Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দাসত্ব নয়, স্বাধীনতা – গৌরকিশোর ঘোষ

    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী) এক পাতা গল্প101 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাসত্ব নয়, স্বাধীনতা – পর্ব : ৩

    পৰ্ব : ৩

    স্যামসন, প্রিয়তম বন্ধুর উদ্দেশ্যে

    (উৎসর্গঃ কালাদাকে)

    স্যামসন প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    আজ আমি তোমারই মতন
    হৃতশক্তি পরিত্যক্ত সহযোদ্ধাহীন
    স্মৃতি মারে অবিশ্রান্ত হানা
    তাইতে যন্ত্রণা

    প্রশ্ন করি নিজেরই ছায়াকে
    সেই শুধু নিরন্তর কাছে কাছে থাকে
    ছিন্নপক্ষ হাঁটু ভাঙা
    আমি কি জটায়ু
    নিঃসঙ্গ সংগ্রামে ক্ৰমে
    ক্ষীণ হয়ে আসে পরমায়ু

    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    নই আমি পাখি
    একটি মানুষ আমি একান্ত একাকী
    তোমারই মতন বন্দী
    আটোসাঁটো চৌকোনা ঘরে
    আমি বন্দী আমি বন্দী
    মনে পড়ে প্রতিটি প্রহরে
    আজ আমি শৃঙ্খলিত দাস
    প্রাপ্য শুধু প্রভুদের নানা উপহাস

    সহযোদ্ধা একদিন কাছে ছিল যারা
    স্বপ্নের মতন ভাসে তাদের চেহারা
    পাশে নেই কেউ
    হয়ত কেহবা অন্তরের শুভেচ্ছার ঢেউ
    গোপনে পাঠাতে চায়
    ফের বুঝি হয় সচকিত পাছে হয় ফাঁস
    সাধ করে কে আর আনতে চায় গেরস্তের ঘরে
    প্রভুদের ত্রাস
    তবু আছে কেউ
    অতীব আড়াল থেকে পাঠায় সাবাস

    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    আমিও তো হতভাগ্য তোমারই মতন
    না না আরো রিক্ত আরো নিঃস্ব
    আরো দীন আমি

    কেন না এ কথা তো জানি
    তোমার কেশের গুচ্ছে যে-শক্তি নিহিত
    দিন শুধু গুণে যায় দৈবের নির্দেশে
    সে আবার নতুন যৌবন
    কবে ফিরে পাবে
    নব বলে বলী স্যামসন
    মুহূর্তে দাঁড়াবে
    ছিন্ন ভিন্ন বেড়ি
    দাসত্ব-শৃঙ্খল খান খান
    এক টানে ছিঁড়ে দেবে প্রভুত্বের নাড়ি

    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    আজ হবে জবর তামাসা
    প্রভুরা জানে না অতি ধীরে তোমার হারানো বল
    চুলে এসে বেঁধেছে যে বাসা
    ফিরিয়ে দিয়েছে ফের শক্তির সম্বল
    আজ বড়-পরবের দিন
    ক্রীড়াঙ্গনে বড় ভিড় ফূর্তির ফোয়ারা
    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    সকলেই করে আছে আশা
    যে-ছিল মানুষ মাথা যার মর্যাদায়
    ছিল উঁচু সোজা শিরদাঁড়া
    আজ তাকে জন্তুর মতন
    বেঁধে আনা হবে ক্রীড়াঙ্গনে
    প্রভুদের সৌখিন ইচ্ছায় দেখাবে তামাসা
    উপহাসে অপমানে তার প্রাণ হবে জর্জর
    আজ হবে আমোদ জবর

    আত্মসুখী লম্পট নিষ্ঠুর স্বৈরাচারী
    জমেছে সবাই এসে
    গেছে বসে যার যার বিলাসী আসনে
    ভরে গেছে ঘর
    জমাট আসর

    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    এবার উল্লাসে
    ক্রমেই পড়বে ফেটে হুকুমের যত বাহাদুরি
    আঙ্গুল তুলবে উপহাসে
    ওই যে স্যামসন
    কুকুর বা বিড়ালের ডাকে লাগাবে সবাই টিটকারি

    স্যামসন স্যামসন
    তুমি না কি মহাবলী হা হা
    পায়ে বেড়ি শৃঙ্খলিত হাত খুঁড়িয়ে চলেছো
    আহা বটে বীরেরই চেহারা
    যেমন তোমার নাম তেমন দেখাও দেখি
    গোটা কয় খেলা
    দেখো বাপু মাটি যেন হয়নাকো পরবের মেলা
    চতুর্দিকে রব উঠে আর কেন দেরী
    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    যখন দাঁড়ালে উঠে দেহ টান টান
    দুই চক্ষু অন্ধ তবু কী দীপ্তি কোটরে
    ফুটে ওঠে দাউ দাউ দাসত্বের জ্বালা
    স্তম্ভিত প্রভুর দল আশা তো করেনি এই পালা

    নির্বোধ স্বজাতি
    (মনে বুঝি পড়ে গেল আজ কেউ খোঁজও নেয় না
    যাকে নিয়ে একদিন নিরন্তর হ’ত মাতামাতি)
    ভেবেছিল তালে তাল দিয়ে দিব্যি কেটে যাবে দিন
    রক্ষা পাবে জীবনের সোনার হরিণ
    দাসত্বটা অসহ্য কী আর এমন
    পোষাকের তলে
    কোনোক্রমে একবার ঢাকা দিয়ে দিলে
    কার কোন্ চিহ্ন আছে— দাস না স্বাধীন
    ধরে কোন্ শালা
    তারো তো ঝামেলা
    তাই একা রণক্ষেত্রে যাক
    লড়াই করুক স্যামসন
    কেন না ওরই তো পেঁয়াজি
    কী এমন ক্ষতি হত একটা জীবন
    মাথাটা নোয়াতে হলে রাজি
    যেমন নিয়েছি মেনে সমাজের জ্ঞানী গুণী জন
    অবিশ্যি গোঁয়ার ব্যাটা
    যুদ্ধে যদি সত্যিই জেতে
    ভাগ্যের হাতে হার জিত
    তবে তার ফল
    অবশ্যই আমরা তার স্বজাতি সকল
    সকলেই পাবো তাই তো উচিত

    অন্যে যদি লড়ে এনে
    হাতে তুলে দেয় স্বাধীনতা
    আহা স্বাধীনতা
    গৌরব নেব না তার
    এ আবার কি রকম কথা
    আসলে ফোকটে পেলে
    বাহারি এমন বস্তুটাকে
    বাইরে রাখলে যদি ঠোকরায় কাকে
    তবে তা সইবে নাকো আমাদের প্রাণে
    তাই বলে বাবুদের সখের বাগানে
    কিংবা সৌখিন কোনও সংগ্রহশালায়
    বেলোয়ারি চৈনিক ‘ভাসে’
    যত্ন করে রেখে দেওয়া ভালো
    বলা তো যায় না ভবিষ্যতে
    পালা বা পরবে কোনও কৌতূহলী
    কোনোদিন যদি দৈবাৎ সখ চাপে আসে
    উঁকি দিতে চায়
    স্বাধীনতা কী সে চীজ কেমন চেহারা
    চৌকো চ্যাপ্টা লম্বা গোল সাদা কিম্বা কালো
    আহা জানে না কো অনেক বেচারা
    স্যামসন স্যামসন স্যামসন কই
    দ্যাখ দ্যাখ ওই স্যামসন
    ওই যে টালমাটাল পায়ে
    এদিক ওদিক ঘুরছে খাচ্ছে ধাক্কা
    খেয়েছে চোখের মাথা তাই
    দিগবিদিক জ্ঞান কোনও নাই

    ওই দ্যাখ দুহাত বাড়িয়ে কী যেন খুঁজছে
    হা হা হিহি একেবারে কানামাছি খেলা
    ওই যে পড়ল হুমড়ি খেয়ে
    দ্যাখ দ্যাখ আবার উঠল
    ব্যাটা দেখি বড়ই গোঁয়ার
    মানতে চাইছে না কিছুতেই হার
    উঠছে পড়ছে হাহা
    যাই বল জমে গেছে পরবের মেলা
    হ্যাঁ এইবার পেয়ে গেছে সিঁড়ি
    দিব্যি যাচ্ছে উঠে সোজা ওই থামটার কাছে
    ওখানে কি আছে

    দ্যাখ দ্যাখ জড়িয়ে ধরল ওই মোটা থামটাকে
    কেমন আদরে
    কেমন যত্নের সঙ্গে মোলায়েম হাতে
    থামের শরীর নাকি কোনও রমণীর
    স্পর্শ করছে আলতো নির্জন ঘরে
    ওই দ্যাখ খাচ্ছে চুমু থামটাকে ঝুঁকে
    ব্যাটা যেন ফুলসজ্জের রাতে
    আদর করছে বড় নতুন বউকে
    এতো বড় জবর ভাঁড়ামি
    না এলে আফশোষ হত এসে
    একটুও ঠকিনি

    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    অকস্মাৎ সিধে হয়ে দাঁড়ালে যখন
    সমস্ত শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলে জরা
    ভাঙলে পায়ের বেড়ি
    খান খান দাসত্বের কড়া
    দু বাহুতে শক্তির জোয়ার
    দু পায়ের তলে শক্ত মাটি
    যেন এ আগ্নেয়গিরি
    অকস্মাৎ ভেঙ্গে গেছে ঘুম
    মুখ গেছে টুটে
    পুঞ্জীভূত অপমান অমর্যাদা
    মানুষের অন্তরের দাসত্বের আর্ত হাহাকার
    হুহু করে নেমে আসে ছুটে
    যেন এ লাভার স্রোত
    আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে পুঞ্জ পুঞ্জ সর্বনাশা ধুম

    বললে গর্জন করে “দর্শক মহোদয়গণ
    এবার দেখাই তবে খেলা
    মিথ্যার ছলনার শঠতার প্রভুত্বের পাপ
    যত ছিল জমা
    তার স্রোতে ভেসে যাবে আজ
    নগরের সকল নর্দমা
    না তাতেও ধরবে না
    দেখুন এবার তবে এই শেষ খেলা”
    অতঃপর দুই ভীমবাহু থামে দিল টান
    মুহূর্তেই সব খানখান

    দ্বিতীয় পৰ্ব

    স্যামসন প্রিয়বন্ধু স্যামসন আমি
    এ কাহিনী জানি
    কিন্তু বন্ধু আমি নই তুমি
    নই মহাবলী
    বিশ শতকের এক নিতান্তই ছাপোষা গৃহস্থ মামুলি

    দৈবেরও আশ্রিত ন‍ই
    আমার যে হৃতশক্তি সে আর কখনও
    অলৌকিক কোনো মায়া বলে
    ফিরে তার পাবে না যৌবন
    তাও আছে জানা
    তবু কেন মেটেনা বাহানা

    সামান্য মানুষ আমি
    যুক্তি বুদ্ধি বিবেকের-তেজ বিবেচনা
    যতদূর নিয়ে যেতে পারে
    আমার তো সেইটুকু সীমানা

    প্রিয়বন্ধু স্যামসন আর ভালোবাসা
    ভালোবাসা ভালোবাসা বুঝি
    এই শেষ পুঁজি

    শরীর অশক্ত হয়ে আসে
    হৃৎপিণ্ডে দুর্গের ফুকরে
    মৃত্যু গেড়েছে পাকা থানা
    অতি অতর্কিত তার পেয়াদার হানা
    আয়ুর সঞ্চয়ে মারে টান
    থরথর প্রাণ
    বুঝতে পারিনা মৃত্যু
    নাকি দাসত্বের হু হু করা জ্বালা
    কে বেশী উতলা করে

    তোমাতে আমাতে বন্ধু এখানেই মিল
    দুজনেই জানি স্থির
    দাসত্বের চেয়ে প্রিয় মৃত্যুর মিছিল
    মৃত্যু হানা মারে
    বুকের যন্ত্রণা বাড়ে
    অস্থির অস্থির
    বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে আসে
    নিস্তেজ শরীর যন্ত্রণার পুকুরে যেন ভাসে
    অকস্মাৎ রক্তের ভিতরে
    শুনি কারা অদ্ভুত আশ্চর্য এক স্বরে
    শুধু কলরব করে

    স্যামসন স্যামসন স্যামসন
    দেখাও তোমার খেলা
    নিরন্তর কারা ডাকে
    এই নামে কেন বা আমাকে

    চোখে ভাসে ক্রীড়াগৃহ
    ফেটে পড়া মানুষের উল্লসিত ভীড়
    উদ্‌ভ্রান্ত অস্থির
    চোখে মুখে অস্থিরতা
    অবয়বে দত্ত গর্ব প্রভুত্বের উদগ্র স্বভাব
    কেমন নিবিড়
    কেউ করে উপহাস ওষ্ঠে ব্যঙ্গ ভঙ্গীতে বিদ্রূপ
    ভাব দেখে মনে হয় সহ্য ওরা করবে না
    মানুষের মাথা উঁচু দু পায়ে দাঁড়ানো সিধে রূপ

    হঠাৎ চৈতন্যে ফিরি একঘেয়ে নিঃসঙ্গ বিছানা
    ক্লান্তচোখে গরাদের ফাঁক দিয়ে চাই
    পাখি দ্রুত উড়ে যায় ঘরে
    গাঢ় ছায়া নেমে আসে গাছে
    বাতাসের স্পর্শ পেতে ভারি ইচ্ছে হয়
    অতিকষ্টে শীর্ণহাত বাইরে বাড়াই
    দূর থেকে ভেসে আসে পুরবীতে ক্বচিৎ শানাই
    কাছেই কোথাও আজ বুঝি আছে বিয়ে বাড়ি

    শেষপ্রায় হয়ে আসে বেলা
    ক্ষীণ আশা কী আশ্চর্য তবু কেন জাগে
    আমার ছুটির আগে
    আমাকেও দেখাতে হবে খেলা

    প্রিয়বন্ধু স্যামসন দু-খেলার তুলনা চলবে না
    খেলা দিয়ে খেলা যাবে চেনা

    আমি জানি আমাকেও একদিন শৃঙ্খলিত
    বেড়ি পায়ে টেনে আনা হবে ক্রীড়াঙ্গনে
    দুরন্ত ষাঁড়কে যথা নাকে-দড়ি রাখা হয় বশে
    গোরুর বাথানে
    আমুদে দর্শক মত্ত কেবলই চেঁচাবে
    কান ঝালাপালা
    দেরী নয় দেরী নয় শুরু কর খেলা

    স্খলিত দুর্বলদেহ নড়া চড়া
    দায় দুহাতে শিকল
    এক পা এক পা করে একেবারে মধ্যমাঠে যাব
    তারপর সিধে হয়ে টান টান
    অকস্মাৎ উপরে তাকাবো
    শিকলে দারুণ টানে বাজাব ঝংকার
    গাণ্ডীব টংকার

    হঠাৎ চমকে উঠে বাচালেরা
    কথা যাবে ভুলে
    যতটা সম্ভব জোরে ক্ষীণকণ্ঠ তুলে
    বলে যাব ভাই সাবধান
    মানুষের সামনে আকাল
    মানব-জমিনে অন্তর্গত মূলরসে পড়ে গেছে টান
    ভাঁড়ার ফতুর
    যে যেখানে আছো ভাবো কিসে পাবে ত্রাণ
    ওই দ্যাখ নেমে আসে
    ভয়াল পিঙ্গল এক দীর্ঘস্থায়ী খরা
    ক্রমেই আসছে ছুটে নির্দয় শিকারী সাহারা

    চিত্তের শুকাবে রস মাঠ-ফাটা ঠা ঠা রোদ্দুরে
    কাঁটা গুল্মে ভরা মন ঝুরঝুরে যেন বালিয়াড়ি
    পাবে না তৃষ্ণার শান্তি কে বা কাছে কে আছ বা দূরে
    কেবলই ঘূর্ণীর ঝড় অনির্বান চুল্লীর উল্লাস
    শুষ্ক তালু খাঁ খাঁ করা বুক
    কোথাও পাবে না খুঁজে একটি গণ্ডূষ মাত্র
    শান্তির চুমুক
    অহরহ জেগে রবে আকণ্ঠ পিপাসা
    মেঘেরা ফেরার
    রৌদ্রদগ্ধ দাউ দাউ দিন
    কোথাও রাখবে না আর ছায়ার বিস্তার
    কোথায় নিস্তার

    শোনো ভাই শোনো
    এখন কর্তব্য এই যতটুকু পারা যায়
    ততটুকু আবাদ বাঁচানো

    লোভ হিংসা দম্ভ গর্ব প্রভুত্বের উদ্ধত মুকুট
    ক্ষমতার অবাধ দাপট অত্যাচার
    মানুষের অধিকার নির্বিচারে লুঠ
    নানাবিধ প্যাঁচ পয়জার
    মূর্খের স্বর্গের দাম্ভিক পতাকা
    হিংস্রতম সতর্ক পাহারা
    ফলাবে না রসহীন মানব জমিনে একটিও লকলকে চারা

    মাঠের দখল
    কেড়ে নেবে অনায়াসে হানাদার আগাছার দল
    বোবা চোখে চেয়ে রবে স্তূপীকৃত নপুংসক টাকা

    হৃদয়কে খালি কর ভাই
    বাজে মাল পুরানো জঞ্জাল সব বরবাদ
    আছে এই একটি উপায় এক ক্ষীণ আশা
    কিছুদিন হৃদয়ের জমি রাখো খাসে
    সেখানেই বাঁধ বাঁধো বাঁধ বাঁধো বাঁধ
    কাঁধে কাঁধ দাও আর প্রবল বিশ্বাসে
    যে যতটা পারো
    সঞ্চয় করো ভালোবাসা

    হৃদয়কে খাঁ খাঁ মাঠে যাতে অনায়াসে
    সেচ পারো দিতে
    হয়ত আবার তবে জীবনের অন্তর্গত ভিতে
    রস কিছু যেতে পারে জমে
    মানুষের মনের ময়দানে ক্রমে
    জন্মাতেও পারে তবে মোলায়েম ঘাস
    স্নেহময় প্রথম আশ্বাস

    ভালোবাসা ভালোবাসা
    সঞ্চয় করো ভালোবাসা
    আবার বলছি ভাই মানুষের মনের আবাদে
    এই শেষ আশা
    প্রিয়বন্ধু স্যামসন
    কণ্ঠক্ষীণ বেপরোয়া তবু এ চীৎকার
    আমার বলার অধিকার
    কেড়ে নিতে পারেনিকো বলদর্পী
    নির্বোধ গোঁয়ার
    তাদের করেছি অস্বীকার

    স্যামসন প্রিয়বন্ধু যোদ্ধা স্যামসন
    আমার যা বিবেকের দায়
    যতটুকু সাধ্য ছিল তাই
    দিয়ে করেছি সমাধা নাই আর কিছু নাই
    এইবার শরীরের অতি ক্লান্ত ভার
    শেষ শয্যা মাটিতে নামাই

    সাঙ্গ আমারো শেষ খেলা
    এবার পড়ুক তবে বেলা
    নামুক আসন্ন সন্ধ্যা প্রশান্ত প্রান্তরে
    পাখি ফিরে যাক তার প্রিয়তম নীড়ে
    বসুক প্রগাঢ় ছায়া গাছে মাঠে গৃহস্থের চালে
    জ্বলুক সিঁদুর ফোঁটা লজ্জানম্র এয়োতির নিটোল কপালে
    দু একটা দলছুট বাছুরের ডাক
    গোধূলির সঙ্গীত শোনাক

    ক্ষয় হোক মানুষের মনের খোয়াই
    নিতান্ত একেলা ঘরে
    চুপিসারে শান্ত হয়ে আমি তবে এবার ঘুমাই

    ২৭/৩/৭৬

    কোনও এক জিরাফের সন্ধ্যাসঙ্গীত

    [একদা চিড়িয়াখানায় আবদ্ধ কোনও একটি জিরাফের প্রচণ্ড বক্ষশূল বেদনা, – মানুষের ভাষায় যাকে হার্ট অ্যাটাক বলে— হয়েছিল। কয়েকদিন ধরে নিরন্তর সুতীব্র যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়া সত্ত্বেও সে জিরাফ বলেই চেতনে, অচেতনে ও অবচেতনে এই ক’টি সন্ধ্যাসঙ্গীত রচনা করতে সমর্থ হয়েছিল।]

    (প্ৰথম সঙ্গীত। তখন চেতনা নিস্তেজ হয়ে আসছে)

    বসন্তের এই মাতাল মজলিশে সকালটা চেঁচিয়ে
    আমার ঘুম ভাঙাতে চেষ্টা করল
    বলল, “প্রেমিক তোমার জন্য কখন থেকে বসে আছি
    বসে বসে ফুরিয়ে এলাম যে”
    চোখ মেলতে পারলাম না যন্ত্রণার সংকেতে বার্তা পাঠালাম
    “ঝরে পড়ার নিমন্ত্রণ আমিও কি পাইনি”
    ওকি সেকথা না শুনেই ফুরিয়ে গেল

    (দ্বিতীয় সঙ্গীত ॥ বুকের অসহ্য বেদনায় চেতন অচেতন)

    এক লহমায় দেখে নিলাম তোমাকে
    সেইমাত্র একবার একটিবার
    আকাশে মেঘের দোলায় তুমি দোল খাচ্ছিলে
    হঠাৎ চাইলে
    কী গভীর ভালবাসা তোমার আয়ত চোখের আদলে
    আমি কঁকিয়ে উঠলাম
    “হায় তোমাকে ছেড়ে কী করে এখন থাকব
    মৃদু হাসলে তারপর আবার আকাশ হয়ে গেলে

    (তৃতীয় সঙ্গীত। অচেতন থেকে চেতনে)

    যখন কেউ ছিল না কাছে তুমি ছিলে
    বুক নিংড়ানো যন্ত্রণার ভিতরে গভীরে মর্মমূলে
    আমি জানি তুমি শিওরে ছিলে প্রস্তুত প্রশান্ত প্ৰতীক্ষায়

    যখন কেউ থাকবে না কাছে
    তখনও জানি তুমি থাকবে সদা জাগ্ৰত শিওরে
    সর্বদাই হাত দুখানা বাড়িয়ে গভীরতম প্রেমে
    তোমাকে নির্দয় কে বলে প্রিয়তমে

    (চতুর্থ সঙ্গীত ॥ অবচেতনে)

    তোমাকে কথা দিয়েছি প্রিয়তমে
    ধরা দেব সেই আখেরি আলিঙ্গনে
    যাত্রা করেছি প্রথম সূৰ্য্য থেকে
    থামিনি চলেছি ক্ষতবিক্ষত পা
    এখন বিকেল একটু সবুর
    আর তো মোটে এইটুকু প্রান্তর
    সন্ধ্যা নামতে দাও
    আমি তো তোমার নাগালের মধ্যেই
    তবু এত আক্রোশ

    (পঞ্চম সঙ্গীত। আচ্ছন্ন হবার প্রাক্-মুহূর্তে)

    একা চলতে যখন ক্লান্ত হয়ে থমকে পড়ি
    সম্মুখে গা-ছমছম বিস্তীর্ণ প্রান্তর আর অনাত্মীয় আসন্ন সন্ধ্যা
    হে প্ৰিয়তমা হঠাৎ তোমার হাতছানি আমায় সচল করে
    তোমার সঙ্গে মিলন সে যে বাহির সমুদ্রের ভাঁটার টান

    (ষষ্ঠ সঙ্গীত। অচেতন থেকে চেতনের মাঝখানে)

    উষ্ণ চুম্বনের নীলামদারদের হাঁকডাকেই বাজার সরগরম
    শীতল চুম্বনের গ্রাহক একমাত্র তুমিই
    আমি তো তোমার জন্যই পসরা মেলে বসে আছি

    (সপ্তম সঙ্গীত ॥ পরিপূর্ণ চেতনে)

    আমার সামনে খাঁচার গরাদ
    চারদিকে আকাশ ঢাকা বেড়া
    কিন্তু এই তো আমি চলে যাচ্ছি প্রিয়তমার কাছে
    উগান্ডার অবারিত প্রান্তরের যূথে এই তো ছুটছি উদ্দাম

    এই তো পাচ্ছি তার শরীরে টালমাটাল বসন্তের ঘ্রাণ
    তাহলে হৃদয় আর আফশোষ কিসের

    (অষ্টম সঙ্গীত। পরিপূর্ণ অবচেতনে)

    কে আমাকে ভুলেছে
    কোন্ বন্ধু মুখ ফিরিয়ে চলে গিয়েছে
    অভিমানী হৃদয় হায় তুমি কি সাবালক হবেই না

    (নবম সঙ্গীত।। অবচেতনে)

    আমাকে যারা বাজিয়ে নিচ্ছে
    কেন তাদের ঘৃণা করব
    আমার ভালবাসা সেকি এতই মরা সোনার

    (দশম সঙ্গীত। অবচেতনে)

    আমি চাই আমার প্রিয়জনেরা
    একে একে আমার আগে গিয়ে
    জমজমাট সেই আসরে জায়গা নিন

    যে প্রেমিক সেই কেবল জানে
    প্রিয়জনের বিচ্ছেদ-বেদনা কত মর্মান্তিক

    (একাদশ সঙ্গীত। চেতনে)

    ঝড়ের সময় ভয়ে সবাই কেমন দুদ্দাড় দরজা এঁটে দিয়েছিল
    এখন দেখুন তামাশা আম কুড়োতে সবাই কেমন বেসামাল

    (দ্বাদশ সঙ্গীত ॥ জিরাফের স্মৃতিফলকের জন্য)

    লোকটা বড় আজব ছিল
    লোকটা বড় আজাদ ছিল
    লোকটা বড়ই আজব কথা বলত
    বলত, “ভাই মানুষকে শিকল পরিও না
    সে ফুল ফোটাবে”
    তারপর কি হল
    হাঃ হাঃ সে বড় মজার কথা
    লোকে বলল, “ওটা মানুষ নয় জিরাফ”
    লোকে ওটাকে চিড়িয়াখানায় ভরে দিল
    বন্ধুরা মাঝে মাঝে ওটাকে ঘাস জলও দিয়ে আসে
    আহা ওটাকে তারা বড় ভালবাসে

    (ত্রয়োদশ সঙ্গীত। একেবারে সজ্ঞানে)

    আমার প্রিয়জনেরা শোনো
    আমার জন্য খবরদার কেউ চোখের জল ফেলো না
    কেন না ললাটের লিখন এই— “এর দুঃখে শেয়াল কুকুর কাঁদবে”

    পাঁচ ফোড়ন

    এক।।

    ভীষ্ম দ্রোণ তলিয়ে গেল
    সেনাপতি শল্য
    এই ভরসা নিয়ে দাদা
    লড়তে যাবেন কল্য।
    সিংহ গেল ব্যাঘ্র গেল
    হাতিও খেল ল্যাং
    বুক চিতিয়ে আছেন দাদা
    ভরসা এখন ব্যাঙ।।

    দুই।।

    এ দলে ভিড়লে      মন্ত্রী
    ও দলে রাজা
    এ দলে মতিচুর
    ও দলে খাজা—
    ভাবছেন এম এল এ
    গাছেরও থাকে
    তলারও থাকে—
    কোন্ দলে ভিড়লে?

    তিন।।

    প্রাণটা ত্যাগ করা কিছু নয়
    প্রাণ রাখাটাই শক্ত,
    বললেন দেশভক্ত।
    গদি তো ছাড়তেই পারি
    ও কিছু নয়
    গদি রাখাটাই শক্ত,
    তাই তো ছাড়ছি নে তখ্‌ত।।

    চার।।

    এক যে ছিলেন বিলাত ফেরৎ মোক্তার
    কেমন চাপল রোখ তার
    লড়তে গেলে মামলা মাথায় দেবেন গামলা
    বাগ মানাতে পারেন না কেউ এ ঝোঁকটা
    নাম কিনলেন বিলাত ফেরত মোক্তার

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিম্নবর্গের ইতিহাস – পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article কমলা কেমন আছে – গৌরকিশোর ঘোষ

    Related Articles

    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    এই দাহ – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    জল পড়ে পাতা নড়ে – গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    মনের বাঘ – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    গড়িয়াহাট ব্রিজের উপর থেকে, দুজনে – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)

    প্রতিবেশী – গৌরকিশোর ঘোষ

    August 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }