Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমরকণ্টক রহস্য – ৮

    আট

    ওপরে উঠতেই বুকের ভেতরটা ধড়াস করে উঠল ওদের। সর্বনাশ, সাইকেলদুটো তো এখানেই ছিল। গেল কোথায়? ভাড়া করা পরের সাইকেল। কে নিল? দু’-দুটো সাইকেলের দাম নেহাত কম নয়। এখন গুণাগার দিতে হলেই তো ফর্সা। তা হলে?

    ওরা সাইকেলের দাগ ধরে এদিক সেদিক লক্ষ করতে করতে হঠাৎ এক জায়গায় এসে থমকে দাঁড়াল। চোখের সামনে ওটা কী ও? দেখেই ভয়ে চিৎকার করে দু’জন দু’জনকে জড়িয়ে ধরল প্রাণপণে। আর থর থর করে কাঁপতে লাগল। দু’জনেরই শিরদাঁড়া বেয়ে কনকনে একটা হিমস্রোত।

    একটা চিতাবাঘ কপিলধারার কাছে উঁচু একটা পাথরের ওপর দিব্যি আয়েশ করে শুয়ে আছে, আর ওদের দিকে তাকিয়ে চোখ পিট পিটিয়ে দেখছে। এই দৃশ্য দেখলে কার না হাত-পা ঠান্ডা হয়? যদিও বাঘটা খুব একটা বড়সড় নয়। অ্যালসেশিয়ান কুকুরের সাইজ। তবু বাঘ তো?

    কথায় বলে সাপের লেখা বাঘের দেখা। কিন্তু বরাত ভাল হলে যমেও পরে আসব বলে কেটে পড়ে। তা কয়েকটা মুহূর্ত মাত্র। বাঘটা হঠাৎ একটা লাফ মেরে জঙ্গলের গভীরে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    ওরা তখনও স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে আছে।

    খানিক বাদে দু’জনে একটু প্রকৃতিস্থ হবার চেষ্টা

    করল।

    চাঁদু বলল, যেন পুনর্জন্ম হল। বাঘের মুখ থেকে বাঁচা এ কখনও সম্ভব! কাউকে বললেও বিশ্বাস করবে না।

    গোলাপ বলল, না করুক। কিছু যায় আসে না তাতে। এখন আর এখানে থাকা নয়। এমনও তো হতে পারে বাঘটা এখান থেকে সরে গিয়ে অন্য কোনও জায়গায় ঘাপটি মেরে আছে?

    কিন্তু সাইকেল? সাইকেলদুটো কোথায় গেল?

    গোল্লায় যাক। দু’-দু’জন মানুষের জীবনের চেয়ে সাইকেলদুটোর দাম নিশ্চয়ই খুব একটা বেশি নয়। হেঁটেই যাব আমরা।

    অগত্যা ওরা বাধ্য হয়েই হাঁটা পথ ধরল। এছাড়া উপায়ই বা কী? ফিরে তো আসতে হবে। গভীর ঘন বনানীর মাঝখান দিয়ে সাপের পিঠের মতো অমরকণ্টকের পথ। পিচ ঢালা পরিষ্কার। নেহাত এ সময় ট্যুরিস্ট নেই তাই, না হলে টাঙ্গা আর অটোতে জমজম করত চারদিক। মোটরের মিছিল এসে যেত।

    ওরা সবে কয়েক পা এগিয়েছে এমন সময় জঙ্গলের ভেতর থেকে তিনজন যুবক এসে দাঁড়াল ওদের সামনে। তিনজনেই অপ্রকৃতিস্থ। আর কী ভয়ংকর চোখের চাউনি তাদের। দেখেই বুক শুকিয়ে গেল। ওরা তিনজনে এমনভাবে ওদের পথ রোধ করে দাঁড়াল যে আর এক পা-ও এগোতে পারল না ওরা।

    গোলাপের মুখ ভয়ে শুকিয়ে গেছে তখন।

    চাঁদু ভয় পেয়েও বীরত্ব দেখাতে ছাড়ল না। বলল, রাস্তা ছোড়ো।

    নেহি ছোডুঙ্গা তো?

    চাঁদু বলল, তো তুমহারা হাল হাম বেহাল কর দেগা। বলেই আচমকা একজনের একটা হাত ধরে এমন একটা হেঁচকা টান দিল যে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল সে।

    কিন্তু বাকি দু’জন ভয়ংকর ক্রোধে ঝাঁপিয়ে পড়ল ওর ওপর। তারপর একজন করল কী গোলাপকে তুলে নিয়েই ছুটে চলল বনের দিকে।

    গোলাপ চিৎকার করে উঠল। ওর কণ্ঠস্বর ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হতে লাগল চারদিকে। পাহাড় ও বনভূমি মুখর হয়ে উঠল।

    আর ঠিক সেই মুহূর্তেই অঘটন। প্রথমে একটা পাথর গড়িয়ে পড়ল ওপর থেকে। পরক্ষণেই সেই বাঘটা ঝাঁপিয়ে পড়ল আর একজনের ওপর। তারপর আলুভাতের মতো লোকটাকে মুখে নিয়ে পাথরের খাঁজে খাঁজে লাফিয়ে হারিয়ে গেল কোথায় যেন। যে লোকটা চাঁদুর হাতে ঝাড় খেয়ে পড়ে গিয়েছিল সে তখন কোনওরকমে উঠে দাঁড়িয়েই প্রাণপণে ছোটা শুরু করেছে।

    গোলাপের চিৎকার তখনও দূর থেকে শোনা যাচ্ছে, ছাড়। ছাড় বলছি। ছেড়ে দে আমাকে। আর মাঝে মধ্যে, বাঁচাও বাঁচাও বাঁচাও।

    চাঁদু তখন পলায়মান লোকটাকে ধাওয়া করছে। হঠাৎ হাতের কাছে একটা ভারী পাথর পেয়েই ছুড়ে মারল লোকটাকে। পাথরটা গিয়ে লোকটার মাথায় লাগল। এক ঘা-ই যথেষ্ট। ‘মর গয়ি’ বলে বসে পড়ল লোকটি। তারপর শুধুই চিৎকার।

    ততক্ষণে গোলাপও ছুটে এসেছে ওর দিকে। সে তখন থরথর করে কাঁপছে।

    চাঁদু বলল, তুমি ফিরে এসেছ গোলাপ? কীভাবে রক্ষা পেলে ওর কবল থেকে?

    কাঁপা কাঁপা গলায় গোলাপ বলল, ওই পাজির চোখদুটোকে আমি উবড়ে নিয়েছি এই নখ দিয়ে, দেখো।

    চাঁদু দেখল গোলাপের হাতের আঙুলগুলো রক্তে মাখামাখি। ওর পোশাকআশাক কাঁটায় বা শুকনো ডালপালার খোঁচায় ছিন্নভিন্ন। ভয়ংকর একটা বিপদের হাত থেকে বেঁচে ফিরে ও যেন কেমন হয়ে গেছে।

    চাঁদু বলল, ভগবান আমাদের দু’-দু’বার বাঁচালেন।

    গোলাপ বলল, বাঘ মানুষের শত্রু হয় আবার বন্ধুও। ওই লোকটাকে বাঘে না ধরলে তুমি কিছুতেই রক্ষা পেতে না।

    চাঁদু তোমার তুলনা নেই। তাই বলি আর কারও ভয়ে পালিয়ে না গিয়ে চলো এবার যে যার বাড়ির দিকে ফিরে যাই। বাঘ যেখানে বশ মানল আর নিয়তি যেখানে উদার সেখানে কার সাধ্য কেউ আমাদের কিছু করে?

    বলল, সে যা হত তা হত। আক্রমণটা তো প্রথমে আমিই করেছি।

    চাঁদু বলল, ঠিক বলেছ তুমি। বরং এখন থেকে আমরা সবসময় তৈরি থাকব আর প্রতিটি আক্রমণের মোকাবিলা করব।

    ওরা আবার পথ চলা শুরু করল।

    খানিক এসেই গোলাপের কী মনে হতে থমকে দাঁড়াল সে। বলল, আমরা এভাবে হেঁটে যাচ্ছি কেন?

    তবে কীভাবে যাব? বাঘের পিঠে চেপে?

    তা কেন? আমাদের সাইকেলে।

    সাইকেল! সাইকেল কোথায়?

    ওই লোকগুলোর কাছে। ওরাই চুরি করেছে আমাদের সাইকেল! ওদের মোচড় দিলেই সব বেরোবে।

    ঠিক বলেছ তুমি। এই কথাটা তো একবারও মনে হয়নি আমার। সাইকেল চুরি ওরা ছাড়া আর কেউ করতেই পারে না।

    অতএব আবার পিছু হটতে হল ওদের।

    যে লোকটার মাথায় পাথর ছুড়ে মেরেছিল সে তখনও মাথা ধরে পথের ওপর বসে আছে।

    চাঁদু ও গোলাপকে দেখেই গাঁক করে উঠল সে।

    গোলাপ বলল, এই তোমরা আমাদের সাইকেল কোথায় রেখেছ?

    লোকটি অতি কষ্টে বলল, হম নেহি জানতা।

    চাঁদু বলল, শোনো, তোমাদের এক বন্ধু বাঘের পেটে গেছে। এই মেয়েটি একজনের চোখ উবড়ে দিয়েছে। বাকি আছ তুমি। তোমার অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়। তা এবার বলবে কি সাইকেলদুটো কোথায়? না বললে কিন্তু অবস্থা আরও খারাপ করে দেব।

    ম্যায় কুছ ভি নেহি জানতা। তুমহারা সাইকিল হমলোক নেহি চুরায়া।

    তা হলে কি বলতে চাও যে সাইকেলদুটোকে ভূতে পেল আর ওরা অমনি গড়াতে গড়াতে চলে গেল?

    লোকটি চুপ করে রইল।

    আর চাঁদু করল কী, বড় সড় একটা পাথর এনে বলল, দেব এটা দিয়ে মাথার ওপর এক ঘা?

    লোকটি তখন বলল, নেহি। মাত মারো মুঝে

    তা হলে বলো আমাদের সাইকেল কোথায়?

    লোকটি কাঁপা কাঁপা হাতে দূরের দিকে দেখিয়ে বলল, উধার যাও। রামুকো পুছো।

    রামু! কে রামু?

    উ দেখো।

    ওরা তাকিয়ে দেখল কপিলধারার কাছে যে নিরীহ ছেলেটি বসেছিল বা যাকে ওরা জিজ্ঞেস করেছিল সিদ্ধিবাবার আশ্রম কোথায়, সেই ছেলেটি উঁচু একটা পাথরের ওপর বসে ওদের গতিবিধি লক্ষ করছে। ওরা সেদিকে লক্ষ করে কয়েক পা এগোতেই ছেলেটি ওদের লক্ষ করে পাথর ছুড়তে লাগল। বড় বড় পাথর। বৃষ্টির ফোঁটার মতো এসে পড়তে লাগল ওদের সামনে। ছেলেটি ছিল ওপরে, ওরা নীচে। ফলে পালটা আক্রমণ করা ওদের পক্ষে সম্ভব হল না। এমন সময় হঠাৎ একটা পাথর এসে চাঁদুর কপালে লাগল। লাগামাত্রই ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটতে লাগল সেখান থেকে। সে কী রক্ত! লালে লাল হয়ে গেল। কপালে হাত চেপে পথের একপাশে বসে পড়ল চাঁদু। পাথর আসার তবুও বিরাম নেই। গোলাপ চকিতে চাঁদুকে টেনে আনল একটা বড় পাথরের আড়ালে। চাঁদু তখন থরথর করে কাঁপছে। হঠাৎ ওর বমি পেল। গা-মাথা ঘুলিয়ে চারদিক দুলে উঠল যেন। তারপর ক্রমশই একটু একটু করে নেতিয়ে পড়তে লাগল। একসময় দু’চোখ বুজে অবশ হয়ে গেল ও।

    এই মুহূর্তে গোলাপ যে কী করবে কিছু ভেবে পেল না। এখানে চারদিকেই ওদের শত্রু। ওই শান্ত সুবোধ ছেলেটি ওদের শত্রু। যে লোকটি আহত হয়ে বসে আছে সে শত্রু। এছাড়াও আছে সেই নরখাদক বাঘটা। শুধু তাই নয়, ধারেকাছে কোথাও এমন একটু জলও নেই যে ওর মুখে এনে দেয়। আর এইভাবে তো এখানে বসে থাকা যায় না। অথচ লোকালয় এখান থেকে অনেক দূরে। তাই এই অবস্থায় ওর কী করা উচিত কিছুই ভেবে পেল না ও। তবু আশপাশের পরিস্থিতি দেখে ভাল-মন্দর দিকটা একটু বিবেচনা করে হঠাৎ সাহসে ভর করে চাঁদুর হাতদুটো ওর দু’ কাঁধের পাশ দিয়ে টেনে ধরে ওকে পিঠে নিয়েই পথ চলা শুরু করল। দুঃসাহসিক প্রচেষ্টা। খানিক আসার পরই ঘেমে উঠল সে। পথ অসম্ভব খাড়াই। তাই বুকে টান ধরতে লাগল, তবুও হাল ছাড়ল না সে। কষ্ট করেও এগিয়ে চলল।

    এইভাবে বেশ খানিকটা পথ যাবার পর একটা পাহাড়িয়া নদী দেখতে পেল সে। ঝরনার আকারে উপলখণ্ডের ওপর দিয়ে যেন নেচে নেচে বয়ে চলেছে। সেইখানে এনে মাটিতে ঘাসের ওপর চাঁদুকে শুইয়ে ওর চোখেমুখে জলের ঝাপটা দিল। তারপর রুমালটা ভিজিয়ে ক্ষতস্থান মুছিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিল।

    এইবার একটু একটু করে চোখ মেলল চাঁদু। বলল, আমি কোথায়?

    গোলাপ বলল, তুমি ঠিক জায়গাতেই আছ। তোমার কি খুব কষ্ট হচ্ছে চাঁদুদা ?

    মাথাটা কেমন ঝিমঝিম করছে।

    করবেই তো। অতবড় একটা পাথরের টুকরো এসে লেগেছে। ডিপ হয়ে কেটে গেছে কপালের পাশটা। অমরকণ্টকে ফিরেই তোমাকে ডাক্তার দেখাতে হবে। সেলাই করতে হবে মনে হচ্ছে।

    খুব ব্লিডিং হয়েছে না?

    হয়েছেই তো।

    সেইজন্যেই বোধহয় এত বমি ভাব আসছে।

    তা আসুক। এখন তুমি কি আমার হাত ধরে একটু একটু করে চলতে পারবে? চেষ্টা করব। কিন্তু এখানে আমি কী করে এলাম? এখানে তো ছিলাম না। আমি অনেক কষ্ট করে তোমাকে পিঠে করে বয়ে এনেছি এখানে। আর পারছি না। বড় ক্লান্ত আমি।

    তোমার ঋণ আমি কখনও শোধ করতে পারব না। এত কষ্ট করলে তুমি আমার জন্য?

    বন্ধুর জন্য নিজের জীবনও দিতে পারি আমি। কিন্তু এখন আমি হেরে গেছি। সত্যিই আর পারছি না। আসলে ঢালু পথে কোনও কষ্ট নেই। কিন্তু এত খাড়াই যে দম বেরিয়ে গেছে।

    গোলাপকে ভর করে কোনওরকমে উঠে দাঁড়াল চাঁদু। তারপর ধীর পায়ে একটু একটু করে এগিয়ে চলল। পা যেন চলছে না। গা-মাথা সব টলছে। মনে হচ্ছে যেন কোনও একটা ভারী অসুখ থেকে উঠেছে। তবু যেতে তো হবে।

    খানিকটা পথ এসেছে এমন সময় হঠাৎ দেখা হয়ে গেল একদল কাঠুরের সঙ্গে। এরা এখানকার পাহাড়ি। গভীর জঙ্গল থেকে অরণ্যের নিধন করে কাঠের বোঝা মাথায় নিয়ে ফিরছিল। ওদের দু’জনের ওইরকম অবস্থ। দেখেই ছুটে এল তারা, কা হুয়ারে মুন্নু?

    গোলাপ আধা হিন্দি আধা বাংলায় সব কথা খুলে বলল ওদের।

    সব শোনার পর দলের একজন বলল, থোড়া বইঠিয়ে। ও সাইকিল মিল যায়েগা তুমকো। লেকিন ইধার শের ক্যায়সে আ গিয়া?

    চাঁদু বলল, ক্যায়সে আ গিয়া তা জানি না ভাই। তবে এসেছে, একজনকে নিয়েও গেছে। আর সাইকেলের জন্য আমরা চিন্তা করি না। আমরা এখুনি গিয়ে থানায় খবর দিচ্ছি। সাইকেল আমরা পাবই।

    নেহি নেহি। পোলিশবালেকা পাস যানেকা জরুরত নেহি। সে কী! পুলিশে খবর দেব না?

    আর একজন বলল, তুম সব জেরা বইঠো না বাবা। ইতনা দূর পয়দাল কিউ যাবে? ও রামু ছোকরাকা দিমাগ ঠিক নেহি। কুছ গড়বড়ি হ্যায়। ওহি নে চুরায়া তুমহারা সাইকিল। হম আতে হেঁ। বলেই একজনকে সঙ্গে নিয়ে চলে গেল লোকটি। “

    ওরা বসে রইল। দেখাই যাক না, যদি পাওয়া যায় সাইকেলদুটো। হাজার হলেও পরের তো।

    ওরা বসে বসে পাহাড়িদের সঙ্গে নানারকম গল্প করতে লাগল। এই অমরকণ্টকের পথে চোর ডাকাতের গল্প। হিংস্র জন্তুজানোয়ারের গল্প, পাহাড়ের ধস নামার গল্প। ওরা বলল, অমরকণ্টকের পথ এখন সুগম হলেও ভৃগুকমণ্ডলের পথ নাকি এখনও দুর্গম। এখনও সেখানে দিনমানেও বাঘ-ভালুক বের হয়।

    এইভাবে কথা বলতে বলতেই মিনিট কুড়ি হয়ে গেলে সাইকেলদুটো নিয়ে পাহাড়ি দু’জন ফিরে এল। সেই সঙ্গে কান ধরে টেনে আনল সেই ছেলেটিকে, যে পাথর ছুড়ে চাঁদুর কপাল ফাটিয়েছিল। ওরা ছেলেটিকে টেনে এনেই চাঁদুকে দেখিয়ে বেশ কয়েক ঘা চড়চাপড় দিল। দিয়ে বলল, দেখাতনি, ক্যায়সা হাল বনা দিয়া তু নে?

    রামু ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইল ওদের দিকে। সে চাহনি এমনই যে ও স্বচক্ষে দেখেও যেন বিশ্বাস করতে পারছে না, এই কাজ ও করেছে। কিছুক্ষণ চেয়ে চেয়ে দেখল। তারপর কাঁদতে কাঁদতে চোখদুটোকে নামিয়ে নিল সে।

    গোলাপ ওর পা থেকে চটি খুলে মারতে যাচ্ছিল ওকে। চাঁদুই বারণ করল। ছেলেটার যখন সত্যি সত্যিই মাথার ঠিক নেই, তখন অযথা ওকে মারধোর করেই বা লাভ কী? স্বভাবের তো পরিবর্তন হবে না।

    কাঠুরেরা বলল, রামু ছেলেটা যে বদ্ধ উন্মাদ তা নয়। মগজ যখন ঠিক থাকে তখন খুব ভাল। কিন্তু যখন বেগড়ায় তখন কী যে না করে, তার ঠিক নেই। তখন ওকে ধরে রাখাই দায়।

    যাই হোক, ওরা সাইকেল পেয়ে কাঠুরেদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ফিরে চলল সার্কিট হাউসের দিকে।

    চাঁদু যে কীভাবে সাইকেলে চেপে যাচ্ছিল তা সে-ই জানে। কেবলই মনে হচ্ছিল সাইকেলসুদ্ধ গড়িয়ে অন্যদিকে চলে যাবে বুঝি।

    ওর অবস্থা দেখে গোলাপ বলল, তোমার কি খুব কষ্ট হচ্ছে চাঁদুদা?

    হ্যাঁ। মনে হচ্ছে পড়ে যাব। ঠিকমতো ব্যালান্স রাখতে পারছি না। গোলাপ সাইকেল থামিয়ে বলল, তা হলে নেমে পড়ো। তুমি বরং আমার সাইকেলে এসে বসো। আমি তোমাকে ডবল ক্যারি করি।

    সাইকেল থেকে নেমে চাঁদু বলল, তা হলে এই সাইকেলটার কী হবে? ওটাকে এখানেই কোথাও লুকিয়ে রাখো। পরে আমি কারও সঙ্গে এসে বরং নিয়ে যাব।

    তার চেয়ে আমি বলি কী, তোমাকে ডবল ক্যারিও করতে হবে না, কিছুই না। তুমি একটু জোরে সাইকেল চালিয়ে সোজা থানায় চলে যাও। তারপর সেখানে গিয়ে আমার অবস্থার কথা বিরজুর বাবাকে বলে কাউকে নিয়ে চলে এসো। বিরজু যদি থাকে তো ওকেও নিয়ে আসতে পার।

    সেটা কি ঠিক হবে।

    কেন ঠিক হবে না কেন?

    একে তোমার ওপর একটা অশুভ গ্রহর কোপ পড়েছে। তার ওপর এই নির্জনে একা একা থাকবে? একটু আগেই একজনকে বাঘে ধরেছে। মনে আছে তো?

    ভয় নেই। আমি সাবধানেই থাকব।

    থেকো তা হলে। আমি এখুনি আসছি।

    চাঁদু পথের ধারে এক জায়গায় সাইকেলটা রেখে একটি পাথরের ওপর বসে রইল। আর গোলাপ সাইকেল নিয়ে ঝড়ের বেগে হারিয়ে গেল সেই নির্জন পাহাড়ে পথের বাঁকে।

    সেই যে গেল গোলাপ আর তার ফিরে আসার নামটি নেই। চাঁদু বসে থেকে থেকে অধৈর্য হয়ে উঠল। এত সময় তো লাগার কথা নয়। তা হলে কি কাউকে পায়নি ও? না পেলে ও নিজেও তো ফিরে আসতে পারত।

    চাঁদু আর অপেক্ষা না করে উঠে দাঁড়াল এবার। দুশ্চিন্তা এবং উত্তেজনা ওকে এমনভাবে পেয়ে বসেছে যে এখন আর নিজেকে আগের মতো দুর্বল মনে হচ্ছে না। ও সাইকেল নিয়ে পথে নামল। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে চলল সার্কিট হাউসের দিকে।

    ও যখন শহরের কাছাকাছি এসে গেছে, তেমন সময় দেখল অন্য একটা সাইকেলে বিরজু দ্রুত আসছে ওর দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }