Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লালবাজারে রাহাজানি – ১০

    দশ

    কার্লস জ্যাকল ঘরে ঢুকেই বলল, মংপুর ওইরকম হাল কে করেছে? রিয়া ওর মূর্তি দেখে কাঁপতে লাগল ভয়ে। বলল, আমরা।

    আমরা মানে? আর কে ছিল?

    রিয়া সভয়ে মুখটা নামিয়ে নিল।

    বুঝেছি, সেই শয়তানের বাচ্চাটা। ওটাকে আমি জ্যান্ত কবর দেব।

    রিয়া বলল, ওর তো কোনও দোষ নেই। তোমার মংপুই তো বাড়ির ভেতর ঢুকে বেয়াদপি আরম্ভ করেছিল। আমরা তার প্রতিফল হাতে হাতে দিয়েছি।

    আর আমি তার প্রতিদান মুখে মুখে দেব। তোর এই সুন্দর মুখে যখন অ্যাসিডের বোতলটা উপুড় করে দেব তখন যা দেখতে লাগবে না তোকে। আমি কম করেও একশোটা মেয়ের মুখে অ্যাসিড ঢেলেছি। আসলে কারণ কী জানিস, সুন্দর মুখ আমি সহ্য করতে পারি না। আমি চাই সবার মুখই আমার মতন কুৎসিত হোক। ভগবান আমাকে যেমন কুৎসিত করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, তেমনি তাঁর সৃষ্টিতেও সব কিছুই কুৎসিত হয়ে যাক। ভগবানকে পেলে তার মুখেও আমি অ্যাসিড ঢেলে দিতাম।

    রিয়া বলল, তার মানে আপনি ভগবান বিশ্বাস করেন?

    আরক্ত চোখে কার্লস জ্যাকল বলল, একটু একটু। তবে

    ভগবানকে ভয় পাই না। কেন না তিনি কখনও আমার সঙ্গে থাকেন না।

    তা হলে আপনার গলায় ওই যিশুক্রশটা রেখেছেন কেন? ফর শো।

    এমন সময় যে লোক দু’জন রিয়াকে এনে এখানে রেখেছিল তারা চাপা গলায় ফিস ফিস করে কী যেন বলতেই, চলে গেল কার্লস জ্যাকল।

    অল্পবয়সি বামনাকৃতি একজন দরজার কাছে পাহারায় রইল। দরজার পাশেও ছোট্ট একটি জানলা। রিয়া সেখান দিয়ে উঁকি মেরে দেখল বামনটিকে। বামনটিও রিয়ার মুখের আকর্ষণে বার বার তাকাতে লাগল।

    রিয়া কাছে ডাকল বামনকে, এই শোনো।

    কী? বামন এগিয়ে এসে বলল,

    নাম কী তোমার?

    আমার নাম বেঁটে বাঁটুল।

    তুমি বাঙালি?

    হ্যাঁ। তোমার বাড়ি কোথায়?

    মছলন্দপুর নাম শুনেছ? ওইখানে। আমার ঘরবাড়ি সবই এখন এখানে। আমি একা। কেউ নেই আমার।

    এদের হয়ে কাজ করছ কতদিন?

    তা ধরো না কেন বছর দশেক।

    এইসব খারাপ লোকেদের সঙ্গে কাজ করে নিজের জীবনকে নষ্ট করছ, যদি ধরা পড় ফল কী হবে জানো?

    কী হবে? কিচ্ছু হবে না। ধরা পড়লে খুব জোর দু’-চার বছর জেল হবে। তার বেশি কিছু নয়। আমরা তো চুনোপুঁটি। পেটের দায়ে চাকরি করছি। তা ছাড়া আমাকে ধরতে এলে পায়ের ফাঁক দিয়ে গলে পালাব আমি।

    তুমি যখন একা, তখন পেটের দায়ে এই কাজই বা করছ কেন? ভাল কাজ করতে পারো না? তা হলে তো পায়ের ফাঁক দিয়ে পালাতে হয় না।

    আমি খারাপ কাজটা কী করছি? তুমি ঘরে আছ, আমি বাইরে থেকে তোমাকে পাহারা দিচ্ছি। এর বেশি তো কিছু নয়।

    এমন সময় সিঁড়িতে পায়ের শব্দ শোনা যেতেই বামন বলল, চুপ। আর কোনও কথা বোলো না আমার সঙ্গে। জানলা বন্ধ করো।

    রিয়া জানলা বন্ধ করে পিছিয়ে এল।

    একটু পরেই দেখল একজন লোক একটা শালপাতার ঠোঙায় গোটাকতক কচুরি আর একটা মিষ্টি রেখে চলে গেল।

    রিয়ার খিদে পেয়েছিল খুব। সে খাবার খেয়ে, কলসি থেকে জল পান করে জানলা খুলে আবার ডাকল, এই।

    বামন কাছে এসে বলল, কী বলছ?

    রিয়া বলল, আমাকে কেমন দেখতে বলো তো?

    বামন সরল হেসে বলল, খুব সুন্দর দেখতে।

    কার্লস জ্যাকল কি সত্যিই আমার এই মুখটাকে অ্যাসিড ঢেলে পুড়িয়ে দেবে? বামন চুপ করে থেকে বলল, ওর অসাধ্য কিছুই নেই। তবে আমাদের ডলফিনসাহেবের আদেশ না-পাওয়া পর্যন্ত কিছুই করবে না ও।

    ডলফিনসাহেব! তিনি আবার কে?

    আমাদের বিগ বস। অর্থাৎ গড ফাদার যাকে বলে।

    ও নাম তো শুনিনি কখনও?

    উনি গভীর জলের মাছ। ওনার নির্দেশেই সব কিছু হয়। কিন্তু সন্ত্রাসের নাম কার্লস জ্যাকল। এই যে এত খুন, জখম, ব্যাঙ্কডাকাতি সবই হচ্ছে ওনার পরিকল্পনায়। নিজে উনি মঞ্চে আসেন না। তবে সকলকে মদত দেন। রিয়া বলল, শোনো, আমার এই সুন্দর মুখটা যদি পুড়িয়ে দেয় ওরা, তা হলে কী হবে বলো তো? তাই বলি তুমি এক কাজ করো না ভাই—।

    বামন ভয়ে ভয়ে বলল, কী কাজ?

    আমাকে এখান থেকে পালিয়ে যাবার একটা উপায় বলে দাও না।

    তারপরে আমার অবস্থা কী হবে জানো? তা ছাড়া পালিয়ে তুমি যাবে কোথায়? ওরা ঠিক তোমাকে খুঁজে বার করবে।

    রিয়া বলল, আরে পালিয়ে কি আমি একা যাব? তোমাকেও সঙ্গে নেব। তুমিও তো যাবে আমার সঙ্গে।

    আমি যাব তোমার সঙ্গে?

    নিশ্চয়ই। আমি একা যাব কেন? আমি কি এখানকার পথঘাট কিছু চিনি? পালিয়ে গেলে হবে কী, আমারও মুখ পুড়বে না, তুমিও প্রাণে মরবে না। এই তো পাশেই রেলপথ, চলো না আমরা দু’জনে ট্রেনে চেপে কোথাও পালিয়ে যাই।

    বামন এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখল একবার। তারপর বলল, শোনো, আমারও যে পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করে না তা নয়। কিন্তু সেরকম সঙ্গী পাইনি বলে যাইনি। তা ছাড়া এরাও শুনছি বেশিদিন থাকবে না এখানে। বাসব মজুমদার নামে যে পুলিশ অফিসার আছে তাকে আর অন্য দু’জনকে খুন করেই ওরা চলে যাবে। বিহারের দলমা পাহাড়ের কোলে ডিমনা লেকের কাছে কোথায় যেন পাঁচ তারা হোটেল করেছে ওরা সেইখানে যাবে। নাম দিয়েছে লালমহল।

    তাই না কি? তবে তো ভালই হল। ওরা যদি বিহারে যায়, আমরা যাব উত্তরপ্রদেশে। কিছু টাকা-পয়সা হাতিয়ে আমাকে নিয়ে পালাও না তুমি। তোমার মা-বাবা যদি পুলিশে খবর দিয়ে থাকেন, পুলিশ যদি পিছনে লাগে আমাদের?

    আমার মা-বাবাই নেই তো পুলিশে খবর দেবে কে? আমি তো বাসব মজুমদারের বাড়ি কাজ করি।

    তুমি মিথ্যে কথা বলছ। কাজের মেয়ের চেহারা তোমার নয়।

    বিশ্বাস হচ্ছে না বুঝি? আচ্ছা, আমার যদি মা থাকত তা হলে কী আমি এতক্ষণ তাদের জন্যে একবারও কাঁদতাম না? আমার চোখে কি একটুও জল দেখেছ? তবে আমার মুখ পুড়িয়ে দেবে শুনে আমি দারুণ ভয়ে পেয়ে গেছি।

    বামন বলল, না না, তোমার এমন সুন্দর মুখ কখনও নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। তা ছাড়া এইভাবে বেঁচে থাকতে ভালও লাগছে না আমার। ডলফিনসাহেবের গোডাউনে বেশ ছিলাম। কিন্তু এই কার্লস জ্যাকলটা ফিরে আসার পর থেকেই হতচ্ছাড়া জায়গায় ডিউটি পড়েছে আমার। বাসব মজুমদার খুন না-হওয়া পর্যন্ত ওরা এখানে থাকবে। শুধু বাসব মজুমদার নয়, ওর ছেলেটাও নোটিশে আছে ওদের।

    রিয়া বলল, ওর অপরাধ?

    আমরা আদার ব্যাপারী। অত খোঁজে আমাদের দরকার কী?

    রিয়া বলল, ঠিক বলেছ। এখন আমাদের আসল কাজ হল এখান থেকে পালিয়ে যাওয়া। তুমি সেই ব্যবস্থাই করো। তুমি গোলাগুলি ছুড়তে পার তো? বামন হেসে বলল, কী যে বল। এই দ্যাখো একটা পয়েন্ট থ্রি এইট রিভলভার। যা তা জিনিস নয়। এটা সব সময় আমার সঙ্গে থাকে।

    রিয়া বলল, ঠিক আছে। তবুও তুমি আমাকে ধারালো ছোরা একটা এনে দেবে। পালাতে গিয়ে যদি কোনও বিপদ হয় তা হলে নিজেকে রক্ষা করতে পারব। আমাকে কেউ মারতে এলে তুমি রুখবে, তোমাকে কেউ মারতে এলে আমি রুখব।

    বামন বলল, ভারী মজার ব্যাপার তো। যাক, তোমাকে নিয়ে আমি পালাবই।

    কেউ আমাকে রুখতে পারবে না। তবে এখনই নয়, সন্ধের পর। এখন গেলে জানতে পারবে ওরা। তুমি জানলা বন্ধ করে চুপচাপ থাকো। আমি সব ব্যবস্থা করছি। তোমার নামটা তো আমার জানা হল না।

    রিয়া বলল, আমার আবার নাম। আমার নাম খুকুমণি।

    বাঃ, বাঃ। কী সুন্দর নাম। কিন্তু খুকুমণি, তুমি আমাকে ফেলে পালাবে না তো? তা হলে কিন্তু মনে আমি খুব দুঃখু পাব।

    ছিঃ ছিঃ। কী যে বলো, আমাকে তা হলে দেখবে কে? আমার বুঝি কেউ আছে?

    তা ঠিক, তা ঠিক। আমি বরং কোথাও একটা দোকানটোকান দেখে কাজকর্ম জুটিয়ে নিয়ে চালিয়ে নেব দু’জনের, কী বলো?

    তবে? তোমার মতন সুন্দর মানুষ কি হয়?

    কী বললে? আমি সুন্দর? সবাই আমাকে বেঁটেবাঁটুল বলে, আর তুমি আমাকে সুন্দর বলছ?

    নিশ্চয়ই। যার মন সুন্দর, তার সবই সুন্দর। চেহারাটাই কী সব? যে অন্যের ভাল করতে চায় তার ভালই হয়। তুমি যখন আমার ভাল করতে চেয়েছ তোমার ভাল তখন হবেই।

    বামন বলল, আমি তোমার জন্যে জীবন দিয়ে দেব খুকুমণি। তুমি চুপ করে

    বসে থাকো, আমি এখুনি একবার এলুম বলে।

    বামন চলে গেল দরজায় তালা দিয়ে।

    রিয়া বুঝল টোপ গিলেছে বামনটা। একে দিয়েই কাজ হবে।

    খানিক বাদেই বামন আবার ফিরে এল। তার হাতে এক প্যাকেট ভাল ভাল খাবার। বলল, নাও। তুমি পেট ভরে এগুলো খেয়ে নাও দেখি, আর এই টাকাগুলো তোমার কাছে রেখে দাও। আমি আরও টাকা নিয়ে আসছি। অনেক টাকা লাগবে তো আমাদের।

    কিন্তু আমার ছোরা? আমার যে একটা ধারালো ছোরা চাই।

    বামন বলল, সে ব্যবস্থা হবে।

    রিয়া বলল, তা হলে ঠিক সন্ধের সময়। মনে থাকবে?

    মনে থাকবে না মানে? এই সুযোগ কখনও ছাড়ি? দরকার হলে কার্লস জ্যাকলকেও আমি খতম করে দেব। শত্রুর শেষ আমি রাখব না।

    রিয়া অভিনয় করল, খবরদার ও কাজ করতে যেয়ো না। কার্লস জ্যাকলকে মারতে গিয়ে যদি তুমি মরো, তা হলে কিন্তু এই জগতে আমার আর কেউ থাকবে না।

    বামন বলল, আচ্ছা, আচ্ছা। সে দেখা যাবে। তুমি ততক্ষণে মনে মনে ঠিক করো আমরা কোথায় যাব। কেন না দূরের পথঘাট আমি চিনি না।

    রিয়া বলল, আমি চিনি। আমি অনেকবার চিত্তরঞ্জনে গেছি। প্রথমে আমরা সেইখানেই চলে যাব। তারপর সেখানে গিয়ে ঠিক করব কোথায় কোন দূরদেশে যাওয়া যায়।

    বামন বলল, আর কোনও কথা নয়। আমি শুধু তোমাকে নিয়ে পালিয়ে যাবার ব্যবস্থাটা পাকা করে আসি। সন্ধে হলেই লোডশেডিং হবে আর সেই সুযোগে আমরাও পালাব।

    রিয়া জানলার পাল্লা বন্ধ করে চুপচাপ বসে রইল। পা-টা জখম তাই। না হলে মুক্তি পেলে ছোটা কাকে বলে দেখিয়ে দিত। তবু কোনওরকমে একবার যদি পালাতে পারে এখান থেকে সেই আশায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগল ও।

    সন্ধের পরই লোডশেডিং হয়ে গেল। ইতিমধ্যেই এখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা নিয়ে রিয়া মনে মনে অনেকরকম পরিকল্পনা করে ফেলেছে। কিন্তু বামনটা আসছে না কেন? তার কোনও সাড়াশব্দও নেই। কী হল তার?

    অনেক পরে রিয়া জানালাটা একবার ফাঁক করতেই দেখল অন্য একজন লোক বসে আছে সেখানে। ভয়ে বুক কেঁপে উঠল ওর। বোকাটা নিশ্চয়ই কার্লস জ্যাকলকে কোনওভাবে টেক্কা দিতে গিয়ে গোলমাল বাধিয়ে বসে আছে। নইলে তো এমন হবার কথা নয়। অথচ বুদ্ধি করে একটা ছোরা যদি আগে ভাগে দিয়ে যেত ও, তা হলে যেভাবেই হোক একটু কৌশলে ওই লোকটাকে জখম করে পালাতে পারত। কিন্তু এখন আর তা হবার নয়। রিয়ার চোখে যেন জল এসে গেল।

    অন্ধকার ক্রমশ ঘন হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে পায়ের ব্যথাও। হাতে একটা ইঞ্জেকশানও করেছে ওরা। সেখানেও ব্যথা লাগছে। কিন্তু জীবন যেখানে বিপন্ন সেখানে এসব ব্যথা কিছুই নয়। এত অন্ধকার, অথচ একটা চিমনির ব্যবস্থাও করল না ওরা। তার ওপর কী সাংঘাতিক কুটকুটে মশা। যেখানে কামড়াচ্ছে সেখানটাই ফুলে উঠছে।

    এইভাবে অনেকক্ষণ অতিবাহিত হবার পর রিয়ার মাথায় একটা পরিকল্পনা এল। অন্ধকার হাতড়ে জলের কলসিটা নিয়ে সে সরে এসে দাঁড়াল দরজার একপাশে। তারপর আচমকা একটা চিৎকার দিতেই যে লোকটি পাহারায় ছিল সে ছুটে এল, ক্যা হুয়া? কাহে চিল্লাতা?

    রিয়া বলল, কী একটা কামড়ে দিল আমার পায়ে।

    লোকটি দরজা খুলে যেই না টর্চ ফেলে দেখতে গেল ভেতরটা, অমনি রিয়া সেই জলপূর্ণ কলসির বাড়ি তার মাথায় বসিয়ে দিল এক ঘা। দিয়েই বাইরে এসে শেকল তুলে দিল দরজাতে।

    লোকটি তখন ভীষণ চিৎকার করছে। আর লাথি মেরে ভেঙে ফেলবার চেষ্টা করছে দরজাটা।

    রিয়া দেখল মহা বিপদ। এখুনি তো লোকজন ছুটে আসবে এই হাঁক ডাকে। সে তখনই মন স্থির করে এদিক ওদিক তাকিয়েই ছাদের এক কোণে একটা মরচে ধরা শাবল দেখতে পেল। শাবলটা কুড়িয়েই সে সশব্দে খুলে দিল দরজার শেকলটা।

    লোকটি তেমনিই চেঁচাতে চেঁচাতে ভিজে জামাকাপড়ে বেরিয়ে এল, আরে ভাগারে ভাগারে ভাগা। পাকড়ো… পাকড়ো…

    আর চেঁচাতে হল না, রিয়া শাবলের বাড়ি সজোরে এক ঘা দিতেই মুখ থুবড়ে পড়ে গেল লোকটা।

    ও তখন কোনদিক দিয়ে যে পালাবে কিছুই ঠিক করতে পারল না। সিঁড়ি দিয়ে নামতে গেলে বিপদ। আবার ছাদের আলশে ধরেও লাফিয়ে পড়া যায় না! এই বাড়ির পাশেই ছাদ আছে। কিন্তু উচ্চতা যা তাতে সেখানেও লাফিয়ে পড়া অসম্ভব। এখানে ঘিঞ্জি গলির ভেতর গায়ে গায়ে বাড়ি। কোনও গাছপালার ডাল ঝুঁকে নেই যে সেটা ধরে পালাবে। ততক্ষণে লোকটির রিভলভার ও টর্চ ও হাতে নিয়েছে। এদিকে সিঁড়িতেও ধুপধাপ শব্দ। পালানোর রাস্তা একদম নেই দেখে রিয়া ছুটে এসে সিঁড়ির দরজায় শেকল দিল। এইভাবে কিছু সময়ও যদি লোকগুলোকে আটকে রাখা যায় তো মন্দ কী?

    ওরা এসে ধাক্কা মারতে লাগল দরজায়। আর রিয়া আলশের কাছে এসে পাশের ছাদেই লাফিয়ে পড়বার মন করল। এমন সময় হঠাৎই সে দেখতে পেল একটা লম্বা দড়ি পিলারের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় নীচের দিকে ঝুলছে। এ নিশ্চয়ই বামনটার কাজ। এইভাবেই ওদের পালাবার পথ সুগম করে রেখেছিল সে, কিন্তু কোনওকারণে সেই সুযোগ আর পেল না বেচারি। ও আর একটুও সময় নষ্ট না করে, সেই দড়ি ধরেই ঝুলে পড়ল। তারপর সুড়সুড় করে নেমে এল পাশের ছাদে। সেখান থেকেও ওই একই কায়দায় গলির মুখে।

    পথ যে কোন দিকে তা সে জানে না। গলি থেকে বড় রাস্তায় যেই পৌঁছল, অমনি কোথা থেকে যেন বামনটা তুড়ক তুণ্ডুক করে লাফাতে লাফাতে এসে হাজির। বলল, এ কি খুকুমণি! কোথায় যাচ্ছ তুমি?

    আমি তোমাকেই খুঁজতে বেরিয়েছিলাম।

    কী আশ্চর্য! তুমি ওই ঘর থেকে বেরোলে কী করে? রিয়া সব বলল।

    বামন বলল, কাজটা তুমি ভাল করোনি খুকুমনি। এখন আর কিছুই করা যাবে না। আমি ভেবেছিলাম একটু বেশি রাতে তোমাকে নিয়ে পালাব। কিন্তু তুমি তো আমাকে বলেছিল সন্ধের পর।

    কী করব। হঠাৎ একটা কাজের জন্যে ডলফিনসাহেবের লোকেরা আমাকে ধরে নিয়ে গেল যে। আমি এক ধরনের প্রচণ্ড শক্তিশালী বোমা তৈরি করতে পারি। সেটা রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে ফাটানো যায়। সেই বোমা তৈরির কাজে আমাকে যেতে হয়েছিল।

    রিয়া বলল, উঃ। কী সাংঘাতিক।

    তুমি ভয় পাচ্ছ খুকুমণি? কী করব, এদের দলে এই তো আমার কাজ। ছোটবেলা থেকে এরা আমাকে চুরি করে এনে এই কাজই শিখিয়েছে। আমার চেহারা এমন মর্কটের মতো হলে কী হয়, এই সব কাজে আমি কিন্তু সিদ্ধহস্ত। তেমনি অব্যর্থ আমার হাতের টিপ। ওদের নির্দেশে ঝোপেঝাড়ে লুকিয়ে কত খুন করেছি আমি তার ঠিক নেই। এসব কাজ আমি করতে চাই না। তোমাকে নিয়ে পালিয়ে গেলে আর এসব করব না আমি। তোমার গা ছুঁয়ে কথা দিচ্ছি আমি।

    রিয়া চোখদুটো বড় বড় করে বলল, ওই বোমার সাহায্যে কাকে মারবে ওরা? শুনলাম ফোর জিরো নাইন টু’র একটা হেভি ওয়েটের ট্রাক নিয়ে বস নিজেই গেছেন আজ বাসব মজুমদারের মোকাবিলায়। বড় ধরনের একটা দুর্ঘটনা ঘটাবার পরিকল্পনা আছে। শুধু তাই নয়, উড়ো টেলিফোনে পুলিশকে ডাকিয়ে এনে ওই ঘাঁটির ভেতর ঢুকিয়ে সব কিছু উড়িয়ে দেবার পরিকল্পনাও হয়েছে।

    রিয়া বলল, তুমি কী? মানুষের এমন সর্বনাশ কেউ করতে পারে?

    বামন এবার হেসে বলল, তা হলে শোনো, আমি যখন তোমাকে নিয়ে পালিয়ে যাবার ঠিক করেছি ঠিক সেই সময় ওরা আমাকে জোর করে ধরে নিয়ে গেল বলে আমি কী করেছি, জানো? রাগের মাথায় আমি এমন বোমা তৈরি করেছি যার ভেতরে ধুলো ছাড়া কিছুই নেই।

    রিয়া উল্লিসিত হয়ে বলল, সত্যি বলছ তুমি?

    তবে না তো কী? আমি চাই ওরা সবাই এবার ধরা পড়ুক। ওরা ধরা নাপড়লে পৃথিবীর কোথাও গিয়ে আমরা শান্তিতে থাকতে পারব না। এখন কার্লস জ্যাকলটাকে একটু শিক্ষা দিতে হবে। কেন না বস বারণ করা সত্ত্বেও ও ঠিক করেছিল আজ রাতের মধ্যেই তোমাদের তিনজনের গলা কেটে মুণ্ডুগুলো তোমাদের বাড়ির সামনে রেখে আসবে। তাই…

    রিয়া বিস্মিত হয়ে বলল, আমাদের তিনজনের? আমি তো একা। আর দু’জন কোথায়?

    তোমাদের আরও একটা ছেলে আর মেয়েকে তো এইখানেই অন্য একটা বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছে ওরা।

    কোথায়? কোনখানে? শিগগির চলো, আগে তাদের উদ্ধার করি। আর দেরি হলে যদি ওদের মেরে ফেলে?

    বামন বলল, তুমি কোথায় যাবে? তুমি গেলে বিপদ। আমিই বরং যাই। কার্লস জ্যাকলের মুখোমুখি হলে আমি অবস্থাটা সামাল দিতে পারব। কিন্তু তোমাকে দেখলেই ওরা সন্দেহ করবে আমাকে।

    আমি তা হলে কোথায় থাকব?

    এসো তুমি আমার সঙ্গে।

    অন্ধকার গলিপথে খানিকটা গিয়ে একটা জীর্ণ পুরাতন বাড়ির কাছে এসে বামনটা বলল, এর পেছনে ড্রেনের ধারে তুমি লুকিয়ে থাকো। আমি না-আসা পর্যন্ত কোথাও যেয়ো না যেন।

    রিয়া বলল, আচ্ছা।

    বামনটা একটু পরেই ঘুরে এসে বলল, সর্বনাশ হয়ে গেছে খুকুমণি। ওরা তো এখানে নেই।

    তা হলে ? তা হলে কী হবে?

    এতক্ষণে ওদের ধড়গুলো বোধহয় হাইড্রেনের নীচে।

    রিয়া যেন চোখেমুখে অন্ধকার দেখল। এমন সময় হঠাৎ কাদের পদশব্দ শোনা গেল। আর সেই সঙ্গে, এই তো, এই তো এরা এখানে। পালাবে কোথায় বাছাধন।

    জোড়া জোড়া টর্চের আলো এসে পড়েছে তখন ওদের ওপর।

    কার্লস জ্যাকল।

    হ্যাঁ কার্লস জ্যাকলও ছিল ওদের দলে। শক্ত হাতে বামনটার গলা টিপে ধরে কার্লস বলল, বিশ্বাসঘাতক! তোর গায়ে গরম তেল ঢেলে পুড়িয়ে মারব আজ। কী বোমা করে এসেছিস তুই? বলেই এক আছাড়।

    বামনটা আর্তনাদ করে উঠল।

    সঙ্গে সঙ্গে একটা গুলির গর্জন ডিস্যুম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }