Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অভিশপ্ত তিড্ডিম – ৩

    তিন

    ভগবান আমাকে আর কিছু দিন বা না-দিন বিপদে সাহস হারাতে দেননি কখনও। তাই এত বড় বিপদেও ঘাবড়ে গেলাম না।

    এক হাতে টর্চ যেমন ধরা ছিল, তেমনি ধরাই রইল। অপর হাতে পিস্তল বার করে গুলি করবার জন্য তৈরি হলাম।

    এই পাখিটা যে পথে আমাকে নিয়ে চলেছে, সেই পথই হয়তো আমার মুক্তির পথ। এই পথে গেলেই হয়তো গুহার বাইরে আমি যেতে পারব। কিন্তু এই বিশাল গহ্বরের শেষ কোথায়?

    পাখিটাকে তাগ করে পিস্তল উঁচিয়ে সবে গুলি করতে যাচ্ছি, এমন সময় পাখিটা আমাকে বড় একটা পাথরের ওপর নামিয়ে দিয়ে ক্যা ক্যা করে একবার এ দেওয়াল, একবার ও দেওয়ালে বসতে লাগল। কিন্তু আশ্চর্য! আমাকে সে আক্রমণই করল না।

    আমি টর্চের আলো ফেলে চারদিক দেখতে লাগলাম।

    দেখলাম সেই জলরাশি কতকগুলো বড় বড় পাথরের ফাঁক দিয়ে নীচের দিকে নেমে যাচ্ছে। কিন্তু সে ফাঁক এত সংকীর্ণ যে, সেখান দিয়ে জল গলতে পারে, কোনও মানুষ নয়।

    আমি অবাক হয়ে গেলাম।

    এই রহস্যময় গুহার ভেতরে বন্দি হয়ে যত না ভয় পেলাম তত বিস্মিত হলাম। কেন না এই বিশাল গহ্বরে যেখানে পালাবার সমস্ত পথ রুদ্ধ হয়ে আছে, সেখানে এই অতিকায় পাখি এলই বা কী করে, আর ওই অজস্র প্রদীপ জ্বেলে এই স্রোতে ভাসাচ্ছেই বা কারা? সবচেয়ে আশ্চর্য এই, পাখিটা আমার ক্ষতি না করে চিৎকারই বা শুরু করল কেন? ভূতপ্রেত মানি না। কাজেই ব্যাপারগুলো ভুতুড়ে ভাবতেও ইচ্ছে হল না। অথচ এ যা ঘটল তাকে ঠিক ভৌতিক অঘটন ছাড়া কী-ই বা বলতে পারি?

    আমি পাখিটার গায়ে আলো ফেলে দেখলাম পাখিটা একটা পাথরের খাঁজ নখে করে আঁকড়ে বসে বসে হাঁফাচ্ছে। যখন বুঝলাম তার দিক থেকে আমাকে আক্রমণের কোনও আশঙ্কাই নেই, তখন একটু নিরাপদ স্থান দেখে যেখানে জল নেই, এমন একটা শুকনো জায়গায় বসে পকেট থেকে সেই ম্যাপখানা বার করলাম। যে ম্যাপ কিছুক্ষণ আগে সেই কঙ্কালদুটোর ব্যাগ থেকে বার করেছি। ম্যাপটা মেলে ধরে দেখলাম তার পিছন দিকে খুব ছোট ছোট অক্ষরে

    কতকগুলো কথা লেখা আছে। অনেক চেষ্টার পর সেই লেখাটা আমি পড়তে পারলাম।

    পরিষ্কার বাংলায় লেখা, ‘অভিশপ্ত ভিড্ডিমে’র গুহার জঠরে অন্ধ্রের শাতবাহন সাম্রাজ্যের রাজা শাতকর্ণি আশ্রয় নিয়েছিলেন। মণি-মাণিক আর হিরা জহরতে গুহার গোপন কক্ষ ঠাসা। অতিকায় পাইথন আর বিষধর সাপেরা সেই গুপ্তধন পাহারা দিচ্ছে। এই গুহা সাধারণ মানুষের কাছে একটা গোলকধাঁধা। এই গুহার ভিতর একটি ঝরনা ও সপ্তনদীর অসংখ্য গতিপথ আছে। গুহার পশ্চিমদিকে জংলিদের বাস। দেবী নাগেশ্বরীর উপাসনা করে তারা। সন্ধ্যায় মায়া নদীর জলে প্রদীপ ভাসায়। এই প্রদীপ ভাসানোকে ওরা দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের প্রতীক বলে মনে করে। এই প্রদীপ নদীর গতিপথ ধরে ভেসে ভেসে শাতকর্নি গুহায় প্রবেশ করে এবং জলস্রোতে প্রপাতে পড়ে। এই জলপ্রপাত ইতিহাস বিখ্যাত নয়। তবে এই প্রপাতের জল নদীর আকারে প্রবলপ্রবাহ ব্রহ্মপুত্রে গিয়ে মিশেছে। রাজা শাতকর্ণির এই গুপ্তধনের সন্ধানে এসে বহু প্রাণ বিষধর সাপের দংশনে অথবা পাইথনের গর্ভে লীন হয়ে গেছে। জংলিদের হাতে ধরা পড়েও মরেছে অনেকে। পরিপূর্ণভাবে মানচিত্রজ্ঞান না-রেখে এই গুহায় প্রবেশ করা কারও উচিত নয়। যদি কোনও ভাগ্যবান এই ম্যাপ ধরে ঠিক পথে নিজেকে বাঁচিয়ে নিয়ে গিয়ে গুপ্তধনের সন্ধান পায়, তবে সেই ভাগ্যবান নিজেই যে শুধু ধন্য হবে তা নয়, ইতিহাসের এক অজ্ঞাত অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও সে আবিষ্কার করতে পারবে। মহেঞ্জোদরো ও হরপ্পা নগরীর ধ্বংসাবশেষের আবিষ্কারকের মতো তার নামও অমর হয়ে থাকবে ইতিহাসের পাতায়। জনৈক হতভাগ্য অভিযাত্রী। পাশে তারিখ দেওয়া আছে ২।৯।১৯৪০।

    আমি একাগ্রচিত্তে সেই লেখাটা একাধিকবার পড়লাম।

    তারপর ম্যাপটার ওপর টর্চের আলো ফেলে খুঁজতে লাগলাম আমার পালাবার পথ। দরকার নেই গুপ্তধনের। প্রাণ নিয়ে পালাতে পারলে বাঁচি। কিন্তু পালাব কী করে? এই জলরাশি কী করে পার হব?

    এমন সময় হঠাৎ আমার গায়ের ওপর কী যেন একটা এসে পড়ল। আমি ভয়ে লাফিয়ে উঠলাম। তারপর বিস্ময়ের ঘোর কাটলে দেখলাম খুব মোটা একটা শক্ত দড়ি। দড়িটা টেনে দেখলাম। বুঝলাম ছেঁড়বার ভয় নেই। এই দড়ি ধরে আমি ওপরে উঠতে পারব। কিন্তু উঠব কোথায়। ওপরে তো ছাদ। অথচ দড়িটা যে কীভাবে এল, তাও বুঝতে পারছি না।

    যাক। মরেছি না মরতে বাকি আছি। উঠে তো পড়ি। এই ভেবে দড়ি ধরে আমি ক্রমশ ওপরে উঠতে লাগলাম।

    কিছুটা ওঠার পরই দেখলাম এক জায়গায় বারান্দার মতো চওড়া একটু অংশ রয়েছে। সেইখানে দেখলাম একমুখ খোঁচা খোঁচা দাড়ি ও ঝাঁকড়া চুলের বাঘছাল পরা একজন বলিষ্ঠ লোক দাঁড়িয়ে আছে। একপাশে ছোট্ট একটা প্রদীপ জ্বলছে। যেন বিভীষিকার মতো থম থম করছে চারদিক।

    আমি তাকে কিছু বলার আগে সে-ই ইশারায় আমাকে চুপ করতে বলল।

    তারপর আমার হাত ধরে মৃদু একটু টান দিয়ে আমাকে নিয়ে চলল তার সঙ্গে। আমি তাকে দেখে খুবই অবাক হয়ে গেলাম যদিও, তবুও মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকেই অনুসরণ করলাম। কেন জানি না তার হাবভাব দেখে মনে হল, এ আমার কোনও ক্ষতি করবে না।

    তার পিছু পিছু খানিক যাবার পর দেখলাম এক জায়গায় ধাপে ধাপে কয়েকটা সিঁড়ি নীচের দিকে নেমে গেছে। সেই সিঁড়ি বেয়ে আগুপিছু আমরা নামতে লাগলাম।

    কয়েক ধাপ নামার পরই দেখলাম দূর থেকে আলোর রেখা ভেসে আসছে। নামতে নামতে আলোটা স্পষ্ট হল। একটা প্রশস্ত ঘরের ভেতর ঢুকলাম। তারপর আর একটা। তারপর আরও একটা।

    একেবারে শেষঘরে গিয়ে লোকটি বলল, এই ঘরে আপনি থাকবেন। আপনি নিশ্চয়ই একা এসেছেন?

    না দু’জন। অবশ্য এখন আমি একা।

    লোকটি কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, যাক। ভালই হয়েছে। বাইশ বছর এই গুহার ভেতর আছি। একটিও কথা বলবার লোক পাইনি। বাকি জীবনটা দু’বন্ধুতে কোনওরকমে গল্প করতে করতে কাটিয়ে দেব। আমি অবাক হয়ে বললাম, তার মানে?

    আপনাকে মরতে আমি দিচ্ছি না। শুধু আমার কথামতো যদি চলেন, আর পালাবার চেষ্টা যদি না করেন, তা হলে বেঘোরে প্রাণ হারাবার কোনও ভয় নেই।

    আমার হাত-পা যেন অবশ হয়ে এল। বললাম, কী বলতে চান, আপনি? বলতে চাই যে এর ভেতর একবার যখন এসে ঢুকেছেন, তখন আর আপনার মুক্তি নেই। তিড্ডিমের অভিশাপ হচ্ছে এই গুহা। এখানে ঢুকলে হয় মৃত্যুকে বেছে নিতে হবে, নয় সারাজীবন বন্দি হয়ে থাকতে হবে আমার মতো। আমি মৃত্যুকেই বেছে নেব। এইভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল।

    লোকটি যেন চমকে উঠল, সে কী!

    হ্যা। ঠিকই বলছি।

    আপনি গুপ্তধন নেবেন না? আপনার মতো আমিও গুপ্তধনের সন্ধানে এসেছিলাম। এখন আমি গুপ্তধনের মালিক। রাজা শাতকর্ণির সমস্ত ধন এখন আমার হাতের মুঠোয়। আমি এখন রাজা, বুঝেছেন?

    আমি বুঝতে পারলাম না লোকটার মাথা খারাপ কি না।

    লোকটি হঠাৎ বলল, ওঃ হো। আপনার তো কিছুই খাওয়া হয়নি। নিন, রাত অনেক হয়েছে। আপনি যা হোক দুটো খেয়ে নিন। কিন্তু সাবধান। আমি না বললে এখান থেকে নড়বেন না। আমি কথা না বললে কথা বলবেন না। ওরা জানতে পারলে একেবারে শেষ করে ফেলবে।

    আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ওরা কারা?

    ওরা হল এই পাহাড়পুরীর যক্ষ। আপনার আমার মতো গুপ্তধনের লোভে যারা আসে, ওরা তাদের বন্দি করে। যারা পালাতে যায় তারা মরে। যারা কথা শুনে টিকে থাকে, তারা বাঁচে। কিন্তু মজার ব্যাপার কী জানেন? আজ পর্যন্ত কেউই এখানে টিকে থাকেনি। কেউ বাঁচেনি, বহুকষ্টে আমিই টিকিয়ে রেখেছি নিজেকে। এই পাহাড়পুরীর যক্ষ হয়ে আছি আমি। তবেই আমি জানতে পেরেছি সেই ধনরাশি কোথায় কীভাবে আছে।

    আমি কৌতূহলী হয়ে বললাম, কোথায় আছে?

    দেখাব দেখাব সব দেখাব। বলতে বলতে লোকটা চলে গেল ঘর থেকে।

    আমি অসহায় ভাবে একা বসে রইলাম ঘরের ভেতর। ভাবতে লাগলাম আকাশপাতাল। এখান থেকে তবে কি সত্যিই আমার মুক্তি নেই? তা যদি হয় এর মতো এই আজীবন বন্দিদশা আমি মেনে নেব না। যেমন করেই হোক আবার বাইরের জগতে পালাবার চেষ্টা করব। একান্ত না পারি…।

    হাতের পিস্তলটা একবার কপালে ঠেকালাম। প্রত্যেকটি গুলিই এখনও অবশিষ্ট আছে। কয়েকটি নিজেকে বাঁচাবার জন্য খরচ করে শেষেরটি নিজের মৃত্যুর জন্য খরচ করব। তাড়াতাড়ি কিছু করতে যাব না। দেখিই না ঘটনার গতি কোনদিকে যায়। বাহাদুর আমাকে বাঁচাতে পারে কিনা। হাফলঙে ফিরে গিয়েও সে কী আমাকে উদ্ধার করবার জন্য লোকজন নিয়ে আসবে না?

    লোকটি আবার ঘরে ঢুকল। এই লোকটাকেই এখন মূর্তিমান বিভীষিকা বলে মনে হচ্ছে। ঝাঁকড়া চুল, গোঁফ-দাড়ি। উঃ কী ভয়ংকর। তার ওপর একটা বাঘের ছাল পরে আছে। লোকটির হাতে কয়েকটা রামকলা আর একটা পাত্রে দুধ। সেগুলো আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে সে বলল, নাও। খেয়ে নাও। তোমাকে আর আপনি আজ্ঞে নয়। এবার থেকে তুমিই বলব।

    আমি হেসে বললাম, বেশ, তাই বলবেন। আপনি তো আমার চেয়ে অনেক বড়।

    অনেক মানে, তোমার ছাব্বিশ-সাতাশ, আমার বাহান্ন।

    আজ্ঞে আমার আঠাশ বছর বয়স।

    ওই একই হল। ভাগ্য ভাল যে ওদের হাতে পড়নি। আমার যেতে আর একটু দেরি হলেই এসে পড়ত ওরা। পাখিটার চিৎকার শুনেই বুঝেছি শিকার জুটেছে। তাই তো এগিয়ে গেলাম। ভগবান রক্ষে যে ওরা ছিল না এই সময়।

    আমি বললাম, খুব বাঁচিয়েছেন আপনি। কিন্তু কী পাখি বলুন তো ওটা?

    তা কি আমিও জানি? তবে ও পাখি এখন আর দেখা যায় না। ওই পাখিটাও আমার মতো মুক্তি চাইছে। কিন্তু কে দেবে ওকে মুক্তি? কত বছর যে এখানে আছে ও, তাও জানি না। আমাকে ঠিক তোমাকে যেভাবে এখানে নিয়ে এসেছে সেই ভাবেই এনেছিল। শুধু দুধ আর ফল খায়। কবে কোন শিশুকালে এর ভেতরে ঢুকে পড়েছিল কে জানে? দেহটা এখন অসম্ভব বড় হয়ে গেছে। মানুষ দেখলেই চিৎকার করে। হয়তো বা ওর ভাষাতে বলে তোমরা আমাকে মুক্তি দাও।

    আমি কলা খেয়ে, দুধে চুমুক দিলাম। কী দুর্গন্ধ দুধে। খেতেই গা গুলিয়ে উঠল।

    তিনি বললেন, খাও। দু’-একদিন অমন লাগবে। তারপর সয়ে যাবে। পাহাড়ি গাইয়ের দুধ তো। তাই একটু গন্ধ।

    দুধ আর কলায় পেট বেশ ভরে উঠল।

    আমার তৃপ্তি দেখে উনি হাসলেন। মৃদু, প্রসন্ন হাসি।

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি তা হলে বাইশ বছর আছেন এখানে? হ্যাঁ। দু’মাস সতেরো দিন বেশি। ক্যালেন্ডার না থাকলেও পাথরের গায়ে দাগ দিয়ে আমি হিসেব রেখেছি।

    আপনি দেখছি অত্যন্ত ব্রিলিয়ান্ট। কী নাম আপনার?

    আমার নাম রামদুলাল সেন। বাড়ি ছিল রানিগঞ্জে।

    কে কে আছে বাড়িতে?

    কী করে জানব? মা ছিল, বাবা ছিল, দাদা ছিল। বিয়ে তো করিনি। কাজেই এখন আর কেউ-ই নেই।

    আপনি এখানে কী করে এলেন?

    সে অনেক কথা। শুনতে চাও?

    বলুন না?

    আমার বয়স তখন তিরিশ বছর। আমার এক বন্ধু ছিল। তার নাম দীপঙ্কর। দীপঙ্করের বাবা কোলিয়ারির মালিক ছিলেন। ভদ্রলোক হঠাৎ কীভাবে যেন জানতে পারেন তিড্ডিমের এই গুহার কথা। তিনি তাঁর এক বন্ধুকে নিয়ে এখানে গুপ্তধনের সন্ধানে আসেন। কিন্তু সেই আসাই শেষ আসা। তাঁকে আর ফিরে যেতে হয়নি। দীপঙ্কর ও আমি তাঁর পুরনো ডায়েরি পড়ে সেকথা জানতে পারি। এবং আমরাও তাঁদের খোঁজে গুপ্তধনের সন্ধানে এখানে আসি। কিন্তু এখানে এসে আজপর্যন্ত ফিরে যেতে তো পারেনি কেউ। তাই আমরাও পারলাম না। বেরোবার পথ না-জেনে এখানে এসেছিলাম। তাই গোলকধাঁধায় পথ হারিয়ে বন্দি হয়েছি। ওই পাখিটাই ওদের হাতে তুলে দিয়েছে আমাদের। জংলিদের কথা শুনে আমি বাধ্য হলাম, তাই বাঁচলাম। দীপঙ্কর পালাতে গেল, তাই মরল। কথাগুলো শেষ করে রামদুলালবাবু আমার দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে বললেন, খবরদার পালাতে যাবে না।

    এমন সময় হঠাৎ দ্রিম দ্রিম দামামার শব্দে ভেতরটা গমগমিয়ে উঠল। উঃ! সে কী দারুণ শব্দ! সেই সঙ্গে এক বিদঘুটে জংলি গান। আলোয় ভরে উঠল চারদিক।

    রামদুলালবাবু ঠোঁটে তর্জনী রেখে ‘হিসস্’ করে আমাকে চুপ করতে বললেন। তারপর বললেন, আমি না-আসা পর্যন্ত তুমি এখানে দেওয়াল ঘেঁসে লুকিয়ে থাকো। একদম বেরিয়ো না। বেরোলেই মরবে।

    আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ওরা কারা?

    ওরা এই গুহার যক্ষ। রাজা শাতকর্ণির গুপ্তধন ওরা পাহারা দেয়। এমনি, কারও ক্ষতি করে না। কিন্তু কেউ গুপ্তধন নিতে এলে তাকে ফিরে যেতে দেয় না। ওদের দেবী নাগেশ্বরীর কাছে তাকে বলি দেয়। প্রতি রাত্রে ওদের সর্দার আসে গুহায় আরতি করতে।

    দামামার শব্দ আরও কাছে এগিয়ে এল।

    আমি বললাম, তাই যদি হয় তবে ওরা আপনাকে বলি দেয়নি কেন? আমি ওদের বিশ্বাস উৎপাদন করেছি। এবং এখান থেকে পালাবার চেষ্টা করিনি তাই।

    কেন করেননি?

    ওদের নজর এড়িয়ে পালাতে পারতাম না বলে। যাক, ওসব কথা পরে হবে। এখন নয়। এখন পালাবার সুযোগ পেলেও আর আমি পালাচ্ছি না। গুপ্তধনের সন্ধানে এসেছিলাম। গুপ্তধন পেয়ে গেছি। এই অতুল ধনরাশি, এই কুবেরের ঐশ্বর্যের আমি এখন মালিক। এসব ছেড়ে আর কোথাও যেতে পারি?

    দামামার শব্দে ভেতরটা কেঁপে কেঁপে উঠছে। সেই সঙ্গে ভেসে আসছে বিচিত্র সুরের বিদঘুটে জংলি গান।

    ওরা যত এগিয়ে আসছে আমার বুকের স্পন্দন ততই দ্রুত হচ্ছে। উঃ, কী দারুণ সর্বনাশের পথেই না পা দিয়েছি। কেন যে ঢুকতে গেলাম এই পাপ-গুহার ভেতরে। এদের হাত থেকে কতদিন আমি নিজেকে লুকিয়ে রাখব?

    রামদুলালবাবু ইশারায় আমাকে লুকিয়ে থাকতে বলে চলে গেলেন জংলিদের কাছে। তারপর একটা মশাল হাতে ওদের সঙ্গেই এগিয়ে চললেন।

    আমি পিস্তলটা বার করে হাতের মুঠোয় বাগিয়ে ধরলাম। তারপর খুব সন্তর্পণে চুপি চুপি আড়াল থেকে উঁকি মেরে দেখলাম ওদের।

    চেহারা দেখেই বুক শুকিয়ে গেল। যেন মূর্তিমান যমদূত সব। কালো কালো বেঁটে বেঁটে চেহারা। কিম্ভুতকিমাকার। মাথায় পালকের টুপি। পরণে বাঘ অথবা হরিণের ছাল। ভালুকের চামড়াও পরেছে কেউ। গলায় বিভিন্ন ধরনের তবলকির মালা। মালার মাঝখানে একটি করে নরমুণ্ডের করোটি।

    জনা-বিশেক জংলি রয়েছে। কারও হাতে মশাল! কারও হাতে বর্শা। কেউ দামামা বাজাচ্ছে। কেউ নেচে নেচে গাইছে। চারজনে একটা পালকিও কাঁধে নিয়েছে। ওর ভেতরেই বসে আছে ওদের সর্দার। একবার একটু দেখতে পেলাম। তাতেই দেখলাম কী বিচ্ছিরি চেহারা ব্যাটার।

    রামদুলালবাবুর নিষেধ সত্ত্বেও আমি আড়াল থেকে সরে এসে ওদের পিছু নিলাম। দেখিই না কোথায় যায়! কোনখানে গুপ্তধন আছে? হাতে যখন পিস্তল আছে তখন ভয়টা আমার কী?

    যেমন করেই হোক এদের খপ্পর থেকে পালাতে হবে। সঙ্গে যখন ম্যাপ আছে তখন পালাবার রাস্তা পাবই পাব। আমি নিঃশব্দে ওদের অনুসরণ করতে লাগলাম। এমনভাবে দেওয়ালের গা ঘেঁষে চললাম যাতে কেউ না টের পায়।

    হঠাৎ এক জায়গায় এসে জংলিরা থেমে পড়ল। গান বন্ধ হয়ে গেল। দামামার শব্দও থেমে গেল। চোখের পলকে একটা জংলি ভয়ংকর মূর্তিতে ছুটে এল আমার দিকে। তারপর বর্শার তীক্ষ্ণ ফলাটা আমার বুকে ঠেকিয়ে পৈশাচিক হাসি হেসে উঠল হোঃ হোঃ করে। আমার হাত-পা থর থর করে কাঁপতে লাগল। কী করে যে কী হয়ে গেল তা ভেবেই পেলাম না। বর্শার খোঁচাটা বড্ড লাগছে। বুকের ভেতর গিঁথে যাবে নাকি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }