Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুনিয়া কাঁপানো ভূতের গল্প – অনীশ দাস অপু

    লেখক এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাদিমা – এস. এইচ. বার্টন

    জানি ব্যাপারটা তোমার পছন্দ হবে না। তবু আমরা ওকে প্রত্যাখ্যান করতে পারব না।

    সেসিলি ফ্রবিশার কথা বলতে বলতে তার স্বামীকে একখানা চিঠি এগিয়ে দিল। ওরা ওদের বিরাট এবং আরামদায়ক রান্নাঘরে নাশতার টেবিলে বসে কথা বলছে। ডাকপিয়নমাত্রই চিঠিটি দিয়ে গেল।

    চিঠিটি তুমি নিজেই পড়ো, ফ্রেডেরিক, বলল ও। তাহলে বুঝতে পারবে বিষয়টি কত কঠিন। সুসান ব্লেকের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব কুড়ি বছরেরও বেশি। একসঙ্গে স্কুলে গিয়েছি। তার মেয়ে যদি আমাদের সঙ্গে এসে থাকতে চায়, মানা করি কীভাবে?

    জানি সুসান তোমার প্রিয় বান্ধবী। ওকে আমিও পছন্দ করি। কিন্তু ওর স্বামীটাকে আমার পছন্দ নয়। খুবই বাজে লোক। ওকে আমি বিশ্বাস করি না। নাকেমুখে মিথ্যা কথা বলে।

    ওকে আমিও দেখতে পারি না। বিশ্বাস করার তো প্রশ্নই নেই। কিন্তু টেরেন্স ব্লেক এখানে থাকতে আসছে না। সুসানও নয়। থাকতে আসছে ইসোবেল, ওদের মেয়ে। দয়া করে চিঠিটি পড়ো, ফ্রেডেরিক। তাহলেই সমস্ত ব্যাপারটা বুঝতে পারবে। এবং ওরা আসার ব্যাপারে আশা করি আমার সঙ্গে একমত হবে।

    ফ্রেডেরিক ফ্রবিশার পড়তে শুরু করল সুসান ব্লেকের চিঠি। দীর্ঘপত্র হলেও সে বেশ মনোযোগেই পড়ল। সে তার স্ত্রীকে সাহায্য করতে চায়, যদি সম্ভব হয়।

    সুসান পরিষ্কার ভাষায় তার সমস্যার কথা ব্যক্ত করেছে। তার স্বামী টেরেন্স কানাডায় একটি চাকরি পেয়েছে। ভালো বেতনের চাকরি। আর টাকাটা ওদের। দরকার। টেরেন্স ইতোমধ্যে কানাডা চলে গেছে। সুসান যত দ্রুত সম্ভব তার স্বামীর সঙ্গে যোগ দিতে চায়। কিন্তু ইসোবেল এখনো স্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারেনি। ওর বয়স মাত্র ষোলো। ওর মা চায় মেয়ে আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত ইংল্যান্ডেই থাকুক। তারপর সে কানাডায় বাবা-মার কাছে চলে যাবে। সুসানের ইচ্ছে ইসোবেল তার স্কুলজীবন শেষ করার আগ পর্যন্ত ফ্রবিশার দম্পতির সঙ্গে থাকবে। সুসান এবং সেবিলের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। সুসান অত্যন্ত খুশি হবে যদি সেসিলি আগামী বছর দুই ইসোবেলকে তাদের বাড়িতে থেকে পড়াশোনার সুযোগ দেয়। সেসিলি রাজি না হলে সুসানের পক্ষে আর কানাডা যাওয়া সম্ভব হবে না। আর প্রকৃত বন্ধু বলতে সুসানের শুধু ফ্রবিশাররাই রয়েছে। ইসোবেলের দাদা দাদি মারা গেছেন। কাজেই ইসোবেলের যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই।

    ফ্রেডেরিক ফ্রবিশার চিঠিটি ফিরিয়ে দিল তার স্ত্রীকে। ওর জন্য খারাপই লাগছে আমার, বলল সে।

    আমারও, ফ্রেডেরিক। টেরেন্সের কাছে ওর যত দ্রুত সম্ভব চলে যাওয়া উচিত। টেরেন্স এই প্রথম একটা ভালো চাকরি পেয়েছে।

    আর সুসান যদি টেরেন্সের কাছে না যায় টেরেন্স হয়তো তাহলে উল্টোপাল্টা কিছু একটা করে বসবে। ও চাকরিটা হারাবে, বলে দিলাম। ওর ওপর কোনো ভরসা নেই। ওর বউও ওকে বিশ্বাস করে না।

    সেজন্য সুসান দায়ী নয়, বলল সেসিলি। ওই লোকটাকে বিশ্বাস করলে সুসানই ঠকবে! রাগত গলায় বলল ফ্রেডেরিক। আমাদের কাছে এ বাড়িটি বিক্রির সময় সে খুব একটা সতোর পরিচয় দেয়নি।

    সে দশ বছর আগের কথা, স্বামীকে মনে করিয়ে দিল সেসিলি। আর আমরা এখানে ভালোই আছি।

    ফ্রেডেরিক হাসল স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে। আমরা সবসময়ই ভালো ছিলাম, মাই ডিয়ার। আমরা যেকটি বাড়িতে ছিলাম কোথাও অসুখী ছিলাম না। এ বাড়িটি তো খুবই চমৎকার। কিন্তু টেরেন্স ব্লেক এ বাড়ি সম্পর্কে আমাদের কাছে একগাদা মিথ্যে বলে অনেকগুলো টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

    হয়তো ওর মন খারাপ ছিল। হয়তো এ বাড়িটি সে বিক্রি করতেই চায়নি। এ বাড়িতে তার পরিবার বহু বছর থেকেছে। তার বাবা-মা-ইসোবেলের দাদা দাদি-এখানেই থাকতেন। ব্লেক পরিবার এ বাড়িতে একশো বছরের বেশি সময় ধরে বাস করেছে। কাজেই বাড়িটি সে বিক্রি করতে চাইবে না, এটাই স্বাভাবিক।

    দোষটা তার। সংসারের প্রতি মনোযোগ ছিল না তার। বোকার মতো সমস্ত টাকা খরচ করে ফেলেছে। তাই বাধ্য হয়েছে এ বাড়ি বিক্রি করতে। এখানে থাকার এত সামর্থ্যই তার ছিল না।

    সেসিলি চেয়ার ছাড়ল। স্বামীর কাছে এগিয়ে এসে তার কাঁধে হাত রাখল।

    টেরেন্স প্রসঙ্গ বাদ দাও। তুমি ওর ব্যাপারে যা বলেছ ঠিকই বলেছ। কিন্তু সুসানকে আমরা কী বলব সেটা বলো?

    এক মুহূর্ত নিশ্চুপ রইল ফ্রেডেরিক ফ্রবিশার। তারপর ধীরে ধীরে বলল, তোমাকে তো বললামই, সেসিলি। সুসানের জন্য আমার খারাপ লাগছে। ওর জন্য আমি কিছু করতে চাই।

    তাহলে কি চিঠি লিখে ওকে বলে দেব ইসোবেলকে এখানে পাঠিয়ে দিতে?

    ঘড়ি দেখল ফ্রেডেরিক। দেরি হয়ে গেল, বলল সে। আধঘণ্টা আগেই কাজে বসার কথা ছিল। ঘুরল তার স্ত্রীর দিকে।

    তুমি চাও মেয়েটা এখানে আসুক, তাই না? জিজ্ঞেস করল সে।

    মাথা ঝাঁকাল সেসিলি। হ্যাঁ, ফ্রেডেরিক। ইসোবেলকে দেখি না বহুদিন। মেয়েটি ভারি মিষ্টি ছিল। ও এলে মজাই হবে। শত হলেও ও আমাদের পারিবারিক বন্ধু।

    হাসল ফ্রেড্রেরিক। তাহলে আজকেই চিঠি লিখে ফেলো, সেসিলি। ওকে আসতে বলে দাও। চেষ্টা করব ও যেন এখানে ভালো থাকে।

    রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে গেল সে পেছনে দরজা বন্ধ করে দিয়ে। হলঘরে ওর পায়ের আওয়াজ পেল সেসিলি। তারপর লাইব্রেরি ঘরের দরজা খোলা এবং বন্ধ হওয়ার শব্দ। ও ওর নতুন বই লিখতে শুরু করেছে। লাঞ্চের আগে আর ওই ঘর থেকে বেরুচ্ছে না।

    আশা করি ইসোবেল এলে ওর কাজকর্মে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না, আপন মনে বলল সেসিলি। বাড়িটি অনেক বড়, আমাদের সবার জন্যই এখানে প্রচুর জায়গা রয়েছে।

    মাসখানেক বাদে, ডিসেম্বরের এক রাতে সেসিলি ফ্রবিশার তাদের হলঘরে একা দাঁড়িয়েছিল। তার স্বামী গাড়ি নিয়ে গেছে রেলস্টেশনে ইসোবেলকে নিয়ে আসতে। হলঘরের চারপাশে একবার চোখ বুলাল সেসিলি। ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বলছে। ঘরের সবকটা বাতি জ্বালানো। ইসোবেলকে স্বাগত জানাতে এ ব্যবস্থা। সে দোতলায় গেল দেখতে মেয়েটির বেডরুম ঠিকঠাক সাজানো রয়েছে কিনা।

    নিচতলায় আসার পরে হঠাৎ ওর কেমন অসুস্থ বোধ হতে লাগল। বুকের মধ্যে দপদপ করছে কলজে, মাথাটায় কেমন ব্যথা ব্যথা লাগছে। অগ্নিকুণ্ডের পাশে একটি চেয়ারে ধপ করে বসে পড়ল সেসিলি।

    সেসিলি ফ্রবিশার, নিজেকে বলল ও। তুমি একটা নির্বোধ মহিলা। তুমি নার্ভাস হয়ে আছ। নার্ভাস কারণ ষোড়শী একটি মেয়ে তোমাদের সঙ্গে থাকতে আসছে। কী বোকা তুমি! তুমি কেন ভয় পাচ্ছ? তোমার একজন চমৎকার স্বামী আছে যে প্রচুর টাকা আয় করে। সে ভালো ভালো বই লেখে এবং হাজার হাজার পাঠক তা কেনে। তুমি একজন সুখী মানুষ। এখন চোখ বুজে ইসোবেল না আসা পর্যন্ত বিশ্রাম নাও।

    আগুনের উত্তাপ এবং আরামদায়ক চেয়ারের নরম গদি একটু পরেই ওর চোখে ঘুম এনে দিল। ঘুমের মধ্যে ও একটা স্বপ্ন দেখল। সে হলঘর দেখতে পেল। দেখল চেয়ারে বসে ও ঘুমাচ্ছে। তারপর দেখল লাইব্রেরি ঘরের দরজা খুলে গেছে এবং এক বৃদ্ধা বেরিয়ে এল ওই ঘর থেকে। মহিলার পরনে লম্বা, কালো একটি ড্রেস। মাথার চুল পেকে সাদা। সে হেঁটে এগোল হলঘরে। দাঁড়াল ফায়ারপ্লেসের সামনে। ঘুরল ঘুমন্ত মহিলাটি অর্থাৎ সেসিলির দিকে। সেসিলি বুঝতে পারল তার অদ্ভুত অতিথিটি এখন কথা বলবে।

    না! আর্তনাদ করে উঠল সেসিলি। বোলো না! আমার সঙ্গে কথা বলো! আমি তোমার কথা শুনতে চাই না!

    নিজের চিল্কারের শব্দে জেগে গেল সেসিলি। লাফ মেরে খাড়া হলো। হলঘর শূন্য। তারপর সদর দরজা খুলে গেল এবং একটি মেয়ের গলার স্বর ভেসে এল।

    আমি রাস্তা চিনি। এখানে আমি একসময় থাকতাম, জানেনই তো। অন্ধকারেও এ বাড়ির আনাচেকানাচে আমি হেঁটে বেড়াতে পারব।

    ফ্রেডেরিক এবং ইসোবেল এগিয়ে গেল সেসিলির দিকে। ফ্রেডেরিকের হাতে মেয়েটির সুটকেস। তার মুখ হাসি হাসি।

    আমরা এসে গেছি, সেসিলি। ট্রেন আসতে অনেক দেরি হলো। আর বাইরেও ভীষণ ঠান্ডা পড়েছে আজ। ইসোবেলকে ওর রুমে নিয়ে যাও। আমি ওর সুটকেস নিয়ে যাচ্ছি। তারপর একসঙ্গে ডিনার করব। বেশ খিদে পেয়েছে। ইসাবেলেরও নিশ্চয় খিদে লেগেছে।

    ইসোবেল বেশ লম্বা, গায়ের রঙ তামাটে, রোগাপাতলা। চোখজোড়া উজ্জ্বল, ঝকঝকে। ঘনঘন শ্বাস নিচ্ছে। বোধ করি উত্তেজিত।

    মিসেস ফ্রবিশার, বলল সে। আমাকে আপনারা থাকতে দিচ্ছেন বলে আমি কৃতজ্ঞ। আমি আবার আমার বাড়িতে ফিরে এসেছি।

    মেয়েটির বলার ভঙ্গি নম্র। জবাবে কিছু বলতে গিয়েও মুখে কোনো কথা জোগাল না সেসিলির। তার কেমন অস্বস্তি বোধ হচ্ছে। নিজের বাড়িতেই অদ্ভুত লাগছে। বাড়িতে মেয়েটি মেহমান নাকি সে?

    ইসোবেল হলঘরে একবার চোখ বুলাল। একদম বদলে গেছে সবকিছু। মন্তব্য করল সে। আপনি বাড়ির অনেক রদবদল ঘটিয়েছেন।

    হ্যাঁ, আমরা– সেসিলিকে কথা শেষ করতে দিল না ইসোবেল। হ্যাঁ, বাড়িতে অনেক আলো এবং উত্তাপ। আমরা যখন এ বাড়িতে থাকতাম তখন হলঘরে কোনো ফায়ারপ্লেস ছিল না। আমরা সেই খরচটা চালাতে পারিনি। আপনাদের অনেক টাকা পয়সা, না?

    না, বলল সেসিলি-নরম গলায় বলার চেষ্টা করছে–না, ইসাবেল, আমাদের অনেক টাকা পয়সা নেই। আমা

    আমার জন্য কোন ঘরটি রেখেছেন? আবারও সে সেসিলির কথায় বাধা দিল।

    তুমি বড় বেডরুমটিতে থাকবে। ওখান থেকে বাগান দেখা যায়। ভাবলাম তোমার হয়তো ওই ঘরটাই পছন্দ–

    হ্যাঁ, ধন্যবাদ। দোতলার সামনের দিকের ওই বেডরুমটিতেই আমি সবসময় থাকতাম। আমার সঙ্গে আসতে হবে না। আমি ঘরটি চিনি।

    সে দৌড়ে উঠে গেল সিঁড়ি বেয়ে। ফ্রেডেরিক হাতে সুটকেস নিয়ে মন্থর গতিতে গেল ওর পেছন পেছন। সেসিলি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল ওদের প্রস্থান।

    ফ্রেডেরিক হলঘরে ফিরে এসে দেখে তার স্ত্রী ফায়ারপ্লেসের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সেসিলির কাছে এলে সে ঘুরে দাঁড়াল।

    আমি একটা মস্ত ভুল করে ফেললাম, ফ্রেডেরিক।

    ওহ্, এত তাড়াতাড়ি এ কথা কী করে বলছ তুমি? আমরা চুপচাপ, নিস্তরঙ্গ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। সব ঠিক হয়ে যাবে।

    স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও নার্ভাস লাগছিল ফ্রেডেরিকের। তার গলার স্বর এমন নামানো যে স্বামীর কথা প্রায় শুনতেই পেল না সেসিলি।

    এক সপ্তাহ পার হয়ে গেল। সেসিলি আগের মতো আর হতাশ বোধ করছে না। হয়তো ইসোবেলকে এ বাড়িতে এনে সে কোনো ভুল করেনি। ইসোবেল তেমন একটা ঝামেলা করছে না। সে সেসিলিকে রান্নাবান্নায় সাহায্য করে। খাওয়ার সময় ওদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে এবং ভদ্রতা বজায় রেখে। সে একটু আগে আগেই ঘুমাতে যায় এবং বেশিরভাগ সময় দোতলায় নিজের কামরাতেই থাকে। নিজের নতুন জীবন নিয়ে ওকে খুশিই মনে হচ্ছে।

    আমার মনে হয় তুমি খুব একাকী বোধ করছ, একদিন রান্নাঘরে বসে ইসোবেলকে বলল সেসিলি। লাঞ্চ প্রায় রেডি। ছুটি শেষ হলেই তুমি নতুন স্কুলে যাবে এবং সেখানে সমবয়সী অনেক নতুন বন্ধুবান্ধব পাবে। এত বড় বাড়িতে তোমার এত কিশোরী মেয়ের একা একা লাগাটাই স্বাভাবিক।

    একা! ইসোবেল হাসল সেসিলির দিকে তাকিয়ে। আমি একা নই, মিসেস ফ্রবিশার। এখানে একা থাকার কোনো অবকাশ নেই।

    তোমার কথা শুনে খুশি হলাম, বলল সেসিলি। হয়তো ইসাবেল ওদেরকে পছন্দ করতে শুরু করেছে।

    কিন্তু তোমার নিজের বয়সী বন্ধুবান্ধব দরকার। স্কুলে বন্ধু হলে তুমি তাদেরকে বাসায় দাওয়াত দিতে পারবে।

    আমার সমবয়সী কোনো বন্ধুর দরকার নেই। আমার বন্ধু আমি পেয়ে গেছি।

    বাহ্, চমৎকার। তবে তোমার বন্ধু হওয়ার জন্য আমার এবং ফ্রেডেরিকের বয়সটা একটু বেশিই–

    আমি আপনাদের কথা বলিনি কিন্তু। তাহলে? কে?

    সেসিলি তার কথা শেষ করার আগেই মেয়েটি রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে গেল। ওর খিলখিল হাসির শব্দ শুনতে পেল সেসিলি হলঘর থেকে যাওয়ার সময়।

    .

    সেই রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে ফ্রেডেরিক এবং সেসিলি হলঘরে ফায়ার প্লেসের সামনে বসেছিল। ইসোবেল দোতলায় নিজের ঘরে চলে গেছে। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চুপচাপ। কথা বলতে চাইছে কিন্তু বলার মতো হয়তো কিছু খুঁজে পাচ্ছে না।

    অবশেষে সেসিলিই ভঙ্গ করল নীরবতা। নিচু গলায় কথা বলছে। স্বর উঁচু করতে যেন ভয় পাচ্ছে।

    তোমার চেহারা এমন শুকনো লাগছে কেন, ফ্রেডেরিক? কী হয়েছে? নতুন বইটি ঠিকঠাক লেখা হচ্ছে না?

    ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা মুশকিল, সেসিলি। কথাটা হয়তো বোকার মতোই শোনাবে তবে সত্য হলো এই যে ইসোবেল আমাদের বাড়িতে আসার পর থেকে আমি এক কলমও লিখতে পারছি না।

    কিন্তু ও তো তোমাকে কোনো বিরক্ত করে না, করে কি? ও কোনো শব্দই করে না। মাঝেমধ্যে ভাবি মেয়েটা বড্ড বেশি চুপচাপ।

    না, না। ও আমাকে বিরক্ত করছে না। ব্যাপারটা ইসোবেলকে নিয়ে নয় থেমে গেল সে। চেহারা দেখে মনে হলো ভয় পেয়েছে।

    বলো, ফ্রেডেরিক। প্লিজ, বলে ফেলল।

    তুমি তো জানোই আমি একা একা লিখি। ঘর একদম নীরব না থাকলে আমি লিখতে পারি না। আমি আমার টেবিলে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লিখে যেতে পারি।

    সে তো আমি জানিই। তোমার বিশাল লাইব্রেরি ঘরখানার তো কোনোরকম পরিবর্তন করা হয়নি। তুমি প্রতিদিন সকালে নাশতা সেরে ওখানে লিখতে যাও এবং লাঞ্চ পর্যন্ত টানা লেখো।

    হ্যাঁ। তবে কয়েকদিন ধরে কিছু লিখতে পারছি না। আমি বারবার চেষ্টা করেছি লিখব বলে। কিন্তু এক কলমও এগোতে পারিনি। কারণ ওই ঘরে আমি একা নই!

    তুমি একা নও! এ কথার মানে কী, ফ্রেডেরিক? তুমি লেখার সময় তো আমি ওই ঘরের ধারেকাছেও যাই না। ইসোবেলও না। যদি যায় তাহলে মানা করে দিও। তুমি বলতে না পারলে আমি ওকে বারণ করব।

    না, না। ও আমার ঘরে কখনো যায় না। তবে আমি লেখার টেবিলে বসার পরে একটি গলা শুনতে পাই। নারীকণ্ঠ-বুড়ো মানুষের খনখনে গলা। সে যেন আমাকে কিছু বলতে চায়। কিন্তু আমি তার কথা বুঝতে পারি না। ঘরটি তখন আমার কাছে অদ্ভুত লাগে। মনে হয় এ ঘরটি আমার নয়। টেবিলটি আমার নয়। চেয়ারটি আমার নয়। লাইব্রেরির কোনো কিছুই আমার নয়।

    ফ্রেডেরিক! থামো! সেসিলির গলা চড়ল-আমাকে তুমি ভয় পাইয়ে দিচ্ছে। তোমার বিশ্রাম দরকার-ছুটি কাটানো প্রয়োজন। আমরা

    থেমে গেল সে। একটা ছায়া পড়েছে মুখের ওপর। মুখ তুলে চাইল সেসিলি। সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আছে ইসোবেল। তুমি কি চাও? আর এত নিশব্দে হাঁটাচলা করো কেন? ভয় রাগিয়ে তুলেছে সেসিলিকে।

    আমি সবসময়ই নিশব্দে হাঁটাচলা করি, জবাব দিল মেয়েটি। হাসছে যেন ওর দিকে তাকিয়ে। আপনারা তো চান বাড়িটি সবসময় চুপচাপ থাকবে। আমি চেষ্টা করি আপনারা যাতে বিরক্ত না হন। আমার খুব তেষ্টা পেয়েছিল। তাই নিচে এসেছিলাম এক গ্লাস পানি খেতে।

    তাহলে পানি খেয়ে নিজের রুমে চলে যাও।

    জি, মিসেস বিশার।

    একটু পরে সে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এল। হাতের গ্লাসটি টেবিলে রেখে ওদের দুজনের মাঝখানে এসে দাঁড়াল।

    আপনাদের কেউই নিশ্চয় আমার দাদিমাকে দেখেননি, দেখেছেন?

    আমি দেখিনি, জবাব দিল ফ্রেডেরিক। আমার স্ত্রীও দেখেছে বলে মনে হয় না। তোমরা যখন এ বাড়িতে থাকতে তখন আমরা এখানে আসিনি।

    আমার ছোটবেলায় দাদিমা এ বাড়িতে আমাদের সঙ্গে থাকতেন। তাঁকে আমি খুব ভালোবাসতাম। আমাকে তিনি অনেক গল্প বলতেন। পুরোনো দিনের গল্প। দাদিমা এখানেই মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পরে আমার বাবা সমস্ত টাকা পয়সা খুইয়ে ফেলে। তারপর আপনারা আমাদের বাড়িটি কিনে নেন।

    শুনে খুব খারাপ লাগল, ইসোবেল। তোমার জন্য আমাদের মায়াই হচ্ছে, তবে–

    আমার জন্য মায়া করতে হবে না। আমি তো এখন ফিরেই এসেছি। দাদিমা আমাকে বলেছেন বাড়িটি আবার আমার হবে।

    ইসোবেল ওদের দিকে তাকিয়ে আবার হাসল। তবে সবাই দু-এক মিনিট নিশ্চুপ থামল। শেষে সে বলল, আপনার লাইব্রেরি ঘরটি কি আমাকে একটু ব্যবহার করতে দেবেন, মি. ফ্রবিশার? ওটা ছিল আমার দাদিমার স্পেশাল রুম। আমি ছাড়া অন্য কেউ ওই ঘরটিতে ঢুকলে তিনি রেগে যেতেন। আমাকে তিনি চেয়ারে বসিয়ে আমার সঙ্গে গল্প করতেন। তবে আমি ওই ঘরে গেলেও আপনাকে কোনোরকম বিরক্ত করব না। আমি চুপচাপ থাকব। দাদিমা তখন আমাকে গল্প বলতেন আমি চুপচাপ শুনতাম।

    তবে… আমার মনে হয় না… ফ্রেডেরিক তার বাক্য অসমাপ্ত রেখে দিল। আড়চোখে তাকাল স্ত্রীর দিকে। সেসিলি হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছে মুখ ।

    তবে এক্ষুনি আপনাকে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে না। কাল সকালে বললেও হবে। আমি এখন ঘুমাতে যাব। ওহ্, বলতে ভুলে গেছি আমার কাছে দাদিমার একখানা ছবি আছে। নিচে নামার সময় নিয়ে এসেছি। এই যে দেখুন, মিসেস ফ্রবিশার।

    সে সেসিলির হাতে ছবিটি খুঁজে দিল। ওটার দিকে তাকিয়ে মুখ সাদা হয়ে গেল সেসিলির। ভয়ার্ত একটা চিৎকার বেরুল গলা চিরে। ছবির মানুষটিকে দেখেই চিনতে পেরেছে। এ বৃদ্ধাকেই সে স্বপ্নে দেখেছে।

    .

    সেই রাতে ফ্রবিশার দম্পতির কারোরই ঘুম হলো না। বিছানায় শুয়ে নিচু গলায় তারা কথা বলতে লাগল।

    আমরা এখন কী করব, ফ্রেডেরিক? ওকে চলে যেতে বলব। ও আমাদেরকে পাগল বানিয়ে ছাড়বে। আমাদেরকে বাড়ি ছাড়া করবে।

    আমাকে বাড়ি ছাড়া করতে পারবে না।

    কিন্তু ও তো একা নয়। ওই ভয়ংকর মহিলাও রয়েছে এখানে। ইসোবেলকে সে সাহায্য করছে। ইসোবেল কী বলল মনে নেই? বলেছে ওর দাদিমা নাকি ওকে এ বাড়িটি দিয়ে দেবে। সে আমাদের কাছ থেকে বাড়িটি কেড়ে নেবে।

    অসম্ভব। এটি আমাদের বাড়ি। আমরা এটি কিনেছি। আর বৃদ্ধা মহিলা এখানে কী করে আসবে? সে তো মারা গেছে।

    তাহলে আমাকে ব্যাখ্যা করো লাইব্রেরি ঘরে কেন তোমার মনে হয় ওখানে তুমি একা নও, সঙ্গে কেউ আছে? কে আছে তোমার সঙ্গে ওই ঘরে? আমি কীভাবে ছবিটি দেখেই চিনে ফেললাম?

    কিন্তু, সেসিলি—

    চুপ! শোনো!

    ওরা শুনতে পেল লাইব্রেরি ঘরের দরজা খুলে গেছে। তারপর আবার বন্ধ হয়ে গেল। হলঘরে মৃদু পায়ের শব্দ। পদশব্দ ওদের বেডরুমের দরজা পার হয়ে গেল। তারপর ইসাবেলের শোবার ঘরের দরজা খোলা এবং বন্ধের আওয়াজ হলো। দূরের অন্ধকার থেকে ভেসে এল মানুষের গলা।

    সেসিলি খামচে ধরল তার স্বামীর হাত। আমাকে কালকেই কোথাও নিয়ে চলো, ফ্রেডেরিক। আমি ভয় পাচ্ছি।

    আমরা কাল সকালেই কোথাও চলে যাব, সোনা। তবে ইসোবেলকেও সঙ্গে নিয়ে যাব। ওকে একা বাড়িতে রেখে যাওয়া ঠিক হবে না।

    .

    সকাল হতেই ওরা রেডি হতে লাগল। ফ্রেডেরিক সেসিলিকে বলল, একটা সুটকেস গুছিয়ে নাও। আমরা দিন দুই কোনো হোটেলে থাকব। আমি যাই। ইসোবেলকে ঘুম থেকে তুলি গে। তারপর চা খেয়েই বেরিয়ে পড়ব।

    তবে সেসিলি রেডি হওয়ার আগেই ফিরে এল ফ্রেডেরিক। জলদি! বলল সে। সুটকেসটা নাও। ইসোবেল তার ঘরে নেই।

    ঘরে নেই! তাহলে কোথায় গেছে?

    লাইব্রেরি ঘর বন্ধ। তালা মারা। আমি ঢুকতে পারছি না। ইসোবেল ভেতরে আছে। কার সঙ্গে যেন কথা বলছে।

    সে সেসিলিকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ল গাড়ি নিয়ে। ওকে একটা হোটেলে নিয়ে তুলল।

    তুমি এখানে নিরাপদেই থাকবে। আমি আসছি এক্ষুনি।

    তুমি কোথায় যাচ্ছ, ফ্রেডেরিক?

    পুলিশের কাছে। তারপর বাড়ি ফিরব-যদি সত্যি ওটা এখনো আমাদের বাড়ি হয়ে থাকে।

    .

    জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে হবে আমাকে, বলল পুলিশ অফিসার। তালা ভাঙতে পারিনি। খুব শক্ত।

    ফ্রেডেরিক শুধু পুলিশ নয়, সঙ্গে একজন ডাক্তারও নিয়ে এসেছে। তারা লাইব্রেরির সামনে অপেক্ষা করছিল। জানালার কাঁচ ভাঙার শব্দ শুনতে পেল তারা। তারপর চাবি ঘোরানোর শব্দ এবং খুলে গেল দরজা।

    আপনি ভেতরে আসুন, ডাক্তার। না, আপনাকে আসতে হবে না, মি. ফ্রবিশার। ভেতরের দৃশ্যটি আপনার জন্য খুব একটা সুখকর হবে না।

    ফ্রেডেরিকের বুক ধড়ফড় করছে। লাইব্রেরিতে সে কিছু নড়ানোর শব্দ পেল। তারপর পুলিশ কর্মকর্তার কণ্ঠ। একটি চেয়ার নড়ানোর আওয়াজ। ডাক্তার কী যেন বললেন। মিনিটগুলো ঘণ্টার মতো লাগছে।

    আবার খুলে গেল লাইব্রেরির দরজা। বেরিয়ে এলেন ডাক্তার। তিনি ফ্রেডেরিকের হাত ধরে ওকে হলঘরের শেষ প্রান্তে নিয়ে গিয়ে একখানা চেয়ারে বসিয়ে দিলেন।

    সে মারা গেছে, মি. ফ্রবিশার। লেখার বড় চেয়ারটিতে বসে আছে। ওর বয়স যেন কত বললেন?

    ষোলো বছর, ডাক্তার।

    ষোলো বছর! কিন্তু ওর চেহারায় যা ঘটেছে তার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া মুশকিল। তার সমস্ত চুল পেকে সাদা এবং মুখখানা হয়ে গেছে বুড়ি মানুষের মতো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেতচক্র – অনীশ দাস অপু
    Next Article পিশাচ দেবতা – অনীশ দাস অপু

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }