Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমরকণ্টক রহস্য – ৯

    নয়

    ওকে দেখেই সাইকেলের ব্রেক কষল বিরজু, হাল ক্যায়সা?

    চাঁদু বলল, দেখতেই তো পাচ্ছ ভাই। কিন্তু তুমি এত দেরি করলে কেন? ছিলে না বুঝি?

    এই তো খবর পেলাম।

    সে কী! গোলাপ এতক্ষণ কী করছিল?

    আর বলো কেন? একটা স্টোন চিপ গেঁথে গিয়ে ওর সাইকেলের সামনের চাকার টায়ারটা ফেটে যায়। প্রায় দু’ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটেই গেছে বেচারি। আর আমি এদিকে হানটান করছি।

    বিরজু একটা চায়ের দোকানের সামনে এসে সাইকেল থামিয়ে বলল, চা পিয়োগে?

    এখন নয়।

    আরে পিয়ো পিয়ো।

    দোকানদারকে দু’ কাপ চা করতে বলে বিরজু হঠাৎ একটা প্রশ্ন করল, আচ্ছা দোস্ত, সাচ মুচ একটা কথা বলবে?

    কী কথা বলো?

    ওই যে লেড়কি তোমার সঙ্গে রয়েছে ওর সাথে তোমার কী সম্পর্ক আছে? চাঁদু হেসে বলল, হঠাং এরকম প্রশ্ন করলে যে?

    বুরা না মানো ভাই। কী সুন্দর ফেস কাটিং ওর। কী চমৎকার দেখতে। তাতে কী হয়েছে?

    ও তোমার আপনা বহিন ভি না আছে।

    দোকানদার চা দিলে, চা খেতে খেতে খেতে চাঁদু বলল, বিরজু ভাই, তোমার যদি কোনও বহিন থাকত আর সে যদি কোনওকারণে এইভাবে আমার সঙ্গে জুটে যেত, তবে কি তুমি কোনও সম্পর্ক যাচাই করতে? ও আমার বহিন কা মাফিক।

    লেকিন তোমার নামে তো একটু পুলিশ কেস হয়ে আছে

    । আমার নামে! কীরকম?

    তোমার নামে রিপোর্ট আছে তুমি বিলাসপুর থেকে ওই লেড়কিকে নিয়ে পালিয়ে এসেছ।

    মিথ্যে কথা। ও নিজেই এসেছে এবং স্বেচ্ছায় এসেছে।

    হ্যাঁ, লেকিন যাদের মেয়ে তারা তো সন্দেহ করছে

    তোমাকে।

    বয়ে গেল। ওতে আমি ভয় পাই না। তার কারণ আমি নির্দোষ। তোমার বাবাকে এবং ইনস্পেক্টরকে কাল রাতে সব কথা খুলে বলেছি আমি। আমাদের দু’জনেরই বাড়ির ফোন নম্বর দিয়েছি। কাজেই পালিয়ে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। এর পরেও ওরা যদি গায়ের জ্বালায় কিছু বলে তো বলুক। গোলাপ নিশ্চয়ই সে কথা বলবে না।

    ও সে কথা বলছেও না। তবে সম্ভবত ওকে বিলাসপুরেই পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    বেশ তো। ও যদি যেতে চায় যাক না।

    চায়ের দোকান থেকে বেরিয়ে ওরা সোজা থানায় এল। এসেই দেখল সুজয়ের বাবা গম্ভীর মেজাজ়ে বসে আছেন। বিরজুর বাবাও আছে। আর রাগি গোলাপ স্থির হয়ে বসে আছে একপাশে। ইনস্পেক্টর নেই। পরিবেশটা কেমন থমথমে।

    চাঁদুকে দেখেই বোমার মতো ফেটে পড়লেন সুজয়ের বাবা। বিরজুর বাবাকে বললেন, ইমিডিয়েটলি এই ছোকরাকে লকআপে ঢোকাও। জেলের ঘানি না-টানিয়ে আমি ছাড়ব না একে। এইটুকু বয়সে একটা ক্রিমিনাল তৈরি হয়ে গেছে।

    চাঁদু বলল, এসব কী বলছেন আপনি?

    চোপ। বদমাশ কোথাকার।

    আপনি অযথা উত্তেজিত হচ্ছেন।

    অযথা উত্তেজিত হচ্ছি? কেন তুমি চোরের মতো আমার বাড়ি থেকে পালিয়ে এলে?

    চোরের মতো পালিয়ে আসব কেন? আমি প্রকাশ্যে দিবালোকে সকলকে সব কথা জানিয়েই চলে এসেছি। না-আসা ছাড়া আমার কোনও উপায়ও ছিল না। আসবার আগে আমার সঙ্গে একবার দেখা করে আসা উচিত ছিল না? ছিল। কিন্তু সময় ছিল না।

    তুমি এই মেয়েটাকে তোমার সঙ্গে নিয়ে এলে কেন?

    ওর আসার ব্যাপারটা আপনি বাড়িতে ভাল করে শুনেছেন?

    শুনেছি। কিন্তু তোমার সঙ্গে যে এসেছে এই খবরটা তখন পাইনি। যখন পেলাম, তখন মনে হল এটা একটা সাজানো নাটক। তোমার বিপদটা কোথায় আমি জানি। কিন্তু তাই বলে পরের মেয়েকে ভুলিয়ে নিয়ে আসা শিক্ষিত ভদ্রছেলের কাজ নয়। তুমি চলে আসার সঙ্গে সঙ্গেই মেয়েটা যেভাবে বাড়ি থেকে চলে এল এবং তোমার সঙ্গেই এল তাই তে বুঝতে বাকি থাকে না তোমার চাতুরিটা কোথায়।

    আপনি আমাকে ভুল বুঝছেন। আপনাকে আমি একটু মাথা ঠান্ডা করে ব্যাপারটা বুঝে দেখবার অনুরোধ করছি। বিষয়টাকে আপনি এইভাবে নেবেন না প্লিজ। শোনো চাঁদু, ও যদি আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে সোজা ওর বাবার কাছে ধানবাদে চলে যেত, তা হলে কিন্তু আমার বলবার কিছু ছিল না। কিন্তু যেই শুনলাম স্টেশনে এসে দু’জনে একসঙ্গে হয়েছ এবং পেনড্রা রোডের টিকিট কেটেছ, তখনই মাথাটা গরম হয়ে উঠল আমার। তাই তোমাকে আমি ছাড়ব না। মেয়ে চুরির কেসে জেলের ঘানি টানাব।

    লজ্জায়, অপমানে আর শারীরিক অবসন্নতায় চাঁদু তখন থরথর করে কাঁপছে। গোলাপ এতক্ষণ পরে মুখ খুলল, চাঁদুদা! তুমি একদম উত্তেজিত হয়ো না। একটু বসো। অফিসারকে আসতে দাও। তারপর এই সমস্ত নির্বোধ লোকের কথার জবাব কী করে দিতে হয় আমি জানি।

    চাঁদু কোনও কথা না বলে একটা চেয়ারে বসে কপালটা ধরে টেবিলের ওপর ঝুঁকে পড়ল। রক্তে ওর রুমালটাও তখন ভিজে গেছে। ছুঁয়ে ছুঁয়ে সমানে রক্ত পড়ছে তখনও।

    সুজয়ের বাবা বললেন, তুই আমাকে নির্বোধ বললি? গুরুজনের সঙ্গে এইভাবে কথা বলতে কে শেখাল তোকে? এই ছেলেটা?

    ও কেন শেখাবে? আপনাদের ব্যবহারই আমার চোখ ফুটিয়ে দিয়েছে! আপনার নিজের যদি মেয়ে থাকত। আর সেও যদি এইভাবেই তার দাদার বন্ধুর কোনও বিপদে এগিয়ে আসত তা হলে তাকেও কি সন্দেহ করতেন আপনি? আজকের দিনে একটি ছেলেমেয়ের মেলামেশাকে আপনারা সহজভাবে মেনে নিতে শেখেননি?

    আমার নিজের মেয়ে হলে কোনও কিছুই আমি ভাবতাম না। কিন্তু তুই যে এইভাবে চলে এলি, তোর বাবাকে আমি কী কৈফিয়ত দেব বল?

    গোলাপ ফোঁস করে উঠল, কৈফিয়ত আপনি কী দেবেন? যা বলবার আমিই আমার বাবাকে বলব। আপনার অনুপস্থিতিতে কাল এমন কিছু ও বাড়িতে ঘটে গেছে যাতে বাড়ি ছাড়তে আমি বাধ্য হয়েছি।

    তোর বাবার সঙ্গে ফোনে আমার কথা হয়েছে। তুই এখুনি আমার সঙ্গে যাবি। তোর বাবা এসে আমার ওখান থেকে তোকে নিয়ে যাবে।

    আমার বাবার সঙ্গে আপনার যা কথা হয়েছে তা এক তরফা। আমি নিজে বাবার সঙ্গে কথা না বলে কোনও সিদ্ধান্তই নেব না। তবে এ-ও জানবেন, বাবা-মা দু’জনে বললেও ওই বাড়িতে আর কখনও যাব না আমি।

    বেশ, না যাবি। কিন্তু ওই খুনে ছেলেটার সঙ্গেও থাকতে পাবি না তুই। দরকার হলে আমি পুলিশ হেফাজতে থাকব।

    চাঁদু এবার উত্তেজিত হয়ে বলল, না জেনেশুনে আপনি কিন্তু যা ইচ্ছে তাই বলে যাচ্ছেন। আমি খুনি নই। বরং আমাকে খুন করবার জন্য কিছু দুষ্কৃতী ওত পেতে আছে। এই দেখুন, আমারই কপাল দিয়ে খুন ঝরছে। যদিও এটাকে আমি দৈব-দুর্ঘটনা বলে মনে করছি। তবু এর পিছনেও কোনও চক্রান্ত থাকতে পারে! আমি হয়তো তারই বলি।

    সুজয়ের বাবা বললেন, তুমি বলছ, তুমি খুনি নও। কিন্তু কলকাতার কাগজ বলছে, রেডিয়ো, টিভি বলছে। আমরা কার কথা বিশ্বাস করব! তোমার, না সরকারি রেফারেন্সের?

    জোঁকের মুখে নুন পড়ার মতো চুপসে গেল চাঁদু।

    গোলাপও এবার কীরকম যেন ভয়ে ভয়ে চাঁদুর দিকে তাকাল। ভাবটা এই ফুলের মতো সুন্দর এই সুকুমারমতি ছেলেটা সত্যিই কি খুনি? আজকাল তো এরকম কত হয়। কিন্তু ওর যা ব্যবহার, ওর মধ্যে যে সরলতা আছে, তা দেখে তো, ওকে সেরকম বলে মনে হয় না। হয়তো বড়লোকের ছেলে, রাগের মাথায় বা ঘটনাক্রমে খুন একটা করেইছে। তাই ওর বাবাও চাইছে ছেলেটিকে চোখের আড়ালে পাঠিয়ে অবস্থার সামাল দিতে। না হলে ওর পিছনেই বা লোক লাগবে কেন? কিন্তু ওর মুখের দিকে তাকালে তো বারেকের তরেও মনে হয় না ও কখনও ওই ধরনের অপরাধ করে থাকতে পারে বলে।

    এমন একটা সময় পুলিশের জিপ এসে থামল বাইরে থানার সামনে। ইনস্পেক্টর এবং আরও দু’জন অফিসার ঘরে ঢুকলেন।

    বিরজুর বাবা এবং অন্যান্য কনস্টেবলরা উঠে দাঁড়িয়ে স্যালুট জানাল। চাঁদুকে দেখেই শিউরে উঠলেন ইনস্পেক্টর, এ ক্যা!

    চাঁদু সব কথা খুলে বলল ইনস্পেক্টরকে। তো তুম ডক্টরকো পাস কিউ নেহি গিয়া? চাঁদু বলল, আমরা তো এইমাত্র আসছি।

    ইনস্পেক্টর বিরজুর বাবাকে বললেন, তুম বহৎ বুঢ়া হো গিয়া বাবা। নোকরি ছোড় দো। ইতনা উমর হো গিয়া লেকিন আভি তক ইয়ে খেয়াল নেহি হুয়া যো ডক্টরকো বোলনা চাহিয়ে?

    মেরা বাত তো শুনিয়ে।

    হম কুছ নেহি শুননা চাতে।বলেই রিসিভার তুলে ডায়াল ঘুরিয়ে বললেন, হ্যালো! ডক্টর লোহিয়া! ম্যায় পুলিশ ইনস্পেক্টর বোল রহা হুঁ। জলদি আইয়ে আপ। এক লেড়কাকো শির মে বহুতই চোট লাগা। খুন নিকলতা। থোড়া ফার্স্ট এড দেনে পড়েগা।

    ফোন করে রিসিভার নামিয়ে রেখে ইনস্পেক্টর সুজয়ের বাবাকে বললেন, বঙ্গালিবাবু! আপনি কিন্তু কাল একটু ফলস স্টেটমেন্ট দিয়েছেন পুলিশকে। একটা ভাল ছেলের নামে আপনি কিডন্যাপিং কেস চাপিয়ে দিয়েছেন?

    তার মানে? আমার স্টেটমেন্ট ফলস? তা হলে এই যে মেয়েটে এখানে বসে আছে এটাও কি মিথ্যে?

    বসে আছে তো কী হল? কাল রাত্রে আমি এদের মুখে সবকিছু শুনেই বিলাসপুর পুলিশকে জানাই। বিলাসপুর পুলিশ আমাকে জানায় কাল নাকি ওই ছেলেটার নামে থানায় একটা রিপোর্টও করেছেন আপনি। যেটা ঠিক নয়। করবই তো?

    আচ্ছা মশাই বলুন তো, পুলিশে রিপোর্ট তো আপনি করলেন। কিন্তু আপনার বাড়িতে থাকা এই দুটি ছেলেমেয়েকে আপনি প্রোটেকশন দিতে পারলেন না কেন? এদের বাবা-মা তো আপনার বাড়িতে নির্ভাবনায় রেখেছিল এদের। এখন যদি এদের কিছু হয়ে যেত তা হলে তাদের কী কৈফিয়ত দিতেন আপনি? ওই পুলিশের খাতায় লেখানো ডায়েরি দেখিয়েই কি আপনি পার পেতেন?

    ছেলেটি বা মেয়েটির চলে আসার ব্যাপারে আমি কিন্তু কিছুই জানতাম না। ছেলেটির অবশ্য লাইফ ডেঞ্জার হয়ে উঠেছিল—

    সে কথা পুলিশকে জানিয়েছিলেন?

    না। কারণ আমি কোনও কিছুই জানতাম না। বাড়ি গিয়েই সব শুনলাম। আর এও শুনলাম মেয়েটিও বাড়ি থেকে রাগারাগি করে চলে গেছে।

    চলে গেছে না তাড়িয়ে দিয়েছিল আপনার বাড়ির লোকেরা?

    তাড়িয়ে দেবে কেন? আসলে মেয়েটা অসম্ভব জেদি। ও একবার যাব বললে, ওকে কেউ আটকাতে পারে না।

    তাই? তবু আপনার পরিবারের কারও তো সঙ্গে আসা উচিত ছিল!

    আমি বাড়িতে থাকলে সে ব্যবস্থা নিশ্চয়ই হত। কিন্তু না-থাকাতেই যত গোলমাল। ও-ও চলে এল। ওরাও যেতে দিল।

    তা হলে বলছেন মেয়েটিকে আপনারা তাড়িয়ে দেননি, ও স্বেচ্ছায় চলে এসেছে?

    হ্যাঁ। নিজের থেকেই চলে এসেছে।

    আপনি কীরকম ভদ্দরলোক মশাই? আপনার জবানের কোনও দামই নেই দেখছি। আপনি অমরকণ্টক-পুলিশকে বলছেন, মেয়েটি নিজের ইচ্ছেয় চলে এসেছে। আর বিলাসপুর-পুলিশকে বলেছেন মেয়েটিকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। আপনাকে তো অ্যারেস্ট করা উচিত।

    সুজয়ের বাবা মাথা হেঁট করে বসে রইলেন।

    ইনস্পেক্টর চাঁদুকে বললেন, তোমার স্টেটমেন্ট কাল আমি বিলাসপুর-পুলিশকে জানিয়েছিলাম। সেইমতো কাল রাত্রে চিরুনি অভিযান চালিয়ে গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেসে যারা এসেছিল তাদের অ্যারেস্ট করা হয়েছে।

    চাঁদুর বুকটা যেন হালকা হয়ে গেল। বলল, তা হলে আর আমার কোনও ভয় নেই, কী বলুন?

    মনে তো হয় তাই। লেকিন উয়ো তিসরা আদমি কৌন আছে?

    কার কথা বলছেন আপনি?

    ওই বিলাসপুরবালে। যে তোমাকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছিল।

    তা তো জানি না।

    কথা বলতে বলতেই ডাক্তারবাবু এসে গেলেন। এই অঞ্চলের নামকরা ডাক্তার। আগে মিলিটারিতে ছিলেন। এখন এখানে আছেন। ডাক্তারবাবু চাঁদুকে বেশ ভাল করে পরীক্ষা করে ওর ক্ষতস্থান দেখে বললেন, স্টিচ করনা পড়েগা। ইধার নেহি হোগা, অনুপপুর হসপিটালমে ভেজ দিজিয়ে।

    চাঁদু তো লাফিয়ে উঠল, ওরে বাবা! হাসপাতালে যাব না আমি। তাতে যা হয় হবে।

    যা না হি পড়েগা। হামারা পাস ইন্সট্রুমেন্ট নেহি। আউর তুমকো নার্সিং, ড্রেসিং করেগা কৌন? দু’-চার রোজ-কে লিয়ে রেস্টেরও জরুরত আছে তোমার।

    চাঁদুর চোখদুটো ছল ছলিয়ে উঠল।

    থানা থেকেই ডাক্তারবাবু ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স আনালেন, আর তাতে করেই ওরা ওকে নিয়ে গেল অনুপপুর হাসপাতালে।

    গোলাপও যাচ্ছিল সঙ্গে। কিন্তু ইনস্পেক্টর যেতে দিলেন না, বললেন, তুম কাঁহা যাওগী? বৈঠো।

    গোলাপ বসে রইল চুপ করে।

    এরপর সঙ্গে আসা পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে অনেকক্ষণ ধরে কী সব আলোচনা করে ইনস্পেক্টর গোলাপকে বললেন, তুম এক কাম করো। বিলাসপুর চলা যাও।

    বিলাসপুর! কেন? সেখানে কী আছে? গেলে আমি আমার বাড়িই চলে যাব। আপনি কি আমার বাবাকে কোনও খবর দিতে পেরেছেন? না। সময় করে উঠতে পারিনি।

    সুজয়ের বাবা বললেন, আমি খবর দিয়েছি। তোমার বাবা শিগগির আসছেন। তুমি আমার সঙ্গে চলো।

    না। আমি আর ও বাড়িতে ফিরে যাব না।

    ইনস্পেক্টর বললেন, তব তুম ক্যা করোগে?

    আমি এইখানেই থাকব। বাবা বিলাসপুরে এলে, বাবাকে পাঠিয়ে দেবেন। বাবার সঙ্গেই যাব আমি।

    লেকিন এখানে তুমি থাকবে কোথায়?

    কেন যেখানে আছি। সার্কিট হাউসে।

    ও নেহি হো সকতা। অকেলে তুম মাত ঠারো।

    আমার কিছু হবে না ইনস্পেক্টর। দু’-চারটে দিন বইতো নয়। আমি ঠিক থাকতে পারব। ততক্ষণে চাঁদুদাও সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে। ওকেও সঙ্গে করে নিয়ে যাব। আর সার্কিট হাউসে থাকার যা খরচ, তা আমার বাবাই দিয়ে দেবেন। সুজয়ের বাবা এবার অন্য সুরে কথা বললেন, কেন এরকম করছিস গোলাপ?

    যদি কিছু দোষত্রুটি হয়ে থাকে আমাদের তা হলে সেটা তুই ক্ষমা করে নে। আমি তো একবার বলেছি ওখানে আমি যাব না।

    আর কখনও যেতে হবে না তোকে, কিন্তু এইবারের মতো চল।

    ইনস্পেক্টর বললেন, বুরা মাত বনে৷। যানা হি আচ্ছা হোগা তুমহারে লিয়ে। গোলাপ মাথা হেঁট করে বসে রইল।

    সুজয়ের বাবা বললেন, আমি কিন্তু আর অনুরোধ করব না। এবারে জোর করব। তোমার মালপত্তর কী আছে নিয়ে এসো। যাও। একদম দেরি কোরো না। আমি ট্যাক্সির ব্যবস্থা করছি।

    দু’ ফোঁটা চোখের জল ফেলে উঠে গেল গোলাপ। সুরে বাঁধা বীণার তারটা হঠাৎই কীরকম যেন ছিঁড়ে গেল। চাঁদুদা এখন কী করছে কে জানে? এই দূর দেশে ছেলেটা এখন কতই না অসহায়।

    কিন্তু সেই যে গেল গোলাপ, ঘণ্টা পার হলেও আর এল না। সুজয়ের বাবা ইনস্পেক্টরকে সঙ্গে নিয়ে সার্কিট হাউসে গিয়েই শুনলেন মেয়েটি অনেক আগেই এখানকার হিসাবনিকাশ চুকিয়ে দিয়ে চলে গেছে।

    সমস্যার পর সমস্যা।

    গোলাপ কি সত্যিই পালাল? নাকি তরতাজা ফুলের মতো মেয়ে দেখে হাপিস করে দিল কেউ?

    ইনস্পেক্টর সঙ্গে সঙ্গে থানায় এসে ফোনে ফোনে খবর পাঠালেন চারদিকে। আর এই সময়ই বিলাসপুর থেকে এক নিদারুণ তারবার্তায় জানা গেল কাল রাতে ধৃত দু’জন আসামিই এক রহস্যময় উপায়ে লকআপ থেকে পালিয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }