Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নয়নাগিরি অভিযান – ১৩

    খাওয়া দাওয়া করে ওরা বেনারসের দুটো টিকিট কেটে প্ল্যাটফর্মে আসতেই দেখল একটা প্রায় ফাঁকা গাড়ি স্টার্ট দিচ্ছে।

    পল্টন একজন চেকারকে জিজ্ঞেস করল, এ গাড়িটা কোথায় যাবে?

    তোমরা কোথায় যাবে?

    আমরা বেনারস যাব।

    এটা ভাগলপুর বোম্বাই এক্সপ্রেস। বেনারস যাবে না। তবে তোমরা মুঘলসরাই পর্যন্ত চলে যেতে পার এই গাড়িতে। ওখান থেকে যে কোনও ট্রেনে অথবা বাসে চলে যেয়ো বেনারসে।

    ওরা আর বিলম্ব না করে চলন্ত ট্রেনের হাতল ধরেই উঠে পড়ল ট্রেনে। দুলালি আগে উঠলে, ছুটে উঠল পল্টন। গাড়িটা জনতা গাড়ি। সব বগিই সেকেন্ড ক্লাস। লোক্যাল যাত্রীদের ভিড় নেই বললেই হয়। তাই বসবার কোনও অসুবিধে হল না। পরের স্টেশন দানাপুরে একজন যাত্রী নেমে যেতে বাঙ্কও পেয়ে গেল একটা।

    একজন সহযাত্রীর মুখে শুনল একেবারে শেষ রাতে অথবা ভোরে এ গাড়ি মুঘলসরাই পৌঁছবে। তাই ওরা দু’জনেই সেই বাঙ্কটি দখল করে বসে রইল চুপচাপ। ঘুম এলে শুয়েও পড়া যাবে।

    রাতের অন্ধকারে চলমান ট্রেনের কামরায় সমস্ত বিপদের মেঘ যেন কেটে গেল।

    দুলালি ওর বুকের কাছে গুঁজে রাখা পলিথিনে মোড়া কী যেন একটা বার করে পল্টনের হাতে দিল। পল্টন বলল, কী এটা?

    দেখোই না। তুমি তো লিখাপড়া জানো। তুমি পড়তে পারবে। পল্টন সেটা খুলে দেখল পোস্ট অফিসের একটি পাস বই। তারই পাতায় ওর দিনে দিনে সংগ্রহ করা ভিক্ষালব্ধ অর্থের এক অসামান্য সঞ্চয়। মাত্র চার বছরে পঞ্চাশ হাজার টাকার ওপর জমে গেছে। পল্টন বিস্মিত হয়ে বলল, এ কী করে সম্ভব !

    দুলালি বলল, আমি সারা দিন ভিক্ষে করে পঁচিশ থেকে ত্রিশ রুপাইয়া পাই। আর জুতো রাখার ব্যবসায় কম করেও পঞ্চাশ থেকে একশো রুপিয়া, কখনও দেড়শো-দুশোও হয়ে যায়! পালেপার্বণে তো কথাই নেই। আগে এগুলো একটা কৌটোয় জমিয়ে রাখতুম। তারপর মাস্টারমশাইয়ের কথায় পোস্ট অফিসে জমা রাখছি।

    পল্টন বলল, তুমি তো অনেকের চেয়ে দেখছি বড়লোক। তা যাকগে এই টাকার কথা তুমি কাউকে বলবে না কিন্তু।

    দুলালি বলল, এই বইটা এখন থেকে তোমার কাছেই থাকবে। আমি আর রাখতে পারব না।

    পল্টন বলল, এখন আমি রাখছি। পরে আমার কাছেও রাখব না। আমার কাকুমণির কাছে রেখে দেব। উনি পোস্ট অফিসের অনেক ব্যাপারস্যাপার জানেন। পাঁচ বছর, ছ’ বছরে এই টাকা পোস্ট অফিসে ডবল হয়ে যায়। উনি সেই ব্যবস্থাই করে দেবেন।

    দুলালি হঠাৎ কোমরে বাঁধা একটা গেঁজে বার করে বলল, এতেও অনেক রুপিয়া আছে। কাল আজ সারাদিনের কামাই। গুণে দেখো তো কত? এর ভেতর থেকে সামান্য কিছু খরচ করেছি। এই চুড়িদারটা কিনেছি। ট্রেনের ভাড়া অবশ্য তুমি দিয়েছ, খাইয়েছ।

    পল্টন সেই সব টাকা-পয়সা গুণে দেখল কিছু কম পঞ্চাশ টাকা। দুলালি বলল, ওগুলোও তোমার কাছে রাখো।

    পল্টন বলল, না। কোনও অবস্থাতেই নিঃসম্বল হওয়া উচিত নয়। এগুলো

    এর ভেতরে যেমন ছিল তেমনি থাক। বলা যায় না কখন কী হয়।

    অগত্যা দুলালি ওগুলো আবার আগের মতোই নিজের কাছে রেখে দিল। পল্টন বলল, সবাই যদি তোমার মতো হিসেবি হত?

    দুলালি বলল, পোস্ট অফিসের খোঁজ সবাই এখন জেনে গেছে। পোস্টমাস্টারমশাই রোজ গঙ্গায় চান করতে যান। আর আমাদের মতন ভিখিরিদের রুপিয়া নিয়ে বই করে দেন। আবদুলের মা’র এখন এক লাখসে জায়দা রুপিয়া হয়ে গেছে।

    তবুও সে ভিক্ষে করে?

    আমিও তো করি। আমাদের ঘরভাড়া লাগে না। ভিক্ষের চাল-ডাল ফুটিয়ে খাই। বসে বসে রুপিয়া পাই। আমার খরচা শুধু সকালেবিকেলে এক কাপ করে

    চা। রাত্রে হোটেলে মাংস-রুটি। আমি মাংস খেতে খুব ভালবাসি। তা দশ টাকার মধ্যেই হয়ে যায়।

    সেই সঙ্গে সিনেমা দেখতেও তো ভালবাস।

    তা বাসি। নাইট শোতে একটা যে কোনও সিনেমা দেখা আমার চাই-ই। আমাদের বাড়ি গেলে সিনেমা দেখাটি কিন্তু তোমার চলবে না।

    দুলালি বলল, আমি সব সময় তোমার মাকে জড়িয়ে ধরে থাকব। তোমাদের ঘরের সব কাজ করে দেব। থালাবাসন মেজে দেব। তোমার দিদিরা কোথাও বেড়াতে গেলে তাদের সঙ্গে যাব। তবে আমার এই রুপিয়াগুলো ডবল হয়ে গেলে তুমি যদি রাজি থাকো তা হলে ছোটখাটো একটা ব্যবসা করব।

    তুমি এইটুকু মেয়ে তোমাকে ব্যবসার বুদ্ধি কে দিল?

    আমাদের গাঙ্গুরামকে তো তুমি চেনো না? ও মাস্টারমশাইয়ের কাছ থেকে দু’-হাজার রুপিয়া নিয়েছিল। সেই টাকায় কলকাতা গিয়ে রথের মেলা আর দুর্গাপুজোয় তালপাতার বাঁশি বেচে দশ হাজার রুপিয়া করেছে। তুমিও বড় হয়ে চাকরি না করে বিজনেস করবে।

    পল্টন বলল, তোমাদের গাঙ্গুরামরা যা পারে, আমরা যে তা পারি না দুলালি। আমরা জীবনে বড় হবার স্বপ্ন দেখি। আশায় আশায় দিন গুনি। আমাদের কত সুন্দর ফুলের মতো জীবনগুলো একসময় পাপড়ির মতো ঝরে যায়। আমরা যখন জীবনে হেরে যাই তখন ভগবানকে দোষারোপ করে স্যুইসাইড করি। আর তোমাদের দেশ থেকে তোমাদের জাতভাইরা আমাদের দেশে এসে আট হাতি ধুতি আর কাঁধে গামছা নিয়ে ফুটপাথে শুয়ে ছাতু খেয়ে শুধু চানা বেচে বড় বড় শেঠ হয়ে যায়।

    তবে! তুমিও তাই হবে। দরকার হলে আমি তোমাকে রুপিয়া দেব। তুমি আমাকে এতখানি বিশ্বাস কেন করলে?

    তা জানি না। তবে আমার জন্যে আমার মনে যখন দরদ আমি মালুম পেয়েছি, তখনই বুঝেছি তুমি আমার সত্যিকারের দোস্ত। আমি তোমার সঙ্গে আসতে চাইলাম না। ছুটে পালিয়ে গেলাম। তারপরেও তুমি আমার কাছে এলে। সেই জন্যেই আমিও আমার ব্যবসা ছেড়ে, মুলুক ছেড়ে, তোমার সঙ্গে দোস্তি করতে চলে এলাম।

    পল্টন বলল, আসলে আমারও তোমাকে খুব ভাল লেগেছিল। তুমি আমায় প্রাণে বাঁচালে। কত করলে আমার জন্যে। তা বড় হয়ে তোমার কথামতো চাকরির সোনার বণের পিছনে না ছুটে ব্যবসা করলে কিন্তু মন্দ হয় না। জীবনে দাঁড়াবার জন্যে দরকার হলে তোমাদের গাঙ্গুরামের মতো তালপাতার বাঁশিই বেচব। তোমরা বিহার ইউ পি থেকে কলকাতায় আসছ। আমি হাওড়া কলকাতা থেকে তোমাদের দেশে যাব। তা হলে কেউ আমাকে চিনবে না। আমরা তো বেনারসে যাচ্ছি। শুনেছি বেনারস খুব ভাল জায়গা। এখন সব দেখেশুনে যাই। পরে বেনারস থেকেই আমার ব্যবসা শুরু করব।

    ট্রেন এসে আবার একটা স্টেশনে থামল। জনতা গাড়ি তো। মেল-এক্সপ্রেসের ভাড়া নিয়েও সব স্টেশনে থামে। লোকজন অবশ্য খুব বেশি ওঠানামা করল না। কথা বলতে বলতে দু’জনেরই চোখে ঘুম আসছিল। তাই দু’জনে দু’দিকে মাথা করে একটু টান টান হয়ে শুয়ে পড়ল যে যার।

    ট্রেন চলতে লাগল।

    ওরাও ঘুমিয়ে পড়ল এক সময়।

    সকালবেলা একজন চেকারের ধাক্কায় ঘুম ভাঙল পল্টনের।

    টিকট দিখাইয়ে।

    পল্টনের মাথাটা কেমন ঝিমঝিম করছে তখন। তবুও ধড়মড়িয়ে উঠে বসে দেখল দুলালি নেই। গাড়িতে এখন ভিড়ে ভিড়। বসবার জায়গা না-পেয়ে কত লোক যে দাঁড়িয়ে আছে তার ঠিক নেই।

    টিকট কাহা।

    পল্টন টিকিট দেখাল।

    এ টিকট তো মুঘলসরাইমে খতম হো গিয়া। বনারস কা

    টিকট। পল্টন বলল, হ্যাঁ বেনারসের টিকিট।

    তুমকো জুরমানা দেনে পড়ে গা।

    জরিমানা দেবার টাকা আমার কাছে তো নেই।

    তব জেল যা না পড়ে গা। তুমহারা আউর সাথি কাহা?

    জানি না। বোধহয় বাথরুমে গেছে।

    ডাকো। আউর হিয়া উতারো।

    পল্টন বাঙ্ক থেকে নেমে বাথরুমে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করল। কিন্তু কোথায় দুলালি? কেউ কোথাও নেই। শুধু যেখানে ওরা শুয়ে ছিল তার এক পাশে ওর কাচের চুড়িগুলো ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। আর এক পাশে পড়ে আছে এক পাটি জুতো। তবে কী! মনে হওয়ামাত্রই শিউরে উঠল পল্টন। তবে কি কেউ কোনও ঘুমের ওষুধ ওর নাকে চেপে দুলালিকে নিয়ে পালিয়েছে? না হলে কী করে সম্ভব এই রহস্যময় অন্তর্ধান? কেনই বা ঘুমনোর পর ওর মাথাটাও ঝিমঝিম করছে? মির্জাপুর আ গিয়া তুম হিয়া উতারো।

    চেকার বলল,

    পল্টন ছলছল চোখে নেমে পড়ল ট্রেন থেকে। তারপর সব কথা খুলে বলল চেকারকে। দুলালির চেহারার বর্ণনা দিয়ে বলল নিশ্চয়ই মেয়েটাকে গুম করেছে কেউ।

    চেকার ওকে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়ে জি আর পি-তে ডায়েরি লেখালেন। তারপর পাটনায় সত্যবাবুর বাড়ির ঠিকানাটা নোট করে ছেড়ে দিলেন ওকে। জরিমানা দিতে হল না।

    মির্জাপুর থেকে বারাণসীর ঘন ঘন বাস ছাড়ে। তারই একটাতে জি আর পি-র লোকেরা বসিয়ে দিল ওকে। ও সেই বাসে চেপে বারাণসী এল। ময়দাগিন নামে একটা জায়গায় বাস থেকে নেমে ও রিকশা করল। ঠিকানা তো জানে না। তাই শুধু অগস্ত্যকুণ্ডার কথা বলল। রিকশাওয়ালা ওকে নিয়ে এল গোধূলিয়ায়। তারপর ঘোড়ার গাড়ির স্ট্যান্ডের পিছন দিকের গলিটা দেখিয়ে বলল, অগস্ত্যকুণ্ডা উধার মিলে গা।

    অনেক বেলা হয়েছে তখন। তা প্রায় একটা-দেড়টা।

    পল্টন এই অচেনা জায়গায় এসে ঘাবড়ে গেল খুব। নাম জানে না, ঠিকানা জানে না, এই অবস্থায় কাউকে কি খুঁজে পাওয়া সম্ভব? তবু একজন বাঙালিকে দেখে বলল, আচ্ছা এখানে গোপাদের বাড়িটা কোথায় বলতে পারবেন? গোপা? কে গোপা? বাবার নাম কী? ঠিকানা কত?

    পল্টন ওর বিপদের কথা বলল।

    ভদ্রলোক বললেন, এভাবে তো খুঁজে বার করা মুশকিল। তবু দেখি কী করতে পারি। বলে একজনদের বাড়ির একটি মেয়েকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, খুকি শোনো! তোমরা তো এই মহল্লায় থাক, এখানে গোপা নামে কেউ থাকে জানো?

    মেয়েটি বলল, জানি। কিন্তু কী ব্যাপার বলুন তো?

    এই ছেলেটি নতুন এসেছে এখানে। ওদের বাড়ি যেতে চায়।

    গোপা আমার বন্ধু। তবে বাড়ি তো দেখাব না। কেন না একটু দুষ্টচক্রের নজর পড়েছে ওর দিকে। পাটনায় গিয়ে ওর খুব বিপদ হয়েছিল। তা ওর নাম এবং কোথা থেকে আসছে জানালে আমি ওর মাকে গিয়ে বলতে পারি। এর পরে ওঁরা যদি নিয়ে যেতে বলেন তা হলে নিয়ো যাব।

    পল্টন বলল, তা হলেই হবে। একটা কাগজ দাও, আমি আমার পরিচয় লিখে দিচ্ছি।

    মেয়েটি একটি কাগজ দিলে, পল্টন লিখল, আমি এসে গেছি। আমাকে নিয়ে যাও।—পল্টন সেই চিরকুটটা নিয়ে মেয়েটি চলে গেল। একটু পরেই দেখা গেল গৌতম ও গোপা হন্তদন্ত হয়ে আসছে ওর দিকে।

    গৌতম তো এসেই জড়িয়ে ধরল পল্টনকে। তারপর বলল, ব্যাপারটা কী! আমরা দু’জনে স্টেশনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আলা হয়ে গেলাম। অমৃতসর এক্সপ্রেসে এলি না, পঞ্জাব মেলে এলি না। তাই ভাবলাম হয়তো কোনওকারণে আসতে পারলি না তুই। ওখান থেকে ফিরে এসে সবে স্নান খাওয়া সেরেছি। এমন সময় তুই এলি।

    পল্টন বলল, হ্যা এলাম। তবে মনের মধ্যে মুক্তির আনন্দ নিয়ে আসিনি ভাই। বুকভরা চাপা কান্না নিয়ে এসেছি।

    দাদুভাইয়ের ওইরকম মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য তো? কী আর করবি বল, যার যা নিয়তি তার তো তাই হবে।

    নারে। আমি আমার এক সত্যিকারের বন্ধুকে চিরকালের জন্য হারালাম আজ। বনের ফুল ছিঁড়ে নিয়ে চলে আসছিলাম। সে ফুল অপরে নিয়ে গেল। ওর এতবড় ক্ষতিটা হয়ে গেল শুধু আমার জন্য। কেন যে ওকে আনতে গেলাম?

    কার কথা বলছিস তুই?

    যে তোকে সাহায্য করেছিল, গোপার খোঁজ দিয়েছিল, আমার জীবন রক্ষা করেছিল, তার কথা।

    অর্থাৎ দুলালি? সেই নিষ্পাপ সুন্দর মেয়েটি?

    হ্যাঁ।

    কী ব্যাপার বল তো?

    গোপা বলল, রাস্তায় কথা বলার দরকার নেই। ঘরে চলো।

    ওরা গোপাদের বাড়ি এল।

    এখান থেকে গঙ্গা খুব কাছে। তবুও অনেক বেলা হয়ে গেছে বলে পল্টন বাড়িতেই স্নান করল। ছোট্ট দোতলা বাড়ি। কিন্তু কী সুন্দর। নীচের তলাটা অন্ধকার। ওপরটা খোলামেলা। কাশীর সব বাড়িই প্রায় এই রকম। এই বাড়িও তার ব্যতিক্রম নয়।

    দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর ছাদে রোদ্দুরে শুয়ে আগাগোড়া সমস্ত ঘটনার কথা ওদের দু’জনকে খুলে বলল পল্টন।

    সব শুনে স্তব্ধ এবং মর্মাহত হয়ে গেল ওরা।

    গোপা বলল, আর কেউ নয়, নির্ঘাত ওই শয়তান ডিসুজার লোকই পিছু নিয়েছিল তোমাদের। ছদ্মবেশে ট্রেনের কামরায় উঠেছিল। পরে তোমরা ঘুমিয়ে পড়লে নাকে ক্লোরোফর্ম মাখানো রুমাল চেপে আরও ঘুম পাড়িয়ে কাজ হাসিল করে।

    গৌতম বলল, ঠিক তাই। পল্টন দুলালিকে ডাকতে গিয়েই ভুল করেছিল। তখন থেকেই ওকে ফলে! করেছে ওরা। তারপর স্টেশনে এসে দু’জনকে ভাগতে দেখেই নেয়। ট্রেনের কামরায় দু’জনকে একসঙ্গে পেয়ে সুবিধেই হয়েছে ওদের। টার্গেটটা বেশি করে গিয়ে পড়ে দুলালির ওপর। পল্টনকে ছেড়ে দুলালিকে নিয়েই পালায় ওরা।

    পল্টন বলল, কিন্তু কামরায় তো আরও অনেক লোক ছিল। ছিল। হয় তারা অঘোরে ঘুমোচ্ছিল, নয়তো ছোরা-রিভলভার নিয়ে ভয় দেখিয়েছিল তাদের।

    পল্টন বলল, এখন তা হলে উপায়?

    নয়নাগিরি অভিযান।

    নয়নাগিরি কোথায় তাই তো জানি না আমরা।

    সেটা জানতে হবে এবং জীবন দিয়েও দুলালিকে ওদের কবল থেকে উদ্ধার করতে হবে। যার জন্যে গোপাকে আমরা ফিরে পেয়েছি, তোর জীবন রক্ষা হয়েছে, তার জন্যে প্রয়োজন হলে যমের সঙ্গে লড়ে যাব আমরা।

    কিন্তু নয়নাগিরির সন্ধান আমরা কী করে পাব?

    নয়নাগিরির সন্ধান পেতে গেলে আজই বিকেলে রাণামহলের ঘাটে ঘুরঘুট্টিবাবার দর্শন পেতে হবে আমাদের!

    ঘুরঘুট্টিবাবা কে?

    তুই চিনবি না। উনি পায়ে হেঁটে সারা ভারত ভ্রমণ করেছেন। চিত্রকূট পর্বতে থাকেন উনি। এখন একমাস কাশীতে থাকবেন। কাল ওনার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে আমাদের। চমৎকার এবং নির্লোভ সাধু। উনি নিশ্চয়ই বলতে পারবেন নয়নাগিরিটা কোথায়।

    পল্টন বলল, তা হলে আর দেরি নয়। একটু বিশ্রাম নিয়েই চল গিয়ে দেখা করে আসি।

    গৌতম বলল, আমার মনে হয় নয়নাগিরিটা পাটনা এবং বেনারসের মাঝামাঝি অথবা কাছাকাছি।

    এইরকম মনে হওয়ার কারণ?

    কারণ একটাই, এই ধরনের কাণ্ডকারখানা মূল কেন্দ্র থেকে খুব বেশি দূরে হওয়াটা সম্ভব নয়। ত্রিবেদী বলেছিলেন, বিহারে নয়নাগিরি নামে কোনও জায়গা নেই। তা যদি হয় তা হলে নয়নাগিরি উত্তরপ্রদেশে হতে বাধা কোথায়? বিশেষত অপহরণটা যখন বক্সার ও মুঘলসরাইয়ের মধ্যে হয়েছে।

    পল্টন বলল, তুই ঠিক বলেছিস। আমি মির্জাপুরে জি আর পি-তে ডায়েরি লেখালেও এখানকার পুলিশকে একবার জানাই চল। ওঁরা ত্রিবেদীর সঙ্গেও কথা বলে নেবেন। আর আমরা ঘুরঘুট্টিবাবার কাছ থেকে জানবার চেষ্টা করব নয়নাগিরিটা কোথায়?

    ওরা এইসব আলোচন করছে সেই সময় গোপার মা এলেন। আলোচনাটা তাই অন্য দিকে মোড় নিল। চোখ বুজে শুয়ে থাকতে থাকতে গত রাতের ট্রেন জার্নির ক্লান্তিতে গভীর ঘুমে ঘুমিয়ে পড়ল পল্টন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }