Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সব্যসাচীর গোয়েন্দাগিরি – ৫

    পাঁচ

    সে রাত্রে বাবা-মায়ের কোলের কাছে শুয়ে পরম নিশ্চিন্তে ঘুমোলেও ভোরবেলা সাগর যাত্রীদের কলরবে ঘুমটা ভেঙে গেল। সব্যসাচী ধীরে ধীরে শয্যা ত্যাগ করে বাইরে বারান্দায় আসতেই দেখল কত লোক চলেছে দলে দলে।

    বারান্দায় আলো জ্বলছে।

    ওদের পাশের ঘরেই সেই চাপদাড়ি যুবক, তাঁর ভাইঝিকে নিয়ে সূর্যোদয় দেখতে যাবেন বলে বেরোচ্ছেন। সব্যসাচীকে এইভাবে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বললেন, আরে! কী ব্যাপার! গুড বয় যে! এখানে দাঁড়িয়ে থেকে লাভ? যাবে তো চলো।

    সব্যসাচী বলল, বাবা-মা দু’জনেই ঘুমোচ্ছেন।

    তুমি তো ঘুমিয়ে নেই।

    সব্যসাচী যুবকের মুখের দিকে তাকিয়ে এক মিনিট। বলেই ঘরে গিয়ে সোয়েটারটা গায়ে দিয়ে, গলায় মাফলার জড়িয়ে মাকে ডাকল, মা।

    সরমা বিস্মিত হয়ে বললেন, কী হল?

    আমি সমুদ্রে যাচ্ছি।

    না। সাহস তো কম নয়! আমাদের সঙ্গে ছাড়া কোখাও যাবে না তুমি। আমি একা একা যাচ্ছি না। পাশের ঘরের দাদাও যাচ্ছেন, ওনার সঙ্গেই যাচ্ছি। , যাচ্ছ যাও। বেশি দেরি করবে

    স্নেহাংশুবাবু পাশ ফিরে শুতে গিয়ে বললেন না কিন্তু। আর জলে নামবে না একদম।

    সব্যসাচী জুতোটা পায়ে দিয়েই বেরিয়ে এল।

    সরমাও এলেন।

    যুবক হাসিমুখে বললেন, ভয় নেই। আপনার ছেলে আমার সঙ্গেই যাচ্ছে। ভাইঝি আছে সঙ্গে। রোদ উঠলেই ফিরে আসব আমরা।

    সরমা বললেন, আসলে দস্যি ছেলে তো। তাই কোথাও যেতে চাইলে ভয় করে। তবে আপনি যখন আছেন…।

    আমার ভাইঝি লিপিও আছে।

    পিঠের ওপর লম্বা বেণী দোলানো কিশোরী লিপি মিষ্টি করে হাসল সরমার দিকে চেয়ে।

    সরমাও হেসে বললেন, সাবধানে যেয়ো।

    ওরা তিনজনে নীচে নেমে এল।

    একদল গোরু তখন টুং টাং করে গলার ঘণ্টি নেড়ে চরতে যাচ্ছে। গোরুগুলো চলে গেলে ওরা ধীর পায়ে এগোতে লাগল।

    ওরা স্বর্গদ্বারের পথ না ধরে হলিডে হোমের সামনের পথ ধরেই চলল। একেবারে নবনির্মিত রাজপথের ওপর এসে দাঁড়াল তিনজনে।

    ডানদিকের পথটা চলে গেছে সেই পাখাগুলো ছাড়িয়ে মোহানার দিকে। বাঁদিকের পথ স্বর্গদ্বারে। সামনে সমুদ্র।

    এতক্ষণ তিনজনেই চুপচাপ ছিল। এবার তিনজনেই সরব হল। যুবক বললেন, তুমি তো সাংঘাতিক ছেলে হে?

    সব্যসাচী বলল, কেন?

    আবার জিজ্ঞেস করছ কেন? কী কীর্তিটা করলে বাবা কাল? কী করেছি? কিছুই না।

    কাল সকালে তোমার সঙ্গে কথাই বলেই বুঝেছি তুমি সাধারণ ছেলে নও। তা হলে কি অসাধারণ ?

    লিপি বলল, শুধু তাই নয়, অসামান্য। তুমি তো এখন হিরো। সব্যসাচী হেসে লিপির দিকে তাকিয়ে বলল, বলো কী!

    ছিপছিপে পাতলা চেহারার শ্যামাঙ্গী কিশোরী বলল, কাল সারাটা দুপুর আর বিকেল আমরা তোমাদের কথাই আলোচনা করছিলাম। তোমার সঙ্গে ওই যে মেয়েটি ছিল, কী যেন নাম?

    জয়া।

    ভারী মিষ্টি মেয়েটি।

    তোমার সঙ্গে আলাপ আছে?

    না। দেখেছি এইমাত্র।

    আজই আলাপ করিয়ে দেব।

    কথা বলতে বলতেই ওরা স্বর্গদ্বারের দিকে এগোতে থাকল। স্বর্গদ্বার এই সময়ে বেশ জমজমাটি হয়। অবশ্য এই সময় বললে ভুল হবে। সর্বক্ষণ। আসলে ওই জায়গাটার আকর্ষণই আলাদা।

    খানিক গিয়ে এক জায়গায় থমকে দাঁড়াল ওরা।

    চায় কফি বাবু।

    ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। সামনের বেঞ্চিতে এক নববিবাহিত তরুণ-তরুণী বসে আছে।

    চা-ওয়ালা ওদের দেখতে পেয়েই বলল, চায় কফি—।

    যুবক বললেন, চা না কফি, কোনটা?

    লিপি বলল, আমরা কী বলব?

    যা হোক বলো।

    সব্যসাচী বলল, কফি।

    যুবক বললেন, ঠিক বলেছ। কফির গন্ধ ছাড়া সি-বিচে বসে এইসব দোকানের চা খেলেই বমি উঠে আসবে।

    লিপি নাক সিঁটকে বলল, ছোটকা !

    যুবক হেসে আর একটি বেঞ্চি টেনে নিয়ে লিপি ও সব্যসাচীকে দু’পাশে বসিয়ে নিজে মাঝখানে বসলেন।

    চা-ওয়ালা কফি করতে লাগল।

    আকাশ তখনও অনন্ত নক্ষত্রে ভরা।

    সমুদ্রের নীল জল অবিরাম ঢেউ নিয়ে তোলপাড় করছে। মাঝে মাঝে এক ঝাঁক মানুষ, কখনও বা দু’-একজন, লঘু পায়ে চলে যাচ্ছে সামনে দিয়ে।

    যুবক দূরের দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ একসময় বললেন, সব্যসাচী, কাল তুমি যা করেছ তার তুলনা হয় না। তবে একটা কথা, তুমি কী এর মধ্যে অন্য কিছুর গন্ধ পাওনি?

    সব্যসাচী বলল, রহস্যের গন্ধ পেয়েছি।

    কীরকম একটু শুনতে পারি কি?

    এই যেমন ধরুন, ছেলেটিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার মধ্যে দুষ্কৃতীদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে তা ভেবে পাচ্ছি না।

    আর কিছু?

    অত লোকের চোখের সামনে ওরা কীভাবে কিডন্যাপ করল ছেলেটাকে? জলে জলে অতদূর নিয়ে যাওয়াও বড় সহজ কথা নয়, আর বালিয়াড়ির ওপর দিয়ে নিয়ে গেলেও লক্ষ জনতার ভিড়ে ধরা পড়বার ভয় ছিল। তার চেয়েও বড় কথা, ছেলেটিকে অপহরণ করেও তাকে ওরা ওইভাবে ফেলে রেখে গেল কেন? ওকে ওরা গলা টিপে মারতে গিয়েছিল। কিন্তু সে কাজেও ওরা সফল হয়নি।

    তুমি ঠিক জান?

    আমি স্বচক্ষে দেখেছি ওর গলার পাশে কালসিটে আর নখের দাগ।

    এমনও তো হতে পারে, মারতে গিয়ে মমতার বশে হয়তো না-মেরে ছেলেটাকে মৃত ভেবেই ফেলে রেখে চলে গেছে ওরা।

    অসম্ভব। খুন যারা করে আর অপহরণ যাদের পেশা, ওইসব মায়ামমতার ব্যাপার স্যাপারগুলো তাদের ভেতরে থাকেই না। অন্ধকারেই রইল?

    ব্যাপারটা তা হলে রহস্যের হয়তো। তবে রহস্য এখানে একটা নয়। আরও আছে।

    কীরকম?

    যেমন ধরুন…।

    সাসপেন্সে রেখ না, বলে ফেলো।

    স বা সাচীর গো য়ে দাগিরি

    চা-ওয়ালা কফি নিয়ে এল, আপনাদের কফি।

    ওরা তিনজনেই কফি নিয়ে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে কফি খেতে লাগল। খেতে খেতেই সব্যসাচী বলল, আমার মনে হয় ওই জায়গায়, ওই নির্জনতার আড়ালে অপরাধ জগতের কালোছায়াও কিছুটা প্রভাব বিস্তার করেছে।

    তার মানে নিশ্চয়ই তুমি আরও এমন কিছু দেখেছ বা অনুভব করেছ যাতেই তোমার এইরকম ধারণা হয়েছে।

    ঠিক তাই। অবশ্য এই ব্যাপারে আমি এখনও কিছু স্পষ্ট করে বলতে পারব না, তবে ওই জায়গাটায় পুলিশের একটু নজর রাখা উচিত।

    যুবক বললেন, কাল সি-বিচ থেকে ছেলেটি উধাও হবার পর, ওর মা-বাবার সঙ্গে কথা বলে আমি জেনেছি, ওদের কোনও শত্রু ছিল না। ফলে আমিও এটাকে দুর্ঘটনা বলেই মনে করেছিলাম। কিন্তু তুমি যা বলেছ, তাতে তো মনে হচ্ছে এটা একটা সংগঠিত দলের কাজ।

    সব্যসাচী বলল, দলের কাজ তো বটেই। না হলে এইরকম দুঃসাহসিক অপহরণ কী করে সম্ভব।

    অপহরণে পরের ব্যাপারটাই তো রহস্যময়।

    আমার মনে হয় রং টার্গেট !

    লিপি এতক্ষণে কথা বলল, রং টার্গেট?

    হ্যাঁ, যে কারণে মারতে গিয়েও ওরা মারেনি ছেলেটাকে। যখনই বুঝতে পেরেছে শিকার গ্রহণে গলদ রয়ে গেছে। তখনই ওরা বিদায় নিয়েছে। কিন্তু ওরা কারা? আর ওদের শিকারই বা কে ছিল? সেটা না জানতে পারলে…।

    যুবক বললেন, তোমার ভেতরে দেখছি ঝানু গোয়েন্দার বীজ রয়েছে। লিপি হেসে বলল, তুমি তা হলে এই ব্যাপারে একটু গোয়েন্দাগিরি করবে নাকি?

    সব্যসাচী হেসে বলল, থাকব ক’দিন তাই জানি না।

    যুবক কফি খাওয়া শেষ করে বললেন, একটু

    আমাকে ওই জায়গায় নিয়ে যেতে পারবে?

    সব্যসাচী বলল, ওরে বাবা। সে অনেকদূরের পথ।

    ভয় নেই। হাঁটতে হবে না। একটা অটো করব।

    তা হলে আমি রাজি।

    বেলায় রোদ উঠলে তুমি

    শুধু তুমি আর আমি যাব। কেমন?

    লিপি বলল, ওই দেখো ছোটকা, আকাশটা কেমন লাল হচ্ছে। যুবক বললেন, চলো, স্বর্গদ্বারে যাওয়া যাক। বলে কফির দাম মিটিয়ে এগিয়ে চললেন দু’জনের মাঝখানে।

    ওরা ভোরের অস্পষ্টতায় পথ হাঁটতে লাগল।

    সব্যসাচী যেতে যেতেই বলল, যদি কিছু মনে না করেন তো বলি, আপনার সঙ্গে এমন পরিচয় হল, অথচ আপনার নামটাই জানা হল না। এরপরে আবার দেখা হলে কী বলে ডাকব আপনাকে?

    যুবক হেসে বললেন, ঠিক। নামটা তো জানা দরকার। আমার নাম হচ্ছে বি রায়। অর্থাৎ বিজয় রায়। সবাই আমাকে বিজুদা বলে ডাকে। তুমিও তাই ডাকবে।

    সব্যসাচী বলল, আচ্ছা বিজুদা, আপনি যে অত খাতাপত্তর দেখছিলেন, ওগুলো কীসের খাতা?

    ওসব আমার ক্লায়েন্টদের হিসেবনিকেশের খাতা।

    আপনি কি চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট?

    বিজুদা হেসে বললেন, ঠিক ধরেছ। বলে একটা সিগারেট বার করে ধরাবার চেষ্টা করতে লাগলেন।

    প্রচণ্ড সামুদ্রিক হাওয়ায় দেশলাইয়ের কাঠি কিছুতেই যখন জ্বলল না। তখন হঠাৎ কোথা থেকে একটা লাইটারসুদ্ধু হাত এগিয়ে এল তাঁর মুখের দিকে।

    বিশাল শরীর এক বীভৎস চেহারা লোক, বয়সে বিজুদারই মতন, সেই

    লাইটার বিজুদার মুখের কাছে ধরে এক দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে রইল। বিজুদা সিগারেট ধরিয়ে কঠিন চোখে লোকটার দিকে তাকিয়ে বললেন, কী ব্যাপাররে! তুই এখানে?

    শুনলাম তুই পুরী বেড়াতে এসেছিস। তাই বেনারসে গিয়ে কী করব বল? তার মানে আমার খোঁজেই এসেছিস?

    তাই তো মনে হয়।

    কোনও লাভ হবে না কিন্তু।

    লাভ লোকসানের হিসেব পরে হবে। এখনও সময় আছে, ওটা ভালয় ভালয় ফিরিয়ে দে।

    তোর কি ধারণা ওটাকে আমি সঙ্গে করে এনেছি?

    শুধু তাই নয়, হয়তো এখনও তোর কাছেই আছে!

    বিজুদা হাসলেন। বললেন, বুদ্ধু কোথাকার। রাস্তা ছাড়।

    এটা কিন্তু আমার কথার জবাব হল না।

    বিজুদা সিগারেটে একটা টান দিয়ে ধোঁয়াটা লোকটার মুখের ওপর ছেড়ে বললেন, এই তোর জবাব।

    বলার সঙ্গে সঙ্গেই লোকটা বিজুদার চোয়াল লক্ষ্য করে মারল এক ঘুসি। কিন্তু বিজুদা তৈরিই ছিলেন। তাই ঘুসিটা চোয়ালের কাছ পর্যন্ত আসবার আগেই শক্ত মুঠিতে ধরে ফেললেন কবজিটাকে। তারপর সজোরে একটা মোচড় দিয়ে বললেন, ক্রাইম করতে গেলে হাতটাকে একটু ভাল করে তৈরি করতে হয়। এমন মেয়েলি হাতে কী করে কী করবি?

    ঠিক সেই সময় আশপাশ থেকে আরও কয়েকজন এসে

    কোথা থেকে একটি মারুতি গাড়িও এসে হাজির হল সেখানে

    ঘিরে ফেলল ওদের। ।

    একজন চোখের পলকে লিপিকে উঠিয়ে নিল সেই গাড়িতে। আর একজন বলল, এবার দিবি নিশ্চয়ই?

    বিজুদা বললেন, যদি ভাল চাস তো মেয়েটাকে নামিয়ে দে।

    ওরা হেসে বলল, গিভ অ্যান্ড টেক।

    ওদিকে লিপি ভয়ে তারস্বরে চেঁচিয়ে উঠতেই ওরা শক্ত করে ওর মুখ চেপে ধরল।

    একজন বলল, টু শব্দটি কোরো না। তা হলে এই ননীর শরীর খাস্তার গজা

    হয়ে যাবে। যেমন আছ তেমনি থাকো।

    সব্যসাচী সেই মুহূর্তে জনারণ্যে ছুটে গিয়ে প্রচণ্ড হাঁকডাক শুরু করেছে, কে কোথায় আছেন, শিগগির আসুন। ডাকাত ডাকাত।

    হই হই করে অনেক লোক ছুটে এসেছে তখন। কিন্তু এলে কী হবে? ততক্ষণে

    যা হবার তা হয়ে গেছে।

    অর্থাৎ লিপিকে নিয়ে মারুতি হাওয়া।

    আর দু’হাতে পেট চেপে বসে পড়েছেন বিজুদা।

    সব্যসাচী ছুটে গিয়ে বিজুদাকে ধরল, কী হল বিজুদা! কী হল আপনার? ছুরিটুরি মেরেছে নাকি ওরা?

    বিজুদা কী একটা জিনিস চকিতে সব্যসাচীর হাতে দিয়ে বললেন, এটাকে সাবধানে রাখিস। কাউকে কিছু বলিস না। এখানে না থেকে ঘরে যা তুই। না হলে তোর বাবা-মা চিন্তা করবেন।

    কিন্তু আপনার কী হল?

    তেমন কিছু না।

    আরও অনেক লোক যারা এসেছিল, সবাই মিলে ধরাধরি করে তুলল বিজুদাকে।

    দুষ্কৃতীদের একজন বিজুদার তলপেটে বুট দিয়ে এমন একটা লাথি মেরেছে

    যে মারাত্মক লেগেছে সেটা। তারই যন্ত্রণায় ছটফট করছেন বিজুদা।

    জনতার ভেতর থেকে কেউ কেউ বলল, আপনাকে কী আমরা বাড়ি অব্দি পৌঁছে দিয়ে আসব দাদা?

    বিজুদা বললেন, আমি নিজেই যেতে পারব। তারপর সব্যসাচীর দিকে.তাকিয়ে বললেন, লিপিকে ওরা কোনদিকে নিয়ে গেল রে? মোহানার দিকে।

    একটা সাইকেল রিকশা আসছিল। সেটাকে দাঁড় করিয়ে বিজুদা সব্যসাচীকে ধরে অতিকষ্টে উঠে বসলেন তাইতে। তারপর সকলের কাছে বিদেয় নিয়ে এগিয়ে যেতে বললেন রিকশাটাকে।

    আকাশ তখন ফর্সা হয়েছে।

    সমুদ্রস্নান সেরে রক্তিম সূর্য একটু একটু করে উদয় হচ্ছে। হাজারও জনতার জোড়া জোড়া চোখের দৃষ্টি তখন সেই উদয় মুহূর্তের দিকে। আকাশ জুড়ে তখন রঙের খেলা।

    হঠাৎ ও কী!

    একটা অ্যামবাস্যাডার যেন দ্রুত ছুটে আসছে ওদের দিকে। হ্যাঁ তাই তো। গতিবেগ দেখে স্পষ্টই বোঝা যায় মতলব ভাল নয় ওটার।

    রিকশাওয়ালাও ভয় পেয়ে গেল তাই দেখে।

    বিজুদা চেঁচিয়ে বললেন, সব্যসাচী লাফিয়ে পড়।

    শুধু বলার অপেক্ষা। সব্যসাচী চলন্ত রিকশা থেকেই লাফিয়ে পড়ল বালির ওপর।

    বিজুদা নামতে পারলেন না।

    মোটর এসে রিকশার একদিকের চাকায় ধাক্কা দিতেই পথের ধারে ছিটকে পড়ল রিকশাটা। বিজুদাও কয়েক হাত দূরে গিয়ে পড়লেন।

    বিজুদার মাথা ফেটে রক্ত ঝরছে। প্রচণ্ড আঘাতে বিজুদা প্রাণহীন কি সংজ্ঞাহীন তা বোঝা যাচ্ছে না।

    মোটর থেকে নেমে দু’জন লোক গিয়ে সার্চ করতে লাগল বিজুদাকে।

    পথচারী যারা ছিল তারা সবাই তখন ছুটে এল বিজুদাকে সাহায্য করতে। দুষ্কৃতীরা বীরবিক্রমে জনতার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়েই রিভলভার তাগ করল। ব্যস। ওতেই যথেষ্ট। একেবারে ভিড় ফাঁকা। সবাই পেছু হটল ভয়ে।

    জনতা পেছু হটলে দুষ্কৃতীরা গাড়ি নিয়ে চলে গেল পুরী হোটেলের দিকে। আর সব্যসাচী কী করবে কিছুই ভেবে পেল না। রিকশা থেকে লাফিয়ে পড়ায় ওকেও লেগেছে খুব।

    ও দেখল কয়েকজন লোক পাঁজাকোলা করে তুলে নিল বিজুদাকে। তারপর বাবুনি পার্কের বেঞ্চিতে নিয়ে গিয়ে শোয়াল। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মনে আনন্দ দেবার জন্য এই বাবুনি পার্কটা সম্প্রতি গড়ে উঠেছে এখানে। একেবারে স্বর্গদ্বারের গায়ে সুন্দর পরিবেশে।

    কয়েকজন লোক পাশের একটি লজ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে ফোন করল।

    পুলিশও এল একটু পরে।

    পুলিশের একজন ইনস্পেক্টর জিজ্ঞেস করলেন, এনার সঙ্গে কেউ ছিল না? সব্যসাচী বলল, আমি ছিলাম।

    ইনস্পেক্টর বললেন, গাড়িটার নম্বর মনে আছে?

    হ্যাঁ। এ বি সি ডি এক দুই তিন চার…। এইরকম আবার নম্বর হয় নাকি? এইসব গাড়ির নাম্বার প্লেট থাকে? বুঝেছি। কোথায় উঠেছ তোমরা? কৃষ্ণানন্দ ধাম, হলিডে হোমে।

    উনি তোমার কে হন?

    কেউ না। বেড়াতে এসে এখানেই পরিচয়। ভদ্রলোকের নাম বি রায়। ওনার ভাইঝিকে দুষ্কৃতীরা নিয়ে গেছে।

    ততক্ষণে অ্যাম্বুলেন্স এসে গেছে।

    পুলিশের সাহায্য নিয়ে সবাই মিলে ধরাধরি করে স্ট্রেচারে শুইয়ে অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে দিল বিজুদাকে।

    সব্যসাচী ফিরে এল হলিডে হোমে।

    এই দুঃসংবাদটা যে কী করে দেবে লিপির বাবা-মাকে তা সে ভেবে পেল না। ওদের সঙ্গে তো ভাল করে পরিচয়ই হয়নি। ওরা কতজন এসেছেন তাও জানে না। শুধু পাশের ঘরে আছেন এইটুকুই জানা আছে।

    চারদিক রোদে ঝলমল করছে। এখন সাগর ফেরা যাত্রীদের ঘরে ফেরার, বাজার করার পালা।

    স্বর্গদ্বারের ওই ঘটনাটা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে তখন।

    মা-বাবা দু’জনেই অধীর আগ্রহে দাঁড়িয়ে আছেন বারান্দায়। আরও কারা যেন আছে।

    সব্যসাচী কারওদিকে না তাকিয়ে দোতলায় উঠে সোজা ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর বসে পড়ল।

    সরমা বললেন, কী হল! তুই একা এলি যে?

    স্নেহাংশুবাবু বললেন, কী সব যেন গোলমাল শুনলাম। তুই কিছু শুনেছিস? তোমরা কী শুনেছ তা জানি না। তবে খুব একটা খারাপ ব্যাপার ঘটে গেছে। কীরকম।

    সব্যসাচী সব কথা খুলে বলল বাবা-মাকে।

    স্নেহাংশুবাবু বললেন, সে কী! তোর কোনও চোটটোট লাগেনি তো? সব্যসাচী বলল, না। তবে অল্পবিস্তর ব্যথা পেয়েছি। সরমা বললেন, আর এক মুহূর্ত এখানে নয়, আজই আমি চলে যাব এখান থেকে।

    স্নেহাংশুবাবু বললেন, আর থাকলে আরও বিপদ হবে। তবে এই খবরটা তো এখনি পৌঁছে দিতে হবে ওদের। পাশাপাশি ঘর যখন, ওদের সঙ্গে থেকে খোঁজখবরও নিতে হবে একটু।

    আমি কিন্তু আজই যাব।

    যাওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। প্রাথমিক ব্যবস্থাটা তো করি আগে।

    স্নেহাংশুবাবু পাশের ঘরের যাত্রীদের ডেকে সব বলতেই সেখানে কান্নার রোল উঠল। বিজুদার দাদা-বউদি মেয়ের শোকে দারুণ বিচলিত হয়ে পড়লেন। চরম এক বিপদের আশঙ্কায় কী যে করবেন কিছু ঠিক করতে পারলেন না।

    বিজুদার বৃদ্ধা মা ডাক ছেড়ে কাঁদতে লাগলেন।

    কেয়ার টেকার সাধনবাবু ছুটে এলেন। নীচের তলার যাত্রীরা এল। আরও অনেকে এলেন। সবাই একজোট হয়ে বিজুদার খোঁজে এবং ঘটনার বিবরণ জানাতে থানায় চললেন প্রথমে।

    কী থেকে কী হল, কেন হল, কেউ কিছুই ভেবে পেলেন না।

    সব্যসাচীও সব কথা সকলকে খুলে বললেও সেই গোপন জিনিসটা যেটা বিজুদা ওর কাছে গচ্ছিত রেখেছেন সেটার কথা বলল না কাউকেই। সেটা যে কী, তা সে ও জানে না। বিজুদার মতন লোকের সঙ্গে ওই দলটার যে কী সম্পর্ক থাকতে পারে ভেবে পেল না ও। সবকিছুই যেন ঘন রহস্যের ধোঁয়াশায় ভরে যেতে লাগল।

    ও মুখহাত ধুয়ে বারান্দায় এসে বসতেই, মা চা-জলখাবার এনে ওকে দিলেন। সামনের হলিডে হোমের বারান্দা থেকে জয়া ওকে ইশারা করতে লাগল। সব্যসাচী একবার এদিক সেদিক তাকিয়ে হাতছানিতে ডাকল ওকে।

    জয়াও বিষয়টার গুরুত্ব বুঝে আর ওকে বাইরে আসতে বলল না। ইশারায় ওকে ছাদে যেতে বলে সরে গেল বারান্দা থেকে। তার মানে একটু পরেই ও আসবে। ওর এখন সত্যিই আসা দরকার। না হলে যে হাঁফিয়ে উঠবে ও। একেবারে চুপচাপ এই অস্বস্তিকর পরিবেশে কি থাকা যায়?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }