Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নয়নাগিরি অভিযান – ১২

    বারো

    কাল সারারাত ঘুম হয়নি। দুপুরবেলা তাই অঘোরে ঘুমিয়ে পড়ল পল্টন। বিকেলে যখন ঘুম থেকে উঠল, শরীর তখন অনেক ঝরঝরে। কোনও ক্লান্তিবোধ আর নেই।

    কাকুমণি অন্যের মুখে সব কিছু শুনলেও ওর মুখেও আবার নতুন করে শুনলেন সব। শুনে বললেন, তুমি যে মেয়েটির কথা বলছ ওকে আমি চিনি। খুব ছোট থেকেই ভিক্ষে করতে দেখছি ওকে। তা ও যদি সত্যি সত্যিই কোনও গেরস্থ বাড়িতে থাকতে চায় তা হলে আমিই ওকে থাকতে দিতে পারি। বাবলির বিয়ে হয়ে গেল। বাবা চলে গেলেন। ঘর তো আমার ফাঁকা। ছেলে নেই যে তার একটা বিয়ে দিয়ে বউ নিয়ে আসব। এই অবস্থায় আমি বাইরে থাকলে তোমার কাকিমার একা থাকতে অসহ্য লাগবে। অতএব মেয়েটিকে পেলে কিন্তু মন্দ হয় না।

    পল্টন বলল, আপনার এখানে স্থান পেলে তো ওর পক্ষেও খুব ভাল হয়। কেন না এখানকার গঙ্গা এবং পাটনা শহর দুটোর কোনওটাকেই ছেড়ে থাকতে পারবে না ও।

    কাকুমণি বললেন, আচ্ছা, ওকে এখানে আনার ব্যবস্থা করছি।

    হিতৈষী কয়েকজন ছিলেন। তাঁরা সব শুনে বললেন, আনছ আনো, তবে কিনা ওইসব মেয়েকে পোষ মানানো বড়ই কঠিন ব্যাপার। কোনওদিন হয়তো চুরিচামারি করে পালাবে। না হলে বাইরের চোরডাকাতকে ঘরের সম্পত্তির কথা বলে দেবে। তা ছাড়া এই তো একটা মেয়েকে দু’দিনের জন্য রেখে কী কাণ্ড। আবার সেই কাজ করবে?

    কাকুমণি এবার ভয় পেয়ে গেলেন। বললেন, তা অবশ্য ঠিক। শেষকালে আবার নতুন করে কোন ঝামেলা দেখা দেয় তা কে জানে?

    পল্টন বলল, আবার কী ঝামেলা দেখা দেবে? আসল ঝামেলা যারা করত তাদের পাণ্ডা তো মরেছে। আর ও মেয়েও রাস্তার মেয়ে। ওকে কেউ বিরক্ত করলে সেও ছেড়ে কথা বলবে না।

    তবুও আমাদের মতে ও পাপ ঘরে না-ঢোকানোই ভাল।

    পল্টন বলল, বেশ। আমিই তা হলে ওকে আমাদের বাড়ি নিয়ে যাব। ও আমার মায়ের কাছেই থাকবে।

    কাকুমণি বললেন, সেটা হলে তো খুবই ভাল হয়। তবে কি না তোমার মুখে যা শুনলাম তাতে ও যেতে চাইবে কি?

    না যায় কী আর করব? চেষ্টা করব ওর ভাল করবার।

    এরপর সন্ধে পর্যন্ত আরও অনেক লোকজন এল। কত কথাবার্তা হল। এই আকস্মিক বিপদের জন্য সহানুভূতি জানালেন অনেকে। সান্ত্বনা দিলেন। আগামীকাল বাবলিদির বউভাত। অথচ কী করে যে কী করবেন সত্যবাবু তা ভেবে পেলেন না। যদিও এখন আর তাঁর করণীয় কিছুই নেই। বরপক্ষের ওরা বলেই গেছে ব্যাপারটা ওরাই সেরে নেবে। তবুও মন কী মানে?

    সন্ধের পরে সত্যবাবুর সেই ছাত্রটি এল, যে কিনা ওদের টাকা দিয়েছিল এবং যাদের বাড়ি টেলিফোন আছে।

    সত্যবাবু বললেন, দিবাকর! তুমি একটু বেনারসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পার? ছেলেমেয়ে দুটো সেই ভোরবেলা অন্ধকার থাকতে চলে গেল, কীভাবে পৌঁছুল না পৌঁছুল কিছুই জানতে পারলুম না। একবার দেখো না চেষ্টা করে, যদি লাইন পাওয়া যায়?

    দেখছি। তবে বেনারসের লাইন খুব ডিসটার্ব করছে ক’দিন ধরে। পল্টন বলল, আমিও যাব তোমাদের বাড়ি। যদি লাইন পাওয়া যায়, তা হলে গৌতমের সঙ্গে কথা বলব একটু।

    সত্যবাবু বললেন, বেশ তো যাও। তারপর দিবাকরকে বললেন, ওকে বরং তোমাদের বাড়িই রেখে দাও। আর এখানে পাঠিয়ে কাজ নেই। কাল বাবলির বউভাতে নিয়ে যেয়ো তোমাদের সঙ্গে। পরশু ওকে বাড়ি পাঠিয়ে দেব। একা ছাড়বেন?

    পল্টন বলল, একা ছাড়লে ক্ষতি কী? গুন্ডারা এসে আবার আমাকে ধরবে? অত ভয় আমি করি না। তা হলে ওদের কবল থেকে এইভাবে পালিয়ে আসতে পারতুম না। তা ছাড়া ট্রেনের কামরায় একবার ঢুকে পড়লে কে আমার কী করবে শুনি?

    তুমি যদি যেতে পার আমার আপত্তি নেই। একা যদি যাও তা হলে রাতের গাড়ি নয়, দিনের বেলা তুফানে তোমাকে চাপিয়ে দেব। সকালে চাপলে সন্ধেবেলা হাওড়ায় পৌঁছে যাবে।

    সেই ভাল। পারি তো ওই মেয়েটাকেও সঙ্গে নেব।

    কাকুমণি হাসলেন।

    দিবাকর বলল, কোন মেয়েটি?

    যেতে যেতে তোমাকে সব বলব।

    পল্টন ওর এবং গৌতমের ব্যাগ গুছিয়ে নিয়ে দিবাকরের সঙ্গে সাইকেলে ওদের বাড়ির দিকে চলল, যেতে যেতেই সব কথা সবিস্তারে খুলে বলল দিবাকরকে।

    দিবাকর বলল, বুঝেছি তুমি কোন মেয়েটির কথা বলছ। মেয়েটি সকালে ঘাটে ভিক্ষে করে আর সন্ধের পর মন্দিরের সামনে বসে দর্শনার্থীদের জুতো আগলায়। মেয়েটা ভাল। ঘরে নিয়ে যাবার মতো। বলতে গেলে ও শুধু তোমার কেন, তোমাদের দু’ বন্ধুরই উপকার করেছে। এমনকী গোপাকে ফিরে পাওয়ার মাধ্যমও ওই মেয়েটি।

    ঠিক তাই।

    আবার কদমকুঁয়ার কাছেই দিবাকরদের ফ্ল্যাটবাড়িতে এল ওরা। দিবাকররা এই ফ্ল্যাটের দোতলায় থাকে। গৌতমকে নিয়ে এর আগেই তো এখানে এসেছিল পল্টন। ওর কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল। ওর জামা-প্যান্ট-সোয়েটার নিয়েছিল। আবার এল। দিবাকর যদিও ওদের চেয়ে কয়েক বছরের বড়, কলেজে পড়ে, তবুও ওদের সঙ্গে বন্ধুর মতোই ব্যবহার করেছিল।

    সেই দিবাকরের বাড়িতে এসেই বারাণসীতে ট্রাঙ্ককল করল। টেলিফোন গোপাদেরও নেই। ওদের পাশের বাড়িতে আছে, যেখানে ফোন করলে ওদের পাওয়া যায়।

    প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টার পর লাইন পাওয়া গেল। ওধার থেকে উত্তর এল, হ্যালো……। একটু গোপাকে ডেকে দেবেন?

    কে গোপা?

    আপনাদের পাশের বাড়িতে থাকে। ও আর ওর মা।

    আপনি কোথা থেকে ফোন করছেন?

    পাটনা থেকে।

    বুঝেছি। আপনি খুকুর কথা বলছেন?

    কে খুকু! আমি তো জানি না। গোপাকে জানি। পাটনার দরিয়াপুরে সত্যসুন্দরবাবুর কাছে গান শেখে।

    একটু ধরুন। ডেকে দিচ্ছি।

    খানিক ধরে থাকার পরই এক মহিলার কণ্ঠ শোনা গেল, হ্যালো! কে বলছেন?

    তুমি কি গোপা?

    আমি ওর মা ফোন করছি। আপনি কে?

    আমাকে আপনি বলবেন না মাসিমা। আমি পল্টন। বাবলিদির বিয়েতে এসেছি।

    তুমি পল্টন!

    হ্যাঁ।

    কী আশ্চর্য! তোমার জন্যে ছেলেমেয়ে দুটো ভেবে সারা হয়ে যাচ্ছে। তোমার তো খুব বিপদ হয়ে গিয়েছিল। এখন কেমন আছ তুমি?

    আপনার আশীর্বাদে ভালই আছি।

    তোমরা দু’ বন্ধুতে আমার মেয়ের জন্যে যা করেছ তার তুলনা নেই। আমি কী বলে যে তোমাদের ধন্যবাদ জানাব তা ভেবে পাচ্ছি না। আমার বুকের মাণিক ফিরিয়ে দিয়েছ তোমরা। মাস্টারমশাইয়ের খবর কী?

    একরকম। আমি এখন ও বাড়িতে নেই। যেখান থেকে ফোন করছি সেই বাড়িতে আছি।

    দিবাকরদের বাড়ি। খুব ভাল ছেলে ও।

    আপনি একবার গৌতমকে ডেকে দিন।

    ওরা তো কেউ নেই। সারা দুপুর ঘুমিয়ে এখন একটু দশাশ্বমেধের দিকে গেছে।

    সেটা আবার কী?

    এখানকার একটা ঘাটের নাম। আমি আজই রাত্তিরে ফোন করতাম। তুমি যখন করলে তখন ভালই হল। তা বলছিলাম কী, তুমিই বা ওই বিষাক্ত পরিবেশে একা থেকে কী করবে? চলে এসো এখানে। দিনকতক থেকে ঘুরে বেরিয়ে যাও। আমার এক পরিচিত ভদ্রলোক কাল কলকাতা যাচ্ছেন। আমি তাঁর হাত দিয়ে একটা চিঠি পাঠিয়ে দিচ্ছি তোমাদের বাড়িতে। কাজেই কোনও চিন্তা নেই। তোমরা আনন্দে কিছুদিন ঘুরতে পারবে এখানে। তারপর আমি টিকিট কেটে রিজার্ভেশন করিয়ে গাড়িতে চাপিয়ে দেব। নির্ভাবনায় বাড়ি পৌঁছে যাবে। ওখানকার যা অবস্থা তাতে আর একদিনও ওখানে থাকা ঠিক নয় তোমার। আপনি যা বললেন সে তো খুব ভাল কথা। কিন্তু আমি কখনও বেনারসে

    যাইনি। কী করে যাব?

    শোনো! তুমি দিবাকরকে বলো ভোরবেলা পঞ্জাব মেলে তোমাকে তুলে দিতে। তা ছাড়া এখনও সময় আছে। তুমি অমৃতসর এক্সপ্রেসটা যদি ধরতে পার তো খুব ভাল হয়। তা হলে একেবারে সকাল ন’টার মধ্যে বারাণসী পৌঁছে যাবে। গোপাকে নিয়ে আমি নিজে স্টেশনে থাকব। তোমার কাছে যদি গাড়ি ভাড়া না থাকে তা হলে দিবাকরকে বলো ও দিয়ে দেবে।

    না না। এখন আমার কাছে টাকা আছে। আমরা তো ফিরে যাবার গাড়ি ভাড়া সঙ্গে নিয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম।

    তা হলে আর দেরি কোরো না। এই বেলা তৈরি হয়ে নাও। রাত দুটো পঞ্চাশে অমৃতসর এক্সপ্রেস পাটনা থেকে ছাড়ে। বারোটা-একটা নাগাদ স্টেশনে চলে এসো। তবে একা এসো না, দিবাকরকে সঙ্গে নিয়েই এসো। ঠিক আছে। আমি যাবই।

    তুমি একবার দিবাকরকে দাও।

    পল্টন রিসিভারটা দিবাকরের হাতে দিয়ে বলল, গোপার মা।

    দিবাকরের সঙ্গে ফোনে অনেক কথা হল।

    দিবাকর বলল, বেশ তো, ওর জন্যে আপনি কোনও চিন্তা করবেন না। আমি নিজে গিয়ে ওকে গাড়িতে তুলে দিয়ে আসব।

    ফোনে কথাবার্তা শেষ হলে পল্টন বলল, কত আনন্দ নিয়ে এখানে এসেছিলাম কিন্তু এখন আর এক মুহূর্ত এখানে থাকতে ভাল লাগছে না। মনে হচ্ছে কতক্ষণে যাই।

    দিবাকর বলল, আমারও মনে হয় তোমার চলে যাওয়াই ভাল। মাস্টারমশাইকে আমি বলে আসছি সেই কথা। তারপর তোমাকে অমৃতসর এক্সপ্রেসেই তুলে দিয়ে আসব।

    পল্টন বলল, তার আগে একটা অনুরোধ। তোমাকে আমার একটা উপকার করতে হবে ভাই।

    কী করতে হবে বলো?

    তুমি যে ভাবেই হোক একবার ওই মেয়েটির সঙ্গে আমার দেখা করিয়ে দাও। কার কথা বলছ?

    দুলালির কথা বলছি।

    কী হবে দেখা করে?

    পল্টন বলল, তা ঠিক। তবে কি না এই শহরে আর তো আমি ভুলেও কখনও আসব না। তাই যাবার আগে একবার ওর সঙ্গে একটু কথা বলে নিতে চাই। কেন না ইতিমধ্যে যদি ও কোনওকারণে মনস্থির করে থাকে, তা হলে কিন্তু আমি আর না গেলে ও ভীষণ দুঃখ পাবে। ভাববে হয়তো কথার কথা বলেছি ওকে। অন্তর দিয়ে বলিনি। এখন যদি ও যেতে রাজি না হয় তা হলে নিজের কাছে আমি ঠিক থাকব। ও-ও আমাকে ভুল বুঝবে না। বা কোনও দোষারোপ করবে না।

    দিবাকর একটুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তা অবশ্য ঠিক। তবে আমার মনে হয় ওসবের ভেতরে আর নিজেকে না-জড়ানোই ভাল। তা ছাড়া ওই জায়গায় আবার তুমি যাবে সেটা ঠিক নয়।

    তা হলে এক কাজ করো না, তুমিই ওকে নিয়ে এসো না এখানে?

    আমার বাড়ির লোক সেটা পছন্দ করবেন না।

    পল্টন আহত হয়ে বলল, আচ্ছা ঠিক আছে। তুমি তা হলে কাকুমণিকে জানিয়ে এসো আমি আজই চলে যাচ্ছি।

    দিবাকর ঘড়ি দেখে বলল, এখন সবে পৌনে আটটা। তুমি একটু বিশ্রাম নাও। মাকে বলে যাচ্ছি তোমার খাওয়া-দাওয়ার কোনও অসুবিধে হবে না। আমার তো এখন অনেক কাজ। মাস্টারমশাই আমাকে অনেক কাজের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি দশটা-এগারোটা নাগাদ ফিরে এসে তোমাকে নিয়ে যাব। তবে হয়তো তার আগে তোমাকে একবার থানাতেও যেতে হতে পারে। কেন না পুলিশ জেনেছে তুমি নিখোঁজ হওনি।

    পুলিশকে এ খবর কে দিল?

    আমরাই দিয়েছি। না হলে অযথা ওরা তোমাকে খুঁজতে ড্রেনের ভেতর তোলপাড় করত।

    আমি কোনও অবস্থাতেই পুলিশের কাছে যাব না। পুলিশের সাহায্য ছাড়াই যখন আমি বেঁচে ফিরেছি, তখন ওদের এড়িয়েই আমি চলে যাব।

    পুলিশ চাইলে যেতে তোমাকে হবেই। তবে কি না একান্তই যদি যেতে হয় তা হলে পুলিশকে এই কথাটাই বলবে কার সাহায্যে এবং কীভাবে তুমি প্রাণে বেঁচেছ।

    পল্টন বলল, তার মানে যে মেয়েটির দয়ায় আমি জীবন ফিরে পেলাম পুলিশের কাছে তার নামটি বলে তাকে আরও বিপদের জালে জড়িয়ে দেব। এই তো?

    দিবাকর আর কিছু না বলে চলে গেল।

    ও চলে গেলে পল্টন খস খস করে একটা চিঠি লিখে টেবিলের ওপর রেখে পেপারওয়েট চাপা দিল। তারপর কাউকে কিছু না জানিয়ে শুধু টাকা ছাড়া অন্য কোনও কিছু না নিয়েই একেবারে বড় রাস্তায় এসে রিকশা ধরল। নেবার মধ্যে নিয়েছিল শুধু মাংকি ক্যাপটা। সেটাতে মুখ ঢেকে নিজেকে এমন করে নিল যে ওকে কারও চেনবার উপায়টি রইল না। আজ এবেলায় শীত একটু কম। তাই পথেও কোনও কষ্ট হল না।

    ও ঠিক জায়গায় এসে টুপ করে রিকশা থেকে নামল। তারপর চুপিসাড়ে সেই ড্রেন পাইপগুলোর কাছে গিয়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজেও দুলালিকে দেখতে পেল না। হঠাৎ মনে হল রাত তো বেশি নয়। তা হলে ও তো এখন মন্দিরে থাকবে। কিন্তু মন্দিরটা কোথায়? ও অনুমানে গঙ্গার দিকে একটু এগোতেই ঢোল-খোলের শব্দ শুনতে পেল। সেই শব্দ লক্ষ্য করে খানিকটা যেতেই দেখতে পেল মন্দিরটা।

    মন্দিরের কাছাকাছি আসতেই দেখল দুলালি একটা বিস্তীর্ণ চাতালের পাশে লাঠি হাতে বসে বসে বসে দর্শনার্থীদের জুতো পাহারা দিচ্ছে। মাঝে মাঝে গোরু-ছাগল এলে তাড়াচ্ছে। চারদিক বেশ জমজমাট।

    পল্টন একটু কেশে ওর দিকে চোখ রেখে এক পা এক পা করে এগোতেই ওকে দেখতে পেল দুলালি।

    ও কোনও কথা না বলে মাংকি ক্যাপটা একবার তুলে মুখটা বার করে দেখাল। তারপর আবার ঢেকে ফেলল মুখখানা।

    দুলালি কেমন যেন ভয় পেয়ে ছুটে এল ওর কাছে। তারপর চাপা গলায় বলল, আরে! তুমি ইধার কিউ আয়া?

    তোমার সঙ্গে দেখা করব বলে।

    হিস্। ডিসুজাকা আদমি পূজা দেনে আয়া হিয়া পর। চলো চলো, উধার চলো।

    দুলালি পল্টনের হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল এক অন্ধকার নির্জনে।

    পল্টন বলল, শোন, আমাকে আজই এখান থেকে বেনারসে চলে যেতে হচ্ছে। না হলে হয়তো পুলিশ আমাকে টানাহেঁচড়া করবে। যাবার আগে আমি শেষবারের মতো তোমার কাছে এসেছি। তুমি কী ভদ্রসুস্থ একটা জীবনকে বেছে নেবে? না এইভাবে ভিক্ষে করে দিন কাটাবে? তুমি বড় হচ্ছ। রাত্রিবেলা ড্রেনপাইপের ভেতরে লুকিয়ে আর কত রাত নিজেকে আড়ালে রাখবে?

    হামকো শোচনে দো।

    ভাববার সময় কিন্তু আর পাবে না। আমাকে যেতেই হবে। কেন না পুলিশের খপ্পরে আমি পড়ছি না। আর পাটনা শহরেও দ্বিতীয়বার আসছি না।

    দুলালি কিছুক্ষণ কী যেন ভাবল। তারপর বলল, তুমি কি সত্যিই আমাকে তোমার সঙ্গে নিয়ে যেতে চাও?

    না হলে কি এই রাতদুপুরে আমি সিনেমা করতে এসেছি?

    তো ঠিক হ্যায়। তুম স্টেশন পর চলা যাও। অকেলে। এক নম্বর খিড়কি পর ইন্তেজার করো। হাম যা রহেঁ। জলদি যাও।

    পল্টন বলল, যদি টাকার দরকার থাকে নিতে পার। যাবার সময় কোনও দোকান থেকে একটা নতুন কিছু কিনে নিয়ো। এই ছেঁড়াটাকে ত্যাগ করতে হবে এবার।

    দুলালি বলল, ম্যায় যানে কে লিয়ে তৈয়ার হুঁ। সব কুছ হ্যায় হামারা পাস তুম যাও।

    পল্টন চলে গেল।

    ওর চলে যাওয়া পথের দিকে একদৃষ্টে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে কী যেন ভাবল দুলালি। তারপর মন্দিরে এসে বজরঙ্গবলিকে একটা প্রণাম করে পাশের গলিতে হারিয়ে গেল।

    পল্টনকে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হল না। ও যাওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই দুলালি গিয়ে হাজির হল। দুলালির সাজপোশাক দেখে তো প্রথমে চিনতেই পারেনি পল্টন। এ কাকে দেখছে ও? নতুন চুড়িদার পরা বন্যসৌন্দর্যে ভরা খুশি খুশি ঝলমলে একটি মেয়ে।

    পল্টন অবাক হয়ে বলল, এমন ঝকঝকে মেয়ে তুমি। আর নিজেকে কী করে রেখেছিলে? কী চমৎকার দেখাচ্ছে তোমাকে তা জানো? সত্যি বলতে কী, তোমাকে দেখে এখন আমার একেবারে অন্যরকম লাগছে।

    ট্রেন ক বাজে মিলেগা ?

    রাত্রি দুটোর পর।

    আভি দশ বাজ গিয়া হোগা?

    সাড়ে দশটা। এখন চলো কোনও একটা হোটেলে ঢুকে পেট ভরে দুটো খেয়ে নিই। খিদে পাচ্ছে খুব।

    দুলালি বলল, শোনো, তোমার সঙ্গে আমাকে দেখলে অনেকে হয়তো অন্যরকম ভাববে। কেউ খারাপ কথা বললে তুমি যেন কিছু বলবে না। রাগটা একটু সামলে রাখবে, কেমন?

    ঠিক আছে।

    ওরা বাইরের হোটেলে না খেয়ে রেলের ক্যান্টিনে খেল। পল্টনের প্রতি মুহূর্তে ভয় হচ্ছিল ধরা পড়বার। যদি ওর চিঠি পেয়ে দিবাকর বা কাকুমণি ছুটে আসেন, তা হলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। তার ওপর এইরকম সুসজ্জিতা দুলালিকে দেখে অন্যরকম সন্দেহ করেন যদি? ভয় হল কাকুমণিকে। ও তো ঝোঁকের মাথায় ছিঁড়ে আনল এই বনফুল। তিনিও যদি অন্য রকম কিছু ভেবে বসেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }