Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অভিশপ্ত তিড্ডিম – ৪

    চার

    ততক্ষণে সবাই এসে ঘিরে ফেলেছে আমাকে। সেই কালো কালো বিচ্ছিরি চেহারার জংলিগুলোর চোখে যেন আগুন জ্বলে উঠল। পালকি থেকে নেমে এল ওদের সর্দার।

    রামদুলালবাবুও এগিয়ে এলেন। যেন আমাকে চেনেনই না, এমন ভান করে মশালটা আমার দিকে তুলে ধরে আমার মুখে আলোকপাত করতে লাগলেন।

    জংলিসর্দার এগিয়ে এল আমার কাছে। আমার হাত থেকে পিস্তলটা কেড়ে নিল। তারপর শুরু হল তল্লাসি। আমার কোমরে গোঁজা ছুরি-টর্চ যা ছিল সব কেড়ে নিল। যে আমার বুকে বল্লম ঠেকিয়ে রেখেছিল সর্দার কী যেন বলতেই বল্লমটা সরিয়ে নিল সে।

    সর্দার এবার আমার দিকে রক্তচক্ষুতে তাকিয়ে আমার জামার কলার ধরে একটু টান দিয়েই ঠাস করে মারল আমার গালে এক চড়। কী সাংঘাতিক সেই চড়। গাল যেন জ্বলে উঠল।

    এবার রামদুলালবাবুকে কী যেন বলল সর্দার।

    রামদুলালবাবু কড়া গলায় প্রশ্ন করলেন, কে তুই?

    আমি তো বুঝতেই পারছি রামদুলালবাবু আমার সঙ্গে অভিনয় করলেন। উঃ। কী ভুলই না করেছি ওনার কথা না শুনে। বললাম, আমি পথ ভুলে এসে পড়েছি। আপনাদের গুপ্তধনের সন্ধানে আসিনি।

    রামদুলালবাবু সেই কথাটা বুঝিয়ে বললেন সর্দারকে।

    সর্দার সব শুনে কিছুক্ষণ ধরে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন আমার দিকে। তারপর আবার কী যেন বললেন রামদুলালবাবুকে।

    রামদুলালবাবু বললেন, সর্দার বলছেন অভিশপ্ত তিড্ডিমে কেউ শখ করে বেড়াতে আসে না। কাজেই পথ হারিয়ে এখানে প্রবেশ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। বিশেষ করে তোমাকে পরিচয় জানতে চাওয়া হলে তুমি গুপ্তধনের সন্ধানে আসনি এই কথা বলেছ। তার মানে এখানে যে গুপ্তধন আছে তা তুমি জান। আমি আর উত্তর দিতে পারলাম না।

    সর্দার নিজে আমাকে সার্চ করতে লাগল এবার। অত যত্নে গুঁজে রাখা সেই ম্যাপটা টেনে বার করল। ম্যাপটা হাতে পেয়েই রাগে ফেটে পড়ল সর্দার। তারপর রামদুলালবাবুকে চিৎকার করে কী যেন বলতেই রামদুলালবাবু বললেন, তুমি থ্যে কথা বলেছ সর্দারকে। এর জন্য তোমাকে শাস্তি পেতে হবে। কেন না যারা মিথ্যে কথা বলে তারা বিশ্বাসঘাতক হয়।

    সর্দার এবার দলের লোকদের কী যেন বলল।

    বলতেই সবাই এসে একটা বড় পাথরের থামের সঙ্গে পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলল আমায়। তারপর আবার ওদের যাত্রার জন্য তৈরি হল। দামামা বেজে উঠল দ্রিম দ্রিম করে। আর দামামার তালে তালে শুরু হল সেই অসভ্য নাচ। নাচ আর গান। সর্দার আবার গিয়ে বসল পালকিতে। বাহকরা পালকি বয়ে নিয়ে চলল।

    সবাই চলে গেলে একা আমি বন্দি অবস্থায় রয়ে গেলাম সেখানে। আমার ভুলের জন্যই সব কিছু ভেস্তে গেল। পিস্তল, ছুরি, ম্যাপ, টর্চ সব কিছু খোয়ালাম। নিজেও পড়লাম জংলিদের খপ্পরে। এখন আর আমার নিস্তার নেই।

    রামদুলালবাবুর কথা শুনলে তাঁর সাহায্যেই গুপ্তধনের সন্ধানও পেয়ে যেতাম। এখন একমাত্র মৃত্যুর জন্য প্রতীক্ষা করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই আমার। এখন আমি নিরস্ত্র। আমি অসহায়।

    ভয়ে আমার হাত-পা কাঁপতে লাগল। এরা আমাকে কোথায় নিয়ে যাবে? কী করবে? কীভাবে রাখবে? তার কিছুই আমি জানি না। এদের অসাধ্য যে কিছু নেই শুধু এইটুকুই জানি আমি।

    এমন সময় হঠাৎ দূর থেকে একটা ক্যা ক্যা শব্দ ভেসে এল। সেই পাখিটার কণ্ঠস্বর। পাখিটা চিৎকার করছে। একটানা একঘেয়ে। চিৎকারের সঙ্গে সঙ্গেই দেখলাম দু’জন জংলি বল্লম উঁচিয়ে তিরবেগে ছুটে গেল আমার পাশ দিয়ে। তাদের সঙ্গে মশাল হাতে রামদুলালবাবুও গেলেন। যাবার সময় একবার শুধু আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে বললেন, কেমন হয়েছে? এবার মরো। বিশ্বাসঘাতকের মৃত্যুই হচ্ছে উপযুক্ত পুরস্কার।

    আমি মাথা হেঁট করলাম।

    খানিকবাদেই দেখলাম একটা লোককে টেনেহিঁচড়ে মারতে মারতে নিয়ে আসছে ওরা। কে ও? আরে, এ যে বাহাদুর! বাহাদুরকে দেখে আমার বুকে যেন হাজার গুণ বল ফিরে এল। আমি চেঁচিয়ে ডাকলাম, বাহাদুর!

    বাহাদুরও আমাকে দেখে চমকে উঠল, বাবু ! আপনি এখানে? আমি বন্দি।

    জংলিদুটো ততক্ষণে বাহাদুরকে নিয়ে এসে আর একটা থামের সঙ্গে আষ্টেপিষ্টে বেঁধে ফেলল।

    রামদুলালবাবু আমাদের সামনে এসে মশালের আলোটা মুখের কাছে তুলে ধরে হো হো করে হেসে উঠে বললেন, কী ভায়ারা, গুপ্তধন নেবে নাকি?

    আমি বিনীত ভাবে বললাম, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন রামদুলালবাবু। আপনার কথা না-শুনেই এই কাল ঘটিয়েছি আমি।

    রামদুলালবাবু বললেন, আমি তোমাকে একবার সুযোগ দিয়েছি। আর নয়।

    অভিশপ্ত তিড্ডিমে শাতকর্ণি গুহায় গুপ্তধন নিতে এসে আজ পর্যন্ত কেউ ফিরে যায়নি। তোমরাও ফিরবে না। তোমরা মৃত্যুর জন্য তৈরি হও।

    বাহাদুর ভয়ে কাঠ হয়ে গেছে তখন। বলল, আপনার দুটি পায়ে পড়ি। আমাদের ছেড়ে দিন। আপনি বিশ্বাস করুন আমরা গুপ্তধনের ব্যাপার কিছুই জানি না। গুপ্তধন নিতেও আসিনি আমরা।

    রামদুলালবাবু আবার গুহা ফাটিয়ে হেসে উঠলেন, তোমরা গুপ্তধন নিতেই এসেছ। তোমরা না বললে কী হবে। তবে জেনে রাখো, এই গুপ্তধন তোমরা পাচ্ছ না। পাবে না। আমি এর মালিক। আমি একে বাইশটা বছর ধরে আগলে রেখেছি। আমি মরে গেলেও যক্ষ হয়ে এর ভেতরে বসে এই গুপ্তধন আগলাব। তোমাদের মতো আরও যারা এই গুপ্তধন নিতে আসবে, আমি তাদের প্রত্যেককে গলা টিপে মারব।

    আমরা সব শুনে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।

    রামদুলালবাবু জংলিদুটোকে নিয়ে চলে গেলেন।

    রামদুলালবাবু চলে গেলে বাহাদুরকে বললাম, কী কুক্ষণেই না তিড্ডিমে এসেছিলাম।

    এ দোষ আপনার নয় বাবু। আমার। আমিই তো আপনাকে এখানে এনেছিলাম। তবে আমি কিন্তু এই গুহার বিপজ্জনক পরিণতির কথা জানতাম না। এটাকে একটা সাধারণ গুহা বলেই জানতাম। কখনও ঢুকিওনি এর ভেতর।

    না এর ভেতরে ঢুকতে যাব, না এই কাণ্ডটা হবে। আমার জন্যে তুমিও বিপদে পড়লে।

    আমি আপনাকে খুঁজতে এসেই গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাই।

    এইটাই তো এ গুহার রহস্য।

    তারপর এক জায়গায় আসতেই দেখি শুধু জল আর জল। এমন সময় কোথা থেকে একটা হতচ্ছাড়া সর্বনাশা পাখি, উঃ কী ভীষণ তার চেহারা। অমন পাখি আমি জীবনে দেখিনি। পাখিটা আমার ছোঁ মেরে তুলে নিল। তারপর এক জায়গায় নামিয়েই শুরু করল তার চিৎকার। অমনি জংলিদুটো এসে ধরে ফেলল আমাকে।

    আমিও ঠিক ওইভাবেই এসেছি বাহাদুর। তবে আমার অবশ্য বাঁচবার উপায় ছিল। কিন্তু আমি নিজেই তা নষ্ট করেছি। আমি বাঁচলে তোমাকেও বাঁচাতে পারতাম। এখন আমরা দু’জনেই মরব।

    বাঁচতে আমাদের হবেই বাবু। যেমন করেই হোক। এভাবে বেঘোরে প্রাণ দেওয়াটা মোটেই উচিত হবে না।

    কী করে বাঁচবে?

    বুদ্ধির জোরে। বাঁচবার কৌশল একটা বার করতেই হবে। অসম্ভব।

    আমার কোমরে একটা ছুরি আছে। সেটা যে করেই হোক বার করে ওরা আসবার আগেই আমাদের বাঁধন খুলে ফেলতে হবে। তারপর আর এক মুহূর্ত এখানে নয়। যেমন করেই হোক পালাতে হবে।

    কোথায় পালাবে বাহাদুর? এ গোলক ধাঁধার রাস্তা তো আমাদের জানা নেই। তা ছাড়া আমরা নিরস্ত্র। ওদের সঙ্গে পেরে উঠব কেন?

    বাহাদুর হতাশ হয়ে বলল, সবই জানি। তবুও একবার চেষ্টা করে দেখতে দোষ কী? ধরা যখন পড়েছি মরতে তখন হবেই। তবুও বিপদের মুখোমুখি হয়ে বাঁচার চেষ্টা করব না কেন?

    সবই বুঝলাম। কিন্তু তোমার কোমরের ছুরি কী করে বার করব? দু’জনেই তো বাঁধা।

    আপনি এক কাজ করুন।

    কী করব বলো?

    হাত দুটোই বাঁধা আছে আমাদের। পা তো বাঁধা নেই। কোনওরকমে পায়ে করে আমার কোমর থেকে ছুরিটা বার করার চেষ্টা করুন।

    বাহাদুরের যুক্তিটা আমার নেহাত মন্দ বলে মনে হল না। আমি অতিকষ্টে পাদুটো তুলে বাহাদুরের কোমর থেকে ছুরিটা বার করবার চেষ্টা করলাম। বৃথা চেষ্টা। পায়ের আঙুল কোনওরকমে ওর কোমরের কাছ অবধি গেল বটে, কিন্তু আসল জিনিসের নাগাল পেলাম না। আবার চেষ্টা করলাম। বার বার করলাম। বাহাদুরকে বললাম, তুমি একটু কাত হয়ে বেঁকে দাঁড়াও তো।

    বাহাদুর একটু সরবার চেষ্টা করল। তারপর নিশ্বাস বন্ধ করে প্রাণপণে দেহটা টান টান করে আমার দিকে যতটা সম্ভব নিজেকে এগিয়ে দিল।

    আমি আমার পায়ের আঙুলে করে ওর ছোরার বাঁটটা একটু টেনে ধরলাম। কিছুক্ষণ চেষ্টা করার পর ওর হাতে দিতে পারলাম সেটা।

    ততক্ষণে দূর থেকে আবার সেই দামামার শব্দ ভেসে আসছে। বাহাদুর ! কুইক। আর দেরি কোরো না।

    বাহাদুর সত্যিই দেরি করল না। পিছন থেকে অদ্ভুত কায়দায় নিজের বাঁধন কেটে নিল।

    ডিম দ্রিম শব্দ তখন কাছের দিকে এগিয়ে আসছে। সেই সঙ্গে ভেসে আসছে জংলিদের বর্বর ভাষায় বিচিত্র সুরের গান।

    নিজের বাঁধন কেটেই বাহাদুর আমাকে বাঁধন মুক্ত করল। বাঁধন মুক্ত হয়ে যে পথে আমরা এসেছিলাম সেই পথেই দৌড় দিলাম দু’জনে। ছুটতে ছুটতে আবার সেই বারান্দার কাছে এসে পড়লাম। কিন্তু পথ কোথায়! কোন দিকে পথ? এদিকে আমাদের দেখতে পেয়েই সেই ভয়ংকর পাখিটা আবার চিৎকার শুরু করে দিয়েছে।

    বাহাদুর বলল, বাবু সাঁতার জানেন তো?

    জানি।

    তা হলে আর কোনও কথা নয়। এখুনি এই জলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ুন। তারপর স্রোতে ভেসে যতদূর পারি চলে যাব।

    আমি অত বিপদেও হাসলাম। বললাম, কোনও লাভ হবে না বাহাদুর। কেন!

    যাবার পথ নেই।

    সে কী! এত জল তা হলে যাচ্ছে কোথায়! এই জল নিশ্চয়ই কোনও-না-কোনও জায়গা দিয়ে পাশ করছে।

    করছে। খুব সামান্য ফাঁক আছে এক জায়গায়। সেইখান দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে জল। আমি আসবার সময় দেখেছি। কিন্তু সে ফাঁক এতই সামান্য যে, সেখান দিয়ে জলই শুধু বেরোতে পারে কোনও মানুষ নয়।

    পাখিটা সমানে চিৎকার করছে তখন।

    আর পাখির চিৎকারকে ছাপিয়েও শোনা যাচ্ছে দ্রিম দ্রিম দামামার শব্দ। সেই সঙ্গে দ্রুত ছুটে আসা কতকগুলো পায়ের আওয়াজ।

    মশালের আলোয় অন্ধকারও ফিকে হয়ে আসছে।

    বাহাদুর হঠাৎ একদিকে আঙুল দেখিয়ে বলল, বাবু! ওই দেখুন—

    চেয়ে দেখি বারান্দার এক কোণে বহুদিনের পুরনো বড় বড় ঢাকের মতো কতকগুলো দামামা সারি দেওয়া আছে।

    বাহাদুর বলল, আপাতত এর ভেতরেই আত্মগোপন করা যাক।

    তাই চলো।

    আমরা আর কাল বিলম্ব না করে একটা দামামার ভেতর ঢুকে পড়লাম দু’জনে। ভেতর থেকে বাইরের অবস্থা কিছুই দেখতে পেলাম না। শুধু অনুমানে বুঝতে পারলাম ওরা এসে চারদিকে ছুটোছুটি করছে সকলে। মশালের আলোয় লাল হয়ে উঠেছে চারদিক। এমন সময় হঠাৎ আমার চুলের মুঠিটাকে ধরে কে যেন টান দিল।

    সোজা উঠে দাঁড়ালাম। দেখলাম আগুনচোখে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে জংলিসর্দার। যাঃ। এত কাণ্ড করেও ধরা পড়ে গেলাম। বাহাদুরও ধরা পড়ল। আমরা সেই ভাঙা দামামার ভেতর থেকে বেরিয়ে এলাম দু’জনে।

    জংলিসর্দার কী যেন বলল বিড় বিড় করে।

    রামদুলালবাবু এগিয়ে এসে বললেন, তোমাদের মুক্তি নেই। সর্দারের আদেশ।

    সর্দার আবার কী যেন বলল।

    রামদুলালবাবু বললেন, আজ থেকে তিন দিন পরে দেবী নাগেশ্বরীর কাছে বলি দেওয়া হবে তোমাদের।

    বাহাদুর, আমি দু’জনেই কাঁপছি তখন। আমাদের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে এল। সর্দারের ইঙ্গিতে দু’জন জংলি এগিয়ে এল এবার। তারপর আমাদের চোখ বেঁধে পিছন মুড়ে হাত বাঁধল। বাহাদুরের কাছে যে ছুরিটা ছিল সেটাও কেড়ে নিল ওরা।

    আমি এবার ভেতরে ভেতরে অত্যন্ত সচেতন হলাম। কেন না আবার যদি কোনওরকমে এদের খপ্পর থেকে পালাতে পারি, তা হলে পালাবার পথ খুঁজে বার করতে মানে আবার ঠিক এইখানেই যাতে ফিরে আসতে পারি, সে সম্বন্ধে সজাগ রইলাম। এরা যে ভাবে আমাদের নিয়ে যাবে প্রতিটি পদক্ষেপ, ঠিক সেই ভাবে স্মরণে রাখতে হবে! অর্থাৎ কীভাবে কতটা পথ যাচ্ছি মনে রাখতে হবে সেটা।

    ওরা আমাদের যেতে বলল।

    প্রথমেই ডানদিকে ঘুরলাম। তারপর চললাম পা মেপে বিশ পা। বুঝলাম বারান্দা ধরেই চলেছি। এবার ঘরঘর শব্দ করে কী যেন সরে গেল একটা। একটু শীতল হাওয়া বয়ে গেল শরীরের ওপর দিয়ে। এক-পা এক-পা করে নীচে নামতে লাগলাম। নামছি তো নামছিই। একেবারে একশো ধাপ নামলাম। বাঁদিকে ঘুরলাম। বিশ পা গেলাম। একটা ঘরের ভেতরে ঢোকাল ওরা। সর্দার কী যেন বলল। কথাটা বুঝতে পারলাম না। একজন এসে আমাদের বাঁধন খুলে দিল।

    দেখলাম একটা ছোট্ট ঘরে ওরা নিয়ে এসেছে আমাদের। ঘরের বাইরে গিস গিস করছে একদল কালো ভূতের মতো চেহারার জংলি। গায়ের গন্ধে ভূত পালাবে এমন বোটকা গন্ধ তাদের। বিটকেল বিচ্ছিরি বিদঘুটে।

    সর্দার আমাদের দিকে উল্লসিত চোখে তাকাল। তাতে আর সেই আগুনের হলকা নেই। যা আছে তা হ’ল অনাবিল আনন্দ। হাতের শোল ফসকে গিয়ে আবার ধরা পড়লে যে আনন্দ হয়, ঠিক সেইরকম আনন্দ।

    আমরা ভয়ে ভয়ে তাকালাম।

    চিড়িয়াখানায় আমরা যেমন জন্তু-জানোয়ার দেখি—ওরাও ঠিক সেইভাবে দেখছে আমাদের। সর্দার হাতে তালি দিতেই একজন এসে দাঁড়াল। তাকে কী যেন বলল সর্দার। জংলিটা একবার আমাদের দিকে তাকিয়ে চলে গেল।

    একটু পরেই দুটো পাত্রে দুধ আর একছড়া কলা নিয়ে এসে আমাদের সামনে ধরে দিল জংলিটা। সেই বড় বড় রামকলা। দেখলে লোভ হয়। কিন্তু একটা কি দুটোর বেশি খাওয়া যায় না।

    আমি তো রামদুলালবাবুর কাছে আগেই খেয়েছিলাম। তাই আর খেলাম না। বাহাদুরকে বললাম, তুমি খেয়ে নাও বাহাদুর। আমি আগেই খেয়েছি। বাহাদুর কোনও কথা না বলে খেতে শুরু করে দিল।

    আমাদের ঘরটা এতক্ষণ মশালের আলোতে উদ্ভাসিত ছিল। এবার একটা বড় প্রদীপ জ্বালানো হল ঘরের ভেতর। প্রদীপের ভেতর একজন পাতলা চ্যাটচেটে কী একটা জিনিস ঢেলে দিল। তেল কি ঘি, কি অন্য কিছু তা এরাই জানে। আমরা শুধু বলির মানুষ দু’জন সবকিছু দেখতেই লাগলাম।

    গুহার এমন গভীর প্রান্তেও কী করে যে অক্সিজেন আসছে তা ভেবে পেলাম না। সকাল না হলে রাতের অন্ধকারে বোঝা যাবে না কিছুই। তবে ভেতরটা বেশ ঠান্ডা। যেন শান্তির শীতলতা বিরাজ করছে সর্বক্ষণ।

    বাহাদুরের খাওয়া হলে দু’জন জংলি এসে আমাদের বেঁধে ফেলল।

    সর্দার এবার হাত তুলে আমাদের উদ্দেশ্য করে বলল, ‘আখোবা’। অর্থাৎ ওদের ভাষায় শুভরাত্রি। তারপর দরজা বন্ধ করে চলে গেল সকলে।

    বাহাদুর আর আমি অসহায় বন্দি দু’জন সকালের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম। তিনদিন পরেই তো আমাদের ছিন্ন শির লুটিয়ে পড়বে দেবী নাগেশ্বরীর পায়ে। তাই কানখাড়া করে মৃত্যুর পদধ্বনি শোনবার আশায় রইলাম। মনে মনে ভগবানকেও ডাকতে লাগলাম। এই তিনদিনের ভেতর অভিশপ্ত তিড্ডিমের এই গুহা থেকে মুক্তি কি আমরা সত্যিই পাব না?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }