Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দেবলোকের যৌনজীবন – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. বেদ-পুরাণ এর ইতিবৃত্ত

    এই পুস্তকের প্রবন্ধসমূহ বেদ-পুরাণের ভিত্তিতে রচিত। সেজন্য পাঠকদের বেদ পুরাণ সম্বন্ধে একটা ধারণা থাকা উচিৎ। সেই কারণে বেদ-পুরাণ সম্বন্ধে এখানে কিছু বলছি। নিষ্ঠাবান হিন্দুসমাজের কাছে বেদ-পুরাণ অপেক্ষা পবিত্র জিনিষ আর কিছু নেই। পুরাণগুলি পরে লেখা হয়েছিল, বেদই সকলের আগে রচিত। কিন্তু হিন্দুদের বিশ্বাস বেদ রচিত গ্ৰন্থ নয়, ঋষিগণ কর্তৃক দৃষ্ট বা শ্রুত । সেজন্য বেদকে শ্রুতি বলা হয় । সে যাই হোক, বেদই হচ্ছে মানবজাতির সবচেয়ে প্রাচীন গ্ৰন্থ। মোক্ষমূলর (Maximuller ) তাঁর ঋগ্বেদের অনুবাদের প্রথম খণ্ডের ভূমিকায় বলেছেন যে বেদ হচ্ছে–“the most ancient books in the library of mankind.”

    বেদ সংখ্যায় চারটি — ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুৰ্বেদ ও অথর্ববেদ । এদের মধ্যে ঋগ্বেদই প্ৰধান ও সবচেয়ে প্ৰাচীন । ঋগ্বেদ দশটি মণ্ডলে বিভক্ত । প্রত্যেক মণ্ডলে অনেকগুলি করে সূক্ত আছে। প্রতি সূক্ত আবার অনেকগুলি ঋক বা মন্ত্র নিয়ে রচিত । প্ৰতি সূক্ত হচ্ছে এক বা একাধিক দেবতার উদ্দেশ্যে রচিত স্তুতি ।

    ।। দুই ।।

    ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলি দশটি মণ্ডলে বিভক্ত বলে, ঋগ্বেদকে ‘দশতরী’ বলা হয় । তবে এখন আমরা যাকে ঋগ্বেদ বলি, তা ছাড়া আরও ঋক সংহিতা ছিল। বর্তমান ঋগ্বেদ সংহিতা যে শাখার অন্তর্ভুক্ত, তাকে ‘শাকল’ শাখা বলা হয়। পতঞ্জলি তাঁর মহাভাষ্যে এরূপ একুশটি শাখার উল্লেখ করেছেন ( ‘একবিংশতিধা বার্হ্বচ্যম’ ) । তবে বাকী শাখার সূক্তগুলি লুপ্ত হয়ে গেছে। এখন মাত্র ‘শাকল’ শাখার সূক্তগুলিই জীবিত ।

    উপরে যে দশটি মণ্ডলের কথা বলেছি, সে দশটি মণ্ডল ‘শাকল’ শাখার ঋকসংহিতার । এই দশটি মণ্ডলের সূক্ত-বিন্যাস একই রকমের নয়। প্রথম ও দশম মণ্ডলের প্রতিটির সূক্ত সংখ্যা হচ্ছে ১৯১। বাকী মণ্ডলগুলির সূক্ত সংখ্যা যথাক্রমে—দ্বিতীয় মণ্ডলের ৪৩, তৃতীয় মণ্ডলের ৬২, চতুর্থ মণ্ডলের ৫৮, পঞ্চম মণ্ডলের ৮৭, ষষ্ঠ মণ্ডলের ৭৫, সপ্তম মণ্ডলের ১০৭, অষ্টম মণ্ডলের ৯২ ও নবম মণ্ডলের ১১৪ । আগেই বলেছি যে মোট সূক্ত সংখ্যা হচ্ছে ১০১৭ ৷ শাকল শাখার বিভিন্ন সংস্করণের অষ্টম মণ্ডলে (৮।৪৯-৫৯ ) এগারটি সূক্তকে ‘বালখিল্য’সূক্ত বলা হয় । এই এগারটি সূক্ত নিয়ে মোট সূক্ত সংখ্যা হচ্ছে ১০২৮ । সংখ্যার বিসংগতি ছাড়া মণ্ডলগুলির আরও এক বৈশিষ্ট্য আছে । দ্বিতীয় থেকে সপ্তম মণ্ডল পর্যন্ত সূক্তগুলি এক-একজন বিশেষ ঋষি বা তাদের বংশধরগণের রচিত। যথাক্রমে এই ঋষিগণ হচ্ছেন- গৃৎসমদ, বিশ্বামিত্র, বামদেব, অত্রি, ভরদ্বাজ ও বশিষ্ট । এই ছয়টি মণ্ডল একএকজন বিশেষ ঋষি বা তাঁদের বংশধরগণের রচিত বলে সাহেবরা এগুলিকে ‘ফ্যামিলি বুকস্‌’ বলেন । অষ্টম মণ্ডলটি প্রধানত কম্বগোত্রীয় ঋষিগণ কর্তৃক দৃষ্ট ‘প্রগাথ’ মন্ত্রের সংকলন, আর নবম মণ্ডলটি নানা ঋষিগণ রচিত ‘পবমান-সোম’-এর উদ্দেশ্যে রচিত মন্ত্রসমূহের সমষ্টি । প্ৰথম ও দশম মণ্ডলের স্তোত্রগুলি নানা ঋষির রচিত, এবং এগুলি অপেক্ষাকৃত পরবর্তীকালের সংযোজন বলে পণ্ডিতগণ মনে করেন ।

    ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলি সাধারণতঃ গায়ত্রী ( ২৪ অক্ষর ), উষ্ণিহ ( ২৮ অক্ষর), অনুষ্টুপ (৩২ অক্ষর , বৃহতী ( ৩৬ অক্ষর ), পঙক্তি ( ৪০ অক্ষর ), ত্ৰিষ্টুপ ( ৪৪ অক্ষর ), জগতী ( ৪৮ অক্ষর)–এই সাতটি ছন্দে রচিত ।

    ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলি পরবর্তীকালের সংস্কৃত ভাষায় রচিত নয়। এগুলি আদি আৰ্যভাষায় রচিত । এর বিশেষ নাম হচ্ছে বৈদিক ভাষা । ঋগ্বেদে এমন অনেক শব্দ আছে ( যথা বিশেষ্য পদ ও ক্রিয়াপদ ) যা পরবর্তীকালের সংস্কৃত ভাষায় দেখতে পাওয়া যায় না । তা ছাড়া, পরবর্তীকালে শব্দের মূল আদিম অর্থও পরিবর্তিত হয়েছে। তার জন্য ঋক মন্ত্রগুলির প্রকৃত অর্থ নির্ণয় করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এই অর্থ নির্ণয়ের সমস্যা যাস্ক-কেও বিব্রত করেছিল। তাঁর ‘নিরুক্ত’ এর সাক্ষ্য বহন করে । সাম্প্রতিককালে ইরাণীয়, হিত্তি ও অন্যান্য আর্যভাষার সাহায্যে আমরা একটা মোটামুটি সন্তোষজনক অর্থ নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছি। বৈদিক ভাষার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ইরাণীয় ভাষার । ইরাণীয় ‘আবেস্তা’র অনেক মন্ত্র ধ্বনিপরিবর্তনের সাহায্যে ঋকমন্ত্রে রূপান্তরিত করাও সম্ভবপর হয়েছে ।

    যাস্ক ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলিকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করেছেন-(১) পরোক্ষকৃত, (২) প্ৰত্যক্ষকৃত, ও (৩) আধ্যাত্মিক । দেবতাকে যেখানে পরোক্ষভাবে স্তুত করা হয়েছে ও ক্রিয়াপদ প্রথম পুরুষে ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলিই হচ্ছে পরোক্ষাকৃত মন্ত্র । আর দেবতাকে যেখানে প্ৰত্যক্ষভাবে আহ্বান করা হয়েছে, সেগুলি হচ্ছে প্ৰত্যক্ষাকৃত মন্ত্র । আর যেখানে কোন ঋষি, দেবতার সঙ্গে তদাত্মাপ্রাপ্ত হয়ে উত্তমপুরুষের ক্রিয়াপদের সাহায্যে আত্মস্তুতিতে প্ৰবৃত্ত হয়েছেন, সেগুলি আধ্যাত্মিক মন্ত্র। তবে আধ্যাত্মিক মন্ত্রের সংখ্যা খুবই কম। অবশ্য, এর ব্যতিক্রমও আছে । যেমন দশম মণ্ডলের ৯৫ সূক্তে পুরূরবা ও উর্বশীর কথোপকথন । একে সংবাদ-সূক্ত বলা হয়। অনেক সময় লৌকিক বিষয়বস্তুরও অবতারণা করা হয়েছে । এই শ্রেণীর সূক্তগুলিকে ‘অক্ষসূত্র’ বলা হয় । আবার কোন কোন জায়গায় গম্ভীর দার্শনিকতত্বের অবতারণা করা হয়েছে ; যেমন নাসদীয় মুক্ত ) ( ১০৷১২৯ ) ও পুরুষসূক্ত ( ১০।৯০ ) । আবার, কোন কোন জায়গায় অথর্বন মন্ত্রের ন্যায় শাপ, অভিশাপ ইত্যাদিও দেখা যায় ।

    সমস্ত ঋগ্ধেদখানা বিশ্লেষণ করে পণ্ডিতমহল এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে মন্ত্রগুলি কোন এক বিশেষ সময়ে রচিত হয় নি। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ও কয়েক শতাব্দী ধরে মন্ত্রগুলি রচিত হয়েছিল । এমন কি ঋগ্বেদের মধ্যে এমন অনেক মন্ত্র আছে, যা আৰ্যদের ভারতে আগমনের পূর্বকালের রচিত। দেবতামণ্ডলীর গঠন দেখেও তাই মনে হয়। এ সম্বন্ধে আমি অন্যত্র বিশদ আলোচনা করেছি, সে কারণে এখানে আর তার পুনরাবৃত্তি করছি না । ( লেখকের ‘ডিনামিকস্ অভ্‌ সিনথেসিস ইন হিন্দু কালচার’ দেখুন)।

    ।। তিন ।।

    সামবেদের নামকরণ করা হয়েছে ‘সামন’ শব্দ থেকে । ‘সামন’ শব্দের অর্থ হচ্ছে দেবতার স্তুতির উদ্দেশ্যে গান । তার মানে, সামবেদ হচ্ছে গানের সংকলন বা গানের জন্য ব্যবহৃত ঋকমন্ত্রই সাম । এক কথায়, যজ্ঞ সম্পাদনের জন্য যে সকল ঋক উচ্চারিত না হয়ে, গীত হত, তাদের সমষ্টিই হচ্ছে সামবেদ । ঐতরেয়ব্ৰাহ্মণ অনুযায়ী উদ্গাতা, প্ৰস্তোতা ও প্ৰতিহর্তা—এই তিনজন ঋত্বিকে মিলে সামগান করত ।

    সামবেদের তেরটি শাখা আছে। তার মধ্যে কৌথুমী শাখাই প্ৰসিদ্ধ। এটা উত্তরভারতে প্রচলিত। দক্ষিণ ভারতে প্রচলিত শাখার নাম হচ্ছে রানায়নী শাখা ।

    ।। চার ।।

    যজ্ঞের মন্ত্রকে ‘যজুস’ ( যজ+উসি) বলা হয়। যে বেদে এরূপ মন্ত্র আছে, তাকে যজুৰ্বেদ বলা হয়। এরূপ মন্ত্রের উচ্চারণে কোন চরণ বা অবসান থাকত না । সেজন্য যজুৰ্বেদকে গদ্যগ্ৰন্থ বলা হয়। যজুর্মন্ত্র অধ্বর্য়ু নামক ঋষ্ণিকের দ্বারা অনুঃচ্চস্বরে উচ্চারিত হত ।

    যজুর্বেদের দুইভাগ— কৃষ্ণ ও শুক্ল । এই দুইভাগ সম্বন্ধে একটা উপাখ্যান আছে। প্রথমে বেদব্যাস বৈশাম্পয়নকে যজুৰ্বেদ শিক্ষা দেন । তারপর বৈশাম্পয়ন যাজ্ঞবল্ক্যকে এটা অধ্যায়ন করান । কোন কারণে বৈশাম্পায়ন যাজ্ঞবল্ক্যের ওপর রুষ্ট হয়ে, তাকে অধীত বিদ্যা ত্যাগ করতে বলেন । যাজ্ঞবল্ক্য বমন করে তার অধীত বিদ্যা ত্যাগ করে । তখন বৈশাম্পয়নের অন্য শিষ্যরা তিত্তিরিপক্ষী হয়ে ওই বমনকৃত যজুর্মন্ত্র ভক্ষণ করে । তাদের মলিন বুদ্ধির জন্য এই যজুর্মন্ত্র কৃষ্ণ হয়ে যায় । সে জন্য এর নাম কৃষ্ণ যজুৰ্বেদ বা তৈত্তিরীয় সংহিতা আখ্যা হয়। অনেকে মনে করেন যে শুক্ল যজুৰ্বেদ কুরু-পঞ্চাল দেশে ও কৃষ্ণ যজুৰ্বেদ মিথিলায় প্রচলিত ছিল। সামবেদের ন্যায় যজুর্বেদও যজ্ঞীয় সাহিত্য।

    যজুর্বেদের বিভাগগুলি ক্রিয়ামূলক । এর ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন যজ্ঞক্রিয়ার মন্ত্র ও বিধান আছে । এই সকল বৈদিক যজ্ঞক্রিয়ার অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে –দৰ্শযাগ, পিণ্ডাপিতৃযজ্ঞ, অগ্নিহোত্ৰ, অগ্নিষ্টোম, রাজসূয়, সৌত্রামনী, অগ্নিচয়ণ, অশ্বমেধ, পুরুরমেধ, সর্বমেধ, ও পিতৃমেধ । যজ্ঞে মন্ত্রগুলি বিশুদ্ধভাবে উচ্চারিত হবার জন্য যে নিয়মগুলি প্ৰণীত হয়েছিল, তা থেকে ‘দেববিদ্যা’, ‘ব্রহ্মবিদ্যা’ ও ব্যাকরণের উৎপত্তি হয় । এবং যজ্ঞ সম্পাদনের জন্য যে চিতি তৈরী করা হত, তার নিয়মগুলি থেকে জ্যামিতি শাস্ত্রের উদ্ভব হয় । শুক্র যজুর্বেদের চতুর্দশ অধ্যায়টি উপনিষদ । একে ঈশা উপনিষদ বলা হয় ।

    ।। পাঁচ ।।

    অথর্ববেদ পরে রচিত হয়েছিল। এর ক্রিয়াকলাপাদি ঋক, সাম ও যজুর্বেদের যজ্ঞক্রিয়াদি থেকে পৃথক । সেজন্য মনে হয় আদিতে ঋক, সাম ও যজু –এই তিন বেদ ছিল । কেননা, ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণ ( ৫।৩২)। শতপথব্রাহ্মণ ( ১৷৬।৭৷১৩ ) বৃহদারণ্যক উপনিষদ ( ১।৫।৫ ), ও ছান্দোগ্য উপনিষদ (৩।১৭৷১) প্ৰভৃতি প্ৰাচীন গ্রন্থের অনেক স্থলে মাত্র ঋক, সাম ও যজুবেদের উল্লেখ আছে। প্রাচীন ধর্মসূত্রগুলিতে ও মনুসংহিতাতেও তিনটি বেদেরই উল্লেখ আছে। সেজন্য ঋক, সাম ও যজুৰ্বেদকে ত্রয়ী বলা হয় । অথর্ববেদ পরবর্তী কালের সংযোজন । এতে ঐহিক ফলপ্রদ, শত্রুমারণাদির উপযোগী ক্রিয়াকলাপের মন্ত্রসমূহ আছে। এগুলি সোম যজ্ঞাদিতে অব্যবহার্য । সেজন্যই এর নাম অথর্ব ।

    অথর্ববেদ ২০ কাণ্ডে বিভক্ত । এর সুক্ত সংখ্যা প্ৰথম কাণ্ডে ৩৫, দ্বিতীয় কাণ্ডে ৩৬, তৃতীয় কাণ্ডে ৩১, চতুর্থ কাণ্ডে ৪০, পঞ্চম কাণ্ডে ৩১, ষষ্ঠ কাণ্ডে ১৪২, সপ্তম কাণ্ডে ১১৮, অষ্টম কাণ্ডে ১০, নবম কাণ্ডে ১০, দশম কাণ্ডে ১০, একাদশ কাণ্ডে ১০, দ্বাদশ কাণ্ডে ৫, ত্ৰয়োদশ কাণ্ডে 8, চতুৰ্দশ কাণ্ডে ২, পঞ্চদশ কাণ্ডে ১৮, ষোড়শ কাণ্ডে ৯, সপ্তদশ কাণ্ডে ১, অষ্টাদশ কাণ্ডে ৪, উনবিংশ কাণ্ডে ৭১ ও বিংশ কাণ্ডে ১৪৩, উনবিংশ কাণ্ডটি হচ্ছে অন্যান্য কাণ্ডের পরিশিষ্ট । আর বিংশ কাণ্ডটি ঋগ্বেদ থেকে উদ্ধত সূক্তে পরিপূর্ণ। এই উদ্ধৃতিসমূহ অধিকাংশই ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের সূক্ত । অথর্ববেদের অধিকাংশ অংশই পদ্য, তবে কিছু অংশ গদ্য আছে ।

    ।। ছয় ।।

    এ পর্যন্ত যে বৈদিক সাহিত্যের কথা বলা হল, তাকে সংহিতা বলা হয় । এ ছাড়া, বেদের আরও তিনটা ভাগ আছে যথা (১) ব্ৰাহ্মণ, (২) আরণ্যক, ও (২) উপনিষদ । ব্ৰাহ্মণগ্রন্থগুলির মধ্যে সন্নিবিষ্ট বিষয়বস্তু সমূহ হচ্ছে মন্ত্রের অর্থমীমাংসা, যজ্ঞের অনুষ্ঠান সম্বন্ধে বিস্তীর্ণ বিবরণ ও নানা বিষয়ক উপাখ্যান। ঋগ্বেদের দুইটা প্ৰধান ব্ৰাহ্মণ হচ্ছে- ১) শাঙ্খায়ণ বা কৌষীতকী, ও (২) ঐতরেয় । ব্ৰাহ্মণের যে অংশ অরণ্যে পাঠ করা হত, তাকে ‘আরণ্যক’ বলা হত । শাঙ্খায়ণ বা কৌষীতকী আরণ্যক ১৫টি অধ্যায়ে বিভক্ত। এর তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ অধ্যায়কে কৌষীতকী উপনিষদ বলা হয়। ঐতরেয় ব্ৰাহ্মণে ৪০টি অধ্যায় আছে। এর প্রায় সমগ্ৰ অংশই সোমাযজ্ঞের বিবরণে পূর্ণ। শেষের দশটি অধ্যায়কে অপেক্ষাকৃত আধুনিক মনে করা হয়। এই অংশে ইক্ষাকুবংশীয় রাজা হরিশ্চন্দ্রের কথা আছে । একেবারে শেষের তিনটি অধ্যায়ে কিছু কিছু ঐতিহাসিক বিবরণ আছে, যেমন প্রাচ্যে বিদেহ প্ৰভৃতি জাতিদিগের সাম্রাজ্য, দক্ষিণে ভোজরাজ্য, পশ্চিমে নীচ্য ও অপাচ্য রাজ্য, ও উত্তরে উত্তর কুরু ও উত্তর মদ্রদিগের রাজ্য ও মধ্যদেশে কুরুপঞ্চালদিগের রাজ্য প্রভৃতির উল্লেখ আছে। এ ছাড়া, পরিক্ষীত পুত্ৰ জনমেজয়, মনুপুত্র শার্যার্ত, উগ্ৰসেন পুত্ৰ যুধাংশ্রেষ্ঠি, বিজবন পুত্ৰ সুদাস, দুষ্মন্ত পুত্র ভরত প্ৰভৃতি অনেক রাজার নাম আছে ।

    সামবেদের দুটি প্রধান ব্ৰাহ্মণ হচ্ছে তাণ্ড্য ও ষড়বিংশ । আসলে সামবেদীয় ( কৌসুমী শাখার ) ব্ৰাহ্মণ ৪০ ভাগে বিভক্ত। তার মধ্যে ২৫ ভাগকে তাণ্ড্য বা পঞ্চবিংশ, ৫ ভাগকে ষড়বিংশ, দুইভাগকে মন্ত্রব্ৰাহ্মণ ও ৮ ভাগকে ছান্দোগ্য উপনিষদ বলা হয় । তাণ্ড্য ব্ৰাহ্মণে সোমাযজ্ঞের বিবরণ, ব্রাত্যস্তোমে ব্রাত্যদিগের বিবরণ, নৈমিষারণ্যের যজ্ঞ ও কুরুক্ষেত্রের উল্লেখ আছে। এতে কোশলরাজ পর আত্মার ও বিদেহরাজ নামী সাপ্যের উল্লেখও পাওয়া যায়। ষড়বিংশ ব্ৰাহ্মণে অনেক প্রকার প্রায়শ্চিত্ত বিধান ও দুৰ্দৈব, পীড়া, শস্যনাশ, ভূমিকম্প প্রভৃতি বিপদখণ্ডণ উপযোগী অনুষ্ঠানের কথা আছে। এখানে বলা প্ৰয়োজন যে পঞ্চবিংশ ব্ৰাহ্মণ ও ষড়বিংশ ব্ৰাহ্মণে যে সকল যজ্ঞের বিবরণ আছে, তাদের শ্রৌতযজ্ঞ বলা হয় । মন্ত্রব্রাহ্মণে গৃহস্থের অনুষ্ঠেয় গৃহাক্রিয়ার বিবরণ পাওয়া যায় । ছন্দোগ্য উপনিষদে ওঁ শব্দ, উদ্গীথ, সাম ও পরমব্ৰহ্ম প্ৰভৃতি বিষয়ের আলোচনা পাওয়া যায় । এ ছাড়া, দেবকীনন্দন শ্ৰীকৃষ্ণ, সত্যকাম জাবাল, শ্বেতকেতু আরুনেয়, অশ্বপতি কৈকেয়, শ্বেতকেতুর পিতা উদ্দালক, আরুনি, সনৎকুমার, নারদ প্রভৃতির কথা আছে ।

    কৃষ্ণ যজুৰ্বেদ বা তৈক্তিরীয় ব্রাহ্মণ তিনভাগে বিভক্ত। এর দশটি অধ্যায় বা প্রপাঠক আছে। তার মধ্যে সপ্তম, অষ্টম ও নবম প্রপাঠককে তৈত্তিরীয় উপনিষদ বলা হয়, আর শুক্ল যজুর্বেদের বিস্তীর্ণ ব্ৰাহ্মণের নাম শতপথব্রাহ্মণ । মাধ্যান্দিন শাখার শতপথব্রাহ্মণ ১৪টি কাণ্ডে ও ১০০টি অধ্যায়ে বিভক্ত । সেজন্যই একে শতপথব্রাহ্মণ বলা হয়। ১৪টি কাণ্ডের মধ্যে নয়টি খুব প্ৰাচীন । দশমটিতে অগ্নিরহস্য ও একাদশে অগ্নিচয়নের কথা আছে । ত্রয়োদশে অশ্বমেধ ও নরমেধ-এর কথা আছে । এই কাণ্ডে দুষ্মন্ত ও শকুন্তলার পুত্র ভরত, ভারতদিগের রাজা সাত্রোজিত ও তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কাশীরাজ ধৃতরাষ্ট্র, পরীক্ষিতের পুত্র জনমেজয় ও তাঁর ভ্ৰাতা ভীমসেন, উগ্ৰসেন ও শ্রুতসেন প্ৰভৃতি রাজাদের কথা আছে । শতপথব্রাহ্মণের চতুৰ্দশ কাণ্ডকে আরণ্যক বলা হয়। এরই শেষের ছয় অধ্যায় বৃহদারণ্যক উপনিষদ। এতে আলোচিত হয়েছে সৃষ্টিকর্তা ও সৃষ্টি, গার্গ্য, বালাকি ও কাশীর রাজা অজাতশত্রুর কথা, বিদেহরাজ জনকের কথা, গাৰ্গ বাচক নবীর কথা, যাজ্ঞবল্ক্য ও মৈত্রেয়ীর কথা, উদ্যালক আরুণির কথা, ও পরম ব্ৰহ্ম, পরমাত্মা, ব্ৰহ্ম ও প্ৰজাপতি, বেদত্ৰয় ও গায়ত্রী সম্বন্ধে ।

    অথর্ববেদের ব্ৰাহ্মণের নাম গোপথ ব্ৰাহ্মণ । এতে এগারটি অধ্যায় বা প্ৰপাঠক আছে । শতপথব্ৰাহ্মণে যে সকল উপাখ্যান বিবৃত হয়েছে, তা গোপথব্ৰাহ্মণেও দেখতে পাওয়া যায় ।

    আগেই বলেছি যে উপনিষদগুলি হচ্ছে দার্শনিক গ্রন্থ । এগুলি প্ৰধানত পরমব্রহ্মের আলোচনাতেই পরিপূর্ণ। অথর্ববেদের উপনিষদগুলি নানারূপ সাম্প্রদায়িক বিতর্কে পরিপূর্ণ। উপনিষদগুলির এক সময় সংখ্যা ছিল অনেক । তবে বর্তমানে ১২টি উপনিষদই প্ৰধান বলে গণ্য হয় । এগুলি হচ্ছে –(১) ঋগ্বেদের কৌষীতকী ও ঐতরেয়, (২) সামবেদের ছন্দোগ্য ও কেন, (৩) কৃষ্ণ যজুর্বেদের তৈত্তিরীয়, কঠ ও শ্বেতাশ্বতর, (৪) শুক্ল যজুর্বেদের বৃহদারণ্যক ও ঈশা, ও (৫) অথর্ববেদের প্রশ্ন, মুণ্ডক ও মাণ্ডুক্য ।

    ।। সাত ।।

    আগেই বলেছি যে বেদকে শ্রুতি বলা হয় । তার কারণ বেদ গোড়ায় মুখে মুখে উচ্চারিত হত। পরেকার সাহিত্য সূত্রাকারে রচিত হয়েছিল । সূত্র সমূহের অন্যতম হচ্ছে পাণিনীয় জগৎ বিখ্যাত ব্যাকরণ সূত্র । আচার ব্যবহার ও রীতিনীতির জন্য রচিত হয়েছিল ধর্ম সূত্রসমূহ।

    এই সময় আৰ্যসভ্যতার বিরুদ্ধে এক অবরোধ গঠন করেন। গৌতম বুদ্ধ। বুদ্ধপ্রবর্তিত ও প্রচারিত ধর্ম ভারতের সাংস্কৃতির ক্ষেত্রে এক বিপ্লব ঘটায়। মোটামুটিভাবে এই বিপ্লব গুপ্তসম্রাটগণের অভ্যুদয় কাল ( খ্ৰীষ্টীয় চতুর্থ শতাব্দী) পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এই বিপ্লবের প্রকোপে ব্যয়সাধ্য যজ্ঞের আড়ম্বর ও অনুষ্ঠানসমূহ ক্রমশ হ্রাস পায় । গুপ্তসম্রাটগণের আমলে ব্ৰাহ্মণ্যধর্মের পূর্ণপ্রতিষ্ঠা হয়, কিন্তু ব্যায়সাপেক্ষ যাগযজ্ঞাদির পরিবর্তে স্বল্পখরচে কৃত পূজাদির প্রবর্তন হয়। এই সময় লৌকিক দেবতাসমূহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাদের মাহাত্ম্য কীর্তিত হয় পুৰাণসমূহে ।

    ।। আট ।।

    বেদোত্তর যুগের প্রাচীন সাহিত্য হচ্ছে পুরাণসমূহ । পুরাণসমূহে আছে ইতিহাস, কাহিনী, উপকথা ও বিভিন্ন দেবতাদের কথা । যদিও এগুলি বেদোত্তর যুগে রচিত হয়েছিল, তাহলেও এরূপ চিন্তা করবার যথেষ্ট কারণ আছে যে পৌরাণিক কাহিনীসমূহ, অতি প্ৰাচীনকালের। পুরাভবম্‌ ইতি পুরাণম্‌ –এই বচন থেকেও এটা সমর্থিত হয়।

    পুরাণগুলি সংখ্যায় বহু ৷ তবে তাদের মধ্যে আঠারটি পুরাণকে মহাপুরাণ বলা হয়। বিষ্ণুপুরাণ অনুযায়ী এই আঠারটি মহাপুরাণ হচ্ছে – (১) ব্ৰহ্ম, (২) পদ্ম, (৩) বিষ্ণু, (৪) শিব, (৬) ভাগবত, (৬) নারদ, (৭) মার্কণ্ডেয়, (৮) অগ্নি, (৯) ভবিষ্য, (১০) ব্ৰহ্মবৈবর্ত, (১১) লিঙ্গ, (১২) বরাহ, (১) স্কন্দ. (১৪) বামণ, (১৫) কুৰ্ম, (১৬), মৎস্য, (১৭) গরুড় ও (১৮) ব্ৰহ্মাণ্ড । উপপুরাণগুলির মধ্যে প্রধান হচ্ছে- (১) দেবীভাগবত, (২) কালিকাপুরাণ ও (৩) বিষ্ণুধর্মেত্তিরপুরাণ । মহাপুরাণগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড় হচ্ছে স্কন্দপুরাণ। এতে ৮১,৮০০ শ্লোক আছে। এটা মহাভারতের চেয়েও বড়। আর উপপুরাণগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড় হচ্ছে বিষ্ণুধর্মোত্তরপুরাণ ।

    অমরকোষ অনুযায়ী পুরাণগুলি পঞ্চলক্ষণযুক্ত। এই লক্ষণগুলি যথাক্রমে – (১) সৰ্গ ( সৃষ্টি ), (২) প্ৰতিসৰ্গা ( প্ৰলয়ের পর নবসৃষ্টি ), (৩) বংশ ( দেবতা ও ঋষিগণের বংশতালিকা ), (৪) মন্বন্তর ( চতুৰ্দশ মনুর শাসন বিবরণ ) ও (৫) বংশানুচরিত ( রাজগণের বংশাবলী ) । তবে ভাগবত ও ব্ৰহ্মবৈবর্তপুরাণের লক্ষণ দশটি-যথা (১) সৰ্গ, (১) বিসর্গ, (৩) বৃত্তি, (৪) রক্ষা, (৫) অন্তর, (৬) বংশ, (৭) বংশানুচরিত, (৮) সংস্থা, (৯) হেতু ও (১০) অপাশ্রয়। মৎস্যপুরাণে একাদশ লক্ষণের কথা বলা হয়েছে । সেখানে বলা হয়েছে যে প্ৰাগোক্ত পঞ্চলক্ষণ ছাড়া পুরাণের আরও লক্ষণ হচ্ছে–(৬) ভূবন বিস্তার, (৭) দানধৰ্মবিধি, (৮) শ্ৰাদ্ধকল্প, (৯) বৰ্ণাশ্রম বিভাগ, (১০) ইষ্টাপূর্ত ও (১১) দেবতা প্রতিষ্ঠা ।

    সমস্ত পুরাণগুলিকেই বেদব্যাসের রচিত বলা হয়। এদের প্রবক্তা হচ্ছেন লোমহর্ষণ পুত্ৰ উগ্রশবা । উগ্রশবা এর প্রচার করেন নৈমিষারণ্যে ! মহাভারতের ন্যায় পুরাণগুলিকে ‘জয়’ নামে অভিহিত করা হয়।

    উনিশ শতকে জীবানন্দ বিদ্যাসাগরই প্রথম পুরাণগুলি মুদ্রিত করেন । পরে বঙ্গবাসী প্রেস বঙ্গানুবাদ সহ পুরাণগুলি প্ৰকাশ করে। বর্তমানে বোম্বাইয়ের বেঙ্গকটেশ্বর প্রেস ও কলকাতার আর্যশাস্ত্ৰ কাৰ্য্যালয় পুরাণগুলি আবার প্রকাশ করছে ।

    সত্ত্ব, তম ও রজাগুণ অনুসারে পুরাণগুলিকে তিনভাগে ভাগ করা হয় । বিষ্ণু, নারদ, ভাগবত, গরুড়, পদ্ম ও বরাহ সত্ত্বগুণ বিশিষ্ট পুরাণ । মৎস্য, কুৰ্ম, লিঙ্গ, স্কন্দ ও অগ্নি তমোগুণ বিশিষ্ট পুরাণ। আর ব্রহ্মা, ব্ৰহ্মাণ্ড, ব্ৰহ্মবৈবর্ত, মার্কণ্ডেয়, ভবিষ্য ও বামন রজ গুণ বিশিষ্ট পুরাণ ।

    পুরাণগুলির মধ্যে অগ্নিপুরাণে এত প্রকীর্ণ বিষয়ের সমাবেশ আছে যে একে একখানা বিশ্বকোষ বলা যেতে পারে । এতে আছে প্ৰতিমালক্ষ্মণ, রত্নপরীক্ষা, মন্দির প্রতিষ্ঠা, বাস্তুণাস্ত্র, হস্তী ও অশ্বাচিকিৎসা আয়ুৰ্বেদ, নাটক, অভিনয়, রসাদি নিরূপণ, অলঙ্কার, বিচার, ব্যাকরণ ও অভিধান । এতে বিষ্ণু, লিঙ্গ, দুর্গা, গণেশ, সূর্য প্রভৃতি দেবতার পূজা, তান্ত্রিক অনুষ্ঠান, দেবতার মূর্তি নিৰ্মাণ ও প্রতিষ্ঠা, বিবাহানুষ্ঠান, অন্তেষ্টিপদ্ধতি প্ৰভৃতির কথা ছাড়া, মৃত্যু ও জন্মান্তরবাদ, সৃষ্টিতত্ত্ব, ভূগোল, বংশানুকীর্তন প্ৰভৃতি বিশুদ্ধ পৌরাণিক বিষয়েরও বিবরণ আছে । আরও যে সব বিষয় এতে আলোচিত হয়েছে, তার মধ্যে আছে জ্যোতিষ শাকুন বিদ্যা, গৃহনির্মাণ, রাজনীতি, যুদ্ধ বিদ্যা, চিকিৎসা, ছন্দ, কাব্য ইত্যাদি । অনুরুপভাবে বিশ্বকোষের সামিল হচ্ছে স্কন্দপুরাণ । আগেই বলেছি যে এতে ৮১৮০ ০ শ্লোক আছে। এতে স্কন্দ বা শড়াননের ঘটনাবলী বিবৃত হয়েছে। ব্ৰহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, কাশী, আবন্তী, নাগর ও প্রভাস এই সাত খণ্ডে বিভক্ত। এই পুরাণখনি যে অতি আধুনিক পুরাণ সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই, কেননা সত্যনারায়ণের ব্রত কথাও এতে আছে।

    ব্ৰহ্মপুরাণকে আদিপুরাণ বলা হয়। তার কারণ হিন্দুর বিশ্বাস এই পুরাণই প্রথম রচিত হয়েছিল। এই পুরাণে সৃষ্টিতত্ত্ব, দেবতা ও অসুরগণের জন্ম, সূর্য ও চন্দ্ৰ বংশের বিবরণ, বিশ্ববৰ্ণনা, দ্বীপ ও বর্ষ, স্বর্গ, নরক ও পাতালদির বিবরণ, শ্ৰীকৃষ্ণের জীবন চরিত ও যোগশাস্ত্রের ব্যাখ্যা আছে। আবার অনেকের মতে ব্ৰহ্মপুরাণ নয়, আদিপুরাণ হচ্ছে বায়ুপুরাণ। বানভট্ট এই আদি পুরানের উল্লেখ করেছেন । গয়াশ্রাদ্ধ ও গয়ামাহাত্ম্য এই পুরাণের অন্তৰ্গত । বায়ুপুরাণের চারটি পাদ যথা প্রক্রিয়া, অনুষঙ্গ, উপোদখাত ও উপসংহার।

    পুরাণসমূহের পঞ্চলক্ষণ বিশুদ্ধভাবে দেখতে পাওয়া যায় বিষ্ণুপুরাণে । সাহেবরা এর ঐতিহাসিক মূল্যও স্বীকার করেছেন । এটা পঞ্চরাত্র বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের অন্যতম মূল গ্ৰন্থ । আচার্য রামানুজও এর প্রামাণ্য স্বীকার করেছেন । এটা ছয়ভাগে বিভক্ত, যথা (১) বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর উৎপত্তি, ধ্রুব চরিত্র, প্ৰহলাদ চরিত্র ইত্যাদি আখ্যান, (২) পৃথিবী, সপ্তদ্বীপ, সপ্তসমুদ্র ; (৩) ব্যাস কর্তৃক বেদবিভাগ, শাখা বিভাগ, আশ্রম ধর্ম ইত্যাদি ; (৪) সূর্য ও চন্দ্ৰবংশ এবং রাজবংশের বর্ণনা , (৫) কৃষ্ণচরিত্র, বৃন্দাবন লীলা, রাসলীলা ইত্যাদি ; (৬) বিষ্ণুভক্তি, যোগ ও মুক্তির কথা ।

    অন্যান্য পুরাণে অন্যান্য দেবতার মহাত্ম্য বিবৃত হয়েছে। পদ্মপুরাণ বৈষ্ণবপুরাণ | পদ্মপুরাণে ৫৫,০০০ শ্লোক আছে । পাঁচখণ্ডে এই পুরাণ বিভক্ত, যথা সৃষ্টিখণ্ড, ভূমিখণ্ড, স্বৰ্গখণ্ড, পাতালখণ্ড ও উত্তরখণ্ড । এতে যে সব বিষয় বিবৃত হয়েছে, তা হচ্ছে–সৃষ্টির আদিক্রম, তারকাসুরের উপাখ্যান, গো মাহাত্ম্য, বৃত্ৰবধ, পৃথুচরিত, বেণুরাজার উপাখ্যান, নহুষ ও যযাতির কাহিনী, ব্রহ্মখণ্ডের উৎপত্তি, কুরুক্ষেত্রাদি তীর্থ বিবরণ, কাশী, গয়া, প্ৰয়াগ প্ৰভৃতির মাহাত্ম্য কীর্তন, কর্মযোগ নিরুপণ, অগস্তাদি ঋষির আগমন, রাবণোপাখ্যান, জগন্নাথের বিবরণ, কৃষ্ণের নিত্যলীলা কথন, দধীচির উপাখ্যান, শিব মাহাত্ম্য, ব্ৰতমাহাত্ম্য, নৃসিংহ উৎপত্তি, জম্বুদ্বীপের অন্তর্গত তীৰ্থসমূহের মাহাত্মা, ভাগবত মাহাত্ম্য, অবতারাদির বিবরণ ইত্যাদি ।

    নারদপুরাণে শিব ও বিষ্ণু মাহাত্ম্য, বৈষ্ণব ধর্ম ও বৈষ্ণব আচরণ, ও তীর্থপ্রসঙ্গ আছে। ভবিষ্যপুরাণে সূর্য পূজার বিস্তৃত ইতিহাস আছে । ব্ৰহ্মবৈবর্তপুরাণ কৃষ্ণলীলাত্মক । লিঙ্গপুরাণ শৈবপুরাণ। বরাহ বৈষ্ণবপুরাণ। বামুনপুরাণে শিব ও বিষ্ণুর উভয়েরই মাহাত্ম্য বিবৃত হয়েছে। মার্কণ্ডেয় পু্রাণে সুপ্ৰসিদ্ধ দেবীমাহাত্ম্য বা সপ্তশতী চণ্ডীর স্তোত্র আছে । তা ছাড়া, এতে আছে বশিষ্ট ও বিশ্বামিত্রের কলহ, দুর্গ কথা, শ্ৰীকৃষ্ণের বাল্যাবস্থা কথন, হরিশ্চন্দ্রের উপাখ্যান, মদালসার উপাখ্যান, রুদ্রাদি সৃষ্টি, মার্কণ্ডের জন্ম, ইক্ষাকুচরিত, রামচন্দ্রের উপাখ্যান, পুরূরিবার উপাখ্যান ইত্যাদি। গরুড়পুরাণ বৈষ্ণবপুরাণ। কুর্ম ও ব্ৰহ্মাণ্ড প্রাচীন পুরাণ । মৎস্যপুরাণে সমুদয় পুরাণের একটা অনুক্রমনী দেওয়া আছে। উপপুরাণগুলির মধ্যে দেবীভাগবত শক্তিগণের কাছে মহাপুরাণ হিসাবে পরিগণিত হয়। বর্তমান দুর্গাপূজা কালিকাপুরাণ অনুযায়ী হয় । সমুদয় উপপুরাণের মধ্যে সবচেয়ে বড় হচ্ছে বিষ্ণুধর্মোত্তরপুরাণ। এর প্রথম খণ্ডে সৃষ্টি প্রকরণ, বংশ তালিকা ও উপাখ্যানাদির সঙ্গে কাশ্মীর ও গান্ধার দেশের ভৌগলিক বিবরণ আছে । দ্বিতীয় খণ্ডে নীতি ও ধর্মশাস্ত্র, আয়ুৰ্বেদ ও জ্যোতিষ, তৃতীয় খণ্ডে ব্যাকরণ, অভিধান, ছন্দ, অলঙ্কার, নৃত্যগীত, স্থাপত্য, প্ৰতিমানির্মাণ ও চিত্রকলার কথা ব্যাখ্যাত আছে ।

    স্থানে স্থানে অসংগতি থাকলেও পুরাণগুলির ঐতিহাসিক মূল্য যথেষ্ট ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচোদ্দ শতকের বাঙালী – অতুল সুর
    Next Article ভারতের বিবাহের ইতিহাস – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }