Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দিদিমাসির জিন – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিদিমাসির জিন – ৪

    ৪

    হা-হা বালির মধ্যে ওদের নামিয়ে দিয়ে বাসটা ঝড়ঝড় করতে করতে চলে গেল। —এটা কী বল তো?— গোপাল জিজ্ঞেস করল।

    রাংতা বলল—কী আবার? অজয় নদীর চড়া।

    গোপাল বলল— অজয় টেকনিক্যালি নদী নয়, নদ। সিন্ধু অজয় ভৈরব এ সব হল নদ। তা সে যাক, এটা আসলে তাকলামাকান মরুভূমি এক্সটেন্ডিং ওভার থাউজ্যান্ডস অফ স্কোয়্যার মাইলস।

    রাংতা বলল— দেখেছিস তীর্ণা, ছেলেদের কেমন একটা অভ্যেস আছে, মেয়ে দেখলেই জ্ঞান দেয়, জ্ঞান দেখায়।

    তীর্ণা বলল— যা বলেছিস!

    গোপাল হো-হো করে হেসে উঠল— হায় হায়, আমার রসিকতা, কবিত্ব দুটো প্রচেষ্টাই মাঠে মারা গেল। অনেকেই বলে মেয়েদের সেন্স অফ হিউমার নেই। বিশ্বাস করছি এখন সেটা। মেয়েদের কবিত্ববোধ নেই।

    — যা ইচ্ছে বলে যা— তীর্ণা বলল বেপরোয়াভাবে।

    গোপাল বলল— তোরা তো দুর্গম স্থানে টানে যাবার সুযোগ পাসনি! তোদের কল্পনাশক্তিটাকে একটু উসকে দেবার চেষ্টা করছিলুম। তা দেখছি বৃথা।

    তারপর সে যশজিতের দিকে ফিরে চুপিচুপি বলল— কী রে যাশ, মেয়ে দুটোকে সঙ্গে এনেছি বলে কোনও অসুবিধে হবে না তো?

    যশ গভীর চিন্তামগ্ন। সে মাথা নেড়ে অসুবিধে নেই জানাল। তারপর বলল— ডিকয়ডাক জানিস?

    তখন পরিষ্কার আকাশ দিয়ে বক উড়ে যাচ্ছে। বালির ঢেউয়ের মধ্যে দিয়ে অনেক রকম, অনেক-পা। কাঁধে পুঁটলি, মাথায় পুঁটলি, লাঠির আগায় পুঁটলি, খালি গায়ে পুঁথির মালা ঝাঁক ঝাঁক মেয়ে-বউ, বুড়ি-সুড়িও আছে। তাদের সঙ্গে ঘরের হাট্টাকাট্টা পুরুষরাও। হাঁড়ি বইছে বাঁকে, মাথায়। মেয়েরাও। মেলার বেসাতি।

    অনীক তীর্ণার কোনও প্রশ্নের উত্তরে বলল— তা তুই কি ভেবেছিলি এটা শুধু আধ্যাত্মিক মেলা?

     

     

    রাংতা জলে নামল। সে-ই সবচেয়ে আগে আগে যাচ্ছিল। অন্যরা পিছিয়ে পড়েছে লক্ষ্য করেনি। গাঁওয়ালিদের জিজ্ঞেস করে করে সে তার সালোয়ার ক্রমশ হাঁটু অবধি তুলে অজয়ের রোগা, অগভীর জলে পা ডুবিয়ে আহ্লাদে হি হি করছিল। এ রকম অভিজ্ঞতা তার আগে কখনও হয়নি।

    যশজিৎ গোপালকে বলল— দিস ইজ দা থার্ড টাইম। তিনবার হতে যাচ্ছে। জানি না আমাদের জন্যে কী অপেক্ষা করে আছে।

    গোপাল বলল— তুই তো আমাকে আগে একবারও বলিসনি।

    —ভেবেছিলাম একাই ব্যাপারটা ম্যানেজ করতে পারবো।

    যশজিতের পাগড়ি-পরা দাড়ি-অলা মুখে বিশুদ্ধ বাংলা শুনতে একটু অদ্ভুত লাগে। বিশেষ করে গ্রামবাসীদের। কিন্তু যশজিৎ ভবানীপুরের শিখ। তার বাংলার টান-টোনও বিশুদ্ধ পশ্চিমবঙ্গীয়। সে যখন বঙ্কিম বাংলা বলে, ইচ্ছে করেই বলে।

     

     

    এই সময়ে জি.জি. বা গোপালগোবিন্দ তাদের পাশে এসে গেল।

    সে গলার সুর তুলে বলল— আপনাদের অসুবিধে করলুম না তো!

    গোপাল বলল— যাচ্ছি আউল বাউলের মেলা দেখতে, এর মধ্যে অসুবিধের কথা এলে চলবে কেন?

    —না, মেলাই দেখুন আর পর্যটনই করুন, সঙ্গী একটা মস্ত ব্যাপার। সঙ্গী না পছন্দ হলে …

    আপাদমস্তক তাকে দেখে নিয়ে গোপাল বলল— এ রকম ঘটনা কি প্রায়ই ঘটে?

    —কী রকম ঘটনা।

    —না, লোকে আপনাকে অপছন্দ করছে … এরকম ঘটনা।

    তীর্ণা অনীককে বলল—তুই ক্রমাগত রাংতার দিকে যেতে চাইছিস কেন? হতে পারে মেয়েটা অ্যাট্রাকটিভ। কিন্তু আমিও তো তোর বোন। দেখতে পাচ্ছিস না গরম বালিতে পা চলছে না, কী রকম হাঁসফাঁস করছি!

     

     

    —সেটা বোকার মতো শাড়ি পরেছিস বলে। কোনও ভ্রমণে কখনও শাড়ি পরে বেরোতে হয় না—এই সহজ সত্যটাই যে জানে না তার আর বেড়াতে আসা কেন!

    —আমি থাকাতে তোর খুব অসুবিধে হচ্ছে, না রে দাদা? সব কিছুর একটা সাক্ষী থেকে যাচ্ছে!

    অনীক বলল—ও! অলরেডি আমি অপরাধ করে ফেলেছি? সেটা কী? রাংতার দিকে ধাবিত হওয়া? ফর ইয়োর ইনফর্মেশন রাংতা অলরেডি মাঝনদীতে, এবং আমার সাহায্য ছাড়াই।

    —মাঝনদীতেই যে ভরাডুবি হয় রে! —ছদ্ম-করুণ স্বরে তীর্ণা বলল।

    —হোক, আমি এখন এই মালটিকে টেনে সামনে এগোবার বৈধ চেষ্টা করে যাই। বলে অনীক তীর্ণার হাতে একটি হিসেবি হ্যাঁচকা দিল। এবং সে হ্যাঁচকায় বেশ কয়েক পা এগিয়ে গিয়ে তীর্ণা বলল—আমাকে মাল বললি?

    —বললুম, এখন চ’, আর দ্যাখ ওই সাঁওতালিরা তোকে কী বোঝাচ্ছে, কয়েকটি সাঁওতালি বৌ-ঝি কাপড় পরেছে হাঁটুর ওপরে। মাথায় ঝুড়ি পোঁটলা-পুঁটলি নিয়ে স্বছন্দে চলেছে। তারা ইঙ্গিতে তীর্ণাকে নিজেদের শাড়ি পরার ভঙ্গি দেখাল। তীর্ণা করুণ চোখে চারদিকে তাকায়, কোথাও একটা কাঁটাঝোপ পর্যন্ত নেই।

     

     

    অনীক বলল—খুব হয়েছে দে দে, নিজের ব্যাগটা আমাকে দে। ভার বওয়াতে ওস্তাদ।

    অজয়ের জলে পায়ের পাতা ডুবিয়েই তীর্ণা এমন চিৎকার করে উঠল যে সামনে থেকে যশ, গোপাল, জি.জি সবাই ফিরে তাকাল।

    পেছন থেকে কে বলল—ওটা আর্তনাদ নয় দাদা হর্ষধ্বনি। গরম বালির পর নদীর জলের ছোঁয়া আর কি! তারপর শহুরে মেয়ে …

    গাল কাত করে একবার চেয়ে দেখল তীর্ণা, মুখে বিরক্তি। সেই অশোক সাঁতরা না কী! তার পরেই আবার হেসে ফেলল।

    গোপাল পেছন ফিরে বলল—ওই গাঁওয়ালিরা যে পথ ধরে যাচ্ছে, সেই পথ ধরে এসো। ওরা ঠিক জানে। তারপর খুব নিচু গলায় বলল—আগের দুবারে পেয়েছিলি?

     

     

    —পাবো না কেন? লেকিন ধরতে পারিনি ভাই।

    —এবারে পাবে তার কোনও নিশ্চয়তা আছে?

    —না এসে যাবে কোথায়? আর ধরবার জন্যেই তো এবার তোদের …

    অশোক সাঁতরা সবার পেছন থেকে সবার সামনে এসে, ডাঙায় উঠল একলাফে, তারপর বলল—মহাশয়রা যাচ্ছেন কোথায়? জয়দেব-পদ্মাবতীর কুটির না দেখেই চলে যাবেন?

    ডান দিকে নদীর পাড়ে অর্ধেক বসে-যাওয়া একটা কুটির। রাংতা অবাক হয়ে বলল—এইখানে জয়দেব থাকতেন?

    তীর্ণা বলল—এইখানেই সেই দেহি পদপল্লবমুদারম?

    গোপাল বলল—গীতগোবিন্দের এই পার্টটা তোদের মেয়েদের বড্ড পছন্দ না রে? পায়ে ধরে সাধা, আহা, রা নাহি দেয় রাধা।

     

     

    তীর্ণা বলল—তোর কাব্যবোধের একটা পরীক্ষা হয়ে গেল।

    —অত সহজ নয়! দেহি পদপল্লবম-এর সঙ্গে তোমাদের আবিশ্ব ফেমিনিস্ট কমপ্লেক্স জুড়ে রয়েছে। বললেই তো হবে না! জয়দেব থেকে ফেভারিট লাইনস যাতে হিউমারও আছে, কবিত্বও আছে—এমন একটা বল দিকিনি!

    —হিউমার আর কবিত্ব কক্ষনও একসঙ্গে যায় না।

    গোপাল বলল—

    বদসি যদি কিঞ্চিদপি দন্তরুচিকৌমুদী

    হরতি দর তিমিরমতি ঘোরম্‌।

    স্ফুরদধরসীধবে তব বদনচন্দ্রমা

     

     

    রোচয়তি লোচন চকোরম।

    পুরো মানেটা না বুঝিস ‘দন্তরুচিকৌমুদী’টুকু অন্তত শরদিন্দুর কল্যাণে ফ্যামিলিয়ার নিশ্চয়ই!

    তীর্ণা হঠাৎ রাগ না করে বলল—সঙ্গে সঙ্গে মায়ের কথা মনে পড়ে গেল, না?

    গোপালও তার তর্কের জাল অপ্রত্যাশিতভাবে গুটিয়ে ফেলে বলল—অদ্ভুত তো! আমারও। দাঁতের জ্যোৎস্না। তা আবার দূর করছে মুখগহ্বরের অন্ধকার! এবং তা আমার চকোরের মতো লোচনগুলির বড় ভালো লাগছে। জয়দেব রাধাকে ভেবে তো নয়ই, পদ্মাবতীকে দেখেও নয়, কাজলমাসিকে দেখেই লাইনগুলো লিখেছিলেন। আর তোরা যদি জানতিস ওই দন্তরুচিকৌমুদী দেখবার আশায় আমার লোচনচকোর কী পরিমাণ উদগ্রীব হয়ে তোদের বাড়ি যায়! কিন্তু হায় দেখতে পায় না! কথা বললেই একটু ঝিকিয়ে উঠবে, কিন্তু কথা বলবেন না, বলবেন না, গোপালের সঙ্গে কাজলমাসির আড়ি।

    যশজিৎ বলে উঠল—তুই চানস দিস তো?

     

     

    গোপাল একটু ভেবে নিয়ে গম্ভীর চালে বলে—ইউ হ্যাভ এ পয়েন্ট দেয়ার।

    —এই ভাই অশোক না সাঁতরা, আমাদের আর একটু গাইডগিরি করো না ভাই!

    —আমি অশোক এবং সাঁতরা দুইই। কেন দাদা, আগে দুটোর কম্বিনেশন কি দেখেননি? আর গাইডগিরি আর কি করবো? কাল মানে সময় এবং বোধহয় বাংলাদেশের আবহাওয়া আমার জন্যে কিছু রাখেনি। নদীর ধারে বাড়ি নিয়ে এক আমাদের পাঁচালির বিভূতিদাই আদিখ্যেতা করতে পারেন, বাস্তবে নদীর ধারে বাড়ি মানে এই। সামান্য যে অজয় আর অসামান্য যে পদ্মা উভয়েই একই প্রকার কীর্তিনাশা। এই ঘরের আদ্যোপান্ত দেখলে আপনাদের লক্ষ্মণ সেনের ওপর আরও রাগ ধরে যাবে। আর জয়দেবের কবি অ্যাসপেক্টের কথা যদি ধরেন, আপনারা যেটুকু জানেন আমি সেটুকুও জানি না। মোহমুদগরের সঙ্গে গীতগোবিন্দর শ্লোক বড্ড গুলিয়ে ফেলি। খালি আমার অল্পতর বয়সের একটা বিস্ময়ের কথা বলতে পারি মেয়েরা মাইন্ড না করলে …

    —কেন, মেয়েদের মাইন্ড করার কী আছে?—যশ বলল।

     

     

    গোপাল তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল—অনেক কিছু আছে, মানে বাইরে বাইরে মাইন্ড করবার আর ভেতরে ভেতরে ডগোমগো হবার। তবে সাঁতরা কোথায় সাঁতরাবে তা বলতে পারছি না।

    রাংতা খুব সপ্রতিভভাবে বলল—মাইন্ড করার কী আছে!

    সাঁতরা বলল—আসলে ছোটবেলায় ভাবতুম শ্লোক মানেই নীতিকথা জাতীয় কিছু। শ্লোক মানে যে কবিতা, তা তো জানতাম না। যেমন সুক্তো শুধু তেতোই হয় জানতুম। সূক্ত আবার টক টক ঝাল ঝাল হয় এ আবিষ্কার করে তো আমি আবেগে প্রায় মারা পড়ি।

    —হ্যাঁ আপনার আবেগটা বরাবরই একটু বেশি। —অনীক বলল। বিনীতভাবে সায় দিয়ে সাঁতরা হঠাৎ এক ঝটকায় মাথাটা অনীকের দিকে ফিরিয়ে বলল—আপনি কী করে জানলেন? আপনি কি আমার বাল্যবন্ধু, না এক গেলাসের ইয়ার?

    অনীক বলল—সেই বাস থেকেই দেখতে দেখতে আসছি কি না! অদেখা রিপোর্টারদের উদ্দেশে আপনি খুব ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিলেন।

     

     

    —আপনার জানা জয়দেবের লাইনটা কিন্তু শোনা হচ্ছে না—গোপাল খুবই উৎকণ্ঠিত।

    অশোক সাঁতরা যথাসম্ভব জোর গলায় বলল—রচয়তি শয়নং সচকিত নয়নং পশ্যতি তব পন্থানম্।

    যশজিৎ বলল—ধুস। এ শালাকে বায়রনের মেময়ার্সটা একবার পড়িয়ে দিলে হয়।

    দলটি মেলার সঙ্গে সঙ্গে চলল। দুধারে পেঁয়াজি বেগুনির দোকানে দোকানে জটলা। দিন যে এবার মধ্যদিন হয়ে উঠছে প্রায়, সেদিকে গ্রামবাসীদের কারও খেয়াল নেই দেখা গেল।

    অশোক সাঁতরা বলল—কাছাকাছি বহু গাঁ থেকে লোকে এই মেলায় কেনাকাটা করতে আসে। ঘর গেরস্থালির জিনিস, চাষের জিনিস। আর বাউল গানটা এরা সকলেই ঠিক গান হিসেবে শোনে না, বুঝলেন দাদা—একটা ধর্ম করছি ধর্ম করছি ভাব … কীর্তনের বেলা যেমন, শ্রীকৃষ্ণ অথবা গৌরাঙ্গের লীলার নাম করে বাঘা বাঘা প্রেমের গানও শুনে সব ধর্মের কান্না কাঁদে এ-ও কতকটা তাই। দাঁড়ান দাঁড়ান এইখানে একটা ফটো তুল নিই। অশোক সাঁতরা পাঁই পাঁই করে অনেকটা এগিয়ে গিয়ে একেবারে এক্সপার্ট কায়দায় ব্যাগের ভেতর থেকে ক্যামেরা বার করলে। লেনসের ওপর কীসব ফিট-টিট করে নিল তারপর ঘুরে ঘুরে ফটো নিতে লাগল।

     

     

    ক্যামেরা মুড়ে রেখে বলল—আপনাদেরও নিয়েছি।

    —এক দফাতেই তো দশ বারোখানা নিয়ে নিলেন দাদা—ক’ রিল খরচ করবেন। ক্যামেরাটা তো দেখছি জব্বর!

    —আরে, তা তো হবেই রিল যা খরচ হবে ওরা দেবে। আমি প্রেস ফটোগ্রাফার কি না! রিপোর্টারও বলতে পারেন।

    রাংতা আর তীর্ণা প্রাণপণে হাসি চাপতে লাগল। এতক্ষণে তীর্ণার শাড়ি-টাড়ি শুকিয়ে গেছে। হাঁটতে আর অসুবিধে হচ্ছে না। শনশন করে হাওয়া দিচ্ছে, খালি রোদ চড়া রয়েছে বলে তার ধার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। গোপাল বলল—আগে একটা ঘর খুঁজি বুঝলি, মেয়েগুলো সঙ্গে রয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চম পুরুষ – বাণী বসু
    Next Article তিমির বিদার – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }