Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিঘা সৈকতে আতঙ্ক – ৬

    ছয়

    এদিকে স্থানীয় পুলিশ তো বিভিন্ন সূত্র ধরে চারদিকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে তদন্ত শুরু করল। জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে চলল জোর তল্লাশি। অসমঞ্জবাবু নিজে একজন গোয়েন্দা হয়েও ঘটনাটা কীভাবে কী ঘটে গেল তার বিন্দুমাত্র আঁচ করতে পারলেন না। অবশ্য দোষও নেই। একদিকে স্ত্রীর ওই অবস্থা, অন্যদিকে নিজেও পুত্রশোকাতুর। যত বেশি ভাবেন, যত বেশি চিন্তা করেন, ততই হতাশ হন। সাধারণ বুদ্ধিমত্তাও যেন হারিয়ে ফেলেন মাঝে মাঝে।

    বাপ্পার অন্তর্ধান রহস্য তাঁকে একদিকে যেমন ভাবিয়ে তুলল, অপরদিকে তেমনি বিস্মিতও করল। কেন না এইসব ক্ষেত্রে সাধারণত যা হয়, বাপ্পার বেলায় তা হল না। ছেলেটাকে নিয়ে যাবার পর এতখানি সময় পার হয়ে গেল, অথচ ছেলেটার মুক্তিপণ দাবি করে কেউ কোনও চাপ সৃষ্টি করল না। বিশেষ করে ছেলেটা যখন টাকা-পয়সা বা সোনার গয়না নয় যে, একবার হারিয়ে গেলে আর ফেরত আসবে না। আসলে ছেলেটা তো ছেলেই। কাজেই ছেলেটাকে যদি কেউ অপহরণ করে থাকে, তা হলে তাকে আটকে রেখে অসম্ভব রকমের কোনও একটা প্রস্তাব নিয়ে কেউ-না-কেউ চিঠিপত্তর দেবেই। কিন্তু না। এক্ষেত্রে তা হল না। কোনও দাবিদারই এগিয়ে এল না তার সীমাহীন কোনও চাহিদা নিয়ে।

    অসমঞ্জবাবুকে এই ব্যাপারটাই সবচেয়ে বেশি পীড়া দিল। বাপ্পাকে কিডন্যাপ করে কেউ যদি তার কোনও দাবি পেশ না করে, তা হলে কী উদ্দেশ্যে এবং কী কারণে নিয়ে গেল ছেলেটাকে? ওকে হত্যা করাও যদি উদ্দেশ্য হয়, তা হলেও তো এতক্ষণে ওর লাশ কোথাও-না-কোথাও পাওয়া যেত। এইসব নানারকম চিন্তা-ভাবনার ঢেউ মাথার মধ্যে খেলতে লাগল অসমঞ্জবাবুর। কিন্তু তবুও তিনি নিজে কোনও স্থির সিদ্ধান্তে আসতে পারলেন না।

    অসমঞ্জবাবু পুলিশের লোক হয়েও মনে মনে ঠিক করেছিলেন বাপ্পার মুক্তিপণ চেয়ে কেউ যদি কোনও অসম্ভব রকমের কিছু চেয়েও বসে, তবে তা দিতেও তিনি পিছপা হবেন না। বেশি ঘাঁটাঘাঁটি না করে দুর্বৃত্তদের হাতে যথাসর্বস্ব তুলে দিতেও তিনি সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন। কিন্তু কই? সেরকম সম্ভাবনা নিয়েও কেউ তো এল না? তবে কি ছেলেটা আদৌ অপহৃত হয়নি? তবে কি থানা-পুলিশ নিয়ে বড্ড বেশি ঘাঁটাঘাঁটি হয়ে গেছে বলে কেউ আসতে চাইছে না? কিন্তু আসবে তো উড়োচিঠি। তাই বা আসছে না কেন?

    ভাবতে ভাবতে পাগল হয়ে যাবার উপক্রম হল।

    অসমঞ্জবাবুর চোখদুটি ভরে উঠল জলে। কতরকম ভাবতে লাগলেন তিনি। মনে মনে ঠিক করলেন, একবার—শুধু একবার যদি বাপ্পাকে ফিরে পান, তা হলে পুলিশের চাকরিতে আর নয়। তাঁর তো টাকা-পয়সার অভাব নেই। পৈত্রিক সম্পত্তি এবং ব্যাঙ্কের টাকা যা আছে, তাতে চাকরি না করলেও চলে যাবে তাঁর। দেওঘর, গিরিডি কিংবা ঘাটশিলার কোনও নির্জন পরিবেশে গিয়ে শান্তিতে বসবাস করবেন। কলকাতার ওই বিষাক্ত পরিবেশে আর নয়। তবে কিনা এ সবই অবাস্তব চিন্তা। আসলে যার জন্য এত চিন্তা-ভাবনা সে কই? কোথায় বাপ্পা? বাপ্পাকে কি আর কখনও ফিরে পাবেন? সে কি সত্যি বেঁচে আছে?

    দূরাগত মোটর বাইকের শব্দে চিন্তার জাল ছিঁড়ে গেল অসমঞ্জবাবুর। এখানকার একজন ছুঁদে পুলিশ অফিসার মি. কাঞ্জিলাল এসে হাজির হলেন। তাঁকে বেশ উদ্বিগ্ন ও উত্তেজিত মনে হল।

    অসমঞ্জবাবু আশান্বিত হয়ে বললেন, কোনও খবর আছে?

    কেন? কোনও হদিস-টদিস পাওয়া গেল?

    আপনাকে এখনই একবার থানায় যেতে হবে স্যার।

    একবার থানায় আসুন।

    অসমঞ্জবাবু অশুভ চিন্তায় থর থর করে কাঁপতে লাগলেন। ভয়ে ভয়ে বললেন, কেন? ছেলেটার ডেড বডি দেখতে?

    না না। সেসব কিছু নয়। তবে সন্দেহভাজন একজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। এবং এ লোকটা এক দাগি আসামি।

    অসমঞ্জবাবু হতাশ হয়ে বললেন, তাতে আর লাভ কী? ওকে মোচড় দিলে কি আমার ছেলের খোঁজ পাওয়া যাবে?

    লাভ আছে বইকী। আমার মনে হয় একে মোচড় দিলেও কিছু বেরোবে। কেন না এ সেই রুমালের মালিক। ইতিপূর্বে দু’-একটা ছেলেচুরির কেসেও জড়িত ছিল। এবং ও একজন জেল পলাতক কয়েদি।

    অসমঞ্জবাবু সোজা হয়ে উঠে দাঁড়ালেন, কী বললেন? এ সেই রুমালের মালিক? মানে, যে রুমালটা আমি সকালে কুড়িয়ে পেয়েছিলাম? হ্যাঁ।

    কী করে ধরলেন ওকে?

    ধরেছি। ওর এক সঙ্গীও আছে। তাকেও ধরবার চেষ্টা করছি। কিন্তু পারছি না। অসমঞ্জবাবুর একটু আগের স্নায়বিক দুর্বলতা কেটে গেল। এখন আবার উনি সেই পুলিশ। তাঁর পুলিশিরক্ত টগবগিয়ে উঠল। শিরদাঁড়া টান-টান করে বললেন, কান যখন হাতের মুঠোয়, মাথাও তখন নাগালের মধ্যে। মেরে হাড় গুঁড়িয়ে দেব ওর। চলুন তো। কিন্তু আমার ছেলের ব্যাপারে কিছু বলেছে কি?

    ওই জন্যেই তো ছুটে এলাম আপনার কাছে। ও বলছে, যা বলবার তা নাকি আপনাকেই বলবে।

    তার মানে ও কিছু জানে।

    সুজাতাদেবী তখনও শয্যাশায়ী ছিলেন। বললেন, দ্যাখো ওকে যেন আগেই তোমরা মারধর করে বসো না। ও যদি আমার বাপ্পার কোনও খোঁজখবর দিতে পারে, তা হলে ওকে কিচ্ছু বলো না তুমি। লক্ষ্মীটি এবারের মতো ওকে ক্ষমা করো।

    অসমঞ্জবাবু সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হয়ে মি. কাঞ্জিলালের বাইকেই থানায় এসে হাজির হলেন।

    ধৃত বন্দি যুবকের দিকে তাকিয়েই চমকে উঠলেন অসমঞ্জবাবু। সর্বনাশ! ছেলেটা এদের খপ্পরে পড়েছে নাকি? বহুদিনের পুরনো এবং কুখ্যাত এক দাগি আসামি। কোনও এক কিশোরী হত্যা মামলায় অ্যারেস্ট হয়েছিল লোকটা। বিচারে দশ বছরের জেল হয়। জেলে গিয়েও মাস ছয়েকের মধ্যে সেখানকার রক্ষীকে মেরে পলাতক হয় ও। ওর এক বন্ধুও আছে। তাকেও ধরেছিলেন। উপযুক্ত সবরকম প্রমাণ লোপ পাওয়ায় সে-যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিল লোকটা, কিন্তু পরবর্তী সময়ে একটা রাহাজানি কেসে ধরা পড়ে ওই একই জেলে দু’জনে মিলিত হয়। এরপরই জেল পালানোর ওই ঘটনা ঘটে।

    অসমঞ্জবাবু ধৃতের মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, কীরে! চিনতে পারছিস? ধৃত লোকটি কোনওরকমে মাথা ঝুঁকিয়ে নমস্কারের ভঙ্গি করল। তারপর বলল, পারছি বইকী।

    শেষকালে আমার ঘরে হাত দিতে এসেছিস তোরা? সাহস তো কম নয়। লোকটি নীরব।

    তোর নামটা কিন্তু ভুলে গেছি।

    আমার নাম রূপেন।

    তোর সেই বন্ধুটা।

    ওর নাম সুখেন।

    হুঁ। তা ছেলেটাকে কোথায় রেখেছিস?

    ভগবান যেখানে রেখেছেন। আমরা কোথাও রাখিনি তাকে।

    অসমঞ্জবাবু জুতোসুদ্ধু পায়ে ওর পেটে সজোরে একটা লাথি মারলেন। লোকটার হাতদুটো পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল। তাই মুখ থুবড়ে পড়ে গেল। অসমঞ্জবাবু ওর চুলের মুঠি ধরে টেনে দাঁড় করালেন ওকে, বল শিগগির। না হলে মেরে হাড় গুঁড়িয়ে দেব একেবারে।

    আপনি বিশ্বাস করুন স্যার। সত্যি বলছি। বাবা চন্দনেশ্বরের দিব্যি আমি কিছুই জানি না।

    কিছুই জানিস না যদি তো আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিস কেন?

    জানতিস না বুঝি আমরা দু’জনে মুখোমুখি হলে এইরকম ভয়ংকর একটা ব্যাপার ঘটবে? বলেই শক্ত রুলের বাড়ি এক ঘা।

    রূপেন যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠে বলল, আপনি বিশ্বাস করবেন না জানি, তবুও বলি আপনার ছেলেকে আমরা ধরিনি। কেনই বা ধরব? তার ওপরে তো আমাদের কোনও রাগ নেই।

    নাই বা রইল। আমার ওপরে তো আছে?

    তা আছে। তবে এই মুহূর্তে আর নেই।

    এমন ঝাড় খাওয়ার পরেও না?

    না। আসলে আপনার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছি অন্য কারণে। আপনার ছেলের ব্যাপারে একটু কথা বলতে এসেছিলাম।

    আমার ছেলের ব্যাপারে! কী কথা?

    আপনার ছেলেটাকে আমরা দেখেছিলাম।

    কখন?

    কাল সন্ধ্যায়। সন্ধে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে তখন। সেই অন্ধকারে। ও মোহনার দিক থেকে আসছিল। এমন সময় আমাদের সঙ্গে দ্যাখা। আমরা দু’জনেই ছিলাম তখন। মানে আমার বন্ধু সুখেনও ছিল। ও-ই প্রস্তাব দিয়েছিল ছেলেটাকে গুম করবার। ও চেয়েছিল ওকে হত্যা করতে। এবং ওকে হত্যা করে আপনার ওপর প্রতিশোধ নিতে। যদিও আমি তাতে রাজি হইনি এবং সে কাজ ওকে করতেও দিতাম না। তবুও আমরা যখন এইসব আলোচনা করছি তেমন সময় হঠাৎ দেখি ছেলেটা নেই।

    সে কী!

    সম্ভবত আমাদের কথাবার্তা ও শুনতে পায় এবং তাতেই ভয় পেয়ে পালায়। ওকে পালাতে দেখে আমরাও ধরবার জন্য ছুটলাম। এমন সময় হঠাৎ কয়েকটা কুকুর ওকে তাড়া করে।

    অসমঞ্জবাবু সশঙ্কিত হয়ে বললেন, সে কী! কুকুরগুলো ওকে আঁচড়ে কামড়ে দেয়নি তো?

    মনে হয় না। তা হলে ছেলেটা চেঁচাত। যাই হোক, আমরা যখন ছেলেটাকে কুকুরের হাত থেকে বাঁচাব বলে ছুটে গেলাম তখন দেখি, ছেলেটা ম্যাজিকের মতো হাওয়া হয়ে গেল। পরক্ষণেই একটা মোটর বাইকের শব্দ। আমরা বুঝলাম কেউ ওকে নিয়ে গেল।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, তা হলে কাল রাতেই তোরা এসে খবর দিসনি কেন আমাকে?

    কেন দেব? আমরা যখন অপহরণ করিনি তখন কেন আমরা নিজেদের জড়াতে যাব? আমরা জেল পলাতক কয়েদি। দাগি আসামি। আমরা কিছু বললেও কি আপনারা বিশ্বাস করতেন? পরে অবশ্য ভেবে দেখলাম কাজটা আমরা ঠিক করিনি।

    অসমঞ্জবাবু দু’হাতে নিজের মাথার চুলগুলো মুঠো করে বললেন, ওফ্। আজ যদি তুই ধরা না-পড়তিস, তা হলে এসব কথা তো জানতেই পারতাম না আমি। ধরা আমি পড়িনি স্যার। কাল সারা রাত ধরে দু’বন্ধুতে যুক্তি করে আজ আমি নিজেই এসে ধরা দিয়েছি। না হলে আমাদের ধরবে কে? এইসব পুলিশ? তুই নিজে এসে ধরা দিয়েছিস?

    হ্যা। আপনাদের কাছে ভাল প্রস্তাব নিয়ে আসারও পুরস্কার তো হাতেনাতে পেয়ে গেলাম। থানার কাছাকাছি যেই না এসেছি, অমনি আপনাদের লোকেরা আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হাতে হাতকড়া লাগিয়ে দিল। সবাই ধরে নিল, আমি বোধহয় ছেলেটাকে আটকে রেখে তার মুক্তিপণ চাইতে এসেছি। কিন্তু এটুকু বুদ্ধি কারও ঘটে নেই যে, মুক্তিপণ চাইতে আমি থানায় আসব কেন?

    অসমঞ্জবাবু বললেন, তুই তা হলে কী জন্যে এসেছিস?

    যদি আপনি আমাকে বিশ্বাস করেন তা হলে বলি। আপনার ছেলের চুরির ব্যাপারে আমি আপনাকে একটু সাহায্য করতে চাই। এবং সেই জন্যেই এখানে এসেছি। তবে একটু ভুল হল, এখানে না এসে যদি আপনার হোটেলটা খোঁজ করে সেখানে দেখা করতাম তা হলে এইসব পুলিশের চোখে সন্দেহভাজন হতাম না। যাক, যেজন্যে আসা সেই কথাই বলি। আমরা দু’বন্ধুই এখন খুব একটা বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে আছি।

    কেন, কী হল?

    আমরা যে কোনওকারণেই হোক আমাদের মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছি এবং দল থেকে বেরিয়ে এসেছি। আমাদের মতো ক্রিমিন্যাল দল থেকে বেরিয়ে এলে আমাদের পরিণাম কী হতে পারে, তা অনুমান করতে পারছেন নিশ্চয়ই? ওরা তোদের মারবার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে। এই তো?

    হ্যাঁ! এবং আমরাও ওদের মারবার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছি। কাল রাতে ওই নির্জনে সেই ব্যাপারেই আলোচনা করছিলাম আমরা। এমন সময় আপনার ছেলের সঙ্গে আমাদের দ্যাখা হয়। স্যার, আমাদের চোখের সামনে থেকে আমাদের মুখের গ্রাস কেড়ে নেবে এমন ক্রিমিন্যাল এ অঞ্চলে নেই। তাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আমাদের গতিবিধির ওপর কেউ নজর রাখছিল এবং আমাদের জালে জড়াবে বলে বা অন্য কোনও মতলবে ছেলেটাকে ওই নজরদাররাই চুরি করে। এটা আমাদের মূল কেন্দ্রের কাজ।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, যদি তাই হয়, তা হলে তোরা কি পারবি আমার ছেলেকে ওদের খপ্পর থেকে বার করে আনতে?

    আপনার সাহায্য পেলে পারব। বিশ্বাস করুন, এই প্রাণ বাঁচানোর জন্যে ছুটোছুটি দৌড়াদৌড়ির খেলা আর ভাল লাগছে না। আমাদের হয়েছে জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ। একদিকে পুলিশের তাড়া, অন্যদিকে আততায়ীর বুলেট। এইভাবে বেঁচে থেকে কী লাভ আছে কিছু? আমার বন্ধু সুখেন, সে তার একমাত্র পুত্রকে হারানোর জন্য আপনাকেই নিমিত্ত বলে মনে করে। কিন্তু পুত্রশোক যে কী জিনিস তা তো সে জানে। তাই অনেক বুঝিয়ে তারও মনের পরিবর্তন ঘটিয়েছি। সেও আপনার ওপর প্রতিশোধ নিতে চায় না। মোট কথা এখন আমরা দু’জনেই আইনের আওতায় আসতে চাই। আপনি আমাদের জেলে ঢোকান, প্রাণে মারুন, যা ইচ্ছে করুন, শুধু যারা আমাদের এই পথে নিয়ে এসেছে, দুনিয়া থেকে বরাবরের জন্যে চলে যাবার আগে তাদের সঙ্গে লড়বার একটা সুযোগ করে দিন। আশা করি আপনার ছেলে আমরাই উদ্ধার করতে পারব।

    তোমাদের কি দৃঢ় বিশ্বাস ওরাই এ কাজ করেছে?

    হ্যাঁ।

    বেশ। আমি তোমাদের বিশ্বাস করলাম। বলে একজন সার্জেন্টকে বললেন,

    লোকটার হাতকড়া খুলে দিতে বলুন তো।

    একজন এসে বন্ধনমুক্ত করল রূপেনকে।

    রূপেন অসমঞ্জবাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বলল, একদিন আমরাও ভদ্রঘরের ছেলে ছিলাম স্যার। কর্মদোষে এবং ভাগ্যদোষে আজ ক্রিমিন্যাল হয়েছি। যাই হোক, আমরা কসম খেয়েছি আর কখনও খারাপ কাজ করব না। এতে অবশ্য আইনের হাত থেকে আমরা রক্ষা পাব না। তবুও ভাল হবার চেষ্টা করে আগেকার পাপের কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করব। তবে আমাদের শত্রুদের বিনাশ ঘটাবই। ওদের মর্জিমাফিক আর কোনও খারাপ কাজ করতে আমরা চাইনি বলেই ওদের দলচ্যুত হয়েছি। খারাপ কাজ আর করব না বলেই দল ছেড়ে বেরিয়ে এসেও পালটা দল আর গড়িনি। শুধু ওদের শেষ করে নিজেরাই গিয়ে জেলে ঢুকব এই প্রতিজ্ঞা করেছি।

    অসমঞ্জবাবু একটা চেয়ারে বসে বারবার দু’হাতে মাথার চুলগুলো অকারণেই মুঠো করে ধরতে লাগলেন।

    রূপেন বলল, অত ভেঙে পড়বেন না স্যার। আমরা আছি আপনার পিছনে। আমাদের আগেকার অপরাধের জন্য যা শাস্তি হয় দেবেন। মাথা পেতে নেব। এখন শুধু আপনার ছেলেকে উদ্ধার করে আনার মতো একটা ভাল কাজের সুযোগ করে দিন।

    তোমার ওই একই কথা বারবার বলার আর দরকার নেই। এখন কীভাবে কী করতে চাও তাই বলো। কেন না আমার মানসিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তবে না-বুঝে তোমাকে মারধর করেছি বলে দুঃখিত।

    হ্যাঁ। আমরা কী ভাবে কী করতে চাই তা সবই আপনাকে বলব। আমার বন্ধু রূপেন একটি গোপন স্থানে অপেক্ষা করছে আমার জন্য। আমি আগে একবার তার কাছে যাব। তারপর সন্ধের সময় চলে যাব আপনার হোটেলে। আপনি কোন হোটেলে আছেন স্যার?

    হোটেল সুন্দরম।

    ঠিক আছে। আপনার সঙ্গে যোগাযোগগুলো আমরা খুবই গোপনে করতে চাই। যাতে ওরা বুঝতে না-পারে যে, আমরা আপনার সঙ্গে সহযোগিতা করছি। অসমঞ্জবাবু বললেন, যারা তোমাদের এত বেশি নজরে রাখছে তারা কি মনে করো এত কাঁচা লোক যে তুমি থানায় এসে নিজেই ধরা দিয়েছ, অথবা ধরা পড়েছ এ খবর তারা পায়নি? বিশেষ করে জেনে রেখো তুমি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওরা সতর্ক হয়ে গেছে। কেন না ওরা জানে তোমরা দু’বন্ধুই এখন ওদের শত্রু। অর্থাৎ তোমরা ধরা পড়লে স্বেচ্ছাতেই ওদের সব কথা পুলিশকে বলে দেবে। তবু বলছ যখন তখন যতটা সাবধান হওয়া দরকার ততটা সাবধান হয়েই কাজ করে যাবে।

    আমি এখন একবার সুখেনের কাছে যেতে চাই। ঠিক সন্ধের সময় দেখা করব আপনার সঙ্গে।

    কোরো। ছেলে উদ্ধার হোক না-হোক ওদের গ্যাংটাকে তো ধরতে পারব। এটাও আমার কর্তব্য।

    রূপেন চলে গেলে অন্যান্য পুলিশের লোকেরা বলল, এ কী করলেন স্যার! একটা বর্ন ক্রিমিন্যালকে আপনি এইভাবে ছেড়ে দিলেন? ও তো রীতিমতো নকশা মেরে বেরিয়ে গেল। ও কি সন্ধের পর আপনার সঙ্গে সত্যি সত্যিই দেখা করবে ভেবেছেন?

    করতেও তো পারে। দেখাই যাক না একবার একটু সুযোগ দিয়ে। বিশেষ করে ও যখন এসেছিল দেখা করতে।

    অসমঞ্জবাবু আর বসলেন না। থানা থেকে বেরিয়ে আবার হোটেলে ফিরে এলেন। কিন্তু এ কী! দরজায় তালা দেওয়া কেন?

    বেয়ারা বলল, মা তো একটু আগেই এক ভদ্রলোকের সঙ্গে মোটরে চেপে চলে গেলেন।

    কোথায়?

    খোকাবাবুকে আনতে।

    তার মানে?

    কেন বাবু, শুনলাম যে খোকাবাবুকে পাওয়া গেছে। আপনিই তো থানা থেকে লোক দিয়ে গাড়ি পাঠিয়েছিলেন!

    সে কী !

    হ্যা। উনি তো তাই বললেন।

    অসমঞ্জবাবু মাথায় হাত দিয়ে বসলেন। এই মুহূর্তে নিজেকে তাঁর অত্যন্ত বোকা এবং অসহায় বলে মনে হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }