Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নয়নাগিরি অভিযান – ১১

    এগারো

    সেই অন্তিম মুহূর্তে আতঙ্কে-ভয়ে পল্টনের মনের যে কী অবস্থা হয়েছিল তা ওইরকম বিপদের মুখোমুখি যে না-হয়েছে, সে ঠিক বুঝতে পারবে না। ওই আসুরিক শক্তির ধারক ভোজপুরীদুটোর হাতে মার খেয়ে ও সত্যিই নির্জীব হয়ে পড়েছিল। তারপর যে মুহূর্তে ওরা ওকে ম্যানহোলের ঢাকা খুলে একমানুষ গভীর ড্রেনের মধ্যে ফেলে দিল, তখন জীবনের আশা একেবারেই ছেড়ে দিল ও।

    তবু জলমগ্ন ব্যক্তিও ডুবে মরার আগে একবার কুটো ধরে বাঁচতে চায়।

    তাই সেও এই গর্তে নামার সময় পাছে বিষাক্ত গ্যাসটা সহসা ওর নাকে না যায় সেইজন্যে জীবনে শেষবারের মতো বুক ভরে একটা নিশ্বাস নিল। তারপরই সব অন্ধকার।

    কাদায়-পাঁকে কোমর পর্যন্ত এমনভাবে ডুবে গেল যে একেবারে মাখামাখি হয়ে গেল ও। ভেবেছিল ওরা চলে গেলে নীচে থেকে ঢাকনাটা খুলে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু তা আর হল না। ড্রেনের দু’পাশের দেওয়াল এত দূরে যে পা গেল না। আর দমও রাখতে পারল না বেশিক্ষণ। নিশ্বাস ছেড়ে আর একবার দম নিতেই গা-মাথা ঘুলিয়ে কীরকম যেন হয়ে গেল। ঝিমঝিম করতে লাগল মাথাটা। বিষপ্রবাহ ঘটে গেল যেন সারা শরীরে।

    এই নরকে মৃত্যুর পদধ্বনি শোনার আগে বড় বেশি করে মনে পড়ল মায়ের কথা।

    এমন সময় হঠাৎই কোন জাদুতে খুলে গেল ঢাকনাটা।

    ওর তখন সংজ্ঞাহীন হবার মতো অবস্থা।

    একটা মুখ উঁকি দিল ওপর থেকে। কী যেন বলল। শুনতে পেল না। তারপরই নেমে এল একটা দড়ি।

    এমন আশ্চর্যজনক ঘটনাও নাকি ঘটে?

    ও সেই দড়ি ধরে কোনওরকমে কাদা-পাঁক থেকে নিজেকে মুক্ত করে ম্যানহোলের মুখের কাছে পৌঁছল। তারপর দু’হাতে ভর করে পায়ের বুড়ো আঙুলের টিপনিতে দড়িটা ধরে ওপরে উঠে এল। ওপরে উঠে আসার মুহূর্তেই একটি হাত টেনে তুলল ওকে।

    বাইরের খোলা বাতাসে নিশ্বাস নেবার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন করে গা-মাথা আর একবার ঘুলিয়ে উঠল। হুড় হুড় করে বমি করল খানিকটা। তারপর কিছুই আর মনে নেই।

    ঘোর কাটল অনেক পরে। যখন বুঝল কেউ যেন ওর শরীরের বোঝাটা অতিকষ্টে টেনে নিয়ে যাচ্ছে কোথাও। কতকগুলো রাস্তার কুকুরও ওদের সঙ্গে চলেছে।

    ও ভয় পেয়ে বলল, কে! কে তুমি!

    একটি মেয়েগলায় উত্তর এল, ঘাবড়াইয়ে মাত।

    ওর তখন প্রচণ্ড শীত করছে।

    মেয়েটি ওকে নামিয়ে দিয়ে হাত ধরে টানতে টানতে এক জায়গায় কতকগুলো ড্রেন পাইপের কাছে নিয়ে এসে বলল, অন্দর ঘুসো!

    ড্রেন পাইপগুলো এত বড় বড় যে তার ভেতর দিব্যি শোয়াবসা যায়। তবে দাঁড়ানো যায় না।

    অন্ধকারে মেয়েটির মুখ ভাল বোঝা যাচ্ছে না। অবশ্য এটুকু বোঝা যাচ্ছে এই মেয়েটি না-থাকলে ওকে ওই ভয়াবহ নরকেই পচে মরতে হত। কিন্তু কে এই রহস্যময়ী?

    পল্টন কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল, কে তুমি! তোমার পরিচয় দাও আমাকে। তুমি আমার জীবন রক্ষা করেছ। আমার আরও কাছে এসো। একটু দেখি তোমায়।

    মেয়েটি বলল, ম্যায়নে তো কুছ নেহি কিয়া। যো কুছ কিয়া ও উপরওয়ালানে।

    ওইসব কথা আমাকে বোলো না। আমি জানতে চাই তুমি কে?

    দুলালি।

    কিন্তু কার ?

    ম্যায় তো আসমান সে পয়দা হুয়া লেড়কি। ভগবান মেরা মা-বাপ। আমি ভগবানকা দুলালি।

    তুমি নিশ্চয়ই ভগবানের দুলালি। শৃণ্বন্তু বিশ্বে অমৃতস্য পুত্রাঃ। তুমি হচ্ছ সেই অমৃতের পুত্রী। কোথায় থাকো তুমি?

    এই তো, এইখানে। হিয়াপর।

    পল্টন কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, শোনো দুলালি, যদি সত্যিই তোমার কেউ না থাকে তা হলে আজ থেকেই তুমি আমার বন্ধু হয়ে যাও। আমার সঙ্গে থাকো। বাড়িতে আমার মা-দিদিরা আছেন, আমি তোমাকে বাড়ি নিয়ে গেলে তুমি তাদের কাছেই থাকবে।

    সচ! কিন্তু দু’দিন বাদে যদি তোমরা আমাকে তাড়িয়ে দাও?

    এই ব্যাপারে তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারো। এতখানি বেইমানি আমরা করব না। আচ্ছা, তোমার যখন কেউ নেই তখন তোমার চলে কী করে? ভগবান চালিয়ে দেন। আমি ভিখ মেঙ্গে খাই।

    তা হলে তোমার ভাবনা কী? আমরা যদি কখনও তোমাকে তাড়িয়ে দিই তখনই তুমি তোমার পুরনো ব্যবসায় আবার নতুন করে লেগে পড়তে পারবে। ও চাকরি ফিরে পেতে তো দেরি হবে না।

    বেশ। আমি তোমার সঙ্গে যেতে রাজি আছি। এখন তোমার খুব শীত করছে নিশ্চয়ই? খুব যে কাঁপছ দেখছি।

    হ্যাঁ। দারুণ শীত করছে আমার। সবই তো ভিজে গেছে।

    তা হলে গায়ের জামাটামা খুলে এই চটগুলো তুমি চাপা দাও। বলে কোথা থেকে যেন এক বান্ডিল নোংরা ময়লা চট এনে পল্টনকে দিল।

    পল্টন ওর জামাগেঞ্জি খুলে চট চাপা দিল গায়ে।

    একটু আগুন করব?

    কীসে করবে?

    খড় আছে আমার কাছে। দিয়াশালাই আছে। সবকিছু আছে। এই ড্রেন পাইপের মধ্যেই আছে আমার ছোট্ট সংসার।

    দুলালির কথা শুনে অবাক হয়ে গেল পল্টন। বলল, তা হলে একটু আগুন যদি করতে পারো তো মন্দ হয় না। বড্ড কাঁপ দিচ্ছে আমার!

    দুলালি তখনই দেশলাই জ্বেলে খড়ের নুটি এনে আগুন করল সেই ড্রেন পাইপের ভেতরে।

    এতক্ষণে মেয়েটির মুখ দেখতে পেল পল্টন। দেখে অবাক হয়ে গেল। এমন সুন্দর চোখমুখ। এই মেয়ে ভিক্ষে করে? গায়ের রং কালো, তা হোক। মাথায় ঘন চুল। খুবই ভাল লাগল পল্টনের।

    আগুন জ্বালতেই গরম হয়ে উঠল ভেতরটা। তবে মুশকিল হল এই বদ্ধ জায়গায় ধোঁয়ার চোটে দম বন্ধ হয়ে গেল প্রায়। তাই নিভিয়ে দিতে পথ পেল না।

    পল্টন বলল, তুমি একা থাক তোমার ভয় করে না? উঁহু।

    সারাটা দিন তুমি কী করো?

    সকাল থেকে গঙ্গার ঘাটে বসে ভিক্ষা করি। তারপর অনেক বেলা পর্যন্ত ভিক্ষে করে কোনও গাছতলায় বসে ডাল-ভাত একটু রেঁধে নিই। বিকেলে মন্দিরে যাই। সেখানেও ভিক্ষে করি। জুতো আগলাই। ভাল পয়সা পাওয়া যায়। সন্ধেবেলা কোনও হোটেলে ঢুকে মাংস-রুটি খাই। তারপর নাইট শো’তে একটা সিনেমা দেখে, যেখানে হোক পড়ে থাকি। তবে এখন বড় হচ্ছি তো, তাই রাত্রিবেলা যেখানে সেখানে থাকতে খুব ভয় করে। ইদানীং এই নিরাপদ জায়গাটা আমি বেছে নিয়েছি।

    চমৎকার। ভিক্ষে করে তোমার কত রোজগার হয়?

    কোনওদিন বিশ-পঁচিশ রুপাইয়া। কোনওদিন আরও বেশি। জুতো জমা নিয়ে পঞ্চাশ-একশো রুপিয়া পাই। আর পালেপার্বণে এক এক দিনে দু’-পাঁচশোও হয়ে যায়।

    বলো কী! এত টাকা তুমি কী করো?

    আমি একটা পোস্ট অফিসে জমিয়ে রাখি। আমার এখন অনেক টাকা। জানো?

    তবু তুমি ভিক্ষে করো?

    বাঃ রে। এতে যে আমার অনেক লাভ। খাটতে হয় না, কষ্ট করতে হয় না। অথচ বসে বসে রোজগার। তবে আমার আরও অনেক অনেক টাকা হলে তখন ভেবে দেখব কী করব।

    পল্টন বলল, তা না হয় করলে। কিন্তু এইরকম ছেঁড়া একটা ফ্রকপরে ড্রেন পাইপের ভেতরে একা একা থেকে নিজেকে কষ্ট দাও কেন?

    এসব আমার জন্ম থেকেই সয়ে গেছে দোস্ত।

    নিদেন কোথাও একটা ছোটখাটো ঘরও তো ভাড়া নিতে পারো?

    কী হবে? সাজগোছ করলে খারাপ লোকে নজর দেবে। ঘরভাড়া নিয়ে থাকলে লোকে ঝিয়ের কাম করতে বলবে। কেউ ভিক্ষে দেবে না। আমার ব্যবসা নষ্ট হয়ে যাবে। তা ছাড়া এসব আমার সয়ে গেছে। তবে দোস্ত! আমি লোকের কাছে হাত পেতে ভিক্ষে করলেও খারাপ মেয়ে নই। আর ঘর ভাড়া নিয়ে থাকার কথা বলছ? আমাকে ঘরভাড়া দেবেই বা কে? সবাই তো আমাকে চেনে। তা ছাড়া ঘরভাড়া করলে রুপিয়া লাগবে না? আমার পুঁজি ফুরিয়ে যাবে তখন। তুমি যে পোস্ট অফিসে টাকা রাখ তোমার পাস বই আছে?

    হ্যাঁ। ওসব আমি যত্ন করে রেখে দিয়েছি। কাল সকালে আমি তোমাকে সব দেখাব।

    ঠিক আছে দেখিয়ো। আজকাল পোস্ট অফিসে টাকা জমা রাখলে পাঁচ-ছ’ বছর বাদে তা দ্বিগুণ হয়ে যায়। আমি তোমাকে সেইসব নিয়মগুলো বলে দেব। পোস্টমাস্টার মশাইও আমাকে অনেকবার বলেছিলেন ওইভাবে টাকা রাখতে। আমি রাখিনি।

    ভুল করেছ। তা যাক, আমাকে একটা কথা ঠিক করে বল তো, আমি ওই ড্রেনের মধ্যে ছিলাম তুমি কী করে জানলে?

    বাঃ রে। আমি যে নিজের চোখে সব দেখলাম। তাই যেই দেখলাম তোমাকে ওরা ওর ভেতরে নামিয়ে দিয়ে চলে গেল তখুনি আমি ছুটে গেলাম তোমাকে বাঁচাতে। এখানে দড়ির অভাব নেই। তাই নামিয়ে দিলাম একটা। আমি না-থাকলে তুমি মরে যেতে। ওর ভেতর বেশিক্ষণ থাকা যায় না। দম বন্ধ হয়ে যায়।

    পল্টন বলল, তুমি না-গেলে মরে আমি যেতাম ঠিকই। কিন্তু আমি যে বেঁচে আছি তুমি সেটা বুঝলে কী করে?

    ওরা যে তোমাকে মারতে মারতে নিয়ে এল তাই। মরাকে কেউ মারে? তোমার ঋণ আমি কখনও শোধ করতে পারব না। আমি তোমাকে বাড়ি নিয়ে

    গেলে আমার মা তোমাকে খুব ভালবাসবেন। এত রাত্রে যদি তুমি জেগে না-থাকতে তা হলে আমার অবস্থাটা যে কী হত তা একবার ভেবে দেখেছ? আমি তোমার জন্যই জেগে ছিলাম। আমার জন্য?

    হ্যাঁ। তোমার দোস্তের সঙ্গে আমার মুলাকাত হয়েছে। তোমাদের একটি মেয়েকে গুন্ডারা নিয়ে পালিয়েছিল। তারও খোঁজ পাওয়া গেছে। তোমার দোস্তই আমাকে তোমার কথা বলেছিল। ডিসুজার লোকেরা নাকি তোমাকে ওই বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে রেখেছিল। তাই আমি, তোমার দোস্ত আর ওই মেয়েটাকে কদমকুঁয়ায় পাঠিয়ে দিয়ে এখান থেকে ওই বাড়িটার দিকে লক্ষ রাখছিলাম। এমন সময় দেখতে পেলাম তোমাকে ওইভাবে মারতে মারতে নিয়ে আসছে। তারপর ওরা তোমাকে ফেলে দিয়ে পালাতেই ছুটে গেলাম আমি। ভাগ্যে তুমি ভেতরেই অজ্ঞান হয়ে যাওনি। তা হলে তোমাকে বাঁচাতে পারতাম না। আমি তো নামতে পারতাম না ওর ভেতরে। নামলে আমিও উঠতে পারতাম না। দম বন্ধ হয়ে মরে যেতাম।

    ঠিক। ওর ভেতরে যে কী বিচ্ছিরি একটা গ্যাস, তা তোমাকে কী করে বলব। আমি একবার শ্বাস নিয়েই বুঝেছি। গা-মাথা যেন ঘুরে উঠল। তাই তো ওপরে উঠেই জ্ঞান হারালাম। এরপর তুমি যে আমাকে নিয়ে কীভাবে কী করলে তা কিছুই জানি না।

    আমি তোমাকে বহু কষ্টে আমার পিঠে করে বয়ে নিয়ে গেলাম গঙ্গার ঘাটে। তবে আঘাটায়। সেইখানে গঙ্গার জলে তোমার সমস্ত কাদা ধুয়ে পরিষ্কার করলাম। তারপর আমার ঘরে তোমাকে নিয়ে আসছি এমন সময় আবার জ্ঞান ফিরল তোমার।

    কথা বলতে বলতেই ভোরের আলো একটু একটু করে ফুটে উঠল।

    পল্টন বলল, শোনো, আর দেরি করে লাভ নেই। আমি এখন একটু সুস্থ হয়েছি। কাল সারাটা রাত যা ধকল গেছে আমার ওপর তা কী বলব। শুধু রাত কেন? বিকেল থেকেই তো চলছে। এবার বেরিয়ে পড়া যাক।

    তুমি চলে যাবে?

    বাঃ রে। যেতে হবে না? আমার জন্যে ওরা কত চিন্তা করছে বলো তো? তা ছাড়া সকাল হলে দিনের আলোয় যদি আবার ধরা পড়ে যাই?

    তা হলে যাও। কিন্তু তোমার জামাপ্যান্ট সব তো ভিজে।

    তা কী করব। তুমি তো মেয়ে। ছেলে হলে না হয় তোমারই একটা কিছু পরতাম।

    তাড়াতাড়ি পরে নাও তা হলে। মোড়ের দোকানে তোমাকে একটু চা খাইয়ে দিই। কাল রাতে তোমায় তো কিছু খেতে দিতে পারলাম না। আমার ঘরেও কিছুই নেই। সারারাত নিশ্চয়ই খাওয়া হয়নি তোমার?

    না। এসেছিলাম বিয়েবাড়ি নেমন্তন্ন খেতে। তার জায়গায় মারধোর খেয়ে মরলাম। সবই কপাল।

    দুলালি হামাগুড়ি দিয়ে বাইরে এল। ওর পিছু পিছু চটমুড়ি দিয়ে পল্টন। এ কী! এই অবস্থায় যাবে নাকি তুমি?

    তা ছাড়া উপায় নেই। ভিজেগুলো পরতে পারছি না!

    দুলালি ফিক করে হাসল। বলল, চলো।

    তুমি যাবে না?

    আমি কোথায় যাব?

    আমার সঙ্গে?

    দুলালি ঘাড় নাড়ল, নেহি। তারপর বলল, তুমি আগে বাড়ি যাও। তোমার বাড়িতে গিয়ে আমার কথা বলো। তোমার মা-বাবা যদি সব শুনে আমাকে নিয়ে যান তা হলে ভেবে দেখব। না হলে আমি যেমন আছি তেমনি থাকি।

    তুমি তা হলে আমাকে বিশ্বাস করছ না?

    হামকো বুরা মাত সমঝো। তুমি এখন যেখানে যাচ্ছ তারা এইখানকারই লোক। আমাকে দেখলেই চিনতে পারবে। আর দূর দূর করে তাড়াবে!

    এত সস্তা নাকি? তুমি চলোই না আমার সঙ্গে। তারপর দেখি কে কী বলে? কী পাগলামি করছ বলো তো তুমি? আমি একটা ভিখিরির মেয়ে। আর তুমি

    লিখাপড়া জানা ভদ্দরলোকের ছেলে।

    পল্টন ওই অবস্থায় নিজের জামাসোয়েটার বগলদাবা করে দুলালির হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে চলল।

    দুলালি বলল, হাত ছাড়ো। চলো আগে মোড়ের দোকানে একটু চা খাই। তারপর যেখানে বলবে সেখানেই যাব। তোমাদের দু’ বন্ধুর একটু শিক্ষা হওয়া দরকার। তোমরা দু’জনেই আমাকে নিয়ে যেতে চাইছ। লেকিন একবারও ভেবে দেখছ না, ইয়ে নেহি হো সকতা।

    গৌতমও তোমাকে নিয়ে যাবার কথা বলেছিল বুঝি? হ্যাঁ।

    বলবেই তো। তোমার মতো মেয়ে হয় না।

    দুলালি বলল, তোমরা বলছ বটে। কিন্তু এখানে আমি কেমন স্বাধীনভাবে ছিলাম বলো তো? ভিক্ষেদুঃখু করে যা পাই তাই খেয়ে গাছতলায় শুয়ে কেমন সুন্দরভাবে দিনগুলো কাটিয়ে দিচ্ছিলাম। এখন তোমরা দয়া করে দুটি খেতে দিলে তবে তো খেতে পাব।

    সেরকম বুঝলে পালিয়ে আসবে তুমি।

    ওরা বড় রাস্তার ধারে একটা দোকানে এসে দেখল এরই মধ্যে চায়ের দোকান জমজমাট। শিঙাড়া, জিলিপি ভাজা হয়েছে। চা হচ্ছে।

    পল্টনের ওইরকম অবস্থা দেখে সবাই তাকাতে লাগল ওর দিকে। কেউ কেউ দুলালিকেও দেখল।

    পল্টনের কাছে টাকা ছিল। ও চায়ের অর্ডার দিয়ে শিঙাড়া, জিলিপি নিয়ে অর্থেক দুলালিকে দিয়ে, অর্থেক নিজে খেল।

    একজন পল্টনকে দেখে বলল, এ হাল ক্যায়সে হুয়া ভাই?

    দুলালি বলল, পানিমে গির গিয়া।

    গঙ্গাজিমে?

    হ্যাঁ।

    চা খাওয়া হলে দাম দিতে গেল পল্টন। কিন্তু দুলালি কিছুতেই তা দিতে দিল না। এবং ব্যাপারটা বুঝে নিয়ে দোকানদারও দাম নিল না। বলল, ঠিক হ্যায় বাবা। পহলে তুম ঘর তো চলা যাও।

    অগত্যা একটা রিকশা ডেকে তাইতেই উঠে পড়ল পল্টন। দুলালিকেও প্রায় জোর করে টেনে তুলল রিকশায়। কিন্তু সে গেল না। রিকশায় উঠেই লাফিয়ে পড়ল। বলল, মুঝে সরম লাগতা। তুমি যাও দোস্ত। আমি না। বলে ছুটে চলে গেল গলির মোড়ে। সেখান থেকেই একবার হাত নেড়ে হারিয়ে গেল কোথায় যেন।

    দুলালির এই চপলতা ওর এই সরলতা খুবই ভাল লাগল পল্টনের। ও মনে মনে ঠিক করল গৌতমকে সঙ্গে নিয়েই দুলালিকে নিতে আসবে কাল। এমন একটি জীবন কিছুতেই অবহেলায় ঝরে যেতে দেবে না।

    রিকশাওয়ালা বলল, কিধার যানে হোগা বাবু?

    কদমকুঁয়া।

    রিকশা তরতরিয়ে এগিয়ে চলল কদমকুঁয়ার দিকে। আকাশ এখনও ভাল করে ফর্সা হয়নি।

    রাস্তায় আলো এখনও জ্বলছে।

    চট জড়ানো পল্টনও রিকশায় বসে শীতে কাঁপছে ঠকঠক করে। কদমকুঁয়া পৌঁছতে খুব একটা বেশি সময় লাগল না।

    ওকে ওইরকম চট মুড়ি দেওয়া অবস্থায় রিকশা থেকে নামতে দেখেই ছুটে এল সকলে। যারা এল তাদের অনেককেই অবশ্য ও চেনে না। এদের কেউ কাকুমণির ছাত্র, কেউ বা বরযাত্রীর লোক।

    ও কিন্তু কারও দিকে না তাকিয়ে হনহন করে উঠে গেল ওপরে।

    কাকিমা ওকে দেখেই বুকে জড়িয়ে ধরলেন, এই তো! এই তো ফিরে এসেছে

    পল্টন। বাবা বিশ্বনাথ। আমি কাশী গিয়ে তোমার পুজো দিয়ে আসব বাবা। পরের ছেলে, পরের বাড়ি নেমন্তন্ন খেতে এসে যদি গুন্ডা-বদমাশের পাল্লায় পড়ে, তবে এর চেয়ে দুশ্চিন্তার কিছু আছে কি? সারাজীবনের জন্য দায়ী থেকে যেতুম আমরা।

    বাবলিদি বললেন, তোকে নিয়ে যে কী দুর্ভাবনা হয়েছিল আমাদের তা কী বলব। কিন্তু তোর এই দশা কী করে হল? জামা-প্যান্ট-সোয়েটারের বদলে চটমুড়ি দিয়ে, ব্যাপারটা কী?

    বলব বলব, সব বলব। কাকুমণি কোথায়?

    কাকিমা বাবলিদি দু’জনেই কেঁদে ফেললেন এবার, দাদুভাইকে আনতে গেছে হাসপাতাল থেকে।

    দাদুভাই…… !

    দাদুভাই মারা গেছেন। গুন্ডারা গোপা আর দাদুভাইকে চুরি করে নিয়ে পালাবার সময় গাড়ি থেকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছিল দাদুভাইকে। তাতে আঘাত পেয়েছিলেন খুব। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছেন ইন্টারন্যাল হ্যামারেজ হয়ে। কোমরের হাড়ও ভেঙেছিল।

    একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ল পল্টনের বুক থেকে। বলল, সে কী! গৌতম কই? গোপাকে দেখছি না কেন?

    ওদের বেনারসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বেনারসে! কার সঙ্গে গেল?

    গৌতমই নিয়ে গেছে গোপাকে। না হলে ওকে একা তো ছাড়তে পারি না। ভাল করেছেন। কখন গেল?

    ভোরবেলা, পঞ্জাব মেলে। তা তোমার ব্যাপার কী বলো তো? তুমি কীভাবে রেহাই পেলে ওদের খপ্পর থেকে? তোমার কাকুমণির মুখে যা শুনলাম সেটা অত্যন্ত খারাপ খবর। তোমাকে নাকি আধমরা করে ওরা ড্রেনের ভেতর ফেলে দিয়েছিল?

    হ্যা। খুবই ভুল করেছিল ওরা। ওদের সেই ভুলের জন্যেই আমি এখন এখানে।

    বাবলিদি বললেন, কীভাবে কী হয়েছিল শুনি?

    পল্টন তখন আগাগোড়া সব কথা খুলে বলল, কাকিমা ও বাবলিদিকে।

    কাকিমা বললেন, আহারে! কত কষ্টই না পেয়েছিস তুই। তবে ভিখিরির মেয়ে হোক, ওই দুলালি না কী যেন নাম বললি, ওই তোর ভাগ্যলক্ষ্মী। ও না থাকলে তোকে বেঁচে ফিরতে হত না।

    ওর ঋণ আমি কখনও শোধ করতে পারব না কাকিমা। আমার জীবনরক্ষার জন্য ভগবান ওকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।

    ও ঋণ কী শোধ করা যায়?

    বাবলিদি বললেন, পল্টন! আমি তোমার দিদির মতো। আমি বলছি ওই হতভাগীকে কোনওমতেই পথের ধুলোয় ঝরে যেতে দিয়ো না। যেভাবেই হোক বুঝিয়ে বাঝিয়ে নিয়ে এসো তুমি। ওর জন্যে কিছু করা তোমার একটা পবিত্র কর্তব্য। তোমার দিদিরা আছেন। যদি ওর বয়সি তোমার আর একটি বোনই থাকত, তা হলে? মনে করবে ও— ও তোমার এক দুখিনি বোন।

    আমি তো ওকে নিয়েই যেতে চাই। কিন্তু ও না এলে? তা ছাড়া বাবলিদি, আর একটা কথা। আমি তো ইস্কুলে পড়ি। চাকরি বাকরি কিছুই করি না এখন। বড় হয়ে এই বাজারে আদৌ চাকরি পাব কি না তাও জানি না। এখন কাকামণিই আমাদের ভরসা। উনি কি ঘরে নেবেন ওকে?

    কাকিমা বললেন, তোমার কাকামণিকে তুমি আজও চেননি তা হলে। ওঁর মতো মানুষ হয় না। বিশেষ করে যে মেয়ের জন্যে তোমার জীবন রক্ষা হয়েছে, তাকে ঘরে ঠাঁই দেবেন না মানে? যদি না দেন তখন আমি তো আছি। বাবলি চলে গেলে তো ঘর আমার ফাঁকা। আমি ওকে আমার কাছে রাখব। অত বড় মেয়ে একা একা যেখানে সেখানে পড়ে থাকবে। ভিক্ষে করবে। তাই কখনও হয়? তুমি আজই ওকে এখানে নিয়ে এসো।

    বাবলিদি বললেন, এখন থাক। আর তুমি বাইরে বেরিয়ো না। ওরা জানে তুমি মৃত। সেই জানাটুকুই ওদের অভ্রান্ত হোক। আর পরোপকার করতে গিয়ে নিজের বিপদ বাড়িয়ো না।

    পল্টন এইসব কথাবার্তার ফাঁকেই ওর পোশাক পরিবর্তন করল।

    সারারাত খাওয়াদাওয়া নেই বেচারির।

    কাকিমা তাই ওকে নিজে হাতে ওর পছন্দমতো বাসি

    খাবার দই-মিষ্টি সব পেট ভরে খাইয়ে দিলেন।

    কিছুক্ষণ পরে চোখের জলে বিদায় নিতে হল বাবলিদিকে।

    সত্যবাবু তখন শ্মশানে।

    বাবলিদি চলে গেলে একটা অটো ডেকে কাকিমা পল্টনকে নিয়ে চলে এলেন দরিয়াপুরের বাড়িতে।

    চারদিক তখন শান্ত। কোথাও কোনও উত্তেজনা নেই।

    অনেক বেলায় শ্মশান থেকে ফিরে এসে পল্টনকে একবার আড়চোখে দেখলেন সত্যবাবু। তবে চমকালেন না। কেন না ছাত্রদের মুখে শ্মশানে বসেই তিনি পল্টনের ফিরে আসার সংবাদ পেয়েছেন। তাই শুধু আদর করে ওর গায়েমাথায় একবার হাত বুলিয়ে দিলেন তিনি। তারপর বাবার বিছানায় লুটিয়ে পড়ে শিশুর মতো সে কী কান্না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }