Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লালবাজারে রাহাজানি – ৬

    ছয়

    স্বপ্না আর রিয়া এল দুপুরবেলা। হিরণ তখন ক্যাসেটে গান শুনছে। আজ খুব জোর খাওয়াদাওয়া হয়েছে। মা ছেলের জন্যে কত কী যে করেছিলেন তার ঠিক নেই। আসলে হিরণ যে আবার ফিরে আসবে তা কেউ ভাবতেও পারেনি। বিশেষ করে বাবা-মা অশুভ আশঙ্কাটাই করেছিলেন বেশি। তাই ছেলেকে ফিরে পেয়ে মায়ের আনন্দের কি শেষ ছিল? ছেলে যা যা খেতে ভালবাসে মা তার সব কিছুই করেছিলেন।

    স্বপ্না আর রিয়া ঘরে আসতেই হিরণ উল্লসিত হয়ে বলল, এই ক্যাসেটটা ক’দিন হল কিনেছি। কেমন? ভাল না?

    রিয়া বলল, খুব ভাল। তা বলছিলাম কী হিরণদা, তুমি তো গল্পের বইয়ের পোকা। কিন্তু তুমি যে এমন সংগীতরসিক তা তো আগে জানতাম না। হিরণ হেসে বলল, সংগীতরসিক মানে ফিল্মি সংগীতের রসিক, অন্য গানের নয়।

    সে যাই হোক, গান গানই। কিন্তু তোমাকে যে বলেছিলাম আমার জন্য বই রাখতে, রেখেছ?

    উঁহু। বই তুমি বেছে নেবে। বলেই বুক সেলফের কাছে গিয়ে চাবিটা খুলে বলল, এই দ্যাখো কত বই।

    বই দেখে তো অবাক হয়ে গেল রিয়া।

    স্বপ্না অবশ্য চোখ কপালে তুলল না। কেন না ও তো সবই জানে। হিরণের কেনা প্রায় সমস্ত বই-ই ওর পড়া।

    রিয়া বলল, এত বই তোমার।

    এর ভেতর থেকে তোমার যে বই ইচ্ছে

    স্বপ্না বলল, পাণ্ডব গোয়েন্দা পড়।

    নাও।

    পাণ্ডব গোয়েন্দা আমার সব পড়া। শুকতারায় পড়েছি, আনন্দমেলায় পড়েছি, বই কিনেছি, প্রাইজ পেয়েছি, এক একটা বই দশবার করে পড়েছি। বলেই বইয়ের তাক থেকে দুটো বই টেনে বার করে নিল। একটা হল ‘সেরা রহস্য পঁচিশ’ আর একটা ‘সোনার গণপতি হিরের চোখ’।

    স্বপ্না বলল, এই বইদুটো তুমি কবে কিনলে?

    এই তো পয়লা বৈশাখে।

    স্বপ্না রিয়ার হাত থেকে সোনার গণপতি টেনে নিয়ে পড়তে বসে গেল। রিয়া বলল, তা হলে হিরণদা, যাবার ব্যাপারে আর কোনও দ্বিমত নেই তো? আছে। স্বপ্না না গেলে আমি যাব না।

    স্বপ্না বলল, আমি কোন দুঃখে যাব? আমার পেছনে কি কার্লস জ্যাকল ছুরি নিয়ে ঘুরছে?

    হিরণ বলল, দ্যাখ স্বপ্না, ঘুসি মেরে তোর পিঠ আমি ভেঙে দেব। একসঙ্গে দু’জনে পাশাপাশি বাড়িতে থাকি। দু’দিন বাদে বদলি হলে কোথায় চলে যাবি তার ঠিক কি? হইহুল্লোড় করবার এখনই তো সময়। এমন মওকা কিন্তু আর আসবে না। তাই বলি এই চান্স ছাড়িস না কিন্তু। তা ছাড়া তুই গেলে ভালই হয়। মনে একটু জোর পাই।

    দেখি বাড়িতে বলে। ছাড়ে কি না, দু’-একদিনের জন্য তো নয়।

    বেশ তো অসুবিধে থাকে দু’-একদিনই থাকবি। তুমি তো বললে, তারপর দিতে আসবে কে? আমি না হয় পৌঁছে দিয়ে যাব?

    স্বপ্না হাসল।

    রিয়া বলল, ও না যাক। তুমিই চলো হিরণদা। যাবার আগে একটু গোছগাছ করে নাও। তোমার জামাপ্যান্ট ইত্যাদি প্রয়োজনীয় যা কিছু সব নিয়ো। তার সঙ্গে এই সব গানের ক্যাসেট আর বাছাই করা খানকতক বই। আমাদের পরিবেশে কিছুদিন থাকলে আর তোমার এখানে আসতে ইচ্ছে করবে না।

    হিরণ বলল, তোমাদের ওখানে পাহাড় আছে?

    ছোটখাটো টিলা আছে দু’-একটা। তবে পাহাড় আছে কাছাকাছিই। গিরিডি, দেওঘর, শিমুলতলা, চারদিকে পাহাড়। ওখান থেকে বহুদূরে পাহাড়ের রেখা দেখা যায়।

    হিরণ বলল, আমি যাব। কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না। আর এও জেনে রেখো, আমি বেশ তৈরি হয়েই যাব। কার্লস জ্যাকলের ছায়াও যদি ওখানে গিয়ে হাজির হয় তা হলে তাকেও আর ফিরে আসতে হবে না।

    রিয়া বলল, মধুপুরে আমার মাসিমার বাড়ি। সেখানে গেলে বাগান দেখবে কাকে বলে। কত যে ফুলগাছ রয়েছে সেখানে, তার যেন শেষ নেই। তুমি আপনমনে ঘুরবে অর আমি লক্ষ করব কেউ তোমাকে টার্গেট করছে কি না। যদি করে তুমি অমনি তাকে ডিস্যুম করে দেবে। আচ্ছা হিরণদা তুমি আমাকে ওটা শিখিয়ে দিতে পারো না? ওই পিস্তল চালানোর ব্যাপারটা।

    নিশ্চয়ই পারি। ও এমন কিছু কঠিন কাজ নয়। পিস্তল চালাতে যে কেউ পারে। তবে বাপি কি ওটা সঙ্গে রাখতে দেবেন?

    কেন, দেবেন না কেন? তোমার আত্মরক্ষার জন্য ওটা তো অবশ্যই দেওয়া উচিত।

    হিরণ বলল, ও জিনিস কাছে থাকলে আমি যমকেও ডরাই না।

    রিয়া বলল, তুমি গেলে আমার বাবা-মা দারুণ খুশি হবেন। কবে যাবে তুমি? যেদিন তুমি নিয়ে যাবে।

    তোমার বাবা যদি ছাড়পত্র দেন তা হলে কালই আমি নিয়ে যাব তোমাকে। কাল কখন যাব আমরা?

    যখন মনে করবে। সকালে ব্ল্যাকডায়মন্ড ধরে আসানসোলে নেমে আমাদের ওখানে যেতে পারো। যে কোনও লোক্যাল ট্রেনে বর্ধমান হয়েও চিত্তরঞ্জন যাওয়া যায়। একটু বেলায় দশটা নাগাদ তুফান আছে। আর আছে অজস্র গাড়ি।

    স্বপ্না তখন একমনে ‘সোনার গণপতি হিরের চোখ’ পড়ছিল। এবার বইয়ের পাতা থেকে চোখ তুলে বলল, আর কাকাবাবু যদি মত না দেন?

    তা হলে যাব না। অবশ্য সেইসঙ্গে রিয়াবাবুকেও যেতে দেব না। রিয়া তো হেসে গড়িয়ে পড়ল। বলল, কী কাণ্ড! আমি আবার বাবু হলাম কবে থেকে?

    আজ থেকেই। চিত্তরঞ্জনে যাওয়া যদি না হয় তা হলে এখন থেকেই তুমি আমার সহকারী হিসেবে কাজ করবে। অবশ্য তোমার হাতেও একটা পিস্তল যাতে তুলে দেওয়া যায় সেই ব্যবস্থাও আমি করব। কার্লস জ্যাকল লালবাজারে কী রাহাজানি করেছে, তার ডবল রাহাজানি আমি ওর ওপরেও করব।

    রিয়া বলল, সত্যিই তুমি আমাকে পিস্তল ধরাবে?

    নিশ্চয়ই। তোমাকে আমি কিশোরী ফুলনদেবী করে ছাড়ব। বাপি রাজি না হলেও নীহারকাকুকে ধরে তোমার আমার জন্যে দুটো পিস্তল আমি জোগাড় করবই।

    আনন্দে যেন খুশির বন্যা বয়ে গেল রিয়ার হৃদয়ে। আর স্বপ্না?

    হঠাৎ সে বই মুড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আমি আসি রে। তোরা গল্প কর। বলেই দ্রুত চলে গেল ঘর থেকে।

    রিয়ার মুখটা ম্লান হয়ে গেল। বলল, কী হল হিরণদা? সপুটা ওইভাবে চলে গেল কেন? মনে হল যেন ওর খুব রাগ হয়েছে?

    হিরণ একটু গম্ভীর হয়ে বলল, আসলে ব্যাপারটা কী জানো? ও বোধহয় মনে মনে চায় না, আমি তোমার সঙ্গে তোমাদের ওখানে যাই।

    রিয়ার চোখদুটো জলে ভরে এল। বলল, এই যদি হয় তা হলে আর আমার এখানে না থাকাই ভাল। আমি আজই চলে যাব এখান থেকে।

    সে কী! আমাকে নিয়ে যাবে না?

    তোমার জন্যই তো এত কাণ্ড। তোমাকে নিয়ে গেলেই ওর চোখ টাটাবে। যখন থেকে তোমাকে নিয়ে যাব বলেছি, তখন থেকেই ও উলটোপালটা বকছে। ও এত সেন্টিমেন্টাল তা জানতাম না।

    রিয়া এবার ছুটে গিয়ে হিরণের বিছানায় উপুড় হয়ে ওর বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না শুরু করল।

    হিরণ বলল, আর কাঁদতে হবে না। আমি কালই যাব তোমাদের বাড়ি। তুমি এক কাজ করো, তোমার মনের মতন কতকগুলো বই আর প্রিয় গানের ক্যাসেট কিছু আমার এই সুটকেসে গুছিয়ে নাও দেখি? বলে একটা চামড়ার সুটকেস এগিয়ে দিল ওর দিকে।

    এতক্ষণে কাজ হল। চোখের জল মুছে উঠে দাঁড়াল রিয়া। ওঃ। কী মেয়েরে বাবা। এরই মধ্যে ফর্সা মুখ কেঁদে লাল করে ফেলেছে।

    রিয়া সুটকেসটা টেনে নিয়ে বই আর ক্যাসেট গোছাতে গোছাতে বলল, নেহাত তুমি যাচ্ছ তাই। না হলে এখুনি আমি চলে যেতাম। একা তুমি যেতে পারতে?

    না পারবার কী আছে? কাল যখন তোমাকে নিয়ে যাব, তখন দেখবে পারি কি না।

    হিরণ একদৃষ্টে রিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। খুঁটিয়ে দেখতে লাগল ওর কর্মতৎপরতা। স্বপ্না একটু আগে অভিমান করে চলে গেছে। দরজাটা খোলা আছে তাই। ও সেটা বন্ধ করতে গিয়ে দেখল, মা পাশের ঘরে ঘুমোচ্ছেন। কিন্তু এ কী! ছাদে ওঠার সিঁড়ির ধাপে পরম নিশ্চিন্তে গালে হাত দিয়ে বসে থাকা গোঁফ-দাড়ি ভুরুহীন ন্যাড়া মাথা বানরাকৃতি ওই লোকটা কে? চার ফুটের একটুও বেশি হবে না লোকটা। পরণে হাফ প্যান্ট আর স্যান্ডো গেঞ্জি। হিরণের চোখে চোখ পড়তেই কুতকুতে চোখে ওর দিকে তাকিয়ে হাসল লোকটা। কী সাহস! একেবারে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু কী হিংস্র ওর চাহনি। মুখে হাসি, চোখে বিষ।

    হিরণ বলল, কে তুমি

    লোকটি তেমনই হেসে বলল, বন্ধু। তারপর আবার খিক খিক হাসি। ভয় নেই, ডর নেই। যেন এটা ওর নিজেরই বাড়ি।

    ভয়ে মুখ শুকিয়ে গেল হিরণের। বলল, কার হুকুমে তুমি বাড়ির ভেতর ঢুকেছ?

    রিয়া তখন দরজার কাছে। ওর দু’চোখে বিস্ময়। বলল, ও কে হিরণদা? জানি না। মাকে একবার ডাকো তো?

    লোকটি ধূর্তর হাসি হেসে বলল, মাকে এখন হাজার ডাকলেও উঠবে না। এ ঘুম সহজে ভাঙবে না ভাই।

    তার মানে ঘরে ঢুকেই ক্লোরোফর্ম ইউজ করেছ তুমি, তাই না?

    লোকটি আবার সেই গা জ্বালানো হাসি হাসতে লাগল।

    হিরণ বলল, শয়তান!

    লোকটি বলল, কোথায় পালাবার মতলব হচ্ছিল?

    সে জেনে তোমার লাভ।

    লাভ আছে বইকী ভায়া। তোমার ওপর নজর রাখার ডিউটিই যে আমার। তুমি স্বর্গে গেলেও আমাকে তোমার পিছু পিছু যেতে হবে, আবার নরকে গেলেও তাই।

    সেই জন্যেই বুঝি তুমি এখানে এসেছ?

    লোকটি ঘাড় নেড়ে বলল, ঠিক তাই। অনেকক্ষণ ধরেই বাড়ির ভেতর ঢোকবার চেষ্টা করছিলুম। হঠাৎ সুযোগ মিলল। একটি মেয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে যেতেই আমিও সুট করে ঢুকে পড়লাম। ভাগ্যে তোমরা দরজায় খিল দাওনি। না হলে কী অসুবিধেই যে হত।

    কিন্তু তুমি কি জানো, বাঘের ঘরে ঢুকেছ তুমি?

    কই না তো। বাঘের ঘর তো চিড়িয়াখানায়। তা ছাড়া বাঘের ঘরে বাঘের গায়ের বোঁটকা গন্ধ ছাড়ে। এখানে তো মিষ্টি গন্ধ। ফুলদানিতে ফুল। এমন একটি মিষ্টি মেয়ে। কী নাম গো তোমার? মিষ্টি মেয়েটি? ভারী মিষ্টি মিষ্টি গোলাপি গন্ধ ছাড়ছে তোমার গা থেকে।

    হিরণ বলল, ওর নাম যাই হোক, তুমি এই মুহূর্তে এখান থেকে বিদেয় হও মি. মাংকি। না হলে ফল কিন্তু ভাল হবে না।

    লোকটি হেসে বলল, আরে আমাকে বাঁদরের মতন দেখতে হলে কী হবে, আমার নাম মি. মাংকি নয়। মংপু।

    আই সে ইউ গেট আউট।

    এত সহজে আমি এখান থেকে যাচ্ছি না ব্রাদার।

    যাবে না?

    না। আমি যে তোমার সঙ্গে আলাপ করতে এসেছি।

    ভুল করেছ। তুমি কি করে ভাবলে যে, আমি তোমার মতন একটা কিম্ভুতকিমাকারের সঙ্গে আলাপ করব?

    লোকটির চোখদুটো এবার জ্বলে উঠল দপ করে। কঠিন গলায় সে বলল, আমার হাতে সময় খুব কম। আর আলাপ করবার মতো পরিবেশও এটা নয়। আমার গাড়ি আছে। চলো, দু’ বন্ধুতে কাছাকাছি কোনও পার্কে বসে একটু দোস্তি করে আসি।

    হিরণ বলল, বেশ, তা হলে একটু দাঁড়াও জামাটা ছেড়ে আসি আমি।

    মংপু শয়তানের হাসি হেসে বলল, বেশি দেরি করো না কিন্তু।

    রিয়া ভয়ার্ত স্বরে বলল, না তুমি যেয়ো না। যেতে পাবে না। ওর চোখদুটো দেখছ না। ও নিশ্চয়ই কার্লস জ্যাকলের লোক। তোমাকে ও দোস্তি করবার জন্যে নিয়ে যাচ্ছে না। তোমাকে খুন করবার মতলব নিয়েই ও এসেছে।

    হিরণ বলল, আমি জানি। তুমি আর এখানে থেকো না রিয়া। আমার জন্যে তুমিও কেন বিপদে পড়বে। তাই আমি বলি কী, তুমি এখুনি ঘরে যাও। বলেই রিয়াকে ইশারা করল হিরণ।

    রিয়া আর কোনও কথা না বলে মাথা হেঁট করে দরজার কাছে যেতেই মংপু বাধা দিল ওকে। বলল, যাচ্ছো কথায় মিষ্টিমুখী। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকো। আমি ওকে নিয়ে বাইরের দরজায় শিকল দিয়ে চলে গেলে লোকজন ডেকে দরজা খুলিয়ে যা ইচ্ছে করবে। এখন এক-পাও এগোবে না।

    হিরণ ততক্ষণে জামা ছাড়বার অছিলায় ঘরে ঢুকেই পিস্তলটা হাতে নিয়ে বেরিয়ে এসেছে। শুধু পিস্তল নয়, গুলিও নিয়েছে একাধিক। যে ভাবেই হোক মনুষ্যরূপী এই মর্কটটাকে খুন না করে ও ছাড়বে না। কিন্তু ট্রিগারে হাত দিয়েই চমকে উঠল ও। দেখল সেই বেঁটেখাটো পিশাচটার হাতেও একটা রিভলভার রয়েছে। সাপের চোখের মতো তাকিয়ে লোকটা এমন হিস হিস করে হাসছে যা দেখে গা জ্বলে গেল। তার ওপরে লোকটা রিয়াকে এমনভাবে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে তার গায়ে রিভলভারের নলটা ঠেকিয়ে রেখেছে যে কোনও ভাবেই ওকে গুলি করা যাবে না।

    হিরণকে আশাহত দেখে মংপু বলল, রং টার্গেট হয়ে গেল বন্ধু। ভেবেছিলে তুমি খুব চালাক, জামা ছাড়বার অছিলায় ঘরে ঢুকে পিস্তলটা বার করে এনে আমাকে সাবাড় করে দেবে। হাতের কাছে ভাগ্যিস মেয়েটা ছিল, না হলে হয়েছিল আর কী। হিরণ বলল, তোমার অনুমান ঠিক। তবে তুমিও দেখছি ধড়িবাজ কম নয়।

    মংপু বলল, যদি এই মেয়েটার কোনওরকম ক্ষতি না চাও তা হলে এখুনি ফেলে দাও ওটা।

    রিয়া চিৎকার করে বলল, না। কখনও ও কাজ করো না হিরণদা। ও আগে আমাকে ছাড়ুক। তারপর দেবে।

    মংপু বলল, ঠিক আছে। আজ হাতে বেশি সময় নেই। আর রিস্কটাও একটু বেশি রকম নেওয়া হয়েছে। আজ এই মিষ্টিটাকেই নিয়ে যাই। কাল তোমাকে নিয়ে যাব। কখন কোথায় তুমি থাকবে সেটা ফোনেই জানাব। বলে রিয়াকে শক্ত করে ধরে এক-পা এক-পা করে পিছু হটতে লাগল মংপু।

    হিরণ বললে, ওকে ছেড়ে দাও। ও আমাদের বাড়ির মেয়ে নয়। আমাদের পরিবারেরও কেউ নয়। আমি আজই যাচ্ছি তোমার সঙ্গে।

    পিস্তলটা তা হলে আমার দিকে ছুড়ে দাও।

    এর ভেতরে গুলি পোরা আছে মূর্খ। যদি ফসকায় তো আমাদের তিনজন এখুনি দু’জন হয়ে যাব। বলে পিস্তলটা ও মেঝেয় শুইয়ে রাখল।

    আর সেই মুহূর্তেই মংপু এক ধাক্কায় রিয়াকে ফেলে দিয়ে বাঁহাতে হিরণের জামার কলারটা ধরে ডান হাতে ওর গালে টেনে একটা চড় মারল। তারপর ওকে শক্ত করে টিপে ধরে ওর নাকে একটা রুমাল চাপাতেই একটুক্ষণ ছটফটানি। পরক্ষণেই সব স্থির।

    মংপুর ধাক্কার বেগ সামলাতে না-পেরে দেওয়ালে চোট লেগে মাথাটা ফুলে উঠেছে রিয়ার। যা জোর লেগেছে তাতে ঝিম ঝিম করছে মাথাটা। কী ভাগ্যিস ফেটে যায়নি এই ঢের। কিন্তু এই মুহূর্তে ও যে কী করবে, তা ভেবে পেল না। তবুও বিপদকালে উপস্থিত বুদ্ধিটা হারাল না ও। মেঝের ওপর নামিয়ে রাখা হিরণের পিস্তলটা কুড়িয়ে নিতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে গেল। বেঁটে শয়তানটা পা দিয়ে সরিয়ে দিল পিস্তলটা। এত জোরে সরাল যে সেটা সিঁড়ির ধাপে লাগতেই সশব্দে একটা গুলি ছিটকে এসে পায়ে লাগল রিয়ার। রিয়া আর্তনাদ করে উঠল। হিরণ এতক্ষণ অজ্ঞান হওয়ার ভান করে নেতিয়ে পড়েছিল মংপুর কাঁধের ওপর। এইবার দু’হাতে ওর গলা টিপে এমনভাবে ঝুলে পড়ল পেছন দিকে যে, ওর পক্ষে তা শ্বাসরোধকারী হয়ে উঠল।

    ততক্ষণে রিয়াও বুঝে গেছে এবার ওকে কী করতে হবে। সে ছুটে ঘরের ভেতর ঢুকে টেবিলের ওপর থেকে ফুলদানিটা পেড়ে এনে সজোরে এক ঘা মাথার ওপর বসিয়ে দিতেই রক্তাক্ত মংপু লুটিয়ে পড়ল মেঝেয়।

    রিয়া বলল, হিরণদা তুমি তো অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলে! তুমি কী করে গলায় চাপ দিলে ওর?

    হিরণ বলল, ওর হাতের চড় খেয়ে বদনচন্দ্র বিগড়ে গিয়েছিল অবশ্য, তবে যে মুহূর্তে ও আমার নাকে রুমাল চেপে ধরেছিল সেই মুহূর্তে আমি নিশ্বাস বন্ধ করে অজ্ঞান হওয়ার ভান করেছিলাম। ভেবেছিলাম তুমি ওর হাত থেকে নিষ্কৃতি পাবে, আর আমিও ওর সঙ্গে গিয়ে ঘাঁটিটা ওদের দেখে আসব। কিন্তু তোমার পায়ে গুলি লাগায় আর আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারলাম না। এখন এসো এটাকে দু’জনে মিলে সজোরে বেঁধে ফেলি। তারপর?

    তারপর জ্ঞান ফিরলে মারের চোটে ভুবন অন্ধকার করে দেব ওর। কার্লস জ্যাকলের ঘাঁটির সন্ধান ওর কাছ থেকেই পাব। সব জেনে নিয়ে ওরই কাটা মুণ্ডু উপহার পাঠাব কার্লস জ্যাকলকে। ওকে বুঝিয়ে দেব চোরের ওপর বাটপাড়ি কী করে করতে হয়। হিরণ আর একটুও দেরি না করে রিয়ার সাহায্য নিয়ে পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলল মংপুকে।

    রিয়া বলল, দেখো হিরণ, এর ওপর বলপ্রয়োগ করতে আর আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। তবে কিনা এর কাটা মুণ্ডু কাউকে উপহার পাঠাবার তো দরকার নেই। যে অপরাধের জন্যে কার্লস জ্যাকল কুখ্যাত হয়েছে সেই একই অপরাধ আমরা কেন করব? তার চেয়ে বরং তোমার বাপির হাতেই তুলে দেব একে। উনি একে জেলের ঘানি টানাবেন।

    হিরণ বলল, এদের আটকে রাখবে এমন কোনও জেলখানা এখনও তৈরি হয়নি রিয়া। এদের একমাত্র ওষুধ হচ্ছে একেবারে নাশ করা। শত্রুর শেষ রাখতে নেই। আপাতত চলো একে কয়লা-ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখি।

    সিঁড়ির নীচেই একটা ঘরে ঘুঁটে কয়লা ইত্যাদি রাখা হয়। জ্বালানি গ্যাস কমে গেলে ওগুলোর তো প্রয়োজন, তাই ওরা সেই রক্তাক্ত মংপুর ছোট্ট শরীরটাকে টানতে টানতে সেখানে নিয়ে গিয়ে দরজা খুলেই অবাক। দেখল একটা ডেড বডি কে বা কারা যেন শুইয়ে রেখেছে তার ভেতরে।

    শিউরে উঠল হিরণ।

    রিয়া চিৎকার করে সভয়ে পিছিয়ে এল। ওর গুলিবিদ্ধ পায়ের যন্ত্রণাও নিমেষের মধ্যে ভুলে গেল যেন। কেমন যেন এক গভীর আতঙ্কে থমথম করে উঠল ওর মুখ। কেন না এই লোকটাকেই তো স্বপ্না আর ও এই বাড়ির দিকে নজর রাখতে দেখেছিল। কিন্তু ওর এমন মর্মান্তিক পরিণতিটা করল কে? এ নিশ্চয়ই মংপুর কাজ?

    হিরণ বলল, তুমি এঁকে চেনো?

    রিয়া কোনওরকমে ঘাড় নেড়ে হ্যা বলেই বসে পড়ল সেখানে। ও কেমন যেন হয়ে গেল। এমন চটপটে মেয়ে ও কি শেষকালে ভয় পেয়ে গেল?

    হিরণ একাই কয়লা-ঘরের ভেতর মংপুকে টেনেহিঁচড়ে ঢুকিয়ে শিকল তুলে দিল দরজায়। তারপর বাথরুমে ঢুকে এক আঁজলা জল এনে ওর চোখেমুখে দিয়ে ছাদে উঠে গেল। দ্রুত আলশের কাছে গিয়ে পাশের বাড়ির দিকে ঝুঁকে পড়ে ডাকল, স্বপ্না! স্বপ্না!

    ওর মা উঠে এলেন ছাদে, ও তো তোমাদের বাড়িতে।

    আমাদের বাড়ি থেকে অনেকক্ষণ চলে গেছে ও।

    সে কী! গেল কোথায় মেয়েটা! বাড়ি আসেনি তো?

    দেখুন ঘরে শুয়ে ঘুমোচ্ছে বোধহয়।

    আমি নিজে খিল দিয়েছি। ও এলে দরজা তো আমিই খুলতাম।

    তা ছাড়া রিয়াও আছে তোমাদের বাড়ি।

    হিরণ বলল, হ্যাঁ, ও আছে। বলে একটু থেমেই হিরণ বলল, আপনি একবার শিগগির আমাদের বাড়ি আসুন। খুব বিপদ হয়ে গেছে আমাদের।

    স্বপ্নার মা আতঙ্কিত হয়ে বললেন, কী হয়েছে?

    আমার মা অজ্ঞান হয়ে শুয়ে আছেন। রিয়াও কেমন যেন হয়ে গেছে। আর স্বপ্না যখন ঘরে ফেরেনি, তখন সেটাও তো খুব ভয়ের ব্যাপার।

    ওমা! সে কী! কী করব আমি? বলেই দ্রুত ছাদ থেকে নেমে চলে এলেন ওদের বাড়ি।

    কিন্তু রিয়া কোথায়? ক্লান্ত রিয়া যে কয়লা-ঘরের সামনেই উদাস হয়ে বসে পড়েছিল। কেমন যেন ভয় পেয়ে গিয়েছিল মেয়েটা। এরই মধ্যে কোথায় গেল সে?

    হিরণ মায়ের ঘরে ঢুকল। মা তেমনিই শুয়ে আছেন। পাশের ঘরে, মানে যে ঘরে হিরণের সব কিছু থাকে রিয়া সেখানেও নেই। তা হলে? তা হলে কোথায় গেল রিয়া?

    স্বপ্নার মা বললেন, রিয়া কই? স্বপ্না কোথায়? কী হয়েছে বলো না বাবা? এখানে এত রক্ত কেন? তোমার মায়ের কী হয়েছে?

    এতগুলো কথার উত্তর একসঙ্গে কী করে দেবে হিরণ? ওর মাথাটা কেমন যেন ঝিম ঝিম করতে লাগল। রিয়ার পায়ে গুলি লেগেছে। এই অবস্থায় সে কোথায় যেতে পারে? স্বপ্না! স্বপ্নার কী হল? ও ঘরে ফিরল না কেন?

    স্বপ্নার মায়ের হাঁকডাকে ততক্ষণে অন্যান্য প্রতিবেশীরাও ছুটে এসেছেন সবাই মিলে। হিরণের মায়ের চোখেমুখে জল দিয়ে জ্ঞান ফেরাবার চেষ্টা করতে লাগলেন।

    হিরণের এবার কেমন যেন সন্দেহ হল। সে কোনওরকমে নিজেকে একটু সামলে নিয়ে ধীরে ধীরে কয়লা-ঘরের কাছে এসেই দেখল দরজার শিকল খোলা। এমন তো হবার কথা নয়। সে নিজে শিকল দিয়ে গিয়েছিল দরজায়। তাই সন্দেহটা প্রকট হল। আতঙ্কিত হয়ে চমকে উঠল সে। রিয়া তো নেই। সেইসঙ্গে মংপুও উধাও হল কী করে? শুধু সেই ডেড বডিটা তেমনিই পড়ে আছে ঘরের ভেতর। তার মানে বোঝাই যাচ্ছে মংপুর পেছনেও লোক ছিল। হয়তো বা গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছিল দূরে কোথাও। পরে দেরি দেখে বাড়িতে আসে, আর ওর ছাদে ওঠার সুযোগ নিয়েই কিডন্যাপ করে রিয়াকে। তারপর রক্তের দাগ দেখেই হোক বা রিয়াকে ভয় দেখিয়েই হোক মংপুকে কয়লা-ঘরের ভেতর থেকে খুঁজে বার করে এবং ওকে নিয়ে যাবার সময় রিয়াকেও সঙ্গে নিতে ভুল করে না।

    হিরণ আর একটুও দেরি না করে টেলিফোনের রিসিভার তুলে নম্বর ডায়াল করল, হ্যালো লালবাজার…হ্যালো…হ্যালো…।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }