Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দিদিমাসির জিন – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিদিমাসির জিন – ১৪

    ১৪

    সরলাবালা পাঁচালি পড়ছেন :
    সরোবালা সুশীলার কইল সংবাদ।
    জ্বরে জরোজরো সুশী গণে পরমাদ॥
    সরো বলে খ্যাপা স্বামী দুর্বাসার রাগ।
    তিন সত্য করি সুশী তারে দিব ত্যাগ॥
    ত্যাগ দিয়া কী করিবি সুশী ভয়ে কয়।
    আবার বিবাহ সুশী করিব নিশ্চয়॥

    সরলাবালা সরি-সুশীর ঢিপি-ঢাপা মূর্তিতে একটু ফুলবেলপাতা ফেলে দিলেন। ভজমামা ঢুকে বলল— শীতকালে কিসের শিবপুজো বুঝিনে বাপু! শিবপুজো করতে হয় বোশেখ মাসে। মায়ের সবই কেমন এলাকাঁড়ি।

    সরলা ভজমামার কথায় কানও দিলেন না আবার পাঁচালি আরম্ভ করলেন :

    সুশী কয় পোড়ামুখী মুখে নাই আঁট
    কথাবাত্রা ছোট্ট হতে বড্ড কাঠ-কাঠ।

    ভজমামা বলল—তা ভূতনাথ ভৈরব। তার কথা তো কাঠকাঠ হবেই।

    সোয়ামিরে ত্যাগ দেওয়া কোন শাস্ত্রে কয়?
    সরি বলে আমাদের নিশ্চিত প্রত্যয়॥
    শাস্ত্রে যথা লিখিতং বিধবার বিয়ে
    তথা নানা কথা আছে বদ স্বামী নিয়ে॥
    শুধু বদ নয় এ যে বদখত বুড়ো
    ইচ্ছে করে মুখে তার জ্বেলে দিই নুড়ো॥

    —ভজমামা উবু হয়ে বসে বিড়ি ধরিয়ে বললে— পাঁচালি শুনতে বেড়ে লাগে, খাসা লাগে, উমার মা শিবঠাকুরকে একেবারে গোবেড়েন দিচ্ছে। জামাই বলে রেয়াৎ করছে না। সব শাউড়িদের ব্যাপারটা শিকে নেওয়া উচিত। ওহ! জামাই বলে সব যেন মাথা কিনে নিয়েছে। রাতবিরেতে পাঁঠার মাংস আনো, দই আনো, রাবড়ি আনো, পেস্তাবাদাম-কাজু-খোয়া। একেবারে এলাকাঁড়ি কাণ্ড!

     

     

    এই সময়ে কাজল ঝড়ের মতো ঢুকে বলল— আহা হা হা, তোমাদের জামাই কি একবারও বলেছে এই আনো ওই আনো, সে তো খেতেই চায় না, যদি বা চায় বলে যা রয়েছে ঘরে তাই দাও।

    ভজমামা বলল— আ-হা! ও তো মায়ের নাতজামাই! আমি বলছি জামাইদের কথা। তুইও যেমন!

    কাজল বলল— দিদিমাসি গো তোমার বাড়ি অনেক অতিথি আসছে যে!

    সরলাবালা পড়ে চললেন :

    পিতৃধাতু পায় বড় পুত্র নরহরি
    ভয়ে তার কাঁপে সারা গ্রাম থরহরি॥
    মেজপুত্র করিলেক অকালে প্রয়াণ
    ভজহরি সেজপুত্র ভ্যাবাগঙ্গারাম॥
    তারও পরে গৌরহরি বিবাহ করিলা
    দিবারাত্র নাকি তার সংসারেতে জ্বালা॥
    লোটা কম্বলধারী গৌর হিমালয়ে যায়
    সেথা বড় শীত দেখে কন্‌খলে পালায়॥
    গজহরি চতুর্থটি রাঙামুলো ছিল
    বলহরি ছোটছেলে কোথা পলাইল॥
    অবধান করো সবে সুশী সরি কথা
    বসুজায়া কহে, শুনে পুণ্যবান যথা॥

     

     

    আবার কতক ফুলবেলপাতা অঞ্জলি দিয়ে সরলাবালা পাঁচালি বন্ধ করলেন। ভজমামা ঢুলতে ঢুলতে বললেন দেখিচিস কাজলা, মা শিবের পাঁচালিতে আমার নামটা ঢুকিয়ে দিয়েচে কেমন। একেই বলে মায়ের মন!

    সরলাবালা পাঁচালি থামিয়ে বললেন— বল এবার কী বলবি!

    কাজলের উত্তেজনা পাঁচালির কারণে এখন অনেক থিতিয়ে এসেছে। সে বলল— তোমার বাড়ি যে মেম আসছে গো!

    দিদিমাসি ধীরেসুস্থে সব গুছিয়ে তুলতে তুলতে বললেন— এখন আর আমায় কী মেম দেখাবি কাজলা, আমার বাপেরবাড়িতে কত মেম এয়েচে। মিস অ্যানাবেল, মিস শার্লট, মিস মাগারেট…স্কটল্যান্ডের প্রেজবিটেরিয়ান চার্চের মিশন থেকে কত মেম ইন্ডিয়া দেখতে আসত। আমাদের সঙ্গে ডেকে ডেকে আলাপ করত। শ্বশুরবাড়িতেও এয়েচে। ম্যাজিস্ট্রেটের মেম, পুলিস-সুপারের মেম, মেম কি একটা? এসে এসে সব জিজ্ঞেস করত তোমার ইন-লজ খাইসি, করসি কথা কয় তুমি কেন আলাদা? আমি বলতুম— আ অ্যাম আ ক্যালকাটান ম্যাডাম, দা ডায়ালেক্ট আই স্পীক ইজ দা মোস্ট পলিশ্‌ড্‌ ইন বেঙ্গল।

     

     

    কাজল বলল— জীবনের অনেকটা সময়ই তো বাঙাল দেশে কাটালে। তাও কী করে কলকাতিয়া ভাষা বলে জানিনে বাপু, আমরা ঘটিরাও তো আজকাল হালুম হুলুম গেলুম করলুম বলি না। তুমি তো নেবু, নুচি পজ্জন্ত ধরে আছে।

    —আছি, থাকবও, বুজলি! ভাষাটা লুপ্ত হয়ে যাবে নাকি শেষে? ভজটাকে ছোট্ট থেকে কলকাতার ভাষা রপ্ত করিয়েছি। মেয়েগুলোর বেলায় একেবারে ফেল। সবসময়ে ঠাকুমা পিসিমাদের সঙ্গে ঘুরঘুর করতো তো! শেষে এমন হল নবটার চাটগাঁয়ে বে হল। ফিরে এল যখন আমি তার মা তার কথা বুঝতে পারি না। বলে হেই দ্যাহো, হালার পুতে লইঠ্যা শুঁটকি বুজে না। ললিতাটাকে কত ‘ও ললিতে চাঁপাকলিতে’ বলে ভুলিয়েছি দোল দিয়েছি, কিন্তু মুখ দিয়ে ভাষা বেরোল পিতৃভাষা।

    তোমার নাতজামাই কিন্তু বলে—ভ্যারাইটি, বাংলা ডায়ালেক্টের এত ভ্যারাইটি তাই ভাষাটা এত রিচ।

    —তা থাক গে না, আমি কি বারণ করেচি? তবে আমার আঁব, নুচি, গেলুম খেলুমও কেড়ে নিতে দোব না।

    এই সময়ে ভজমামা ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে এসে বললে— মা, তোমার পাঁচালি থামাও। জৈল সিং। জৈল সিং এয়েচে।

     

     

    —সে কি রে? জৈল সিং যে কদিন আগে মারা গেছেন!

    —মারা যেতে পারে কিন্তু এয়েচে।

    ভজমামার ছেলে নুটু শ্যামবাজার অঞ্চলের নামকরা গেঁজেল; সে ঢুকে বলল— সরলাবালা কি আমার ঠাকুমার নাম না মার নাম? যে-ই হোক তাকে এখন লুকিয়ে পড়তে হবে কারণ পুলিস এসচে।

    —পুলিস? কাজল ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে উঠে দাঁড়াল।

    —ও ভজমামা, পুলিশ কেন আবার? এই বললে জৈল সিং!

    আর ভজমামা। ভজমামা হাওয়া। নুটু বলল— আমি চললাম, আমার কাজ আছে। সরলাবালা যদি ভালো চাও তো লুকোও।

    দিদিমাসি তেরিয়া হয়ে বললেন— কেন? আমি খুন করেছি না রাজদ্রোহ করেচি যে নুকোবো? আজকের দিনের শাউড়ি হয়ে একটা বধূহত্যা পজ্জন্ত করিনি, নুকোতে হয় তারা বাপ-বেটায় নুকোগে যা।

     

     

    ভজমামির পেছন পেছন যশজিৎ আর গোপাল এসে ঘরে ঢুকল।

    —ওঃ তুমি! সেই যশ না রস না? কাজল স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বলল।

    —আজ্ঞে আমি সেই যশই। রসটস কিছু না।

    —অমন লাল পাগুড়ি পরেছ কেন? আমার নুটুদাদা তোমায় পুলিস ভেবেছে যে?

    গোপাল জিভ কেটে বলল— এ ছি ছি কাজলামাসি, লাল পাগড়ি পুলিসেরা পরত ব্রিটিশ আমলে, সে-সব আমরা দেখিইনি।

    —তোমাকে কি আমি ফোড়ন কাটতে বলেছি? পাঁচফোড়ন কোথাকার!

    —কিন্তু কাজলামাসি আপনি যদি খামখা একটা ঐতিহাসিক ভুল করেন, তা হলে…

     

     

    যশ বলল— তা ছাড়া এটা ঠিক লাল কি? ব্রিক রেড নয়?

    —আজ্ঞে না। রঙের ব্যাপারে আমাকে শিক্ষা দিতে এসো না। একে বলে খুন-খারাপি লাল। আমার বিয়ের বেনারসীখানা ঠিক এই রঙের।

    —আচ্ছা আচ্ছা, খুনখারাপিই আছে। আমি এ পাগড়ি আর পরছি না, যদি সবাই এত ভয় পান, যশ বলল।

    —ভয় মানে? —পালঙ্ক থেকে বলে উঠলেন দিদিমাসি, —ভয়ের কথা হচ্ছে না। লাল পাগুড়ি আমাদের সে যুগের মানুষের কাছে একটা অপমান, একটা অত্যেচার, একটা জঘন্য সরকারি চক্রান্তের প্রতীক। তা জানো থোকন! এই কাজলা নাতনিরা তারই শেষমেষ দেকেচে।

    এমন সময়ে ভজমামি সালোয়ার-কামিজ পরা রাংতাকে নিয়ে ঢুকলেন। সে ঘড়ির দিকে তাকাতে তাকাতে বলল— আমি কি সময়ের আগেই এসে পড়েছি?

     

     

    কাজল এগিয়ে গিয়ে বলল— শোনো রাংতা এই হলেন আমার মাসি-দিদিমা বা দিদিমাসি। উনি খুব আপ-টু-ডেট হতে পারেন। কিন্তু ওঁর নাতনি হওয়া সত্ত্বেও আমি অতটা নই। আমার মামারবাড়ি তোমাদের মিটিং প্লেস না ডেটিং ভেনু হওয়ায় আমার খুব আপত্তি। খুব খারাপ লাগছে আমার। তুমি একা এসো, যশ একা আসুক, কিন্তু আগে থেকে চক্রান্ত করে দুজনে এখানে ঠোকাঠুকি হয়ে যাওয়া, যেহেতু আমার দিদিমাসি খুব লিবর‍্যাল—এ আমি সহ্য করব না। ইট উইল সেট এ ব্যাড প্রিসিডেন্স, কোনও কোনও দুষ্কৃতকারী এর সুযোগ নিতে পারে। রাংতা অপমানিত লাল মুখে বলল— আমি এখুনি চলে যাচ্ছি। তীর্ণা আমাকে ফোন করে জানাল বলেই না খুঁজে খুঁজে…

    গোপাল বলল— ব্যাড প্রিসিডেন্সের ব্যাপারটা কাজলামাসি যদি আমাকে কটাক্ষ করে বলে থাকেন তা হলে সেটা মাঠে মারা গেল কারণ কাজলামাসির মামারবাড়িতে কারুর সঙ্গে মিট করবার কোনও বাসনাই আমার কোনদিনও ছিল না, আজও নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না।

    কাজল বলল— সবার মাঝে পড়ল কথা যার কথা তার গায়েই বাজে। আমি কি তোমাকে কানে ধরে বলতে গেছি গোপাল, গোপাল, তুমি ঠাকুরঘর থেকে কলা খেয়েছ!

     

     

    রাংতা রাগত মুখে বেরিয়ে যাচ্ছিল এমন সময়ে উদভ্রান্ত অনীকের সঙ্গে তার চৌকাঠের ওপর ঠোক্কর লেগে গেল।

    অনীক বলল— আরে রাংতা তুই? এইসব চৌকাঠ-ফৌকাঠ একেবারে থার্ডক্লাস ব্যাপার? এ কী? দিদিমাসি! তীর্ণা কই? তীর্ণা ছাড়া তো দেখছি সব্বাই আছে!

    দিদিমাসি বললেন— ও নাতকুড় আমার, সাত রাজ্যের ধন এক মানিক, কবে থেকে ডাক পেড়ে বসে আছি, পিঠে-পাঠা তোয়ের করে, তা সেই বলে না কথায়—হায়রে সাধের তুমি। তোমার জন্যে চাল ভিজিয়ে চিবিয়ে মলাম আমি॥ কেন্‌রে এমন নিঠুর কঠোর কেন তুই?

    অনীক লজ্জা পেয়ে দিদিমাসিকে একটা পেন্নাম ঠুকল গিয়ে। দেখাদেখি যশ, গোপাল আর রাংতাও ঠুকল। অনীক বলল— ব্যাপারটা খুবই মিস্টিরিয়াস। সাম আননোন পার্সন আমাকে ফোন করে বলল— দিদিমাসির বাড়িতে এলে তীর্ণাকে পাবো। তাই..

    —তিনুর খোঁজে এইচিস! তবে রে মুখপোড়া! আমি বলি আমার জন্যে নাতকুড়টা হেদোয়।

     

     

    —দিদিমাসি তুমি জানো না তীর্ণা হাওয়া হয়ে গেছে। তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার দিনেরাতে ঘুম নেই। আর এদিকে তোমার নাতনি আমাদের এই কাজলামা দিব্যি খাচ্ছেন-দাচ্ছেন নাক ডাকিয়ে ঘুমোচ্ছেন।

    ভজমামি বললেন— আহা আমাদের কাজললতা ভাগ্নীকে খাওয়ার খোঁটা দিও না নাতি, কে আর আমাদের সেকালের রান্নার অত কদর করবে তা হলে?

    এইবারে ঢুকলেন গৌরমামি— মা, কতকগুলান সাহেব-মেম লইয়া নাতজামাই আসে। সব্বগোরা ধইরলে অনেকগুলান মানুষ। সা পাতা লাগব। ভাঁরার গরের সাবি দিয়া থুন।

    দিদিমাসি আঁচল থেকে চাবির গোছা খুলে গৌরমামির হাতে দিলেন। ভজমামা পালঙ্কের তলা থেকে মুখ বার করে বললেন— আমি তা হলে বেরুই? কি গো মা!

    অনীক ভজমামা অর্থাৎ তার ভজদাদুকে বেরোতে সাহায্য করল।

     

     

    দিদিমাসি বললেন— সিঙাড়াগুলো গরম দেখে আনবি, আর স্পঞ্জ রসগোল্লা। ভজমামা খাবার কিনতে বেরিয়ে গেলেন।

    —আমরা কি আসতে পারি? গঙ্গাপ্রসাদ দরজা থেকে মুখ বাড়িয়ে বললেন।

    —আপনারা জুতোগুলো খুলুন বাবা জেনকিন্‌স্‌! ওহে টিকটিকিরা তোমাদের ওই কায়দার জুতো সব খুলে-টুলে ঢোকো। —গঙ্গাপ্রসাদ পেছন ফিরে বললেন।

    প্রথমে ঢুকল তীর্ণা, পরনে ছাপা শাড়ি, সে নেংচাতে নেংচাতে ঢুকল।

    কাজল বলল— ও কি রে তীর্ণা। তোকে অমন জখম করলে কে?

    অনীক তার জন্য একটা চেয়ার এগিয়ে দিতে দিতে বলল— বোধ হয় কারুর বাড়ি ল্যাং ল্যাং করে গিয়েছিল। সেই ভেঙেছে ঠ্যাং।

     

     

    তীর্ণা জ্বলন্ত দৃষ্টিতে দাদার দিকে তাকিয়ে তারপর রাংতার দিকে চাইল। রাংতা চোখ নামিয়ে নিল।

    তীর্ণা বলল— থ্যাঙ্কস্ রাংতা।

    রাংতার মুখের ভাব এখন এমন কাঁচুমাচু যে ঘরে উপস্থিত অনেকেই ভাবল তীর্ণার জখম পা-এর পেছনে রাংতার কিছু অবদান আছে। মামিদ্বয় তার দিকে সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে তাকাতে লাগলেন।

    ওদিকে ফাদার জেনকিনস, অশোক সাঁতরা আর গোপালগোবিন্দকে একরকম ঠেলে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলেন।

    কাজল ফিসফিস করে তীর্ণাকে বলল— কি রে আরও ক্যানডিডেট? তোর টেস্টের প্রশংসা করতে পারছি না বাপু।

    তীর্ণা বলল— উঃ মা! তুমি একটু থামবে!

    অভিমানহত কাজল থমথমে মুখে চুপ করে গেল।

    এইবার গঙ্গাপ্রসাদ এডিথকে নিয়ে ঢুকে বিজয়গর্বে চারদিকে তাকিয়ে নিয়ে বললেন— মাসিদিদিমা, (দিদিমাসি ডাকটা তিনি কোনদিনই পছন্দ করেননি, যদিও অভিধানে ঢোকাবেন কি না ভাবছেন) একে চিনতে পারেন?

    একটা কালো স্কার্ট আর সাদা টপ পরা এডিথ সিং কাপুর আর সাদা ধবধবে থান পরিহিতা সরলাবালা বসু এখন মুখোমুখি।

    উপস্থিত সকলেই একটা প্রচণ্ড বিস্ময়ের আওয়াজ করল গলা দিয়ে। সমস্ত ঘরে এমন নিস্তব্ধতা যেন রাতদুপুরের কবরখানা। কয়েক মিনিট পরে দিদিমাসির পরিষ্কার গলা শোনা গেল : চিনব না কেন? এ নিশ্চয়ই আমার সেই হারানো জিন। বোতলে ভরে কালসমুদ্দুরে মুখপোড়া বিধাতা ফেলে দিইছিল। তা কোন সাগরের তীরে উঠল শুনি?

    —অ্যাটল্যান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগর— গঙ্গাপ্রসাদ বললেন, গালফ অফ মেক্সিকো, কি আর্কটিক ওসান যদি না-ই ধরেন। মানে সাত সমুদ্র তেরো নদীর পার।

    —তুই কি আমার কুট্টির মেয়ে? মেয়ে না নাতনি?

    —আমার পিত্রিদেব শ্রীল শ্ৰীযুত ব্যলহরি ভোস মাত্রিদেব মাদাম আনেৎ ভোস। মাদাম সরলাওবালা ভোস আমার পিটামহীর নাম। —বলতে বলতে এডিথ দু পা এগিয়ে পালঙ্কে উঠে পড়ল এবং দিদিমাসির গলা জড়িয়ে চক্‌চক্‌ শব্দ করে চুমু খেতে লাগল।

    —মাই ওনলি লিভিং রিলেটিভ। সে চুমুর ফাঁকে ফাঁকে বলতে লাগল, বোঝা গেল সে আবেগে ফোঁপাচ্ছে।

    তীর্ণা আর অনীক প্রায় একসঙ্গে বলে উঠল—তাই গোড়ার থেকেই ওকে এত চেনাচেনা লাগছিল। যেন কোথায় দেখেছি, কোথায় দেখেছি।

    কাজল বলল— তা যদি বলো এডিথ আমরাও তো তোমার আত্মীয় বাপু, একা সরোবালা কেন? তুমি তো তা হলে আমার মাসতুতো মামাতো বোন হলে! না কী?

    তখন এডিথ দিদিমাসিকে ছেড়ে চোখের জল রুমাল দিয়ে মুছে কাজলকে চুমু খেতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।

    তীর্ণা বলল— তুই আবার ওকে দেখলি কোথায়?

    অনীক বলল— কেন? মনোহরদাসের আসরে, বোষ্টুমী না বাউলনী সেজে বসে ছিল!

    —চতুর্দিকে চকচক চুমু খাওয়ার শব্দ। খালি যশজিৎ ভারি খুঁৎ খুঁং করতে লাগল—

    —তাহলে আমার ফাংশানটা কী দাঁড়াল? এডিথ আমার হচ্ছে টা কে?

    এডিথ ভজমামার খোঁচা খোঁচা পাকা দাড়ি ভরা গালে চুমু খাচ্ছিল। শেষ করে ভজমামীর দিকে যেতে যেতে বলল— তুমি আমার কেউ হয় না। আমার পিতা শ্ৰীযুট ব্যলহরি ভোস আমার মাতা মাদাম আনেৎকে বিচ্ছে … বিচ্ছে … ও মাই গড ডিভোর্স করলে মাদাম আনেৎ বিভা করেন মিঃ রাদারফোর্ডকে। জিম রাদারফোর্ড। জিম আমার স্টেপ ফাদার। আনেৎ মারা গেলে আমি পা ব্যলহরির কাছে ফিরতে চাচ্ছে— কিন্তু খোজ পাচ্ছে না। জিম তোখন বিভা করে মাধু কাপুরকে। কী করতে পাচ্ছে, আমাকে ওদের সঙ্গেই থাকতে হচ্ছে। জিম মাধুকে বিছে-বিচ্ছে ও মাই গড ডিভোর্স করে নাইজিরিয়া চলে যাচ্ছে। আমার নাইজিরিয়া ভালো লাগছে না। মাধু কাপুর বিভা করছে দলজিৎ সিংকে। কী করতে পাচ্ছে, ওদের সঙ্গেই থাকছে। দো শী ইজ আ বিচ, দলজিৎ ইজ আ ডার্টি অ্যাডভেঞ্চারার। আমি মাইনর আছে, আনেতের ডলার আছে, ওরা আমাকে ছাড়ছে না, দলজিৎ মোটেল চালাচ্ছে, ফ্রেন্ডের সঙে ডেলিক্যাটেসিনে কাজ করে, আনেতের ডলার ওদের চাই। ওদের তিনটে ছেলে, বডমাস। আমি স্কুল থেকে এসে কুকিং ক্লীনিং, ভ্যাকুয়াম এভরিথিং করি। একদিন স্কুলে এক সলিসিটর ফোন করছে।

    —তুমি এডিথ ভোস?

    আমি বলছি— আমি এডিথ সিং কাপুর।

    —নো-ও তুমি ভোস, তোমার বাবার নাম ব্যলহরি ভোস কী?

    —তোখন মনে পড়ছে, বলছি— রাইট।

    —তো কাম কুইক।

    —তোখন আমার হাই স্কুল হচ্ছে। সলিসিটর তার লোক্যাল অফিসের অ্যাড্রেস দিচ্ছে। আমি যাচ্ছি। সলিসিটর বলছে— তুমার বাবা ব্যলহরি আর বিভা করছেন না, তিনি মরছেন। তাঁর অনেক সম্পাটি, থ্রি মিলিয়ন ডলার্স মতো হোবে। তুমি পাচ্ছে। সো য়ু আন্ডাস্ট্যান্ড ইয়শ্‌ তুমি আমার কেউ হচ্ছে না!

    যশ বলল— ওয়েট এ মিনিট। তুমি দলজিৎ আঙ্কলের স্টেপ-ডটার ঠিক?

    অশোক সাঁতরা বলল— উঁহুঃ, ও দলজিৎ সিঙের বউ মাধু কাপুরের স্টেপ-ডটার।

    গোপালগোবিন্দ বলল— মোটেই না। ও হল জিম রাদারফোর্ডের স্টেপ-ডটার।

    রাংতা বলল— সে ক্ষেত্রে এডিথ দলজিৎ আঙ্কলের স্টেপ-স্টেপ-স্টেপ ডটার। থ্রি টাইমস রিমুভড। অর্থাৎ কেউই হয় না।

    এডিথ তখন ছুট্টে গিয়ে রাংতাকে চুমু খেয়ে বলল— রাইট। রাইট য়ু আ রুংটা ডার্লিং। তাপর হাই স্কুল করে আমি প্রিটেন্ড করছি কি ইন্ডিয়ায় পেপার করতে আসছি। ভীষণ আসছি।

    মানে?— তীর্ণা জিজ্ঞেস করল। ভীষণ আসছ মানে?

    ফাদার জেনকিনস উদ্ধার করলেন। বললেন— মানে আসতে চাইছে, তাই না। এডিথ, সোনাটি?

    —রাইট। এডিথ উজ্জ্বল মুখে ফাদার জেনকিনসের দিকে তাকায়।

    —তারপর?— যশের জিজ্ঞাসা।

    —তার পোরে, সলিসিটার ফাদার জেনকিনসের সঙ্গে করেসপন্ডেন্স করতে বলছে। ফাদার জেনকিনস ভাবছে আমাকে সাবজেক্ট দিতে হোবে স্টাডির। তো বাউল দিচ্ছে। দলজিৎকে বলছি। দলজিৎ ভাবছে ভালো হচ্ছে, আনেতের ডোলার ছলে-কোশলে বার করবে। আমাকে নেফিউর কাছে পাঠাচ্ছে। আমার ভালো। আমি ভালো বাংলা শিকচি, মেলা যাচ্ছি, কোতো দেকছি, জানছি। ওদিকে, সলিসিটর পা-র নোটবুক দিয়েছে, বাস সেটা ফেলে আসছি। দলজিৎ-মাধু পোড়েছে, সোব জানছে। আর আমার সরলাওয়ালা ভোস আর সিয়ামবাজা ছারা কিছু মনে নেই। ট্রাম্প কার্ড দলজিতের হাতে। আনেতের সম্পাটির পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি মাধুর। চারদিকে গোয়েন্দা পাটাচ্ছে। ফিরতে পাচ্ছে না, থাকতেও পাচ্ছে না, ঘুরে ঘুরে বেরাচ্ছে। থাকার জন্য ডলার চাই। ওদের লিখতে হচ্ছে। এমন সোময় টিনা অ্যান্ড আঙ্কল গাঙ্গা গাঙ্গা ও মাই গড আংকল পরসাদ সরলাওয়ালার আড্রেস দিচ্ছে। আমি গ্রেট ফুল, সো গ্রেটফুল টু দেম।

    কাজল বলল— তুমি আবার টিনার বাবাকে আঙ্কল বলছো কেন? ও যে তোমার ব্রাদার-ইন-ল হল। আমি তোমার কাজিন।

    এডিথ ঝকঝকে মুখে বলল— থ্যাংকস, মেনি থ্যাংকস। তো ব্রাদার ইন ল’র বাংলা আমি বালো জানছে। এখন থেকে শালা পরসাদ বলবে।

    সবাই হাসিতে ফেটে পড়ল। গঙ্গাপ্রসাদ বললেন— আমি বাড়ি যাচ্ছি। কাজল চাবিটা দাও।

    কাজলই সবচেয়ে বেশি হাসছিল, বলল— ধ্যাৎ, এখন যেতে আছে, নাকি, তুমি ওই চেয়ারটায় চুপটি করে বোসো। আরও কত মজা হবে।

    ফাদার জেনকিনস হাসি-হাসি মুখে বোকার মতো বললেন— মোজ মোজা, সকস আই নো। অলসো ফান।

    দিদিমাসি বললেন— ওরে এডিথ, আমার নাতজামাই গোঁসা করেছে। কাজলা যদি রাগ না করে তো ওকে আরেকটা …

    গঙ্গাপ্রসাদ তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন— এডিথ, তোমার গল্প শেষ হয়েছে?

    —দ্যাট্‌স্‌ অ্যাবাউট ওল—বলে এডিথ দিদিমাসির গা ঘেঁষে বসে পড়ল। তার চোখ ছলছল করছে।

    গঙ্গাপ্রসাদ বললেন— তাহলে অশোক সাঁতরা, গোপালগোবিন্দ! তোমরা দলজিৎ সিঙের অ্যাপয়েন্টেড গোয়েন্দা! তা এডিথকে স্মাগলার, স্পাই এ সব বলছিলে কেন শুধু শুধু?

    এডিথ পালংকের ওপর উঠে দাঁড়িয়ে লিবার্টির স্ট্যাচুর ভঙ্গিতে বলল— আমি ওদের স্যু করবো। অ্যানাদার মিলিয়ন ডলার্স।

    গোপালগোবিন্দ শুকনো মুখে বলল— এটা ভারতবর্ষ, এখানে লোকেরা ক্ষমাশীল। কোয়ালিটি অফ মার্সি ইজ নট স্ট্রেইন্ড।

    অশোক সাঁতরা বলল মুখ বেঁকিয়ে— এটা তো অ্যামেরিকা নয়, এখানে অত সহজে স্যু ধরা যায় না। মিলিয়ন ডলার্স তো দূরের কথা। বড় জোর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে একটু সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে বা পঞ্চাশ টাকা ফাইন। তাতে তোমার লাভ?

    এডিথ বলল— ইজ দ্যাট সো?— তার দিদিমাসির দিকে মুখ। দিদিমাসি সারাক্ষণ হাসি-হাসি মুখে এডিথকে লক্ষ করে যাচ্ছিলেন। এবার আস্তে আস্তে ঘাড় নাড়লেন। তারপর বললেন— দ্যাখ দ্যাখ দেখে নে কাজলি, ওই বয়সটায় তোর দিদিমাসি কেমনটা ছিল। ছ’টা তখনই হয়ে গেছে। দুটো অক্কা। নব, নর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সইয়ের ভাই রঞ্জিতের সঙ্গে কলকাতা পালিয়ে যাবো সব ঠিকঠাক, তো রঞ্জিত ব্যাটা ভয়ে পেছিয়ে গেল।

    ভজমামা বিরক্ত হয়ে বলল— আঃ, এখন আর ওসব ফ্যামিলি-কেচ্ছা কেন?

    —কেচ্ছা নয়, কেচ্ছা নয় রে, অ্যাডভেঞ্চার। আমি ডাফ স্কুলে মিস অ্যানাবেলের কাছে পালাতে চেয়েছিলুম। মিস অ্যানাবেল আমায় নিউ ইয়র্কে পাঠাবেন সব ঠিক-ঠাক করছেন। তা দ্যাখ সেই মার্কিন দেশেও তো মেয়েটার কম খোয়ার হল না, বলে তিনি এডিথকে কোলে টেনে নিলেন।

    এডিথ ছলছল চোখে বলল— কেউ আমাকে কোখনও আদর করছে না। পা বিষণ মারছে দোষ হলেই। আনেৎ বাড়িতে থাকছেই না। তার পোরে তো ইট ওয়াজ আ ডগস লাইফ!

    —বলহরিটা ঠিক ওর বাপের মতো উগ্রচণ্ডা মারকুটে ছিল বটে, দিদিমাসি বললেন।

    —আনেৎকেও মারত। এডিথ বলল।

    —মারবেই, জিন যাবে কোথায়! তার বাবা তার মাকে মেরে ধামসে দিয়েছে। সেও তার বউকে মেরে ধামসে দেবে।

    ভজমামা বললেন, আঃ মা ছাড়ো না ওসব ফ্যামিলি-কেচ্ছা। সিঙাড়াগুলো যে ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে।

    তখন কাজল আর ভজমামি মিলে রসগোল্লা আর সিঙাড়া পরিবেশন করল, দিদিমাসি তাঁর কৌটো থেকে সরেস নারকোল নাড়ু বার করে দিলেন। গৌরমামি বিরাট কেটলিতে চা নিয়ে এসে বললেন, পটে সব্ব গোরা বারো কাপ আসে। আর লাগব?

    ধীরে ধীরে বাইরের লোকেরা সব চলে গেলে দিদিমাসি বললেন— হ্যাঁ রে এডিথ, একটা কথা জিজ্ঞেস করি। বলহরিটা অত টাকা কি করে রোজগার করল রে? আমি তাকে যদ্দুর জানি সে খালি ওড়াতে জানে। এত টাকা! আমার হিসেব যে সব গণ্ডগোল হয়ে যাচ্ছে!

    এডিথ বলল— পা’র তোতো কথা তো আমি জানে না। হী ওয়াজ ভেরি হ্যান্ডসাম। আনেৎ মডলিং করে অনেক টাকা আর্ন করতো। পা কী করত জানি না। কিন্তু থ্রি মিলিয়ন ডলার পা পেয়েছিল ডক্টর্সদের স্যু করে। একটার পর একটা স্যু করত। বেশির-টাই আসে পার ডেথের পোর। শেষে, ক্যানসার হচ্ছে তো কেনো এই থেরাপি ওই থেরাপি কোরছে না, ডক্টর বলছে ইউসলেস। আর এক ডক্টরকে উইটনেস ধরছে, সে বলছে—কোরে দেখা কোর্তব্য আছে। সো হী গট পটস অ্যান্ড পটস ভ ডলার। বাট মোস্টলি আফটার হিজ ডেথ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চম পুরুষ – বাণী বসু
    Next Article তিমির বিদার – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }