Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সানঘাগরার আতঙ্ক – ১০

    দশ

    এদিকে সেই মেকানিক ছেলেটি দূরে দাঁড়িয়ে এদের কাণ্ড-কারখানা দেখছিল সব। শিল্পাকে সে চিনত। চিনত, কেন না সে হচ্ছে এখানকারই স্থানীয় ছেলে। তার ওপর কয়েক বছর আগে ওর মা ওদের বাড়িতে কাজ করত। তাই ব্যাপারটা বুঝে নিয়েই সে চুপি চুপি এগিয়ে এসে শিল্পাকে বলল, কী হয়েছে তোমাদের? কাকে খুঁজে পাচ্ছ না?

    শিল্পা ওকে সৌরভের ব্যাপারে সব কথা বলে চেহারার বর্ণনা দিতেই ছেলেটি বলল, জয়দা তো ওই ছেলেটাকে মেরে ধুনে দিয়েছে। তারপর একটা বস্তায় পুরে বস্তার মুখ বেঁধে রেখে দিয়েছিল আমাদের গ্যারেজঘরে।

    তোর এমন অবস্থা কী করে হল?

    আমিই যে ওকে বাঁধতে গিয়েছিলুম। ও তখন মাথা দিয়ে আমার এই নাকের ওপর এমন একটা গোঁত্তা মারল যে আমার এখন এই হল।

    শিল্পা ওর পায়ের চটি খুলে মারতে গেল ছেলেটাকে। বলল, আজকাল বুঝি এইসব কাজ করছিস? বলতে লজ্জা করছে না?

    আমি কী করে জানব ও তোমাদের কেউ?

    যাদেরই হোক, এইরকম কাজ করবি কেন?

    আমি তো এটাকে খারাপ কাজ বলে ভাবতে পারিনি। জয়দা মাঝেমাঝে এদিকে আসে। আজও এসেছিল। ওই ছেলেটাকে দেখিয়ে বলল ও নাকি কার একটা স্কুটার চুরি করে পালিয়েছে। কিন্তু মালটা কোথায় রেখেছে তা কিছুতেই বলতে চাইছে না। সেইজন্য আমাকে বলল, তোদের গ্যারেজে বেঁধে ফেলে রাখ ব্যাটাকে। যতক্ষণ না সত্যিকথা বলে ততক্ষণ ছাড়া হবে না ওকে। আমি তাই মজা পেয়ে ওই কাজ করেছিলাম।

    ছেলেটা এখন কোথায়?

    ওকে বেদম পিটিয়ে বস্তাবন্দি করে সাতশো আটে তুলে দিয়েছে।

    সাতশো আট? সেটা আবার কী?

    একটা লরির নম্বর।

    লরিটা কোনদিকে গেছে বলতে পারবি?

    এই তো এই রোড ধরে গেছে।

    শিল্পা বলল, তা হলে হয় গোনাসিকা অথবা সানঘাগরার অরণ্যেই নিয়ে

    গেছে ওকে।

    খেয়ালি বলল, জয়রাম কোনদিকে গেল দেখেছিস?

    না। ওকে তো দেখিনি।

    ঠিক আছে। এই ব্যাপারে কাউকে কিছু বলিস না।

    শিল্পা বলল, আমাদের উচিত এখুনি বাড়ি গিয়ে বাবাকে সব কথা বলে থানায় যাওয়া।

    খেয়ালি বলল, অবশ্যই। তবে আমার ব্যাপারটা কিন্তু সম্পূর্ণ চেপে যেতে হবে এখন।

    তোমার কোন ব্যাপারটা?

    জয়রামের বন্ধু মেনোগুন্ডার চোখে ছুরি মেরেছি কাল। ওদের স্কুটার নিয়ে পালিয়েছি। এসব জানাজানি হলে পুলিশ কিন্তু আগে আমাকেই অ্যারেস্ট করবে। আর এখনই যদি আমি ধরা পড়ে যাই, তা হলে সৌরভকে খুঁজে বের করার ব্যাপারে অসুবিধে হয়ে যাবে খুব।

    শিল্পা বিস্মিত হয়ে বলল, তুমি খুঁজে বের করবে?

    আমি একা তো নয়! তুমিও থাকবে সঙ্গে। আমরা সশস্ত্র সানঘাগরা অথবা গোনাসিকায় চলে যাব। এই দুটো জায়গার একটাতে অন্তত সে থাকবে। আমার মনে হয় সানঘাগরাতেই ওকে নিয়ে গেছে ওরা।

    ওরা যখন নিজেদের মধ্যে এইসব আলোচনা করছে তেমন সময় সন্ত্রীক অরবিন্দবাবুই এসে হাজির হলেন সেখানে। বললেন, ব্যাপার কীরে! কোনও সন্ধান পেলি?

    শিল্পা বলল, তুমি এখুনি থানায় যাও বাবা। ওর খুব বিপদ। মেনোগুন্ডার সাগরেদরা সম্ভবত ওকে সানঘাগরার দিকেই নিয়ে গেছে।

    সে কী! কার মুখের খবর এটা?

    যারই মুখের খবর হোক, তুমি আর দেরি কোরো না। সাতশো আট নম্বর প্লেটের লরিতে করে ওকে নিয়ে গেছে ওরা।

    বলিস কীরে! আমার যে হাত-পা কাঁপছে। এ কী হল? ওর বাবা-মা এলে তাদের কী কৈফিয়ত দেব আমি?

    খেয়ালি বলল, সে চিন্তা পরে করবেন। এখন একদম সময় নষ্ট করবেন না। আপনি যান। আমরা কাকিমাকে নিয়ে ঘরে যাচ্ছি।

    অরবিন্দবাবু একটুও দেরি না করে থানায় গেলেন।

    ওরাও ঘরে ফিরল।

    অরবিন্দবাবুর স্ত্রী মা তারিণীকে ডাকতে লাগলেন।

    খেয়ালি শিল্পাকে বলল, পুলিশের কাজ পুলিশ করুক। আমরা আমাদের কাজ করি। তুমি কি আমাকে সানঘাগরার পথ চিনিয়ে নিয়ে যেতে পারবে? হ্যাঁ পারব। যেখানে দাঁড়িয়ে আমরা কথা বলছিলাম সেই পথটাই সোজা চলে গেছে সানঘাগরার দিকে।

    তা হলে আর দেরি না করে এখুনি আমাদের পৌঁছতে হবে। চেষ্টা করতে হবে পুলিশের আগেই যাতে আমরা পৌঁছে যাই।

    বাড়িতে কী বলব?

    কিছুই বলবে না।

    শিল্পা বলল, দাঁড়াও তা হলে, আমি ড্রেসটা একটু চেঞ্জ করে নিই।

    আর শোনো, পারলে আত্মরক্ষার জন্য একটা ছুরিটুরি কিছু নিয়ো। একেবারে শুধু হাতে যাওয়াটা ঠিক নয়।

    বাবার স্প্রিং-দেওয়া ছুরিটা নিচ্ছি। তোমার কিছু লাগবে?

    প্রয়োজন নেই। আমার যা আছে এই যথেষ্ট।

    ওরা আর দেরি না করে বাড়িতে একটু আসছি বলে স্কুটার নিয়ে বেরোল।

    হাই স্পিডে স্কুটার চালিয়ে ওরা রাজপথ ধরে বনপথের দিকে এগিয়ে চলল। খেয়ালি বলল, তোমার ভয় করছে না তো?

    না।

    ভয় একদম করবে না। ভয় করলেই বিপদ। ভয় জয় করো, দেখবে বিপদ একসময় দূরে সরে গেছে।

    শিল্পা খেয়ালিকে জড়িয়ে ধরে বলল, সত্যি, কী থেকে কী হয়ে গেল দেখো। সৌরভদার জন্য মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল।

    কেন যে বেরোতে গেল ঘর থেকে।

    আমরা স্কুটার না পেয়ে ফিরে এলে তারপর তো একসঙ্গেই যেতাম।

    আসলে কী জানো তো, সৌরভ ছেলেটা খুব সহজ সরল। তবে একটা দিকে খুব ভাল হয়েছে। আমরা স্কুটার নিয়ে বেরনোর পর যদি ওদের খপ্পরে পড়তাম তা হলে কিন্তু কেউ কারও জন্যই কিছু করতে পারতাম না। পুলিশেও খবর যেত না। এখন ভয় শুধু একটাই, সৌরভকে ওরা মেরে না ফেলে। কেন না যা করে এসেছি কাল, তাতে আমাদের ওপর ওরা খার হয়ে গেছে।

    ব্যাপারটা কী হয়েছিল আমাকে বলো তো? কাল তোমরা অত কথা বললে, কিন্তু আসলটাই চেপে গিয়েছিলে কেন?

    খেয়ালি তখন এক এক করে সমস্ত কথাই বলতে লাগল। এমনকী ওদের ভিডিয়ো শুটিং-এর পরিকল্পনার কথাও বলল।

    শিল্পা বলল, ওর জন্য কলকাতা থেকে লোক আনবার দরকার কী? সেটা এখানেও হতে পারে। ভাল লোক আছে এখানে। কটক-ভুবনেশ্বর থেকে পাওয়া যেতে পারে।

    সেই একই তো ব্যাপার হল। কলকাতার াক হলে হয় কী, আমাদের মুঠোর মধ্যে ধরা থাকে।

    আমিও থাকব তো তোমাদের ছবিতে?

    অবশ্যই। তুমি তো থাকবেই। তুমি না থাকলে আমাদের এমন স্পট চিনিয়ে দেবে কে? তবে একটা ব্যাপারে তোমাকে আমি হিংসা করছি খুব। কোন ব্যাপারে?

    সৌরভের বাবা-মা যদি বরাবরের জন্য এখানে চলে আসেন তা হলে তুমি ওকে সব সময়ের জন্যই কাছে পাবে। মাঝখান থেকে আমিই দূরে থাকব।

    এই যে বললে তোমার জন্যও একটা ঘর করে দিতে, তুমি এখানে থাকবে

    না?

    ওটা তো কথার কথা। ওর বাবা-মা যদি রাজি না হন? বিশেষ করে আমি একটা বাড়ি পালানো বাজে মেয়ে।

    যাঃ। কী যা তা বলছ? তুমি বাজে মেয়ে কেন হবে? তুমি তো অভিমান করে ঘর ছেড়ে চলে এসেছ! তা ঠিক আছে। তুমি যদি সত্যিই থাকতে চাও, তা হলে আমাদের বাড়িতেও থাকতে পারো। এখানে থেকেই পড়াশোনা করবে। দু’ বন্ধুতে একসঙ্গে স্কুলে যাব আমরা।

    ঠিক! তোমার বাবা-মা আপত্তি করবেন না?

    তোমার মা-বাবা যদি আপত্তি না করেন।

    খেয়ালি স্কুটারের গতি এবার একটু একটু করে কমিয়ে আনল। তারপর এক জায়গায় স্কুটার থামিয়ে বলল, পথটা তো এখানে দু’ভাগ হয়ে গেছে দেখছি। আমরা এখন যাব কোন পথে?

    কেন, সোজা। ওই যে পাহাড়টা দেখছ, ওই পাহাড়ের মাথার ওপর সানঘাগরা।

    এই পথটা তা হলে কোন দিকে গেছে?

    কেল্লার পাশ দিয়ে জগন্নাথ মন্দিরে।

    খেয়ালি কী যেন ভাবল। তারপর বলল, বহুদিনের পুরনো ভাঙা কেল্লা দেখছি। সৌরভকে নিয়ে গিয়ে এখনকার মতো ওখানেই তো রাখতে পারে ওরা?

    সানঘাগরা ছাড়া কোথাও যাবে না।

    ঠিক বলছ তুমি ?

    বলাইও তাই বলল।

    ওই মেকানিক ছেলেটা?

    মেকানিক না ছাই। কাজ শিখছে।

    তবু আমার মন বলছে এইখানটা একবার দেখে যাওয়াই ভাল। কথায় আছে যেখানে দেখবে ছাই…।

    ওরা আবার স্কুটার নিয়ে এগিয়ে চলল সেই কেল্লাটার দিকে। চারদিকে গাছপালা আর ঘন জঙ্গল। পাশেই বড় একটি পাহাড়। সেই পাহাড়ের মাথার ওপর দিয়েই সানঘাগরার পথ। কেওনঝোড়ের একটি পিকনিক স্পট। কিন্তু আজ কোনও ছুটির দিন নয়। তাই এই পিকনিক করতেও কেউ আসবে না। একসময় কেল্লার কাছে গিয়ে পৌঁছল ওরা।

    কী ভীষণ জঙ্গল চারদিকে। আগাছায় ভরা।

    ওরা এক জায়গায় ঝোপের আড়ালে স্কুটার রেখে একটা গাছের দুটো ডাল ভেঙে লাঠি করে আগাছা ঠেলতে ঠেলতে কেল্লার ভেতরে ঢুকল। খণ্ডহর।

    চারদিকেই কেল্লার ধ্বংসাবশেষ। অতীতের স্থাপত্য। বর্তমানের স্মৃতি। ভাঙা

    কেল্লার ফাটল দিয়ে বট-অশ্বত্থের মাথাচাড়া।

    হঠাৎ এক জায়গায় এসে থমকে দাঁড়াল ওরা।

    খেয়ালি বলল, ওই দেখো।

    শিল্পা দু’চোখ মেলে দেখল এক জায়গায় পাতাচাপা দেওয়া বোমা রাখা আছে কতকগুলো।

    আর এক জায়গায় দেখল চার-পাঁচটা মেশিনগান।

    শিল্পা বলল, এ কোথায় এসে পড়লাম আমরা?

    খেয়ালি হঠাৎ হিস্ করে থামতে বলল ওকে। দেখল দূরে এক জায়গায় কয়েকজন ভয়ংকর চেহারার লোক গোল হয়ে বসে কী যেন ফিস ফিস করছে নিজেদের মধ্যে।

    খেয়ালি চাপাগলা বলল, এই লোকগুলোকে আমি চিনি। কাল যখন স্কুটার নিয়ে আসছিলাম, তখন দেখি না এরা দুর্দান্ত বেগে স্কুটার চালিয়ে আসছে। কিন্তু স্কুটারগুলো কই?

    হয়তো ভেতরেই কোথাও রাখা আছে।

    এরা এই জঙ্গলের মধ্যে কেন?

    নিশ্চয়ই কোথাও ডাকাতি করতে যাবার পরিকল্পনা করছে এরা।

    এই সময়ে পুলিশে একটা খবর দিতে পারলে ঠিক হয়। কিন্তু এ যা জায়গা এখানে ফোন পাব কোথায়?

    এখন একটা কাজ করা যাক। এদের এই মেশিনগানগুলো অন্য কোথাও সরিয়ে রাখি এসো। যাতে ওরা প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে না পায়। বলামাত্রই কাজ।

    দু’জনে চটপট আগ্নেয়াস্ত্রগুলো হাতে নিয়ে কেল্লার পেছনদিকে একটা গর্তের ভেতরে ফেলতে গিয়েই দেখল সেখানেই এক জায়গায় একটি মারুতি ভ্যান রাখা আছে।

    শিল্পা বলল, ওই দেখো। সেই ভ্যানটা না? যেটা আমাদের চাপা দিতে আসছিল। এটা তো জয়রামের।

    হ্যাঁ, তাই তো। তার মানে রীতিমতো গোলমেলে ব্যাপার। নির্ঘাত ডাকাতির ষড়যন্ত্র।

    আসলে জয়রামের সঙ্গে এই দলটার পুরোপুরি যোগসাজশ আছে। হয়তো জয়রামেরই পোষা গুন্ডা এরা। সম্ভবত কাল যখন আমাদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল ওদের, তখন হয়তো আমাদের ব্যাপারটা ওরা জানত না।

    ওরা আর দেরি না করে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো এত কাছাকাছি না রেখে, জঙ্গলের ভেতরে একটা গাছের ডালে এমনভাবে ঝুলিয়ে রাখল যাতে কারও চোখে না পড়ে।

    খেয়ালি ওর ছুরিটা দিয়ে সেই গাছের গুঁড়িতে একটা ক্রুশ চিহ্ন দিল। তারপর বলল, যেভাবেই হোক ভ্যানটাকে অকেজো করতে হবে। এই ছুরির ফলা দিয়েই সব চাকার হাওয়া খুলে দেব এখুনি।

    ওরা সেই মতলবে যখন মারুতির কাছে এল, তখনই আর এক বিস্ময়। দেখল ভ্যানের মধ্যে বস্তাবন্দি কী যেন।

    খেয়ালি বলল, নির্ঘাত সৌরভ। সে ছাড়া আর কেউ নয়।

    ওরা আস্তে করে লক খুলে ভেতরে ঢুকে ছুরি দিয়ে বস্তার মুখ খুলতেই পেয়ে গেল সৌরভকে।

    সত্যি! কী মারটাই না মেরেছে ছেলেটাকে। ওর চোখেমুখে কালসিটে পড়ে গেছে।

    মুক্তি পেয়েই সৌরভ বলল, আমি কোথায়?

    কেল্লা পাহাড়ে।

    কেল্লা পাহাড়!

    শিল্পা বলল, হ্যাঁ। সানঘাগরার নিম্নাচল। ওই পাহাড়ের মাথায় উঠলে তবেই যাওয়া যাবে সানঘাগরায়।

    খেয়ালি বলল, তুমি এখানে কী করে এলে? তুমি যে গুম হয়েছ সে খবর আমরা এসেছি।

    কিন্তু আমি এখানে আছি তোমরা জানলে কী করে?

    আন্দাজে ভর করেই এসেছি এদিকে। তবে গ্যারেজের ছেলেটা আমাদের সবই বলেছে। ওরা তোমাকে একটা লরিতে তুলেছিল না?

    হ্যা। পরে লরি থেকে নামিয়ে এই মারুতিতে। এটা হচ্ছে ওই শয়তান জয়রামের।

    খেয়ালি বলল, মনে হচ্ছে শয়তানটা কাছাকাছিই আছে।

    শিল্পা বলল, ওই লোকগুলোর দলেই হয়তো আছে। আমরা দূর থেকে দেখেছি। কাছে গেলে হয়তো দেখতে পেতাম।

    এখন তা হলে করণীয়?

    সর্বাগ্রে এখান থেকে কেটে পড়া।

    তার আগে মারুতির চাকাগুলোর হাওয়া তো খুলে দিই। তোমরা কীভাবে এলে?

    আমরা স্কুটার নিয়ে এসেছি। সেটা বাইরে একটা ঝোপের আড়ালে রাখা আছে।

    সৌরভ বলল, খেয়ালি, তুমি না বলেছিলে তুমি মোটরগাড়িও চালাতে পার? তা যদি হয় তা হলে আমরা এটা নিয়েই তো পালাতে পারি।

    শিল্পা বলল, পরেশদার স্কুটারের কী হবে?

    যেমন আছে তেমনি থাকবে? আর খারাপ কিছু যদি হয় তখন দেখা যাবে।

    খেয়ালি বলল, তোমার যুক্তিটা মন্দ নয়। তবে কি না মোটর চালানোয় আমার দক্ষতা খুব একটা নেই। অ্যাকসিডেন্ট হবার ভয়। অবশ্য এখান থেকে ওটাকে আমি বের করে নিয়ে যেতে পারব।

    সৌরভ বলল, তা হলেই হবে। এখন দেখো গাড়ির চাবিটা লাগানো আছে কি না। যদি চাবি দেওয়া থাকে, তা হলে চাকার হাওয়া খুলে দিতে হবে। আর তা যদি না থাকে তা হলেই গাড়ি নিয়ে সটকান।

    খেয়ালি এক-পা এক-পা করে এগিয়ে গেল মারুতিটার দিকে। গিয়ে দেখে বলল, এই, আছে আছে। চাবিটা লাগানোই আছে। তারপর বলল, তবে আমার মনে হয় আমাদের স্কুটার নিয়েই পালানোই ভাল। তার কারণ ওটা আমার দারুণ কনট্রোলে।

    সৌরভ বলল, আসলে কেন আমি মারুতিটা নিয়ে পালাতে চাইছি জানো? আমার মনে হচ্ছে মারুতিটাকে রাস্তায় বের করে এক জায়গায় রেখে কোনওরকমে যদি এদের মৌচাকে একটা ঢিল মারতে পারি, আর ওই শয়তানটাকে যদি বাগে পাই তা হলে ওকেই এই বস্তায় পুরে রেখে আসব সানঘাগরায়।

    খেয়ালি আনন্দের উচ্ছ্বাসে নেচে উঠল, ঠিক বলেছ তুমি। বেস্ট আইডিয়া। আ— পারে রাম — পাম, পাম পাম।

    ওরা সেই পরিকল্পনা করে যেই না ঢুকে বসেছে গাড়িতে, অমনি দূর থেকে জয়রামের কণ্ঠস্বর শুনতে পেল ওরা, এই! এখানে এই স্কুটার কোত্থেকে এল রে? কে রাখল এখানে?

    কেল্লার ভেতরে যে লোকগুলো ছিল তারাও সতর্ক হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে ছুটে এল দেখতে।

    বাইরে এসে স্কুটার দেখেই বলল, সর্বনাশ! কোনও স্পাই লেগে যায়নি তো? অসম্ভব কিছু নয়। ওরা নিশ্চয়ই এতক্ষণে থানা-পুলিশ করেছে। তা ছাড়া মেয়েটার চেঁচানিতে আর একটু হলেই ধরা পড়তাম পুলিশের হাতে। তুমি যা করলে রাগের মথায় দিনদুপুরে, ওইরকম কেউ করে?

    আসলে কী জানিস, মাথাটা হঠাৎ গরম হয়ে গেল। মেনোর চোখে ছুরি মেরে মেয়েটা যা করেছে না, বরাবরের জন্য চোখটাই নষ্ট হয়ে গেল ওর। এখন তা হলে কী করব বলো?

    যন্তর নিয়ে রেডি হয়ে যা। কেমন যেন বিপদের গন্ধ পাচ্ছি।

    কেল্লার ভেতর থেকে তখন কে যেন একজন চেঁচিয়ে বলল, সর্বনাশ হয়ে গেছে জয়দা। সমস্ত যন্তর হাপিস।

    বলিস কীরে !

    একটাও কিছু নেই।

    মারুতির ভেতর থেকে সৌরভ চেঁচিয়ে বলল, হল্ট। যে যেখানে আছ সে সেইখানেই থাকো। একদম নড়বে না।

    বলার সঙ্গে সঙ্গেই ম্যাজিক। লোকগুলো যে যেদিকে পারল দৌড়ল। দু’–একজন বোধ হয় লুকিয়েও পড়ল গাছের আড়ালে।

    চারদিকে অসীম নিস্তব্ধতা বিরাজ করতে লাগল তখন। যেন হঠাৎ একটা দমকা হাওয়ায় সব কিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল।

    কয়েকটি নিস্তব্ধ মুহূর্ত। খেয়ালি গাড়ি স্টার্ট দিতেই, জয়রামের মনে পড়ল গাড়ির কথা। আর তখনই মনে হল, পুলিশের লোক হলে তো আত্মপ্রকাশ না করে, এইভাবে গাড়ি নিয়ে পালাবে না। তাই সে নিজমূর্তি ধরল এবার।

    নিজেরই গুপ্তস্থান থেকে রিভলভারটা বের করে ছুটে এল গাড়ির দিকে। খেয়ালি ততক্ষণে মারুতিটাকে বের করে এনেছে জঙ্গলের ভেতর থেকে। সেই না দেখেই তো ফেটে পড়ল জয়রাম। মারুতিটা লক্ষ করেই ট্রিগার টিপল ঢিসুম।

    গুলিটা ওদের না লেগে গাড়ির বড়িতে লাগল।

    খেয়ালি তখন কী ভেবে যেন বেগে গাড়িটা চালিয়ে দিল জয়রামের দিকে।

    জয়রামেরও এবার পালানোর পালা।

    কিন্তু ততক্ষণে বিপদ যা ঘটবার তা ঘটে গেছে। অনভ্যস্ত হাতে গাড়ি চালাতে

    গিয়ে গাড়িটা একটা শাল গাছের গুঁড়িতে গিয়ে জোরে ধাক্কা দিল।

    এবার যে অবস্থাটা কী হবে তা ওরা জানে।

    জয়রামের হাতে তখন উদ্যত রিভলভার।

    সৌরভ বিপদ বুঝেই এক পাশের দরজা খুলে লাফিয়ে নামল গাড়ি থেকে।

    নেমেই অব্যর্থ একটা পাথরের টিপ শয়তানের মুখে।

    জয়রাম হায় রাম বা রামে রাম বলল না বটে, তবে কিছু একটা বলল। বলেই বসে পড়ল ঘাসের ওপর।

    ওরা সবাই তখন ছুটে গিয়ে চেপে ধরল ওকে।

    খেয়ালি তো প্রথমেই ওর হাত থেকে রিভলভারটা কেড়ে নিল। নিয়েই মুখের ওপর জুতোসুদ্ধ এক লাথি।

    মেয়েদের লাথিও ঠিক জায়গা মতো পড়লে সুস্বাদু লাগে না। তাই লাথি খেয়েই গাঁক করে উঠল জয়রাম।

    সৌরভ বলল, কেমন লাগল দাদা? এটা হল পাটিসাপটা। এবার আসকে পিঠে বা ইডলি কেমন লাগে দেখো। বলেই বলল, আবছা একটু নলেন গুড় মাখিয়ে দিই। সকালে তুমি অনেক খানা খাইয়েছিলে, এখন তোমাকেও অনেক— অনেক খাওয়াব। এই কথা বলেই খানিকটা পিছিয়ে এসে সৌরভ জোড়া পায়ে লাফিয়ে পড়ল ওর গায়ের ওপর।

    জয়রাম হুমড়ি খেয়ে মাটিতে পড়ল, সহ্য করতে না পেরে।

    খেয়ালি তখন ওর চুলের মুঠি ধরে তুলে বসাল।

    সৌরভ বলল, তুমি শোলে দেখছ দাদা?

    জয়রাম বলল, হিন্দি সিনেমা আমি দেখি না।

    তা হলে এই সমস্ত ফিল্মি টেকনিক তুমি কোত্থেকে শিখলে গুরু? যাক। এবার তোমাকে একটু রাধাবল্লভি খাওয়াই। তার সঙ্গে কষা মাংস। বলেই তার মাথাটা ধরে দুম দুম করে ঠুকতে লাগল একটা গাছের গুঁড়িতে।

    এতক্ষণ মাতৃভাষা ফুটে বেরোল মুখ দিয়ে, মরি জীব রে।

    সকালে আমাকে যখন মেরেছিলে আমিও তখন মরে গিয়েছিলাম। এখন মরে ভূত হয়ে ভূতের নাচ নাচছি। তুমিও ভূত হয়ে নাচবে।

    খেয়ালি সৌরভকে বলল, অনেক হয়েছে। এখন দেব ব্যাটাকে একটা গুলিতে শেষ করে?

    জয়রাম সঙ্গে সঙ্গে না না করে উঠল।

    সৌরভ বলল, না না মারবে কী? ওর বন্ধু চিতাটা বড়ই ক্ষুধার্ত। ওকে ওই বস্তাতে পুরেই নিয়ে চলো সানঘাগরায়। যেভাবে আমাকে নিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক সেইভাবে।

    খেয়ালি হাঁক দিল, শিল্পা! বস্তাটা নিয়ে এসো তো, শিগগির। দেরি কোরো না একদম।

    কিন্তু কোথায় শিল্পা? তার কোনও সাড়াশব্দই নেই, এমন কি চিহ্নও নেই কোথাও।

    সৌরভ চেঁচাল, শিল্পা-~। তুমি কোথায়?

    খেয়ালি বলল, তুমি যেখানেই থাকো, চলে এসো শিগগির। জয়রাম তখন পালাতে যাচ্ছে।

    সৌরভ চকিতে একটা পা গলিয়ে দিল ওর পায়ে। যেই না দেওয়া অমনি মুখ থুবড়ে পড়ল সে।

    পড়া মানে মোক্ষম পড়া যাকে বলে। একেবারে নাকমুখ থেঁতো হয়ে গেল। একটা দাঁতও মজবুত হয়ে গেল বোধহয়।

    যাই হোক! মারুতির ভেতর থেকে বস্তাটা বের করে ওরা বহু কষ্টে জয়রামকে ঢুকিয়ে দিল তার ভেতর। তারপর বস্তার মুখ বেঁধে বলল, আমাদের উচিত ছিল তোমার হাত পাও বেঁধে দেওয়া। কিন্তু অত দড়ি তো নেই। তবে হাতে লাঠি আছে। ছটফট করলেই কিন্তু তুলো ধুনব।

    সৌরভের হাতে লাঠি।

    খেয়ালির হাতে রিভলভার। যদিও চালায়নি কখনও, তবুও ধরে রইল এমনভাবে যা দেখলে মনে হবে দিল বুঝি।

    ওরা তন্ন তন্ন করে শিল্পাকে খুঁজতে লাগল চারদিকে। কিন্তু কোথায় সে? কতবার নাম ধরে ডাকল। কিন্তু এই নির্জনে ওদের ডাক প্রতিধ্বনিই হয়ে ফিরল। কোনও প্রত্যুত্তর এল না।

    সৌরভ হঠাৎ এক পাশে শিল্পার এক পাটি চটি পড়ে থাকতে দেখল। দেখেই বলল, কিডন্যাপড!

    তার মানে?

    নিশ্চয়ই কেউ লুকিয়েছিল ধারেকাছে। আমাদের অসতর্কতার মাঝেই নিয়ে পালিয়েছে ওকে।

    এই দারুণ বিপদে কী যে করবে ওরা কিছুই ভেবে পেল না। যাদের আশ্রয়ে এসে ওঠা ওদের জন্য তাদেরই যদি ক্ষতি হয় তো, এর চেয়ে লজ্জার আর কী আছে? কিন্তু কখন কীভাবে নিয়ে গেল ওকে? ওদের চোখের সামনে দিয়ে?

    এই নির্জন প্রান্তরে ওরা তাই অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }