিয়ে ওদের সামনে এসে পথ রোধ করল। থমকে দাঁড়াল ওরা।

    নেলো বলল, পালাচ্ছ কেন তোমরা? এইভাবে ছুটে হেঁটে কি স্টেশনে যাওয়া যায়?

    গৌতম বলল, পালাচ্ছি তার কারণ আছে। কাল বিকেলে তুমিই-না আমাদের রিকশাতে ধাক্কা দিয়েছিলে?

    হ্যা দিয়েছিলাম। তখন অন্য একটা উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু এখন আর প্রয়োজন নেই তার। তখন ভেবেছিলাম আমার দোষটা অন্যের ঘাড়ে চাপাতে পারব। কিন্তু এখন দেখছি ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে গেছে। তা ছাড়া তোমাদের ওপর তো আমার কোনও রাগ নেই। তাই অযথা তোমাদের কষ্ট দিতে চাই না। গফুর আমার দীর্ঘদিনের শত্রু। ওর সমুচিত শিক্ষা তোমরা দিয়েছ। আমিও ওকে উচিত শিক্ষা দিয়েছি। এখন নির্ভয়ে তোমরা স্টেশনে চলে যাও।

    সেই অটো ওদের কাছে এসে বলল, উঠিয়ে

    গোপা দু’হাতে গৌতমকে জড়িয়ে ধরে কাঁপতে লাগল থরথর করে। বলল, না উঠো না গৌতম। এসবই এদের ছলচাতুরি।

    নেলো বলল, ভয় নেই। আমি তোমাদের ক্ষতি করব না। ওঠো। এমন সময় স্টেশনে যাচ্ছ যখন নিশ্চয়ই তোমরা পঞ্জাব মেল ধরবে? তাড়াতাড়ি যাও। গোপা বলল, না না না।

    গৌতম বলল, তুমি যা বলছ তা যদি সত্যি হয়। তবুও যে তোমাকে বিশ্বাস করতে পারছি না ভাই।

    আমাকে কেউ বিশ্বাস করে না। তবে তোমাদের মতো বীরকে আমি খুব শ্রদ্ধা করি।

    তোমার মনে কোনও মতলব না থাকলে এই শেষরাতে তুমি আমাদের পিছু নিলে কেন?

    আমার মনে মতলব থাকলে এতক্ষণে আমি আমার কাজ করেই ফেলতাম। আসলে কাল বিকেলে আমি যেমন দুর্ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিলাম, এখন আমি তার উলটোটাই করছি। এখন তোমাদের বডি গার্ড হয়ে এসেছি।

    গোপার চোখে জল। বলল, মিথ্যে কথা।

    গৌতম বলল, হঠাৎ এই পরিবর্তনের কারণ?

    কারণ একটাই, গফুরের সামনে যারা বুকফুলিয়ে রুখে দাঁড়ায় তারা আমার সত্যিকারের দোস্ত। তোমরা ওর কান কাটলে, আর আমি তোমাদের প্রাণ নেব? তা ছাড়া আমি জানি তোমরা পালাতে গেলেই ডিসুজার লোক তোমাদের পিছু নেবে। হয়তো গুলি চালাবে। তাই সেসব কিছু যাতে না হয়, সেইজন্য আমি তোমাদের পিছু নিয়েছি। না হলে তো কখন ধাক্কা মেরে উলটে দিতাম অটোটা। নাও তাড়াতাড়ি করো।

    গৌতম বলল, ডিসুজার লোক কি আমাদের পিছু নিয়েছে?

    চোখে তো পড়েনি। বলেই রিভলভার বার করে বলল, এই দেখো, আমি একেবারে তৈরি হয়েই বেরিয়েছি। এই ডিসুজা শয়তানটা আমার পথের কাঁটা। আর ওর ওই চামচা দুটো। ওদের মেরে আমি গাড়োয়ালের দিকে পালাব। এখন তোমরা পালাও।

    গোপা ও গৌতম অটোয় বসল।

    নেলো ড্রাইভারকে বলল, এদের কাছ থেকে ভাড়া নেবে না।

    নেহি লেগা।

    এতক্ষণ এদের সঙ্গে আমার কী কথাবার্তা হল কিছু শুনলে?

    কুছ না শুনেছি আমি।

    ভেরি গুড। যদি কিছু শুনে থাক তা হলে—। বলেই রিভলভার দেখাল ড্রাইভারকে।

    ড্রাইভার ভয়ে চোখ বুজল।

    আ আবার চলতে শুরু করলে নেলো সেই একইভাবে ওদের অনুসরণ করল। তারপর স্টেশন এলাকায় এসে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেটে পড়ল সে।

    ওরা অটো থেকে নামতেই ভাড়া না-নিয়ে পালাল অটোওয়ালা। ওরাও হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।

    গোপা প্রায়ই আসা-যাওয়া করে, তাই লেডিজ কাউন্টার চেনে। গৌতমের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ছুটে গিয়ে দুটো টিকিট করে প্ল্যাটফর্মে ঢুকল।

    ট্রেন তখন এসে ছেড়ে যাবার সময় হয়েছে। খুব একটা ভিড় ছিল না তাই রক্ষে। ওরা ট্রেনে উঠে একটু বসবারও জায়গা পেয়ে গেল।

    ট্রেন ছুটে চলল ঝড়ের বেগে।

    অন্ধকার দূর হয়ে তখন একটু একটু করে ফর্সা হচ্ছে আকাশটা।

    গোপা মনে মনে নেলোর ব্যাপারে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেও, গৌতমের কিন্তু বারবার মনে পড়তে লাগল পল্টনের কথা। ওর মায়ের মুখখানিও চোখের সামনে ফুটে উঠল। এই মর্মান্তিক সংবাদ পেলে ওর মা নিশ্চয়ই আছাড়কাছাড় করে কাঁদবেন। দিদিরাও। আর বৃদ্ধ কাকামণি ইলাহাবাদ থেকে ফিরে এসে যখন শুনবেন এই খবরটা, তখন কী যে করবেন তা কি ভাবা যায়? অথচ নাটকের দৃশ্যের মতো পরপর ঘটনাগুলো এমনভাবে ঘটে গেল যে, ওরা যেন নীরব দর্শক। গৌতমের মা-বাবাই বা কীভাবে নেবেন ব্যাপারটা তাই বা কে জানে? বাবা কি সত্যি সত্যিই ওকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার জন্য কাশীতে ছুটে আসবেন? এইসব কত কীর কথা চিন্তা করতে করতে দু’চোখ বুজে এল গৌতমের। সারাটা দিন দুপুর, রাত্রিতে এতটুকু শোয়াবসার সময় পায়নি। তাই যত রাজ্যের ঘুম নেমে এল দু’চোখ জুড়ে।

    গোপাও বসে বসে ঢুলতে লাগল।

    এবারে পল্টনের কথায় আসা যাক।

    গৌতম তো ওদের খপ্পর থেকে কোনওরকমে পালিয়ে বাঁচল। কিন্তু পল্টন বেচারি ধরা পড়ে গেল শয়তানদের হাতে। আসলে মাথায় ইটটা না লাগলে ও ছোটা থামাত না। ইটটা লাগতেই ওর গা-মাথা কেমন যেন ঘুলিয়ে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে ‘উঃ বাবারে’ করে বসে পড়ল। আর যেই না বসে পড়া, ওমনি ওরা এসে ধরে ফেলল ওকে।

    এরপর পাঁজাকোলা করে ওকে ওরা তুলে নিয়ে গেল ডিসুজার বাংলোয়। শংকর আর দয়াল বলল, এই ছেলেটা আমাদের ফলো করছিল বস। ডিসুজা বলল, তাই নাকি! কে ছেলেটি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }