Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সানঘাগরার আতঙ্ক – ৫

    পাঁচ

    কত টাকা আছে তোমার?

    দু’হাজার টাকা আছে।

    এত টাকা কোথায় পেলে তুমি?

    চুরি করেছি। তবে প্রতিবেশীর টাকা

    নয়। বাবার টাকাই চুরি করেছি। তুমি দেখছি সব দিকেই এক্সপার্ট!

    তুমিও বা কী কম যাও বাছাধন? দিব্যি তো বাপের সুপুত্তুরটি হয়ে যার্থে উঠে শুয়েছিলে। বলি আমার মতন পালিয়ে টালিয়ে আসছ না তো?

    তা হলে কি আমার কাছে টিকিট থাকত?

    দোকানের একজন কর্মচারী এলে সৌরভ তাকে গরম গরম কচুরি আর দুটো করে রাজভোগের অর্ডার দিল।

    খেয়ালি বলল, এখন মন দিয়ে শোনো যা বলি। আমার বহুদিনের স্বপ্ন সিনেমায় আমি নামব। তেলেগু ভাষাটা জানি না, না হলে ওই ছবিতে নেমে দেখিয়ে দিতাম অভিনয় কাকে বলে। বম্বে তো অনেকদূর। তা ছাড়া হিন্দি ছবিতে কমপিটিশনও খুব। না হলে হিন্দিতে চান্স পেলে জয়াপ্রদা আর শ্রীদেবীর হাতে হাত আমি মেলাতামই।

    তা যখন হচ্ছে না, তখন কী করবে ঠিক করলে?

    সেইজন্যেই তো বেছে বেছে তোমাকেই গুরু করেছি ব্রাদার। তুমি সঙ্গে থাকলে আমি বম্বে কেন, গোয়াতেও যেতে রাজি আছি। যাবে? এখানে বেশটি করে পেট ঠুসে জলখাবার খেয়ে চলো আমরা বম্বের গাড়িতে চেপে বসি। রিজার্ভেশনের দরকার নেই, দু’জনে লেডিজ কম্পার্টমেন্টে ঢুকে বসে থাকব।

    তারপর চেকার এসে যখন আমাকে ধরবে?

    লেডিজ কম্পার্টমেন্টে চেকার খুব কম ওঠে। উঠলেও তুমি একটা বাঙ্কে চাদরমুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকবে। তা ছাড়া চেকাররা তোমার আমার মতন ছেলেমেয়েদের কিছু বলে না। ধরলে ধাড়িগুলোকেই ধরে।

    সৌরভ বলল, তোমার যুক্তিটা মন্দ নয়। তবে কিনা এটা বম্বের লাইন নয়, আর আমারও সিনেমায় নামার ইচ্ছে নেই।

    তুমি একটা ওয়ার্থলেশ। তা এই লাইনে কোথায় যাওয়া যায়?

    মাদ্রাজ, ব্যাঙ্গালোর। কাছাকাছির মধ্যে বিশাখাপত্তনম, হায়দ্রাবাদ।

    তাই চলো। ওইখানকার স্টুডিয়ো পাড়ায় ঘুরে তেলেগু ফিল্মেই একটু চান্স নিই চলো। ওখানে নিশ্চয়ই সিনেমায় নামার জন্য বম্বের মতো অত খেয়োখেয়ি হবে না।

    সৌরভ খাবার খেয়ে, জল খেয়ে বলল, আমি তো বললাম, সিনেমায় নামা টামার ব্যাপারে আমি নেই।

    দোকানদার এতক্ষণ দূরে বসে ওদের কথাবার্তা সব শুনছিলেন। এবার ইশারায় সৌরভকে ডেকে পরিষ্কার বাংলায় বললেন, মেয়েটি তোমার কে হয়? সৌরভ চাপা গলায় বলল, আমাদের কথাবার্তা কি আপনি শুনেছেন? সব শুনেছি।

    তা হলে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে মেয়েটি। ট্রেনেই আলাপ। সেই থেকে সঙ্গ ছাড়ছে না।

    দেখে কিন্তু বেশ ভালঘরের মেয়ে বলেই মনে হচ্ছে। তা কোথায় যাবে তোমরা?

    আসলে আমি এসেছি কেওনঝোড় যাব বলে। ওখানে একটু পাহাড়-পর্বত দেখব, ঘুরব। শুনেছি ওখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য নাকি চমৎকার।

    কোথায় উঠবে ওখানে?

    আমার বাবার মামারবাড়ি ওখানে। তাঁরা এখন কেউ নেই। তবে বাবার এক বন্ধু আছেন, তাঁর বাড়িতেই উঠব। না হলে লজ তো আছেই।

    তোমার বাবার বন্ধু? কী নাম বলো তো?

    পুরো নাম তো জানি না। আমি তাঁকে অরবিন্দকাকু বলি।

    তোমার বাবার নাম কী? তুমি ব্রিগেডিয়ার ভাগবের ছেলে?

    সৌরভ চমকে উঠল। বলল, আপনি কী করে চিনলেন বাবাকে?

    আরে আমার বাড়িও যে কেওনঝোড়ে। যেই বলেছ তোমার বাবার মামারবাড়ি ছিল ওখানে, আর অরবিন্দর নাম করেছ, তখনই বুঝেছি তুমি ভার্গবের ছেলে ছাড়া কেউ নও। অরবিন্দ, আমি, তোমার বাবা, সবাই আমরা পরস্পরের বন্ধু। আমার নাম শৈলজা।

    সৌরভ তাড়াতাড়ি পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করল। বলল, আরে! আপনার নামও তো বাবার মুখে অনেক শুনেছি।

    দেখ কারবার। তা তোমার বাবা আছেন কেমন?

    ভালই আছেন। এখন বলুন আমাদের বিল কত হল?

    তুমি ভার্গবের ছেলে, আমার দোকানে খাবার খেয়ে দাম দেবে তুমি? সাহস তো কম নয়। তা শোনো, ওই মেয়েটির দেখছি সিনেমায় নামার খুব শখ। আজ একটা ওড়িয়া ছবির শুটিং হচ্ছে বৈতরণীর ওপারে ছোট্ট একটি দ্বীপে, বরাহনাথ মন্দিরের কাছে। ওকে বরং সেখানেই নিয়ে যাও। অমনি বিরজাদেবীর মন্দিরে গিয়ে একটা প্রণামও করে এসো। এখুনি তোমাদের যাবার তাড়া নেই তো। যাও, চলে যাও।

    সৌরভ বলল, বিরজামন্দির কোথায়?

    যাজপুরে গিয়ে যাকে জিজ্ঞেস করবে সেই দেখিয়ে দেবে।

    এটা তা হলে কী? এইটাই তো যাজপুর।

    এটা হচ্ছে যাজপুর কেওনঝোড় রোড। যাজপুর শহর এখান থেকে সাতাশ কিমি দূরে। ঘন ঘন ট্রেকার যাচ্ছে। যে কোনও একটাতে চেপে চলে যাও, চমৎকার বেড়ানো হবে। তারপর ফিরে এসে এখানেই যে কোনও হোটেলে খেয়েদেয়ে কেওনঝোড়ের বাসে চেপে বসো। সন্ধের আগেই পৌঁছে যাবে।

    দোকানদারকে অভিনন্দন জানিয়ে ওরা দু’জনে রাজপথে এসে দাঁড়াল। খেয়ালি বলল, দেখলে তো আমি কীরকম লাকি। খাবার খেলুম অথচ এক পয়সাও খরচা করতে হল না। আসলে ওই যে বলেছি সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র।

    এটা সুন্দর মুখের জন্য নয় ম্যাডাম। উনি আমার বাবার বন্ধু তাই। ছাড় তো ব্রাদার। আমাদের দু’জনকে প্যাঁচাপেঁচির মতন দেখতে হলে কোনও বন্ধুই দরদ দেখাত না। ঝেঁটিয়ে বিদেয় করত।

    ওরা যেখানে এসে দাঁড়াল সেখানে তখন ট্রেকারগুলো একটানা এবং একঘেয়ে সুরে ‘যাজপুর যাজপুর’ করে মুখের ফ্যানা বের করে ফেলছে। সৌরভ ও খেয়ালি তারই একটিতে উঠে বসল।

    কয়েকজন বাঙালি তীর্থযাত্রীও সেই ট্রেকারে ছিলেন। তাঁরাও যাচ্ছেন যাজপুর। বিরজামন্দিরে পুজো দিতে।

    সৌরভ জিজ্ঞেস করল, আপনারা যে পুজো দিতে যাচ্ছেন ওই মন্দির কি খুবই প্রাচীন? পুজো দিয়েই ফিরে আসবেন, না থেকে যাবেন ওখানে? সঙ্গে অনেক মালপত্তর দেখছি।

    যাত্রীদের মধ্যে একজন বয়স্কা মহিলা ছিলেন। উনি বললেন, তোমরা এই প্ৰথম আসছ বুঝি?

    হ্যাঁ।

    তা হলে শোনো, কাশীর যেমন অন্নপূর্ণা, কালীঘাটের যেমন কালী, যাজপুরের এই বিরজাও তেমনি প্রসিদ্ধ। একান্ন শক্তিপীঠের অন্যতম পীঠ এটি। বিরজাক্ষেত্র। বিরজা ঔড্রদেশে চ…। সেই বিরজা। দেবীর দুটো হাত এবং সিংহবাহিনী। বহু আগে যযাতি রাজার রাজত্ব ছিল এখানে। তাই যযাতিপুর থেকেই যাজপুর নাম হয়েছে। বৈতরণীর তীরে এক সুপ্রাচীন জনপদ এই যাজপুর।

    সৌরভ বলল, ও। আমরা কিন্তু জানতাম না।

    তোমাদের সঙ্গে কেউ নেই?

    না। আমরা দু’জন। কেওনঝোড়ে যাচ্ছিলাম এক আত্মীয়ের বাড়ি। এখানে যাজপুর স্টেশনে আমাদের পরিচিত একজন বলে দিলেন এই মন্দিরে এসে বিগ্রহদর্শন করে যেতে।

    বেশ করেছ বাবা। খুব ভাল কাজ করেছ। মা ভীষণ জাগ্রতা। তোমাদের মঙ্গল করবেন।

    খেয়ালি বলল, আচ্ছা মাসিমা, বৈতরণী ওখান থেকে কতদূরে?

    দূর আছে। আমরা যেখানে ট্রেকার থেকে নামব সেখান থেকে দুটো পথ দু’দিকে ভাগ হয়ে গেছে। একটা গেছে বিরজা মন্দিরের দিকে, আর একটা বৈতরণীতে। সেখানে অখণ্ডলেশ্বর, অঙ্গেশ্বর শিব আছে। অনেক শিবেরেই মন্দির আছে শহরময়। বহু পুরনো আমলের মন্দির। বৈতরণীর তীরে আছে বিখ্যাত জগন্নাথের মন্দির। ওই বৈতরণীর তীরেই যযাতি রাজা দশাশ্বমেধ যজ্ঞ করেন। ওখানকার ত্রিলোচনেশ্বর শিবের মন্দিরও বিখ্যাত। অখণ্ডলেশ্বর মন্দিরের গায়ে দেখবে কী সুন্দর জৈন তীর্থংকর আদিনাথের মূর্তি খোদাই করা আছে। তা ছাড়াও দেখবে কালীমন্দির, গণপতি মন্দির। অষ্টমাতৃকা মন্দিরের মূর্তিগুলিও দেখবার। সঙ্গে তোমাদের মা থাকলে খুব ভাল হত। মা এলেন না কেন? আসলে আমার মা সচরাচর বাইরে কোথাও বেরোতে চান না।

    কেওনঝোড়ে কে আছেন তোমাদের?

    আমার বাবার বন্ধু ওখানে থাকেন। উনি প্রায়ই যেতে বলেন, কিন্তু যাওয়া আর হয় না। তাই এবারে যাব মন করেই বেরিয়ে পড়েছি।

    বেশ করেছ। আমরা অবশ্য কখনও যাইনি কেওনঝোড়ে। তবে শুনেছি খুব নাকি ভাল জায়গা। অনেক পাহাড় আছে, জঙ্গল আছে। সেইসব পাহাড়ে-জঙ্গলে নাকি ময়ূর আছে খুব।

    সৌরভ বলল, জানি না। আমরা তো প্রথম যাচ্ছি। তবে বাবার মুখে শুনেছি এককালে নাকি ময়ূর ছিল খুব।

    সেইজন্যেই বুঝি ময়ূরভঞ্জ?

    হবে। ঠিক জানি না আমরা।

    তোমরা কোন গাড়িতে এলে?

    আমরা এসেছি হাওড়া থেকে তিরুপতি এক্সপ্রেসে। আপনারা?

    আমরা কাল সন্ধেবেলা ইস্ট কোস্টে এসেছি। রাত্রে একটা লজে ছিলাম। আজ পুজো দিতে যাচ্ছি। ওখানে ট্রাস্টির পান্থশালা আছে। সেখানে দু’দিন থেকে, তারপর আবার কলকাতায় ফিরে যাব।

    ট্রেকার একসময়’যাজপুর শহরে পৌঁছল। স্টেশন থেকে এই বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ভাড়া ছ’টাকা। ওদের ভাড়া ভদ্রমহিলাই তাঁর পরিবারের লোকেদের সঙ্গে দিয়ে দিলেন।

    খেয়ালি একচোখ টিপল সৌরভকে। তারপর চাপা গলায় বলল, দেখলে তো, কী বলেছিলাম? সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র।

    সেই ভদ্রমহিলা তাঁর পরিবারের লোকেদের নিয়ে একটা জিপ ভাড়া করে পান্থনিবাসের দিকে চলে গেলেন। ওরা দু’জনে গল্প করতে করতে বৈতরণীর দিকে চলল।

    সৌরভ বলল, ওখানে একটা দ্বীপের মধ্যে ওড়িয়া ছবির শুটিং হচ্ছে জান তো? বেল পাকলে কাকের কী?

    এইবার দেখা যাবে সুন্দর মুখের জয়টা কীরকম হয়। আমি তো সোজা গিয়ে তাদের পরিচালককে বলব তোমাকে একটা চান্স পাইয়ে দেবার জন্য।

    সৌরভের কথা শুনে লাফিয়ে উঠল খেয়ালি, রক্ষে করো বাবা। ওই ‘ঠাকুর দরশন পাইব কাঁই’ ছবিটবির মধ্যে আমি নাই। হিন্দি অথবা তেলেগু ছবি ছাড়া নামবই না আমি।

    তারপর হঠাৎ কী ভেবে যেন লাফিয়ে উঠল খেয়ালি। বলল, দেখ, হঠাৎ করে আমার মাথায় একটা প্ল্যান এসেছে। ধরো কেউ যদি কোনও ছবিতে আমাদের চান্স না দেয়…।

    এর মধ্যে আবার আমাদের আসছে কোত্থেকে?

    আমি একটা কথার কথা বলছি। ধরো কেউ যদি চান্স না দেয় তা হলে আমরা নিজেরাও তো নিজেদের মনের মতো করে সুন্দর একটা ছবি করতে পারি। তা হলে ভাল ছবির নায়ক-নায়িকা হওয়ার জন্য আমাদের আর অপেক্ষা করতে হবে না।

    সেটা কীভাবে হবে?

    কথা বলতে বলতে ওরা বৈতরণীর ঘাটে চলে এল। নির্জন নদীতীর। দু’-একজন স্থানীয় লোক ছাড়া কোনও যাত্রী নেই। সেই ঘাটে এসে দু’জনে পাশাপাশি বসে চারদিকের সুন্দর দৃশ্য দেখতে লাগল।

    খেয়ালি বলল, এবারে মন দিয়ে শোনো, আমি কী বলতে চাই। আমাদের ছবির গল্প আমরাই তৈরি করে নেব। সাসপেন্স থাকবে, ঢিসুম ঢুসুম থাকবে, পাণ্ডব গোয়েন্দার পঞ্চুর মতো একটা কুকুর থাকবে। আর থাকবে এক অনবদ্য প্রাকৃতিক পরিবেশ। পাহাড়ের মাথার ওপর থেকে ঝর ঝর করে ঝরনার ধারা গড়িয়ে পড়বে। ঘন অরণ্যের মধ্যে একটা পাতার ঘরে শুধু তুমি আর আমি থাকব। আমাদের বন্ধু কুকুরটা হবে বডিগার্ড। তুমি বনের ভেতর থেকে হরিণ অথবা ময়ূর অথবা যে কোনও পাখিটাখি শিকার করে আনবে, আর আমি রান্না চড়িয়ে অথবা সেইসবের মাংস আগুনে ঝলসে তোমাকে খেতে দেব। সে যা ছবি হবে না, ভাবতেও পারবে না। তোমার-আমার জুটি এমনটি হবে কোথায়? সেই ছবি দেখে তাক লেগে যাবে সকলের। সবাই আমাদের নিয়ে হই হই করবে।

    আর যদি তুমি আর একটু বড় হয়ে আমাকে—। থাক ওসব চিন্তা পরে করব। এখন রাজি কি না বলো।

    আগে বলো সেটা সম্ভব হবে কী করে?

    হাঃ হাঃ। আমার প্রস্তাবটা মন দিয়ে শুনলে তুমি আমার বুদ্ধির তারিফ না করে পারবে না। আজকাল বিয়েবাড়ি, পইতেবাড়ি, জন্মদিনে ভিডিয়োতে ছবি তোলা হয় দেখেছ? দেড় দু’হাজার টাকা খরচা করলেই তো কেল্লা ফতে। তা আমরা যদি আমাদের দু’জনের টাকা দিয়ে যৌথভাবে ওইরকম একটা ছবি করি, তা হলে কেমন হয়? এখন আমরা লোকেশানটা দেখে যাই, পরে টাকা-পয়সা জোগাড় করে ভিডিয়ো নিয়ে চলে আসব এখানে। এই বৈতরণী নদীটা কিন্তু থাকবে।

    খেয়ালির প্রস্তাবটা মন্দ লাগল না সৌরভের। বলল, আরে! তুমি বেশ বলেছ তো? তোমাকে এতক্ষণ ধরে আমি একটা খামখেয়ালি মেয়ে ভাবছিলাম। কিন্তু এখন তো দেখছি তুমি তা নও। তুমি অনেক গভীরে অনেক কিছু চিন্তা করো। অথচ ছেলেমানুষ তুমি।

    তুমিই বুঝি বুড়ো ধাড়ি? তুমিও তো ছেলেমানুষ।

    সৌরভ এবার খুব আদর করে ডাকল, খেয়ালি!

    বলো।

    তুমি ভারী মিষ্টি। আমার দিকে খুব ভাল করে একবার তাকাও তো দেখি। সত্যি বলতে কী, তোমার মুখটা এতক্ষণ আমি ভাল করে দেখিওনি। খেয়ালি ওর মুখের দিকে ডাগর দুটি চোখ মেলে দিয়ে বলল, নাও দেখো। ভাল করে দেখো। দুষ্টু কোথাকার।

    সৌরভ ওকে বেশটি করে খুঁটিয়ে দেখে বলল, নাঃ। সত্যিই তোমাকে দেখতে ভাল। কোথাও কোনও খুঁত নেই। তোমার সবচেয়ে বড় গুণ তোমার এই শিল্পচেতনা। তুমি নির্ঘাত বড় হয়ে একজন সত্যিকারের শিল্পী মেয়ে হবে। তোমার এই ভিডিয়ো নাটকের ব্যাপারে আমি কিন্তু এককথায় রাজি।

    খেয়ালি আনন্দের উচ্ছ্বাসে জড়িয়ে ধরল সৌরভকে। বলল, আর দ্বিমত হবে না তো?

    না। তা হলে শোনো, আমি এখানে কী জন্য এসেছি। আমার বাবা ব্রিগেডিয়ার ভার্গব। তিনি কেওনঝোড়ের অপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে থেকে জীবনের শেষ দিনগুলি কাটিয়ে দিতে চান। আমিও চাই কলকাতার বাইরে থেকে জীবনটাকে উপভোগ করতে। দুটো জমি দেখা হয়েছে আমাদের। পছন্দ হলে দুটোই আমরা কিনব। একটা শহরের মাঝখানে। সেখানে বাড়ি করে থাকব আমরা। আর একটা পাহাড়ের কোলে অরণ্যের হৃদয়ের কাছে। সেখানে একটা পাতার ঘর করে উইক এন্ড করব আমরা। তা এখন ভাবছি সেই ঘরই হবে তোমার-আমার এই স্বপ্নের ঘর। সব ঠিকঠাক করে, সুন্দর একটা গল্প ফেঁদে দারুণ একটা ভিডিয়োর ছবি তৈরি করে ফেলব আমরা। যে ছবিতে থাকব শুধু তুমি আর আমি। আর থাকবে, বনের হরিণ, ময়ূর, পাখপাখালি আর প্রকৃতির ভুবন ভোলানো রূপ। ঝরনা, জলপ্রপাত ইত্যাদি।

    খেয়ালি লাফিয়ে উঠল, হাউ ফ্যানটাস্টিক। চলো, আর এখানে সময় নষ্ট না করে আমরা কেওনঝোড়েই চলে যাই।

    সৌরভ বলল, সে কী! ওই দেখো, নদীর ওপারে কী সুন্দর সব দৃশ্য ! ওটা বৈতরণীর একটা দ্বীপ। ওই দ্বীপে এখন শুটিং চলছে। বরাহনাথের মন্দিরও দেখা যাচ্ছে। আমরা ওখানে যাই চলো। মনে হচ্ছে খুব নির্জন সুন্দর জায়গাটা। আমাদের ভিডিয়ো ক্যামেরায় ওই দ্বীপও আসতে পারে। বিশেষ করে ওইসব প্রাচীন মন্দিরগুলোকে ছবির দৃশ্যে ধরে রাখা একান্তই দরকার। যা তুমি বলবে।

    ওরা বৈতরণীর বাঁধের ওপর দিয়ে স্বপ্নের জাল বুনতে বুনতে খেয়াঘাটের দিকে এগিয়ে চলল। খেয়াঘাটে খেয়াতরী যা আছে, তাতে চেপে নদী পার হতে সত্যিই ভয় হয়। অনেকটা নৌকা বাইচ-এর সেই লম্বাটে ডোঙার মতন নৌকো। অনবরত টলমল করছে। একটু এদিক ওদিক হলেই উলটে যাবে বুঝি। যাই হোক ওরা তাতেই খেয়া পার হয়ে ওপারে গিয়ে পৌঁছল।

    ওপারটা কী ভীষণ নির্জন!

    ওরা হেঁটে বরাহনাথের মন্দিরের দিকে চলল। তারপর মন্দির দেখে একটু এদিক সেদিকে যখন ঘোরাফেরা করছে, তখনই এক জায়গায় গিয়ে দেখতে পেল একটি ছবির শুটিং-এর জন্য তোড়জোড় চলছে। ছবির নাম কালিয়া। ওড়িয়া ছবি। ওড়িয়াতে কালিয়া বলা হয় প্রভু শ্রীজগন্নাথকে। হয়তো কোনও পৌরাণিক ছবি। কয়েকজন ফুটফুটে মেয়েকে দেবদাসী সাজিয়ে নাচানো হচ্ছে। কী তাদের সাজপোশাক। দেখলে

    লোভ হয়।

    সৌরভ বলল, কী। তুমিও ওদের মতো নাচবে নাকি?

    খেয়ালি বলল, আমি যে ও নাচ জানি না।

    নাচ না জানলে বোম্বাই ছবিতে নাচবে কী করে?

    খেয়ালি চুপ করে রইল। পরে বলল, এরা কি আমাকে এদের ছবিতে নেবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }