Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দিদিমাসির জিন – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিদিমাসির জিন – ৯

    ৯

    গঙ্গাপ্রসাদের হয়েছে নানা দিকে মুশকিল। একে কাজল তাঁকে প্রতিদিন দশটা সাড়ে দশটায় বাড়ি থেকে বার করে দিচ্ছে। দিদিমাসির বাড়ি সে রোজ কী পাঁচালি শুনতে যায়, সেখানেই খাওয়া-দাওয়া। ছেলেমেয়ে বাড়ি নেই তার খুব মজা। অন্যত্র খাওয়া থাকলে, বাড়িতে রান্না করতে না হলে কাজলরেখা আহ্লাদে আটখানা হয়ে যায়। ছেলেমেয়ে দুদিন এক জিনিস রাঁধলে খাবে না। সুতরাং তারা থাকলে কাজলরেখার সমূহ মুশকিল। কিন্তু গঙ্গাপ্রসাদকে কী খেতে দেওয়া হচ্ছে না-হচ্ছে তাঁর খেয়ালও থাকে না। সুতরাং রোজ কাজল আলুকপি বড়ি মাছ দিয়ে একটা ঝোল রাঁধছে। ডাল আর গোটাকয়েক সবজি ভাতে ফেলে দিয়েছে। তারপর সাড়ে নটা বাজতে না-বাজতেই সে পড়ার ঘরে হাঁটাহাঁটি শুরু করে দেয়। —কী গো তোমার হলো? কী গেঁতো কী গেঁতো? বাপরে বাপ।

    —আমার অভিধানটা কে লিখবে? —গঙ্গাপ্রসাদ গম্ভীরভাবে প্রশ্ন করেন।

    —আর একটু সকাল-সকাল উঠলে পারো।

    —আরও সকাল? সাড়ে চারটেয় উঠেছি। ওদিকে রাত্তিরে একটা দুটো পর্যন্ত নয়জি ফিল্‌ম দেখবে, ঘুমোবো কতটুকু?

    —বয়সে ঘুম কমে যায়, তা জানো?

    —আমার তা হলে তত বয়স হয়ে গেছে?

    —তোমার সঙ্গে কথা বলাই আমার ঝকমারি হয়েছে। না তুমি খোকাবাবু তোমার বয়স হয়নি।

    শীতকালের দিনে সকালে ব্রেকফাস্টে একটা করে ডিম বরাদ্দ গঙ্গাপ্রসাদের। কিন্তু পাছে তাঁর সাড়ে ন’টায় খিদে না পায় তাই এক কাপ চা আর দুটো বিস্কুট ছাড়া কদিনই তিনি কিছু পাচ্ছেন না। তবে কাজলরেখার ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি নেই। ডিমটা সে ভাতের সঙ্গে সেদ্ধ করে দিচ্ছে।

    সাড়ে ন’টার সময়ে ভাত বেড়ে দিয়ে, সে বেশ মনোযোগী গৃহিণীর মতো সামনে বসে।

    —সকালে আমার ডিমটা!

    —এই নাও তোমার ডিম—ডিম থেকে ভাত ছাড়াতে ছাড়াতে কাজল বলে।

     

     

    —এই নাও কাঁচকলা সেদ্ধ—আয়রন। ধুঁধুল সেদ্ধ—ফাইবার আছে। আর ঝোলে তো সব। সব।

    তৃতীয় দিনে গঙ্গাপ্রসাদের কেমন সন্দেহ হয়। তিনি বলেন আচ্ছা— এই ঝোলটাই গত দুদিন ধরে দু বেলা খাচ্ছি, না?

    —ইস্‌স্‌, তোমার কী সন্দেহ বাতিক! কাজল গালে হাত দিয়ে চোখ বড় বড় করে বলে।

    —কেন, সন্দেহের এর মধ্যে কী হল?

    —এক রকমের ঝোল বলতে পারো, ‘এই ঝোলটা’ বললে সন্দেহবাতিক বলব বইকি! আর এক রকমেরই বা কেন? একদিন পাঁচফোড়ন, একদিন জিরে, আর একদিন রাঁধুনি দিয়ে সাঁতলেছি। তফাত নেই! জিভের তোমার কোনও সুক্ষ্মতা নেই, পড়তে দিদিমাসির হাতে!

    —আহা, তিনি স্বয়ং তো আগেই দাদামেসোর হাতে পড়ে গিয়েছিলেন— গঙ্গাপ্রসাদ সংক্ষেপে বলে।

    —তা পড়েছিলেন— কাজল কী রকম অর্থপূর্ণভাবে বলে।

     

     

    —মশলা খাবে না?

    —খাওয়াটা আগে শেষ করি, তারপর তো মশলা! তুমি কি খাওয়ার মাঝ মধ্যেখানেই ভাতের দলার মধ্যেই মশলা ঢুকিয়ে দেবে?

    এইবার কাজলের ধৈর্যচ্যুতি হয়। তার আবার একটু সাজগোজের বাহার আছে কি না! সে মশলার প্লেটে মশলা রেখে দিয়ে বলে—তুমি খেতে থাকো, আমি আসছি।

    আর আসে না।

    গঙ্গাপ্রসাদ তৈরি হয়ে হাতে তালা-চাবি নিয়ে রেডি। তখন কাজল ঘর থেকে বেরোয়। ফুলিয়ার খড়কে ডুরে শাড়ি, কালো ফুল-ছাপ ব্লাউজ। কপালে এত্ত বড় কালচে খয়েরি টিপ। ঝমঝম করছে গয়নার শব্দ।

    —অত গয়না পরে রাস্তায় বেরোনটা ঠিক না।

     

     

    গঙ্গাপ্রসাদের চোখের সামনে হাতটা নাচিয়ে নিয়ে কাজল বলে— সব নকল, নিক না কে কত নেবে! এয়োস্ত্রী মেয়ে গয়না না পরলে মানায়? গঙ্গাপ্রসাদ এয়োস্ত্রী কথাটা কাজলের মুখে যেন নতুন শুনলেন। শব্দটার ব্যুৎপত্তি ভাবতে ভাবতে তিনি দরজায় তালা লাগালেন, কাজল টেনে দেখল। তারপর দুজনে দুদিকে। ফেরবার সময়ে রোজ গঙ্গাপ্রসাদকে দিদিমাসির বাড়ি থেকে কাজলকে সংগ্রহ করে বাড়ি আসতে হয়। এই নতুন ডিউটিটা গঙ্গাপ্রসাদ মোটেই পছন্দ করছেন না, কলেজের পর তাঁকে রোজ কলেজ স্ট্রিটে যেতে হয় অভিধানের কাজ সংকলনের ব্যাপারে। সেখান থেকে ফিরতে আটটাও হতে পারে, নটাও হতে পারে, তারপরে এগিয়ে গিয়ে কাজলকে নিয়ে আসা— না, না সে তাঁর খুব বিরক্ত লাগে। তিনি হতাশের মতো দেখেন ওইয্‌ যাঃ, তাঁর নিজের গোয়াবাগানের গলি পেরিয়ে গেল। এখনও তিন চারটে স্টপ তাঁকে এগিয়ে যেতে হবে। তারপর গলির মধ্যে হাঁটো …। কিন্তু উপায়ই বা কী? কাজল নইলে আসবে না। বলে দিয়েছে। সে যে স্বামী-পরিত্যক্তা নয় এইটা বোঝাতে নাকি গঙ্গাপ্রসাদের নিয়ম করে রোজ রাত্তিরে দিদিমাসির বাড়ি থেকে তাকে এসকর্ট করে নিয়ে আসতে হবে। তারপর রোজ সেখানে কাজলের মামিমারা তাঁকে খেয়েদেয়ে যাবার জন্যে পীড়াপীড়ি করবেন। তাঁদের খাওয়ানো মানে, রাত্তির দশটা কি এগায়োয় কাঁঠাল কাঠের পিঁড়ি পেতে খাগড়াই কাঁসার বাসনে ফুলকো ফুলকো সাদা লুচি গণ্ডা গণ্ডা বা বলা উচিত আগণ্ডা, কব্‌জি ডুবোনো কচি পাঁঠার মাংস, ভেটকি মাছ, কপি, বেগুন সে এক এলাহি কাণ্ড। প্রথম দিন অগত্যা রাজি হয়েছিলেন। ভজমামা বলে একটি মজাদার মামা আছে কাজলের, চোখ গোল গোল করে তাঁর সঙ্গে এতক্ষণ গল্প করছিলেন। জামাই খেতে রাজি হয়েছে শুনেই, হঠাৎ উঠে গোঁত্তা মেরে পেছন দিয়ে পালিয়ে গেলেন। পরে খেতে বসে বোঝা গেল— ভজমামার কেরামতি। গঙ্গাপ্রসাদ ক্ষীণকণ্ঠে বলেছিলেন— কেন বাড়িতে যা হয়েছে তা কি খেতে দেওয়া যায় না!

     

     

    ভজমামা বলল— ওরে বাবা, বাড়িতে যা হয়েছে সে একেবারে এলাকাঁড়ি। দেবে কী?

    সামনে আবার পালঙ্কের ওপর দিদিমাসি বসা। তিনি বললেন— কেন দেওয়া যাবে না? তবে সে নাতজামাই যদি নাতজামাইয়ের মতনটি না হয় তবেই।

    —লুচি মুখে গঙ্গাপ্রসাদ হাঁ। এ আবার কী ধাঁধা রে বাবা। নাতজামাই—নাতজামাইয়ের মতো হবে না?

    ব্যাখ্যা করে বললেন দিদিমাসি— রোজ আসা-যাওয়া করো তো বুঝি, কুটুম-বাটুম নয়, আপনার লোক, তখন বাড়ির জিনিস ধরে দেওয়া যায়। তুমি আসবে বচ্ছরে একবার তো তোমাকে এমনিই খেতে হবে।

    যাই হোক, কাজলকে আনতে না গেলে সে আসবে না। সুতরাং চলো শ্যামবাজার। সত্যি-সত্যি একদিন না আনতে গিয়ে দেখেছিলেন গঙ্গাপ্রসাদ। সাড়ে ন’টায় বাড়ি ফিরলেন তালা খুলে। সব অন্ধকার। পাওয়ার কাট। কারণ সুইচ টিপতে জ্বলল না। নিজের ব্যাগে খুঁজে দেখলেন টর্চ নেই। তাঁর ব্যাগ সাধারণত তিনি নিজেই গুছিয়ে নেন। তবে কাজল এটা-ওটা মনে করিয়ে দেয়।

     

     

    —কলম নিয়েছ?

    —পড়ার চশমা? ‘সবুজ’ ডায়েরি? —টর্চ? —টিফিন বাক্স? —এই রকম। তা এ কদিন দিদিমাসির বাড়িতে যে কী মধুর সঞ্চার হয়েছে : কাজল একেবারে উন্মনা।

    টর্চ ছাড়া দোতলায় উঠতে গিয়ে গঙ্গাপ্রসাদ দু-তিনবার ঠোক্কর খেলেন। তারপর দোতলায় উঠে কোনও নরম জিনিসের ওপর ধাক্কা খেয়ে হুড়মুড়িয়ে পড়ে গেলেন। নরম জিনিসটা ঘ্যাঁও করে আওয়াজ করে লাফিয়ে পালাল। কোনক্রমে উঠে গঙ্গাপ্রসাদ দেখলেন আশপাশের বাড়ি আলো ঝলমল করছে। তিনি দালানের চল্লিশ পাওয়ারের বালবটা জ্বেলে দেখতে লাগলেন কোথাও বেড়ালের আঁচড় আছে কি না। থাকলে তাঁকে এক্ষুনি টক্সয়েড নিতে যেতে হবে। হয়ত সেই বারোটা মারাত্মক অ্যান্টির‍্যাবিজও। হাঁটুটা ছড়ে গেছে। সেটা পড়ে না আঁচড়ে? গঙ্গাপ্রসাদ স্থির করতে পারলেন না। কোনক্রমে জিনিসপত্র যথাস্থানে রেখে খুঁজেপেতে ডেটল দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করলেন। তারপর ঢং ঢং করে দশটা বাজার আওয়াজে চমকে উঠে ফোন করলেন।

     

     

    —কাজল আছে?

    —বলছি।

    —দশটা বাজল।

    —তা বাজল।

    —কাজল আমায় বোধ হয় বেড়ালে আঁচড়েছে।

    —বেড়াল আবার কে? ফেণী? ও কাউকে আঁচড়ায় না।

    —না ফেণী নয়, বোধ হয়, কোনও হুলো, অন্ধকারে ঠিক বুঝতে পারিনি।

    —তাহলে ও যে হুলো সে কংক্লুশনে আসছো কী করে?

     

     

    —কী রকম ঘ্যাঁও মতো আওয়াজ ছাড়ল।

    —তুমি তোমার দু মনি দেহ নিয়ে ওইটুকু তুলতুলির গায়ে দমাস করে পড়বে, তো ও ঘ্যাঁও করবে না তো কি আও আও করবে?

    —কিন্তু হাঁটু ছড়েছে।

    —ডেটল লাগাও। আশা করি পেয়েছ।

    —পেয়েছি।

    —পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য সম্ভব করেছ, এখন খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়ো।

    —কী খাবো? গঙ্গাপ্রসাদ কাঁদো-কাঁদো। তাঁর ভীষণ খিদে পেয়েছে।

     

     

    —ফ্রিজটা খুলে দেখো, কিছুমিছু নিশ্চয় আছে, গরম করে নাও, নিয়ে টেবিলে বসো, খাও, বাসনগুলো সিঙ্কে নামিয়ে দাও, টেবিলটা পোঁছো। তারপর অভিধান লেখো গিয়ে— বোঝাই যাচ্ছে কাজল রেগে গুম হয়ে আছে।

    ক্ষীণস্বরে গঙ্গাপ্রসাদ বললেন— দশটার সময়ে কি আর তোমায় আনতে যাওয়া যায়? না তুমিই একা আসতে পারো? আচ্ছা ভজমামাকে বললে হয় না? যদি তোমায় পৌঁছে দেন!

    ওদিকে ফোন রেখে দেওয়ার কটাং শব্দটা হল।

    গঙ্গাপ্রসাদ ফ্রিজ খুলে দেখলেন। একটু ভাত আছে এবং আছে সেই ঝোল। একবাটি। তিনি বিতৃষ্ণায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন। ডিম রয়েছে যথেষ্ট, পাঁউরুটি রয়েছে, এক প্যাকেট দুধ রয়েছে। ফল-ফুলুরির মধ্যে ফ্রিজের মাথায় একছড়া কলা।

    শীতের রাত, কী করেন গঙ্গাপ্রসাদ? ঠিকাছে, পাঁউরুটি সেঁকে নেওয়া যাবে, আর দুধ, সেই সঙ্গে একটা ডবল ডিমের ওমলেট।

     

     

    হঠাৎ দুম করে মনে পড়ে গেল— গ্যাস জ্বালতে তো তিনি জানেন না? গ্যাস খুব গোলমেলে জিনিস। নিজের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে নিজে বেগুন পোড়ো হওয়ার চেয়ে উপবাস ভালো। সর্বনাশ! ফ্রিজ থেকে বার করা দুধের প্যাকেট পাঁউরুটি আর ডিমের দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে রইলেন গঙ্গাপ্রসাদ। কিছুক্ষণ ভাবনাচিন্তা করে, অবশ্য একটা উপায় বার হল। পাঁউরুটি সেঁকার একটা ইলেকট্রিক টোস্টার রয়েছে অসুবিধে নেই। দুধটা গঙ্গাপ্রসাদ একটা বাটিতে ঢাললেন, ইস্ত্রিটা গরম করলেন। এবার সেটাকে উল্টো করে ধরে দুধের বাটি বসিয়ে গরম করে নিলেন, এবার ডিমের পালা, ইস্ত্রি যা গরম হয়েছে তাতে করে এবার সুইচ অফ করে দিলেই হয়। তারপর তিনি ইস্ত্রির ওপরটা এক-চামচ তেল মাখিয়ে নিলেন। ডিম দুটো বাটিতে ভেঙে রেখেছিলেন। গরম তেল মাখানো ইস্ত্রির ওপর চড়াৎ করে সেটা ফেলে দিলেন, মুহূর্তের মধ্যে ডিমের স্বচ্ছ অংশ সাদা হয়ে ফুটে উঠল, হলদে দুটো টিপি হয়ে রইল। তবে ইস্ত্রি থেকে ডিম ছাড়াতে গঙ্গাপ্রসাদকে বিস্তর বেগ পেতে হল। পুড়ে গেল, ডিমের হলদে গড়িয়ে গেল। যাই হোক, খাওয়াটা মোটামুটি হল। হয়ে গেল।

    পরদিন ভোরবেলা গিয়েই কাজলকে নিয়ে এলেন। কাজল ফ্রিজ খুলে বলল— সবই তো রয়েছে দেখছি। কী খেলে?

     

     

    —পাঁউরুটি টোস্ট, ডবল ডিম ভাজা, গরম দুধ।

    —বলো কি? কে করে দিল?

    —তুমি। তুমিই করে দিলে— রহস্যময় মুখ করে বললেন গঙ্গাপ্রসাদ।

    —আমি? আমি করলুম? মানে?

    —মানে আবার কি? তুমি যে আমার স্ত্রী সেটা স্বীকার করো তো? না, কী?

    —না করে উপায়?

    —ঠিক আছে, ঠিক আছে, এখন স্ত্রীকে তো ইস্ত্রিও বলা যায়? যায় না?

    —কাজল বিমূঢ়ভাবে চেয়ে থেকে বললে— ইস্ত্রি? হ্যাঁ, মুখ্যুসুখ্যু গাঁয়ের লোকেরা বলতে পারে—

     

     

    —যারাই বলুক, কাজে লাগে সবারই, ইতর-ভদ্র, মূর্খ-বিদ্বান। বড় কাজের .. যাই বলো।

    কাজল বোকার মতো চাইতে চাইতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। এর দশ মিনিট পরে কাজলের চিল-চিৎকার। এ কী? আয়রনটা এরকম করলে কে? এ কী? পোড়াপোড়া এসব কী? ডিমের গন্ধ বেরোচ্ছে! এর মানে! কে এমন করেছে?

    —আমি, আমি, আমি।

    কাজল গালে আঙুল দিয়ে বিস্মিত-চণ্ডী মূর্তিতে এসে দাঁড়ায়!

    —আর কে-ই বা আছে আমি ছাড়া?

    —এতক্ষণ বলোনি?

    —বলিনি মানে? অবশ্য বলেছি। প্রথমেই। বললুম না ওই আয়রনই আমাকে খাইয়েছে দাইয়েছে, গতকাল!

    —তার মানে? তুমি তো বলছিলে, আমিই নাকি ….

    —তুমি আমার কে হও সেটা ভাবো একবার।

    —বউ।

    —আহা শুদ্ধ করে বলো!

    —স্ত্রী।

    —অ্যায়। ঠিকই বলেছ। স্ত্রীকে ইস্ত্রিও তো বলা চলে!

    কাজল বাক্যহারা হয়ে যায়। তবে এইভাবেই তার দিদিমাসির পাঁচালি শুনতে নিত্য যাতায়াতের পথে কাঁটা পড়ে।

    গঙ্গাপ্রসাদের একদিকে মুশকিল আসান হলেও আর একদিক থেকে মুশকিলের ফ্যাঁকড়া বেরোয়। তাঁর নাকি একটি ছাত্রী জুটছে। ছাত্র-ছাত্রী গঙ্গাপ্রসাদের স্বভাবতই আছে। কলেজের ছাড়াও প্রাইভেট কোচিং। দু-চারজন অনার্স ও এম-এর ছাত্রছাত্রী তাঁর কাছে বিশেষ তালিম নিতে যে আসা-যাওয়া করে না তা নয়। কিন্তু গঙ্গাপ্রসাদ এটা প্রশ্রয় দেন না। তাঁর অভিধান আছে। নানা পত্রপত্রিকায় বুক-রিভিউ আছে। তিনি এসব নিয়েই বেশ সুখে আছেন। বেশ কয়েক বছর আগে ফাদার জেনকিন্‌স বলে এক অস্ট্রেলীয় সাধুকে তিনি বাংলা পড়িয়েছেন। এম.এ কোর্স। ফাদার জেনকিনস গ্রিক, লাতিন, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, রাশিয়ান, জার্মান, এগুলো সবই জানেন, বাংলা দিয়ে এশীয় ভাষা শেখা আরম্ভ করলেন। সঙ্গে সঙ্গে সংস্কৃতটাও কোনও টোলের পণ্ডিতের কাছে শিখছিলেন। এঁকে পড়াতে গিয়ে গঙ্গাপ্রসাদ একেবারে নাকের জলে চোখের জলে হয়েছিলেন। একটা বাংলা প্রবাদ শুনলে তিনি তার সুইডিশ আওড়াবেন, বাংলা শব্দের সঙ্গে জার্মান শব্দের মিল খুঁজবেন। এবং বাংলা সাহিত্যের পাঠ্য কোনও জায়গা পছন্দ হলেই তৎক্ষণাৎ সেটা অন্য একটা ভাষায় অনুবাদ করতে আরম্ভ করে দেবেন। এর ফলে, যা এক ঘণ্টায় হয়ে যায় তা শেষ করতে সাত ঘণ্টা লাগছিল। তাঁর কোর্স শেষ হবার পর গঙ্গাপ্রসাদের সত্যিই মনে হয়েছিল গঙ্গাতে দুটো ডুব দিয়ে আসলে ভালো হত। বাব্‌বাঃ!

    তা সেই ফাদার জেনকিনস কলেজে ফোন করেছিলেন একটি মার্কিন ছাত্রী গঙ্গাপ্রসাদকে পড়াতে হবে।

    —ভয় নেই, ছাত্রীটি বেশ প্রাগ্রসর— ফাদার জেনকিনস বললেন।

    গঙ্গাপ্রসাদ ক্ষীণকণ্ঠে বললেন— মানে অ্যাডভানস্‌ড? আপনার মতো?

    —না না না, সে ভাঙা ভাঙা স্প্যানিশ বলতে পারলেও পারতে পারে কিন্তু তেমন কিছু জানছে না। বাংলার বাউল নিয়ে কাজ করছে। কিছু কিছু জায়গার ব্যাখ্যা হয়ত আপনার কাছে চাইবে।

    —কেন? আপনার কাছে চাইলেও তো পারতো? আপনি যথেষ্ট কমপিটেন্ট।

    —প্রোফেসর মিত্র আমি এখন বেশ কয়েকটি ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে হিমশিম খাচ্ছি। তা ছাড়া উর্দু, পার্সিয়ান শেখা শেষ করে এখন চাইনিজ ধরেছি। বড্ড কঠিন।

    —কিন্তু আমার অভিধান?

    —লক্ষ্মীটি, সোনাটি, মণিটি, আমার প্রিয়তম, মধুটি অধ্যাপক মিত্র, ছাত্রীটিকে সাহায্য করুন।

    গঙ্গাপ্রসাদের সঙ্গে কথা বলবার সময়ে ফাদার জেনকিনস পারতপক্ষে ইংরেজি বলেননি। এবং সব ইংরেজি বাংলা করার সময়ে তিনি অত্যুৎসাহবশত এরকম উদ্ভট কিছু কিছু বলেন।

    গঙ্গাপ্রসাদ বললেন— কিন্তু বাবা জেনকিনস।

    —কী বললেন? অধ্যাপক মিত্র …

    —কিছু না। আপনি সব প্রিয় সম্বোধনের বাংলা করেছেন দেখে আমার বড় লজ্জা হল, তাই আমি ফাদার না বলে বাবা বললুম।

    —কিন্তু বাবাটা বাঙালিরা নিজ বাবা ব্যতীত আর কাউকে ডাকে?

    —হ্যাঁ বাবা জেনকিনস। বাঙালি কেন আপামর ভারতীয় একজনকে বাবা আমতে বলে ডাকে। মহাত্মা গান্ধীকেও সব গান্ধীবাবা, বা গাঁধিবাবা বলত। তাতে আর হয়েছে কী?

    ফাদার জেনকিনস কেমন মুষড়ে পড়লেন। বললেন— ঠিক আছে। সব কিচ্ছু উৎকৃষ্ট আছে। ছাত্রীটি শীঘ্রই এসে পৌছবে। নিয়ে যাবো আপনার কাছে। আপনার পদবীর অর্থ বন্ধু। নয় কী?

    তাই বলে আমাকে আর অধ্যাপক গঙ্গাপ্রসাদ বন্ধু বলে লজ্জা দেবেন না বাবা জেনকিনস।

    —না না, সে বড় উদ্ভট হবে।

    ফাদার জেনকিনস ফোন রেখে দিলেন।

    উদ্ভটত্বর একটা ধারণা তাঁর ছাত্রকে দিতে পেরেছেন ভেবে গঙ্গাপ্রসাদ কিছুটা আত্মপ্রসাদ লাভ করলেন, কিন্তু মার্কিন ছাত্রীর কাঁটাটা রয়েই গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চম পুরুষ – বাণী বসু
    Next Article তিমির বিদার – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }