Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিঘা সৈকতে আতঙ্ক – ৭

    সাত

    ‘চিৎ ইয়া পৎ…….হু র্ র্ র্ ইয়াঃ। খোদা যিসকো দেগা উসকো ছপ্পর ভরকে দেগা, যিসকো নেহি দেগা উসকো রোনা মাৎ। লা ইলাহা ইল্লিল্লা ইল্লা রসুল্লাহা।’ বলেই আর্চ করার ভঙ্গিতে একটা ডিগবাজি খেয়ে শিরদাঁড়া টন করে বল্লমটা ওপরে তুলে আবার চিৎকার করে উঠল, আল্লা হো আকবর্ র্ র্। খোদা বঢ়ি মেহেরবান।

    দিঘা সৈকতে ভ্রাম্যমাণ জনতার উৎসুক চোখের দিকে তাকিয়ে একটু হেসে সে আবার বলল, যো চলা যায়েগা, ও কভি নেহি আপস আয়েগা। যো আয়েগা ও জিয়েগা নেহি। জিয়েগা তো জিন্দগিভর জিয়েগা, নেহি জিয়েগা তো ক্যা কিয়েগা? দুর্গামায়ী বাচাকা রাখা, দুর্গামায়ী বাচাকা রাখা। সীতারাম ঝটপট। যার কাছে যা কিছু আছে চটপট দিয়ে দিন। সীতারাম ঝটপট কব্ তক্ খাড়া রহেগা? বলেই হাত পেতে ভিড়ের ভেতর দিয়ে এগোতে লাগল।

    লোকটার যে কী জাত, তা কেউ জানে না। হিন্দু না মুসলিম না খ্রিস্টান, তাও জানে না কেউ। কী যে ওর ভাষা তাও তো রহস্যময়। মুখে বলবে সীতারাম ঝটপট। নাম জিজ্ঞেস করলে বলবে, আমার নাম অ্যান্টনি। শ্রীমান অ্যান্টনি ধিড়িঙ্গি। বোঝ। একটা আধবুড়ো লোক নামের আগে শ্রীমান বলবে, সারনেম বলবে ধিড়িঙ্গি। ধিড়িঙ্গি কি কারও পদবি হয়? কে জানে? কেউ বলে ছিটিয়াল, কেউ বলে পাগল, কেউ বলে বহুরূপী, কেউ বলে গুপ্তচর। আবার কেউ বা বলে বদের ধাড়ি। বেশটি করে ধরে চাক্কালে তবে গায়ের রাগ যায়। কিন্তু যে যাই বলুক ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কাছে এই লোকটি অত্যন্ত আদরের। ওকে আসতে দেখলে ছোটদের আনন্দের আর অবধি থাকে না। লোকটি হাত পেতে পয়সা নিতে নিতে ভিড় ঠেলে বাজারের দিকে এগিয়ে চলল।

    এমন সময় কে যেন একজন ভিড়ের ভেতর থেকে চেঁচিয়ে বলল, হেই ব্রেনলেশ সীতারাম অ্যান্টনি! এই পাগলা! হোয়ার আর ইউ গোয়িং? লোকটি ঘুরে তাকিয়েই রাগে থর থর করে কাঁপতে লাগল। ক্রুদ্ধ স্বরে বলল, আমার নাম অ্যাস্টনি ধিড়িঙ্গি নইকো ট্যাস্ নই ফিরিঙ্গি,

    যে আমায় পাগল বলবে—

    তার কথায় কি দুনিয়া চলবে? কিসিসে দোস্তি কভি তো নয় ইউ আর অল শূকর-তনয়।

    যে লোকটি ভিড়ের ভেতর থেকে অ্যান্টনিকে পাগলা বলে ডেকেছিল, এখন গালাগালি খেয়ে লোকটি ছুটে এসে আক্রমণ করল ওকে। অ্যান্টনির গালে একটা চড় মেরে বলল, তুই আমায় গালাগালি দিলি কেন?

    অ্যান্টনিও আক্রমণের জবাবে লোকটিকে পালটা আক্রমণ করে একেবারে ধরাশায়ী করে ফেলল। এবার চলল দু’জনের ধুলোয় লুটোপুটি। লোকটির চোয়াল এক হাতে শক্ত করে টিপে অ্যান্টনি বলল, তোদের যার যা ইচ্ছে সে তাই বলে যাবি আর আমি মুখবুজে সহ্য করে যাব দিনের পর দিন তাই না?

    গোলমাল আরও গড়াত। স্থানীয় কিছু লোকজন এসে ছাড়িয়ে দিল তাই রক্ষে। যে লোকটিকে অ্যান্টনি ধরাশায়ী করেছিল সে লোকটি উঠে দাঁড়িয়ে গায়ের ধুলো ঝেড়ে অ্যান্টনিকে গালাগালি দিতে দিতে চলে গেল।

    অ্যান্টনিও হাতের বল্লমটা একবার শূন্যে নিক্ষেপ করে পরক্ষণেই সেটাকে

    লুফে নিয়ে সুর করে বলল, ল্যাংড়া-খোঁড়া নাচার বাবা মুঝে এক পয়সা দো…। অসমঞ্জবাবুর এমন দুঃখের দিনেও হাসি পেল। এতক্ষণ স্ত্রীর খোঁজে পথে বেরিয়ে লোকটির কাণ্ডকারখানা দেখছিলেন। এবার সঙ্গের সাদা পোশাকের পুলিশ অফিসারকে বললেন, এ লোকটি কে বলুন তো?

    তা জানি না। তবে লোকটি অনেকদিন ধরেই এখানে আছে। কতদিন?

    এই ধরুন বছর পনেরো।

    থাকে কোথায়।

    এর কোনও নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই। আজ এখানে, কাল ওখানে, পরশু সেখানে। ভিক্ষে করে যা পয়সা পায় তাতেই কোনওরকমে দিন কাটায়।

    লোকটাকে একটু নজরে রাখবেন।

    কেন স্যার, ও আমাদের পরিচিত। কোনও সন্দেহভাজন কেউ নয়। দিঘা ছেড়ে বড় একটা যায়ও না কোথাও।

    ওই লোকটাকে চিৎ করে ফেলে ওর বুকে ওঠার টেকনিক দেখলেন? অসীম শক্তি ওর দেহে। লক্ষণ ভাল বুঝছি না। এইসব পাগল-ছাগল মার্কা লোকেরাই অনেক সময় বিভিন্ন দলের হয়ে কাজ করে। তাই বলছি ওর গতিবিধির ওপর একটু নজর রাখবেন।

    অসমঞ্জবাবু কথা বলতে বলতেই একটা সিগারেট ধরালেন। এমন সময় দু’জন সার্জেন্ট এসে নমস্কার জানিয়ে বলল, না স্যার। কোনও হদিসই পাওয়া গেল না। তবে আপনার হোটেলের বেয়ারা যে রকম গাড়ির কথা বলছে, ওই রকম একটি গাড়িকে অবশ্য কিয়াগেড়িয়া চেকপোস্টে দেখা গেছে। সেটি এখন সীমান্তের ওপারে। ওড়িশার পুলিশকে আমরা নজর রাখতে বলেছি। তবে ওরা যদি একটু তৎপর হয় তো একটা বিহিত হতে পারে।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, হুম। ওদের আর কখনও ফিরে পাব এমন আশা আমি মনের মধ্যে রাখি না, তবুও বলি এখানকার সমস্ত নামকরা ক্রিমিন্যালগুলোকে এক এক করে অ্যারেস্ট করুন এবং তাদের মুখ থেকে কথা বার করার চেষ্টা করুন।

    সে কাজ অনেক আগেই শুরু করে দিয়েছি আমরা। এবং কয়েকজনকে পাকড়াও করে জিজ্ঞাসাবাদও চলছে।

    অসমঞ্জবাবুর বুক থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। একসঙ্গে স্ত্রী-পুত্র দু’জনকেই হারালেন তিনি। সুজাতাদেবী যে কার সঙ্গে কোথায় গেলেন, বা যেতে পারেন, তা কিছুতেই অনুমান করতে পারলেন না। এবং এখনও পর্যন্ত যখন তাঁর ফিরে আসার কোনও খবর নেই, তখন ধরেই নেওয়া যেতে পারে যে, তাঁকেও অপহরণ করা হয়েছে।

    এ খবরও চাপা রইল না। বাতাসের আগে দিঘার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল। আবার হই হই পড়ে গেল চারদিকে।

    এরই মধ্যে সমুদ্রের বুকে সূর্যাস্ত হল। অসমঞ্জবাবু সাদা পোশাকের পুলিশ অফিসারকে সঙ্গে নিয়েই আবার হোটেলে ফিরে এলেন। এখন বার বারই তাঁর মনে হতে লাগল সেই কুখ্যাত গুন্ডা রূপেনকে ছেড়ে দিয়ে সত্যিই তিনি কোনও ভুল করলেন কি না? এটা কি ওদের কোনও নাটকীয় চাল? দেখাই যাক। লোকটার তো সন্ধের পর আসবার কথা আছে। যদি না আসে তা হলে ধরে নিতে হবে এ ওদেরই কাজ। এবং তখন তাঁর নিজের ভুলের মাশুল নিজেকেই দিতে হবে।

    রূপেন যেরকম কথা দিয়েছিল, ঠিক সেইরকম সময়েই সন্ধ্যার অন্ধকারে গা ঢাকা দিয়ে লুকিয়ে এল। অবশ্য ও একা নয়। সঙ্গে সুখেনও।

    অসমঞ্জবাবুর তখন উদ্ভ্রান্তের মতো অবস্থা। ওদের দু’জনকে দেখেই জলমগ্ন ব্যক্তি যেমন হাতের কাছে কোনও কিছু পেলে তাই ধরে ওঠবার চেষ্টা করে, ঠিক সেইভাবেই ওদের দু’জনকে চেপে ধরলেন। দু’জনের দুটি হাত ধরে বললেন, আমি তোমাদের জন্যেই অপেক্ষা করছিলাম। একমাত্র তোমরাই পারবে আমার স্ত্রী-পুত্রকে উদ্ধার করতে। কেন না তোমরা চিরকাল অসৎ পথে ছিলে। তাই খারাপ লোকেদের গোপন ঘাঁটিগুলো তোমাদের অজানা নয়। তোমরা চারদিক ছুঁড়ে ফেলো। আমি আমার পুলিশবাহিনী দিয়ে যতদূর পারব সাহায্য করব। তা ছাড়া আমি নিজে তো চেষ্টা করবই। যেভাবেই হোক জীবিত অথবা মৃত ওদের উদ্ধার করতেই হবে।

    রূপেন বলল, ব্যাপারটা খুবই রহস্যময় স্যার। কেন না আমাদের ধারণা আপনার ছেলেকে অপহরণ করার উদ্দেশ্য ওদের ছিল না। যে পরিবেশে ছেলেটিকে আমরা দেখেছি বা তার সঙ্গে কথা বলেছি, সেই পরিবেশে কুকুরের তাড়া খেয়ে পালাবার সময় হঠাৎ চোখের পলকে ছেলেটিকে গুম করাটা নেহাতই অঘটন ছাড়া কিছু নয়।

    সুখেন বলল, বিশেষ করে ছেলেটি যে বালিয়াড়ির ওইখানেই আসবে, সেটা তো অপহরণকারীদের আগে থেকে জানবার কথা নয়।

    তা ঠিক। কিন্তু টারগেট যদি না-থাকবে তা হলে ওরা কীসের স্বার্থে আমার স্ত্রী-পুত্রকে অপহরণ করল? সবচেয়ে আশ্চর্য এই, অপহরণের আগে বা পরে কোনও ভীতি প্রদর্শনের ব্যাপার ঘটেনি। কোনও ব্ল্যাকমেলের হুমকি আসেনি। কেউ কোনও টাকাকড়ি বা সোনাদানাও চায়নি। তবে কেন? কেন ওরা এইভাবে লুকিয়ে রাখল ওদের?

    রূপেন ও সুখেন বলল, আপনি অত বেশি ভাববেন না। যা হবার তা তো হয়ে গেছে। এখন আমরা দু’জনে যখন ফিল্ডে নেমেছি তখন আমাদের কিছু করতে দিন। রীতিমতো শেরিফ বদমাস ছাড়া আমাদের মুখের গ্রাস কেড়ে নিতে আসবার মতো দুঃসাহস কারও হবে না। আমরা বুঝতে পারছি, এ আমাদেরই প্রধান শত্রু মি. জ্যাঙ্গোর কাজ।

    কী বললে? কী নাম? জ্যাঙ্গো!

    হ্যাঁ। জগজিৎ সিং জ্যাঙ্গো। একজন ইন্টারন্যাশনাল স্মাগলার। এবং এদেশের বহু নারী-শিশুর হত্যাকারী ও একাধিক ব্যাঙ্ক ডাকাতির নায়ক। আমরা জ্যাঙ্গোরই দলের লোক। আজ রাতেই আমরা ওর ঘাঁটি আক্রমণ করব। অবশ্য এর জন্য যা দরকার তা আপনাকে দিতে হবে। কী চাও তোমরা?

    দল থেকে বেরিয়ে আসার সময় যা আমরা খুইয়েছি। অর্থাৎ দুটো প্ৰচণ্ড শক্তিশালী রিভলভার।

    বেশ, পাবে। তোমরা বোসো! আমি ব্যবস্থা করছি।

    অসমঞ্জবাবু ওদের বসিয়ে বাথরুমসংলগ্ন পাশের ঘরে এলেন। সেখানে দু’জন সাদা পোশাকের পুলিশ ওদের জন্য অপেক্ষা করছিল। তারা আদেশের অপেক্ষায় অসমঞ্জবাবুর চোখের দিকে তাকাতেই উনি বললেন, লোকদুটোকে দেখে তো মনে হচ্ছে, ওরা সত্যি সত্যিই আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে চায়। কিন্তু তবুও এটা ওদের একটা হল হতে পারে। এই টোপ ফেলেই ওরা হয়তো আমাকে ওদের ঘাঁটিতে নিয়ে যেতে চায়। কাজেই আমি ওদের সঙ্গে এগোতে থাকলে তোমরা দূর থেকে নিঃশব্দে আমাকে অনুসরণ করবে। আপাতত দুটো রিভলভার চাই।

    ওরা বলল, পাবেন। আমরা জানতাম এগুলো লাগবে। শুধু রিভলভার কেন, অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্রও আমাদের হাতের কাছেই মজুত রেখেছি। মি. কাঞ্জিলালও দশ-বারো জন সাদা পোশাকের পুলিশ নিয়ে বাইরে লুকিয়ে আছেন। আপনারা বাইরে বেরোলেই ওঁরা আপনাদের ফলো করবেন।

    থ্যাঙ্কস। বলে দুটো রিভলভার নিয়ে পাশের ঘরে গিয়ে, রূপেন-সুখেনের হাতে তুলে দিলেন।

    রূপেন ও সুখেন সে দুটি হাতে নিয়ে বলল, ভগবানের কসম। ওই শয়তান জ্যাঙ্গোকে আমরা এইবার দেখে নেব। আশা করি আপনার স্ত্রী-পুত্রকে ওদের ঘাঁটি থেকে উদ্ধার করে আনতে পারব আমরা।

    বেশ, যদি পারো তা হলে আমিও কথা দিলাম, তোমাদের পূর্বকৃত অপরাধের বোঝা আইনের চোখে যতটা হালকা করানো যায় তার চেষ্টা করব।

    রূপেন ও সুখেন রিভলভারদুটোকে একবার চুমু খেয়ে বলল, ঠিক আছে। তা হলে আমরা চলি স্যার।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, আমিও তোমাদের সঙ্গে যাব।

    শুধু শুধু কেন বিপদ বাড়াতে যাচ্ছেন? আগে আমাদের যেতে দিন। আমরা গোপন পথ ধরে অতি সন্তর্পণে যাব। সহসা কোনও বিপদে পড়লে পালাবার রাস্তা জানি। কিন্তু আপনি থাকলে আমাদেরও অসুবিধে হতে পারে। আমি যাব।

    রূপেন ও সুখেন পরস্পরের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখল একবার! তারপর বলল, আপনি কি আমাদের বিশ্বাস করতে পারছেন না?

    পারছি বইকী। না-পারলে কী ও-দুটো তোমাদের হাতে তুলে দিতাম?

    আসতে চাইলে আমদের আ ত্তির কিছু নেই। তবে এখনও বলছি, যে শত্রুর মোকাবিলা আমরা করতে চলেছি, তাতে আপনার অন্তত না-আসাই উচিত।

    বুঝলাম, কিন্তু তোমরা যদি ওই শত্রুর মোকাবিলা করতে গিয়ে কোনও বিপদে পড়, তখন তোমাদের রক্ষা করার জন্যও আমার থাকার দরকার নয় কি? অসমঞ্জবাবু তৈরি হয়েই ছিলেন। তবুও যাবার আগে একবার বাথরুম যাবার অছিলায় পাশের ঘরে গিয়ে সেই দুই পুলিশকে চোখ টিপে ইশারা করলেন। তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে এসে যেইনা রাস্তায় পা দিতে যাবেন, অমনি এক ধাক্কায় ছিটকে পড়লেন একদিকে। আর সঙ্গে সঙ্গে শুনতে পেলেন প্রচণ্ড একটা বিস্ফোরণের শব্দ। চারদিক ধোঁয়ায় ধোঁয়াচ্ছন্ন। বিস্ময়ের ঘোর কাটতেই এবং ধোঁয়াটা হালকা হতেই দেখতে পেলেন রূপেন পনেরো-ষোলো বছরের একটি ছেলের জামার কলার টিপে ধরেছে। ছেলেটির নিতান্তই দৈন্য দশা।

    রূপেন ঠাস করে ওর গালে একটা চড় মারল।

    ছেলেটি মার খাওয়া রুগ্ন কুকুরের মতো তাকিয়ে রইল ওর দিকে। মুখে একটু গোঁ গোঁ শব্দ করল শুধু। বোঝাই গেল ছেলেটি বোবা।

    রূপেন বলল, কাকে মারবার জন্যে ওটা ছুড়েছিলি? আমাকে, না ওই বাবুকে? ছেলেটি কথা বলল না। ভয়ে কাঁপতে লাগল। বল শিগগির?

    আবার সেই গোঁ গোঁ শব্দ।

    রূপেন অসমঞ্জবাবুকে বলল, আমরা যে এখানে আছি ওরা তা হলে টের পেয়েছে। বেশ রীতিমতো নজরদারি করছে আমাদের ওপর। এবং সেই জন্যেই নিজেরা না–এসে এই নির্বোধ বোবাটাকে পাঠিয়েছে আমাদের ওপর বোম চার্জ করবার জন্য। ভাগ্যে ওটা ফসকে অন্যদিকের দেওয়ালে লেগেছে। না হলে সর্বনাশ হয়ে যেত।

    অসমঞ্জবাবুর কপালের একটা পাশ কেটে গল গল করে রক্ত ঝরছে। অসমঞ্জবাবু রুমাল দিয়ে সেটাকে চেপে ধরলেন।

    সুখেন বললেন, আপনার এই অবস্থার জন্য আমি দুঃখিত। কিন্তু আমি ওকে দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনাকে ঠেলে না-দিলে আপনার জীবন বিপন্ন হতে পারত।

    অসমঞ্জবাবু হেসে বললেন, তোমার উপস্থিত বুদ্ধির জন্য ধন্যবাদ। রূপেন বলল, এখনও ভেবে দেখুন কী করবেন?

    আমি যাব। কারণ ওরা শুধু তোমাদের শত্রু নয়। আমারও। আমার স্ত্রী-পুত্রকে

    ওরা চুরি করে থাকুক, বা না-থাকুক, ওরা আমার প্রাণনাশের চেষ্টা তো কণোছেল। তা হলেই বুঝছেন, ওদের ঘাঁটিতে পৌঁছতে হলে আমাদের একটু অন্যভাবে যেতে হবে।

    হ্যাঁ। তোমরা যে আমাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছ এবং আমরা যে, ওদের আক্রমণ করব এটা ওরা জেনেই গেছে। তাই আমরা দলবল নিয়ে হই হই করে ওখানে যাব না। কারণ যদি ওরা সত্য সত্যই আমার স্ত্রী-পুত্রকে লুকিয়ে রেখে থাকে তা হলে ওরা ওদের ক্ষতি করে ফেলবে।

    অসমঞ্জবাবু হঠাৎ রূপেনের পেটের কাছে রিভলভার ঠেকিয়ে বললেন, তা হলে ইউ আর আন্ডার অ্যারেস্ট।

    রূপেন এবং সুখেন দু’জনেই ঘাবড়ে গেল।

    অসমঞ্জবাবু চাপা গলায় বললেন, সুখেন, এই সুযোগ। তুমি দৌড়ে পালাও এখান থেকে। যেভাবেই হোক আবার ওদের ঘাঁটিতে ফিরে গিয়ে দোস্তি করার চেষ্টা করো ওদের সঙ্গে। যাতে ওরা ধারণা করে আমরা তোমাদের অবিশ্বাস করে গ্রেপ্তার করেছি এবং তুমি পালিয়ে বেঁচেছ। ওরা অবশ্য এত সহজে তোমাকে বিশ্বাস করছে চাইবে না বা দলে নেবে না। তবুও তুমি ফিরে গিয়ে এমন নাটক করো, যাতে ওরা আপাতত আমাদের এখান থেকে নজর উঠিয়ে নেয়।

    কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই সুখেন ছুটে গিয়ে রাস্তার এক পাশে রাখা নিজের মোটর বাইকটায় চেপে বসল এবং পরক্ষণেই ঝড়ের বেগে উধাও হয়ে গেল সেখান থেকে।

    অসমঞ্জবাবু তখনও সেই একই ভাবে রিভলভারের নলটা রূপেনের পেটের কাছে ধরে রইলেন। তারপর এক চোখ টিপে তাকে আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন এ সবই নক্সা। যদি নজর দেবার আরও কোনও লোক নিযুক্ত থাকে তো সে দেখুক রূপেন অ্যারেস্ট হয়েছে।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, এই কে আছ হাতকড়া লাগাও।

    সঙ্গে সঙ্গে দু’জন সাদা পোশাকের পুলিশ এসে শক্ত করে ধরে ফেলল রূপেনকে এবং একজন সেই হাবাটাকে।

    একটু পরেই ফোনে খবর পেয়ে পুলিশের গাড়ি এল।

    ওঁরা সকলেই সেই গাড়িতে চেপে থানাতে চললেন।

    রূপেনকে এবং সেই হাবা ছেলেটিকে লকআপেই রাখা

    হল।

    অসমঞ্জবাবু রূপেনকে বললেন, এই রকম একটু অভিনয় করা ছাড়া আপাতত আর কোনও উপায় দেখলাম না।

    ভাল করেছেন। কিন্তু বেচারা সুখেন, ও যদি কোনও বিপদে পড়ে? একা গেল বেচারা।

    মনে হয় বিপদে পড়বে না। কেন না আমি যা বুঝেছি তা হল, ও অত্যন্ত চতুর এবং সতর্ক। ও জানত আমরা যে কোনও সময় আক্রান্ত হতে পারি। এবং জানত বলেই একটা অঘটন ঘটে যাবার আগেই আমাকে ঠেলে সরিয়ে দেয়। যাক, এবার দেখি এই ছেলেটার কাছ থেকে কোনও কিছু জানতে পারি কি না।

    সুখেন বলল, বৃথা চেষ্টা করবেন না স্যার। আমি ওকে জানি। মেরে ফেললেও ও একটি কথাও বলবে না আপনাকে।

    ওদের কোনও গোপন তথ্য আমি তো জানতে চাই না। সেজন্য তোমরা আছ। আমি শুধু জানতে চাইব আমার স্ত্রী-পুত্র ওদের হেফাজতে আছে কি না। দেখুন চেষ্টা করে।

    প্রয়োজন হলে ইলেকট্রিকের শক খাওয়াব ব্যাটাকে।

    অসমঞ্জবাবু ধীর ধীরে ছেলেটির দিকে এগিয়ে গেলেন। তারপর বেশ তৈরি তবু বললেন, কতদিন আছিস এ-লাইনে?

    হয়ে একটি আলাদা ঘরে নিয়ে গেলেন তাকে। ছেলেটিকে বললেন, তুই বোবা? ছেলেটি হ্যাঁ বা না কিছুই বলল না। ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইল শুধু। অসমঞ্জবাবু জানেন হাবা-বোবারা কানেও শুনতে পায় না।

    এবারও কিছু বলল না ছেলেটি। মানে বলবার চেষ্টা করল না। অর্থাৎ কথা তো বলতে পারে না, একটু ঘাড়ও নাড়ল না।

    অসমঞ্জবাবু এবার আদর করার ছলে ছেলেটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললেন, তুই যদি আমায় সাহায্য করিস তা হলে আমি তোকে কিচ্ছুটি বলব না। আমি পুলিশের লোক। আমাকে সাহায্য করলে তোর ভাল হবে। করবি তো? ছেলেটি নীরব।

    আমার মনে হচ্ছে তুই অসহায় একটি ছেলে। জন্মবোবা নোস। তোর মা-বাবা কে তাও বোধহয় তুই জানিস না। ওরা তোকে নিশ্চয়ই খুব ছোটবেলায় কোথাও থেকে চুরি করে এনেছিল। এবং নিশ্চয়ই কোনও ওষুধের দ্বারা অথবা ইঞ্জেকশান দিয়ে তোকে বোবা করে রেখেছে। তুই যদি আমার কথার উত্তর দিস তা হলে, আমি বড় ডাক্তার দেখিয়ে তোকে ভাল করে তুলব। আমার কথার উত্তর দিবি তো?

    ছেলেটি এবার হাসিমুখে ঘাড় নাড়ল।

    আমার ছেলে, আমার বউ কোথায় আছে তুই জানিস?

    ছেলেটি ঘাড় নেড়ে হ্যাঁ বলল।

    তুই তাদের দেখেছিস?

    ছেলেটি আবার ঘাড় নাড়ল।

    অসমঞ্জবাবু বললেন, আমি যদি চাই তুই আমাকে সাবধানে নিয়ে যেতে পারবি সেখানে?

    ছেলেটি ঘাড় নেড়ে সম্মতি জান ।

    আমি এখনই যাব।

    অসমঞ্জবাবু আসবার আগে আর একবার রূপেনের সঙ্গে দেখা করলেন।

    বললেন, আমি ছেলেটির সঙ্গে যাচ্ছি। তুমিও মেকআপ নিয়ে ছদ্মবেশে সুখেনের খোঁজে যাও। চুপচাপ বসে থাকার একদম সময় নেই।

    রূপেন বলল, সে আমি তৈরি হয়ে নিচ্ছি। তবে আপনি কিন্তু ওই বিচ্ছুটার সঙ্গে খুব সাবধানে যাবেন। ওকে একদম বিশ্বাস করবেন না। বলো কী?

    হ্যাঁ। হয়তো আগাগোড়া ঘাড় নেড়ে সবই আপনাকে মিথ্যে বলেছে।

    অসমঞ্জবাবু ছেলেটিকে সঙ্গে নিয়ে অন্ধকারে ওরই নির্দেশিত পথে বালিয়াড়িতে এসে নামলেন। তারপর সমুদ্রসৈকত ধরে এগিয়ে চললেন চন্দনেশ্বরের দিকে। বেশ খানিকটা যাবার পর একসময় অনুভব করলেন কে বা কারা যেন অনুসরণ করছে তাঁকে! হয়তো দিঘা-পুলিশ নিরাপত্তার জন্য পিছু নিয়েছে তাঁর। কিন্তু না। সে ভুল ভাঙল যখন জোড়া জোড়া টর্চের আলো তাঁর সর্বাঙ্গে এসে পড়ল। অসমঞ্জবাবু থমকে দাঁড়ালেন! আর সঙ্গে সঙ্গে ওদিক থেকে আগ্নেয়াস্ত্র গর্জে উঠল গুড়ুম।

    বোবা ছেলেটি রক্তাক্ত কলেবরে লুটিয়ে পড়ল বালুচরে।

    অমনি অন্ধকার বিদীর্ণ করে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি গিয়ে বিদ্ধ করল আততায়ীদের। সম্ভবত এগুলো পুলিশের গুলি। অসমঞ্জবাবু নিজেও গুলি চালাতে গেলেন। কিন্তু পারলেন না। ততক্ষণে আততায়ীদের একটি বুলেট এসে বিদ্ধ করেছে তাঁকে। তাঁর হাতের রিভলভার ছিটকে পড়ল সমুদ্রের জলে। তিনিও বালুচরে লুটিয়ে পড়লেন। সাদা পোশাকের পুলিশরা হই হই করে ছুটে এল তাঁর দিকে।

    বাপ্পার যখন জ্ঞান ফিরল তখন দেখল একটি অন্ধকার স্যাঁৎসেঁতে ঘরে শুয়ে আছে সে। ঘরের ওপর দিক থেকে ভেন্টিলেটারের ফাঁক দিয়ে সামান্য একটু রোদের ছটা দেখা যাচ্ছে। এই দেখে মনে হয় ও কোনও আন্ডারগ্রাউন্ডে আছে। ওর মাথার কাছে বসে বসে বিড়ি টানছে ওরই মতো দুটো ছেলে। বাপ্পা ক্ষীণস্বরে বলল, আমি কোথায়?

    ছেলে দুটি খিল খিল করে হেসে উঠল একবার। তারপর ওর দিকে মিটিমিটি চোখে তাকিয়ে একজন অপরজনকে বলল, চালু পুরিয়া রে। এতক্ষণ কেমন চুপচাপ শুয়ে ঘুমোচ্ছিল। এখন ন্যাকার মতো জিজ্ঞেস করছে, আমি কোথায়? কী বলি বল তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }