Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমরকণ্টক রহস্য – ১০

    দশ

    অনুপপুর জায়গাটা মন্দ নয়। অমরকণ্টকের যাত্রীরা অনেকে এখান দিয়েও আসেন। যেমন জব্বলপুরের দিক থেকে যারা আসছেন তাঁরা খামোকা পেনড্রা রোডে নামতে যাবেন কেন? তাই এখান থেকেও নিয়মিত বাস চলাচল করছে। শুধু অমরকণ্টক নয়। মনেন্দ্রগড়, চিরিমিরি আরও অনেক জায়গার বাস পাওয়া যায় এখান থেকে।

    সকালের সোনার রোদ্দুরে চারদিক যখন ভরে উঠেছে, তখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কত কী ভাবছিল চাঁদু। গোলাপকে কাল ওরা আসতে দেয়নি। আজ নিশ্চয়ই দেবে। সার্কিট হাউসের ওই নিরালা পরিবেশে একা একা কী করছে সে কে জানে? কাল ওর মাথায় স্টিচ করে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছে। আজ আর কাল দু’দিন থাকলেই ওর ছুটি। অবশ্য ছুটি পেলে আজকেই ও চলে যেতে পারে। কিন্তু তা দেবে না ওরা।

    লছমি নামের একজন ছত্তিশগড়িয়া মেয়ে ওর দেখাশোনা করছে। মেয়েটি বড় ভাল। ও বলেছে ওর এই বিপদের খবর পেয়ে ওর বাবা যখন ওকে নিতে আসবেন, তখন বেশ মোটা রকমের বকশিশ দেবে ওকে। বকশিশের লোভেই হোক বা যে কোনও কারণেই হোক লছমি কিন্তু খুব খুশি ওর ওপর।

    চাঁদু অনেকক্ষণ বিছানায় শুয়ে নানারকম ভাবনা চিন্তা করল। প্রাণহানির আশঙ্কাটা ওর মন থেকে একেবারেই দূর হয়ে গেছে। তাই নির্ভয়ে এক সময় উঠে দাঁড়িয়ে ঘরময় পায়চারি করে অন্যান্য রোগীদের দেখে দরজার কাছে এল। এমন সময় দূর থেকে যাকে আসতে দেখল, তাকে দেখেই, আনন্দে ভরে উঠল ওর মন। ও দেখল স্বয়ং সিদ্ধিবাবা জোর কদমে হেঁটে আসছেন ওর দিকে।

    উনি কাছাকাছি আসতেই চাঁদু এগিয়ে গিয়ে প্রণাম করল সিদ্ধিবাবাকে। সিদ্ধিবাবা বললেন, কেমন আছিস বেটা?

    আমি ভাল আছি বাবা। এখনও আমি চলে যেতে পারি। কিন্তু এরা বলছে আরও দু’দিন আমাকে এখানে থাকতে।

    বেশ তো। ঠারো। আয়েশ করো।

    আপনি কী করে খবর পেলেন আমি এখানে আছি?

    কাল বিকেলে নর্মদা মায়ের মন্দিরে গিয়ে আমি সব শুনলাম। থানায় গেলাম। আমি কাল তোমার বাড়িতে ফোন করে সবকিছু জানিয়েছি। কিন্তু তোমার সঙ্গে ওই যে লেড়কি ছিল, ও তো নো পাত্তা হয়ে গেছে। সে কী!

    পুলিশ অনেক চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনওরকম সন্ধান করতে পারছে না। আর তোমরা যে দু’জনকে কপিলধারার কাছে ঘায়েল করেছ, ওদেরও পুলিশ ধরে এনে খুব পেটাচ্ছে। একজনকে বিলাসপুরে পাঠানো হয়েছে। ওর তো দোনো আঁখো বরবাদ হয়ে গেছে।

    কিন্তু ওই মেয়েটা গেল কোথায় বাবা?

    ভগবান জানে। বাসে, ট্রেনে, হোটেলে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না মেয়েটাকে। কেউ ওকে কিডন্যাপ করেনি তো?

    হো ভি সকতা।

    চাঁদুর মনে হল ওর পায়ের নীচে মার্টিটাও যেন দুলছে। মেঘের পরে মেঘ যেন সরতে আর চায় না। কী বিভ্রাট!

    চাঁদু বলল, বাবাজি, আমি কিন্তু এখন বেশ সুস্থ। আপনি একটু বলে কয়ে আমার ছুটির ব্যবস্থা করে দিন। এখানে আমি আর এক মুহূর্ত থাকতে পারব না। গোলাপকে যেভাবেই হোক খুঁজে বার করতেই হবে। এই অমরকণ্টকে এমন কোনও রহস্য আছে যা আমাদের কাঁটার মতো বিধছে। যেমন দুধধারার ওই পাগলা রামু। ওই ভয়ংকর লোকদুটো। গোলাপের অন্তর্ধান। সবই তো দেখছি একই সুতোয় বাঁধা। অমরকণ্টক আমাদের নিয়তি। না হলে এত জায়গা থাকতে মরতে আমরা এখানেই বা আসব কেন।

    রহস্য আরও আছে। তোমার আততায়ীরাও খুব রহস্যময়ভাবে লকআপ থেকে উধাও হয়েছে।

    কী করে?

    যে করে রহস্যের পর রহস্য তার জালকে বিস্তার করে চলেছে, সেইভাবে। বিলাসপুরের ওই অচেনা লোকটিও তো আর এক রহস্য।

    সিদ্ধিবাবা ঘাড় নাড়লেন। তারপর বললেন, তুমি বেশি বাইরে ঘোরাফেরা কোরো না। হাসপাতালের বেড়েই শুয়ে বসে থাক। আমি পুলিশকে বলছি তোমার দিকে একটু নজর রাখতে। ওই পলাতক লোক দু’জন এখানেও তো আসতে পারে। ওরা এসে গেলে তোমার জিন্দগি বরবাদ করে দেবে।

    চাঁদু কঠিন গলায় বলল, ওরা আসুক। আর আমি কাউকে ভয় খাই না। আর আমি পালিয়ে বেড়াব না। এবার লড়ে মরব আমি। বাবাজি, আপনি একটু এইখানকার বনে পাহাড়ে গোলাপকে খুঁজে দেখুন। আমার মনে হয় ও এখানেই কোথাও আছে। কেন না পুলিশ যদি সত্যিই ওর খোঁজে লোক লাগিয়ে থাকে তা হলে এতক্ষণে ধরা ও পড়তই। ওকে কেউ গুম করে এখানেই কোথাও লুকিয়ে রেখেছে। তাই ওর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওর কাছে টাকা-পয়সা আছে, মালপত্তর আছে। সেইসব নিয়েও ও তো হেঁটে যাবে না। বাস অথবা ট্রেনে ওকে উঠতেই হবে। উঠলেই ধরা পড়ত।

    আমারও তাই মনে হয়। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই আমি কয়েকজনকে কাজে লাগিয়েছি। সমস্ত পাহাড়িদের খবর দিয়েছি। ও যদি সকলের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েও গিয়ে থাকে, তা হলেও কোথাও না কোথাও আশ্রয় নিতে গেলেই ধরা পড়বে। ওর চিন্তা তুমি একদম কোরো না।

    সিদ্ধিবাবা চলে গেলেন।

    সিদ্ধিবাবা চলে যেতেই লছমি কাছে এসে বলল, তোমার কী হয়েছে ভাইয়া? কী বলছিলে তুমি সাধুজিকে?

    চাঁদু বলল, ও তুই বুঝবি নারে।

    সমঝানে সে ভি নেহি সমঝেগা?

    কিন্তু বুঝেই বা তুই করবি কী?

    তবু বোলো না ভাইয়া।

    চাঁদু তখন ওর দুঃখের কথা এক এক করে সব বলল।

    সব শুনে শিউরে উঠল লছমি। বলল, ইয়ে বাত? তো মালুম হোতা হ্যায় তুমহারা গুলাবকো ও শয়তান রকি নে উঠাকে লে গয়া।

    রকি! রকি আবার কে?

    রামরূপ সিং কি লেড়কা। বহৎই বদমাশ। ও জরুর বুলানারা মে হোগা। চাঁদু বলল, বুলানারা! সেটা কোথায়?

    বহৎ দূর। অমরকণ্টক সে কমসে কম দশ মিল হোগা। হিয়াসে ভি জায়দা দূর। হুঁয়া চারো তরফ পাহাড়ো পাহাড়।

    চাঁদু লছমির হাতদুটো ধরে বলল, তুই আমাকে সেখানে নিয়ে যাবি লছমি? তুই এইখানকার মেয়ে। রাস্তাঘাট চিনিস। তুই ছাড়া আমাকে কেউ নিয়ে যেতে পারবে না। গোলাপকে উদ্ধার করতে পারলে তুইও লাভবান হবি। ওর বাবার অনেক টাকা। তা ছাড়া একমাত্র মেয়ে। ওর বাবা খুশি হয়ে অনেক টাকা দেবেন তোকে।

    লছমি বলল, ভাইয়া, তুম হামকো রুপিয়া কি লালস মাত দিখাও। আমি গরিব ঘর কি লেড়কি। পেটকে লিয়ে এখানে আয়ার কাম করতে এসেছি। তুমহারে লিয়ে ইয়ে কাম হম জরুর করেঙ্গী।

    তা হলে তুই আমাকে এখুনি নিয়ে চলো সেখানে।

    হুঁয়া যানে সে ফায়দা ক্যা হোগা?

    ওই শয়তান রকির খপ্পর থেকে গোলাপকে মুক্ত করব।

    ও রকি বহতই খতরনক। ও সব লেড়কি কো লে যাতা। মার ডালতা। কলকাত্তা বোম্বাই ভেজ দেতা।

    সে কী !

    হ্যাঁ। অ্যায়শা হি করতা ও লোগ। উধার কোঈ আদমি যানে সে বহৎ মারতা। তা হলে?

    চলো, আমরা বরং পুলিশে খবর দিই। ও লোগ জরুর পাকড়েঙ্গে।

    চাঁদু বলল, খবরদার নয়। পুলিশে খবর দিলে পুলিশ হইচই পাকিয়ে সব ভেস্তে দেবে। আর পুলিশের মধ্যে যদি ওদের কোনও স্পাই থাকে তা হলে ওরাও ওদের সাবধান করে দেবে। আমরা লুকিয়ে ওখানে যাব। এমনভাবে যাব যাতে সবাই ভাববে বুঝি জঙ্গলে কাঠ কুড়োতে যাচ্ছি। মাথায় কাঠের বোঝা থাকবে। ময়লা জামাপ্যান্ট পরে থাকব।

    লেকিন তোমার এমন সুন্দর চেহারা লুকোবে কী করে?

    ও ঠিক পালটি হয়ে যাবে। ওর জন্যে ভাবিস না।

    তোমার তবিয়ত ঠিক আছে তো ভাইয়া?

    খুব ভাল আছে। বল খেলতে গিয়ে এইরকম মাথা অনেকের অনেকবার ফেটেছে। কিন্তু তুই আর দেরি করিস না। এখুনি চল। থোড়া দের হোগা।

    চাঁদু রেগে মেগে বলল, তা হলে আমি একাই যাব।

    লছমি হাসল, তুম! বুলানারা যাওগে? অউর অকেলে? ও বহতই নটখটিয়া রাস্তা ভাইয়া। বলে যা বলল তার অর্থ হল, আর এক ঘণ্টা বাদেই ওর ডিউটি খতম হয়ে যাবে। তখন গেলে ওর নোকরি যাবার ভয় থাকবে না। চাঁদু তো একেবারেই যাবে। কিন্তু ওকে যে আবার ফিরে আসতে হবে, তাই।

    অগত্যা এক ঘণ্টা বাদেই যেতে রাজি হল চাঁদু। লছমিকে বলল, যাবার সময় তুই আমার মাথা ঢাকবার জন্যে একটা টুপি, আর বিপদের হাত থেকে বাঁচবার জন্য একটা ছুরি আনিস। তুই-ও ছুরি রাখিস সঙ্গে। বলা যায় না কখন কী হয়।

    লছমি ওকে বেড়ে যেতে বলে নিজের কাজে মন দিল।

    একটু পরেই ডাক্তার এসে রোগীদের পরীক্ষা করলেন। চাঁদুকেও একবার দেখে একটা ইঞ্জেকশান দিয়ে চলে গেলেন।

    দেখতে দেখতেই ঘণ্টা কাবার হয়ে গেল।

    লছমির পর বুধবারি নামে একজন এল। সে এলে ডিউটি খতম হল লছমির। ও তখন চাঁদুকে ইশারা করে নিজের মনে গুণগুণিয়ে গান গাইতে গাইতে বাড়ির দিকে চলল।

    চাঁদুও সকলের নজর এড়িয়ে লছমিকে অনুসরণ করে চলতে লাগল এক-পা এক-পা করে।

    বেশ খানিকটা যাবার পর লছমি কথা বলল ওর সঙ্গে। বলল, তুম হিয়া ঠারো। আভি হম আ রহে।

    যে জায়গায় ওকে থামতে বলল লছমি, সে জায়গাটা খুবই নির্জন। অনুপপুরও পাহাড়ি এলাকা। যদিও পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি হওয়ায় এবং জঙ্গল কাটার ফলে বছরে বছরে জায়গাটার দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, তবুও ফাঁকা। পিছনেই জঙ্গলের শুরু। গভীর নয়, পাতলা। বড় গাছ একটিও নেই। ছোট ছোট গাছ। বনবাদাড়ে ভরা। চাঁদু ওইখানেই একটি বড় পাথরের খাঁজের আড়ালে বসে রইল চুপটি করে। এইসময় ওর কাছে এক একটি মুহূর্ত যেন এক একটি যুগ বলে মনে হতে লাগল। লছমি যতক্ষণ না ফিরে আসে ততক্ষণ ওর পক্ষে একা বসে থাকাও যেন একটা দায় হয়ে উঠল।

    কতক্ষণ বসেছিল ওর ঠিক মনে নেই। ও যখন বসে বসে লছমির জন্য অপেক্ষা করছে ঠিক সেই সময় দু’জন মানুষের ছায়া লম্বালম্বিভাবে ওর সামনে পড়তে দেখল। সভয়ে পিছনে তাকিয়েই দেখল বলিষ্ঠ চেহারায় দু’জন যুবক শিকারি বাঘের মতো থাবা উঁচিয়ে ওর দিকে এগিয়ে আসছে।

    ও ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়েই বলল, কী চাই তোমাদের?

    ওরা হেসে বলল, আমরা তোমাকে চাই। তোমাকে খুঁজে খুঁজে হয়রান হয়ে যাচ্ছি আমরা। কী কাণ্ড করে যে পুলিশের চোখ ধুলো দিয়ে এসেছি তা আমরাই জানি। কিন্তু তুমি তো হাসপাতালে ভরতি ছিলে, এখানে কী করে এলে?

    যেভাবেই আসি না কেন, সেকথা জানবার কোনও অধিকার তোমাদের আছে বলে মনে করি না।

    তা না করতে পারো। কিন্তু তোমাকে আমাদের প্রয়োজন আছে। কোনওরকম চিৎকার চেঁচামেচি না করে আমাদের সঙ্গে চলে এসো। যদি না যাই?

    তা হলে আমরা অন্য উপায়ে নিয়ে যাব।

    চাঁদু আড়চোখে এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখল, কেউ কোথাও নেই। অনেক দূরে অবশ্য দু’-একজনকে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এখান থেকে হেঁকে তাদের ডাকতে গেলে দুষ্কৃতীরা ওকে শেষ করে পালাতে পারবে। কেউ নাগালও পাবে না ওদের। তাই বুদ্ধিমানের মতো বলল, কোথায় যেতে হবে?

    যেখানে আমরা নিয়ে যাব।

    আমাকে নিয়ে যাবার দরকারটাই বা কী? তোমরা যদি আমাকে মারবার জন্যই এসে থাক তা হলে মেরে ফেলো। অযথা অপহরণের ঝুঁকি নিচ্ছ কেন?

    ওরা হাসল। হেসে বলল, তোমাকে মারব কি মারব না সেটা ঠিক করব পরে। আগে তোমার বাবার সঙ্গে আমাদের বোঝাপড়া হোক। তোমার বাবাকে মোচড় দিয়ে কোনও মালকড়ি আদায় করতে পারি কি না দেখি। তবে তো।

    এই যদি তোমাদের মতলব তা হলে এতদূর আসতে গেলে কেন তোমরা? এটা তো পাড়াতেই হতে পারত।

    পারত। তবে তখন আমাদের ওইরকম কোনও পরিকল্পনা ছিল না। ঘটনাচক্রে এইরকম করতে বাধ্য হচ্ছি। তা যাকগে, এখন এসব কথা নয়। আগে তোমাকে কোনও একটা জায়গায় লুকিয়ে রাখি। তারপর সব ঠিক করব। পুলিশ খুব খোঁজাখুঁজি করছে আমাদের। সন্দীপটা বিশ্বাসঘাতকতা করল তাই। না হলে পুলিশেও আমাদের ধরত না। তোমাকেও সাবাড় করে দিতুম বিলাসপুরে।

    কথা বলতে বলতে ওরা জঙ্গলের পথধরে খানিকটা এগোবার পর একটা পাকা রাস্তা দেখতে পেল। পথটি নির্জন, কিন্তু এই পথে মোটর বাস যাতায়াত করে। একজন এইখানে একটি পাহাড়ের বড় পাথরের আড়ালে চাঁদুকে নিয়ে লুকিয়ে রইল। আর একজন অনেক চেষ্টার পর একটা ভ্যানগাড়িকে হাত দেখিয়ে থামাল। এতে কিছু প্রসাধন সামগ্রী যাচ্ছিল। সেই ভ্যানে ওকে উঠিয়ে একজন ড্রাইভারের পাশের সিটে বসে বলল, বুলানারা।

    ড্রাইভার কঠিন গলায় বলল, উধার হম নেহি যায়েঙ্গে।

    লোকটি এবার একটা রিভলভার বার করে ড্রাইভারের ঘাড়ের কাছে ধরতেই গাড়িতে স্টার্ট দিল ড্রাইভার।

    বুলানারা নাম শুনেই চমকে উঠেছিল চাঁদু। ও তো সেখানেই যাচ্ছিল। কিন্তু এইভাবে এত সহজে যে সে সেখানে পৌঁছতে পারবে তা ভাবতেও পারেনি। শয়তান রকি গোলাপকে সেখানেই তো নিয়ে গিয়ে রেখেছে। গোলাপের সঙ্গে আর একবার দেখা হবে এই আশাতেই ওর বুকটা ভরে উঠল। কিন্তু রকির সঙ্গে এই লোকদুটোর সম্পর্ক কী? এরা তো বাঙালি। থাকে হাওড়া অথবা কলকাতায় কিম্বা তারই আশেপাশে কোনও শহরতলিতে। অথচ এই মেকল পর্বতের ঘন অরণ্যের সঙ্গে এদের যোগসূত্র কীসের?

    বেশ কিছুটা পথ যাবার পর এক জায়গায় ভ্যানটাকে থামাল ওরা। তারপর যা করল তা যেমনই বর্বরোচিত, তেমনই অমানুষিক। ওরা ভ্যান থেকে নেমেই গায়ের জোরে ভ্যানটাকে পাহাড়ের খাদের দিকে ঠেলে দিল। প্রাণভয়ে চিৎকার করে উঠল ড্রাইভার। কিন্তু কে শোনে তার আর্তনাদ। ভ্যানটা গড়িয়ে পড়ল খাদে। সব শেষ।

    চাঁদু ভয়ে কাঠ হয়ে গেল।

    ওরা চাঁদুর মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ভয় কী! এরকম আমরা অনেক করেছি। ওটাকে না-মারলে ও গিয়ে পুলিশে খবর দিত। তখন বিপদের আর শেষ থাকত না। তাই শত্রুর শেষ আগেই করে দিলাম।

    ওরা ওকে বনপথ ধরে এক জায়গায় একটি পুরনো বাড়ির কাছে নিয়ে এল।

    বাড়িটাকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে একতলা। কিন্তু ভেতরে ঢোকার মুখেই কার্পেটের নীচে যে কবজা আঁটা কাঠের ডালাটা আছে, সেটাকে তুলতেই দেখা গেল নীচে নামার একটা সিঁড়ি আছে। ওরা ওকে সেইখানে নিয়ে এসে বলল, যা। নীচে যা।

    চাঁদু কী করবে কিছুই ভেবে না পেয়ে নীচে নামল। বেশ কয়েক ধাপ নামার পরে দেখল নীচের তলায় মুখোমুখি দু’-তিনটি ঘর। একজন পাহাড়ি সেখানে একটি ঘরের কাছে টুল পেতে বসে আছে। ওকে দেখেই এগিয়ে এসে বলল, আও দোস্ত। বলে একটা ঘরের শিকল খুলে দরজাটা ফাঁক করেই এক ধাক্কায় ওকে ঘরের ভেতর ঠেলে দিল।

    সেই ধাক্কার টাল সামলাতে পারল না চাঁদু। একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ল গিয়ে ঘরের মেঝেয়। একে মাথার ওই অবস্থা, তার ওপরে ওইভাবে পড়ে যাওয়া। চোখে যেন সর্ষে ফুল দেখল। কী ভাগ্যে মাথাটায় লাগেনি। সেই ঘরে আর একজন যে ছিল তাকে দেখেই চিনতে পারল চাঁদু। সেই লোক। সেই তৃতীয় ব্যক্তি। বলল, এ কী! আপনি এখানে?

    তোর জন্যই তো এখানে আসতে হল আমাকে। কেন?

    বাঃ রে। তোকে বাঁচাতে গিয়েই তো এদের হাতে

    বন্দি হলুম। আপনি বন্দি?

    দেখছিস না হাতদুটো পিছনদিকে মুড়ে বাঁধা।

    তা হলে কেন আপনি আমাকে বাঁচাতে গেলেন?

    ভুল করলাম। আমার কথা না শুনে তুইও ভুল করলি। এখন তুই, আমি, জুলি তিনজনেই মরব।

    জুলি! জুলি কোথায়?

    সে আছে, পরে সব বলব। তোকে আমি কত করে বললাম, তুই দূরে কোথাও পালিয়ে যা। কিন্তু কেন একটা মেয়ের পাল্লায় পড়ে এখানে আসতে গেলি? তারপর থানা-পুলিশ করে এমন কাণ্ড করলি যে আমার সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেল। তোর ওই আততায়ীরা আমারও শত্রু। ওদের মারব বলে এমন ফাঁদ পেতেছিলাম যে পুলিশের চালে নষ্ট হয়ে গেল সব। ওরা এমনই শয়তান যে ওদের না মেরে ধরে রাখা যায় না। হলও তাই। ধরা পড়া মাত্রই ওরা রকির কারসাব্জিতে ফসকে পালাল। ইতিমধ্যে পুলিশের হইচইতে আমরা সবাই জেনে গেছি অমরকণ্টকের সার্কিট হাউসে উঠেছিস তোরা। রকির তিন সঙ্গী তোদের কপিলধারায় আটকাতে গেলে তোরা তাদের রীতিমতো ঘায়েল করেছিস। কিন্তু তারপরও মেয়েটা ওদের খপ্পর থেকে রেহাই পেল না। তুইও ধরা পড়লি।

    অনুপপুর হাসপাতাল থেকে ওরা তোকে নিয়ে এল কী করে?

    চাঁদু তখন আগাগোড়া সব বলল তারপর বলল, ওরা একজন সন্দীপের নাম করছিল। আপনিই কি সন্দীপবাবু?

    বাবুটাবু কিছু নই। সন্দীপদা বলবি।

    আচ্ছা, গোলাপকে ওরা কোথায় রেখেছে? জুলি কোথায়?

    গোলাপ কে?

    আমার সঙ্গের মেয়েটি।

    ওর কথা বলতে পারব না। তবে জুলিকে আমি চম্পায় লুকিয়ে রেখেছি। চম্পা! সেটা কোথায়?

    বিলাসপুরের কাছে। চম্পার ওপর দিয়েই তো এলি।

    ও, হ্যাঁ। মনে পড়েছে।

    মনে না পড়াটাই স্বাভাবিক। ভোরে ট্রেনটা থেমেছিল। তখন হয়তো ঘুমোচ্ছিলি।

    চাঁদু বলল, সন্দীপদা, আমার সব কেমন ওলট পালট হয়ে যাচ্ছে। কী থেকে যে কী হল। কোন রহস্যের জালে কীভাবে জড়িয়ে পড়লাম। কিছুই বুঝতে পারছি না। কোথায় ছিলাম আমরা। কোথায় এলাম। কোথায় আমাদের হাওড়া শহর, আর কোথায় এই অমরকণ্টকের মেকল পাহাড়।

    এর পিছনে অনেক জটিল রহস্য আছে ভাই।

    রাজুর খুন হওয়া, জুলির হারিয়ে যাওয়া, সবই তো রহস্যময়। তা ছাড়া আমি তো কারও কিছুই করিনি। তবু কেন ওরা আমাকে বাঁচতে দিতে চায় না? আপনি তো আমাকে চোনেন না, আমিও আপনাকে চিনি না। আপনি যেসব জায়গায় আমাকে পালাতে বললেন, সেখানে পালালে আমার কোনও বিপদ হত না। শুধু আমার কেন, গোলাপেরও হত না কিছু। কী সুন্দর ফুলের মতো মেয়েটা।

    ওরা দুষ্কৃতী। ওদের কাছে ফুলের পাপড়ি ঝরানোও যা, একটা মেয়েকে অপহরণ করে লোপাট করে দেওয়াও তাই। ভাগ্যে জুলিটাকে আমার কাছে রাখিনি। ওকে ওরা হন্যে হয়ে খুঁজছে। এখন যেভাবেই হোক এখান থেকে পালাতে না পারলে আমাদের বাঁচোয়া নেই। জুলিকে বিলাসপুরেই আমি তোর হাতে তুলে দিতে পারতাম। কিন্তু তখন তোরই জীবন বিপন্ন ছিল।

    এখন কি এখান থেকে পালানো যায় না?

    না। বুলানারার এই বন্দি গুহায় একবার কেউ এসে হাজির হলে মৃত্যুই তার একমাত্র মুক্তি। তবু মরবার আগে মানুষ একবার অন্তত বাঁচবার চেষ্টা করে। আমরাও করব। আর এও বলে রাখি, এখান থেকে পালাবার একমাত্র পথ কিন্তু, যে-পথে এলি সেই দিকেই। বাঁদিকের পথ বিপজ্জনক। ও পথে অবধারিত মৃত্যু।

    ওইটাই প্রকৃত গুহামুখ। কিন্তু এই গুহামুখের নীচেই প্রায় সাতশো থেকে হাজার ফুট গভীর খাদ। গুহা থেকে বেরোবার কোনও পথ নেই। অর্থাৎ একটা দেওয়ালের মতো খাড়াই চাঁছা পাহাড়ের গায়ে এই গুহা। গুহার ভেতর থেকে বাইরের প্রকৃতি দেখা যায়। কিন্তু বেরোতে গেলেই শেষ। আর গুহামুখ এমনই পিচ্ছিল যে সেখানে যাবার আগেই শ্যাওলায় হড়কে একবারে মোক্ষধাম। তা হলে?

    তা হলে আর কী? এখন চেষ্টা করে দেখ দেখি আমার হাতকড়াটা কোনওরকমে খুলতে পারিস কি না।

    চাঁদু অনেক চেষ্টা করল সে দুটো খোলবার। কিন্তু পারল না। বলল, আমার সাধ্যের বাইরে। কিন্তু এই হাতকড়া তো পুলিশের লোকেরা আসামিদের বন্দি করবার জন্যে ব্যবহার করে। ওরা পেল কোথায়?

    তা হলেই বুঝতে পারছিস তো লকআপ থেকে শংকর আর অর্জুনের বেরিয়ে আসাটা অত সহজ কী করে হয়েছিল?

    শংকর আর অর্জুন!

    তোকে যারা এখানে নিয়ে এসেছে।

    কিন্তু তুমি ওদের সবাইকে কী করে

    চিনলে সন্দীপদা?

    সে সব অনেক কথা। আর হয়তো বলবার সময় পাব না! এইবেলা বলে রাখি। বলেও লাভ হবে না। তবু কোনওরকমে যদি এদের খপ্পর থেকে পালাতে পারিস তা হলে হয়তো কাজে লাগবে। তবে আমাকে ওরা মারবেই। রকি এলেই মরতে হবে আমাকে। ও যে রকম নির্দেশ দেবে সেইভাবেই মারবে। কী ভয়ংকর পৈশাচিক মৃত্যু আমার জন্যে অপেক্ষা করছে তা কে জানে?

    চাঁদু সবকিছু শোনবার আশায় অধীর আগ্রহে সন্দীপের মুখের দিকে চেয়ে রইল। এই ঘনঘোর রহস্যের অন্ধকারে সন্দীপদা নতুন কোনও আলোকপাত হয়তো করতে পারবে না, কিন্তু অতীতের তমসা তো দূর করতে পারবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }