Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লালবাজারে রাহাজানি – ৭

    সাত

    বাসববাবু টেলিফোনে খবর পেয়েই বাড়ি চলে এলেন। তখন সন্ধে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। নীহারবাবু, রঞ্জনবাবু এবং আরও কয়েকজন গোয়েন্দা অফিসার সঙ্গে এসেছেন। এসেছে এক গাদা পুলিশ। কয়লা-ঘরের ভেতর থেকে যে ডেড বডিটা উদ্ধার করা হল তাকে হিরণ না চিনলেও সে ছিল সাদা পোশাকের পুলিশ। নীহারবাবু তাকে এই বাড়ির দিকে নজরে রাখার কাজে নিযুক্ত করেছিলেন। সেইমতো সে গোপনে কাজও করছিল। কিন্তু কার্লস জ্যাকলের লোকেরা যে তাকে চিনতে পেরে হঠাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করবে তা সে ভাবতেও পারেনি।

    বাসববাবু বাড়িতে এসে দেখলেন হিরণ কেমন মনমরা হয়ে বসে আছে। স্ত্রীর জ্ঞান ফিরেছে একটু আগে। ডাক্তারের ওষুধ আর ইঞ্জেকশানের প্রভাবে তিনি এখন স্বাভাবিক। কী থেকে কী যে হয়ে গেল তার কিছুই টের পাননি তিনি। তাঁর ঘুমিয়ে থাকার সময়েই মংপু শয়তানটা একটু বেশিমাত্রায় ক্লোরোফর্ম প্রয়োগ করেছিল তাঁর ওপর। ফলে সেই ঘুম ভাঙতে দেরি হল অনেক।

    স্বপ্নার ব্যাপারেও দুশ্চিন্তার মেঘ কেটে গেছে। কেন না এই বাড়ির নাটকীয় সব ঘটনাগুলোর পরই সে ফিরে এসেছে। আসলে হিরণ ও রিয়ার অন্তরঙ্গ কথাবার্তা শুনে ওর কেবলই নিজেকে অপাংক্তেয় মনে হচ্ছিল। ওর মনে হচ্ছিল নেহাতই ওকে দলে না রাখলে খারাপ দেখায় তাই বুঝি ওকে চিত্তরঞ্জনে যাবার কথা বলা হচ্ছে। তাই ওর অভিমান হয়েছিল খুব। এবং যদি মা কিছু বলেন তাই ঘরে না-গিয়ে কাছাকাছি ওর এক বান্ধবীর বাড়ি গিয়ে হাজির হয়েছিল। তখন কি ও ঘুণাক্ষরেও জানত যে ও দরজা খুলে চলে যাবার পরই ওই বাড়িতে অমন একটা রোমহর্ষক ঘটনা হয়ে যাবে বলে? অবশ্য দরজা ও না খুললেও মংপু এ বাড়িতে ঢুকতই। লালবাজার অঞ্চলে সেই ভয়াবহ ডাকাতি ও রাহাজানির কুশীলবদের মধ্যে মংপুও তো একজন ছিল। কলকাতার কুখ্যাত ক্রিমিন্যালদের মধ্যে নৃশংতায় মংপুর নামও ছিল ব্ল্যাক লিস্টের বিশেষ তালিকায়। তা মংপুকে হাতের মুঠোয় পেয়েও সেই মুঠো ফসকে যাওয়ায় পুলিশমহল ভীষণ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠল। তবে উৎকণ্ঠা যেটুকু রইল তা হল রিয়ার ব্যাপারে। ওরা যখন ওকে কিডন্যাপ করেছে তখন নিশ্চয়ই অকথ্য অত্যাচার করবে ওর ওপর। তার ওপর মেয়েটার পায়ে গুলি লেগেছে। সেই গুলিতে ক্ষতস্থান কত গভীর বা গুলি বিধে আছে কি না তাও তো দেখা দরকার। গুলি যদি ভেতরে থাকে সেটাকে বারও করতে হবে। কিন্তু এসব করবে কে?

    বাসববাবুর আদেশানুযায়ী পুলিশের লোকেরা থানায় খবর পাঠিয়ে যেখানে

    যত বদের আখড়া ছিল সর্বত্র তোলপাড় শুরু করে দিল। কেন না পুলিশের কাজের পদ্ধতিই এই, যেখানে দেখিবে ছাই। এইভাবে কাজও হয়। অভাবিত সাফল্য নেমে আসে। এখন কার্লস জ্যাকলের চেয়েও রিয়াকে খুঁজে বার করাটা একান্তভাবে দরকার। পুলিশের কাছে এ এক মস্ত চ্যালেঞ্জ।

    স্বপ্নার বাবা বাসব মজুমদারের দুটি হাত ধরে বললেন, দেখুন মশাই! আপনি আমার প্রতিবেশী। পাশাপাশি বাড়িতে থাকি। তাই বলতে দ্বিধা নেই, আমার স্বপ্নার কিছু যে হয়নি এর চেয়ে সুখের আর কিছুই নেই। কিন্তু রিয়া পরের মেয়ে। ওর বাবা-মায়ের কাছে আমি কী করে মুখ দেখাব? আপনি যেভাবেই হোক উদ্ধার করুন ওকে।

    বাসববাবু বললেন, আমার দিক থেকে ওই মেয়েটিকে খুঁজে বার করবার ব্যাপারে কোনও ত্রুটিই হবে না। বিশেষ করে ও যখন আমারই বাড়ি থেকে গুম হয়েছে তখন বিরাট দায়িত্ব এবং কর্তব্যবোধ তো একটা থেকেই যায়। তা ছাড়া ও বুদ্ধি করে ফুলদানি এনে মংপুকে ঘায়েল না করলে হিরণ একা কিছুই করতে পারত না। অতএব আপনি একটু ধৈর্য ধরুন এবং নিশ্চিত থাকুন।

    যদি ওরা ওকে মেরে ফেলে?

    না এইরকম কেসে চোদ্দো-পনেরো বছরের একটা মেয়েকে অপহরণ করলে শত্রুপক্ষ তাদের মারে না। বরং মোটা টাকার বিনিময়ে তাকে বিক্রি করে দেয়। সেইরকমটা যাতে হতে না পারে আমি সেই ব্যবস্থাই করছি। ওরা সেই ভুলটাই করতে যাবে এবং ধরা পড়বে।

    তবু আমার হাত-পা যেন কাঁপছে। ওর মা-বাবা খবর পেলে কী যে করবে তা ভেবে পাচ্ছি না।

    এখুনি ওর মা-বাবাকে খবর দেবার দরকারটা কী?

    সে কী! যাদের মেয়েকে হারালাম তাদের একটা খবর দেব না?

    না দেবেন না। একটু দেখুন না দু’-একটা দিন।

    কিন্তু ওকে কি আমরা সত্যিই ফিরে পাব? মেয়েটার মুখের দিকে একবার তাকিয়ে দেখেছেন? কী সুন্দর মুখ। গায়ের রং দেখেছেন? যেন দুধে-আলতায় গোলা। মেয়ে বড় হচ্ছে। আর হয়তো দু’-চার বছর বাদেই ওর বিয়ে দিতে হবে, এখন এই অবস্থায়…।

    মেয়েটাকে আগে উদ্ধার করি। তারপর ওইসব ব্যাপার নিয়ে চিন্তাভাবনা করা যাবে।

    আপনি তো বললেনই মশাই। আপনার তো মেয়ে নেই, থাকলে বুঝতেন মেয়ের বাপেদের জ্বালা কত।

    বাসববাবু হেসে বললেন, সব বুঝি আমি। আরে আমার মেয়ে নাই বা থাকল, আমার স্ত্রী তো একজনের মেয়ে। আমার স্বর্গগতা মা-ও তো একজনের মেয়ে ছিলেন। তা ছাড়া ভুলে যাবেন না, আমার কিন্তু একটা ছেলেও আছে। অতএব মেয়েটাকে যদি ফিরে পাই, তা হলে কিন্তু ওর ব্যাপারে সব দায়িত্বই আমার। হিরণের মুখে যা শুনলাম তাতে বুঝতে পেরেছি, মা আমার যা তা মেয়ে নয়। অবশ্যই হিরণই বা আমার কম কীসে? মংপুর মতন ওইরকম একজন ঘোড়েল গুন্ডাকে ওইভাবে কাবু করা কি যা তা কাজ? আমার তো এখনও ওর মুখে শোনা ঘটনাগুলো ছায়াছবির দৃশ্য বলেই মনে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আমি কী ভাবছি জানেন? চাকরি থেকে অবসর নিয়ে এবার বই লেখা শুরু করব। বই লিখবেন?

    হ্যাঁ, এই লালবাজারকে নিয়ে, লালবাজারের রাহাজানি নিয়ে, কার্লস জ্যাকলকে নিয়ে, মংপুকে নিয়ে। এই লেখার মধ্যে কোনও গোঁজামিল থাকবে না। একেবারে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কাহিনি। কম দেখলাম এ জীবনে? লালবাজারের চৌহদ্দিতেও কখনও পা না দিয়ে কষ্টকল্পিত কাহিনি লিখে পুলিশের ঘাড়ে ব্যর্থতার বোঝা চাপিয়ে শখের গোয়েন্দার বাহাদুরি দেখিয়ে কত লেখক লালে লাল হয়ে গেল। আর আমি লিখলে সে বই চলবে না?

    রঞ্জনবাবু বললেন, নিশ্চয়ই চলবে। পুলিশের কাব্য পুলিশে লিখলে ভালই তো হয়। তবে হিরণবাবুর কৃতিত্ব কিন্তু অবিস্মরণীয়। ও যেভাবে মংপুকে ফাঁদে ফেলেছে তা সত্যিই বিস্ময়কর। আমরা হলে বোধহয় এমনটি পারতাম না।

    হিরণ এতক্ষণ স্থিরভাবে ওর মায়ের পাশে বসে সব শুনছিল। এবার থাকতে না পেরে বলল, এখন কি এই সব আলোচনার সময়? তা ছাড়া আপনারা পারতেন না, এমন কথা বলছেন কেন? জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করে কার্লস জ্যাকলের হাতে হাত কড়া তো একদিন আপনারাই পরিয়েছেন। শুধু একটু অসাবধানতার জন্যে লোকটা পালিয়েছে জেল ভেঙে।

    নীহারবাবু রঞ্জনবাবুকে বললেন, শুনেছি জেলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মা বললেন, তাতে আর লাভটা কী?

    বাসববাবু বললেন, লাভ-লোকসানের ব্যাপার নয়। সরকারি কাজকর্মের একটা বিধিনিষেধ তো আছে।

    রঞ্জনবাবু বললেন, আর আমাদের কপালেও আছে অযথা ছুটোছুটি, দৌড়োদৌড়ি। হিরণবাবু যেভাবে মংপুকে কবজা করেছিল, তাতে ওই লোকটাকে নিংড়েই কার্লস জ্যাকলের ঘাঁটিতে হানা দেওয়া যেত।

    হিরণ বলল, দেখুন, মংপুকে ধরার মধ্যে সত্য সত্যই আমার কোনও কৃতিত্ব নেই। ওটা অ্যাকসিডেন্ট। মাথা মোটা মংপু আমাকে নেহাতই ছেলেমানুষ ভেবে সিন ক্রিয়েট করতে গিয়েই ওর বিপদ ডেকে এনেছিল। আমরাও আত্মরক্ষার খাতিরে একটু কৌশল প্রয়োগ করেছিলাম মাত্র। এর বেশি কিছু নয়। তাও তো শেষরক্ষে হল না।

    নীহারবাবু বললেন, তোমরা সবই করলে সেই সঙ্গে একটু ভুল করে ফেলেছিলে তোমরা। মংপুর হাত-পা বেঁধে আগেই যদি বাইরের দরজায় খিলটা দিয়ে দিতে তা হলে আর অন্য কেউ ভেতরে ঢুকে ওদের অপহরণ করতে পারত না।

    আসলে এই রকম যে ঘটবে তা ভাবতেও পারিনি। তাই মাথার ঠিক ছিল না। রঞ্জনবাবু বললেন, ঠিক আছে, ধরা ওরা পড়বেই। হয় আজ, নয় কাল। তবে আজ থেকেই এই বাড়ির সামনে একদল পুলিশ সদা সতর্ক থাকবে। ,

    মা বললেন, এই ব্যবস্থাটা আগে করলে তো এমনটি হত না। মাঝখান থেকে নিরীহ একটা মেয়ে ওদের কবলে পড়ে কোথায় যেন লোপাট হয়ে গেল। খুনও হল একজন। কী দরকার ছিল একা বেচারিকে দিয়ে নজরদারি করবার? ওই দুর্ধর্ষ শত্রুর মোকাবিলা কখনও একা একজনকে দিয়ে হয়? আমার তো মনে পড়লেও গা শিউরে উঠছে।

    বাসববাবু বললেন, ভুল যা হবার তা হয়ে গেছে। আসলে ব্যাপারটা যে এতদূর গড়াবে তা ভাবতেও পারিনি।

    এর পরে আর কোনও কথাবার্তা নয়। বাসববাবু সকলকে নিয়ে একটু চা-পান করেই আবার বিদায় নিলেন। যাবার আগে বলে গেলেন, ফিরতেও পারি, নাও পারি! আমার জন্য চিন্তা করো না। তোমরা সাবধানে থেকো।

    স্বপ্নার বাবাও বিদায় নিলেন।

    হিরণ দরজা বন্ধ করে ওর বিছানায় উপুড় হয়ে শুল। কিছু ভাল লাগছে না ওর। রিয়ার জন্য ওর ভীষণ মন কেমন করছে। সত্যি, কী যে করছে মেয়েটা। ওর বদলে যদি ওরা তখন ওকে তুলে নিয়ে যেত তা হলে আর যাই হোক কার্লস জ্যাকলের মুখোমুখি হতে পারত সে।

    হিরণ যখন বিছানায় শুয়ে রিয়ার ব্যাপারে নানারকম ভাবছে ঠিক তখনই—। ক্রিরিরিং…। ক্রিরিরিং।

    হিরণ উঠে গিয়ে রিসিভার ধরল, হ্যালো।

    কার্লস জ্যাকল।

    গলাটা গম্ভীর করে হিরণ বলল, বাসব মজুমদার বলছি।

    আওয়াজটা একটু অন্যরকম ঠেকছে। খুব রেগে আছেন নিশ্চয়ই তা যাকগে, আমার লোকেরা আপনার ছেলের বদলে কাদের একটা মেয়েকে তুলে নিতে এসেছে। মেয়েটার ভারী মিষ্টি চেহারা কিন্তু। ওর পায়ের গোড়ালির কাছে একটা গুলি লেগেছিল। সেটা ডাক্তার দেখিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছি। ওর জন্যে চিন্তা করবেন না। আসলে আমার খুব দেখবার ইচ্ছে ছিল আপনার ছেলেকে।

    হিরণ বলল, মেয়েটা এখন কোথায়?

    কোথায় বলি বলুন তো? এখুনি নিয়ে যাবেন? অবশ্যই।

    খুব ভাল হয় তা হলে। কেন না খুন জখম চুরি ডাকাতি রাহাজানি আমি এই সব কাজে সত্যিই আনন্দ পাই। তবে ওই সব ছেলেমেয়ে চুরির ব্যাপারে আমি নেই। তাই বলছিলাম…

    কোথায় দেখা করব বলুন?

    কে আপনি?

    বাসব মজুমদার।

    গলা শুনে প্রথমেই সন্দেহ হয়েছিল আমার। বাসব মজুমদার আমাকে ভুলেও কখনও আপনি বলেননি। তুমি নিশ্চয়ই তাঁর সেই সুযোগ্য পুত্র যে কিনা মংপুর মতন একজন কুখ্যাত গুন্ডাকে আর একটু হলেই দিয়েছিল শেষ করে।

    হিরণ বলল, হ্যাঁ আমিই সেই।

    তুমি নির্ভয়ে চলে এসো। মেয়েটাকে নিয়ে যাও। তুমি এলে ভালই হবে। কেন না তোমাকে একবার দেখবার ইচ্ছে আমার বহু দিনের।

    হিরণ হেসে বলল, বলেন কী! আপনাকে দেখবার সাধও আমার কম নয় কিন্তু। হাজার হলেও আপনি আমার বাবার বন্ধু তো?

    ওদিক থেকে হা হা করে একটা হাসির সুর শোনা গেল। তারপরই শোনা গেল, তুমি তা হলে এখুনি একবার চলে এসো বাবুঘাটে। আমার গাড়ি তোমার জন্যে ওইখানেই অপেক্ষা করবে। আর হ্যাঁ, কোনওরকম চালাকি করবার যেন চেষ্টা কোরো না।

    না। চালাকি কিছু করব না। তবে আশা করি মেয়েটাকে সুস্থ শরীরেই ফেরত পাব।

    দেরি না করে চলে এসো।

    ওদিক থেকে ফোন নামিয়ে রাখার শব্দ শোনা গেল।

    মা হিরণকে টেলিফোনে কথা বলতে শুনে এগিয়ে এলেন এবার, কে ফোন করেছিল রে?

    রঞ্জনকাকু।

    কী বলছিল?

    বলছিলেন বাপি চলে যাওয়ার পর আর কেউ কোনওরকম ঝামেলা পাকাতে এসেছিল কি না।

    তুই কিন্তু ঠিক বলছিস না হিরণ। ফোনে অন্যরকম কথাবার্তা শুনছিলাম। তুমি সব তাতেই এত সন্দেহ কর কেন বলো তো মা?

    মা বললেন, কী জানি বাবা। ভয় করে।

    হিরণ একবার অকারণেই এ-ঘর ও-ঘর করে ছাদে উঠে এল। তারপর আলশের কাছে গিয়ে ডাকল, স্বপ্না। স্বপ্নারে! স্বপ্না উঠে এল ছাদে।

    হিরণ চাপা গলায় বলল, একটু আগে একটা ফোন এসেছিল। আবার ফোন!

    হ্যাঁ, রিয়ার ব্যাপার! কার্লস জ্যাকল ওকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলছে। সত্যি!

    হ্যাঁ।

    কিন্তু কে যাবে? তুমি?

    সেইরকমই কথা হয়েছে।

    যদি ওরা তোমাকে আটকে দেয়।

    সে কী আর না-দেবে ভেবেছিস? তবে মুশকিল হচ্ছে একটাই, আমাদের বাড়ির সামনে যেরকম পুলিশ পাহারা রয়েছে তাতে এখান থেকে বেরোব কী করে তাই ভাবছি।

    স্বপ্না বলল, ফোনে কী কী কথা হল শুনি?

    হিরণ সব বলল।

    শুনে স্বপ্না বলল, তুমি যেয়ো না হিরণদা। ওদের মতলব ভাল নয়। বরং তোমার বাবা এলে সব কথা খুলে বলো তুমি তাঁকে। এমন ভুল কখনও কোরো না।

    তা না হয় না করলাম। এদিকে বাপির কানে উঠলে, বাপি যদি অন্য কোনও স্টেপ নিতে যান, তা হলে যে মেয়েটাকেই খুন করে ফেলে দেবে। তখন কী হবে?

    তা হলে তুমি যাবে?

    হ্যা, আর যদি আমি আজ রাত্রের মধ্যে না-ফিরি, কাল সকালে বাপিকে তুই সব বলবি।

    ওরা তোমাকে কোথায় যেতে বলেছে যেন? বাবুঘাটে ?

    হ্যাঁ।

    তুমি এক কাজ করো হিরণদা, একেবারে তৈরি হয়ে পেছনের দরজা দিয়ে আমাদের বাড়ি চলে এসো। আর শোনো, আসবার সময় তোমার একস্ট্রা প্যান্টজামা একটা নিয়ে এসো।

    প্যান্টজামা কী হবে?

    নিয়েই এসো না, এলে সব বলব। আপাতত একটা বুদ্ধি এসেছে আমার মাথায়। তবে পিস্তলটা যেন রেডি থাকে।

    ও বুঝেছি। তার মানে তুইও যেতে চাস আমার সঙ্গে?

    আঃ। এসোই না তুমি।

    স্বপ্নার কথামতো হিরণ বেশ ভালভাবেই তৈরি হয়ে নিল। প্যান্টের হিপ পকেটে ছুরি, পকেটের ভেতর পিস্তল, আলাদা কিছু বুলেট ইত্যাদি। তারপর স্বপ্নার কথামতো এক্সট্রা একটা জামাপ্যান্ট নিয়ে মাকে বলল, মা, আমি একটু সপুদের বাড়ি যাচ্ছি।

    ভেতর দিয়ে যা।

    তা নয় তো কি এই রাতদুপুরে বাইরে দিয়ে যাব?

    স্বপ্না তৈরিই ছিল। হিরণ যেতেই ওকে নিয়ে ওর পড়ার ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। বলল, শোনো হিরণদা, একা তোমার কখনওই যাওয়া চলবে না ওখানে। তোমার জামা প্যান্ট পরে আমিও যাব। আমার একটা প্যারেড করতে যাওয়া টুপি আছে, সেটা পরে থাকলে আমাকে কখনই মেয়ে বলে মনে হবে না। আমরা দু’জনেই যাব। একসঙ্গে নয়, আলাদা আলাদা ভাবে। আমি তোমার হয়ে দেখা করব ওদের সঙ্গে। তোমাদের ব্যাপারে সব কিছুই তো আমি জানি, তাই উত্তরও দিতে পারব যথাযথভাবে। তুমি হবে আমার বডিগার্ড। দূর থেকে সব কিছু লক্ষ করবে, পিছু নেবে, দরকার হলে ফাইট করবে রীতিমতো। একান্ত না পার ফোনে তোমার বাবাকে জানাবে।

    হিরণ লাফিয়ে উঠল আনন্দে, দি আইডিয়া। প্ল্যান একটা যা করছিস তা কিন্তু ভারী চমৎকার। এ যে একেবারে পাণ্ডব গোয়েন্দার অভিযান হয়ে গেল। আমরা শুধু পাঁচের বদলে তিন আর পঞ্চ নামের কোনও কুকুর আমাদের সঙ্গে নেই, তফাত এইটুকুই।

    স্বপ্না বলল, এইটুকু সময়ের মধ্যে আমি কীভাবে তৈরি হয়েছি জান? এই দেখো।

    হিরণ দেখল স্বপ্না ওর কোমরে কাল রঙের কী যেন একটা জড়িয়েছে। কী ওটা?

    নাইলনের ফিতে। বিশ ফুটের মতো।

    কোথায় পেলি তুই?

    কিনে আনলাম। যদি ওরা কোনওভাবে আমাকে চিনে ফেলে বা আটকে রাখে তা হলে এটা হয়তো কাজে লাগবে। আর নিয়েছি আগুন ধরাবার জন্যে একটা সিগারেট লাইটার।

    আর?

    আর কী নেব? ছুরি, ব্লেড এসব তো আছেই।

    হিরণ ওর প্যান্টসার্ট দিলে স্বপ্না সেটা পরে তৈরি হয়ে নিল।

    মা ডাকলেন, সপু, খাবি আয়। যাচ্ছি মা।

    ঘরে কে রে?

    হিরণদার সঙ্গে একটু কথা বলছি।

    হিরণ বলল, আমি তা হলে আসি?

    স্বপ্না এক চোখ টিপে বলল, হ্যাঁ, এসো।

    ওরা দু’জনেই তখন এক এক করে পথে নামল। বাইরে এসে আড়চোখে তাকিয়ে দেখল হিরণ, সেখানে কী দারুণ পুলিশি ব্যবস্থা। ওরা ছায়ান্ধকারে দেওয়ালের গা ঘেঁষে একটু একটু করে এগিয়ে পথের বাঁকে হারিয়ে গেল। তারপর বড় রাস্তায় এসেই একটা ট্যাক্সি দেখতে পেয়ে উঠে বসল তাতে। ট্যাক্সির ড্রাইভার একজন সর্দারজি। বললেন, কিধার যানা হোগা বাবুসাব? হিরণ বলল, ধরমতল্লা।

    ধরমশালা তো নেহি?

    হিরণ বলল, কে তুমি?

    কাজ। সর্দারজি হাসতে হাসতে বললেন, হুকুমত সিং। হুকুম তামিল করাই আমার হিরণ তখন পকেটে হাত দিয়েছে।

    সর্দারজি সামনের আয়নায় সেটা দেখে বুঝতে পেরেই বললেন, ইয়ে বুরা কাম মাত করো ভাই। পিছে দেখো।

    হিরণ দেখল ওদের ঠিক পেছনেই একটা ট্যাক্সি ওদেরকে অনুসরণ করে আসছে। আর সেই ট্যাক্সির পেছনের সিটে বসে আছে দু’জন শক্ত-সমর্থ লোক। দানবের মতো চেহারা। কী ভীষণ। দেখেই বোঝা গেল এরা দু’জনেই হচ্ছে পেশাদার কোনও গুন্ডা। যারা নাকি কার্লস জ্যাকলের হয়ে কাজ করে।

    হিরণ বলল, তুমি তা হলে কার্লস জ্যাকলের লোক?

    সর্দারজি হেসে বললেন, সন্দেহ আছে না কি?

    আমাদের তুমি কোথায় নিয়ে যাচ্ছ?

    নিয়ে গেলেই দেখতে পাবে।

    এটা তো বাবুঘাটের পথ নয়, আমাদের মেয়ে কই? তার কাছেই তো নিয়ে যাচ্ছি তোমাদের।

    তোমাদের কথায় বিশ্বাস করে দেখছি ভুল করেছি।

    কথার খেলাপ করেই ভুল করেছ। তোমার একা আসবার কথা ছিল, তুমি সঙ্গে একজনকে এনেছ। তোমার সঙ্গে কথা ছিল কোনওরকম চালাকি করবে না কিন্তু, তুমি রিভলভার অথবা পিস্তল যা হোক কিছু একটা বার করতে যাচ্ছিলে। তা হলেই বুঝলে তো কথার খেলাপটা তুমিই করেছ? আসলে পুলিশের লোককে কখনও বিশ্বাস নেই। ওরা হল কেউটে সাপের জাত। আর সেই পুলিশের ছেলে হল সাপের বাচ্চা। তাই শত্রুর শেষ আমরা রাখব না। মেয়েটা মুক্তি পাবে, কিন্তু তুমি পাবে না। আর বাসব মজুমদার…। ওর যা অবস্থা হবে তা শুনলেও তুমি শিউরে উঠবে।

    কী করবে আমার বাপির?

    ‘শোলে’ দেখেছ?

    মেট্রোয় দেখেছি, জ্যোতিতে দেখেছি।

    গব্বর সিং-এর অভিনয় মনে আছে?

    ও কি ভোলবার?

    আমরাও গব্বর সিং হয়ে তোমার বাপির দুটো হাতই কেটে নেব। তারপর সেই হাত দুটো লালবাজারের সদর দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়ে এখানকার পাট চুকিয়ে বরাবরের জন্য চলে যাব আমরা।

    কোথায় যাবে?

    আমাদের লালমহলে।

    সেটা আবার কোথায়?

    সে এমনই এক দেশ সেখানে লালবাজারের বাসব মজুমদারের দৃষ্টি গিয়ে পৌঁছবে না।

    বাপির হাত কেটে নেবে শুনেই হিরণ তখন ভয়ানক উত্তেজিত হয়ে উঠেছে! ও মুহূর্তের মধ্যে পিস্তলটা বার করে তাইতে গুলি ভরে নিল।

    সর্দারজির হাতেও তখন রিভলভার। হিরণের দিকে তাগ করে বলল, খবরদার। কোনওরকম বেয়াদপি করবে তো এখুনি শেষ করে দেব। হিরণ বলল, গাড়ি থামাও। মেয়েটাকে নেমে যেতে দাও। সর্দারজি একটা অশ্রাব্য গালাগালি করল।

    পর মুহূর্তেই যা হয়ে গেল তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

    স্বপ্না এইসব কথাবার্তার ফাঁকেই কখন যে ওর ছুরিটা বার করে ফেলেছিল কেউ দেখেনি। সে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই ছুরি দিয়ে পেঁচিয়ে দিল সর্দারজির গলাটা। গাড়ি তখন দ্বিতীয় হুগলি সেতুর কাছে এসে ক্যা-ক্যাচ্ করে ব্রেক কষ টার্গেট একটু রং হয়ে গেছে। হয়তো বা বরাতজোের। তাই গলার নলিটা দু ‘ফাঁক না হয়ে তার পাশ থেকেই ঘাড় অব্দি চিরে গেল ভীষণভাবে। রক্তে ভেসে গেল সারা শরীর।

    পরক্ষণে অপর ট্যাক্সি থেকে গুন্ডা দু’জন নেমে এসে জাপটে ধরল ওদের। ওরই মধ্যে একজনকে লক্ষ্য করে একটা গুলি করেছে হিরণ। গুলিটা ওর বাঁদিকের কাঁধে গিয়ে লাগল।

    আহত লোকটি ডান হাতে বাঁ কাঁধটা চেপে ধরে হিরণকে এক ঝটকায় ফেলে দিল রাস্তার ওপর।

    এতেই যথেষ্ট। হিরণের আর নড়বারও শক্তি রইল না।

    স্বপ্না ও হিরণকে পেছনের ট্যাক্সিতে তুলে নিয়ে ওরা সকলে যখন দ্রুত সেই পথ ধরে এগোতে লাগল, তখন দেখল পুলিশের একটা টহলদারি জিপ ওদের পিছু নিয়েছে।

    হরিণ শিকার করে শিকারিরা যেভাবে মৃত পশুগুলোকে নিয়ে যায়, ওরা ঠিক সেইভাবে স্বপ্না ও হিরণকে নিয়ে চলল।

    স্বপ্না তারই মধ্য থেকে চিৎকার করতে লাগল, বাঁচাও বাঁচাও বাঁচাও।

    গাড়ি খিদিরপুর পার হতেই জ্যামে আটকাল। ততক্ষণে একটা ট্রাফিক সিগন্যালে ধাক্কা দিয়ে দু’–একজন পথচারীকে চাপা দিয়ে একটা গলির মুখে এসে থামল ট্যাক্সিটা।

    পুলিশের গাড়ি অবশ্য অতদূর এল না। আসবেই বা কি করে? ওরই মধ্যে চারদিক থেকে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। কে বা কারা যে একাজ করছে তা কে জানে? হয়তো বা কার্লস জ্যাকলের সংগঠিত শক্তি অথবা অন্য কোনও দুষ্কৃতীর দল পুলিশ দেখে ভয় পেয়ে বাধা দিচ্ছে। পুলিশের গুলিও হার মানল সেই বোমাতঙ্কের কাছে। কাজেই পিছু হটতে হল তাদের। অনেক পরে যখন সমস্ত এলাকাটা পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ হয়ে গেল অপারেশন তখন সাকশেসফুল। বাড়ি বাড়ি তল্লাসি চালিয়ে হিরণ এবং স্বপ্নার হদিসও পাওয়া গেল না কোথাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }