Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশন – অভিষেক সেনগুপ্ত

    লেখক এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হারানো সুর

    পল্টু হ্যান্ডেলের বল বিয়ারিং চেক করে বলল, ‘নাহ্ দাদা, কোনও রকম গলদ তো খুঁজে পেলাম না। আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে না তো?’

    গতরাতের কথা মনে পড়লেই লাল পিঁপড়ের মতো একরাশ ভয় ছেঁকে ধরছে আমাকে। মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। এখনও টের পাচ্ছি আতঙ্কের গন্ধ।

    পল্টুর কথায় চিন্তা হল। কোনও গোলমাল নেই তো ব্যাপারটা ঘটল কেন? যন্ত্র তো আর মানুষের শরীর নয় যে, কোনও রন্ধ্রে বা তন্তুতে সিঁধিয়ে থাকা সমস্যা মাথা না তুললে বোঝা যাবে না! অন্য একটা আশঙ্কাও কাজ করছে, আবার যদি এক কাণ্ড ঘটে?

    পল্টুকে বললাম, ‘তুমি ঠিক করে চেক করেছো তো?’

    পল্টু লালচে দাঁত বের করে হেসে বলল, ‘দাদা, এই কাজই তো দিনরাত করছি। ভুল হবে না। এসব পেশেন্ট আমি ভালোই চিনি।’ পল্টু একটু থেমে বলল, ‘আচ্ছা দাঁড়ান। বলছেন যখন, একবার টেস্ট ড্রাইভ দিয়ে দেখছি। কোনও রোগ যদি থাকে, ঠিক ধরা পড়বে।’

    কিক মেরে ও বাইকটা স্টার্ট করল। পুরোনো আমলের বুলেট। বিশাল ও ভারী চেহারা। কিন্তু ভীষণ মজবুত। এই গাড়ির বিকল্প হয় না। ডাবল স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকলেও ডিক… ডিক আওয়াজ তুলে গাড়িটা দুলছে। সাইলেন্সর পাইপ দিয়ে ইষৎ কালচে ধোঁয়া বের হচ্ছে। পুরোনো গাড়িতে ছুটকোছাটকা সমস্যা থাকেই। কিন্তু যেটা আমার সঙ্গে ঘটেছে, সেটা ক্রনিক প্রবলেম না থাকলে হয় না। পল্টু সিটে চেপে বসে বাঁ পায়ের চাপে ফার্স্ট গিয়ারটা তুলতেই গদাইলস্করি চালে চলতে শুরু করল বুলেটটা। রাজার গাড়ি, দেখলেই বোঝা যায়। সেলফটা নেই, এই যা। নরম হাতে এক্সেলেটরে চাপ দিয়ে রাস্তার বাঁকে অদৃশ্য হয়ে গেল পল্টু।

    সাতদিন হল এই পুরোনো বাইকটা কিনেছি। আমার অনেকদিনের শখ, এই রকম একটা বাইক চালাব। কলকাতা শহরে আজকাল বাইক চালানোই দুষ্কর। একহাত অন্তর অন্তর সিগনাল, রাস্তার ভিড়, বাস-ট্যাক্সি-প্রাইভেট কারের ক্যাঁচরম্যাচর। কিন্তু শখের সঙ্গে আপস করার বান্দা আমি নই। গড়িয়ায় আমাদের পাড়ার পিছনের কলোনিতে অনন্তবাবু নামে একজন ভাড়া থাকেন। ওঁর বাড়ির সামনের একফালি বাগানে বুলেটটা পড়েছিল। আমি বাজার যাওয়ার পথে ক’দিন ধরেই জিনিসটা দেখছিলাম। পুরোনো ইচ্ছেটা আমাকে ঠেলে পাঠিয়েছিল অনন্তবাবুর কাছে। উনি ইতঃস্তত করেছিলেন, গাড়িটা কিনতে চাই শুনে। এক সময়ের সঙ্গী তো, কাছছাড়া করতে চাইছিলেন না হয়তো। তা ছাড়া, পুরোনো জিনিস। ঠিকঠাক কতটা আছে, তা নিয়েও কিছুটা চিন্তায় ছিলেন। কিন্তু আমি ঝুলে পড়েছিলাম। শেষমেষ বাধ্য হয়েই নামমাত্র টাকায় বাইকটা আমাকে বিক্রি করেছেন। একসময় সবুজ রং ছিল ওটার। জ্বলে গিয়ে মরা ঘাসের মতো হলদে দেখাত। কিন্তু সাড়ে তিনশো সিসির বাইক হঠাৎ পাওয়া কি মুখের কথা? তার ওপর জার্মান ইঞ্জিন। জবরদস্ত চিজ। একেবারে ভিন্টেজ জিনিস।

    আমি কর্পোরেশনের ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টে চাকরি করি। গড়িয়া থেকে ধর্মতলায় অফিস যাতায়াতের জন্য এর থেকে ভালো বাহন হয় না। বুলেটটা কিনেই পুরোনো চেহারা ফেরাতে পাড়ার এক চেনা মিস্ত্রির হাতে সঁপে দিয়েছিলাম। সে দেখে আপ্লুত, ‘দাদা মাইরি বলছি, এ জিনিস আজকাল দেখা যায় না! কোত্থেকে জোটালেন বলুন তো?’ আমি ভ্রু পর্যন্ত তৃপ্তির দাঁত দেখিয়েছিলাম ওকে।

    গত তিনদিন হল, অসংখ্য কৌতুহলী চোখের সামনে বাইকের ধুলো উড়িয়ে অফিস যাচ্ছি। সুন্দরী বউকে নিয়ে অনুষ্ঠানে গেলে যেমন আত্মীয়দের চোখ থেকে হতাশা গড়িয়ে পড়ে, আমার বাইক দেখে তেমন হচ্ছে। বন্ধুদের হিংসের পাহাড় বাঁকে মিলিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত আমাকে অনুসরণ করে, বেশ বুঝতে পারি। কিন্তু গর্বের বেলুনটা যে এইভাবে চুপসে যাবে, বুঝতে পারিনি। গতরাতে আর একটু হলেই আমি শেষ হয়ে যেতাম। বাইকটা নিয়ে এই সকালে পল্টুর গ্যারাজে আসার বদলে কোনও মর্গে হয়তো ঘুমিয়ে থাকতে হত!

    ইয়ার এন্ডিংয়ের সময় ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টের ঝামেলা বেশি। অফিস থেকে বেরোতে দেরি হয়। কাল রাতে হাতের কাজ মেটাতে মেটাতে দশটা হয়েছিল। অন্যরা বাড়ির ফেরার জন্য উদ্বিগ্ন হলেও আমি জানি, কর্পোরেশনের পার্কিং লটে আমার বাহন অপেক্ষা করছে। কাজ সেরে পার্কিং লটে এসে বুলেটটার মাথায় আদুরে চাপড় মেরে স্টার্ট দিলাম। নিউ মার্কেট ফাঁকা। ডিক… ডিক আওয়াজ তুলে রওনা দিলাম বাড়ির দিকে।

    রাতের কলকাতা জ্যামমুক্ত। পার্ক স্ট্রিট ভেঙে ক্যামাক স্ট্রিট ধরে ছিলাম। এলগিন রোডে গোঁত্তা খেয়ে শরৎ বোস রোড ধরে লেক ক্রসিংয়ে চলে এলাম দিব্যি। লেকের ব্রিজ ক্রস করে লর্ডসের মোড় থেকে গল্ফ গ্রিনে ঢুকব। রাত দশটার পর কলকাতার রাস্তায় লরি চলাচল শুরু হয়। লেকের ব্রিজ উঠতেই দেখলাম, উল্টো দিকের রাস্তা ধরে একটা লরি আসছে। মন্থর গতি। খুব একটা আমল দিইনি। রাস্তা ফাঁকা। আমি ডাউনে আছি। লরিটা আপে। এত ভাবারও কিছু নেই। ধীরেসুস্থেই চালাচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হল, লরিটা যেন স্পিড বাড়িয়েছে। দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছে। লালচে পলিথিন ডিভাইডার আছে। দূর থেকে ওগুলোর সাদা ফ্লোরেশন কালার দেখা যায়। ফলে আমার দিকের রাস্তায় লরিটার উঠে পড়ার আশঙ্কা নেই। কিন্তু কয়েক মিটার এগোতেই দেখলাম, লরিটা একটু বেশিই যেন ডানদিক ঘেঁষে চলছে। বাঁদিকে সরে যাব। ভেবে, বুলেটটা কাত করতেই বুঝলাম, হ্যান্ডেলটা স্টিফ হয়ে গেছে। আমি চাইলেও বাঁ দিকে সরতে পারছি না। বুলেটটার ঝোঁকও যেন কিছুটা ডানদিকেই। লরিটা গোঁগোঁ করে তেড়ে আসছে। ভাবলাম ব্রেক মেরে দাঁড়িয়ে যাব। ডান পা-টা মারতেই বুঝতে পারলাম, ব্রেক বলে কোনও বস্তুই নেই! পা পিছলে যাচ্ছে। কিন্তু ব্রেক ধরছে না। এক অজানা আতঙ্ক চেপে ধরল। ডানহাতের ব্রেক মারতেই পারি। সেটা আত্মহত্যার সামিল হবে। ছিটকে পড়ব চলন্ত বাইক থেকে। ডানদিকে যদি পড়ি, লরিটা আমার ওপর দিয়ে নির্বিবাদে চলে যাবে। আর একবার প্রাণপণে ডান পায়ের ওপর পুরো শরীরের ভর দিয়ে পিছনের ব্রেকটা মারার চেষ্টা করলাম। অবাক হয়ে দেখলাম, বুলেটটা আমার নিয়ন্ত্রণ নেই। ওটা নিজের খেয়ালে চলছে! লরিটার গোঁগোঁ আওয়াজটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ক্ষ্যাপা ষাঁড়ের মতো তেড়ে আসছে ওটা। হেডলাইটের গনগনে আলো নিয়ে ওটা এগিয়ে আসছে মৃত্যুদূতের মতো। বুঝতে পারছি, আমার কিছু করার নেই। স্রেফ কিছু সেকেন্ড আছে হাতে। তারপর লরির কোনও একটা চাকায় আমার হৃদপিণ্ড থেঁতলে যাবে। কী করব, বুঝতে পারছি না। মাথাও কাজ করছে না। কোনও কিছু না ভেবে, ডানহাতের ব্রেকটাই সজোরে মারলাম। কিন্তু একী, সামনের ব্রেকটাও রেসপন্স করছে না। একটু আগেও ওটা দিব্যি ছিল। এখন কী হল? আতঙ্কে চোখ বুজে ফেললাম। থরথর করে কাঁপছে আমার শরীর। হাতের রোম বাড়ির পাঁচিলে লাগানো পেরেকের মতো উঠে দাঁড়িয়েছে। মৃত্যু নিশ্চিত। ওই প্রবল মৃত্যু ভয়ই বাঁচিয়েছে আমাকে। কোনও উপায় না দেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম বাঁ দিকের রাস্তায়। পেছন থেকে একটা প্রাইভেট কার আসছিল। কালো অ্যাম্বাসাডার। ওটার মরিয়া ব্রেক মারার ক্যাঁঞঞঞঞচ্ আওয়াজটাই শুধু শুনতে পেয়েছিলাম। লরিটা হইহই করে পেরিয়ে গেল সামান্য দূর দিয়ে। না হলে মৃত্যু এতক্ষণে তছনছ করে ফেলত আমাকে। বুলেট থেকে সজোরে লাফিয়ে পড়ার জন্য, পিচ রাস্তার কামড়ে আমার বাঁ দিক ছিঁড়েখুড়ে একাকার। অ্যাম্বাসাডারের ড্রাইভার আমাকে তুলল। তখনও আমি কাঁপছি। হাড়গোড় ভাঙেনি। তবে বাঁ হাঁটু আর কনুইয়ে প্রবল চোট পেয়েছি। হেলমেটটা খুলে দেখলাম, ওটা আড়াআড়ি ফেটে গেছে। হেলমেট না থাকলে মাথা ফেটে ঘিলু বেরিয়ে যেত। ড্রাইভার ভদ্রলোকই জলটল দিলেন। কিছুটা ধাতস্ত হলাম।

    বুলেটটা রাস্তার একপাশে কাত হয়ে পড়েছিল। আমি বাইক থেকে যখন লাফিয়ে পড়েছিলাম, তখন লরিটার থেকে মিটারখানেক দূরত্ব হবে আমার। লরির তলায় বাইকটার চাপা পড়ার কথা। কিন্তু ওটা অক্ষত! এমনকি, স্টার্টও বন্ধ হয়নি। তা হওয়ার কথা নয়। থার্ড গিয়ারে ছিল গাড়িটা। নিউট্রাল তো করিনি। আমি একটু খুঁড়িয়ে গিয়ে বাইকটাকে তোলার চেষ্টা করলাম। ভারী গাড়ি। সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমার শরীর কাঁপছে। সমস্ত স্নায়ু বিহ্বল হয়ে পড়েছে। ভারসাম্যও যে কারণে হারিয়ে ফেলেছি কিছুটা। ড্রাইভারসাহেব আমাকে সাহায্য করলেন। সাইড স্ট্যান্ডে বাইকটাকে দাঁড় করিয়ে দেখলাম, রাস্তায় ছেঁচড়ে পড়া সত্ত্বেও বিপুল চেহারার বুলেটের গায়ে একটিও আঁচড় লাগেনি। অ্যাম্বাসাডারের ড্রাইভার আমাকে জিজ্ঞেস করল, যেতে পারব কিনা। আমি একটু হেঁটে-চলে, ফিটনেস টেস্টের মতো কাঁধ-কবজি-হাঁটু সহ শরীরের যাবতীয় মালপত্র চেক করে বললাম, পারব।

    ধীরে ধীরে বাইক চালিয়ে গতকাল রাতে বাড়ি ফিরে এসেছিলাম। সোনালিকে পুরো ব্যাপারটা চেপে গিয়েছি। আমি বুলেটটা কিনি, ও চায়নি। অ্যাক্সিডেন্ট করেছি জানলে, চালানোই বন্ধ হয়ে যাবে। যন্ত্রের দোষ কী! যে কোনও সময় বিগড়োতে পারে। কিন্তু সোনালিকে বোঝানো মুশকিল। সকাল হতেই পাড়ার মেকানিকের ওপর আর ভরসা না রেখে রাসবিহারীতে পল্টুর কাছে ছুটে এসেছি। জটিল রোগ মনে হচ্ছে। একজন ভালো ডাক্তারের পরামর্শ দরকার।

    পল্টু হাসিমুখে বুলেটটা নিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়াল। দাঁত বের করে হেসে বলল, ‘নাহ্ দাদা, কোনও সমস্যা নেই। আপনি অকারণেই ভয় পাচ্ছেন।’

    ২

    বাগানঘেরা যে দোতলা বাড়ির নীচেতলায় অনন্তবাবু ভাড়া থাকেন, তার দরজায় তালা দেওয়া। একা মানুষ বলে শুনেছি। কোথাও বেড়াতে গেছেন হয়তো। দোতলা থেকে এক বয়ষ্ক মহিলা মুখ বাড়িয়ে জানতে চাইলেন, কাকে খুঁজছি। অনন্তবাবুর কথা বললাম। উনি জানালেন, অনন্তবাবু বাড়ি ছেড়ে দিয়েছেন। কোথায় গেছেন, জানেন না। অবাক হলাম। অনন্তবাবুর সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল না। বুলেটটা কেনার সূত্রে আলাপ। কেনার পর একবার এসেছিলাম ওঁকে বাইকটার নতুন চেহারা দেখাতে। কিন্তু দশদিনের মধ্যে তিনি বাড়ি পাল্টে ফেলবেন, জানা ছিল না। ওই রাতের ঘটনাটার পর খচখচ করছিল মনটা। তার মধ্যে গতকাল আর একটা ঘটনাটা ঘটেছে। গুরুতর না হলেও এড়িয়ে যেতে পারছি না।

    সপ্তাহ দুয়েক পর পয়লা বৈশাখ। ছেলেমেয়ের জন্য নতুন জামাকাপড় কিনে কর্পোরেশনের পার্কিং লটে এসে দেখলাম, গাড়িটার গায়ে একরাশ ধুলো। ওটা কেনার পর সাদা রং করিয়েছি। গ্ল্যামার বেশ খুলেছে। সেই সাদা রং ধূসর করে ওটার গায়ে কেউ মুঠো মুঠো ধুলো লেপে দিয়ে গেছে! শখের জিনিস। মনটা হুহু করে উঠল। কর্পোরেশনের কর্মী ছাড়া এই জায়গাটায় কেউ গাড়ি রাখে না। এই পার্কিং লটের চার্জে থাকে যে সিকিউরিটি, তার সঙ্গে কথা বললাম। সে বলল, দেখেনি।

    পুরো চত্ত্বর জুড়ে সবসময় লোকে লোকারন্য থাকে। তাই পার্কিং লটে সিকিউরিটি রাখা হয়েছে। আর পার্কিংয়ে ঢুকতে হলে সিকিউরিটির গেট সামনে দিয়েই যেতে হবে। অন্য কোনও রাস্তা নেই। তা হলে কেউ গাড়ি রাখতে এসে এই কাণ্ড করেছে? হাবাগোবা সিকিউরিটি গার্ডটা একটা কাপড় জোগার করে গাড়িটা মুছে দিল।

    কাজ শেষ করে মাথা চুলকে সে বলল, ‘স্যর আমার কোনও দোষ নেই। কাউকে ঢুকতে দিই না এখানে।’

    আমি কথা বাড়ালাম না। বললাম, ‘ঠিক আছে। নজর রেখো। এরকম যেন না হয় আর।’

    আজ সকালে আবার এক ঘটনা। এবার আমার বাড়ির গ্যারাজেই। সকালে অফিস যাওয়ার জন্য স্নান-খাওয়ার আগে বুলেটটা মুছি। গতকাল ধুলো মেখে পড়েছিল। ঠিক করেছিলাম, আজ গাড়িটা ধোব। গ্যারাজ খুলে বাইকটা বের করতে গিয়ে অবাক হলাম। সিট কভার, অয়েল ট্যাঙ্কে মুঠো মুঠো ধুলো। যেন কেউ রসিকতা করছে! গতকাল কর্পোরেশনের পার্কিং লটে যা ঘটেছে, একটা যুক্তি ছিল। কিন্তু এখন? কাল সিকিউরিটি গার্ডটাকে ধমকেছিলাম। আজ কাকে বকাবকি করব? দুই ছেলেমেয়ের মধ্যে পলির বয়স চার, চিন্টুর এক। ওদের কারও পক্ষে এটা করা সম্ভব নয়। সোনালিও করবে না। বাইরের কেউ? গ্যারাজে বুলেটটা ঢুকিয়ে তালা মেরে দিই রোজ। গতকাল রাতেও তাই করেছি। তা হলে? বাঁদিকে মাথা হেলিয়ে জোড়া পায়ে দাঁড়ানো বাইকটাকে দেখতে দেখতে অনন্তবাবুর কথা মনে পড়েছিল। ভদ্রলোকের সঙ্গে একবার কথা বলা দরকার।

    ৩

    আমাকে দেখে সন্দীপ ভ্রুটা এমন নাচাল, যেন গোপন কিছু জানতে পেরেছে! সব অফিসেই বন্ধুদের একটা সার্কেল থাকে। আমারও আছে। যে জনাচারেক অফিস কলিগের সঙ্গে মাখামাখি, সন্দীপ তাদের একজন। ওর আবার কী হল! এখন রাজ্যের কাজ। অফিসে সারাক্ষণ ফাইল চাপা পড়ে থাকি। একটা শেষ করতে না করতে আর একটা জুটে যায়। সন্দীপের সঙ্গে ব্রেকে কথা বলব। নিজের টেবলের দিকে হাঁটা লাগালাম। আজ আবার সৌরভের বিয়ে। ছেলেটা নতুন জয়েন করেছে। নিমন্ত্রণ রয়েছে আমাদের সবার। সন্ধের মধ্যে বেরিয়ে যাব। সেই বারাসাত যেতে হবে। আমি বাইক নিয়েই যাব। কতটুকু আর পথ।

    সৌরভের রিসেপশনে জব্বর খাওয়াদাওয়া হল। আজকাল বিয়ে বাড়িতে মাটনের রেওয়াজটা ফিরেছে। মাটন বিরিয়ানি আর চিকেন চাঁপ খেয়ে পেট আইঢাই। এগারোটা নাগাদ সৌরভের বাড়ি থেকে বেরোলাম। এয়ারপোর্ট হয়ে বাইপাস ধরে নিলে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাড়ি পৌঁছে যাব। রাস্তা এই সময় ফাঁকা থাকে। হাওয়া খেতে খেতে রওনা দিলাম। গাড়িটা নিয়ে আর কোনও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেনি। তবে ইদানীং বেশি চালাচ্ছি না। আজ সৌরভের বিয়ে অ্যাটেন্ড করে বারাসাত থেকে রাতবিরেতে কী ভাবে ফিরব ভেবে বুলেটটা নিয়ে এসেছি। এয়ারপোর্ট ছাড়িয়ে কিছুটা এগোনোর পর সন্দীপের কথা মনে পড়ল।

    একসঙ্গে খেতে বসেছিলাম দু’জন। সন্দীপ ঠেলা মেরে বলল, ‘কী রে পরশু রাতে কার সঙ্গে হাওয়া খেতে বেরিয়েছিলি?’

    সন্দীপ মজা করছে ভেবে হাসিমুখে তাকালাম ওর দিকে। সন্দীপের বাড়ি পার্ক সার্কাসে। ও গতকাল গড়িয়া গেছিল। পার্ক সার্কাসের বাস ধরার জন্য রাত দশটা নাগাদ গড়িয়া মোড়ে দাঁড়িয়েছিল। তখন আমাকে দেখেছে। আমি নাকি এক মহিলাকে বাইকের পিছনে চাপিয়ে কোথাও একটা যাচ্ছিলাম। দ্রুত বেরিয়ে গেছিলাম বলে ও ডাকার সুযোগ পায়নি। কাল অফিস থেকে ফিরে কুঁদঘাটে একবন্ধুর বাড়ি গেছিলাম। অ্যানিভার্সারির নিমন্ত্রণে। সোনালি দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বাপেরবাড়ি গেছে। তাই একাই গেছিলাম। সন্দীপ হয়তো ওখান থেকে ফেরার সময় দেখেছে। কিন্তু বাইকের পিছনে কোন মহিলাকে দেখল? কেউ তো ছিল না!

    আমি হাসতে হাসতে ওকে বললাম, ‘তুই তোর চোখটা দেখা। সঙ্গে মাথাটাও। কী দেখতে কী দেখেছিস!’

    সন্দীপ সিরিয়াস গলায় বলল, ‘বিশ্বাস কর অরূপ, আমি মিথ্যে বলছি না। তুই চলে যাওয়ার পর ভাবলাম, তোর পরিচিত কেউ হবে। ভুলও দেখিনি। ওটা তুই-ই ছিলিস। মোবাইল চার্জ আউট হয়ে গেছিল বলে তোকে আর ফোন করতে পারিনি।’

    গাড়ি চালাতে চালাতে সন্দীপের কথা মনে পড়তে হেসে উঠলাম। পাগল! সোনালি কাল ফিরবে বাপেরবাড়ি থেকে। ওর ভাইয়ের বিয়ে সামনে। শেষ পর্বের শপিং দিদি নিজে হাতে সারছে। এখন সাড়ে এগারোটা বাজছে। রাস্তা অন্যান্য দিনের তুলনায় একটু বেশি ফাঁকা। আমি ধীরে বাইক চালাচ্ছি। তাড়াহুড়ো নেই। গিয়ে শুয়ে পড়ব। কাল রবিবার। ফলে সকালে ওঠার তাড়াও নেই।

    এয়ারপোর্ট থেকে উল্টোডাঙ্গার রাস্তাটা ঝাঁ চকচকে। বাঁদিকে খালের ধারে মর্নিং ওয়াকারদের জন্য পার্ক হয়েছে। ডান হাতে লন্ডনের বিগ বেনের আদলে স্মল বেন। রাস্তার আলোগুলো শুধু জ্বলছে না। তাতে অবশ্য সমস্যা হচ্ছে না। কারণ, মাথার ওপর একথালা চাঁদ উঠেছে। আর একটু এগোলেই একটা ব্রিজ পার করে বাইপাসে পড়ব। এই জায়গাটায় রাস্তা সারাইয়ের কাজ চলছে। তিন-চারটে রোডরোলার দাঁড় করানো। তবে লোকজন নেই। বাঁ দিকের লেনটা ধরে বাইক চালাচ্ছি। চাঁদের তির্যক আলোয় গাড়ির ছায়া দেখতে পাচ্ছি। আমাকে পিঠে নিয়ে মসৃণ চলেছে একটা ছায়া। কিন্তু আমার চেহারাটা বেঢপ লাগছে। একটা বাইক আর তার চালকের মতো নয়। বরং ছায়াটা যেন একটু বেশিই চওড়া, ছড়ানো। যেন পিছনে কেউ বসে রয়েছে। চমকে পিছনে তাকিয়ে দেখলাম। কই, কেউ নেই তো!

    আমি হেসে ফেললাম। সন্দীপের কথাগুলো নিশ্চয় মাথায় ঘুরছিল। মনোবিদরা বলেন, মানুষ যা ভাবে গভীরভাবে, তাই অনেক সময় চোখের সামনে দেখে সে। আমার ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে।

    উল্টোডাঙ্গার বাইপাস কানেকটিং ব্রিজে উঠে পড়েছি এখন। পাওয়ার ফল্ট হয়েছে মনে হয় এলাকাটা জুড়ে। ব্রিজে আলো জ্বলছে না। এখান থেকে পূর্ব কলকাতাটাকে পুরোপুরি দেখা যায়। বাঁদিকে সল্টলেক। ডানদিকে উল্টোডাঙ্গা, কাঁকুরগাছি। আলোরমালা ভাসে চোখের সামনে। এখন সে সব দেখা যাচ্ছে না। উল্টোডাঙা গভর্মেন্ট হাউজিংটাকে ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে। ফুরফুরে হাওয়ায় ভর করে উড়ে চলেছি। ব্রিজের মাঝামাঝি আসতে আবার পিছন থেকে এসে পড়ল চাঁদের আলো। সেই আগের মতো ব্রিজের রেলিংয়ে বাইকের ছায়াটা দেখতে পেলাম। এবারও ছায়াটা একটু বেশিই চওড়া যেন। তবে আগের মতো ছড়ানো নয়। অনেক ঘনিষ্ঠ। আমার গায়েগায়ে লেপ্টে চলেছে আরও একটা অবয়ব। মেয়েলি আকৃতির একটা ছায়া! মুখের অবয়ব পর্যন্ত স্পষ্ট। ছায়াটার একরাশ খোলা চুল উড়ছে হাওয়ায়। তার মুখ যেন ঠিক আমার মুখের পাশেই রেখেছে। ভালো করে ছায়ার দিকে তাকিয়ে দেখলাম, কেউ আমাকে জাপ্টে ধরে বসেছে বাইকের পিছনের সিটে। তার একটা আমার বুকের ওপর। আর একটা হাত কাঁধে। দুটো ছায়াকে বয়ে নিয়ে এগিয়ে চলেছে বুলেটটা। চমকে পিছন ফিরে দেখলাম, কেউ নেই। তাহলে এই যে ছায়াটা দেখতে পাচ্ছি, এটা কার? মুহূর্তে অনুভব করলাম, ছায়াটাকে এখন অনুভব করতে পারছি। বাইকে আমি সত্যিই একা নই। পিছনের সিটে আর একজন আছে! তার তপ্ত নিঃশ্বাস, শরীরের মৃদু কম্পন অনুভব করছি। একজোড়া নরম স্তন আমার পিঠে লেপ্টে রয়েছে। আমার বুকের ওপর রাখা তার হাতের ছোঁয়া পাচ্ছি। পাঁচ আঙুলের নড়াচড়ার স্পর্শ পাচ্ছি। তার এলোমেলো চুল এসে পড়ছে আমার মুখে।

    আমার হাতটা কেঁপে উঠল। ব্রিজের ঢালে গাড়ি নামছে। প্রাণপণে লেগব্রেক মারলাম। আতঙ্কের তীব্রতায় আমার ডান পা হড়কে গেল। আর তখনই বুঝতে পারলাম, ব্রেকটা কাজ করেছে না। সেই রাতের মতো। অসহায়তা আর আতঙ্ক মিশে গেলে মানুষ ভারসাম্য হারায়। ব্রেকটা ফেল করা মাত্র আমারও তাই হল। আমার শরীরের প্রতিটা সেন্সর বলছে, পেছনে বসে থাকা মহিলা ক্রমশ নিবিড় হয়ে আসছে। মাথা ঠান্ডা করার চেষ্টা করলাম। গাড়িটা যে ভাবে হোক থামানো দরকার। এক্সেলটর কমানোর চেষ্টা করলাম। চেষ্টা করলাম ফোর্থ থেকে গিয়ার ডাউন করে নিউট্রাল করার। কিন্তু গাড়িটা বিকল হয়ে গেছে। সামনে-পেছনের ব্রেক মারছি বারবার। তবুও গাড়িটা ছুটে চলেছে তীব্র গতিতে। নিজের খেয়াল মতো!

    আমি প্রচণ্ড ভয় পেয়ে বাইকের অয়েল ট্যাঙ্কিতে ওঠার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মেয়েলি ছায়াটার সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে পারছি না। ওটা এই মুহূর্তে আমার শরীরের অংশ হয়ে গেছে। চেষ্টা করেও তাকে ছাড়াতে পারছি না। পোশাকের মতো সেঁটে রয়েছে গায়ের সঙ্গে। তার বাঁ হাত ক্রমশ চেপে বসছে আমার কাঁধে। বুকের ওপর রাখা তার পাঁচটা আঙুল আরও জোরে আঁকড়ে ধরছে। চামড়ার ভেদ করে সরুসরু আঙুলগুলো যেন ঢুকে যেতে চাইছে আমার ফুসফুসে। দমবন্ধ হয়ে আসছে। গাড়ির গতি ক্রমশ বাড়ছে। চোখে-মুখে ছিটকে এসে লাগছে রাতের কলকাতার ঠান্ডা ফ্রেশ হাওয়া। তবু নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।

    বাইকটা এখন নিজের মতো চলছে। আমি জানি ওটার পিঠে বসে থাকাই আমার একমাত্র কাজ। হ্যান্ডেল ছেড়ে দু’হাত দিয়ে শক্ত করে ধরলাম মেয়েটার দুটো হাত। গায়ের সমস্ত শক্তি জড়ো করে ছাড়ানোর চেষ্টা করলাম নিজেকে। নড়াতে পারলাম না। নড়ানো যাচ্ছে না। আবার চেষ্টা করতে একটা সুর মতো শুনতে পেলাম। পিছন থেকে ভেসে এল মেয়েলি কন্ঠের গান, ‘এই পথ যদি না শেষ হয়…’

    আমার কানের দু’পাশ দিয়ে শনশন উড়ছে হাওয়া। তার তোড়ে গানের শব্দ ছিঁড়ে ছিঁড়ে যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে শুধু সুরটুকু। নেশা ধরানো সুর। এইরকম সুর আমি আগে কখনও শুনিনি। যেন একটা মোহ। এই গান, এই সুর কি আমার চেনা? যে কন্ঠস্বর আচ্ছন্ন করে দিচ্ছে কান, হৃদয়, শরীর— সেই মিষ্টি গলার গান কি আগেও শুনেছি?

    সে গাইছে, ‘…তবে কেমন হত তুমি বলো তো?’ ‘অর্জুন… তুমিই বলো?’

    বুলেটটা এখন বাইপাসের রেলিংয়ের গা দিয়ে রূদ্ধশ্বাসে দৌড়চ্ছে। সত্তরের বেশি স্পিড। গাড়ির বয়স বেড়ে গেলে তার কলকবজা নড়বড়ে হয়ে যায়। তীব্র গতির জন্য বিপজ্জনক ভাবে কাঁপছে গাড়িটা। আমি শিউরে উঠলাম। হ্যান্ডল দুটো প্রাণপণে চেপে ধরার চেষ্টা করলাম। তবু, কানে এসে ঝাপটা মারল নামটা। আমি চমকে গেলাম। এই নাম তো কারও জানার কথা নয়! আমার অনেক অনেক পিছনে পড়ে রয়েছে এই নাম। যে নাম আমি নিজেই ভুলে গেছি, অতীতর সেই নাম ধরে ডাকছে একটা ছায়ামূর্তি? এ কে!

    ‘ক্কে তুমিইইই?’ প্রচণ্ড ভয় পাওয়া গলায় জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘অর্জুন, লং ড্রাইভে এসে কি ভালো লাগছে তাই না?’ বলেই আবার গান গাইতে শুরু করল ছায়ামূর্তি। সেই মিষ্টি সুরের আবেশে তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে আমার ভাবনা। আমার বোধ, বুদ্ধি। খড়কুটোর মতো ভেসে যাচ্ছি আমি।

    আমার মাথার ওপর একথালা চাঁদটা যেন আরও খানিকটা নেমে এসেছে। পূর্ণিমার চাঁদ ধুয়ে দিচ্ছে সারা পৃথিবী। একফালি রাস্তা ধরে চলছে বাইকটা। ডিগডিগ আওয়াজ তুলে। চোখের সামনে ভেসে উঠেছে এক অজানা দুনিয়া। কিন্তু চেনা লাগছে। বহুদিন আগে যেন দেখেছি। ডানদিকে বয়ে যাচ্ছে দামোদার। নদীর কালচে জল ছলাৎ ছলাৎ করে ঝাপটা মারছে বোল্ডারে। এখন বর্ষা নয়। তবু দামোদর ফুলফেঁপে উঠেছে। বিধ্বংসী রূপ। ড্যাম থেকে কি সন্ধেয় জল ছাড়া হয়েছে? বাঁধ ধরে এগিয়ে যাচ্ছি আমি। আর আমার পিছনে বসে রয়েছে ঐন্দ্রিলা।

    দুটো হাত ও আমাকে জড়িয়ে ধরেছে পেছন থেকে। ওর হাতের সোনালি ব্রেস্টলেটটা চাঁদের আলোয় ঝিকিয়ে উঠছে। ডান হাতটা খেলা করছে আমার বুকের ওপর। সরুসরু আঙুলগুলো খামচে ধরছে আমার টি-শার্ট। তপ্ত নখ বসে যাচ্ছে শরীরে। কুচিকুচি চুল উড়ে এসে পড়ছে আমার মুখে। মাথাটা পিছিয়ে নিজের গাল দিয়ে এক-একবার ছুঁয়ে দিচ্ছি ওর গাল। আর ঐন্দ্রিলা খিলখিল করে হাসছে। হাসছি আমিও। এই মুহূর্তে হাসিটাই আমার মুখোশ। এই হাসির কোণে কোণে লুকিয়ে রেখেছি তিরতির করে বয়ে চলা উত্তেজনা। আমার উদ্দেশ্য, আমার লক্ষ্যকে।

    ঐন্দ্রিলা গাইছে, ‘এই পথ যদি না শেষ হয়… তবে কেমন হত, তুমি বলো তো?’ ঐন্দ্রিলা হাসছে খিলখিল করে। হাসতে হাসতে বলছে, ‘প্লিজ, অর্জুন বলো না গো?’

    আমার নাম অরূপ। ঐন্দ্রিলা আমাকে ভালোবেসে অর্জুন বলে ডাকে। আমরা দু’জন কমার্স নিয়ে রাজকলেজ নাইটে পড়ি। কলেজের প্রথম দিন থেকে ঐন্দ্রিলার প্রতি আমার টান। তুখোড় দেখতে মেয়েটাকে। জোড়া ভ্রুর তলায় টানাটানা গভীর চোখ। গোলাপি ঠোঁটের এককোণে কালচে তিল। হাসলে ওর গালে টোল পড়ে। এমন মেয়ের জন্য মাতাল হবে যে কেউ। থার্ড ইয়ারে উঠে আমাদের প্রেমটা জমেছে। শুধু জমেনি, সীমাহীন প্রেম বলা যেতে পারে। ওর আগুন আমাকে গলিয়েছে, জ্বালিয়েছে। আমরা একে অপরের কাছে উজাড় করে দিয়েছি নিজেদের।

    ঐন্দ্রিলাদের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে। বর্ধমানে মামারবাড়িতে মানুষ। ওর বাবা-মার আসার কথা ক’দিন পর। ঐন্দ্রিলা আমাকে বলেছে, বাবা-মাকে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপারে এবার সব জানাবে। বড্ড তাড়াহুড়ো করছে মেয়েটা। সামনে লম্বা জীবন পড়ে। চাকরিবাকরি করি, একটু গুছিয়ে নিই। তবে না এসব নিয়ে ভাবব।

    গতকাল বিকেলে কলেজে যাওয়ার পর থেকে ঐন্দ্রিলাকে চুপচাপ দেখেছিলাম। যেন কিছু ভেবে চলেছে। অ্যাকাউন্টেন্সির ক্লাসটা শেষ হওয়ার পরই ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘কী হয়েছে তোমার?’ ও যা বলেছিল, তার জন্য আমি তৈরি ছিলাম না। অনেক চেষ্টা করলাম ওকে বোঝানোর। কিন্তু ঐন্দ্রিলা মানতে চাইল না। নিরুপায় হয়েই আমাকে আজ…

    বাঁধের রাস্তাটা সোজা চলে যাচ্ছে সাইফিনাস ড্যামের দিকে। ড্যামের কাণা ছুঁয়ে ফেলেছে জল। ক’দিন ধরে নিম্নচাপ। ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। আজ বিকেলের পর দু’জন বেড়িয়েছি। আমার কোনও বাইক নেই। এই বুলেটটা ঐন্দ্রিলার বাবার। মামারবাড়িতেই পড়ে থাকে এটা। ওদের গ্যারাজটা বাড়ির বাইরের দিকে। এর আগেও আমরা এই বুলেটটা নিয়ে চুপিচুপি বেড়িয়েছি।

    আজ পূর্ণিমা। আকাশের দুধসাদা চাঁদটা যেন অনেকটা নেমে এসেছে মাটির কাছাকাছি। আমি বাইকের গতি বাড়ালাম। ঐন্দ্রিলা আমাকে চেপে ধরল। ওর শরীরের গন্ধে একাকার হয়ে যাচ্ছি। এই অন্ধকার বাঁধের রাস্তায় আসতে আসতে ঐন্দ্রিলাকে বুঝিয়েছি, আমি ওর সঙ্গে আছি। ওকে কোনও চাপ নিতে হবে না। সব সমস্যা মিটিয়ে দেব আমি। আমার কথা শুনে মেয়েটা একটু শান্ত হয়েছে।

    ঐন্দ্রিলা আমার কানের কাছে মুখ এনে ও বলল, ‘ও যদি ছেলে হয়?’

    তেতো ভাবটা চেপে রেখে হাসি ঢেলে বললাম, ‘তা হোক না। ছেলে হলে হবে, মেয়ে হলে হবে। যা হবে, আমাদেরই তো।’

    ঐন্দ্রিলা ওর ঠোঁট আমার কানে ছুঁইয়ে বলল, ‘ছেলে হলে কী নাম রাখব, জানো? অভিমন্যু। অর্জুনের ছেলে অভিমন্যু।’

    ঐন্দ্রিলা খিলখিল করে হাসছে। ওর হাসি যেন আছড়ে পড়ছে আমার শরীরে। রাগটা আবার ফিরে আসছে আমার শিরায় শিরায়। মাথার শিরা দপদপ করছে। ঐন্দ্রিলা প্রেগনেন্ট। তাতে হয়েছেটা কী? এই বয়সেই তো ভুল হয়! তাই বলে এটা বয়ে বেড়াতে হবে? এখনই বিয়ে করতে হবে? আমার ভেতরে এতক্ষণ চেপে রাখা রাগটা উঠে এসে ধাক্কা মারছে বুকের কাছে। ধীরে ধীরে যেন দরজা খুলে বেরিয়ে আসতে চাইছে। যে কোনও সময় বিস্ফোরণ হবে। রাগই বোধহয় পিকআপ বাড়িয়ে দিল গাড়িটার। স্পিড মিটারে দেখতে পাচ্ছি, সত্তর পেরিয়ে গেছে বুলেটের গতি। গাড়িটা কাঁপছে থরথর করে। তবু স্পিড কমালাম না। আর কিছুটা। আর কিছুটা গেলেই সাইফিনাস ড্যাম।

    তবু ওই অবস্থায় আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘আর মেয়ে হলে কী নাম রাখবে?’

    আমার কথা বোধহয় শুনতে পায়নি ঐন্দ্রিলা। পাবেই বা কি করে? হাওয়ার তোড়ে শব্দ ছিঁড়ে ছিঁড়ে যাচ্ছে। বুলেটের ডিগডিগ আওয়াজটা দামোদরের নীরবতা ভেঙে দিচ্ছে। আবার মিহি দানার বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে। দিনভর বৃষ্টির জন্য বাঁধের রাস্তা জলডোবা। যে কারণে গর্তটা বুঝতে পারিনি। বুলেটের সামনের চাকাটা একটা বড় গর্তে পড়তে আর টাল সামলাতে পারলাম না আমি। ঝাঁকুনি দিয়ে বুলেটটা পাল্টি খেয়ে গেল। একফালি রাস্তা থেকে হড়কে গিয়ে নদীর দিকে ছিটকে গেল বাইকটা। বোল্ডারে ধাক্কা খেতে খেতে তছনছ হয়ে যাচ্ছে আমার শরীর। মাথা, হাত, বুক, হাঁটু অবশ হয়ে আসছে। অবর্ণণীয় যন্ত্রণায় টুকরো টুকরো দিচ্ছে সারাটা শরীর।

    তারপর কী হয়েছিল? ষোলো বছর আগের ঘটনা। সাড়ে তিনমাস কোমায় ছিলাম আমি। জ্ঞান ফেরার পরও অনেকদিন আমার কোনও বোধ ছিল না। প্রায় বছরখানেক পর আমি সুস্থ হয়েছিলাম। তারপর আর বর্ধমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখিনি। কখনও যাইওনি। ওই ঘটনার জন্য লোকে আমাকে দায়ী করেনি। ভেবেছিল নিছক একটা দুর্ঘটনা। কিন্তু আমি জানি, এসব মিথ্যে। জ্ঞান ফেরার পর থেকে একটাই প্রশ্ন খুঁজেছিলাম, ঐন্দ্রিলা কোথায়? শুনেছিলাম, ওর বডি নাকি পাওয়া যায়নি। নদীতে ভেসে গিয়েছিল কি মেয়েটা? হবে হয়তো। একটা আতঙ্ক আমাকে ঘিরে ধরেছিল, কেউ জানুক না জানুক, আমি ঠান্ডা মাথায় খুন করতে চেয়েছিলাম ঐন্দ্রিলাকে। বাইকটা বাঁধের রাস্তায় অ্যাক্সিডেন্ট না করলে সাইফিনাস ড্যামে নিয়ে গিয়ে ওকে খুনই তো করতাম। করতাম কেন, করেইছিলাম তো। জেনে শুনেই তো তীব্রগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলাম।

    একথালা চাঁদটা আজ অনেকখানি নেমে এসেছে বাইপাসের বুকে। যেন জ্যোৎস্না তার নিজের ডানা খুলে রেখেছে মাটিতে। আমি বাইক নিয়ে ছুটে চলেছি বাইপাস ধরে। আমার পিছনের সিটে ঐন্দ্রিলা বসে।

    ঐন্দ্রিলা ওর বাঁ হাত দিয়ে আমার পিঠে কিছু একটা লিখছে। এটা আমাদের একটা খেলা ছিল। ও কিছু লিখলে চোখ বুজে অনুভব করতাম। উত্তর সঠিক হলে ও চুমু দিত। আহ্, নরম একজোড়া গোলাপি ঠোঁটের পরশ!

    এই বাইপাস, তীব্র গতিতে ছুটে চলা বুলেট— সব যেন ভুলে গেছি এখন। ঐন্দ্রিলা আমার পিঠে আঙুল বুলিয়ে যা লিখছে, তা অনুভব করে বলে উঠলাম, ‘জে… এইচ… জিরো… ওয়াই… টু… ফাইভ… ফোর… সিক্স!’

    হাসিমুখে ঐন্দ্রিলাকে বললাম, ‘মিলেছে তো?’ ঐন্দ্রিলার উত্তর পাওয়ার আগেই নাম্বার প্লেটটা ভেসে উঠল। জেএইচ, মানে ঝাড়খণ্ডের নাম্বার প্লেট। এই গাড়িটার নাম্বার তো তাই না! হ্যাঁ-হ্যাঁ, জিরো, ওয়াই, টু ফাইভ ফোর সিক্স! এই গাড়ির নম্বর ঐন্দ্রিলা কী করে জানল? অনন্তবাবু ওর কে? একটা সাময়িক ঘোর আমাকে ঘিরে ধরেছিল এতক্ষণ। এক ঝটকায় সেটা কেটে গেল।

    ঐন্দ্রিলা ওর সরু আঙুল চালাচ্ছে আমার পিঠে, ‘এফ… এ… টি… এইচ… ই… আর!’

    ফাদার! বাবা! মানে, অনন্তবাবু ঐন্দ্রিলার বাবা?

    ‘ওয়াই… ই… এস!’ ঐন্দ্রিলার আঙুল ফুটিয়ে তুলল আমার প্রশ্নের উত্তর!

    আমি থমকে গেলাম নিমেষে। স্তব্ধ হয়ে গেলাম। ভয়, একরাশ আতঙ্ক এই সময় আমাকে ঘিরে ফেলা উচিত ছিল। সীমাহীন আশঙ্কা আমাকে ফালাফালা করে দেবে! কিন্তু কোথায়? কিছু হচ্ছে না তো? নিজের বোধ, অনুভূতি কি হারিয়ে ফেলছি?

    সামনে তাকিয় দেখলাম, কাদাপাড়া সিগনালটায় লাল আলো জ্বলছে। দেখতে পাচ্ছি, দুটো লরি দুটো লেন ঘিরে গায়েগায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সিগনালে। পাশ কাটিয়ে বেরোনও সম্ভব নয়। লোহার রড বোঝাই ও দুটোতে। অসংখ্য রডের সূচালো মাথা লরি থেকে বেরিয়ে রয়েছে। যে গতিতে বুলেটটা এগোচ্ছে, না থামাতে পারলে অ্যাক্সিডেন্ট অনিবার্য।

    আমি বুঝতে পারছি সবই। কিন্তু এইসময় মৃত্যুভয় চেপে ধরছে না আমাকে। আমার আর ভয় লাগছে না! বরং আমি কানখাড়া করে শুনছি মোলায়েম গলার গান। পেছন থেকে ঐন্দ্রিলা আমার কানে মধু ঢেলে দিচ্ছে। যেন সন্মোহনী মন্ত্র!

    ‘এই পথ যদি না শেষ হয়… তবে কেমন হত তুমি বলো তো?’

    বুলেটটার দুটো হ্যান্ডেল ছেড়ে শরীরটা অর্ধেক ঘুরিয়ে ঐন্দ্রিলাকে বললাম, ‘তুমিই বলো?’

    খিলখিল হেসে উঠল ঐন্দ্রিলা। যেন আচমকা ঝোড়ো বাতাসের ধাক্কায় একসঙ্গে শহরের সমস্ত উইন্ডচাইম বেজে উঠল। আমিও হাসলাম। কতদিন এমন প্রাণ খুলে হাসিনি আমি। আমার এই হাসিটা ঐন্দ্রিলার খুব পছন্দ ছিল। আমার হাসলে নাকি মন ভালো হয়ে যেত। বলত, ‘তুমি এইরকম করে হাসবে সবসময়। দেখবে, জীবনে আমাদের কোনও দুঃখ থাকবে না।’

    ঐন্দ্রিলার কোনও দুঃখ নেই। কিন্তু আমি? আমার তো থাকা উচিত! এই সুন্দর পৃথিবী থেকে আমি যে একটু একটু করে সরে যাচ্ছি, বেশ বুঝতে পারছি। আর কিছুক্ষণ হয়তো। চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি বাইকের স্পিডমিটার বেড়ে যাচ্ছে। গতির কাঁটা এখন আশি ছুঁইছুঁই। যে কোনও মুহূর্তে অ্যাক্সিডেন্ট হবে। লরি আর বাইকের দূরত্ব হুহু করে কমে আসছে। তবু, আমার উত্তেজনা হচ্ছে না। ভয় লাগছে না। আমি হাসলাম। আরও চওড়া করে হাসলাম। যন্ত্রণা ভোলানো হাসির মধ্যেই দেখতে পেলাম, আমার শরীর ভেদ করে একে একে ঢুকে যাচ্ছে অসংখ্য রড। ফালাফালা করে দিচ্ছে আমার হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, বুক, গলা, চোখ। তবু আমার কষ্ট হচ্ছে না।

    ঘাড় না ঘুরিয়েই ঝলসানো চাঁদের আলোয় হাসিমুখে ঐন্দ্রিলাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘যদি পৃথিবীটা স্বপ্নের দেশ হয়?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচন্দ্রলেখা অন্তর্ধান রহস্য – অভিরূপ সরকার
    Next Article আপনমনে – রবি ঘোষ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }