Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুশ্চিন্তামুক্ত নতুন জীবন – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প288 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. নিজেকে আবিষ্কার করুন : আপনার মত আর কেউ নেই

    নিজেকে আবিষ্কার করুন : আপনার মত আর কেউ নেই

    আমি নর্থ ক্যারোলিনার মাউন্ট এয়ারির মিসেস এডিথ আলরেডের কাছ থেকে একখানা চিঠি পাই। চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন : ছোট বয়সে আমি অত্যন্ত স্পর্শকাতর আর লাজুক ছিলাম। বয়সের তুলনায় আমার ওজন বড় বেশি ছিলো আর আমার ফোলা গাল দুটোর জন্য আমাকে আরও মোটা দেখাতো। আমার মা ছিলেন একেবারে সেকেলে ধরনের, তার ধারণা ছিলো সুন্দর পোশাক বানানো হলো বোকামি । তিনি সব সময় বলতেন ঢিলে ঢালা পোশাক টেকে বেশি, আটো পোশাক ছেড়ে তাড়াতাড়ি। সেই ভেবেই তিনি আমায় পোশাক পরাতেন। আমি কোনদিন কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিতাম না, কোন আনন্দও করতাম না। তাছাড়া যখন স্কুলে যেতাম অন্য সব ছেলে মেয়েদের সঙ্গে কোন ব্যাপারে যোগ দিতাম না।

    এমন কি খেলাধুলোতেও না। আমি অস্বাভাবিক রকম লাজুক ছিলাম। আমার খালি মনে হতো আমি বাকি সবাইয়ের চেয়ে আলাদা আর আমাকে কেউই চায় না।

    আমি যখন বড় হলাম তখন আমার চেয়ে বেশ কয়েক বছরের বড় একজনকে বিয়ে করলাম। কিন্তু আমার কোন রকম পরিবর্তন হলো না। আমার শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়–স্বজনেরা সবাই বেশ ফিটফাট আর আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিলো। তাদের মনোগত ইচ্ছে ছিলো আমিও তাদের মত হই, কিন্তু কিছুতেই তা আর হলো না। আমি আপ্রাণ চেষ্টায়, তাদের মত হতে চাইলেও পারলাম না। তারা যতই আমাকে খোলসের মধ্য থেকে বাহিরে টেনে আনার চেষ্টা চালালো আমি ততই যেন আরও বেশী করে খোলসের মধ্যে ঢুকে গেলাম । এতে আমি বেশ অস্বস্তি আর বিরক্তিও বোধ করতে আরম্ভ করলাম। সব বন্ধু বান্ধবদের এড়িয়ে চলতেও শুরু করলাম আমি। এমনই অবস্থাটা খারাপ হয়ে দাঁড়ালো যে দরজার ঘন্টা বাজার শব্দ শুনতে পেয়েও আমি ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতাম! আমি বুঝতে পারতাম আমি সবদিক দিয়েই একদম ব্যর্থ। আমি এটা বেশ ভালো করেই বুঝতে পারতাম আর আমার খালি ভয় হতো আমার স্বামী সব একদিন টের পেয়ে যাবেন। তাই যখনই আমরা বাইরে বেরোতাম, আমি হাসিখুশি থাকতে চেষ্টা করতাম এবং তাতে ভয়ে বেশ একটু বাড়াবাড়িই করে ফেলতাম। আমি বুঝতে পারতাম এই বাড়াবাড়িটা, এবং এরপর কয়েকদিন বেশ মনমরা অবস্থায় কষ্টে কাটাতাম। শেষ পর্যন্ত আমি এমনই অসুখী হয়ে উঠলাম যে মনে হতো আর আমার বেঁচে থাকারই বোধহয় কোন যুক্তি নেই। আমি আত্মহত্যা করার কথা ভাবতে শুরু করলাম।

    এই অসুখী মহিলার জীবনধারা কেমন করে কিভাবে বদলে গেলো জানেন? আচমকা বলা একটা মন্তব্যের মধ্য দিয়ে।

    আচমকা বলা একটা মন্তব্যই মিসেস আলরেড তাঁর চিঠিতে লেখেন, আমার সমস্ত জীবনটাই বদলে দিলো। আমার শাশুড়ি একদিন বলেছিলেন কিভাবে তিনি তাঁর ছেলেমেয়েদের মানুষ করে তোলেন। তিনি বললেন, যাই ঘটুক না কেন আমি সব সময়েই তাদের নিজের মত চলতে দিতাম…নিজের মত চলতে দিতাম…এই মন্তব্যটাই সব কিছুই ওলোট পালোট করে দিলো। একটা বিদ্যুতের পরশেই যেন আমি বুঝতে পারলাম, যে অবস্থার সঙ্গে আমার খাপ খায় না আমি তার মধ্যেই কেবল আমায় মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে চলেছি।

    .

    রাতারাতিই আমি পালটে গেলাম। আমি নিজেকে ফিরে পেয়ে নিজের মতই হতে শুরু করলাম। আমি আমার নিজের ব্যক্তিত্ব পর্যালোচনা করতেও শুরু করে দিলাম এবং কি ছিলাম সেটা জানতে চেষ্টা করতে লাগলাম। আমি আমার দোষ গুণ সম্পর্কে কি আছে বারবার সেটা জানার চেষ্টা করলাম। আমি রঙ আর পোশাকের কায়দা কানুন পর্যালোচনা করে আমায় যা মানায় সেই পোশাক পরতে শুরুও করে। দিলাম। এরপর বন্ধুত্ব লাভের জন্য হাত বাড়িয়ে দিলাম। একটা প্রতিষ্ঠানে আমি যোগদানও করলাম–প্রথমে এক ছোট প্রতিষ্ঠানে–সেখানে আমি ভয়ে প্রায় সিঁটিয়েও গেলাম, যখন দেখলাম তারা আমাকে একটা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা করলো। কিন্তু প্রতিবার কথাবলার পর থেকেই একট একটু করে আমার সাহস বেড়ে গেলো। এসবে বেশ সময় লেগেছে সেটা ঠিক–তবে আজ আমি যে রকম সুখী তা কোন কালে সম্ভবপর বলে স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। আমার নিজের ছেলেমেয়েদের মানম করে তোলার কাজে আমি বিশেষ ভাবেই তাদের এটাই শিখিয়েছি। যে তিক্ত অভিজ্ঞতা আমার জীবনে ভোগ করতে হয়েছে, আর আমি যে শিক্ষাটি লাভ করেছি তাহলো : যাই ঘটুক না কেন সব সময় নিজের মত হও।

    নিজের মত হওয়ার ইচ্ছের এই সমস্যা প্রায় ইতিহাসের মতই পুরনো, কথাটা বলেন ডঃ জেমস গর্ডন গিলকি । তার আরও বক্তব্য হলো, এ ব্যাপারটা আবার মানুষের জীবনের মতই সার্বজনীনও বটে। নিজের মত না হওয়ার এই সমস্যাটা বহু জটিলতা, মনোবিকলন আর মানসিক অশান্তির আড়ালে থেকে গেছে। এঞ্জেলে পাদ্রি শিশুদের শিক্ষাদানের ব্যাপারে তেরো খানি বই আর হাজার হাজার সাময়িক খবরের কাগজে প্রবন্ধও লিখেছেন। তাঁর কথা হলো : যারা অন্যের মত হওয়ার চেষ্টা করে তাদের মত হতভাগ্য আর কেউ নেই। যদি সে নিজে শারীরিক এবং মানসিক দিক দিয়ে অন্যরকম কিছু হয়।

    .

    নিজে যা নয় সেই রকম হওয়ার চেষ্টা বা ইচ্ছে বিশেষ করেই হলিউডে অত্যন্ত বেশি রকম প্রকট। স্যাম উড অতীতের একজন হলিউডের অতি প্রখ্যাত পরিচালক বলেছিলেন, উঠতি অভিনেতাদের নিয়ে তার সবচেয়ে বেশি সমস্যা ছিলো এই : তাদের ঠিক নিজেদের মত গড়ে তোলা। সমস্যাটা হলো তারা প্রায় সবাই চাইতো লানা টার্নার বা ক্লার্ক গেবেল হয়ে উঠতে । জনসাধারণ তো ইতিমধ্যেই বিখ্যাত ওই সব অভিনেতাদের দেখেছে, স্যাম উড তাদের বোঝাতে চাইতেন, এখন তারা চায় নতুন কিছু।

    ‘গুডবাই মিষ্টার চিপস্’ আর ‘ফর হুম দি বেল টোলস্’–এর মত ছবি পরিচালনা শুরু করার আগে স্যাম উড বহু বছর সম্পত্তি বেচা–কেনার কারবারে কাটিয়েছিলেন, তাঁর কাজ ছিলো ব্যবসার কাজে ব্যক্তিত্ব তৈরি করা। তিনি বলতে চেয়েছিলেন যে ব্যবসা জগতে যে নীতি চলে ঠিক সেই নীতিই আবার চলে চলচ্চিত্র জগতটাতেও। বনমানুষের মত নকল নবীশ হয়ে কোথাও পৌঁছনো যায় না, এমন কি তোতাপাখি হয়েও লাভ নেই। স্যাম উড আরও বলেন, অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই আমি শিখেছি, যে সমস্ত লোক তারা যা নয় সেটাই হবার ভান করে তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিদেয় করা যায় ততই নিরাপদ হওয়া যায়।

    আমি কিছুদিন আগে সোকোনি–ভ্যাকুয়াম অয়েল কোম্পানীর চাকুরী সংক্রান্ত নিয়োগ বিষয়ে ডাইরেক্টর পল বয়েনটুনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম চাকরির আবেদন করার সময় মানুষ সবচেয়ে বড় ভুল কি করে? তাঁর একথা জানা আছে অবশ্যই, কারণ জীবনে তিনি প্রায় ষাট হাজারেরও বেশি আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি আবার ‘চাকরি পাওয়ার ছ’টি উপায়’ নামে একখানা বইও রচনা করেছেন। তিনি জবাবে বলেছিলেন : চাকরির আবেদন করার সময় মানুষ সবচেয়ে বড় যে ভুল করে তা হলো তারা আত্মবিস্মৃত হয়ে পড়ে। নিজেদের প্রকৃত তথ্য গোপন রেখে তারা মোটেই খোলাখুলি সবকথা বলতে চায় না, বরং এটা না করে তারা এমন সব উত্তর দেয় যা তারা মনে করে আপনি এতে খুব খুশী হবেন। তবে এতে কাজ হয় না কারণ কেউই গোপনীয়তাপ্রিয় মানুষকে চায়না। যেহেতু কোন মানুষই জাল মুদ্রা চায় না।

    এই ব্যাপারটা একজন গাড়ির কন্ডাকটারের মেয়েকে বেশ কষ্ট করেই শিখতে হয়েছিলো। সে একজন গায়িকা হতে চেয়েছিলো, কিন্তু ওর দুর্ভাগ্যের কারণ হয়ে উঠেছিলো ওর মুখোনা। ওর মুখ বেশ বড় আর দাঁতগুলো সামনের দিকে বেরোনো অবস্থায় থাকতো। সে যখন প্রথম জনসাধারণের সামনে গানে অংশ নেয়–নিউ জার্সির এক নাইট ক্লাবে–সে বারবার গান গাওয়ার ফাঁকে উপরের ঠোঁট দিয়ে দাঁত ঢাকার চেষ্টা করছিল। সে অবশ্য আপ্রাণ চেষ্টায় নিজেকে সুন্দরী প্রমাণ করতে চাইছিলো। এর ফল কি হলো? সে নিজেকে হাস্যকর করে তুললো। ব্যর্থতার দিকেই সে এগিয়ে চলছিলো।

    যাই হোক, ওই নাইট ক্লাবে একজন ছিলেন, তিনি মেয়েটিকে গান গাইতে দেখে বুঝেছিলেন ওর প্রতিভা আছে। এই যে শোনো, ভদ্রলোক সোজাসুজি বলে ফেললেন, আমি তোমায় গান গাইতে দেখেছিলাম আর আমি জানি তুমি কি লুকোবার চেষ্টা করছো। তুমি তোমার দাঁতের জন্য লজ্জা পাচ্ছো। মেয়েটি বেশ অস্বস্তিতে পড়ে গেলো, তবুও ভদ্রলোক বলে চললেন, এতে হয়েছে কি? এরকম দাঁত থাকা কি অপরাধ? এটা লুকোবার চেষ্টা করো না! মুখ খুলেই গান গাইবার চেষ্টা করো তাতে শ্রোতারা বুঝতে পারবে তুমি লজ্জিত নও। তাছাড়া ভদ্রলোক বেশ দূরদৃষ্টি নিয়ে বললেন, যে দাঁত তুমি লুকোনোর চেষ্টা করছো তাই হয়তো তোমাকে একদিন ঐশ্বর্য এনে দেবে!

    ক্যাস ডেলি ভদ্রলোকের উপদেশে সত্যিই দাঁতের কথা ভুলে গেলো। ওই সময় থেকেই মেয়েটি শুধু ওর শ্রোতাদের কথাই ভাবতে লাগলো। সে মুখ খুলে এমন দরাজ স্বরে আর আনন্দে গাইতে আরম্ভ করলো যে অল্পদিনের মধ্যেই সে বেতার আর চলচ্চিত্রে শিল্পী হয়ে উঠলো। এখন অন্যান্য কমেডিয়ান তাকেই নকল করার চেষ্টা করছে।

    বিখ্যাত উইলিয়াম জেমস একবার কিছু লোকের কথা বলেছিলেন যারা নিজেদের চিনতে পারে না। তাঁর মতে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাত্র শতকরা দশ ভাগই নিজেদের মানসিক শক্তির উজ্জীবন ঘটাতে পারে। তিনি লিখেছিলেন, আমাদের যা হওয়া উচিত সে সম্পর্কে আমরা অর্ধ জাগরিত। আমরা আমাদের শারীরিক আর মানসিক ক্ষমতার সামান্য অংশই কেবল কাজে লাগাতে পারি । ভালো করে বলতে গেলে একজন মানুষ নিজের খোলসের মধ্যেই থেকে যায়। তার বহু ধরণের চাপা ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সে তার অনেকটাই কাজে লাগাতে পারে না।

    .

    আমার বা আপনার এই ক্ষমতা আছে তাই আমরা অন্য লোকের মত নই একথা ভেবে আর এক মহর্ত সময়ও নষ্ট করা উচিত নয়। এ পৃথিবীতে আপনারও কিছু নতুনত্ব আছে। সময়ের আদিকাল থেকে আজ পর্যন্ত ঠিক আপনার মত কেউ জন্মায় নি, আর আগামী হাজার হাজার বছরেও ঠিক আপনার মতই আর কেউ কখনই জন্মাবে না। আধুনিক জীবন বিজ্ঞান থেকে জানা যায় আপনি হলেন আপনার বাবা আর মায়ের প্রত্যেকের দেওয়া চব্বিশটি করে ক্রোমোসোম থেকে জন্ম নেওয়া একজন। এই চব্বিশটি আর চল্লিশটি অর্থাৎ আটচল্লিশটি ক্রোমোসোমই জানিয়ে দিচ্ছে আপনি যা তাই! আমরাম শিনফিল্ড বলেছেন, প্রতিটি ক্রোমোসোমে কুড়ি থেকে একশটা পর্যন্ত জিন থাকতে পারে–আর একটা মাত্র জিনই কোন কোন ক্ষেত্রে একজনের সারা জীবনধারাই বদলে দিতে পারে। সত্যি কথা বলতে গেলে আমরা বেশ ভিত্তিকর আর অপূর্ব কিছু দিয়েই তৈরি।

    আপনার জন্মের সময় এটা কোটি কোটি বারের মধ্যে একবারও জানা সম্ভব ছিলো না ঠিক আপনারই জন্ম হবে! অন্যভাবে বললে আপনার যদি কোটি কোটি ভাই বোন থাকতো তাহলেও আপনি হতেন তাদের চেয়ে আলাদা। এটাকে কি আন্দাজ বলে ভাবছেন? না, এটা বিজ্ঞানসম্মত সত্য। এ সম্পর্কে সত্যিই যদি কিছু জানতে আগ্রহী হন তাহলে লাইব্রেরীতে গিয়ে আমরাম শিনফিল্ডের ‘আপনি ও বংশধারা’ বইটা পড়ে ফেলুন।

    আমি এই আপনার নিজের মত হয়ে ওঠা নিয়ে দৃঢ়তার সঙ্গে কথা বলে যেতে পারি কারণ এ ব্যাপারে আমার আগ্রহ অপরিসীম। কি নিয়ে কথা বলছি আমি বেশ ভালোই জানি। এটা আমি লাভ করেছি বেশ তিক্ত আর ব্যয়বহুল অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে। উদাহরণ হিসেবে বলছি : আমি যখন প্রথম মিসৌরীর শস্যক্ষেত্রে থেকে নিউইয়র্কে আসি, তখন আমেরিকান অ্যাকাডেমী অব ড্রামাটিক আর্টসে আমি ভর্তি হই। আমার ইচ্ছে ছিলো অভিনেতা হওয়া। ব্যাপারটা আমার মনে হয়েছিলো দারুণ একটা কিছু আবিষ্কার করেছি। এটা আমার কাছে সাফল্যের সহজ পথ বলেই মনে হয়েছিলো–কেমন সহজ সরল ব্যাপার। আমি বুঝতেই পারিনি এমন একটা পথ উচ্চাকাঙ্ক্ষী হাজার হাজার মানুষ কেন আগেই আবিষ্কার করতে পারেনি। ব্যাপারটা এই রকম : আমার কাজ হবে সেকালের সব বিখ্যাত অভিনেতা কেমন করে কাজ করতেন সেটা শেখা–যেমন জন ডু, ওয়াল্টার হ্যাঁম্পডেন আরও অনেকে কেমন করে খ্যাতির শিখরে ওঠেন। এরপর আমি তাঁদের প্রত্যেকের সেরা ব্যাপারগুলো নকল করবো আর তার ফলে তাদের সকলের কৃতিত্ব জড়িয়ে আমি হয়ে উঠবে দারুণ খ্যাতিমান দক্ষ শিল্পী । কিন্তু কি বোকার মত ধারণা! কতখানি অবাস্তব, অসম্ভব! অন্য সব লোককে নকল করতে গিয়ে এইভাবে আমার জীবনে বেশ মূল্যবান কটা বছর আমি নষ্ট করে বসলাম । মিসৌরী এলাকায় আমার মোটা মাথায় এটা ঢুকলোনা, আমায়–আমার মতই হতে হবে, আর পক্ষে অন্য কেউ হয়ে ওঠা সম্ভব হবে না।

    ওই দুঃখজনক অভিজ্ঞতা থেকে আমার চিরকালীন একটা শিক্ষা হওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু তা হলো । অন্ততঃ আমার ক্ষেত্রে হলো না। আমি নেহাতই আকাট ছিলাম। আমাকে আবার গোড়া থেকেই শিখতে হলো। বেশ ক’বছর পরে আমি ব্যবসাদারদের জন্য একখানা বক্তৃতা দেওয়ার বই লিখতে আরম্ভ করেছিলাম, আমি ভেবেছিলাম এমন বই আগে আর কেউ লেখেন নি যাতে সব থাকবে। বইটা লেখার সময় আমার সেই আগেকার বোকার মত ধারণা ছিলো, সেই অভিনেতা হওয়ার ধারণা–আমি এমন বই লিখতে চাইছি, যে সব ধারণা আগে বহু লেখকই তাদের বইতে লিখে গেছেন। অতএব আমি কি করলাম? আমি বেশ কিছু বই জোগাড় করে ফেলোম জনগণের সামনে বক্তৃতা দেওয়ার উপর লেখা, তারপর একবছর ধরে সব কিছু আমার বইয়ের পাণ্ডুলিপিতে লিপিবদ্ধ করলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার মাথায় জাগলো আমি আবার সেই বোকার মত কাজ করতে চলেছি। অন্য সব মানুষের ধারণা মেশানো আমার লেখাটা এমনই একটা খিচুড়ির মত ব্যাপার আর সেটা এমনই মূল্যহীন, নীরস যে কোন ব্যবসাদার মানুষ তাতে চোখ বোলাতেও চাইবেন না। অতএব আমি সব কিছু বাজে কাগজের ঝুড়িতেই ফেলে দিয়ে আবার গোড়া থেকে শুরু করলাম। এবারে নিজেই নিজেকে বললাম : তোমাকে ডেল কার্নেগী হতে হবে, তার সব ত্রুটি আর যত কম ক্ষমতাই থাকনা কেন । তুমি সম্ভবতঃ অন্য কেউ হয়ে উঠতে পারবে না। অতএব আমি অন্য কারো মিশেল না হতে চেয়ে জামার হাতা গুটিয়ে প্রথমেই যা করা উচিত ছিলো তাই করতে লেগে গেলাম।

    .

    আমার নিজের দেখা অভিজ্ঞতা, দেখাশোনা আর বক্তৃতা এবং বক্তৃতা শিক্ষক হিসেবে যে ধারণা আর অভিজ্ঞতা আমার হয়েছিল তাই সম্বল করেই একটা বই লিখতে আরম্ভ করলাম । আমি সারা জীবন ধরে যা শিখলাম–আমার মনে হয় স্যার ওয়াল্টার র‍্যালে যা শিখেছিলেন তাই। (আমি অবশ্য সেই ওয়াল্টার র‍্যালের কথা বলছি না যিনি রাণীর যেতে সুবিধে হবে বলে নিজের কোট কাদায় বিছিয়ে দেন। আমি বলছি ১৯০৪ সালের কাছাকাছি অক্সফোর্ডের ইংরাজী সাহিত্যের অধ্যাপক স্যার ওয়াল্টার র‍্যালের কথা ।) তিনি, বলেছিলেন, শেক্সপিয়ারের মত কোন বই আমি লিখতে পারি না তবে আমি নিজের যোগ্য বই লিখতে পারি।

    নিজের মত হোন। প্রয়াত জর্জ গার্সউইনকে আরভিং বার্লিন যে মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছিলেন সেই ভাবেই কাজ করুন। বার্লিন আর গার্স উইনের যখন প্রথম দেখা হয়, তখন আরভিং বার্লিন বিরাট খ্যাতিমান মানুষ আর গার্স উইন জীবন সংগ্রামরত টিন প্যানআলীতে সপ্তাহে মাত্র পঁয়ত্রিশ ডলার উপার্জনকারী এক তরুণ গীতিকার । বার্লিন গার্স উইনের দক্ষতা লক্ষ্য করে তাঁকে তাঁর সঙ্গীত সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করার জন্য প্রায় ওর তখনকার মাইনের তিন গুণ বেশী দিতে চাইলেন। তাসত্বেও বার্লিন ওকে উপদেশ দিয়ে বললেন, তুমি কাজটা নিওনা। যদি এটা নাও, তুমি হয়ত দ্বিতীয় শ্রেণীর এক বালিন হয়ে উঠবে । কিন্তু তুমি যদি নিজের মত হছে চাও তাহলে তুমি কোনদিন হয়তো প্রথম শ্রেণীর গার্স উইন হতে পারবে।

    গার্স উইন ওই সতর্কতার কথা মেনে নিয়ে ধীরে ধীরে নিজেকে সে সময়কার একজন বিখ্যাত আমেরিকান সঙ্গীত রচয়িতা করে গড়ে তুলেছিলো।

    চার্লি চ্যাপলিন, উইল রোজার্স, মেরী মার্গারেট ম্যাকব্রাইড, জিন অট্রি আর এই রকম লক্ষ লক্ষ মানুষকে আমি এই পরিচ্ছেদে যে শিক্ষা আপনাদের মাথায় ঢোকাতে চাইছি, ঠিক সেইভাবেই শিখতে হয়েছিলো। তাদের সকলকেই কঠিন পথে সব শিখতে হয়–যেভাবে আমাকেও হয়।

    চার্লি চ্যাপলিন যখন প্রথম ছবি বানাতে আরম্ভ করেন, ছবির পরিচালক তাঁকে সে যুগের একজন বিখ্যাত জার্মান হাস্যরসিককে নকল করার কথা বলেন। নিজের মত অভিনয় না করা পর্যন্ত চ্যাপলিন প্রায় দাঁড়াতেই পারেন নি। বব হোপের একই রকম অভিজ্ঞতা হয়–তিনি বহুবছর নাচগানের অভিনয় করেও কোথাও পৌঁছতে পারেন নিশেষ পর্যন্ত সব ঝেড়ে ফেলে নিজের মত হয়ে ওঠার পরেই তার খ্যাতি আসে। উইল রোজার্সেরও অভিজ্ঞতা একই রকম–বহুবছর ঘসার পরেই তাঁর আত্মদর্শন ঘটে, তিনি বোঝেন তার মধ্যে অদ্ভুত হাস্যরসের ভাণ্ডার রয়েছে।

    মেরী মার্গারেট ম্যাকব্রাইড যখন প্রথম বেতারে যোগ দেন তিনি এক আইরিশ কমেডিয়ান হতে চেয়ে ব্যর্থ হন। তারপর যখন তিনি নিজে যা অর্থাৎ মিসৌরীর এক সাধারণ গ্রাম্য মেয়ে বলে পরিচিতি রাখেন–তিনি হয়ে ওঠেন নিউইয়র্কের অন্যতম জনপ্রিয় এক বেতার শিল্পী।

    জিন অট্রি তার টেক্সাস কথার ভঙ্গী পাল্টানোর জন্য চেষ্টা করে শহরে ছেলের মত পোশাকও পরতে শুরু করে। সে দাবী করতে আরম্ভ করেছিলো যে নিউইয়র্ক থেকেই এসেছে। ব্যাপারটা দেখে সবাই আড়ালে হাসাহাসি করতে শুরু করে দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জিন অট্রি তার ব্যাঞ্জো বাজিয়ে কাউবয়দের গান গাইতে আরম্ভ করার পরেই সে হয়ে ওঠে চলচ্চিত্র আর বেতারে অত্যন্ত জনপ্রিয় এক কাউবয়।

    আপনি এবং এ দুনিয়া একটা নতুন কিছুই । এটা ভেবেই খুশী হয়ে উঠুন আর প্রকৃতি যা আপনাকে দিয়েছে তাই যতটা পারেন কাজে লাগান। বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় সমস্ত শিল্প কর্মই আত্মজীবনী মূলক। আপনার নিজের মতই আপনি গাইতে পারেন আর নিজের মত আঁকতে পারেন। আপনাকে হতে হবে আপনার অভিজ্ঞতা, পারিপার্শ্বিকতা আর বংশধারা আপনাকে যা দিয়েছে। খারাপই হোক আর ভালোই হোক আপনার নিজের বাগানের পরিচর্যা আপনাকেই করতে হবে। ভালো বা মন্দ যাই হোক আপনার জীবনের সঙ্গীত ব্যঞ্জনা আপনাকেই বাজিতে যেতে হবে ।

    এমার্সন তার ‘আত্ম–নির্ভরতা’ নামের প্রবন্ধে যেমন লিখেছিলেন : প্রত্যেক মানুষের শিক্ষাজীবনে একটা সময় আসে যখন তার বোধ জাগে, ঈর্ষা হলো অজ্ঞতা, নকল করা হলো আত্মহত্যা আর কে ভালো বা মন্দ হোক এ শিক্ষা গ্রহণ করতেই হবে। সমস্ত পৃথিবী যদিও উদারতায় ভরা তবুও গড়ে ওঠার জন্য যে শস্যের প্রয়োজন সেই শস্যের জন্য পরিশ্রম করা চাইই, চাই চাষ করা । তার মধ্যে মসলা আছে তা প্রকতিতে নতুন আর সে নিজে জানতে না চাইলে বা চেষ্টা না করলে সেও সেটা বুঝতে পারবে না।

    এমার্সন এই ভাবেই তার কথা বলে গেছেন। এছাড়াও ঠিক এমন কথাই আবার কবিতায় লিপিবদ্ধ করে গেছেন কবি ডগলাস ম্যালচ।

    তাঁর কবিতার মূল কথা হল এই রকম :

    তুমি যদি পাহাড়ের বুকে দেবদারু না হতে পারো,
    তবে হয়ে উঠো উপত্যকায় কোন ঝোপ।
    তুমি ঝোপও যদি না হতে পারো,
    তবে হয়ে উঠো এক মুঠো ঘাস।
    যদি দলপতি না হতে পারো।
    হয়ে উঠো কিছু সেনা।
    যদি রাজপথ না হতে পারো।
    হতে চেও কোন সরু পথ।

    আসলে মূল কথাটি হলো আমাদের সকলেরই নিজের মত কিছু করার রয়েছে সেটাকেই কাজে লাগানো চাই।

    আমাদের মনকে তৈরি করে চিন্তাভাবনা ছেড়ে শান্তির পথ আবিষ্কার করতে হলে এই নিয়মটা মেনে চলা চাই :

    অন্যকে নকল করবেন না। নিজেদের আবিষ্কার করে আসুন নিজেদের মতই হয়ে উঠি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }