Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দশন – অভিষেক সেনগুপ্ত

    লেখক এক পাতা গল্প174 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ম্যাজিশিয়ানের পেন

    বস্তুটার দিকে মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইলেন সুশান্তবাবু। রিডিং টেবলে ওপর খোলা ডায়েরির মাঝে নিশ্চিন্তে শুয়ে রয়েছে ইঞ্চি চারেকের জিনিসটা। মিশমিশে কালো শরীর জুড়ে সূক্ষ্ম সোনালি কারুকাজ। মাথার ওপর একটা ঝকঝকে সবুজ পাথর বসানো। ওটার মসৃণ গায়ে রিডিং লাইট পড়ে পিছলে যাচ্ছে। ডায়েরির পাতায় চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়েছে সোনালি রং। যেন একটা নিজস্ব আবর্ত তৈরি করছে। আর তাতে জিনিসটা পরম সুরক্ষিত!

    এমন একটা ফাউন্টেন পেনের বড় স্বাদ ছিল সুশান্তবাবুর। ছেলেবেলায় পাইলট ফাউন্টেন পেন ব্যবহার করতে দেখেছেন বাবাকে। গাঢ় নীল রংয়ের। তাঁর বাবা খুব যত্নে রাখতেন পেনটা। মোটেও হাতছাড়া করতেন না। অফিস থেকে ফিরে ড্রয়ারে তুলে রাখতেন। সকালে অফিস যাওয়ার আগে তাঁর বাবা যখন স্নানে যেতেন, সুশান্তবাবু চুপিসাড়ে বের করতেন ফাউন্টেন পেনটা। একদিন ধরা পড়ে গিয়েছিলেন। শুধু বকুনি নয়, মারও জুটেছিল। ভয়ে আর কোনওদিন হাত দেননি। ভেবেছিলেন, জন্মদিনে অথবা কোনও পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে বাবার কাছে চাইবেন ওইরকম একটা ফাউন্টেন পেন। ততদিনে পেনের জগতটা পাল্টে গিয়েছিল। ফাউন্টেনের বদলে বল পেন ঢুকে পড়েছিল বাজারে। কালি বদল বা টিউব লিক করার ঝামেলা নেই। নিত্যনতুন বল পেনের বাহারে একসময় ফাউন্টেন পেনের প্রতি মোহটাই হারিয়ে ফেলেছিলেন সুশান্তবাবু।

    ডানহাতের তিন আঙুলে পেনটা তুলে নিলেন সুশান্তবাবু। খুলে ফেললেন ক্যাপটা। পেনটা আবরণ মুক্ত হতেই যেন আলো জ্বলে উঠল পড়ার টেবলটাকে ঘিরে। সোনালি রংয়ের নিবটা ঝলমল করছে। গোল্ড প্লেটের নিব! এইরকম পেন আজকাল বড় একটা দেখা যায় না। তিনি শুনেছেন, খুব দামী ফাউন্টেন পেনের নিব গোল্ড প্লেট দিয়ে তৈরি হত। চোখের সামনে তুলে নিবটা মনযোগ দিয়ে পরীক্ষা করলেন। কত দাম হবে, কে জানে! পেনটার নিবের গায়ে লেখা, ‘মঁ ব্লাঁ। মেড ইন জার্মানি’! তলায় ছোট্ট অক্ষরে, ১৯০৫! তার মানে পেনটার বয়স ১১০ বছরেরও বেশি!

    মনে মনে শিউরে উঠলেন সুশান্তবাবু। অজান্তে কেঁপে উঠল ডান হাতটা। কত লোকের হাত ঘুরেছ এই পেনটা, কে জানে! অ্যান্টিক পিস! তবু ফাউন্টেন পেনটা এখনও নিটোল, দাগহীন। নিবের বাঁদিকটা সামান্য ক্ষয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনও ক্ষতি হয়নি।

    পাঁচশো বছর আগে পেনের ব্যবহার শুরু। মূলত ছবি আঁকার জন্য ব্যবহার হত। আধুনিক পেনের জন্ম প্রায় দুশো বছর আগে। রোমানিয়ার পেত্রাক পোয়েনারুর হাত ধরে। এসব ইতিহাস সুশান্তবাবু জানা। জার্মান কোম্পানি মঁ ব্লাঁ এর নামও শুনেছেন। তাদের লিমিটেড এডিশন পেনের দাম বেশ চড়া। চাহিদাও দারুণ। পার্কার, ল্যামি, পাইলট পেনের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রবলভাবে রয়েছে মঁ ব্লাঁ।

    শেষ কবে এই পেন দিয়ে লেখা হয়েছে, কে জানে! নিয়মিত ব্যবহার করা হলে কালির শুকনো দাগ থাকত নিবে। তা নেই। পেনে কালি নাও থাকতে পারে। থাকলেও এতদিনে শুকিয়ে গেছে। সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে তর্জনী আর বৃদ্ধাঙ্গুলের মাঝে পেনটাকে আলতো ধরে ডায়েরিতে লিখলেন, সুশান্ত চক্রবর্তী। জার্মান কলম দিয়ে ঝরঝর করে শব্দ ঝরে পড়ল ডায়েরিতে। আশ্চর্য হয়ে গেলেন সুশান্তবাবু। এত মসৃন লেখা পড়ে এখনও! তাঁর মনে হল, গতকালও এই পেনে লেখা হয়েছে!

    সুশান্তবাবু একা মানুষ। বিয়েশাদি করেননি। সাতকূলে কেউ নেই। সেনাবাহিনীতে চাকরি করতে প্রথম জীবনে। পরে একটা বেসরকারি ব্যাঙ্কের সিকিউরিটি ইনচার্জ ছিলেন। অবসর নিয়েছেন বছর দুয়েক। প্রতি মানুষের জীবনের কিছু না কিছু শখ থাকে। সুশান্তবাবুর শখ ডায়েরি লেখা। অবসর নেওয়ার পর রোজ রাতে কয়েক পাতা লেখেন। যদিও তাঁর নিস্তরঙ্গ জীবনে বিশেষ কিছু লেখার নেই। নিজের অভিজ্ঞতা, আশপাশের মানুষ, তাদের ব্যবহার, কোনও ঘটনা, হিজিবিজি যা মনে হয়, তাই লেখেন।

    মঁ ব্লাঁ ফাউন্টেন পেনটা হাতে নিয়ে পরম যত্নে লিখলেন, ৩ মার্চ। কিছুক্ষণ লেখালিখি করে শুয়ে পড়লেন সুশান্তবাবু।

    ২

    সূর্য ওঠার আগে বিছানা ছাড়েন সুশান্তবাবু। আধঘণ্টা ফ্রিহ্যান্ড করে দিন শুরু করেন। এককাপ চা আর সকালের কাগজ নিয়ে বসেন। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েন প্রতিটা খবর। বেলা বাড়লে পাড়ার ক্লাবে গিয়ে খানিক আড্ডা দেন।

    সুশান্তবাবুর এক্সারসাইজ শেষ হতেই ডোরবেল বেজে উঠল। এত সকালে কে এল জ্বালাতে! বিরক্তি নিয়ে দরজা খুলে দেখলেন, শিবু। ছেলেটা তাঁর বাড়িতে দীর্ঘদিন কাগজ দেয়। তিনি চারতলা অ্যাপার্টমেন্টের দোতলায় থাকেন। ভোরবেলায় দোতলার তাঁর ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে ছুঁড়ে দিয়ে যায় কাগজ। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা শিবুর নিয়মের কোনও হেরফের হয় না। মাসে একটা দিনই তার সঙ্গে দেখা হয় সুশান্তবাবুর। সে মাসকাবারির টাকাটা নিতে এসেছে।

    সুশান্তবাবু দরজা খুলতেই যেন থতমত খেয়ে গেছে শিবু। তার চোখেমুখে বিস্ময় লক্ষ্য করলেন সুশান্তবাবু। অবাক গলায় সে বলল, ‘বাবু আছেন? একটু ডেকে দেবেন?’

    সুশান্তবাবু বিরক্ত হলেন। ছেলেছোকড়াদের ফক্করবাজি একেবারে বরদাস্ত করেন না। এদের মাথায় তুললেই বিপদ। লঘু-গুরু জ্ঞান থাকে না। শিবুর রসিকতা শুনে সাতসকালেই মেজাজটা খিঁচড়ে গেল তাঁর। বিড়বিড় করতে করতে ঢুকে গেলেন ঘরে। মাস-কাগজের টাকাটা গুনে নিয়ে এসে তুলে দিলেন শিবুর হাতে।

    হাত বাড়িয়ে টাকাটা নিল শিবু। কিন্তু তার মুখের বিপন্নতা কাটেনি। সে আমতা আমতা করে বলল, ‘বাবুর কি শরীর খারাপ? আপনাকে তো চিনলাম না? বাবুর আত্মীয় হন?’

    বিরক্ত হয়ে সশব্দে দরজাটা শিবুর মুখের ওপরেই বন্ধ করে দিলেন সুশান্তবাবু।

    সকালেই মনটা খিঁচড়ে গেছে সুশান্তবাবুর। চায়ের জল বসিয়ে বাথরুমে ঢুকলেন। বেসিনের কল খুলে চোখেমুখে জল দিলেন। হ্যাঙ্গিং প্যালেট থেকে টাওয়ালটা নিয়েই নিশ্চল হয়ে গেলেন সুশান্তবাবু।

    নিশ্চলভাবটা কাটতেই বুঝতে পারলেন কপালের দু’কোণ দিয়ে ঘাম গড়াচ্ছে। মেরুদণ্ড বেয়ে নামছে বরফস্রোত। ঘটনার অভিঘাতে শরীর দুলে উঠল তাঁর। আয়নার ওপর ঝুঁকে পড়লেন সুশান্তবাবু।

    তিনি, তিনি কোথায়? সেই বুড়োটে মুখটা? চুল পাতলা হয়ে টাক বেরিয়ে পড়া লোকটা? অসংখ্য ভাঁজ পড়া কপালটা কোথায়? সাদা দাড়িতে ভরে থাকা মুখটা? তুবড়ে যাওয়া গাল? গলকম্বলের মতো থুতনির তলায় ঝুলতে থাকা চর্বির থলিটা? কোথায় গেল তাঁর একান্ত চেনা শরীরটা? ছেলেবেলা থেকে যাকে বইতে বইতে জীবনের প্রান্তিক স্টেশনের দিকে এগিয়ে চলেছেন!

    আয়নার প্রতিবিম্বে বছর তিরিশের এক যুবক! পরিপাটি করে আঁচড়ানো চুল। কানের লতি ছাড়িয়েছে মোটা জুলপি। পরিষ্কার কামানো মুখ। ধারালো, ঘন একজোড়া ভ্রু। খাড়া নাক। চৌকো, কাটা থুতনি। উল্টোদিকে যাঁকে দেখছেন, তাকে চেনেন না সুশান্তবাবু। কখনও দেখেননি। এ মুখ কোনও বাঙালির নয়! কোনও ভারতীয় হতে পারে না! এ এক বিদেশি! কিন্তু, কিন্তু এ কে?

    সুশান্তবাবু একা মানুষ। ফ্ল্যাটটা বিশেষ ঝাড়পোঁছ করা হয় না। জলের ছিটে লেগে-লেগে ঘোলাটে হয়ে গিয়েছে বেসিন মিরর। কল খুলে দু’তালুতে জল ভরে বারবার ধুতে লাগলেন আয়নাটা।

    জলে ধুয়ে যাচ্ছে আয়না। মুছে যাচ্ছে প্রতিবিম্ব। ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। আবার ফুটে উঠছে সেই অচেনা মুখ! একজোড়া শান্ত, তীক্ষ্ণ, গভীর চোখ। ওই চোখ দুটো নিবিষ্ট মনে তাকিয়ে রয়েছে তাঁর দিকে। গভীর মনযোগ দিয়ে দেখছে। সুশান্তবাবুর রক্তমাংসের শরীর ভেদ করে পড়ে ফেলতে চাইছে তাঁর মন!

    সুশান্তবাবুর মনে পড়ে গেল, একটু আগে শিবু তাঁকে দেখে অবাক হয়েছিল। প্রচণ্ড ভয় পেলেন তিনি। একদলা বাতাস আটকে গেল তাঁর গলায়। দমবন্ধ হয়ে আসছে। এই অবস্থাতেই ভাঙাভাঙা গলায় চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘কে তুমি, কে?’ নিজের গলার আওয়াজটাও অচেনা লাগল সুশান্তবাবুর। এমন গম্ভীর, কর্কশ গলা তাঁর নয়। দুর্বোধ্য কিছু শব্দ বেরিয়ে এল সুশান্তবাবুর গলা থেকে। কোন ভাষায় কথা বললেন তিনি?

    এক ছুটে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলেন সুশান্তবাবু। এই ফ্ল্যাটের প্রতিটা কোণ তিনি চেনেন। সমস্ত ফার্নিচার তাঁর কেনা। ড্রইংরুম থেকে, কিচেন, বেডরুম ছুটে বেড়ালেন সুশান্তবাবু। ওই তো গ্যাসের ওপর বসানো রয়েছে সসপ্যানটা। গরম জল বাস্প ওড়াচ্ছে। ওই তো ডাইনিং টেবলের ওপর রাখা সকালের কাগজটা। যেটা শিবু একটু আগে ছুঁড়ে দিয়ে গিয়েছিল ব্যালকনিতে। তিনি তুলে এনে রেখেছেন। হালকা সবুজ রংয়ের পর্দা ঝুলছে জানলায়। বেডরুমের আলুথালু হয়ে থাকা বিছানার চাদর, বইয়ের র‍্যাক, ধুলোপড়া টিভি টেবল। সব ঠিক আছে। শুধু তিনি পাল্টে গেছেন! স্বপ্ন দেখছেন না তো?

    সুশান্তবাবুর হাঁটুতে আর্থারাইটিস আছে। খুঁড়িয়ে হাঁটেন। ইদানীং ব্যথাটা তাঁকে প্রায়ই কাবু করে রাখে। অথচ, এখন কোনও ব্যথাই নেই! বেডরুমের আয়নায় দাঁড়িয়ে আবার নিজেকে খুঁটিয়ে দেখলেন ভীত, সন্ত্রস্ত সুশান্তবাবু। সেই মুখ! এখন যেন ওই মুখে ঘুরছে মৃদু হাসি। ডানহাতটা তুলে মুখে বোলালেন তিনি। আশ্চর্য হয়ে দেখলেন, শুধু মুখ নয়, হাতটা তাঁর অচেনা। জড়সড় চামড়ার ওপর কাঁচা-সাদা লোম ছিল তাঁর হাতে। নির্লোম বলিষ্ঠ এই দুটোহাত তাঁর নয়! ফতুয়া খুলে ফেলে পুরো শরীরটা দেখলেন সুশান্তবাবু। না, এ শরীর তাঁর হতে পারে না! সম্পূর্ণ অচেনা এক খোলসের মধ্যে বন্দি রয়ে পড়েছেন তিনি। ভাবনাটুকু শুধু তাঁর। সত্যিই কি তাই? তাঁর ভাবনা, তাঁর চিন্তা, উপলব্ধিও থিতিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। কেউ একজন ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে সুশান্ত চক্রবর্তীর!

    প্রচণ্ড টেনশন হচ্ছে সুশান্তবাবুর। কান পাতলে শুনতে পাচ্ছেন অন্যরকম সুর ও লয়ে তোলা এক অচেনা শরীরের হার্টবিট, ধমনী দিয়ে বয়ে যাওয়ার রক্তস্রোত। বেডরুমের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আতঙ্ক নিয়ে লক্ষ্য করতে থাকলেন শরীরটাকে। ভয়টা শুধুই তাঁর মনে। শরীরে তার ছাপ নেই। ধরা গলায় ফিসফিস করে প্রশ্ন করলেন আবার, ‘কে, কে তুমি?’ এবারও অচেনা শব্দ বেরিয়ে এল মুখ থেকে।

    বিছানার ওপর ধপ করে বসে পড়লেন। কান্না পাচ্ছে তাঁর। সুশান্তবাবু নির্বিবাদী লোক। সাতেপাঁচে থাকেন না। তাঁকেই কিনা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মুখে পড়তে হল! শিবু তাঁর পাল্টে যাওয়া চেহারা দেখে চমকে গেছিল। অ্যাপার্টমেন্টের লোকজন, বন্ধুরা জানলে কী হবে? এই ফ্ল্যাটে চিরকাল বন্দি থাকতে পারবেন না। বেরোতে তাঁকে হবেই। মছলন্দপুর জায়গাটা এখনও মফস্বল। একজন বিদেশিকে দেখলে তাঁরা কী বলবেন? চেনা কাউকে দেখলে মুখ ঘুরিয়ে চলে যাবেন?

    গতকাল রাতেও চেহারার কোনও বদল হয়নি। যদি হত, ঠিক বুঝতে পারতেন। শুতে যাওয়ার আগে ব্রাশ করা তাঁর অনেকদিনের অভ্যেস। বেসিন মিররের সামনে দাঁড়িয়ে ব্রাশ করার সময় নিজের পুরোনো শরীরটাই দেখেছিলেন।

    রাতারাতি কী করে ঘটল এমন? সব গুলিয়ে যাচ্ছে সুশান্তবাবুর।

    মাথা ঠান্ডা করে ভাবার চেষ্টা করলেন, গতকাল কী কী করেছেন। রোজ যা করেন, গতকালও তাই করেছেন। সকালে ক্লাবে গিয়ে আড্ডা মেরেছেন। দুপুরে খেয়ে ঘুমিয়েছেন। সন্ধেবেলায় গেছিলেন চন্দনের বাড়িতে। চন্দন পুরোনো বন্ধু। বিভূতি, সুজন, অবিনাশ, সুমঙ্গল, পরাশররাও তাঁরই মতো আসে চন্দনের বাড়িতে। ঘণ্টাচারেক আড্ডা চলে। কাল তিনি আড্ডা দেননি। বন্ধুরা আসার আগেই বেরিয়ে এসেছিলেন। কই, আর তো কিছু ঘটেনি। বাড়ি ফিরে ডিনার করেছিলেন। তারপর, দীর্ঘদিনের অভ্যেস ডায়েরি লেখা। মঁ ব্লাঁ ফাউন্টেন পেনটা দিয়ে কয়েকপাতা লিখে শুয়ে পড়েছিলেন।

    ‘মঁ ব্লাঁ ফাউন্টেন পেন…!’ কে যেন বিড়বিড় করে সুশান্তবাবুর কানের কাছে বলে উঠল! চমকে তাকালেন আশেপাশে। কাউকে দেখতে পেলেন না। বাইরে থেকে নয়, শব্দগুলো এসেছে তাঁর ভেতর থেকে। আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করলেন, কেউ তাঁকে টেনে নিয়ে চলেছে ড্রইংরুমের দিকে। সুশান্তবাবুর মজবুত শরীর। সেনাবাহিনী থেকে অবসরের পরও নিয়মিত ফ্রিহ্যান্ড করেন। তবু তিনি আটকাতে পারছেন না সেই অদৃশ্য শক্তিকে!

    যন্ত্রচালিতের মতো রিডিং টেবলের সামনে এসে দাঁড়ালেন। ডেস্কের ওপর ডায়েরিটা রাখা। একপাশে মঁ ব্লাঁ ফাউন্টেন পেনটা। সুশান্তবাবু বসলেন চেয়ারে। ডায়েরিটা খুললেন। শরীরে বশে না থাকলেও মনের ওপর এখনও ক্ষীণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে তাঁর। সভয়ে দেখলেন, গতরাতে যা লিখেছিলেন, তা মুছে গিয়েছে! পেন নয়, যেন পেন্সিল দিয়ে লিখেছিলেন তিনি। ইরেজার দিয়ে কেউ মুছে দিয়েছে! ভিতরের শক্তিটা আবার প্রবল উঠল। তার ইচ্ছেয় পেনটা তুলে নিলেন সুশান্তবাবু। লিখতে শুরু করলেন। ডানহাতে নয়, বাঁহাতে!

    ‘ইখ্ বেন জোহান হার্নান, আইন ডয়েশর ম্যাজিয়ের’!

    সুশান্তবাবুকে যে বাঁহাত দিয়ে লেখাচ্ছে, তার ভাষা এবার বুঝতে পারলেন। জার্মান ভাষায় তাঁর বাঁহাত লিখেছে, ‘আমি জোহান হার্নান, এক জার্মান জাদুকর!’

    সুশান্তবাবুর বাঁহাত লিখে চলেছে…

    ‘১৮৮০-তে জার্মানির কোলনে জন্ম। ছেলেবেলা থেকেই জাদু খেলার প্রতি মোহ ছিল। একটু বড় হতে ইতালি পালিয়ে যাই, বিখ্যাত জাদুকর আলেসান্দ্রো মানেত্তির কাছে। ‘দ্য আলেসান্দ্রো শো’ তখন বিশ্ববিখ্যাত। ওঁর কাছেই পড়ে থাকি পাঁচবছর। আরও অনেক শিষ্য ছিল। ওখানেই আলাপ ব্রাজিলের পেন্টোর সঙ্গে। বন্ধুত্ব হয়। আলেসান্দ্রো সহকারী হিসেবে ওঁর ম্যাজিক শো-তে কাজ শুরু করি আমরা। সেই সময় ইউরোপে হইচই ফেলে দিয়েছিল আলেসান্দ্রোর অদৃশ্য করার খেলা। দর্শক আসনে বসে থাকা সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েটিকে ভ্যানিশ করে দিতেন। মঞ্চের পিছন থেকে উঠে আসত মেয়েটি। অন্যান্য ট্রিকসের সঙ্গে এই খেলাও শিখে নিয়েছিলাম। আলেসান্দ্রোর বয়স হচ্ছিল। শরীর দিচ্ছিল না। আমাকে উত্তরসূরী বলা হচ্ছিল আলেসান্দ্রোর। পেন্টোও ভালো জাদুকর। কিন্তু হিপ্নোটিজমটা আমার মতো পারত না। আলেসান্দ্রো ম্যাজিক টিমে অনেক লোক কাজ করত। তাঁর অবসরের সিদ্ধান্তে শো ম্যানেজার এবং প্রোমোটার দু’জনেই আপত্তি করল। আলেসান্দ্রো শুনলেন না। ঠিক করলেন, একটা শোতে আমার আর পেন্টোর মধ্যে একজনকে বেছে নেবেন তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে। আমি জানতাম, আমাকে হারানো পেন্টোর পক্ষে সহজ নয়। সেই শোতে আলেসান্দ্রোর বদলে আমি আর পেন্টো দেখালাম ভ্যানিশের খেলা। পেন্টো হেরে গেল আমার কাছে। আলেসান্দ্রো আমাকেই তাঁর উত্তরসূরী বাছলেন। আর একটা খেলা খুব বিখ্যাত হয়েছিল তখন। আলেসান্দ্রোকে চোখ বেঁধে দেওয়া হত। দর্শকাসনে বসে কেউ পেন দিয়ে কিছু লিখলে হুবহু বলে দিতে পারতেন আলেসান্দ্রো। এই ট্রিকসকে বলা হত, পেন ম্যাজিক। আলেসান্দ্রোর প্রথম স্ত্রী মারিয়ম ওই পেনটা উপহার দিয়েছিল। পরে তিনি মারা যান। লোকে বলত, ওই পেনে মারিয়মের আত্মা আছে। দর্শকরা কী লিখছে, সেই নাকি আলেসান্দ্রোকে বলে দিত কানে কানে! জাদু ছড়ি আর পেনটাও আমাকে দিয়ে দেন আলেসান্দ্রো। বললেন, ‘এই পেন যতক্ষণ তোমার কাছে থাকবে, দুনিয়ার কেউ হারাতে পারবে না তোমাকে।’

    আমার নাম ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল। ‘দ্য আলেসান্দ্রো শো’ ততদিনে ‘দ্য জোহান্স আর্থ’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। খ্যাতি বাড়ছে। ভক্ত বাড়ছে। হাউসফুল থাকছে প্রতিটা শো। তখনও বুঝতে পারিনি, আমার জন্য অপেক্ষা করছে এক ভয়ঙ্কর পরিণতি। একদিন সকালে পেনটা খুঁজে পেলাম না। তন্নতন্ন করে খুঁজেও পেলাম না। কে নিল? যখন বুঝলাম, আমার পৃথিবীটা কেড়ে নিয়েছে পেন্টো। ও ব্ল্যাকম্যাজিক জানত। সেই সন্ধেয় শোতে ভ্যানিশের খেলা দেখাতে গিয়ে হঠাৎ থমকে গেল আমার হৃদযন্ত্র। মঞ্চের মাঝখানে, তেপায়া টুলটার ওপর থেকে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলাম আমি। কেউ জানতেও পারল না, এটা দুর্ঘটনা নয়। খুন! সুকৌশলে আমাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিয়েছে পেন্টো। ওকেও বাঁচতে দিলাম না। দু’দিন পর ওর প্রথম ম্যাজিক শোতে ‘পেন ম্যাজিক’ দেখাতে গিয়ে মারা গেল পেন্টো।

    পেন ম্যাজিক দেখানোর জন্য যে পেনটা ব্যবহার করা হত, সেটাই এই পেন। মঁ ব্লাঁ ফাউন্টেন পেন! এটা শুধুমাত্র আমার। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাদুকর দিয়ে গেছিলেন তাঁর যোগ্য উত্তরসুরীকে।

    ৩

    ‘সুশান্তর মতো হাসিখুশি একটা লোক এভাবে আত্মহত্যা করল? ওকে সেদিন দেখে তোমার কিছু মনে হয়েছিল চন্দন?’ সুজন সরকারের গলায় যন্ত্রণা।

    চন্দন চৌধুরীর বাড়ির ড্রইংরুমে বসে ছয় বন্ধু। বিপর্যস্ত চেহারা। বিপন্ন মুখ। একটু আগে দাহ করে এসেছেন বন্ধু সুশান্ত চক্রবর্তীকে। চারদিন আগে যাঁর সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন, সেই সুশান্তবাবু যে আত্মহত্যা করতে পারেন, বিশ্বাসই করতে পারছেন না তাঁরা। ক’দিন আড্ডায় আসেননি। আজ সকালে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে সুশান্তবাবুকে। ওই ফ্ল্যাট থেকে পচাগন্ধ ছড়াতে প্রতিবেশীরা খবর দিয়েছিল পুলিশে।

    ‘একটা সামান্য পেনের জন্য সুশান্ত আত্মহত্যা করবে কেন? চন্দন আমি কিন্তু ব্যাপারটা বুঝতে পারছি না।’ অস্থির গলায় বলেন বিভূতি রায়।

    চন্দন দাশগুপ্ত এবারও নীরব। কী বলবেন তিনি? কী বোঝাবেন বন্ধুদের? এই ঘটনার কি কোনও ব্যাখ্যা হয়?

    সুশান্তবাবুর দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর পর তল্লাসি চালিয়ে একটা ডায়েরি পেয়েছে পুলিশ। যেটাকে সুইসাইড নোট বলা যায়।

    সুশান্তবাবু লিখেছেন, ‘জীবনে কখনও কারও জিনিস না বলে নিইনি। এটুকু নৈতিক শিক্ষা ছিল। সততা যে অনেকসময় ভেঙে পড়ে, উপলব্ধি করলাম নিজেকে দিয়ে। লোভ গ্রাস করে নেয় সহজসরল মানুষকেও। আমার ক্ষেত্রেও তাই হল। সেদিন সন্ধেয় চন্দনের বাড়িতে।

    রোজ সন্ধেতে আমরা চন্দনের বাড়িতে যাই। বিভূতি, সুজন থাকে। অবিনাশ, সুমঙ্গল, পরাশরও আসে। আমরা সকলেই মোটামুটি ঝাড়াহাতপা। আড্ডায় কামাই নেই। চন্দন কলেজ থেকে অবসর নেওয়ার পর ম্যাজিকের শখ চেপেছে। জাদু ও জাদুকরদের নিয়ে একটা বইও লিখছে। চন্দনের বাড়িতে গিয়ে দেখলাম, কেউ আসেনি। এক বিদেশি ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা বলছে চন্দন। ভাষাটা বুঝতে পারলাম না। ও আমাকে রিডিং টেবলে বসতে বলে। ওর লেখার খাতার ওপর একটা ফাউন্টেন পেন দেখতে পেলাম। অ্যান্টিক জিনিস নিয়ে চন্দনের নাড়াঘাটা নেই। অথচ পেনটাকে বেশ পুরোনো মনে হল। কালো মিশমিশে চেহারার পেনটা আমাকে মন্ত্রমুগ্ধের মতো টানছিল। লোভ হল বড়। বাকি বন্ধুরা আসার আগেই পাঞ্জাবির পকেটে পেনটা ঢুকিয়ে বেরিয়ে এলাম চন্দনের বাড়ি থেকে।

    এইরকম একটা ফাউন্টেন পেনের শখ অনেকদিনের। বাড়ি ফিরে পেনটা দিয়ে ডায়েরি লিখতে গিয়ে অশান্তিটা টের পেলাম। জীবনে কখনও চুরি করিনি। লোভ আমাকে সাময়িক বশ করলেও আমি চোর নই। মনে মনে দগ্ধ হতে লাগলাম। নিজেকে ছোট মনে হল। চন্দন অনেকদিনের বন্ধু। তার জিনিস চুরি করেছি! ওর সামনে দাঁড়াব কী করে? ঘৃণা হল নিজের ওপর। রাত যত বাড়তে লাগল, অপরাধবোধ কুরে কুরে খেতে লাগল। একটা সময় ঠিক করলাম, শাস্তি আমাকে পেতেই হবে।

    আমাকে ক্ষমা করো চন্দন।’

    ‘চন্দন, একটা ব্যাপার মেলাতে পারছি না। সুশান্ত সুইসাইড নোটটা জার্মানভাষায় লিখল কেন? যতদূর জানি, বাংলা আর ইংরেজি আর কোনও ভাষা ও জানত না! ডায়েরিতেও সবই বাংলায় লেখা! তাছাড়া যে পেনের জন্য ও সুইসাইড করল, সেটা গেল কোথায়?’ পরাশর মল্লিক উত্তেজনার বশে একটু চেঁচিয়ে উঠলেন।

    চন্দন গুম হয়ে বসেছিলেন। সুইসাইড নোটে সুশান্ত তাঁর নাম লিখে যাওয়ায় পুলিশি সওয়াল-জবাবে পড়েছেন। সুইসাইড নোটটা কোন ভাষায় লেখা, প্রথমে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ওটা জার্মানে লেখা, চন্দনই জানায়। নোটটার মর্মোদ্ধারও করেছিল। কিন্তু সুশান্তের চুরি করা পেনটা খুঁজে পায়নি পুলিশ।

    ‘আজ আমাকে ছেড়ে দাও। মনটা ভালো নেই। একটু বিশ্রাম চাই। মাথাটা যন্ত্রণায় ছিঁড়ে যাচ্ছে।’ পাঁচ বন্ধুর উদ্দেশ্যে মৃদুগলায় বললেন চন্দন।

    একে একে বন্ধুরা বিদায় নেওয়ার পরও ড্রইংরুমের সোফায় বসে থাকলেন চন্দন। ছেলেবেলা থেকেই জাদুবিদ্যার প্রতি তাঁর ঝোঁক। হাতসফাই, তাসের খেলা সহ বেশ কিছু ট্রিকস শিখেছিলেন। সিকিমের এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর কাছ থেকে শেখেন হিপনোটিজম। কলেজে চাকরি পাওয়ার পরও ম্যাজিক থেকে সরে যাননি। দেশি-বিদেশের ম্যাজিকের বই পড়া শুরু করেন। উনিশ শতকের গোড়ার দিকের বিশ্ববিখ্যাত ইতালিয়ান ম্যাজিশিয়ান আলেসান্দ্রো মানেত্তির কথা জানতে পারেন। তাঁর জার্মান শিষ্য জোহান হার্নানের উত্থান, সাফল্য এবং রহস্যজনক মৃত্যুর কথাও। আরও গভীরে ঢুকে জানতে পারেন একটা ফাউন্টেন পেনের গল্প। পেনটা পেন্টোর মৃত্যুর পর হারিয়ে যায়। ম্যাজিকের সূত্রে বিদেশে কিছু বন্ধু তৈরি হয়েছিল। তাদেরই একজন মার্কো ভার্দিনো এসেছিলেন ইতালি থেকে। মঁ ব্লাঁ পেনটা দেখিয়ে দাবি করেন, ওটা নাকি জাদুকর জোহানের পেন! কুড়িহাজার ডলার দাম চেয়েছিল সে। ভারতীয় টাকায় প্রায় পনেরো লাখ। পেনটা যে জোহানেরই, বিশ্বাস হয়নি চন্দনের। এত টাকা খরচ করে কিনে যদি ঠকে যান!

    মার্কো বলেছিল, ‘তুমি তো হিপনোটিজম জানো। এই পেন তোমাকে সম্মোহিত করতে পারবে না। অন্য যে কেউ হবে। পরীক্ষা করে দেখে নাও। তারপর না হয় দাম দিও। আর একটা কথা, এই পেনে একবার যে লিখেছে, সে আত্মহত্যা করেছে। সুতরাং, পরীক্ষাটা বুঝেসুঝে করো।’

    মার্কোর সঙ্গে যখন পেন নিয়ে দরাদরি চলছে, তখনই এল সুশান্ত। বন্ধুকে রিডিং টেবলে বসালেন চন্দন। ওখানেই রাখা ছিল জোহানের ম্যাজিক পেনটা। সুশান্তর ওপর নজর রেখেছিলেন তিনি। দেখলেন অবাক বিস্ময়ে পেনটার দিকে তাকিয়ে আছে সুশান্ত। শরীর খারাপ লাগছে বলে একটু পরে বাড়ি চলে যায় সুশান্ত। যাওয়ার আগে যে পেনটা পাঞ্জাবির পকেটে ঢুকিয়ে নিয়েছে বন্ধু, খেয়াল করেছিলেন চন্দন। পরশু সকালে শিবুর সঙ্গে বাজারে দেখা হয়েছিল। সে তারও বাড়িতে কাগজ দেয়। শিবু বলেছিল, সুশান্ত নাকি বাড়িতে নেই। এক বিদেশি ভদ্রলোককে দেখেছে তার বাড়িতে। চন্দন বুঝতে পারেননি শিবুর কথা। তবে অপেক্ষা করেছেন, কী ঘটে দেখার জন্য।

    আজ সকালে সুশান্তর আত্মহত্যার খবর পেয়েই ছুটেছিলেন তার ফ্ল্যাটে। যাতে বেহাত না হয় পেনটা। প্যান্টের গোপন পকেট থেকে হাত ঢুকিয়ে বের করলেন জিনিসটা। ড্রইংরুমের আলোয় ঝলমল করছে জাদুকর জোহানের মঁ ব্লাঁ ফাউন্টেন পেন। পেশাদার না হলেও তিনি নিজে জাদুকর। হিপনোটিজম জানেন। পেনটা তাঁকে মোহাচ্ছন্ন করতে পারবে না। তবে জাদুকরের পেন আর এক জাদুকরের হাতেই মানায়।

    একশো বছরেরও বেশি পুরোনো পেনটা দিয়ে কেমন লেখা পড়ে, দেখতে ইচ্ছে হল তাঁর। রিডিং টেবলের দিকে এগোলেন চন্দন। ঢাকনা খুলে ডায়েরির পাতায় লিখলেন, ‘চন্দন মল্লিক, ম্যাজিশিয়ান।’

    মুহূর্তে অবাক হয়ে দেখলেন, লেখাটা মুছে যাচ্ছে! তাঁর ক’টা শব্দ কেউ যেন ভ্যানিশ করে দিচ্ছে। তার বদলে ফুটে উঠছে, ‘তোমার মৃত্যুর জন্য আমিই দায়ী। আমাকে ক্ষমা করো সুশান্ত!’

    এই শব্দ ক’টা বাংলা নয়, জার্মান!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচন্দ্রলেখা অন্তর্ধান রহস্য – অভিরূপ সরকার
    Next Article আপনমনে – রবি ঘোষ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }