Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমরকণ্টক রহস্য – ১২

    বারো

    চাঁদু আর গোলাপ আবার যখন সার্কিট হাউসে ফিরে এল দুপুর তখন গড়িয়ে গেছে। খিদে পেয়েছে দু’জনেরই। লছমি চলে গেছে সিদ্ধিবাবার আশ্রমে। দু’-একটা দিন সেখানে থেকে আবার ও ফিরে যাবে ওর নিজের কাজে, অনুপপুরের হাসপাতালে।

    টাকা-পয়সা চাঁদুর কাছে যেমনটি যা ছিল তা ঠিকই আছে। শুধু জিনিসপত্তরগুলোই যা খোয়া গেছে।

    চাঁদু বলল, কিন্তু আমি ভেবে পাচ্ছি না তুমি কী করে রকির পাল্লায় পড়লে? গোলাপ বলল, এখনই শুনবে? বড্ড খিদে পেয়েছে কিন্তু। তা হলে চলো। খেতে খেতেই গল্প করা যাবে।

    অমরকণ্টকের সব হোটেলেই খাওয়াদাওয়া ভাল। এক এক সময় মনে হয় জায়গাটা কী ভারতের বাইরে? না হলে এই ‘নেই নেই’-এর দেশে এরা এত সব ভাল ভাল খাবার পায় কোত্থেকে?

    বেশ তৃপ্তির সঙ্গে খেতে খেতে গোলাপ ওর কথা বলতে লাগল, তুমি তো চলে গেলে অনুপপুরে। আমার মনটা কেমন যেন বিষাদে ভরে উঠল। বেশ তো বন্ধুর মতো ছিলুম দু’জনে। তার ওপর সবাই আমাকে জোর করতে লাগল বিলাসপুরে ফিরে যাবার জন্য। আমি আর কী করি, আমার জিনিসপত্তর আনতে যাবার নাম করে সার্কিট হাউসের টাকা মিটিয়ে মালপত্তর নিয়ে সোজা পালাতে গেলুম কপিলধারার দিকে। ভেবেছিলাম বাবাজির আশ্রমে গিয়ে সব কথা বলে ওইখানে থেকে যাব দু’-একটা দিন। তুমি ফিরে না আসা পর্যন্ত। তারপর সোজা তোমাকে নিয়ে চলে যাব আমাদের বাড়িতে। আসলে কী জানো, বুদ্ধিভ্রম আমারও হয়েছিল। যেমন ধরো, হাওড়া স্টেশনে, হাওড়া শহরে বা তোমার বাড়ির কাছে তোমার বিপদ হলেও ধানবাদে তো নয়। আর ধানবাদে যেতে হলে যে হাওড়ায় আমাদের যেতেই হত তারই বা কী মানে আছে? টাটানগর থেকেও তো আসানসোল হয়ে সব মুকিলের আসান করা যেত।

    চাঁদু বলল, তা যেত। তবে ভাগ্যে এখানে এসে পড়েছিলাম, তাই তো শত্রুমুক্ত হলাম। জুলিটারও খবর পেলাম! ওর মায়ের কী অবস্থা বলো তো?

    গোলাপ বলল, সত্যি, এই তীর্থভূমির কিন্তু মহাত্ম্য আছে। জাগ্রত অমরেশ্বর, মা নর্মদা, আমাদের কীভাবে রক্ষা করলেন তা ভাবা যায়? মা নর্মদা চিরকুমারী। তাই বুঝি আমার অবমাননা মা সহ্য করলেন না। আর আমার মতো অসহায় যারা, তাদের যারা উৎপীড়ন করে তাদেরও ধরিয়ে দিলেন তোমার আমার হাত দিয়ে।

    চাঁদু বলল, আমিও কী আশ্চর্য উপায়ে বেঁচে গেলাম বলো তো? ওই মুশাটা

    যদি আমাকে জল খাওয়াতে না গিয়ে সত্যিই ফেলে দিত তা হলে কী করতাম? গোলাপ বলল, আমি কপিলধারার পথে গাছপালার ছায়ায় ছায়ায় আড়ালে লুকিয়ে যখন খানিকটা এসেছি, তখনই হঠাৎ কয়েকজন লোক আমাকে পিছনদিক থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে একটা জিপে তুলে নিল। তারপর নাকে একটা ক্লোরোফর্ম দেওয়া রুমাল এমনভাবে চেপে ধরল যার ফলে আর কিছুই আমার মনে নেই। জ্ঞান যখন ফিরল, তখন আমি ওই অভিশপ্ত গুহায়। যে গুহায় পাষাণে মাথা খুঁড়ে অনেক মেয়েই একটু আলোর প্রত্যাশা করেছে। অথবা ফুরিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে কোথাও কোনও দূর জনপদে।

    খাওয়াদাওয়ার পর ওরা পায়ে পায়ে নর্মদা মায়ের মন্দিরের কাছে এল। আজ আর আরতি না দেখে সার্কিট হাউসে ফেরা নয়। রাতের খাওয়ার তো প্রয়োজন নেই। খুব বেশি হলে ঘণ্টাখানেক বাদে হয়তো এক কাপ চা খেতে পারে।

    মন্দিরের গায়ে নর্মদাকুণ্ডের সিঁড়িতে বসে গোলাপ বলল, এবার তোমার কথা বলো। এরই মধ্যে এমন কী হল তোমার যে তুমি আর বাড়িতেই ফিরতে চাও না?

    চাঁদু বলল, হ্যাঁ বলব। সব কথা খুলে বলব তোমাকে। তোমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করবার আগে আমার পরিচয়টা তোমার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাওয়া দরকার। হয়তো সব শুনলে তুমি এখুনি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে। তা যাও। তবু আত্মপরিচয় আমি কিছুতেই গোপন করব না।

    কী সব আজেবাজে বকছ তুমি?

    শোনো গোলাপ, তোমার সঙ্গে পরিচয় হবার আগে আমি নিজেও কিন্তু জানতাম না আমি কে।

    কে তুমি?

    একজন কুখ্যাত সমাজবিরোধী, ওয়াগন ব্রেকার এবং এক খুনি বেড়ালতপস্বীর ছেলে আমি।

    গোলাপ হেসে বলল, এইসব কে মাথায় ঢোকাল তোমার?

    চাঁদু তখন লছমির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসার পর থেকে সমস্ত ঘটনা আগাগোড়া বলল গোলাপকে।

    সব শুনে গোলাপ বলল, হ্যাঁ, এইসব শুনে সত্যিই নিজের ওপর ধারণাটা খুবই খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু চাঁদুদা, তুমি তো শিক্ষিত ছেলে। বাল্মীকির উপাখ্যান পড়নি? সেই যে ‘চ্যবন ঋষির পুত্র নাম রত্নাকর।’ মনে আছে, দস্যু রত্নাকর যখন তার পাপের ভাগ নেবার জন্য তার বাবা-মা-স্ত্রী প্রত্যেকের কাছে গেল তখনকার কথা? কী বলেছিলেন তাঁরা? বলেছিলেন, তুমি পুত্র, তুমি স্বামী। আমাদের প্রতিপালন করবার দায়িত্ব তোমার। তুমি সৎপথে উপার্জন করে আমাদের পালন করবে কি দস্যুবৃত্তি করবে তা আমরা কি জানি? আমরা তোমার কর্তব্যের সুযোগ নেব। কিন্তু পাপের ভাগ তো নেব না। আমাদের কি দোষ? তেমনি বাবা-মা তোমাকে জন্ম দিয়েছেন, পালন করেছেন। এই যথেষ্ট। তাঁরা কীভাবে কী করছেন সে দেখবার অধিকার তো তোমার নেই। এখন তুমি বড় হয়েছ, বুঝতে শিখেছ। এখন যদি তুমি সৎ আদর্শে অনুপ্রাণিত হও তবে ওদের মন্দ যা কিছু তার কিছুই তুমি গ্রহণ করো না। দৈত্যকুলেও প্রহ্লাদ জন্মায়। তুমি যদি সৎভাবে জীবন কাটাতে চাও নিশ্চয়ই আমার সহযোগিতা পাবে। তুমি আমাদের কাছেই থাকবে। তোমার বাবা যদি নিজের ভুল বুঝতে পেরে থাকেন, তিনি যদি তাঁর মত এবং পথ পরিবর্তন করে থাকেন, তবে নিশ্চয়ই তোমার সাধুবাদ জানানো উচিত তাঁকে। তাই রাগের মাথায় এমন কিছু করো না যাতে তিনি দুঃখ পান বা অপমান বোধ করেন।

    কথা বলতে বলতে কখন যে সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হয়েছে তা কারও খেয়ালই নেই। শীত পাচ্ছে খুব। আরতি শুরু হচ্ছে। মন্দিরে কাঁসর ঘণ্টা বেজেও উঠল। ওরা ভেতরে ঢুকল।

    আরতির প্রসাদ নিয়ে যখন ওরা বাইরে এল তখন হঠাৎ বিরজুর সঙ্গে দেখা। বিরজু বলল, কাঁহা গয়ে থা দোস্ত? তোমাদের ছুঁড়তে ছুঁড়তে হাম তো হয়রান হো গিয়া। চলো থানায় চলো।

    চাঁদু বলল, আবার থানা! কী ব্যাপার?

    আরে চলো না ইয়ার।

    ওরা তিনজনেই থানায় এল।

    পুলিশ ইনস্পেক্টর ওদের সস্নেহে বসতে বলে বললেন, দেখো তো ও সামান তুমহারা কি নেহি?

    গোলাপ ও চাঁদু দু’জনেই বলল, হ্যাঁ। এই তো আমাদের সবকিছু। কোথায় পেলেন?

    বিরজু বলল, ওগুলো সাইকেলে চেপে খুঁজে আমিই উদ্ধার করেছি। ইনাম মিলেগা তো?

    গোলাপ বলল, জরুর।

    পুলিশ এবার ধীরে সুস্থে ওদের দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সবকিছু জেনে নিল। এমনকী জুলি যে হত্যাকারী নয় সে খবরও পেয়ে গেল চাঁদুর মুখে। মেয়েটি অপহৃতা। এবং সে চম্পায় আছে জেনে অমরকণ্টক-পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ফোনে জানিয়ে দিল বিলাসপুরকে। বিলাসপুর খবর দিল চম্পাকে। মাত্র কয়েকটা মিনিটের ব্যাপার।

    চাঁদু আর গোলাপ পরদিন সকালেই চম্পায় যাবার মন করে ফিরে এল সার্কিট হাউসে। এবার বিশ্রাম।

    বিছানায় শোয়া মাত্রই ক্লান্তিতে এলিয়ে পড়ল দেহটা। সারাটা দিন যে কীভাবে কেটেছে তা ওরাই জানে। একেই অসুস্থ শরীর চাঁদুর। মাথার মধ্যে তাই টিস টিস করতে লাগল। খুব খারাপ লাগল ওর। এ সময় একটু সেবার প্রয়োজন ছিল। অমরকণ্টকে না এসে অনুপপুরেই ফিরে গেলে ভাল করত বোধহয়। হাসপাতালে ওষুধ, নার্সিং দুই-ই পেত।

    পরদিন সকালে ঘুম যখন ভাঙল তখন অনেকবেলা হয়ে গেছে। রোদ্দুরে ঝলমল করছে চারদিক। কিন্তু চাঁদুর আর ওঠার ক্ষমতা নেই। সারাটা গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে।

    গোলাপ ছুটে গিয়ে বিরজুকে খবর দিতেই, বিরজু ডাক্তার ডেকে আনল। ওর বাবা-মা এল।

    ডাক্তারবাবু সব দেখে শুনে বললেন, ভয়ের কিছু নেই। টিটেনাস দেওয়া আছে। তা ছাড়া অতিরিক্ত পরিশ্রম, ঠান্ডালাগা এবং উৎকণ্ঠার জ্বর এটা। এখন ফুল রেস্ট আর ব্যথা মরার কয়েকটা ক্যাপসুল খেলেই ঠিক হয়ে যাবে। গোলাপ টাকা দিতে গেলে ডাক্তারবাবু নিলেন না।

    বিরজু প্রেসক্রিপসনটা হাতে নিয়ে গোলাপের টাকায় কয়েকটা ক্যাপসুল কিনে এনে দিল।

    সিদ্ধিবাবা আর লছমিও এসে হাজির হল একটু পরে।

    সার্কিট হাউসের এই ঘরটা ভরে উঠল সকলের আনাগোনায়। এই দূর দেশে চাঁদুর একবারের জন্যও মনে হল না যে সে নিজের বাড়িতে নেই। বিরজুর বাবা কেটলি ভরতি গরম চা এনে খাওয়ালেন সকলকে। লছমি ওদের ঘরটা ঝেড়েমুছে বিছানাটা গুছিয়ে দিল। যেন এখানেও ও ডিউটি করছে।

    গোলাপ সিদ্ধিবাবাকে বলল, বাবা! আমাদের যদি আরও দু’-একটা দিন এখানে থাকতে হয় লছমিকে রাখুন না আমাদের কাছে?

    সিদ্ধিবাবা বললেন, তা হয় না মা। ও যে লছমি। আর্তের সেবাই ওর ধর্ম। অনুপপুরের হাসপাতালে অনেক রোগী ওর জন্য প্রতীক্ষা করে আছে। ওকে যেতেই হবে মা। আমি ওকে বাসে তুলে দিয়ে আসি।

    চাঁদু ওর পকেট থেকে একশোটা টাকা বার করে লছমিকে দিয়ে বলল, তুই আমার বহিন কা মাফিক। এটা রাখ তুই। কিছু কিনে খাস।

    সে টাকা কিছুতেই নেবে না লছমি। অবশেষে চাঁদু ও গোলাপের অনুরোধে, সিদ্ধিবাবা অনেক করে বলতে তবেই নিতে রাজি হল।

    গোলাপ বলল, ও আর একটা দুটো দিন এখানে থাকলে আমাদের খুব সুবিধে হত। চাঁদুদার এইরকম শরীর খারাপ। তায় আমি একা।

    এমন সময় দরজার বাইরে থেকে কে যেন বলল, কে বলল তুমি একা। আমি

    আছি না? আমাদের দু’ বোনের সেবায় চাঁদুদা শিগগির ভাল হয়ে উঠবে। কণ্ঠস্বর শুনেই চমকে উঠল চাঁদু। এ কী জুলি! তুই এখানে কী করে এলি?

    জুলি তখন নবসাজে সজ্জিতা হয়ে দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। সেই মাজা কালো গায়ের রং, ভ্রমরের মতো চোখ, হাসিখুশি মুখ। দেখলেই ভাল লাগে। জুলি ছুটে এসে চাঁদুকে প্রণাম করে ওর পাশে বসে বলল, কেমন আছ চাঁদুদা? মাথা ফাটালে কী করে?

    আমি ভালই আছি। দুর্বল শরীরে বেশি উত্তেজনা, তার ওপর কাল আরতি দেখতে গিয়ে ঠান্ডাও লেগেছে। তাই জ্বর হয়েছে একটু। ওষুধ খেয়েছি। সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু তুই কার সঙ্গে এলি?

    জুলি বলল, যে দেবতা আমাকে দানবদের কবল থেকে উদ্ধার করেছিলেন তিনি আমাকে চম্পার মাতৃমন্দিরে রেখেছিলেন। সেখানে মেয়ের মতোই ছিলাম। দেখছ না আমার সাজপোশাক। কী চমৎকার একখানি শাড়ি পরেছি। আমি ওঁদের কাছে দীক্ষা নিয়েছি। তা কাল রাত্তিরবেলা পুলিশ আমাকে সেখান থেকে নিয়ে আসে বিলাসপুরে। তারপর এখানে। তোমার বাবা, গোলাপদির বাবা সবাই এসেছেন। একই সঙ্গে এসেছি আমরা। উঃ কী বিপদ গেল বলো তো? গোলাপ বলল, ওঁরা কোথায়।

    থানায় আছেন। আসবেন এখুনি। আমি বিরজুদার সঙ্গে এলাম।

    চাঁদু বলল, ওরে বাবা। এর মধ্যেই বিরজুর সঙ্গে দাদা পাতিয়ে ফেলেছিস? বাঃ রে। আমার কত দাদা। তাই তো বোনের কোনও বিপদ হল না। আমার বাড়ির খবর কিছু জান চাঁদুদা?

    চাঁদু বলল, কিছুই জানি না রে। আমিও তো ঘর ছাড়া। তবে তোকে হারিয়ে ওদের আর দিন কাটছে না। আমার বাবা, কেষ্ট মিত্তির, সমাজের এই সমস্ত মাথাওয়ালা লোকেরা যতদিন মাথা উঁচু করে থাকবেন ততদিন তোর-আমার মতো অভাগাদের ভাগ্যের আকাশে নিত্যনতুন ধূমকেতু উঠবে।

    চাঁদুর কথা শেষ হওয়া মাত্রই তারাপদবাবু ও সোমনাথবাবু ঘরে এলেন। ছোট্টঘরে এত লোক আর ধরে না। সঙ্গে পুলিশের লোক।

    তারাপদবাবু বললেন, কেমন আছ তুমি?

    চাঁদু কোনও উত্তর না দিয়ে মুখ নামিয়ে নিল। গোলাপ ছুটে গিয়ে ওর বাবার বুকে মাথা রাখল। তারাপদবাবু বললে, আমার কথা তুমি শুনতে পেলে না? তারাপদবাবুর মুখটা পাণ্ডুর হয়ে গেল, কী শুনেছ শুনি?

    আপনার সব কথাই আমি সন্দীপদার মুখে শুনেছি।

    শালিমারের সেই অন্ধকার দিনগুলোর সব কথাই শুনেছি। যদি অনুমতি দেন তো সবার সামনেই চেঁচিয়ে বলি।

    তারাপদবাবু উত্তেজনা দমন করে বললেন, কোথায় সেই পাজি হতচ্ছাড়া শয়তানটা ?

    সে একজন সমাজবিরোধীর ছেলের জীবনরক্ষা করতে গিয়ে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছে।

    গোলাপের বাবা সোমনাথবাবু বললেন, এখন এসব আলোচনা থাক। তোমরা যে বেঁচে ফিরেছ এই ঢের।

    গোলাপ বলল, জান তো বাপি, চাঁদুদা আমার জন্য কত করেছে। ওর জন্যই আবার আমি তোমাকে ফিরে পেলাম। আবার আমি বাড়ি যেতে পারব। এই জুলি নামের মেয়েটাও উদ্ধার হল। সবই চাঁদুদার জন্য। চাঁদুদার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ও আর হাওড়ার ওই বিষাক্ত পরিবেশে থাকবে না। চাঁদুদা ধানবাদে আমাদের বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করবে।

    সোমনাথবাবু বললেন, বেশ তো, ক্ষতি কী? তারাপদবাবু যদি তাঁর ছেলেকে আমাদের কাছে রাখেন তা হলে আমার কোনও আপত্তি নেই।

    তারাপদবাবু বললেন, আমি এক কথায় রাজি। আমার প্রথম জীবনের ভুলের মাণ্ডল যে আমাকে এইভাবে দিতে হবে তা আমি কখনও ভাবিনি। আমি তো ওকে দূরে কোথাও বোর্ডিংয়ে রেখে আসব ভেবেছিলাম।

    সোমনাথবাবু বললেন, কোনও দরকার নেই। ও ধানবাদে আমার ওখানে থেকে আসানসোল কিম্বা চিত্তরঞ্জনে কলেজে পড়বে।

    সিদ্ধিবাবা এতক্ষণ বসে বসে সব শুনছিলেন। এবার লছমিকে নিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ঠিক আছে। আমরা যাচ্ছি। এখন আপনারা আয়াস করুন। নর্মদে হয়।

    চাঁদু দরজা পর্যন্ত উঠে এসে বিদায় জানাল সিদ্ধিবাবাকে।

    ওই সার্কিট হাউসে আরও একটি ঘর পাওয়া গেল। সেই ঘরটা সোমনাথবাবু নিলেন। একটা দিনের ব্যাপার। কালই চলে যাবেন সবাই। জুলি, গোলাপ ও চাঁদু একঘরে রইল শুধু গল্প করার জন্য। সবাই চলে গেলেও বিরজু ছিল ওদের কাছে। চাঁদু ওর হাতে টাকা দিয়ে গরম গরম শিঙাড়া, কচুরি, লাড্ডু, জিলিপি ইত্যাদি আনতে দিল। বেশি করেই আনতে বলল। যাতে তারাপদবাবু ও সোমনাথবাবুও ভাগ পান।

    বিরজু চলে গেলে চাঁদু জুলিকে বলল, তোর কী ব্যাপার বল তো? কীভাবে কী হল সেদিন। সন্দীপদার সঙ্গে তোর পরিচয় কীভাবে হল?

    জুলি বলল, আবার কেন সেই অভিশপ্ত দিনটার কথা মনে পড়িয়ে দিচ্ছ চাঁদুদা ?

    না হলে সবকিছুই যে অস্পষ্ট হয়ে যাবে।

    তোর মুখে তোর বিপদের কথা শুনতে হবে

    না?

    জুলি বলল, তুমি তো আমাকে কচুরি কিনতে পাঠালে। আমিও গেলাম। তখন সন্ধের মুখ। হঠাৎ মোড়ের মাথায় গিয়েই দেখি একজনদের রকে বসে গল্প করছে ওই রাজু শয়তানটা। আমি জানতাম ও নলহাটিতে বোর্ডিং-এ আছে। কিন্তু এইভাবে যে ওকে এখানে দেখব তা ভাবিনি। তাই ভয়ে সিঁটিয়ে গেলাম।

    রাজু আমার ভয় দেখে আড্ডা ছেড়ে উঠে এসে বলল, কীরে কালটি! এত ভয় পেলি কেন? আমি আর আগের মতো নেই। অনেক ভাল হয়ে গেছি। এখন থেকে আমি ভাল ছেলেই হয়ে থাকব। তোর দাদা আর ওই চেঁদোটা একবার আমাকে পিটিয়েছিল মনে আছে?

    সেটা তুমি আমাকে বিরক্ত করেছিলে তাই।

    ওদের বলিস, আমি আবার ফিরে এসেছি। ওদের সঙ্গে আমি দোস্তি চাই।

    আগেকার সব কথা যেন ভুলে যায় ওরা।

    বেশ বলব। এখন আমার পথ ছাড়ো।

    না ছাড়লে?

    চেঁচাব।

    রাজু একটা শিশি বার করে বলল, এটাতে কী আছে জানিস? জানি না।

    অ্যাসিড আছে। তোর মুখ তো এমনিতেই কালো। ওখানে আর ঢেলে কী হবে? তবে তোর ওই লালটুস চাঁদুদা, ওর বদন আমি বেগড়াবই। অনেকক্ষণ তোদের ঘরে গিয়ে ঢুকেছে। একবার আমার কাছে পাঠিয়ে দে। না হলে তুইও কিন্তু ছাড় পাবি না।

    আমি বললাম, পারব না।

    বলার সঙ্গে সঙ্গেই আমার মুখে অ্যাসিডটা ঢালবার জন্য শিশি থেকে ছিপিটা খুলল রাজু। এবং ঠিক সেই মুহূর্তে কে যেন আমাকে অন্ধকারের দিকে টেনে নিয়ে গেল। পরক্ষণেই রাজুর আর্তনাদ শুনতে পেলাম। যে আমাকে টেনে নিয়ে গেল সে আমার পেটের কাছে ছোরা ঠেকিয়ে মন্টুদার গ্যারেজে নিয়ে ঢোকাল। অন্ধকার ভাঙা গ্যারেজ ঘর। বলল, খবরদার চেঁচাবি না। আর তুই পালাতে পারবি না। পালালেও বাঁচবি না। এখন থেকে তুই আমাদের। আমরা তোকে যেখানে নিয়ে যাব যাবি। যদি আমাদের কথা না শুনিস, তা হলে কিন্তু তোর মা আর দাদাকে হারাতে হবে। মনে থাকবে?

    আমি কেঁদে বললাম, তোমরা যে যা বলবে আমি তাই করব। আমার দাদার কোনও ক্ষতি কোরো না তোমরা।

    ঠিক তো? আমাদের কথা শুনলে আমরা কারও ক্ষতি করব না। তোরও না। তা ছাড়া এখন আমরা তোকে ছেড়ে দিলেও তোর বিপদ কিন্তু কমবে না। দেখলি তো রাজুটা কীভাবে খুন হল?

    খুন হতে আমি দেখিনি তো?

    আঃ। চেঁচানি তো শুনেছিস। এতক্ষণে ওর লাশ চলে গেছে হাওয়াপুকুরের ধারে। ওর বন্ধুরা কিন্তু তোর সঙ্গেই ওকে দেখেছে। তারপরই এই খুন। সবাই কী ভাববে বল তো? তুই-ই খুনটা করেছিস। তার ওপরে ওর বাবা আবার কেষ্ট মিত্তির। তাই বলছি আমরা ছেড়ে দিলেও তোকে কিন্তু সারাজীবন জেলের ঘানি টানতে হবে। নয়তো লটকাতে হবে ফাঁসির দড়িতে। আর আমাদের সঙ্গে এলে তোর হবে সুখের জীবন। তা ছাড়া ও তো অ্যাসিড দিয়েই পুড়িয়ে দিচ্ছিল তোর মুখটাকে। সারাজীবন এই মুখ নিয়ে কী করতিস? আমরা সেদিক থেকেও তোকে বাঁচিয়ে দিয়েছি।

    আমি বললাম, আমি কোনওরকম গোলমাল করব না। তোমরা যে যা বলবে তাই শুনব।

    এই তো লক্ষ্মী মেয়ের মতো কথা। তা ছাড়া আর দু’দিন বাদে একটু বড় হলে শ্বশুরবাড়ি তো তোকে যেতেই হত। মনে কর না সেইরকম কোথাও যাচ্ছিস। আমি দু’ ফোঁটা চোখের জল ফেলে অনুসরণ করলাম ওদের।

    ওরা সেই রাতে আমাকে খড়্গপুরে নিয়ে গিয়ে রাখল। পরদিন আবার ট্রেনে করে কোথায় যেন নিয়ে চলল ওরা। এইসময় ট্রেনের মধ্যেই দেখা হল সেই দেবতার সঙ্গে। ওদের সঙ্গে আমাকে দেখে অনেকক্ষণ থেকেই নজরদারি করছিলেন তিনি। পরে আমি যখন বাথরুমে গেছি তখন আমার কাছে এসে চুপি চুপি জিজ্ঞেস করলেন সব কথা। আমি ভয়ে ভয়ে সব বললাম।

    উনি বললেন, তোর কোনও ভয় নেই। তুই আমার সঙ্গে আয়। তারপর দেখছি ওদের দৌড় কত।

    কিন্তু আপনার সঙ্গে গেলে যদি ওরা আমার মা বা দাদার কিছু করে?

    কিছু করবে না। তুই চলে গেলেই ওরা ভুবন অন্ধকার দেখবে। তুই যদি পুলিশকেও বলে দিস ওদের কথা, সেই ভয়ে ওরা আর কোনওরকম গোলমাল করবে না। তুই নির্ভয়ে চলে আয় আমার সঙ্গে। ,

    আমার কেন জানি না মনে হল উনি ঠিকই বলছেন। তাই আমি ভাগ্যের হাতে

    নিজের ভবিষ্যৎ সঁপে দিয়ে তখনকার মতো ওদের নজর এড়াবার জন্যে গাড়ির ভেতরে ভেতরে খানিকটা এগিয়ে নিজেকে আড়াল করলাম। তারপর সেই দেবতার সঙ্গে নেমে পড়লাম পরের স্টেশনে। স্টেশনটার নাম চম্পা। উনি বললেন, দেখ, আমি যে তোকে নামিয়ে নিলাম এটা কিন্তু ওরা বুঝতে পারবে। তাই ওদের যত রাগ পড়বে আমার ওপর। আমি অবশ্য তাতে ভয় পাই না। কিন্তু আমি তোকে যেখানে নিয়ে যাচ্ছি তুই সেখানে সাবধানে থাকবি। একদম ঘর থেকে বেরোবি না। সময়মতো হাওয়া বুঝে তোর বাড়িতেও আমি খবর দেব। তারপর ওই শয়তানদুটোকে সমুচিত শিক্ষা দিয়ে আমি নিজে তোকে পৌঁছে দিয়ে আসব তোর বাড়িতে। ইতিমধ্যে পারি তো ওই কেষ্ট মিত্তিরকেও দেখে নেব।

    চাঁদু বলল, সন্দীপদা কত মহৎ। যাক, ভগবান রক্ষে যে ওর নজরে পড়ে গিয়েছিলি তুই। আর কালচক্রে ওরা নিজেরাই ফেঁসে গেল বলে তোকে-আমাকেও বেশিদিন বাইরে থাকতে হল না।

    বিরজু খাবার নিয়ে এলে, সেই খাবার ভাগ করে খেল সবাই। তারাপদবাবু ও সোমনাথবাবুও বাদ গেলেন না। খেতে খেতেই ঠিক হল দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর একটা টাঙ্গায় করে অমরকণ্টকের সবকিছুই ঘুরে দেখে নেবেন ওরা। চাঁদুর ইচ্ছে হলে ওদের সঙ্গে যাবে। না হলে শুয়েবসেই কাটিয়ে দেবে সময়টা। কাল সকাল হলেই চলে যাবার তাড়া। এই তীর্থভূমি যতই রমণীয় হোক, আর এখানে পড়ে থাকা ঠিক নয়। কেন না মুখে কিছু না বললেও জুলির মনটা ওর বাড়ির জন্য ছটফট করছে তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }