Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সানঘাগরার আতঙ্ক – ৮

    আট

    খাওয়াটা কিন্তু মন্দ হল না। পরিবেশের জলহাওয়ার গুণেই কি না কে জানে, গরিব লোকের মাটির ঘরের দাওয়ায় বসে ভাত খেতে কী ভাল যে লাগল, তা ওরাই জানে। দোষের মধ্যে চালে একটু কাঁকর থাকায় খেতে অসুবিধে হয়েছিল খুব।

    ভাত খেয়ে ওরা বড় রাস্তায় এল বাসের জন্য।

    রোদ্দুরের তেজ আছে বেশ। তাই খেয়ালির ভিজে পোশাকগুলো উঠোনে মেলে দেওয়ায় চট করে শুকিয়ে গেল।

    এবার বাস একটা হলেই হয়।

    কিন্তু বাস আর আসে না। অনেক পরে বাসের বদলে একটি ট্রাক এল। একজন দোকানদার বলল, এই ট্রাক কেওনঝোড় হয়েই যাবে। তোমরা এতে চড়েই যেতে পারো।

    সৌরভ বলল, কোনও অসুবিধে নেই। আমাদের যাওয়া নিয়ে কথা।

    দোকানদার তখন হাত দেখিয়ে থামাল ট্রাকটাকে। তারপর ওদের দিকে দেখিয়ে কী যেন বলতেই রাজি হয়ে গেল ড্রাইভার।

    সৌরভ আর খেয়ালি ট্রাকে উঠতে গেলে ড্রাইভার বলল, পঁচিশ টাকা করে পঞ্চাশ টাকা লাগবে দু’জনের।

    সৌরভ বলল, পঁচিশ টাকা করে? কতদূর?

    দূর আছে। যাবে তো চটপট উঠে পড়ো।

    ওরা আর দেরি না করে ড্রাইভারের পাশেই গিয়ে বসল। ড্রাইভারের পাশে যে দু’জন হেলপার ছিল তারা গিয়ে বসল মাল বোঝাই ট্রাকের মাথার ওপর।

    পথঘাট এখানকার খুব ভাল।

    তাই ঝড়ের বেগে ট্রাক ছুটে চলল কেওনঝোড়ের দিকে। এ পথের দৃশ্য কী মনোরম। তেমনি মনোরম এই ট্রাকবাহন। গতিময় এবং নিরাপদ।

    ড্রাইভার একজন সর্দারজি। স্টিয়ারিং ধরে দিব্যি মনের আনন্দে গান গাইতে গাইতে গাড়ি চালাতে লাগল। গাড়ির স্পিড যে কোন দিকে যাচ্ছে তার আর খেয়ালই রইল না। হঠাৎ একটি গোরুর গাড়িকে পাশ কাটাতে গিয়েই নেমে গেল পাশের খাদে।

    যাঃ। ফেঁসে গেল গাড়িটা।

    হেল্পার দুজনের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেল। তারা এমনভাবে ছিটকে পড়ল যে হাত-পা ভেঙে, মাথা ফেটে যাচ্ছেতাই কাণ্ড। ভয়াবহ ব্যাপার! প্রাণহানি ঘটেনি যে, এই রক্ষে।

    ড্রাইভারকেও লেগেছে খুব। দুটো আঙুল গেছে।

    সৌরভ ও খেয়ালি দু’জনেই বুকেমুখে চোট পেয়েছে খুব। তাই ভয়ে হাত-পা কাঁপছে থর থর করে। রক্তপাত তেমন একটা ঘটেনি।

    ড্রাইভার কাত হয়ে যাওয়া ট্রাকের ভেতর থেকে অতিকষ্টে নামল। তারপর ইশারায় ওদেরও নামতে বলল।

    ওরা নেমে বড় রাস্তায় উঠে আসতেই দেখল অনেক লোকজন ছুটে আসছে ওদের দিকে। মোটর লরিও দু’-একটা থেমে পড়েছে রাস্তায়। সবাই উৎসাহ নিয়ে দুর্ঘটনা দেখতে এগিয়ে এল।

    কটক থেকে এক ভদ্রলোক আসছিলেন গাড়ি নিয়ে। কেওনঝোড়ে তাঁর একটি হোটেল আছে। নাম ময়ূরী। তিনি তাঁর গাড়িতেই তুলে নিলেন দু’জনকে।

    ওরাও লিফট পেয়ে বর্তে গেল।

    ভদ্রলোক ওদের পরিচয় জেনে খুশি হলেন খুব। সৌরভকে বললেন, তোমার বাবা যদি সত্যিই বাড়ি করেন এখানে, তা হলে খুবই ভাল হয়। অরবিন্দকাকুকেও তিনি চেনেন। ,

    খেয়ালি বলল, আমাদের যেতে কি সন্ধে হয়ে যাবে?

    তা একটু হতে পারে। তারপর ঘড়ির দিকে একবার তাকিয়ে বললেন, নাঃ।

    মনে হচ্ছে সন্ধের আগেই পৌঁছে যাব।

    খেয়ালি বলল, কপালটা কী জ্বালা জ্বালা করছে।

    সৌরভ বলল, কই দেখি? কোনখানটা?

    এই দেখো।

    দেখেই শিউরে উঠল সৌরভ। বলল, এ রাম! তোমার কপাল তো কেটে গেছে। রক্তে ভিজে উঠেছে ওখানটা।

    ভদ্রলোক বলেন, কোনও ভয় নেই। কেওনঝোড়ে গেলেই ব্যবস্থা হয়ে যাবে। প্রাইভেট গাড়ি তো, তাই চোখের পলক ফেলতে-না-ফেলতেই এক-এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে লাগল।

    অনেকদূর যাবার পর এক জায়গায় দেখল হই হই করছে লোকজন। সে কী অফুরন্ত মানুষের সমাগম সেখানে। চারদিকে লাল শালুর পতাকা উড়ছে। পথের দু’পাশে দোকান। রকমারি দোকান। নিশ্চয়ই কোনও দেবস্থান আছে এখানে। দোকানে দোকানে পূজা সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও আছে খেলনাপাতির দোকান। নানারকম মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। কচুরি, শিঙাড়া, জিলিপি ও তেলেভাজার দোকান। আর আছে অজস্র সস্তার হোটেল। আনন্দের বন্যা বইছে সর্বত্র।

    গাড়ি এইখানে থামিয়ে ভদ্রলোক বললেন, শোনো, তোমরা এখানে জুতো রেখে চট করে মাকে দর্শন করে এসো।

    কোন মা?

    তারিণী। খুবই জাগ্রতা। এই পথে যাতায়াত করলে তারিণীকে দর্শন না করে কেউ যায় না।

    ওরা ভদ্রলোকের কথামতো গাড়িতেই জুতো রেখে চলল মাতৃদর্শনে। ওড়িশার এই অঞ্চলে এই দেবীর মহিমা খুব। কত লোকের কত মনোবাঞ্ছা যে উনি পূরণ করেছেন, তার ঠিক নেই। দলে দলে নরনারী তাই চলেছেন মায়ের পুজো দিতে।

    দেবীর কোনও মন্দির নেই এখানে। একেবারেই খোলা জায়গায় গাছতলায় দেবীর অধিষ্ঠান।

    পূজারিরা ঘিরে রেখেছেন স্থানটিকে। যে যা পুজো দিচ্ছে তাই নিবেদন করছেন মাকে।

    ওরা আর কী পুজো দেবে? একটা টাকা দেবীর দানপাত্রে দিয়ে চারদিক ঘুরে দেখতে লাগল।

    এক জায়গায় কী বিশাল একটি ধর্মশালা। ছোটখাটো লজও দু’–একটি আছে। ওরা সব দেখেশুনে গাড়ির কাছে আসতেই ভদ্রলোক ওদের নিয়ে পাশের একটি ওষুধের দোকানে গেলেন। সেখানে খেয়ালির কপালের ওপরদিকে মাথার ঘন চুলের কাছে যেখানে চোট লেগে রক্ত চুঁইছিল সেখানটায় একটু ওষুধ দেওয়ালেন, তারপর ওদের নিয়ে একটি চায়ের দোকানের সামনে এসে চা আর বিস্কুট খেতে দিলেন ওদের।

    ওরা চা-বিস্কুট খেয়ে গাড়িতে বসল।

    ভদ্রলোকও এবার সিটে বসে স্টিয়ারিং-এ হাত দিলেন।

    হর্ন বাজিয়ে শোঁ শোঁ করে এগিয়ে চলল গাড়িখানা। গাড়ির ভেতরে স্টিরিয়ো বক্স থেকে গান বাজছে। হিন্দি ছায়াছবির সুপার হিট গান। অথচ দেশটা কিন্তু ওড়িশা।

    গান শুনতে শুনতে ওরা যত এগোতে লাগল ততই পাহাড় আর জঙ্গল ঘন হতে লাগল। এক সময় তো পাহাড়ের ওপরই উঠে পড়ল গাড়িটা। সে কী নয়নাভিরাম দৃশ্য। অনেক দেখেও যেন মন ভরে না।

    তারপর প্রকৃতির লীলাভূমি দেখতে দেখতে একসময় ওরা কেওনঝোড়ে ঢুকে পড়ল। ছোট্টর ওপর বেশ সাজানো শহর। খুবই পরিচ্ছন্ন। ভারী মনোরম এর পরিবেশ! সুন্দর ঘর বাড়ি! চারদিকে দূরে অদূরে পাহাড়ের সারি। জমজমাট জায়গা।

    ভদ্রলোক কেওনঝোড়ের রাজবাড়ির সামনে ওদের নামিয়ে দিয়ে বিদায় নিলেন।

    দুর্ঘটনার পর থেকেই খেয়ালি যেন কেমন একটু মিইয়ে গেছে। ও খুব ভয় পেয়ে গেল নাকি? ও মেয়ে তো ভয় পাবার মেয়ে নয়। তা হলে? কী হল ওর? যাই হোক, ওরা সুন্দর সুন্দর পথঘাট পেরিয়ে সিনেমা হলের দিকে এগোল। হলের নাম তারিণী। এই অঞ্চলের দেবীর নামেই নাম। সর্বত্রই তারিণী দেবীর জয়জয়কার।

    অরবিন্দকাকু এখানে খুবই পরিচিত। তাই তাঁর নাম বলতেই বাড়ি দেখিয়ে দিল লোকে।

    অরবিন্দকাকুর একমাত্র মেয়ে শিল্পা তার কাজলকালো চোখদুটি মেলেই অবাক। শিল্পাও ওদের বয়সি। উজ্জ্বল শ্যামবর্ণা। তা হোক, যেমনই মুখশ্রী, তেমনি সু-স্বাস্থ্যের অধিকারিণী। সর্বোপরি তার মাথার মেঘকালো চুল আর ভ্রমরের মতো চোখের জন্যই সে বেশি সুন্দর।

    শিল্পা অবাক বিস্ময়ে ওদের দিকে তাকিয়ে বলল, এই নাকি সৌরভ! তা এই মেয়েটি কে?

    কাকিমা দু’জনের হাত ধরে ঘরে ঢোকালেন।

    অরবিন্দকাকু যে আনন্দের আবেগে কী করবেন কিছু ঠিক করতে পারলেন না।

    সৌরভ ও খেয়ালি প্রণামপর্ব শেষ করল।

    অরবিন্দকাকু এক মিনিটের মধ্যে ওদের সমস্ত খবরাখবর নিয়ে নিলেন। তারপর বললেন, এ মেয়েটি কে? একে তো চিনলুম না! কে হয় তোমাদের? আমার সঙ্গে এসেছে।

    সৌরভ বলল, ওর ব্যাপারে পরে বলব। ও

    শিল্পা বলল, তোমার নাম কী বন্ধু?

    লাজুক লাজুক মুখে খেয়ালি ওর নাম বলল।

    শিল্পার চোখদুটি যেন উল্লসিত হয়ে উঠল। বলল, ও মা! কী সুন্দর নাম ! যাক ভালই হয়েছে। তোমাদের পেয়ে যে কী আনন্দ হচ্ছে তা বলবার নয়। সৌরভদা আসবে জানতাম, কিন্তু তুমি আসবে তা তো জানতাম না।

    খেয়ালি বলল, আমারও ভাগ্য যে তোমার মতন এক বান্ধবীকে পেলাম। কাকিমা সৌরভকে বললেন, আমরা খুব আশা করেছিলাম তোমার বাবামা-ও আসবেন।

    অরবিন্দকাকু বললেন, হ্যাঁ, ওঁরা এলেন না কেন?

    এলেন না দুটি কারণে। এক, বাবার এক বন্ধু দেশপ্রিয় পার্কে মর্নিংওয়াক করবার সময় হঠাৎ স্ট্রোকে মারা যান। দুই, ওনারা পরখ করে দেখতে চান, আমি একা ঘর ছেড়ে বেরোতে পারি কি না। তবে এখন না এলেও পরে আসবেন।

    এই ব্যাপার! যাই হোক। পথে আসতে তোমাদের কোনও কষ্ট হয়নি তো?

    কিছুমাত্র না। ভিড়ের জন্য বাসে উঠতে পারিনি বলে একটা ট্রাক ম্যানেজ করেছিলাম। সেটা আবার স্পিড বাড়াতে গিয়ে খাদে পড়ল। তারপর আপনাদেরই এখানকার ময়ূরী লজের মালিক তাঁর মোটরে চাপিয়ে নিয়ে এলেন আমাদের। পথে তারিণীদেবীকেও দর্শন করে এলাম।

    খুব ভাল করেছ। মা আমাদের কল্যাণময়ী। মা’র চরণ ভরসা করেই তো আমরা বেঁচে আছি।

    কাকিমা ততক্ষণে তাড়া দিয়ে ওদের মুখহাত ধোওয়ালেন।

    ওরাও পোশাক পরিবর্তন করল।

    শিল্পারই চুড়িদার পরে খেয়ালি এখন খুশিতে ঝলমল করছে। কী ভাল যে লাগছে ওকে!

    শিল্পা বলল, এই তো সবে সন্ধে। তোমরা জলটল খাও। তারপর তোমাদের নিয়ে একটু বেড়াতে যাব।

    কাকিমা প্রত্যেকের জন্য ভাল রকমের জলখাবার নিয়ে এলেন। সারাটা দিনের পর এই হচ্ছে পরিতৃপ্তির খাওয়া। দেহমন একই সঙ্গে ভরে উঠল যেন। খাওয়াদাওয়া যখন শেষ হল তখন সন্ধে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। চারদিক আলোয় আলো।

    আলোর জৌলুসের কারণও আছে। কয়েকদিন আগে কোজাগরি লক্ষ্মীপুজো গেছে তারই প্রতিমা রয়েছে এখানকার বিভিন্ন মণ্ডপে। দলে দলে লোক তাই প্রতিমাদর্শনে যাচ্ছে।

    ওরা তিনজনেই চলল প্রতিমাদর্শনে। ঘর থেকে বেরিয়ে পায়ে পায়ে আবার ওরা বড় রাস্তায় এল। তারপর এগিয়ে চলল মেইন রোডের দিকে। চমৎকার পথঘাট।

    সৌরভ দেখল শিল্পার হাত ধরে কেমন মৃদুমন্দ গতিতে কথা বলতে বলতে চলেছে খেয়ালি। দেখে খুব ভাল লাগল ওর। বাড়ি পালানো একটি মেয়ের এর চেয়ে ভাল আর কী হতে পারে? সুস্থ সুন্দর নিরাপদ একটা আশ্রয়ের চেয়ে হিতকর আর কিছু কী আছে?

    মেয়েটা যেমন খেয়ালি, তেমনই মিশুকে।

    এই অল্পসময়ের মধ্যেই কী সুন্দরভাবে মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে। এমনভাবে কথা বলতে বলতে যাচ্ছে যেন কতদিনের পরিচয় ওদের। ভাব দেখে মনে হচ্ছে একটা অবিচ্ছেদ্য বন্ধনের মধ্যেই যেন জড়িয়ে যাবে মেয়েটা। অর্থাৎ শুধু এমনই নয়, পরবর্তীকালেও সৌরভ যখন ওর বাবা-মায়ের সঙ্গে কেওনঝোড়ে বসবাস করবে তখনও ও নিশ্চয়ই আসতে ছাড়বে না এখানে। শুধু সমস্যা এই, মেয়েটা যদি মেয়ে না হয়ে ছেলে হত, তা হলে কী ভালই না হত।

    এক সময় ওরা রাজবাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল। শহরের এই জায়গাটা অত্যন্ত জনবহুল। অর্থাৎ কিনা এই ছোট্ট শহরটির ম্যাল বলা যেতে পারে জায়গাটাকে।

    সৌরভ বলল, শিল্পা, তোমাদের এখান থেকে আমার বাড়িতে ফোনে যোগাযোগের কোনও ব্যবস্থা আছে?

    কী যে বলো? কেওনঝোড়ের মতন শহরে দাঁড়িয়ে তুমি কিনা ফোনের জন্য চিন্তা করছ? ওই দেখো তোমার সামনেই টেলিফোন বুথ।

    তা হলে তোমরা এক কাজ করো, দু’জনে পায়চারি করো এখানে। আমি ফোনে বাবা-মায়ের সঙ্গে একটু কথা বলে নিই।

    খেয়ালি বলল, বেশ তো। আমরা ওই ওদিকের দোকানগুলোর দিকে একবার যাচ্ছি।

    ওরা রাস্তা পার হয়ে ওপারে যেতেই সৌরভ বুথে গিয়ে ফোনের লাইন চাইল।

    সঙ্গে সঙ্গেই পেয়ে গেল লাইনটা।

    সৌরভ বলল, বাবা আমি সৌরভ বলছি।

    ওদিক থেকে উত্তর এল, ঠিক মতো পৌঁছেছিস তো? কোনও অসুবিধে হয়নি?

    না বাবা। কোনও অসুবিধে হয়নি। এবার থেকে আমি একা-একাই বেরোতে পারব। একা বেরনোর মজা অনেক। তবে অভিজ্ঞতা যা হয়েছে তা কী বলব…।

    অরবিন্দর খবর কী আগে বল? আমরা যাইনি বলে কিছু বলেনি?

    একটু দুঃখ করছিলেন অবশ্য। তবে আমি সব বুঝিয়ে বলেছি। এই তো একটু আগে এসে পৌঁছেছি আমরা।

    আমরা! আমরা আবার কোত্থেকে হলি। বাড়ি থেকে তো একা গেলি তুই। তা ছাড়া তোর বেলা বারোটার মধ্যে পৌঁছে যাওয়ার কথা।

    সেই কথাই তোমাকে বলতে চাই। তার আগে বলি তোমার কি শৈলজাকাকুর কথা মনে আছে?

    কেন মনে থাকবে না? একবার সানঘাগরায় গিয়ে চিতাবাঘের খপ্পরে পড়েছিলাম আমরা। উঃ! সেদিনের কথা মনে পড়লে এখনও বুকের রক্ত ছলাৎ করে ওঠে। তা হঠাৎ ওর কথা জানতে চাইছিস যে? ও কী এখনও আছে?

    আছে মানে? যাজপুর কেওনঝোড় রোড রেল স্টেশনের সামনেই খাবারের বড় করে গুছিয়ে বসে আছেন। আমরা তো ওনার দোকানেই খেলাম। উনি আমাদের কাছ থেকে দাম পর্যন্ত নিলেন না। উনিই বললেন, এখানকার বিরজাদেবী নাকি জাগ্রতা। তাই মন্দির দর্শন করে যেতে বললেন।

    ঠিকই বলেছে ও। তোরা গেছলি?

    হ্যাঁ বাবা। প্রথমে আমরা বৈতরণীতে গিয়েছিলাম। তারপর ওপারের দ্বীপে গিয়ে বরাহনাথ দেখে এসেছি। বরাহনাথ দেখে ফেরবার সময় এমন একটা চক্রে পড়ে গেলাম যা ফোনে বলবার নয়। যাই হোক, শেষ পর্যন্ত বিরজাকে দর্শন না করেই চলে আসতে হল।

    ওর জন্য কিছু ভাবিস না। আমরা তো ওই দেশেরই লোক হয়ে যাচ্ছি। তা তোর সঙ্গে আর কে আছে? তুই বার বার আমরা আমরা করছিস কেন?

    সেই কথাই বলছি বাবা তোমাকে। আমি তিরুপতি এক্সপ্রেসে যে বার্থ পেয়েছিলাম সেই বার্থের মুখোমুখি বার্থে আমারই বয়সি একটি মেয়ে দেখি কোচ অ্যাটেনডেন্টকে ম্যানেজ করে শুয়ে আছে। কথাবার্তা বলার পর বুঝলাম মেয়েটা বাড়ি থেকে পালাচ্ছে। একটু রাগি, আর ছেলেমানুষিভাবও রয়েছে ওর। অসম্ভব চঞ্চল প্রকৃতির। তারপর একটু হেসে বলল, ছিটেলও আছে।

    বলিস কী! তারপর?

    মেয়েটি আমার সঙ্গ ছাড়তে চাইছে না কিছুতেই। দেখে বেশ ভাল এবং ভদ্রঘরের মেয়ে বলেই সঙ্গে নিয়ে নিলাম।

    বেশ করেছিস। খুব ভাল কাজ করেছিস বাবা। কী ভাল কাজ যে করেছিস তা কী বলব। এইভাবে কত ছেলেমেয়ে বিপথগামী হয়, রসাতলে যায় তার ঠিক নেই।

    ওর নাম খেয়ালি মুখার্জি। বাড়ি বলছে কৈলাস বোস স্ট্রিটে। কোনওরকমে খোঁজখবর নিয়ে ওর বাড়িতে একটা খবর দিতে পার? না পারার কী আছে? ওর বাবার নাম জানিস? জিজ্ঞেস করিনি।

    বাবার নাম আগে জিজ্ঞেস করবি তো।

    আসলে কেন করিনি জান? বেশি কথা জিজ্ঞেস করলে যদি পালায় তাই। এখন কেমন বুঝছিস?

    এখন মনে হচ্ছে ওর পালিয়ে বেড়ানোর ঝোঁকটা কেটে আসছে। তবে সিনেমায় নামার মোহ আছে খুব। এখন বলছে কলকাতা থেকে ভিডিয়ো ভাড়া করে এনে এইখানকার নৈসর্গিক দৃশ্যের ছবি তুলবে।

    তাই নাকি? মনে হচ্ছে মেয়েটা যা তা মেয়ে নয়। ভাবালু। এই ধরনের ছেলেমেয়েরা এমনিতেই একটু আত্মভোলা প্রকৃতির হয়। যাই হোক, নজরে রাখ মেয়েটাকে। ওর নাম আর এলাকা যখন জানা গেছে তখন বাড়ি খুঁজে বের করতে একটুও অসুবিধে হবে না আমার। তুই নিশ্চিন্ত থাক। আমি ওর বাড়িতে খবর দিচ্ছি।

    মাকে একবার দাও।

    বিনতা পাশেই ছিলেন।

    ভার্গব ফোনটা স্ত্রীর হাতে দিয়ে বললেন, ছেলে কথা বলবে তোমার সঙ্গে। বিনতা ফোনে অনেক কথা বললেন ছেলের সঙ্গে। সাবধানে থাকবার উপদেশ দিলেন।

    কথা শেষ হলে টেলিফোনের চার্জ দিয়ে বুথ থেকে বেরিয়ে এল সৌরভ। তারপর রাস্তার ওপারে গিয়ে অপেক্ষমান শিল্পা ও খেয়ালির হাত ধরে ঘুরতে লাগল পথে পথে।

    সেই রাতটা যে কী আনন্দে কাটল তা বলবার নয়। অনেক রাত পর্যন্ত ওদের অনেক পরিকল্পনা হল। তারপর এক সময় ঘুমিয়ে পড়ল সবাই।

    ময়ূরভঞ্জের মায়াময় প্রকৃতির বুকে ভোর হল।

    সে কী অপূর্ব সুন্দর ভোর, কাছেদূরে শুধু ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি। তারই কোলে যে সবুজ বনানী, সেই বনানীর হৃদয় থেকে পাখির কলরব মুখর করে দিল চারদিক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }