Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লালবাজারে রাহাজানি – ৮

    আট

    হাঙ্গার ফোর্ট স্ট্রিট থেকে লালবাজার কতটুকুই বা পথ। ঠিক পার্ক স্ট্রিটের মুখের কাছে আসতেই একটা বেপরোয়া লরি এসে ধাক্কা মারল বাসববাবুর জিপটাকে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসব মজুমদার ছিটকে পড়লেন চৌরঙ্গি রোডের ওপর। জিপের ড্রাইভার হরকিষণ গুরুতর আহত অবস্থায় স্টিয়ারিং ধরে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ল। জিপটাও ভেঙে চুরে পড়ে রইল রাস্তায়। এই রকম অবস্থায় যা হয়, পথচারীরা হই হই করে ছুটে গেল সেই দিকে। বাসববাবু সংজ্ঞাহীন না হলেও প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছেন তিনি। হরষিণের কী হবে তা কে জানে?

    কয়েকজন লোক ধরাধরি করে তুলে বসাল বাসববাবুকে। ডান পায়ের হাঁটুতে অসহ্য যন্ত্রণা। মাথাতেও আঘাত লেগেছে প্রচণ্ড। দুর্ঘটনার ঘোর তাই কাটিয়ে উঠতে সময় লাগল একটু। প্রথমত তিনি কোনও কথা বলতে পারলেন না। অনেক পরে একটু যখন প্রকৃতিস্থ হলেন তখন দেখলেন খবর পেয়ে সাহায্যকারী পুলিশবাহিনী এসে গেছে। কেউ নিশ্চয়ই কোথাও থেকে ফোনে পুলিশকে জানিয়ে দিয়েছে এই দুর্ঘটনার কথা। যাই হোক, পুলিশের অনেক হোমরাচোমরা অফিসারও ছুটে এলেন ঘটনাস্থলে।

    বাসব মজুমদার এবং হরকিষণ দু’জনকেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল। বাসব মজুমদারকে ছেড়ে দেওয়া হল ফার্স্ট এড দিয়ে। কিন্তু হরষিণের অবস্থা এখনতখন। স্যালাইন, ব্লাড প্রয়োজনীয় সবকিছুই দিতে হল তাকে।

    এদিকে ঠিক ওই দুর্ঘটনার সময়টিতেই ভবানীপুরের পিনাকী গুপ্ত নামে এক যুবক হঠাৎ করেই এসে পড়েছিল সেইখানে। ডালহৌসি এলাকার একটা নামী ব্যাঙ্কের কর্মচারী সে। ওর এক বন্ধুকে সি অফ করবার জন্য হাওড়া স্টেশনে গিয়েছিল। তারপর ধর্মতলায় ব্যক্তিগত প্রয়োজনের দু’-একটা টুকিটাকি জিনিস কেনাকাটা করে ওই পথ দিয়ে ফিরছিল। পিনাকী গুপ্তকে দেখতে সুন্দর। বয়স ছাব্বিশ-সাতাশ বছর। মাথায় হেলমেট পরে থাকায় তাকে সৈনিকের মতো দেখাচ্ছিল। একটা লাল রঙের স্কুটারে চেপে ঝড়ের বেগে আসছিল সে। তার চোখের সামনেই ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটা ঘটতে দেখে বারেকের তরে থমকে দাঁড়াল। তারপর এই মুহূর্তে ঠিক কী করা উচিত, তা ভেবে স্থির করে নিল। অর্থাৎ আহত পুলিশ অফিসারের দিকে সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে সে সামান্য একটু দূরত্ব বজায় রেখে পিছু নিল ধাবমান লরিটির। যেতে যেতেই লরির নাম্বারটা নোট করে নিল। যদিও সে জানে এইসব গাড়ির নাম্বার প্লেট কখনও থাকে না তবু নিজের সুবিধের জন্যেই এই কাজ করল।

    লরিটির পিছনে ধাওয়া করে পিনাকীর একটা কথাই বার বার মনে হতে লাগল নিছক অসাবধানতার ফলে এই দুর্ঘটনা নয়, হত্যার উদ্দেশেই ঘটানো হয়েছে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে।

    লরিটি চলছে তো চলছেই, থামবার আর নাম নেই। অবশেষে কালীঘাট স্টেশনের কাছে একটু নির্জনে এক জায়গায় গিয়ে থামল লরিটা। পিনাকী সেটাকে অতিক্রম করে বেশ খানিকটা এগিয়ে গিয়ে স্কুটারটাকে এক জায়গায় দাঁড় করাল। তারপর দেখতে লাগল ওদের গতিবিধি।

    একজন স্যুটেডবুটেড লোক ছায়ান্ধকারে নেমে এলেন লরির ভেতর থেকে। ড্রাইভারও নামল।

    লোকটি পাশের একটি সুদৃশ্য ফ্ল্যাটের মধ্যে ঢুকে গেল। আর কয়েকজন লোক এসে সেই ট্রাক থেকে কিছু মালপত্তর নামিয়ে গাদা করতে লাগল টিনের শেড দেওয়া একটি ঘরের ভেতর। মাল খালাস হতে সময় লাগল অনেক। তারপর লরিটি ধীরে ধীরে যেমন এসেছিল তেমনি চলে গেল।

    পিনাকী দেখল লরির নাম্বার প্লেট আবার বদলে দেওয়া হয়েছে। দুটো নাম্বারই সে তার নোটবুকে লিখে রেখে যখন আবার স্কুটারে এসে বসতে যাবে, তখনই পেছন দিক থেকে ঘাড়ে একটা রদ্দা। পিনাকী দেখল বানরাকৃতি একটা লোক অন্ধকারে দাঁড়িয়ে ফিক ফিক করে হাসছে তার দিকে চেয়ে। লোকটার মাথায় ব্যান্ডেজ। মারধর খেয়েছে বোধহয় কোথাও।

    পিনাকী চোখে অন্ধকার দেখল যেন। পরক্ষণেই বলল, কে তুই? বানরাকৃতি বলল, তুমি কে?

    পিনাকী বলল, তোর বাবা। বলেই লোকটার চোয়াল লক্ষ্য করে মারল এক ঘুসি।

    আকৃতি বানরের মতো হলেও প্রকৃতিও তাই। লোকটা ওই অবস্থাতেই এমন একটা লাফ দিল যে লক্ষ্যভ্রষ্ট হল পিনাকীর।

    ততক্ষণে লোকটা একটা শিস দিয়েছে। আর অমনি মালখালাস করা সেই লোকগুলো এসে ঘিরে ধরল পিনাকীকে।

    পিনাকী বুঝল আর বাঁচার কোনও উপায় নেই। তাই কৌশলে সেই অন্ধকারে নোটবুকটা টুক করে ঘাসের ওপর ফেলে দিল। তারপর কাউকে আক্রমণ করবার কোনওরকম চেষ্টা না করে স্থির হয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল।

    লোকগুলো এসেই বলল, ইয়ে আদমি কৌন হ্যায় মংপু?

    হম না জানে। সি আই ডি মালুম হোতা। ইসকো আভি লে যাও অন্দরমে। সেই সুদৃশ্য বাড়ির ভেতরেই পিনাকীকে নিয়ে গেল ওরা। ছ’-সাত জন লোক। ওর জামার কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেল। রাত এখন কত তা কে জানে? কিন্তু এই ঘরের বাসিন্দারা যে কেউ ঘুমিয়ে নেই, তা সে ভালই বুঝতে পারল।

    ভেতর সন্দেহভাজন লোকজন সব।

    একটি ঘরের ভেতর ভয়ংকর চেহারার একজন বসেছিল। কী অমানুষিক মুখ। খারাপ লোকগুলোকে দেখতে সত্যিই কি একইরকম হয়? চোখের দিকে তাকালে বুক যেন শুকিয়ে আসে। যারা পিনাকীকে সেই ঘরে নিয়ে গেল তারা এক ধাক্কায় ঘরের ভেতর ফেলে দিল পিনাকীকে। অন্ধকার রাতে বাঘের চোখ যদি কেউ দেখে থাকে সে-ই তা হলে অনুমান করতে পারবে সেই লোকটির চোখের চাহনি কী ভীষণ!

    লোকটি পিনাকীর দিকে জ্বলন্ত চোখে তাকিয়ে বলল, এত রাত্রে এখানে

    অন্ধকারে দাঁড়িয়ে তুমি কী করছিলে?

    পিনাকী বলল, তার আগে জানতে পারি কি আপনি কে?

    লোকটি হাসল। বলল, আমার আসল নাম আমিই ভুলে গেছি। তোমাকে কী বলব? তবে সবাই জানে আমি।… যাক তোমার নাম কী বলো? আমার নাম পিনাকীরঞ্জন গুপ্ত।

    বাড়ি কোথায়?

    ভবানীপুরে।

    তার মানে কলকাতার ছেলে। বয়স তো খুব একটা বেশি নয়।

    এখানে কী করছিলে?

    একটা বেপরোয়া লরি পার্ক স্ট্রিটের কাছে এসে পুলিশের জিপে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে এসেছে। আমি সেই লরির পিছু নিয়ে এখানে এসেছি।

    বলো কী! তুমি তো বেশ বাহাদুর ছেলে দেখছি। লরিটা এখন কোথায়? এইমাত্র আপনার বাড়ির সামনে কিছু মাল খালাস করেই চলে গেল। আর তারপরই আপনার লোকেরা আমাকে ধরে নিয়ে এল এখানে।

    ওই লরির ভেতরে তো আমিও ছিলাম।

    পিনাকী বলল, আপনি ইচ্ছে করেই তা হলে জিপটাকে ধাক্কা দেবার নির্দেশ দিয়েছিলেন?

    হ্যাঁ। বাসব মজুমদারকে একটু শিক্ষা দিতে চেয়েছিলাম।

    হয়তো মারা যাননি উনি।

    জানি। ওনাকে কই মাছের মতো জিইয়ে রেখে তিল তিল করে মারব আমরা। একেবারে তো মারব না।

    আমি এসব কিছুই জানতাম না। শুধু দুর্ঘটনা দেখে উত্তেজিত হয়ে লরিটার পিছু নিয়েছিলাম।

    লরির ভেতর থেকে আমি সব দেখেছি। তুমি সেটা বুঝতে পারনি।

    যাই হোক, তোমার ঠিকানাটা দাও। স্কুটার তোমার বাড়িতে পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করছি।

    পিনাকী বলল, ধন্যবাদ। ওটা এখন আমি নিজেই নিয়ে যেতে পারব।

    পিনাকীর কথা শুনে ঘর ফাটিয়ে হো হো করে হেসে উঠল লোকটি। তারপর বলল, এই বাড়িতে ঢোকবার মুখে কোনও কিছু অদ্ভুত জিনিস তুমি লক্ষ করেছ? না। আসলে আমি খুব উত্তেজিত ছিলাম।

    মস্ত একটা ভিমরুলের চাক তোমার চোখে পড়েনি? পড়লে বুঝতে ওটা আসল নয়। সিমেন্ট বালি জমিয়ে করা হয়েছে। তা সেই ভিমরুলের চাকে তুমি শুধু হাতই দাওনি, একেবারে তার ভেতরে ঢুকে পড়েছ। এখান থেকে তুমি বেরোবে কী করে?

    পিনাকী মনে সাহস এনে বলল, যেভাবে আপনার লোকেরা এখান থেকে বেরোয়, আমিও ঠিক সেইভাবেই বেরুব।

    তাই নাকি?

    হ্য৷৷ অর্থাৎ আমি কিছু দেখিনি, শুনিনি, জানি না। তা হলেই তো ল্যাঠা চুকে

    গেল। যেমন ছিলাম তেমন হয়ে যাব।

    লোকটি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তুমি কী করো?

    ডালহৌসি পাড়ায় একটি ব্যাঙ্কে চাকরি করি।

    আমার সঙ্গে হাত মেলাবে তুমি? আপত্তি কী?

    যদি বিশ্বাসঘাতকতা করো?

    আপনার মতো লোকের কি শাস্তি দিতে একটুও আটকাবে তা হলে?

    লোকটি পিনাকীর পিঠ চাপড়ে বলল, সাব্বাস। এইরকম একজন স্মার্ট ইয়ংম্যানকেই আমি খুঁজছিলাম।

    এমন সময় মংপু এসে ঘরে ঢুকল। তারপর কী যেন একটা লোকটির হাতে তুলে দিতেই লোকটি ভুরু কুঁচকে বলল, এটা কী?

    একটা নোটবুক। এই ছোকরা এটা ঘাসের ওপর ফেলে এসেছিল।

    কী আছে এতে?

    পিনাকী বলল, বিশেষ কিছুই না, হাত থেকে পড়ে গিয়েছিল ওটা। আমার প্রয়োজনীয় কিছু টুকিটাকি এর মধ্যে নোট করে রাখি। এতে আমার বাড়ির ঠিকানাও আছে। অফিসের ফোন নম্বরও আছে। আর ওই বেপরোয়া লরির দুটো নম্বরই নোট করে রেখেছি, আপনার সঙ্গে দেখা না হলে হয়তো আজ রাতে অথবা কাল সকালেই আমি পুলিশকে জানিয়ে আসতাম।

    কিস্যু লাভ হতো না তাতে। লরির দুটো নম্বরই ফলস। আমার লরির নম্বর অন্য। তা ছাড়া এই বাড়ির মধ্যে সন্দেহজনক কোনও কিছুই পেত না পুলিশ। আমার আসল যা কিছু তা আছে…। কার্লস জ্যাকলের নাম শুনেছ?

    পিনাকী বলল, সে কোথায় থাকে? কার্লস জ্যাকল তো শুনেছি খুব নামকরা স্মাগলার। জেলপলাতক দাগি আসামি।

    এবং সংবাদপত্রের প্রথম পৃষ্ঠার সংবাদ। কিন্তু ওর স্টিয়ারিং আমার হাতে। যাই হোক, এটা জেনে রেখো আমার খাতায় নাম একবার লেখালে মৃত্যুই কিন্তু তার একমাত্র মুক্তির পথ। যদি বিশ্বাসঘাতকতা না কর, তা হলে আমার দিক থেকে ভয়ের কোনও কারণ নেই। আমার হয়ে যারা কাজ করে আমি তাদের হয়ে লড়াই করি। পারলেন কী বাসব মজুমদার জেলের গরাদে কার্লস জ্যাকলকে বেশিদিন আটকে রাখতে? জেলারের একমাত্র ছেলেকে কিডন্যাপ করতেই সে ফাঁদে পা দিল। কার্লসকে পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দিতেই ফেরত পেয়ে গেল ছেলে।

    কাগজে দেখেছিলাম জেলার নাকি সাসপেন্ড হয়েছেন?

    সে তো হবেনই। তবে আমরাও ওঁকে এত টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি যাতে আমাদের উপকার করতে গিয়ে খেতে না-পেয়ে মরে না যান উনি। কিন্তু বাসব মজুমদারের ওপর আপনার এত রাগ কেন?

    অনেক লোভ দেখিয়েও ওনাকে আমরা বাগে আনতে পারিনি তাই। শুধু বাসব মজুমদার নয়, ওনার সাগরেদ দু’জনও ভয়ানক জেদি। এই লোকগুলোর জন্যে কোনও ডাকাতি রাহাজানিতেই আমরা সাকশেসফুল হতে পারছিলাম না। কার্লস জ্যাকলকে ধরবার জন্য ওনারা খড়্গপুর পর্যন্ত ধাওয়া করেছিলেন। তবে সহ্যশক্তি বটে কার্লসের। পুলিশের মার কী জিনিস তা তো জানো না, সেই মার খেয়েও ও মুখ খোলেনি। ভুলেও বলেনি আমার নাম। তোমাকে অবশ্য এখুনি এত কথা বলার প্রয়োজন ছিল না। তবে তোমার কথাবার্তা শুনেই বুঝেছি তুমি পুলিশের স্পাই নও। তা ছাড়া সকলকেই তো সন্দেহ করলে চলে না, কোনও কোনও মানুষকে বিশ্বাস করতে হয়। না হলে দল চলবে কী করে? তোমার অল্প বয়স, তুমি দুঃসাহসী, স্পষ্টবক্তা এবং জেদি। তাই তোমাকে দলে নিলাম।

    পিনাকী বলল, কী করতে হবে আমাকে?

    তুমি রাইফেল শুটিং জানো? পিস্তল, রিভলভার চালিয়েছে কখনও? না।

    শিখে নিতে হবে। তারপর অকারণেই একটু পায়চারি করে বলল, বিয়ে করেছ? বাড়িতে কে কে আছে তোমার?

    বিয়ে করিনি। দলে নাম লেখালে করবও না। বাড়িতে বাবা, মা, ভাই, বোন সবাই আছে।

    বোনের বয়স কত?

    আমার চেয়ে পাঁচ বছরের ছোট।

    দেখাশোনা চলছে?

    হ্যাঁ।

    ওর বিয়ের দায়িত্ব আমাদের। ব্যবস্থা করেই জানাবে, সব টাকা আমরা দেব। পিনাকী বিস্ময়ে তাকিয়ে রইল লোকটির মুখের দিকে।

    রহস্যময় লোকটি বলল, বিয়ে যখন করনি তখন ও চেষ্টা আর কোরো না। এখন শুধু দলের হয়েই কাজ করো।

    যা আপনি বলবেন।

    শোনো, পার্ক স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট আর লালবাজার এই তিনটি এলাকাই আমাদের। লালবাজার অঞ্চলে আমাদের কাজ হল নানারকম ঝুট ঝামেলা পাকিয়ে, উড়ো চিঠি দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করা। আর আচমকা খুন জখম ডাকাতি রাহাজানি করে পুলিশকে খেপিয়ে তোলা। বড় ধরনের দাও মারতে গেলে আমাদের আসরে নামতে হবে ডালহৌসিতে। তুমি যখন ওই এলাকাতেই আছ তখন তোমার ব্যাঙ্কের সমস্ত খবরাখবর তুমি আমাকে দেবে। কেন না ওইটাই হেড অফিস তো। এরপর আমি যখন যেমন নির্দেশ দেব তখন ঠিক তেমনটিই করবে তুমি।

    আপনার হুকুম তামিল করতে আমি সব সময়ই প্রস্তুত।

    লোকটি এবার ঘড়ির দিকে তাকাল। তারপর বলল, রাত অনেক হল। মংপু! ওকে একটু এগিয়ে দাও।

    পিনাকী বলল, প্রয়োজন হবে না। আমি নিজেই যেতে পারব।

    মংপু তবুও খানিকটা পথ সঙ্গে এল।

    পিনাকী ওর স্কুটারে স্টার্ট দিতেই মংপু বলল, বিদায় দোস্ত। তখনকার ব্যাপারটা নিয়ে যেন মন খারাপ কোরো না। ওটা ভুলে যেয়ো। । মংপু আবার সেই রকম গা জ্বালানো খি খি হাসি হাসল।

    পিনাকী হেসে বলল, ব্যথাটা না কমলে কিন্তু ভুলছি না

    পিনাকী বিদায় নিল ওর কাছ থেকে। তারপর স্কুটারে চেপে দ্রুত এগিয়ে চলল গন্তব্যের দিকে।

    ওর গন্তব্য কিন্তু ভবানীপুর নয়।

    ও সোজা লালবাজারে এসে দোতলায় উঠে গেল। নীহার তালুকদার এবং রঞ্জন রায় দু’জনেই ছিলেন। কার্লস জ্যাকলের অশুভ আবির্ভাবের ফলে ওঁদের রাতের ঘুম চলে গেছে। তার ওপর বাসব মজুমদারকে এইভাবে হত্যার চেষ্টা। রিয়ার অপহরণ এবং স্বপ্না ও হিরণের অন্তর্ধান ওদের দারুণ ভাবিয়ে তুলেছে। খিদিরপুরে টহলদারি পুলিশের গাড়িতে হামলা আরও একটি দুঃসংবাদ। তাই পুলিশের কাজের ব্যস্ততা সত্যিই চরমে। এর ওপর আছে সমস্ত এলাকার ওপর কড়া নজরদারি। সব সময়েই গভীর উৎকণ্ঠা, কী হয়, কী হয়।

    ডালহৌসি পাড়ার একটি নামী ব্যাঙ্কের একজন কর্মচারী হিসেবে নীহারবাবু, সব রঞ্জনবাবু, বাসববাবু এবং আরও অনেক পদস্থ পুলিশ অফিসারের সঙ্গেই যোগাযোগ আছে পিনাকীর। কার্লস জ্যাকলকে ঘিরে কাণ্ড-কারখানাগুলো চলছে তা কারও অজানা নয়, তাই ভিমরুল চাকের খবরটা পুলিশকে দেবার জন্যই পিনাকী ছুটে এল এখানে।

    বিস্মিত রঞ্জন রায় জিজ্ঞেস করলেন, কী খবর পিনাকী! এত রাতে তুমি এখানে?

    পিনাকী বলল, আই অ্যাম ইন গ্রেট ডেঞ্জার।

    নীহারবাবু বললেন, কেন! হলটা কী? তুমি তো ভবানীপুরে থাক, এত রাতে এখানে কী করে এলে?

    সে অনেক কাণ্ড করে এসেছি। ট্রাফিক পুলিশকে হাজারটা কৈফিয়ত দিতে দিতে। মি. মজুমদার কেমন আছেন?

    ভালই আছেন। ওনার ডান পায়ের হাঁটুতে চিড় ধরেছে। প্লাস্টার করে হসপিটাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ওনাকে। উনি বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে হরকিষেণটা মারা গেল এইমাত্র।

    হরষিণের হত্যাকারীর সন্ধান আমি পেয়েছি।

    পিনাকীকে ঘিরে তখন হুমড়ি খেয়ে পড়লেন সমস্ত পুলিশ অফিসাররা।

    পিনাকী এক এক করে সব কথা খুলে বলল। তারপর বলল, আমি জানি। এরপর ওরা আর আমাকে বাঁচিয়ে রাখব না। তবু খবরটা আমি আপনাদের জানিয়ে দিলাম। কার্লস জ্যাকলকে যিনি পরিচালনা করছেন তিনি এমন একজন…

    নীহারবাবু সঙ্গে সঙ্গে খবরটা জানালেন বাসব মজুমদারকে।

    ফোন পেয়েই বাসব মজুমদার বললেন, এখুনি তোমরা আমার বাড়িতে একটা গাড়ি পাঠিয়ে দাও। আর শোনো, ভবানীপুর পি এসকে বলে পিনাকীর বাড়ির দিকে সাদা পোশাকের কিছু পুলিশকে নজর রাখতে বলো। একাধিক লোক যেন বাড়ির চারপাশে পাহারায় থাকে।

    সে ব্যবস্থা এখুনি করছি। কিন্তু স্যার! আপনি এই অবস্থায় কেন আসবেন? আমার জন্যে চিন্তা কোরো না। জানো তো, পুলিশের চাকরি বিছানায় শুয়ে থাকবার জন্য নয়। কষ্ট হলেও আমি ঠিকই যেতে পারব।

    আচ্ছা স্যার, আমি গাড়ির ব্যবস্থা করছি।

    ফোন রেখে আবার রিসিভার তুলে নতুন করে নাম্বার ডায়াল করলেন নীহারবাবু, হ্যালো, ভবানীপুর…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }