Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশটি কিশোর উপন্যাস – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1153 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অভিশপ্ত তিড্ডিম – ৬

    ছয়

    আমরা ঘন ঝোপের ভেতর ঠিক খরগোশের মতো আত্মগোপন করে বসে রইলাম।

    জংলিগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে।

    তাদের দাদামার শব্দে বুকের ভেতরটা ঢিপ ঢিপ করতে লাগল।

    ওদের কথাবার্তা আর হইচই খুব কাছ থেকে শোনা যাচ্ছে এবার। একটা আতঙ্কের ভাব যেন মনের মধ্যে ক্রমশ জমাট বেঁধে উঠছে। আমাদের ঠিক পাশ দিয়েই দু’জন চলে গেল।

    হঠাৎ একজন কী বলে যেন চেঁচিয়ে উঠল।

    সঙ্গে সঙ্গে হই হই করে ছুটে এল সকলে। মোট বারো জন। যেন বারোটা পিশাচ। তাদের দুর্বোধ্য ভাষার কথা শোনা যাচ্ছে। প্রত্যেকেই উত্তেজিত। অনুমানে বুঝলাম গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা সেই লতাটাকে দেখতে পেয়েছে ওরা। আমরা ঝোপের ভেতর থেকে উঁকি মেরে দেখলাম লতাটাকে ধরে কী যেন বলাবলি করছে সবাই।

    একজন একটু টেনে দেখল লতাটাকে। কী দেখল কে জানে, হয়তো দেখল যে ওই লতাটা ধরে আমরা ওদের ভয়ে খাদের দিকে ঝুলছি কি না। কিন্তু টান দেওয়ার পর যখন বুঝতে পারল ওধারে ভারী কিছু নেই তখন দু’-একবার সেটাকে ধরে টানাহেঁচড়া করে ঝাঁকানি দিল। তারপর সরসর করে খানিকটা টেনেও তুলল। পরে বিরক্ত হয়ে ছেড়ে দিল সেটাকে।

    এবারে হাতমুখ নেড়ে চলল নানারকম যুক্তি। যুক্তির পর জনা সাতেক জংলি পা টিপে টিপে এগিয়ে গেল সেদিকে। তারপর খাদের মাটি-পাথর ধরে ঝুঁকে পড়ে দেখতে লাগল নীচের অবস্থাটা।

    যেই না দেখতে যাওয়া অমনি ঘটে গেল বিপর্যয়। ওরা দলবদ্ধ হয়ে ঢালের এমন একটা অংশে গিয়ে পড়েছিল, যেখানকার আলগা মাটি অতগুলো লোকের ভার সইতে না পেরে হুড়মুড় করে ধসে পড়ল খাদের ভেতর।

    চোখের পলকে সাতজনই সাফ হয়ে গেল।

    ওদের অন্তিম আর্তনাদ ও ধসের শব্দে গুরুগম্ভীর ধ্বনি ও প্রতিধ্বনিতে ভরে উঠল চারদিক।

    বাদবাকি জংলিগুলো যারা অদূরে দাঁড়িয়েছিল তারা তখন প্রচণ্ড চিৎকার করে লাফাতে গল সেখানে। কয়েকজন শূন্যে হাত-পা ছুড়ে কাঁদতে লাগল। তারপর বিলাপ করতে করতে যে পথে এসেছিল ওরা, দলবদ্ধ হয়ে সেই পথেই ছুটল। বুঝলাম এই নিদারুণ দুঃসংবাদটা দলের লোকেদের দিতে গেল ওরা।

    যাক। বিপদ কাটল এখনকার মতো।

    এতক্ষণ রুদ্ধশ্বাসে বসেছিলাম আমরা। এবার যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। বাহাদুরকে বললাম, এইবার আমাদের একটু সতর্ক হয়ে চলতে হবে বাহাদুর। কেন না বুঝতে পারছ তো ওরা গিয়ে ওদের দলের লোককে খবর দিলেই, যে যেখানে আছে ওদের, সবাই হই হই করে ছুটে আসবে।

    তা হলে?

    তা হলে আর কী? এই সময়টুকুর মধ্যে যেভাবেই হোক আমাদের কোনও একটা নিরাপদ জায়গা দেখে লুকিয়ে পড়তে হবে।

    সেরকম নিরাপদ জায়গা এখানে কোথায়?

    খুঁজে বার করতে হবে। আপাতত এই ঝোপ থেকে বেরিয়ে আরও একটু এগিয়ে চলো। তারপর ওরা যখন ফিরে এসে এখানে ওদের শোকপ্রকাশ করবে, আমরা তখন গুহার দিকেই দৌড়ব।

    বাহাদুর যেন শিউরে উঠল, না না না। আপনার কি মাথাখারাপ হয়েছে? এ আপনি কী বলছেন?

    কেন?

    এত কষ্ট করে বেরিয়ে এসে আবার ওই অভিশপ্ত গুহায় ঢোকে কেউ?

    এছাড়া যে আর কোনও উপায় নেই বাহাদুর। এখন জংলিদের আক্রমণের হাত থেকে বাঁচবার জন্যে আবার ওই গুহাতেই যেতে হবে। পরে অবশ্য ঘটনার সঙ্গে তাল রেখে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করা যাবে। না হলে ওইখানে ফিরে যেতে আর কি কারও মন চায়?

    জংলিগুলো চলে যাবার বেশ কিছুক্ষণ পরে আমরা ঝোপের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলাম।

    যখন দেখলাম ওরা অনেক দূরে চলে গেছে, তখন ওদের পথ অনুসরণ করলাম আমরা।

    খানিক যাবার পর ঘন পত্রবিশিষ্ট একটি প্রকাণ্ড গাছ দেখতে পেয়ে বাহাদুরকে বললাম, বাহাদুর, এখনই আর বেশি এগনো ঠিক হবে না। যদি ওরা ফিরে আসতে শুরু করে তো একেবারে মুখোমুখি পড়ে যাব। আপাতত এই গাছে উঠেই আমরা লুকিয়ে বসে থাকি এসো। এর চেয়ে লুকানোর পক্ষে নিরাপদ জায়গা এখানে আর নেই। ওরা যখন দলবল নিয়ে আবার এইদিকে আসবে, আমরা তখন বিপরীত দিকে ছুটে গুহায় গিয়ে ঢুকব।

    বাহাদুর একটু বিমর্ষ হয়েই বলল, যা আপনি বলবেন।

    বুঝতে পারছি ওই গুহায় আবার ফিরে যেতে বাহাদুরের আর একটুও মন নেই। মন কী আমারও আছে। খাঁচার পাখি খাঁচা ছেড়ে একবার বেরিয়ে গেলে আর কি খাঁচায় ফিরে যায়। কিন্তু এমনই ঘটনাপ্রবাহ যে, ওই ছেড়ে আসা গুহাই এখন আমাদের একমাত্র নিরাপদ স্থান।

    যাই হোক। আমরা আর দেরি না করে গাছে ওঠা শুরু করলাম। মোটা মোটা ঘেঁস ঘেঁস ডালে পা দিয়ে তর তর করে ওপরে উঠতে একটুও বেগ পেতে হল না।

    ওপরে উঠতে উঠতে বাহাদুর বলল, একটা জিনিস লক্ষ করেছেন বাবু? কী?

    ওরা মানে জংলিরা কিন্তু গুহার দিকে যাচ্ছে না।

    আমি অবাক হয়ে দূরের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, কালো কালো পিঁপড়ের মতো জংলিরা গুহার ডানদিকের পথ ধরে হারিয়ে গেল পাহাড়ের বাঁকে। আমি মধ্যপথে একটি শক্ত ডাল ধরে বসে রইলাম।

    বাহাদুর গাছের আরও ওপরে উঠল। আমি বললাম, কিছু নজরে পড়ছে? হ্যাঁ পড়ছে। একটা নদী দেখতে পাচ্ছি। নদী?

    হ্যাঁ বাবু।

    সত্যি সত্যি নদী দেখতে পাচ্ছ, না অন্য কিছু? ভাল করে লক্ষ করো কিন্তু। হ্যা ভাল করেই দেখছি। ওটা নদীই।

    ওখানে কোনও খাদ নজরে পড়ছে?

    না প্রায় সমতলের মতো। কোনও খাদ নেই।

    তা হলে তো ওই নদীটা ডিঙোতে পারলেই আমাদের মুক্তি। সমস্ত বিপদের শেষ।

    আমারও তাই মনে হচ্ছে বাবু। এবারে আমরা অনায়াসে পালাতে পারব।

    আনন্দের আবেগে আমিও তখন একটু একটু করে গাছের একেবারে মগডালে বাহাদুরের কাছাকাছি উঠে গেলাম। বেশ নিরাপদ এখানটা। ঘন পাতার আড়ালে খুব নিশ্চিন্তে লুকিয়ে থাকা যায়। শুধু যা একটু কাঠপিঁপড়ের উপদ্রব। তা হোক। সহ্য করা যাবে। আত্মরক্ষার জন্য এটুকু কষ্ট না করলে চলবে কেন?

    ওপরে উঠে আমিও তীক্ষ্ণ চোখে সবকিছু লক্ষ করতে লাগলাম। না, বাহাদুর ভুল দেখেনি। ওই তো রুপোলি ফিতের মতো একটা নদী বহু দূরে সূর্যালোকে চকচক করছে।

    বেশ কিছুটা সময় গাছের ডালে বসেই কেটে গেল।

    তারপর যা ভেবেছিলাম হয়ে গেল তাই। অর্থাৎ সেই জংলিগুলো দলবদ্ধভাবে হই হই করে ছুটে আসতে লাগল এদিকে। ওরা সঙ্গে করে একটা পালকিও বয়ে এনেছে দেখলাম। সেই পালকিতে নিশ্চয়ই ওদের সর্দার আছে। মনে মনে ভাবলাম এসো বাছাধনরা। এই তো আমরা চাইছিলাম। আসতে অবশ্য অনেকটা সময় লাগল ওদের। একে তো ঝোপভরতি পথ, তার ওপর দূরত্বও কম নয়।

    ওরা এল। এবং সেই বিশাল গাছতলা দিয়ে চলেও গেল। আমরাও সময় নষ্ট না করে নেমে পড়লাম গাছ থেকে

    নামবার আগে অবশ্য ভাল করে বেশ চারদিক একবার দেখেও নিলাম। যখন দেখলাম আর কেউ নেই, তখনই নামলাম।

    তারপর সোজা এগিয়ে চললাম যে পথ দিয়ে জংলিরা এসেছিল, সেইদিকে। লক্ষ্য আমাদের নদী।

    যেতে যেতে বাহাদুর বলল, আচ্ছা বাবু ওদের সঙ্গে সেই লোকটিকে দেখলাম না তো?

    কোন লোকটি?

    ওই যে সেই বুড়ো, ঝাঁকড়া চুল।

    ও রামদুলালবাবু।

    আপনি নামও জেনে গেছেন?

    হ্যাঁ। তিনি আর এখানে এসে কী করবেন? এ হল জংলিদের ব্যাপার। তিনি হলেন ভিন্ন জাত। এদের তো নন।

    যাই হোক, আমরা কখনও জোরে পা চালিয়ে, কখনও ছুটে গুহার দিকেই চললাম। তবে আর তো গুহায় ঢোকার প্রয়োজন নেই। তাই ডানদিকের পথটা ধরে নদীর দিকে এগোলাম আমরা।

    কিছু পথ যাবার পর দেখলাম, এক জায়গায় সাতটি ঝরনা বা সপ্ত নদীর ধারা একত্রিত হয়ে প্রবল প্রবাহে নেমে আসছে একটি পাহাড়ের গা বেয়ে। দূর থেকে এটি অবশ্য আমাদের নজরে পড়েনি। কেন না এটি একটি খাড়াই পাহাড়ের বাঁকে ছিল।

    নদীর ওপারে পাহাড়ের বাঁকে এক মনোরম ঢাল। কত বিচিত্র বর্ণের নুড়িপাথর যে পড়ে আছে সেখানে, তার আর শেষ নেই। দেখে মনে হয় কিছু পাথর খুবই মূল্যবান। যাই হোক, সেই মূল্যবান নুড়িপাথরের ঢালের গায়ে ঘন সবুজ নিবিড় বন। গাছপালার চেহারা দেখলে কাশ্মীর উপত্যকার কথা মনে হয়। কুলু কাংড়ার সৌন্দর্যও যেন প্রকটিত হয়ে উঠেছে এখানে।

    আত্মগোপনের চমৎকার একটি জায়গা। কোনওরকমে নদীটা একবার পার হতে পারলে মুক্তিও মিলতে পারে। তবে তা দুরূহ প্রচেষ্টা। কেন না যা খরস্রোতা নদী।

    নদীটা প্রবল প্রবাহে ধোঁয়ার আকারে একপাশে প্রায় দু’ হাজার ফুট নিচু খাদে পড়ছে।

    কিন্তু নদীর ওপারে কী করে যাব?

    যা বেগ তাতে তো কুটোর মতো ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। বড় বড় বোল্ডারের মতো পাথরের চাঁই যা দু’-একটা রয়েছে, তাতে তো শ্যাওলা ধরে আছে। সবচেয়ে মারাত্মক যা, তা হল নদীর বালি ও পাথরের খাঁজে হাঁ করে আছে বড় বড় কুমির। যারা আলুভাতের মতো দু’জনকে মুখে পুরে নিতে একটুও কষ্ট বোধ করবে না।

    আমি হতাশ হয়ে বললাম, আমরা ভারতবর্ষেই আছি তো? নাকি ভুল করে আফ্রিকার জঙ্গলে ঢুকে পড়েছি?

    বাহাদুর বলল, আমরা ঠিক জায়গাতেই আছি বাবু। এটা হচ্ছে লুসাই পাহাড়ের রেঞ্জ। এও হিমালয়।

    এইরকম বিচ্ছিন্ন পরিবেশের প্রভাবেই এই মানুষগুলো আজও জংলি হয়ে আছে। এবং দুর্লঙ্ঘ প্রাকৃতিক অবস্থানের জন্য কেউ এদের অস্তিত্ব টেরও পায় না। ফলে এরা যেমনি অসভ্য, তেমনি বর্বর।

    যাই হোক। নদী পার হবার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই দেখে, আমরা মাথায় হাত দিয়ে বসলাম।

    এমন সময় বাহাদুরই হঠাৎ বলল, ওই দেখুন বাবু কী বিচিত্র একটা জিনিস।

    দেখলাম একটা প্রকাণ্ড পাথরকে কুঁদে এক ভয়ংকর মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। মূর্তিটা সম্পূর্ণ নয়। গলা থেকে মুখ ও মাথা পর্যন্ত। মুখটা প্রকাণ্ড এবং হাঁ করা। যেন সর্বস্ব গিলে খেতে চাইছে সেই হাঁ মুখে।

    তার সেই ক্ষুধার নিবৃত্তির জন্যই বুঝি একটি গ্যাজলা ওঠা তেলভরতি মাটির প্রদীপ দীপ্ত শিখায় জ্বলছে সেই মুখগহ্বরে। এই কি তবে নাগেশ্বরী? জংলিদের আরাধ্যা দেবী নাগমাতা?

    মূর্তিটার সামনে যেতেই দেখলাম, এক ঝাঁক বুনো হাঁস কোথা থেকে যেন বেরিয়ে এসে প্যাক প্যাক করে ডানা ঝাপটে উড়তে লাগল।

    তাদের দেখাদেখি এক ঝাঁক পাখিও।

    সে এক দেখবার মতো দৃশ্য।

    এখানে সারিবদ্ধ কতকগুলো ছোট ছোট ঘরও আছে দেখলাম। এই তা হলে জংলিদের বস্তি।

    ঘরগুলো এমন যে ওগুলোকে দেখলে ঘর বলে মনেই হবে না। মনে হে পাথরের খাঁজে খাঁজে গজিয়ে ওঠা কতকগুলো ঝোপ। প্রতিটি ঘরই বাইরের দিক থেকে বুনো লতাপাতায় ঢাকা। সেইসব লতা গাছে রকমারি সুগন্ধি ফুলও আছে।

    ঘরগুলোয় ঢোকবার জন্য কোনও দরজার বালাই নেই। সামান্য একটু আটকান দেওয়া। ঘাড় হেঁট করে গর্তের মতো জায়গা দিয়ে শুধু ঢুকে পড়া।

    যাই হোক, আমি চট করে সেগুলোর ভেতরে ঢুকে পড়ে একটু তল্লাশি চালালাম। খুঁজেপেতে দেখলাম, যদি পাওয়া যায় আমাদের খোয়া যাওয়া সেইসব জিনিসগুলো।

    বাহাদুরও চুপচাপ রইল না। সেও শুরু করল খোঁজাখুঁজি। দু’জনের সমবেত চেষ্টায় যদি পাওয়া যায়।

    এরই মধ্যে একটি ঝোপড়ি ঘর দেখলাম, বেশ উন্নত ধরনের। বুঝলাম এইটাই সর্দারের ঘর।

    বাহাদুরকে বললাম, বাহাদুর, তুমি একটু বাইরের দিকে নজর রাখো। আমি ভেতরটা খুঁজে দেখি।

    কেন বেকার সময় নষ্ট করছেন?

    আমার মনে হচ্ছে জিনিসগুলো এখানেই আছে।

    তাড়াতাড়ি করুন তা হলে। আমি বরং একটা গাছের ওপর উঠে ওদের দিকে নজর রাখি। বিপদ বুঝলেই শিস দেব। আপনি বেরিয়ে আসবেন।

    বাহাদুরের যুক্তিটা মন্দ নয়।

    এখানে সবসময় সতর্ক থাকা দরকার।

    তবে বিপদ বা ধরা পড়ার ভয়ও যেমন আছে, তেমনি আরও কিছু না থাক, লুকিয়ে পড়ার জন্য এইসব বৃহদাকৃতি গাছও আছে। বিশেষ করে ওই রাক্ষুসি দেবী নাগেশ্বরী যেখানে আছেন তার ঠিক পিছনেই আছে একটি প্রকাণ্ড গাছ। তার ডালপালাগুলোও যেন হাত বাড়িয়ে আকাশটাকে ধরতে যাচ্ছে। কী গাছ তা জানি না। ঘন ডালপালা। বড় বড় পাতা। আর যেন অন্ধকারময়। পাহাড়-জঙ্গলে এরকম কত গাছ যে আছে, কে আর অত নাম জেনে বসে আছে সব।

    বাহাদুর গাছে উঠল।

    আমি ঝোপড়ির ভেতরে ঢুকলাম।

    ঢুকেই অবাক। দেখি না আমাদের অতি যত্নে কেটে রাখা সেই হাতির দাঁতদুটো ঝোপড়ি ঘরের এক কোণে পড়ে আছে।

    এমনকী সেই বাঘের ছালটাও ছাড়িয়ে এনেছে দেখছি।

    অবশ্য এসবের জন্য এখন আর আমার মনে কোনও ক্ষোভ নেই। এখন শুধু আমাদের আসল জিনিসগুলো এবং প্রাণ নিয়ে পালাতে পারলে বাঁচি। তবুও খুব তৎপরতার সঙ্গে এটা ওটা সেটা দেখতেই পেয়ে গেলাম ম্যাপখানা।

    মনটা উল্লাসে নেচে উঠল।

    সর্দারের বিছানার নীচে গোঁজা ছিল ম্যাপটা। এতটুকু মলিন হয়নি। নকশা লেখা যেমন ছিল তেমনিই আছে। ম্যাপটা নিয়ে হাতড়াতে লাগলাম আরও কিছু পাওয়া যায় কি না তা দেখবার জন্য।

    ঘরের ভেতরে একটা মাচা মতন ছিল। টর্চ, পিস্তল আর ছুরিটা সেখানেই পেয়ে গেলাম।

    ঠিক তার ঘর থেকে বেরিয়ে আসার মুখেই দেখলাম যে ঘরে সর্দার থাকে, পাশের ঘরেই সারি সারি সাজানো আছে তরমুজ, পেঁপে আর রামকলার কাঁদি। আমি তাড়াতাড়ি করে কয়েক ছড়া কলা আর পেঁপে নিয়ে পালিয়ে এলাম। কেন না প্রাণ বাঁচানোর জন্য এবং পালিয়ে যাবার জন্য যতই চেষ্টা করি, ক্ষুধায় খাদ্য না পেলে পেট কোনও কথা শুনবে না।

    এমন সময় শিসের সংকেত শুনতে পেলাম। এ তো বাহাদুরের শিস।

    নিশ্চয়ই ওরা ফিরে আসছে এবার।

    বাহাদুর তাই সতর্ক করে দিচ্ছে।

    আমি আর একটুও বিলম্ব করলাম না। আর বিলম্বের দরকারই বা কী? আমার কাজ তো হাসিল হয়ে গেছে।

    আমি যা নেবার তা নিয়ে এক লাফে বাইরে বেরিয়েই তাড়াতাড়ি করে গাছে উঠতে লাগলাম। গাছে ওঠার ব্যাপারে আমি বরাবরই পটু। তাই খুব একটা অসুবিধা হল না। বিশেষ করে এখানকার গাছপালার ডালগুলো ঘন এবং মোটা বলে চটপট করে ওপরে ওঠা যায়।

    আমি ডালপালা ধরে ওপরে উঠে আসতেই বাহাদুর জিজ্ঞেস করল, লাভ হল কিছু? পেয়েছেন?

    আমি হেসে বললাম, ভগবান সহায়। পেয়েছি।

    ওরাও আসছে। ওই দেখুন।

    ওরা আসবে, সে তো জানিই। গেছে যখন ফিরতেই হবে। তবু তাকিয়ে দেখলাম দূরে— অনেক দূরে ঝোপজঙ্গল পেরিয়ে জংলিরা দলে দলে আসছে। বাহাদুর এইসময় একবার আড়চোখে আমার হাতের দিকে তাকাল অর্থাৎ সংগ্রহ করে আনা সেই ফলমূলগুলোর দিকে।

    আমি বললাম, ওরা আসার আগেই খাওয়াটা সেরে নেওয়া যাক। পরে হয়তো সময় পাব না।

    বাহাদুর বলল, খুব খিদে পেয়ে গিয়েছিল। এতসব কোথায় পেলেন বাবু? সর্দারের ঘরে।

    ওঃ বাঁচালেন আপনি।

    আমরা দু’জনেই তখন সর্বাগ্রে গোগ্রাসে খেতে শুরু করে দিলাম সেগুলো।

    খেয়ে ফলের খোসাগুলো গাছেরই একটা ফোকরে গুঁজে রাখলাম। না হলে নীচে পড়লেই চোখে পড়বে ওদের। আর চোখে পড়লেই সর্বনাশ। যদি গাছের দিকে তাকায়, তা হলে আবার ধরা পড়ে যাব।

    বাহাদুর খাওয়া শেষ করে বলল, তা বাবু আমাদের এইভাবে এখানে সময় নষ্ট করে গাছের ডালে বসে না থেকে, পালাবার চেষ্টা করলে হত না? এইভাবে পিঁপড়ের কামড় খেয়ে কতক্ষণ বসে থাকব?

    সারাদিন। এখন পালাতে গেলেই ধরা পড়ব। সে খেয়াল আছে? সব ব্যাপারে বেশি আঁকুপাঁকু করলে হয় না। অসীম ধৈর্যে বুক বেঁধে বসে থাকতে হবে আমাদের।

    কিন্তু এখানে বসে থেকেও যদি ধরা পড়ি?

    সেটা নেহাতই দুর্ভাগ্য বলতে হবে। তবে একটা ব্যাপারে এখন আমরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারি এই যে, ওরা কিন্তু ধরেই নিয়েছে আমরা পাহাড় টপকে পালাতে গিয়ে খাদে পড়ে মারা গেছি। কাজেই এখন আর ওরা আমাদের নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবে না। ওরা এখন ওদের দলের লোকদের মৃত্যু নিয়েই চিন্তিত। তাই আমাদের প্রতি আর ওদের নজর নেই।

    তা অবশ্য ঠিক।

    তবুও এখানকার প্রকৃতিগত অবস্থানের জন্যে যে বাধা আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাতে আমার মনে হচ্ছে সময় ও সুযোগ বুঝে আমাদের পালাতে গেলেও ওই গুহার ভেতর দিয়েই পালাতে হবে।

    বাহাদুর আক্ষেপের সুরে বলল, আবার ওই গুহা। গুহা দেখছি আমাদের ছাড়বে না।

    না গুহাপথ ছাড়া সত্যি সত্যিই আর আমাদের কোনও পথ নেই। কেন না এখানকার প্রাকৃতিক অবস্থা অনেকটা মধ্যপ্রদেশের অমরকণ্টক পাহাড়ের শোণ প্রপাতের জায়গাটার মতো।

    তা হলে কখন যাবেন ঠিক করছেন?

    দিনমানে তো সম্ভব নয়। সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রাতের অন্ধকারেই যেতে হবে আমাদের।

    বাহাদুর বলল, ওই ম্যাপটার মধ্যে কি গুহাপথের কোনও নির্দেশ দেওয়া আছে?

    আছে বইকী। সেইজন্যেই তো এত কষ্ট করে বিপদের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করলাম এটাকে। এইখানে নিরাপদে বসে সেই ম্যাপ দেখে গুহাপথের নির্দেশ বুঝে নিয়ে তবেই আবার ভেতরে ঢুকব।

    আর তা হলে কোনও ভয় নেই বাবু, কী বলুন?

    ভরসাও নেই। সমুদ্রে পেতেছি শয্যা শিশিরে কী ভয়? শুধু সতর্কতার সঙ্গে প্রতিটি পদক্ষেপ এগিয়ে যেতে হবে আমাদের।

    এমন সময় বাহাদুর হিস্ করে উঠল।

    ওর সংকেত বুঝতে পেরেই আমার রোমকূপগুলো খাড়া হয়ে উঠল তখন। এই অবস্থায় ঠিক কী করা উচিত, তা আমার জানা আছে। একদম নড়াচড়া নয়। একেবারে স্থিরভাবে বসে থাকতে হবে। না হলেই মৃত্যু।

    উঃ। কী দারুণ হিমশীতল ঠান্ডা সেই পিচ্ছিল পরশ। পাহাড়ি সাপটা যে কখন গাছের ডাল বেয়ে এসে আমার কাঁধে নেমেছে তা টেরই পাইনি।

    কাঁধের ওপর থেকে আস্তে আস্তে সেটা আমার বুকে নামল। তারপর কুতকুতে চোখে মাথাটা একটু দুলিয়ে সড় সড় করে চলে গেল সামনের একটি ডাল বেয়ে।

    এতক্ষণ আমি নিশ্বাস পর্যন্ত ফেলিনি। এবার হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। হঠাৎ একটা পিলে চমকানো শব্দে বুকটা কেঁপে উঠল। জংলিরা কখন যে এসে গাছতলায় দাঁড়িয়েছে তা খেয়াল করিনি।

    পাগলের মতো উন্মত্ত হয়ে দামামা বাজাতে লাগল তারা। দ্রিম দ্রিম দ্রিম সেই সঙ্গে বিকট চিৎকার।

    কেউ কেউ বুক চাপড়ে কান্নাও শুরু করে দিয়েছে।

    সেই ভয়ংকরী দেবীমূর্তির সামনে এসে লুটিয়ে পড়ছে সবাই।

    সর্দার নতজানু হয়ে দেবীকে প্রণাম করল। তারপর কী ভেবে যেন ওপর দিকে তাকাতে গিয়েই থেমে গেল সর্দার। কান্না মাথায় উঠে গেল তার। সোজা খাড়া হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে মুখ দিয়ে ‘আকুকুক্’ করে একটা অদ্ভুত শব্দ বার করে সমস্ত জংলিদের হাতছানি দিয়ে ডাকল।

    জংলিগুলো কান্না থামিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ছুটে এল সর্দারের কাছে।

    সর্দার আঙুল তুলে গাছের ওপর দেখতে বলল সকলকে। ইসরে। ধরা পড়ে গেলাম।

    গাছের দিকে তাকানো মাত্রই হনুমানের মতো লম্ফঝম্ফ শুরু হয়ে গেল জংলিদের। তারপর বল্লম উঁচিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে লাগল গাছের দিকে। আমাদের চোখে যেন জল এল।

    হাত-পা কাঁপতে লাগল ভয়ে। নাঃ। বিধি বাম। তাই এত চেষ্টা করেও মুক্তির স্বাদ পেলাম না। অভিশপ্ত তিড্ডিমের এই অভিশপ্ত প্রান্তরেই বল্লমের খোঁচা খেয়ে অসহায়ভাবে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করতে হবে আমাদের।

    আমরা আবার ওদের নজরে পড়ে গেলাম।

    বাহাদুর ভয়ে চোখ বুজল।

    আসলে কিন্তু আমরা যে ভয় করছিলাম, তা ঠিক নয়। ওরা আমাদের দেখতেই পায়নি। ওরা যা দেখে ছুটে এসেছিল তা হল একটা সাপ। বোধহয় খুব ভয়ংকর জাতের সাপ। না হলে এই সাপের রাজত্বে বাস করে সাপ দেখে ছুটে আসবে কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous ArticleCities of the Plain (Sodom and Gomorrah) – Marcel Proust
    Next Article পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পাণ্ডব গোয়েন্দা সমগ্র ১ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    দুয়ে শূন্য বিষ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }