Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমরকণ্টক রহস্য – ১১

    এগারো

    এই বন্দি গুহায় চাঁদু অনুভব করল এখানে চারদিকেই মৃত্যুর শীতলতা। বেলা এখন কত তা কে জানে? খিদেও পেয়েছে খুব। লছমির মুখে বুলানারার কথা শুনে ও মনে মনে বুলানারা সম্বন্ধে আলাদা একটা ছবিই এঁকে ফেলেছিল। এখন এখানে এসে বুঝল, কল্পনার সঙ্গে এই বাস্তব সম্পূর্ণ ভিন্ন। বুলানারা একটা পাতালপুরী বা জ্যান্ত মানুষের কবরখানা ছাড়া কিছুই নয়। এখানে দয়া নেই, মায়া নেই, করুণা নেই, কিছুই নেই। আছে শুধু নির্মম নিষ্ঠুর নিয়তির হাতছানি। নেহাতই দুর্ভাগ্য না হলে এখানে কেউ এসে পৌঁছয় না।

    তবু এই মৃত্যুপুরীতেই জুলির খবর পাওয়া গেল। মেয়েটা জীবিত কি মৃত তা নিয়ে ঘোর সংশয় ছিল ওর মনে। এখন কোনওরকমে প্রাণ নিয়ে ফিরে যেতে পারলে, জুলিকে নিয়েই ফিরে যাবে ওর মায়ের কাছে। কিন্তু গোলাপ! গোলাপের কী হবে? সে কোথায়? সে কি এখানে এই বুলানারাতেই আছে? এই মৃত্যুগুহায়? যদি থাকে তা হলে কোথায়? কোনখানে?

    চাঁদু বলল, আমি না হয় বোকার মতো নিজের থেকেই ধরা দিয়েছি এদের হাতে। কিন্তু তোমাকে এরা ধরল কীভাবে?

    সে অনেক কথা। শোন তবে।

    সন্দীপ বলতে লাগল, আমার নাম সন্দীপ সরকার। আমি শালিমারের কাছে ভড়পার রোডে থাকি। শালিমারে রেলের গোডাউনে গুন্ডাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওয়াগন ভাঙার কাজ করি। বিলাসপুর, কাটনি, ঝাড়সুগড়া প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মাঝে মধ্যে রেললাইনের ফিস প্লেট সরিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটাই। আগে তোর বাবা তারাপদবাবু আর কেষ্ট মিত্তির ছিলেন আমাদের লিডার। তোদের ওই যে বিশাল বাড়িটা। কেষ্ট মিত্তিরের ওই যে ফ্ল্যাট বাড়িগুলো সব ওই পাপের টাকায়।

    সন্দীপদা!

    উত্তেজিত হোস না। তুই যে এত বড়টা হয়েছিস, লেখাপড়া শিখেছিস, এই যে ভাল ভাল পোশাক পরছিস সবই কিন্তু ওই পাপের টাকায়। অসৎপথে উপার্জিত অর্থে প্রতিপালিত হওয়া একজন হলি তুই বা তোদের সবাই। তা যাক গে। তোর আর দোষ কী বল? তবে একটা কথা, তুই যেন তোর বাবার মতো হোস না।

    তুমি যা বলছ তা সত্যি?

    মৃত্যু আসন্ন জেনেও কেউ কি মিথ্যে বলে?

    তারপর?

    তুই যখন খুব ছোট, তখন আমি কতবার তোদের বাড়িতে গেছি। তোকে কোলে করে আদর করেছি। তোর ওপর আমার মায়া পড়ে গিয়েছিল।

    সেইজন্য সেদিন বিলাসপুরে নদীর ধারে তোমাকে দেখার সময় মনে হয়েছিল তুমি আমার কত চেনা। কতবার যেন দেখেছি। কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারছিলাম না।

    এখনও নিশ্চয়ই মনে পড়েনি। মনে পড়বার কথাও নয়। তা যাক, এই সময় অরিন্দম হাজরা নামে এক ঘুঘু এই লাইনে ভীষণভাবে মাথা চাড়া দেয়। সেই অরিন্দম হাজরারই দুই ছেলে শংকর ও অর্জুন। শয়তানিতে এদের জুড়ি নেই। সবাই বলে শংকরার্জুন। তা সেই অরিন্দম হাজরা শালিমারের তিন নম্বর গেটের কাছে নৃশংসভাবে খুন হন। খুনটা অবশ্য আমরাই করেছিলাম। চক্রান্তের মধ্যমণি ছিলেন তোর বাবা এবং কেষ্ট মিত্তির দু’জনেই। অনেকদিন পরে ব্যাপারটা যখন ফাঁস হয়, কেষ্ট মিত্তির তখন পুরো দায়টা আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নিজে সাধু সাজেন। এবং শংকর-অর্জুনকে দলে রাখেন।

    চাঁদু দু’হাতে মুখ ঢেকে বলল, আমার বাবা খুনি?

    অন্তত এই একটা ক্ষেত্রে। যাই হোক, এর পরে নিজেদের মধ্যে হিস্যা নিয়ে বিবাদ এবং অবিশ্বাস দেখা দেওয়ায় বা লাইনে ক্রমাগত নতুন লোকের আমদানি হওয়ার ফলে আমাদের দলটা পুরোপুরি ভেঙে যায়। তোর বাবা এখন সম্পূর্ণ অন্য ধরনের মানুষ হয়ে গেছেন। অর্থ প্রতিপত্তি কোনও কিছুরই অভাব নেই তাঁর। কেষ্ট মিত্তিরও এখন এক ঝানু ব্যবসাদার। আর আমি তো চুনোপুঁটি। মাঝে মধ্যে খারাপ কাজ একটু আধটু করলেও মূলত এখন আমি কোল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার কাছে একটা ছোট্ট কারখানা করেছি। সম্প্রতি এইখানে বহিরাগত এক অত্যাচারী গুন্ডা এই পাহাড়-জঙ্গলে বেশ পাকাপাকিভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসেছে। জনা কয়েক লোককে নিয়ে সে ওয়াগন ভাঙা থেকে শুরু করে ড্রাগের ব্যবসা পর্যন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে ছোট বড় মেয়ে দেখলেই চুরি করে পাচার করছে অন্য শহরে। আমি রকির দলেও কিছুদিন কাজ করেছি। তাই ওর সবকিছু এত ভাল করে বলতে পারলাম।

    ওর দল তুমি ছেড়ে দিলে কেন?

    একটাই মাত্র কারণে। সেটা হল মেয়েচুরি। ওকে আমি অনেক বারণ করেছি, কিন্তু ও শোনেনি। সেই নিয়ে ওর সঙ্গে আমার দারুণ মতভেদ। পালটা দল আমারও আছে। আমি বেশ কিছুদিন ধরেই ওকে এই পথ থেকে সরিয়ে দেবার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু মুশকিল হল কী, ওরই দু’–একজন লোক যে ওর স্পাই হয়ে আমার দলে ভিড়ে কাজ করছিল তা আমি ভাবিনি। না হলে আমি হচ্ছি ফাঁকা মাঠের বেড়াল। আমার হাতে বেড়ি দেবে এমন কেউ ছিল না। অর্থাৎ তোমার দলের লোকই তোমাকে ফাঁসাল!

    ঠিক তাই।

    কিন্তু শংকর ও অর্জুনের সঙ্গে রকির সম্পর্ক কী?

    স্মাগলিং-এর। ওরা দু’জনেই এখন ওর দলের লোক। পুলিশ যদি না আসত তা হলে ওরা দু’জনেই খুন হত আমার হাতে। শুধু তোকে সতর্ক করতে গিয়েই সব চাল ভেস্তে গেল। উলটে আমিই ওদের প্যাঁচে জড়িয়ে পড়লাম।

    চাঁদু সব কিছু শুনে স্তব্ধ হয়ে গেল। বলল, বুঝেছি। এই কারণেই বাবা বাড়ি আসার ব্যাপারে প্রথমে প্রচণ্ড আপত্তি জানিয়েছিলেন। উনি চাননি এই বেল্টে আমি কখনও আসি।

    ঠিক তাই।

    পরে অবশ্য ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উনি আমাকে এখানেই পাঠান। কেন না তিনি হয়তো ভেবেছিলেন কেষ্ট মিত্তিরের কালো হাত এত দূরে পৌঁছবে না। এবং আমাকেও ফোনে সতর্ক করে বলেছিলেন, ছেলেটাকে একটু দেখিস। স্ট্রেঞ্জ! বাবা জানতেন তুমি এখানে আছ?

    না হলে আমি জানলাম কী করে তুই এখানে আসছিস? শংকর আর অর্জুন যে তোকে খুন করবার জন্যে এখানে আসছে বা আসতে পারে, সে খবরও তোর বাবার কাছ থেকেই পাই?

    চাঁদু বলল, সন্দীপদা! আমার আর বাঁচতে ইচ্ছে করছে না। আমার মরে যাওয়াই ভাল।

    তুই কি বাঁচবি? মরতে তোকে হবেই। আমাকেও। রকি এলে আমাদের দু’জনকেই ওই গুহামুখের কাছ থেকে খাদের ভেতর ফেলে দেবে। চাঁদু শিউরে উঠল।

    সন্দীপ বলল, কীরে ! মরবার নাম শুনে ভয় পেলি? অথচ একটু আগেই তো মরতে চাইছিলি তুই?

    চাইছিলাম। কিন্তু এইরকম মৃত্যুকে চাইছিলাম না।

    মরণ সুমনোহর বেশে সবার জীবনে আসে না রে। এরপর দীর্ঘ নীরবতা।

    চাঁদু বলল, সব শুনলাম। সব বুঝলাম। এখন বলো জুলিকে তুমি পেলে কোথায়?

    হ্যাঁ, এবার জুলির কথাই বলি। সেই অভিশপ্ত দিনটিতে ফিরে যাওয়া যাক। জুলি আমাকে বলেছে তুই নাকি ওকে টাকা দিয়ে পাঠিয়েছিলি মোড়ের মাথার একটা দোকান থেকে কচুরি কিনে আনতে।

    হ্যা। জুলি ঠিকই বলেছে। আমিই পাঠিয়েছিলাম ওকে।

    বেচারি জুলি। নিষ্পাপ মেয়েটি যখন মোড়ের মাথায় এল ঠিক তখনই…। এমন সময় বাইরে মস মস শব্দ।

    সন্দীপ চুপ করে গেল। কে বা কারা যেন আসছে। চাঁদুও সভয়ে পিছিয়ে এল দরজার কাছে।

    ঘরের শিকল খুলে ভেতরে ঢুকল শংকর আর অর্জুন। ওরা এসে সন্দীপের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলল, তা হলে সন্দীপবাবু! আমাদের মারতে গিয়ে তুমি নিজেই এই মরণফাঁদে ধরা পড়লে শেষকালে? যাক, ভালই হয়েছে। এখন আমাদের কোনও শত্রু নেই। এবার বলো তো, সেই মেয়েটাকে কোথায় রেখেছ? সন্দীপ হেসে বলল, লাভ কী তাতে? বললেও মরব। না বললেও মরব।

    মরবে তো নিশ্চয়ই। এই যে কেউটের বাচ্চাটা। এও তো মরবে। একে টোপ দিয়েই তো এর বাবাকে চারে ফেলব। এর বাবা লোকটা নিশ্চয়ই আমাদের খুন করবার জন্য মদত দিয়েছিল তোমাকে? কেষ্ট মিত্তিরের মুখে সব শুনেছি আমরা। জেনে রেখো বাবার হত্যাকারীদের কিন্তু আমরা সহজে ছাড়ব না। সেই হত্যার বদলা আমরা হত্যা দিয়েই নেব। এতদিন ওত পেতেছিলাম। এবার কাজ শুরু করেছি।

    সন্দীপ হোঃ হোঃ করে হেসে উঠে বলল, এতই যদি বাবার ওপর দরদ তোমাদের, এতই যদি আদর্শের জোর, তা হলে যে কেষ্ট মিত্তিরের হয়ে এতদিন কাজ করলে সেই কেষ্ট মিত্তিরও তো তাদেরই একজন।

    সেটা অবশ্য আগে জানতে পারিনি। যেদিন পারলাম সেদিন থেকেই চেষ্টা করতে লাগলাম ওর ক্ষতি করবার। শুধু রকির দলে জড়িয়ে পড়ায় আর পুলিশের তাড়া খেয়ে পালিয়ে বেড়ানোর জন্যই এতদিন তা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই যে মুহূর্তে সুযোগ পেলাম সেই মুহূর্তেই সরিয়ে দিলাম ছেলেটাকে।

    তোমরাই তা হলে রাজুর হত্যাকারী?

    হ্যাঁ। এবার পালা কেষ্ট মিত্তিরের। তবে এখনও ওর সময় হয়নি। ওকে তিল তির করে শোষণ করে একেবারে ছিবড়ে করে দিয়ে তবেই মারব। অবশ্যই ওর মরণও হবে এই মরণগুহায়।

    চমৎকার পরিকল্পনা। কিন্তু এমন আদর্শবাদী যুবক হয়ে তোমাদের বোনের বয়সি একটি নিষ্পাপ কিশোরীর নামে খুনের বদনামটা চাপিয়ে দিতে বিবেকে বাধল না?

    বাঃ রে। আমরা কেন বদনাম দেব? পুলিশ দিয়েছে। খবরের কাগজ দিয়েছে। রাজুর বন্ধুরা মেয়েটিকে ওর সঙ্গে যেতে দেখেছে। দোকানদার দেখেছে, আরে! মেয়েটাকে তো আমরা খুন করছি না। হোক না মেয়েটা দাগি। কী যায় আসে তাতে? ও তো এখন আমাদের মূলধন। কিন্তু তুমি আমাদের মুখের গ্রাম কেড়ে নিলে কেন?

    তোমরা তো জান ভাই, আমার দুর্বলতাটা কোথায়? আমার মা যখন আমাদের নিয়ে কলকাতার ফুটপাথে বড়লোকের গাড়ি বারান্দার নীচে রাত কাটাতেন, তখন এক গভীর রাতে আমার দশ বছরের আদরের ফুটফুটে বোনটাকে কখন কে বা কারা চুরি করে নিয়ে গেল। সেই শোকে মা আমার হাওড়ার ব্রিজ থেকে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বিসর্জন দিলেন। তাই কোনও মেয়ের গায়ে কেউ হাত দিলে বা মেয়েচুরির কাজ করলে আমি তাকে ক্ষমা করতে পারি না।

    ঠিক তাই কি?

    না হলে তোমাদের কারও সঙ্গে অন্য কোনও ব্যাপারে আমার গরমিল কখনও হয়েছে। এই রকির সঙ্গেও আমার বিবাদ তো সেই নিয়ে। আজ আমি অসহায়। আমি বন্দি। ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যুর প্রহর গুণছি। কিন্তু একবার তোমরা ভেবে দেখো তো, কেন তোমরা আমাকে মারতে এসেছ? কেন চাইছ এই অসহায় নির্দোষ ছেলেটাকে মেরে ফেলতে? বাবার হত্যার বদলা নিতে। এই তো? এখন আমিও যদি আমার বোনের অপহরণকারীদের না-পেয়ে ওই ধরনের কাজ যারা করে তাদের বিরোধিতা করি তা হলে কী অন্যায়টা করেছি? আমার আপত্তি তো শুধু ওই কাজটিতে। এর বাইরে তো আমরা সবাই এক। আমাদের সবারই তো একই পরিচয়— ওয়াগন ব্রেকার। আমরা সবাই তো একই সূত্রে গাঁথা এক-একটি ক্রিমিনাল। তাই না?

    শংকর আর অর্জুন চুপ করে রইল।

    সন্দীপ আবার বলল, এখনও সময় আছে ভাই, রকিকে তোমরা বোঝাও। এই সর্বনাশা মেয়েচুরির খেলা ও যেন বন্ধ করে।

    অর্জুন বলল, ঠিক আছে। এতসব ব্যাপার আমরা জানতাম না। মেয়েচুরির কাজে ঝক্কি অনেক। টাকাও অনেক। ও কাজ আর করব না। এখন তোমাকে আমরা মুক্তি দিতে পারি। কিন্তু একটি মাত্র শর্তে।

    রকির হাতে মর্মান্তিক মৃত্যু আমি কামনা করি না। এখনও আমি বাঁচতে চাই। মুক্তির বিনিময়ে আমি যে কোনও শর্তে রাজি।

    ওই জুলি মেয়েটার দায়িত্ব তোমাকেই নিতে হবে। ও কখনও ওর মায়ের কাছে ফিরে যাবে না। কেন না ও ফিরে গেলে পুলিশের জেরার মুখে যদি সব কথা বলে দেয়, তা হলে কিন্তু খুনের দায়ে ধরা পড়ব আমরা। তার চেয়ে মেয়েটা তোমার কাছেই থাক। তোমার হারানো বোনের অভাব পূর্ণ করুক।

    সন্দীপ বলল, ভাল কথাই বলেছ। তবে এও জেনো মেয়েটা বললেই কী, না বললেই কী পুলিশের খাতা থেকে আমাদের ব্ল্যাক লিস্টের নাম তো কেউ মুছে দিতে পারবে না। তা ছাড়া খুন তো আরও হবে। কেষ্ট মিত্তিরের জন্য একটা বুলেট খরচা করতে হবে না? তোমরা ওর ছেলেকে মেরেছ। আমি মারব ওকে। বিশ্বাসঘাতক শয়তান। তোমাদের বাবার হত্যাকারীদের চক্রে আমিও একজন ছিলাম। কিন্তু আমি তখন সাধারণ একজন কর্মী মাত্র। এই ছেলেটির বাবাও ছিলেন নেপথ্যে। কিন্তু আসল ঘুঘু কেষ্ট মিত্তির। ওইসব ঘটনার পর এর বাবা অবশ্য একেবারেই লাইন ছেড়ে সরে যায়। কিন্তু কেষ্ট মিত্তির এখনও সমানে ওর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    শংকর বলল, ছেলেটা তো সব শুনল। ও বলে দেবে না?

    না। ওর চোখ দেখছ না? ও নিজেও চাইছে ওর অপরাধী বাপের হাতে হাতকড়া পড়ুক। একটু আগে আমার মুখে ওর পিতৃপরিচয় পেয়ে ও নিজেই মরতে চাইছিল।

    শংকর আর অর্জুন দু’জনেই সবিস্ময়ে বলল, তাই নাকি? সত্যিই কী বাপের কী ছেলে। অবশ্য আমরা যখন ওকে চুরি করে আনি, তখন কিন্তু ও একটুও বেগ দেয়নি আমাদের।

    শংকর ডাকল, মুশা !

    সেই বামনাকৃতি দারোয়ান গোছের লোকটা ভেতরে এল।

    অর্জুন বলল, হাতকড়াটা খুলে দাও।

    নেহি। রকি হামকো বহুত মারেগা।

    শংকর এক ঝটকায় ফেলে দিল মুশাকে।

    আর সঙ্গে সঙ্গে দুটো গুলির শব্দ শোনা গেল, ডিস্যুম ডিস্যুম।

    শংকর আর অর্জুনের দেহ লুটিয়ে পড়ল মেঝেয়।

    দু’জন লোককে সঙ্গে নিয়ে ঘরের ভেতর ঢুকে এলেন এক সর্দারজি। চাঁদুকে দেখেই বললেন, ইয়ে লেড়কা কৌন হ্যায়? কাঁহাসে আয়া?

    দারোয়ানটা বলল, উয়ো দোনো বদমাশনে লে আয়া।

    সর্দারজি মাথার পাগড়ি, চোখের কালো চশমা আর নকল দাড়ি এক টানে খুলে বললেন, বাহার লে যাও। ফিক দো নীচে। যাও, জলদি করো।

    চাঁদুর শিরদাঁড়া বেয়ে যেন একটা হিমস্রোত নেমে এল। এই কি রকি ! লোকটি ওকে হাত ধরে টেনে আনল ঘরের বাইরে।

    চাঁদু কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, জল। একটু জল দাও আমাকে।

    লোকটির দয়া হল বুঝি। সে হিংস্র চোখে ওর দিকে তাকিয়ে বলল, হাঁ। মরণে সে পহলে পি লো। বলে পিছন ফিরতেই চাঁদু ওর পায়ের ফাঁকে পা গলিয়ে জোরে একটা টান দিল। মুখ থুবড়ে পড়ে গেল লোকটা। আর সেই মুহূর্তেই চোখের পলকে বন্দিগৃহের দরজাটা টেনেই তাইতে শিকল আটকে দিল চাঁদু।

    ভেতরে যারা ছিল দরজার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল তারা। চিৎকার করে বলতে লাগল, খোলো খোলো। দরোয়াজা খোলো। এ মুশা!

    আর মুশা। চাঁদু তখন আবার নিজমূর্তি ধরেছে। যে টুলটার ওপর বসে বসে চৌকিদারি করছিল মুশা, সেই টুলটার বাড়ি বেশ ঘা কতক দিয়ে ওর নাকমুখ থেঁতো করে দিল। মুশার যখন আর উঠে দাঁড়াবারও শক্তি রইল না চাঁদু তখন ওর বুকের ওপর চেপে বলল, গোলাপ কোথায়? কোন ঘরে রেখেছিস তাকে?

    মুশার কথা বলবারও শক্তি নেই। তবু কোনওরকমে বলল, মুঝে না মালুম।

    তুমহারা বস এক লেড়কি কো চুরাকে লে আয়া। ও কাঁহা হ্যায়? মুশার সেই একই উত্তর, মুঝে না মালুম। চাঁদু সেই টুলের বাড়ি ওর মুখের ওপর আরও এক ঘা দিয়ে বলল, এবার মালুম হয়েছে?

    নেহি।

    ফের এক ঘা দিয়ে বলল, এবার?

    আভি হুয়া।

    কাঁহা হ্যায় ও।

    মুশা বহুকষ্টে আঙুল দেখিয়ে বলল, উ-উ-উধার।

    পাশের একটা ঘরে, মানে যে ঘরে মুশা থাকত, সেই ঘরের দরজার শিকল খুলে মুশাকে টেনেহিঁচড়ে ঢোকাল চাঁদু। ওর যদিও আর নড়বার ক্ষমতা নেই, তবু কথায় আছে সাবধানের মার নেই। তাই ওকে ঘরে ঢুকিয়ে ঘরের ভেতর হাতড়ে একটা টচ আর একটা গুপ্তি ছোরা বার করে দরজায় শিকল দিল। শিকল দিয়ে ফিরে আসতে গিয়েও কী ভেবে যেন আবার শিকল খুলে ঘরে ঢুকে একটা তালাচাবি জোগাড় করে সেই বন্দি ঘরে তালা দিল।

    ভেতর থেকে আস্ফালন তখনও সমানে চলছে।

    চাঁদু বাইরে থেকেই বলল, সন্দীপদা! আমি যে ভাবেই হোক পুলিশ নিয়ে এখানে আসছি। আর কয়েক ঘণ্টা কষ্ট করো তুমি। আমাকে ভুল বুঝো না যেন। সন্দীপ ভেতর থেকেই বলল, কিচ্ছু ভুল বুঝব না। খুব চালাকিটা করেছিস তুই। দরজা খুললে তুইও মরবি, আমিও মরব। মাঝখান থেকে এই পাপীরা পার পেয়ে যাবে। তার চেয়ে তুই বাঁচলে অনেকে বাঁচবে। চম্পার দেবীমন্দিরে পূজারিজির ঘরে জুলিকে রেখেছি। ওকে উদ্ধার করিস। আর এই বাড়ির বাইরের দিকে পিছনের অংশে একটা সিঁড়ি দেখতে পাবি। সেই সিঁড়ির নীচে… ডিস্যুম।

    আবার একটা গুলির শব্দে। আর সেই গুলির শব্দের সঙ্গেই সন্দীপের কণ্ঠস্বর নীরব হয়ে গেল।

    চাঁদু বলল, সন্দীপদা! কী হল তোমার?

    ভেতর থেকে ক্রুদ্ধ কন্ঠস্বর শোনা গেল, দরোয়াজা খোল শয়তানকা বাচ্চা। নেহি তো তেরা ভি অ্যায়শা হাল হোগা।

    চাঁদু বলল, দরজা খুললে আমার হাল যে কী হবে তা তো জানি। তাই এ দরজা আমি কখনও খুলছি না।

    চাঁদু এক-পা এক-পা করে বাইরে এল এবার। তারপর এদিক সেদিক করে অনেক খুঁজেও সিঁড়ি কোথাও দেখতে পেল না। ও যখন ক্লান্ত অবসন্ন হয়ে কী করবে ভাবছে তেমন সময় হঠাৎই এক জায়গা থেকে একটা কুকুর ভৌ ভৌ করে

    ছুটে আসতেই, ও একটা পাথর কুড়িয়ে ছুড়ে মারল কুকুরটাকে। পাথরটার মোক্ষম ঘা কুকুরের মুখে পড়তেই ‘ভ্যাক’ করে একটা ডাক ছেড়ে পালাল কুকুরটা। আর তখনই চাঁদু দেখতে পেল, ছোট একটা দেড় ফুটের মতো সরু সিঁড়ি একটা কাঠের আগড়ে ঢাকা আছে। সেটা সরিয়ে একটু ঝুঁকে নীচে নামতেই একটা বড়সড় গুহার ভেতরে এসে পড়ল। কিন্তু সেই গুহামুখে জেলখানার মতো মোটা মোটা লোহার গরাদের একটা আটকানো আছে। সেটাও আবার তালা দেওয়া। বেশ ভারী ধরনের মজবুত তালা। ভাগ্যে মুশার ঘর থেকে টর্চটা নিয়েছিল তাই এদিক সেদিক ফেলতেই এক জায়গায় পেরেক ঝোলানো একটা চাবি দেখতে পেল ও। চাবিটা নিয়ে এসে তালা খুলে, তালাটা একপাশে রেখে, চাবিটা পকেটে পুরে নিল। বলা যায় না কেউ যদি দূর থেকে লক্ষ করে থাকে ওকে, তা হলে আবার হয়তো এই তালাতেই বন্দি হবে ও। তালা খুলে ভেতরে ঢুকল চাঁদু। এর ভেতরে শত্রুপক্ষের কেউ নেই। তা বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু বাইরে যদি কেউ থাকে? তাই বেশ কিছুক্ষণ ঘাপটি মেরে বসে রইল। কেউ এসে ওকে আটকাবার চেষ্টা করলেই ও গুপ্তি হোরার ফলা দিয়ে লড়ে যাবে তার সঙ্গে।

    কিন্তু না। প্রায় মিনিট দশেক কেটে গেলেও কেউ এল না।

    ও তখন টর্চের আলোয় পথ দেখে এক-পা এক-পা করে নীচে নামতে লাগল। ওঃ সে কী ভীষণ অন্ধকার। ভাগ্যে টর্চটা এনেছিল। স্যাঁতস্যাঁতে হিমশীতল অন্ধকারের গুহা। আলো নেই, বাতাস নেই, কিছুই নেই। শুধু ওই লৌহদণ্ডের আটকানোর ফাঁক দিয়ে যেটুকু অক্সিজেন ভেতরে ঢোকে। কী ভয়ংকর! কে বা কারা আবিষ্কার করেছিল এই গুহাটাকে তা কে জানে? সেকালের কোনও রাজা রাজড়া হয়তো। দুষ্ট প্রজাদের ধরে এনে হয়তো বা বন্দি করে রাখত এখানে। নয়তো এটাই ছিল তাদের কোষাগার, এখন দুষ্কৃতীরা এটাকে তাদের কাজে লাগাচ্ছে।

    চাঁদু ভয়ে ভয়ে আলতো পায়ে সিঁড়ির নীচে নেমে এল।

    এখানটা বেশ প্রশস্ত।

    আবার একটা জেলখানার মতো ঘর চোখে পড়ল। সেই ঘরের প্রকাণ্ড লৌহদরজায় তালা দেওয়া। ঘরের ভেতরটা অবশ্য তত অন্ধকার নয়। একটা চিমনি লণ্ঠন জ্বলছে একপাশে। তাতেই ও দেখতে পেল সেই ঘরের এক কোণে দু’ হাতে মুখ ঢেকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে এক সোনার প্রতিমা। এ নিশ্চয়ই গোলাপ। গোলাপ ছাড়া আর কেউ নয়।

    চাঁদু ডাকল, গোলাপ।

    কে! কে তুমি!

    আমি চন্দ্ৰকান্ত।

    তুমি ! তুমি এখানে কী করে এলে চাঁদুদা? এ আমি স্বপ্ন দেখছি না তো? ততক্ষণে চাঁদু পাশের একটি খোপে রাখা চাবি নিয়ে তালাটা খুলে ফেলেছে। আর গোলাপ! সে সবকিছু ভুলে মুক্তির আনন্দে ছুটে এসেই জড়িয়ে ধরল চাঁদুকে। সে কী প্রবল উচ্ছ্বাস। চাঁদুও ওকে যেন একগুচ্ছ রজনীগন্ধার মতো লুফে নিল।

    গোলাপ বলল, তুমি কি আমাকে উদ্ধার করবার জন্য এখানে এসেছ? কী করে জানতে পারলে আমি এখানে আছি?

    পরে তোমাকে সব বলব। শুধু জেনে রাখো লছমি নামের একটি মেয়ের জন্য।

    ভাগ্যিস এলে। না হলে ওরা আমাকে কোথায় পাচার করে দিত কে জানে? চাঁদু বলল, দিলেই হল? ভগবান নেই?

    আছে আছে। নিশ্চয়ই আছে। ভগবান আছে বলেই তো তুমি আমার ভগবান হয়ে এখানে এলে। না হলে আমি তো ভাবতেও পারিনি এই অবস্থা থেকে কখনও মুক্তি পাব বলে। দেখছ না সূর্যের আলোও এখানে আসতে ভয় পায়।

    চাঁদু বলল, যাক। আর কোনও ভয় নেই। এবার একটা সুখবর শোনো, তোমাকে যারা বন্দি করে রেখেছিল আমি কৌশলে তাদের বন্দি করেছি। আমাকে হত্যা করবার জন্য যারা এগিয়ে এসেছিল তারা দু’জনেই মরেছে। আর জুলিরও সন্ধান পেয়েছি। তুমি আমি দু’জনেই গিয়ে উদ্ধার করব তাকে।

    গোলাপ যেন একটু আহত হয়ে বলল, তবে আর কী। এবার নিশ্চয়ই ভুলে যাবে তুমি আমাকে।

    চাঁদু হেসে বলল, এই জাল থেকে একবার কেটে বেরোলে জুলিদের বাড়িই আর কখনও যাব না আমি।

    সে কী! তা হলে তো আমাদের বাড়িও যাবে না।

    চাঁদু হঠাৎ ছল ছল চোখে বলল, আচ্ছা গোলাপ! তুমি তো তোমার বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে। আমি যদি তোমার মা-বাবার কাছে বরাবরের জন্য তাঁদের ছেলের মতো থাকতে চাই, তোমার বন্ধু হিসেবে, তাঁরা কি আমাকে রাখবেন না?

    তোমার কথার মানেটা আমি ঠিক বুঝলুম না।

    আমার প্রশ্নের উত্তর কিন্তু এটা নয়।

    তোমার বাবা-মা আত্মীয়স্বজন, ঘরবাড়ি সব ছেড়ে তুমি আমাদের বাড়ি কেন থাকবে? পারবে থাকতে?

    যদি তোমার মা-বাবা আমাকে থাকতে দেন তা হলে নিশ্চয়ই থাকব। না হলে এই আমাদের শেষ দেখা। আমি কিন্তু আর কখনও ঘরে ফিরব না।

    তোমার কী হল তা জানি না। যদি তাই হয় তা হলে জেনো, আমাদের বাড়িতে তোমার অবারিত দ্বার।

    চাঁদু গোলাপের একটা হাত ধরে বলল, যদি তুমি আমাকে বন্ধুর মতো ভাবো তা হলে আমি তোমাকে দেখব বোনের মতো।

    সেভাবেই বলেই বলল, না। আর দেরি নয়। চলো আমরা অমরকণ্টকে ফিরে যাই। গিয়ে সব কথা সকলকে বলি। তুমিও আমার সব শুনবে।

    চাঁদু ও গোলাপ যখন সেই গুহা থেকে বেরিয়ে এল বাইরে তখন প্রচুর পুলিশ। অমরকণ্টকের সেই ইনস্পেক্টর আছেন। লছমি, বিরজু আছে। আর আছেন সিদ্ধিবাবা।

    সিদ্ধিবাবা আনন্দে উল্লসিত হয়ে বললেন, ওই ওইতো ছেলেমেয়ে দুটো। লছমিবেটির কথাই তো ঠিক দেখছি।

    চাঁদু আর গোলাপ সিদ্ধিবাবাকে প্রণাম করল।

    লছমি ছুটে এসে চাঁদুর হাতদুটি ধরে বলল, তুম কাঁহা থে দাদা?

    চাঁদু বলল, আমার স্বপ্নের বুলানারায়। কিন্তু তুই সেই যে গেলি, আসতে অত দেরি করলি কেন? তাই তো আমি ওই খারাপ লোকদুটোর পাল্লায় পড়ে গেলাম। মুছে মাফ কর দো।

    দিলাম। তবে ওদের পাল্লায় পড়ে আমার খারাপ হয়নি। ভালই হয়েছে।

    সিদ্ধিবাবা বললেন, হঠাৎ কীভাবে কী হয়ে গেল আমাকে একটু বুঝিয়ে বলো তো শুনি। আমি তো সকালেই তোমার সঙ্গে দেখা করলাম। তারপর তুমি এখানে এলে কী করে?

    চাঁদু সব বলল।

    সব শুনে স্তব্ধ হয়ে গেল সকলে। সবাই তখন হইহই করে ছুটে চলল সেই বন্দিগুহায়।

    চাঁদুর কাছে চাবি ছিল। তাতেই তালা খুলে ভেতরে ঢুকেই টেনে বার করল রকি ও তার সঙ্গীদের। সেই সঙ্গে সন্দীপ, শংকর ও অর্জুনের লাশ। সন্দীপের হাতকড়ার চাবি মুশার কাছে ছিল। ওর পকেট হাতড়ে সেই চাবি বার করে হাতকড়া খোলা হল সন্দীপের। এরপর শুরু হল ঘরে ঘরে হানা দিয়ে তল্লাশি। অর্ধমৃত মুশাকেও অ্যারেস্ট করা হল।

    চাঁদ সিদ্ধিবাবাকে বলল, বাবাজি, আপনি কীভাবে জানতে পারলেন আমার খবর?

    বাবাজি দেখিয়ে দিলেন লছমিকে।

    লছমি যা বলল, তা হল এই— ও তো চাঁদুকে বসিয়ে রেখে বাড়ি চলে গেল। সেখানে ওর ঘরের কাজ সামান্য একটু সেরে কিছু লাড্ডু আর চানা সঙ্গে নিয়ে ফিরে এসে দেখল চাঁদু নেই। প্রথমটায় ভাবল এদিক সেদিক কোথাও গেছে বুঝি। আবার একবার হাসপাতালেও ফিরে এসে দেখল। কিন্তু কোথায় কে? ও তখন উঁচু একটা গাছের ডালে উঠেই দেখতে পেল দু’জন লোকের সঙ্গে বহু দূরে চাঁদু কোথায় যেন যাচ্ছে। গাছ থেকে নেমে ও যে কী করবে তা ভেবে পেল না। কেন না ও তো চাঁদুর মুখে ওর কথা সব শুনেছে। তাই ও বুঝতে পারল সে নিশ্চয়ই রকির লোকেদের পাল্লায় পড়ে গেছে। ঠিক এই সময়ই এসে পড়েছিল বিরজু। সে এসেছিল চাঁদুকে দেখতে।

    লছমি চিনত বিরজুকে। তাই ছুটে গিয়ে ওকে সব কথা বলল। সব শুনেই বিরজু অমরকণ্টককে ফোন করে জানিয়ে দিল সব কথা। অমরকণ্টকও জানাল অনুপপুরকে। বিরজু আর লছমি অনুপপুর পুলিশের গাড়িতে চেপে বুলানারায় এল। সিদ্ধিবাবাও এলেন অমরকণ্টকের দিক থেকে। তিনি যখন ফিরে আসছিলেন ঠিক সেই সময়েই পথে অমরকণ্টকের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ হয়ে গেলে তিনিও ওদের সঙ্গেই চলে এলেন। সবে ওনারা নেমে কীভাবে কোনদিক দিয়ে তল্লাশি শুরু করবেন ভাবছেন এমন সময়ই চাঁদু ও গোলাপের দেখা পেলেন ওঁরা।

    পুলিশের কাজ পুলিশ করতে লাগল। অন্য একটা জিপে সিদ্ধিবাবা সকলকে নিয়ে অমরকণ্টকে ফিরে এলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }