Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অভিশপ্ত তিড্ডিম – ৫

    পাঁচ

    রাত এখন কত তা জানি না। বাহাদুর বা আমার কারও চোখেই ঘুম নেই। দু’জনেই অসহায়। দু’জনেই বন্দি। কী কঠিন সেই বন্ধন। কিন্তু সে বন্ধনও আমরা শেষ পর্যন্ত খুলে ফেললাম। ওরা আমাদের বেঁধে রেখেছে বটে, তবে শুধু পা বেঁধেই ফেলে রেখেছে। অন্য কিছুর সঙ্গে বেঁধে রাখেনি। তার ওপর ঘরের ভেতর একটা প্রদীপও জ্বেলে রেখে গেছে।

    চারদিক যখন একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে গেল আমরা দু’জনে তখন গড়িয়ে গড়িয়ে সেই প্রদীপের কাছে গেলাম। প্রদীপের শিখার মুখে হাতের বন্ধনটা তুলে দিতেই সেটা জ্বলে উঠে ছিঁড়ে গেল। পায়ের বাঁধন অনায়াসে খুলে ফেললাম এবার। তারপর নিজে মুক্ত হয়ে বাহাদুরকেও বাঁধনমুক্ত করলাম।

    বাহাদুর বলল, সব তো হল, কিন্তু ঘর থেকে বেরোব কী করে?

    আমি আস্তে আস্তে দরজার কাছে গেলাম। গিয়ে দরজাটা টানতেই দেখলাম সেটা একটু ফাঁক হল। ফাঁক হতে দেখলাম দরজার কড়াতে দড়ি বাঁধা। তাড়াতাড়ি প্রদীপটা এনে শিখাটা সেই দড়ির মুখে ধরতেই জ্বলে উঠল সেটা। এবং পরে দরজায় টান দিতেই দরজাও খুলে গেল।

    আমরা দু’জনেই সন্তর্পণে বাইরে বেরিয়ে এলাম। কিন্তু এ কী! বাইরে বেরোতেই দেখি চোখের সামনে এক মূর্তিমান যম দাঁড়িয়ে। অন্ধকারে তার কালো রং এমনভাবে মিশেছিল যে তা লক্ষই করিনি। জংলিটা বল্লম হাতে পাহারা দিচ্ছিল। আমাদের দেখেই বল্লমটা উঁচিয়ে ধরল সে। অন্ধকারে তার কালো মুখে সাদা দাঁতের সারিগুলো ঝিকমিক করে উঠল। অর্থাৎ হাসল।

    আমি বাহাদুরের দিকে তাকালাম। বাহাদুর আমার দিকে তাকাল। ইশারা হয়ে গেল চোখে চোখে। বাহাদুর চোখের পলকে একবার উবু হয়ে বসেই লাফিয়ে উঠে বল্লমের মুখটা চেপে ধরে সেটা ওপর দিকে করে দিল। আর আমি সেই ফাঁকে জোড়া পায়ে মারলাম এক লাথি জংলিটার পেটের ওপর।

    একবার শুধু কোঁক করে একটু শব্দ। তারপর পেটটাকে চেপে ধরে দু’হাত দূরে ছিটকে পড়ল বেচারা।

    আমরা ছুটে গেলাম তার কাছে। বাহাদুর একেবারে তার বুকে চেপে বসল! বসেই টিপে ধরল মুখটা। তারপর মাথাটা কয়েকবার মেঝেতে ঠুকে দিতেই অচৈতন্য হয়ে পড়ল সে। যখন দেখা গেল আর সে নড়াচড়া করতে পারছে না, তখন দু’জনে মিলে তাকে ধরাধরি করে যে ঘরে আমরা বন্দি ছিলাম সেইঘরেই এনে ঢোকালাম। তারপর হাত-পা বেঁধে রেখে প্রদীপ নিভিয়ে দরজার কড়ায় দড়ি বেঁধে পালাবার জন্য তৈরি হলাম।

    বাহাদুর বলল, এখন আমরা কোনদিকে যাব?

    যেদিক দিয়ে এসেছি সেই পথে।

    কিন্তু সে পথ চিনে কি যেতে পারবেন?

    পারব। আমার মনে আছে। চোখ বাঁধা থাকলেও আমি সতর্ক ছিলাম।

    আমরা ফিরে চললাম। ঠিক যেভাবে এসেছিলাম সেইভাবে। প্রতিটি পদক্ষেপ গুনে গুনে। বিশ পা যাবার পরই সিঁড়ি পেলাম ওপরে ওঠার। আস্তে আস্তে পা টিপে টিপে উঠলাম। গুনে গুনে একশো ধাপ। একশো ধাপ ওঠার পরই দেখলাম পথ রুদ্ধ। তবে হতাশ হলাম না। হাত দিয়ে বুঝলাম কাঠের দরজা একটা। গুহার কালো পাথরের সঙ্গে এবং সেই ঘন ঘোর অন্ধকারে দরজাটা এমনভাবে মিশেছিল যে, তা নজরেও পড়ল না। হাতড়ে হাতড়ে বুঝলাম দরজাটা ফাঁক হয়ে গেল। দরজা পেরিয়ে আমরা সেই বারান্দায় গিয়ে পৌঁছলাম।

    দরজা আবার আপনাআপনিই বন্ধ হয়ে গেল। আমরা অন্ধকারে মিশে পা টিপে টিপে চললাম। কারণ একবার যদি সেই পাখিটা আমাদের দেখতে পায়, তা হলে তার চিৎকারে সব পণ্ড হয়ে যাবে। আমরা আবার ধরা পড়ে যাব।

    এবার বাঁদিক ধরে বিশ পা এগোতেই সেই জায়গায় এসে পৌঁছলাম। সেখান দিয়ে রামদুলালবাবু আমাকে তাঁর ঘরের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। যে পথ ধরে জংলিরা আরতি করতে গিয়েছিল, সেই পথে নির্ভয়ে এগিয়ে যেতে লাগলাম আমরা। আমাদের খোয়া যাওয়া জিনিসগুলো উদ্ধার করতেই হবে। না হলে প্রাণেও বাঁচব না এবং এখান থেকে পালাতেও পারব না।

    যেতে যেতে রামদুলালবাবুর ঘরের কাছে এসে পড়লাম আমরা। বাইরে থেকে দেখলাম একটা হরিণের চামড়া পেতে তার ওপরে শুয়ে নিশ্চিন্তে নিদ্রা যাচ্ছেন রামদুলালবাবু। একবার ভাবলাম ডাকি। আবার ভাবলাম, না থাক। অযথা বিপদ বাড়িয়ে লাভ নেই। মুক্তির পথ না পেয়ে এই বদ্ধ গুহায় থেকে থেকে মাথা খারাপ হয়ে গেছে বোধহয় লোকটার। অবশ্য মাথার আর দোষ কী! একজন মানুষের জীবনে দীর্ঘ বাইশটা বছর কি বড় কম কথা?

    আমরা রামদুলালবাবুর ঘরের পাশ দিয়ে পা টিপে টিপে এগিয়ে চললাম। খানিক যাবার পরই সিঁড়ি পেলাম। মাত্র কয়েকটি ধাপ। তারপর নীচে নেমেই অবাক হয়ে গেলাম। ডাইনে বাঁয়ে নিকষ অন্ধকার। এখানে কোথায় গুপ্তধনের ঘর, কোথায় কী।

    বাহাদুর হঠাৎ চাপা গলায় বলে উঠল, বাবু! ওই দেখুন।

    আমি দেখলাম। দেখে বিস্মিত হলাম। এ কী সত্যি! ঘুমের ঘোরে কোনও স্বপ্ন দেখছি না তো?

    দেখলাম সিঁড়ির শেষধাপে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি সেখানে মাথার ওপর কোনও ছাদ নেই। ওপর দিকে চেয়ে দেখলাম ধূ ধূ করছে নীল আকাশ। সেই আকাশ অসংখ্য তারায় ঝিকমিক করছে। এই তো মুক্তি। এত সহজে যে গুহা থেকে বেরোতে পারব তা ভাবতেও পারিনি। আকাশ যে কত সুন্দর, তা এই প্রথম অনুভব করলাম।

    সামনেই পাঁচিলের মতো একটা পাথরের খাড়াই, উচ্চতায় আট ফুটের মতে৷ হবে। একটু চেষ্টা করলেই সেটা টপকানো যায়।

    আমি কোনও কিছু না পেয়ে বাহাদুরের কাঁধে পা দিয়েই পাথরের খাড়াতে উঠলাম। তারপর একটা হাত বাড়িয়ে দিলাম বাহাদুরের দিকে। সেই হাত ধরে বাহাদুরও উঠে পড়ল খাড়াইয়ের ওপর।

    এখন শেষ রাত। অন্ধকার ফিকে হয়ে আসছে। আর একটু পরেই ভোর হবে। এই ভোর আমাদের জীবনে এক আশ্চর্য সুন্দর স্মরণীয় ভোর। তারপর আমাদের মুক্তির সূর্য উঠবে। দিনের আলো ফোটার আগেই আমরা এই অভিশপ্ত গুহা থেকে অনেক দূরে চলে যেতে পারব।

    খাড়াইটার ওপর বসে দেখলাম আমাদের সম্মুখেই ধু ধু করছে লতাগুল্মে ভরা এক প্রান্তর। ছোট ছোট ঝোপঝাড়ও আছে অনেক। মাঝেমধ্যে বড় গাছও আছে। আর আছে ছায়া ছায়া পাহাড়ের সারি।

    আমরা খাড়াইয়ের ওপর থেকে লাফিয়ে পড়লাম নীচে। পাদুটো একবার একটু কনকনিয়ে উঠল। তারপর সুমুখপানে ছুট— ছুট— ছুট।

    খুব বেশি ছোটা গেল না। একে পথ পরিষ্কার নয়, তার ওপর খানিকটা ছুটে হাঁপিয়ে পড়লাম। তবু চলতে লাগলাম। পথ আর শেষ হয় না। ভোরের আলো একটু একটু করে ফুটে উঠছে। চারদিকের বিশাল পর্বতচূড়াগুলো প্রেতের মতো দেখাচ্ছে। এক জায়গায় গিয়ে হঠাৎ থেমে গেলাম। এ কী! পথ কই? যেদিকে তাকাই সেদিকেই অতলস্পর্শী খাদ। খাদের হাজার হাজার ফুট নীচেটা যেন ধোঁয়ার মতো দেখাচ্ছে। গায়ের রক্ত জল হয়ে গেল দেখে। মুক্তির যে আনন্দ এতক্ষণ ভরিয়ে তুলেছিল আমাদের তা এক মুহূর্তে উবে গেল।

    বাহাদুর বলল, এ তো মহা মুশকিল দেখছি।

    আমি কথাটি বলতে পারলাম না। আমার দু’চোখ ফেটে যেন জল আসতে লাগল। ওঃ! এমন বিপদেও মানুষ পড়ে? তবুও আমরা হতাশ না হয়ে খাদের গা ঘেঁষে পথ চলতে লাগলাম। দেখিই না কোনওদিক দিয়ে একটুও যদি নামার পথ পাই।

    এদিকে সকাল হয়ে গেছে। সূর্যও উঠেছে।

    দিনের আলোয় ঝলমল করছে চারদিক।

    জংলিরা যখন দেখবে আমরা নেই, যখন দেখবে ওদের দলের লোকের ওইরকম অবস্থা করে এসেছি আমরা, তখন নিশ্চয়ই চুপ করে বসে থাকবে না। চারদিকে তন্ন তন্ন করে খুঁজবে আমাদের। খুঁজতে খুঁজতে যদি এইদিকে আসে? এইসব ছোট ছোট ঝোপগুলো কি লুকিয়ে রাখতে পারবে আমাদের? যা সাংঘাতিক ওরা তাতে ঠিক খুঁজে বার করে ফেলবে।

    খাদের পাশ দিয়ে যেতে যেতেই হঠাৎ ঘটে গেল দুর্ঘটনা। একপাশের কিছু মাটি ও আলগা পাথর ধসে যেতেই হুমড়ি খেয়ে মুখথুবড়ে পড়লাম আমি। তারপর হড়হড় করে নেমে যেতে লাগলাম খাদের দিকে। আমি হাতের সামনে যা পেলাম, তাই আঁকড়ে ধরে নিজেকে বাঁচাবার চেষ্টা করতে লাগলাম। প্রথমেই ধরলাম একমুঠো ঘাস। কিন্তু তা নিমেষের মধ্যে মাটি থেকে গোড়াসুদ্ধ উপড়ে এল। আমার বুকের স্পন্দন মনে হল থেমে যাবে বুঝি। গড়িয়ে পড়ার গতিও বেড়ে গেল। কত— কত নীচে যে পড়ব, তা কে জানে? ঘর্ষণে হাত-পা ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল। অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে রক্ষা করতে পারলাম না। হুড়মুড় করে পড়ে গেলাম। তবে একেবারে নীচে নয়। ভগবান রক্ষা করলেন। খাদের গায়ে পাথরের ফাটলে একটা মাঝারি ধরনের বটগাছ গজিয়ে উঠেছিল, সেটারই একটা ডাল ধরে ঝুলে পড়লাম। প্রথম কয়েকটা মিনিট স্থিরভাবে ঝুলে রইলাম। তারপর একটু একটু করে চোখ মেলে তাকালাম নীচের দিকে। বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল। ওপরদিকে তাকালাম। ওপরে শুধু পাথরের দেওয়াল আর আকাশ। হাতদুটো অসম্ভব ভারী হয়ে আসছে। এইভাবে কি ঝুলে থাকা যায়? একবার অতি কষ্টে ডাকলাম, বা— হা – দু― র! আমার ডাক প্রতিধ্বনি হয়ে পাহাড়ের চূড়ায় চূড়ায় ধাক্কা খেয়ে ঘুরতে লাগল। একটু পরেই বাহাদুরের গলা শুনতে পেলাম, আমি এইখানে-এ।

    আমি সাড়া দিলাম, আমাকে বাঁচাও বাহাদুর। যেমন করেই হোক বাঁচাও।

    আমি আপনাকে দেখতে পাচ্ছি না।

    আমাকে দেখবার চেষ্টা কোরো না। তা হলে তুমিও পড়ে যাবে।

    ওপর থেকে বাহাদুরের গলা শোনা গেল, আপনি একটু অপেক্ষা করুন।

    বাহাদুরের কথায় আশ্বস্ত হলেও আর যে ঝুলতে পারছি না। দেহের ভারে হাতদুটো যেন ছিঁড়ে যাবার উপক্রম হচ্ছে। মনে হচ্ছে হাতের কবজিদুটো আপনা থেকেই আলগা হয়ে যাবে। এমন সময় কী যেন একটা আমার গায়ের ওপর এসে পড়ল। দেখলাম একটা কঠিন ডাঁটার শক্ত লতা। বুঝলাম বাহাদুরই এটি নিক্ষেপ করেছে। এমন সময় ওপর থেকে বাহাদুরের গলা শোনা গেল, বাবু পেয়েছেন? পেয়েছি।

    ওটা শক্ত করে ধরুন।

    আমি দেখলাম সেটা এমনভাবে ঝুলছে যে সেটাকে ধরতে গেলে হাত বাড়িয়ে একটু রিস্ক নিয়ে ধরতে হবে। আর রিস্ক নিতে গিয়ে যদি কোনওরকমে একবার হাত ফসকাই তো ব্যস। একেবারেই ফর্সা।

    ওপর থেকে বাহাদুরের গলা আবার শোনা গেল, পেয়েছেন তো…?

    আমি বললাম, তুমি ওটা আর একটু নামিয়ে দাও।

    বাহাদুর আমার কথা শুনতে পেয়ে আর একটু নামিয়ে দিল সেটা।

    আমার তখন ঘাম ছুটে যাচ্ছে। আমি প্রথমেই সেটাকে দু’পায়ের আঙুলের টিপনিতে ধরলাম। তারপর দাঁতে করে কামড়ে এক হাত দিয়ে টেনে দু’ হাতে ধরলাম।

    এবার যেন একটু হাঁফ ছাড়লাম।

    তারপর ভুলেও আর নীচের দিকে না তাকিয়ে সেই লতা ধরে উঠে এলাম ওপরে। ওপরে উঠে দেখলাম শক্ত লতাটাকে একটা গাছের সঙ্গে ভাল করে বেঁধে নীচে ঝুলিয়ে দিয়েছে বাহাদুর। দিয়ে পাছে বাঁধন খুলে না যায়, তাই বাহাদুর নিজেও সেটাকে ধরে আছে।

    আমি ওপরে উঠে আমার জীবনদাতা বাহাদুরকে বেশ কিছুক্ষণ দু’চোখ ভরে দেখলাম। তারপর মাটিতে বসে শুয়ে পড়লাম সটান হয়ে। বুকটা তখনও টিপ ঢিপ করছে। বাহাদুরকে কিছু বলার আগেই সে এসে ম্যাসেজ করে দিল আমাকে। বেশ কিছুক্ষণ ম্যাসেজের পর একটু ধাতস্থ হয়ে উঠে বসলাম। আমার পুনর্জন্ম হল।

    এখান থেকে দূরে অভিশপ্ত তিড্ডিমের সেই গুহাটাকে দেখা যাচ্ছে। কাল থেকে আজ পর্যন্ত যা ঘটে গেল, তার সবকিছুই আমার কাছে ছায়াছবির দৃশ্যের মতো মনে হচ্ছে।

    বাহাদুর বলল, আমি তো ভাবলাম আর বুঝি ফিরেই পেলাম না আপনাকে।

    আমিও ভাবতে পারিনি ওইরকমভাবে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাব বলে।

    কী ভাগ্যি গাছের ডালটাকে ধরে ফেলেছিলেন।

    সবই ভগবানের দয়ায় বাহাদুর। না হলে ওইরকম জায়গায় কখনও গাছ গজায়? তাঁরই কৃপায় আমরা বারবার বেঁচে যাচ্ছি।

    আমরা বসে বসে এইসব কথা বলছি। এমন সময় হঠাৎ বাহাদুর একটু শঙ্কিত দৃষ্টিতে কী যেন দেখে বলল, ওই দেখুন বাবু!

    দেখেই চমকে উঠলাম আমি। দেখি না আমরা যেখানে বসে আছি ঠিক সেইখানেই একটা ঝোপের ভিতর কী যেন একটা জুল জ্বল করে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। ভাল করে নজর দিতেই দেখলাম একটা বাঘের বাচ্চা। তবে নেহাত শিশু নয়। ইচ্ছে করলেই আক্রমণ করতে পারে।

    বাহাদুর বলল, আপনি ওর চোখে চোখ রেখে চুপ করে বসে থাকুন। তুমি কী করবে?

    মারব ব্যাটাকে।

    খুব সাবধানে। কাছেপিঠে যদি ওর মা থাকে তা হলে কিন্তু একেবারে শেষ করে ফেলবে আমাদের।

    বাহাদুর বলল, সে জানি। বলে পা টিপেটিপে উঠে গেল সে।

    আমি বাঘের চোখে চোখ রেখে স্থির হয়ে বসে রইলাম।

    একটু পরেই বাহাদুরের ছায়াটা আমার পায়ের কাছে পড়ল। দেখলাম ওর হাতে বড় একটা পাথর। পাথরটা সঙ্গোরে বাঘের মাথা লক্ষ্য করে ছুড়ে দিল বাহাদুর।

    এক ঘায়েই কাত। একটু চিৎকার করবারও সময় পেল না বেচারি। মাথাটা একেবারে গুঁড়িয়ে থেঁতো হয়ে গেল। অল্পক্ষণ একটু ধড়ফড় ছটফট করেই স্থির হয়ে গেল বাঘটা আমার ঠিক এভাবে মারার ইচ্ছা ছিল না বাঘটাকে। তবু বাহাদুরকে বাধাও দিলাম না। হাজার হলেও বাঘের বিক্রম। একবার ঘাড়ের ওপর লাফিয়ে পড়লে, আমরা নিরস্ত্র অবস্থায় কিছুই করতে পারতাম না ওর। বেঘোরে প্রাণটা দিতে হত।

    এমন সময় দূর থেকে দামামার শব্দ ভেসে এল। দ্রিম দ্রিম দ্রিম দ্রিম। সেই সঙ্গে অস্পষ্ট একটু কোলাহল।

    আমাদের দু’জনেরই মুখ শুকিয়ে এতটুকু হয়ে গেল। ভয়ে ঢিপ ঢিপ করতে লাগল বুকের ভেতরটা। আবার মৃত্যুর পদধ্বনি। আবার শত্রুর মুখোমুখি হওয়া। মরণের ডঙ্কা ওইতো বাজছে। দ্রিম… দ্রিম… দ্রিম… দ্রিম।

    আমি বাহাদুরের হাতটা শক্ত করে চেপে ধরলাম।

    বাহাদুর এক মুহূর্ত থমকে দাঁড়িয়ে এক্ষুনি কী করা উচিত তা ভেবে নিল। আমি বললাম, জংলিরা মনে হয় আমাদের খোঁজেই বেরিয়েছে।

    আমারও তাই মনে হচ্ছে। এখন কী করবেন ঠিক করেছেন?

    আর পালাবার বৃথা চেষ্টা না করে, এখানেই কোনও একটা ঝোপের ভেতর লুকিয়ে পড়ব।

    আমারও তাই মত। তবে লুকোবার আগে এই পাপটাকে কিন্তু এখান থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে।

    মৃত বাঘটা তখন রক্তাক্ত কলেবরে পড়ে আছে। আমরা আর একটুও দেরি না করে সেটাকে ছুড়ে ফেলে দিলাম খাদের মধ্যে। না হলে ওটাকে দেখতে পেলেই ওরা হইচই পাকিয়ে আমাদের অস্তিত্ব টের পেয়ে যাবে। বাঘটাকে লোপাট করে আমরা হামাগুড়ি দিয়ে একটা ঝোপের ভেতর ঢুকলাম। আত্মগোপন করবার এ এক চমৎকার জায়গা। নেহাতই কপালটা মন্দ না হলে বাইরে থেকে কেউ দেখতেই পাবে না আমাদের।

    দামামার শব্দটা ক্রমশ কাছের দিকে এগিয়ে আসছে। আর সেই শব্দের প্রতিধ্বনির ঢেউ নাচছে পাহাড়ে পাহাড়ে। চারদিক যেন গমগমিয়ে উঠছে। শুধু কোলাহল আর শব্দের তরঙ্গ।

    দ্রিম…দ্রিম…দ্রিম…দ্রিম।

    আমরা একদম নড়াচড়া না করে স্থিরভাবে বসে রইলাম। মনে মনে ডাকতে লাগলাম ভগবানকে। প্রতিবারের মতো এবারেও কি ভগবান আমাদের রক্ষা করবেন না?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }