Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দেবলোকের যৌনজীবন – অতুল সুর

    লেখক এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. দেবদেবীদের ব্যভিচার

    আগেই বলা হয়েছে যে দেবসমাজের পরিমণ্ডলটা মানুষ তার নিজ সমাজের প্রতিচ্ছবিতেই কল্পনা করেছিল । সেজন্য মনুষ্যসমাজে যেমন অজাচার ও ব্যভিচারের প্রচলন ছিল, দেবসমাজেও তাই ছিল । পৌরাণিক যুগে ব্ৰহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর, এই তিন দেবতা সব দেবতার উচ্চে স্থান পেয়েছিল। বেদে কিংবা ব্ৰাহ্মণে কিন্তু ব্ৰহ্মার নাম পাওয়া যায় না। পৌরাণিক যুগে ব্ৰহ্মাই ছিলেন সৃষ্টি কর্তা । বেদে ও ব্ৰাহ্মণে সৃষ্টিকর্তাকে হিরণ্যগৰ্ভ প্ৰজাপতি বলা হয়েছে। তা থেকে মনে হয় ব্ৰহ্মা ছিলেন বৈদিক যুগের প্রজাপতিরই পরবর্তীকালের রূপ। পুরাণে সরস্বতীকে ব্ৰহ্মার স্ত্রী বলা হয়েছে। শতরূপ ব্ৰহ্মার কন্যা । কিন্তু ব্ৰহ্মা নিজ কন্যার রূপে মুগ্ধ হয়ে তার সঙ্গে অজাচারে লিপ্ত হন । এই অজাচারের ফলে শতরূপার গর্ভে স্বায়ভুব মনুর জন্ম হয়। অন্য কাহিনী অনুযায়ী শতরূপ ব্ৰহ্মার স্ত্রী, মনুর মাতা নন । আর এক কাহিনী অনুযায়ী ব্ৰহ্মা নিজেকে দুই অংশে বিভক্ত করেন-নর ও নারী । এদের সঙ্গমের ফলে মনুর জন্ম হয় । আর নারীকে সাবিত্রী বলা হয় । পুরাণে আছে ব্ৰহ্মা প্ৰথম নয়জন মানসপুত্র সৃষ্টি করেন । তারপর এক কন্যা সৃষ্টি করেন । এই কন্যারই নাম শতরূপা । শতরূপ। নানা নামে পরিচিত – শতরূপা, সাবিত্রী, গায়ত্রী, সরস্বতী ও ব্রাহ্মণী । ব্ৰহ্মা এই কন্যার রূপে মুগ্ধ হয়ে একেই বিবাহ করেন। এই কন্যারই গর্ভ হতে স্বায়ভুব মনুর জন্ম হয়। আবার বলা হয়েছে স্বায়ম্ভূব মনু হতে শতরূপার গর্ভে প্রিয়ব্রত ও উত্তানপাদ নামে দুইপুত্র ও কাকুতি ও প্রসূতি নামে দুই কন্যা জন্ম গ্রহণ করে । তাদের পুত্রকন্যা থেকেই মনুষ্যজাতির উদ্ভব হয় । বিভিন্ন কাহিনীগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে অজাচারের মধ্য দিয়েই মনুষ্য সমাজের সৃষ্টি হয়েছিল । মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যেও ব্ৰহ্মাকে কামুক দেবতা হিসাবে চিত্রিত করা হয়েছে। সেখানে ব্ৰহ্মা গোপকন্যার গায়ে গা লাগিয়ে উপবিষ্ট হয়ে আছেন।

    যদিও বেদে এসব কাহিনী নেই, তা হলেও বেদে অজাচারের একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। প্ৰথমেই ঊষার কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। ঋগ্বেদের কুড়িটা সুক্তে ঊষা স্তুত হয়েছেন । তিনি প্ৰজাপতির কন্যা, কাঞ্চনবর্ণা ও সূর্যের ভগিনী। তিনি বক্ষদেশ উন্মুক্ত রাখতেন। ব্ৰহ্মার ন্যায় প্রজাপতিও ছিলেন একজন কামুক দেবতা । কৃষ্ণ যজুৰ্বেদের মৈত্ৰায়নিসংহিতা ( ৪।১।২২) অনুযায়ী প্ৰজাপতি নিজ কন্যা ঊষাতে উপগত হয়েছিলেন । ঊষা মৃগীরূপ ধারণ করেছিল । প্ৰজাপতিও মৃগরূপ ধারণ করে তার সঙ্গে সঙ্গম করেছিল । পিতা প্ৰজাপতি চন্দ্রের সঙ্গে ঊষার বিবাহ দেবেন ঠিক করেছিলেন । কিন্তু তার বিবাহের খবর পেয়ে অগ্নি, সূর্য, ইন্দ্র ও আশ্বিনীদ্বয় সকলেই তার পাণিপ্রার্থী হয়ে হাজির হন । প্ৰজাপতি তখন ঘোষণা করেন যে, তাদের মধ্যে অনন্ত আকাশ পথ অনুধাবনে যিনি সমর্থ হবেন, তারই হাতে তিনি ঊষাকে সমৰ্পণ করবেন। একথা শুনে অগ্নি, ইন্দ্র ও সূর্য আজীবন এই অনুধাবনের জন্য চেষ্টা করেন, কিন্তু তাদের সব চেষ্টা ব্যার্থ হয় । একমাত্র অশ্বিনীদ্বয়ই সমর্থ হন । কিন্তু এরা সূর্যের অনুচর বলে, সূর্যের প্রীতিকামনায় ঊষাকে প্ৰতিগ্রহ করেন না । তার ফলে সূৰ্যই ঊষাকে বরণ করে নেন।

    ৷৷ দুই ।।

    অপর এক কাহিনী হচ্ছে। যম-যমীর কাহিনী। ঋগ্বেদ অনুযায়ী তারা বিবস্বান ও সরন্যুর সন্তান ও যমজ ভ্ৰাতা ও ভগিনী । যমী যমের সঙ্গে সঙ্গম আকাঙ্খা করেন, কিন্তু যম তা প্ৰত্যাখ্যান করেন । ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের দশম সুক্তে এ কাহিনীটা আছে । সেখানে যমী যমকে বলছে —‘বিস্তীর্ণ সমূদ্রমধ্যবর্তী এ দ্বীপে এসে এ নির্জন প্রদেশে তোমার সহবাসের জন্য আমি অভিলাষিনী, কারণ গর্ভাবস্থা অবধি তুমি আমার সহচর । বিধাতা মনে মনে চিন্তা করে রেখেছেন যে তোমার ঔরসে আমার গর্ভে আমাদের পিতার এক সুন্দরনপ্তা (নাতি) জন্মিবে।’ যম তার উত্তরে বলছে–‘তোমার গর্ভসহচর তোমার সাথে এ প্ৰকার সম্পর্ক কামনা করে না। যেহেতু তুমি সহোদর ভগিনী, তুমি অগম্যা ।’ যমী তার উত্তরে বলছে—’যদিচ কেবল মানুষের পক্ষে এ প্রকার সংসৰ্গ নিষিদ্ধ, তথাপি দেবতারা এরূপ সংসর্গ ইচ্ছাপূর্বক করে থাকেন। অতএব আমার যেরূপ ইচ্ছা হচ্ছে, তুমিও তদ্রুপ ইচ্ছা কর । তুমি আমার প্রতি অভিলাষযুক্ত হও, এস একস্থানে উভয়ে শয়ন করি । পত্নী যেমন পতির নিকট তদ্রুপ আমি তোমার নিকট নিজ দেহ সমৰ্পণ করে দিই।’ যমের উক্তি – ‘তোমার ভ্রাতার এরূপ অভিলাষ নেই ।’ উত্তরে যমী বলছে– ‘তুমি নিতান্ত দুর্বল পুরুষ দেখছি।’ ( ঋগ্বেদ ১০।১০।৭-১৪)

    ।।তিন ।।

    ইন্দ্র দেবলোকের রাজা । ইন্দ্ৰ ইন্দ্ৰিয়াদোষে দুষ্ট । রামায়ণ অনুযায়ী ইন্দ্ৰ গৌতম ঋষির স্ত্রী অহল্যার সতীত্ব নাশ করেছিলেন । অহল্যা ছিলেন ব্ৰহ্মার মানসী কন্যা ও শতানন্দের জননী ৷ অহল্যার সৌন্দর্যের মধ্যে বিন্দুমাত্র ‘হল’ বা বিরূপতা ছিল না । সেজন্যই ব্ৰহ্মা তার নাম দিয়েছিলেন অহল্যা । তিনি বহুদিন অহল্যাকে সংযমচিত্ত গৌতম ঋষির কাছে রেখেছিলেন । গৌতম যখন তাকে পবিত্র ও নিষ্কলঙ্ক অবস্থায় ব্ৰহ্মার কাছে ফিরিয়ে দেন তখন ব্ৰহ্মা সন্তুষ্ট হয়ে গৌতমের সঙ্গে অহল্যার বিবাহ দেন । এতে ইন্দ্র ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠেন, কেননা ইন্দ্র ভেবেছিলেন, এই অপূর্ব সুন্দরী নারী তারই প্ৰাপ্য। একদিন গৌতম স্নান করবার জন্য আশ্রমের বাহিরে গেলে ইন্দ্ৰ গৌতমের রূপ ধরে অহল্যার কাছে আসেন ও তার সঙ্গম প্রার্থনা করেন । অহল্যা ইন্দ্ৰকে চিনতে পেরেও সেই সময় কামার্তা ছিলেন বলে দুর্মতি বশত তাঁর সঙ্গে সঙ্গমে রত হয়। ইতিমধ্যে গৌতম এসে উপস্থিত হন এবং ক্রুদ্ধ হয়ে ইন্দ্রকে অভিশাপ দেন যে ইন্দ্র নপুংসক হবেন । সঙ্গে সঙ্গে ইন্দ্রের অণ্ড খসে পড়ে । কিন্তু ইন্দ্র দেবতাদের কাছে নিজের দুৰ্দশার কথা বললে, দেবতারা মেষাণ্ড উৎপাটিত করে ইন্দ্রের দেহে সংযুক্ত করেন। (ইন্দ্রের এই দুৰ্গতির কারণ সম্পর্কে আগের অধ্যায় দ্রষ্টব্য)।

    ইন্দ্র একবার বৃষণশ্চ রাজার কন্যা মেনা অভিমুখী হয়েছিলেন । পরে মেনাকে প্ৰাপ্তযৌবন দেখে ইন্দ্ৰ স্বয়ং তার সাথে সহবাস অভিলাষ করেছিলেন । ( ঋগ্বেদ ১৷৫২৷১৩ সম্বন্ধে সায়ণ ভাষ্য দেখুন) ।

    ।। চার ।।

    বৈদিকযুগে ইন্দ্র যেমন শ্রেষ্ঠ দেবতা, পৌরাণিক যুগে বিষ্ণু তেমনই সর্বশ্রেষ্ঠ দেবতা। বিষ্ণুও ব্যভিচার দোষ থেকে মুক্ত নন। বিষ্ণুর ব্যভিচার সম্বন্ধে দু’টা কাহিনী বিবৃত আছে। একটা হচ্ছে জলন্ধরের স্ত্রী বৃন্দা সম্বন্ধে আর একটা শঙ্খচূড়ের স্ত্রী তুলসী সম্বন্ধে। প্রথমেই বলছি তুলসীর কথা । তুলসী রাধিকার সহচরী। একদিন গোলোকে কৃষ্ণের সঙ্গে তাকে ক্রীড়ারত দেখে, রাধিকা তুলসীকে অভিশাপ দেন যে সে মানবীরূপে জন্মগ্রহণ করবে । কিন্তু কৃষ্ণ তুলসীকে সান্তনা দিয়ে বলেন, তুমি দুঃখিত হয়ে না, কেননা তপস্যা দ্বারা তুমি আমার এক অংশ পাবে। তুলসী ধৰ্মধ্বজ রাজার স্ত্রী মাধবীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করে ব্ৰহ্মার তপস্যায় রত হন । ব্ৰহ্মা তার তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে, তাকে বর চাইতে বলেন । তুলসী বলে, তিনি নারায়ণকে স্বামীরূপে পেতে চান । ব্ৰহ্মা বলেন, কৃষ্ণের অঙ্গসম্ভুত সুদাম দানবগৃহে শঙ্খচূড় নামে জন্মগ্রহণ করেছে। তুমি তার স্ত্রী হবে, এবং পরে নারায়ণের পাশে বৃক্ষরূপে জন্মগ্রহণ করবে। তোমাকে না হলে নারায়ণের পূজাই হবে না। যথা সময় শঙ্খচূড়ের সঙ্গে তুলসীর বিবাহ হয়। শঙ্খচূড়ের বর ছিল যে তার স্ত্রীর সতীত্ব নষ্ট না হলে, তার মৃত্যু হবে না। শঙ্খচূড়ের অত্যাচার ও উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে দেবতারা ব্ৰহ্মা ও শিবের সঙ্গে নারায়ণের কাছে যায়। নারায়ণ বলেন, শিব শঙ্খচূড়ের সঙ্গে যুদ্ধে রত হলে, তিনি তুলসীর সতীত্ব নষ্ট করবেন। যুদ্ধের সময় নারায়ণ শঙ্খচূড়ের রূপধারণ করে, তুলসীর সতীত্ব নষ্ট করে। তখন শিবের হাতে শঙ্খচূড় নিহত হয় । নারায়ণ ছদ্মবেশে তার সতীত্ব নষ্ট করেছে জানতে পেরে, তুলসী নারায়ণকে অভিশাপ দেয়, ‘আজ থেকে তুমি পাষাণে পরিণত হও!’ সেই থেকে নারায়ণ শিলারূপে অবস্থিত হয়ে সর্বদা তুলসীযুক্ত হয়ে থাকেন । এটা ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণের কাহিনী। পদ্মপুরাণের কাহিনী অনুযায়ী তুলসী জলন্ধর নামে এক অসুরের স্ত্রী বৃন্দা। শিবের সঙ্গে জলন্ধরের যুদ্ধ হয়। বৃন্দা স্বামীর প্রাণরক্ষার জন্য বিষ্ণুপূজায় প্ৰবৃত্ত হয়। তখন বিষ্ণু জলন্ধরের রূপ ধারণ করে বৃন্দার সামনে এসে উপস্থিত হন । স্বামীকে অক্ষত দেহে ফিরে আসতে দেখে, বৃন্দা পূজা অসমাপ্ত রেখে উঠে পড়ে । তাতেই জলন্ধরের মৃত্যু হয়। বৃন্দা বিষ্ণুকে অভিশাপ দিতে উদ্যত হলে, বিষ্ণু ভীত হয়ে বৃন্দাকে বলে, তুমি সহমৃতা হও, তোমার ভস্ম থেকে ( অন্য মতে কেশ থেকে ) তুলসী বৃক্ষ উৎপন্ন হবে, এবং তুমি লক্ষ্মীর ন্যায় আমার প্রিয় হবে । তোমা ব্যতীত নারায়ণের পূজা হবে না।

    দেবলোকের খুব চাঞ্চল্যকর ব্যভিচার হচ্ছে দেবগুরু বৃহস্পতির স্ত্রী তারার সঙ্গে চন্দ্রের ব্যভিচার । তারার রূপলাবণ্যে মুগ্ধ হয়ে চন্দ্র একবার তারাকে হরণ করে। এই ঘটনায় বৃহস্পতি ক্রুদ্ধ হয়ে চন্দ্ৰকে শাস্তি দেবার জন্য দেবতাদের সাহায্য প্রার্থনা করে । তারাকে ফেরত দেবার জন্য দেবতা ও ঋষিগণ চন্দ্ৰকে অনুরোধ করে । চন্দ্ৰ তারাকে ফেরত দিতে অরাজী হয়, এবং দৈত্যগুরু শুক্রাচার্যের সাহায্য প্রার্থনা করে। রুদ্রদেব বৃহস্পতির পক্ষ নিয়ে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন । দেবাসুরের মধ্যে এক ভীষণ যুদ্ধের আশঙ্কায় ব্ৰহ্মা মধ্যস্থ হয়ে বিবাদ মিটিয়ে দেন। চন্দ্র তারাকে বৃহস্পতির হাতে প্রত্যপণ করে। কিন্তু তারা ইতিমধ্যে চন্দ্র কর্তৃক অন্তসত্বা হওয়ায়, বৃহস্পতি তাকে গৰ্ভত্যাগ করে তার কাছে আসতে বলে । তারা গৰ্ভত্যাগ করার পর এক পুত্রের জন্ম হয় । এর নাম দস্যু সুন্তম্‌ । ব্ৰহ্মা তারাকে জিজ্ঞাসা করেন এই পুত্র চন্দ্রের ঔরসজাত কিনা ? তারা ইতিবাচক উত্তর দিলে চন্দ্ৰ সেই পুত্ৰকে গ্ৰহণ করে, ও তার নাম রাখে বুধ ।

    আর্যদেবতামণ্ডলীর দেবতাগণের ব্যভিচারের আরও দৃষ্টান্ত আছে। এখানে আরও একটা উদাহরণ দিচ্ছি । বরুণ ঋগ্বেদের একজন প্ৰধান দেবতা। ঋগ্বেদের ঋষিরা আকাশকে সমুদ্রের সঙ্গে কল্পনা করে আকাশের দেবতা বরুণকে জলময় মনে করতেন ! মহাভারতে আছে যে বরুণ চন্দ্রের কন্যা উতথ্যের স্ত্রী ভদ্রার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাকে হরণ করে নিয়ে যায়। অনেক পীড়াপীড়ি সত্বেও বরুণ যখন ভদ্রাকে ফিরিয়ে দিল না, উতথ্য তখন সমস্ত জলরাশি পান করতে উদ্যত হলেন । তখন বরুণ ভয় পেয়ে ভদ্রাকে ফিরিয়ে দিল ।

    আমরা আবার পড়ি একবার অশ্বিনীকুমারদ্বয় শর্যাতি রাজার মেয়ে যৌবনদীপ্ত সুকন্যাকে স্নানের পর নগ্নাবস্থায় দেখে তার রূপে মুগ্ধ হয়ে জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ স্বামী চ্যবনকে ত্যাগ করে তাদের গ্ৰহণ করতে প্ৰলুব্ধ করেছিল। আৰ্যদেবতামণ্ডলীর যৌন-জীবনে পরস্ত্রীকে এভাবে ফুসলে নিয়ে যাওয়া-আদৰ্শ নীতির পরিচায়ক নয়।

    আবার রামায়ণের আদিকাণ্ডে আমরা পড়ি যে একবার পবনদেব রাজৰ্ষি কুশনাভের একশত পরম রূপবতী কন্যাদের ধর্ষণ করতে অভিলাষ করেছিলেন । মেয়েগুলি অস্বীকৃত হলে, পবনদেব তাদের শরীরে প্রবিষ্ট হয়ে, তাদের শরীর ভগ্ন করে দেন | পবনদেব কেশরীরাজ অঞ্জনার গর্ভে হনুমানকে উৎপাদন করেছিলেন ।

    দেবতারা অনেক সময় অস্বাভাবিক মৈথুনেও রত হতেন । সংজ্ঞা বিশ্বকর্মার কন্যা ও সূর্যের স্ত্রী । সংজ্ঞা সূর্যের অসহ্য তেজ সহ্য করতে না পেরে, নিজের অনুরূপ ছায়া নামে এক নারীকে সূর্যের কাছে রেখে, উত্তরকুরুবর্ষে ঘোটকীর রূপ ধরে বিচরণ করতে থাকে। পরে সূর্য যখন এটা জানতে পারে, তখন তিনি বিশ্বকৰ্মার কাছে গিয়ে নিজের তেজ কর্তন করে অশ্বরূপ ধারণ করে ঘোটকীরূপিনী সংজ্ঞার কাছে এসে তার সঙ্গে সঙ্গমে রত হয় । এই মিলনের ফলে প্ৰথমে যুগলদেবতা অশ্বিনীকুমার ও পরে রেবন্তের জন্ম হয় । এরপর সূর্য নিজের তেজ কর্তন করায় সংজ্ঞা নিজের রূপ ধারণ করে স্বামীগৃহে ফিরে আসে।

    প্ৰজাপতির কথা আগেই বলা হয়েছে। প্ৰজাপতির কন্যা ঊষা যখন মৃগীরূপ ধারণ করেছিল, প্ৰজাপতি তখন মৃগরূপ ধারণ করে কন্যায় উপগত হয়েছিলেন । শতপথ ব্ৰাহ্মণে বলা হয়েছে যে এই অপকর্মের জন্য রুদ্র প্রজাপতিকে এক তীক্ষ বানদ্বারা আঘাত করেছিলেন । কিন্তু ঋগ্বেদ (১০।৬১।৫-৭ ) অনুযায়ী রুদ্র নিজেও এই অপকৰ্ম করেছিলেন ।

    ।। পাঁচ ।।

    দেবলোকে যে মাত্র পুরুষরাই ব্যভিচার করত, তা নয়। দেবালোকের মেয়েরাও ব্যভিচারে লিপ্ত থাকত। আগেই বলেছি যে দক্ষকন্যা স্বাহা অগ্নিকে কামনা করতেন । সপ্তর্ষিদের যজ্ঞে অগ্নি ( এ থেকে প্ৰকাশ পাচ্ছে যে অগ্নিও একজন কামুক দেবতা ) যখন সপ্তর্ষিদের স্ত্রীদের দেখে কামার্ত হয়ে ওঠে স্বাহা তখন এক এক ঋষিপত্নীর রূপ ধরে ছয়বার অগ্নির সঙ্গে সঙ্গম করে । ছয়বারই অগ্নির বীর্য কাঞ্চনকুম্ভে নিক্ষিপ্ত হয় । এই ঘটনার পর সপ্তর্ষিরা তাদের স্ত্রীদের সন্দেহ করে পরিত্যাগ করে । সপ্তর্ষিদের অন্যতম বশিষ্ঠের স্ত্রী অরুন্ধতীর তপোপ্রভাবে স্বাহা আর তার রূপ ধারণ করতে পারেনি। বিশ্বামিত্র প্ৰকৃত ব্যাপার জানতেন বলে তিনি ঋষি-স্ত্রীদের নির্দোষী বলেন । কিন্তু ঋষিরা তা বিশ্বাস করে না। পরে স্বাহা অগ্নির স্ত্রী হন। কিন্তু স্বৰ্গে গিয়েও স্বাহার স্বভাব পরিবর্তিত হয় না । তিনি নিজ স্বামীকে ছেড়ে, কৃষ্ণকে স্বামীরূপে পাবার জন্য তপস্যা করতে থাকেন । বিষ্ণুর বরে দ্বাপরে স্বাহা নগ্নজিৎ রাজার কন্যারূপে জন্মগ্রহণ করে কৃষ্ণকে স্বামীরূপে পায় ।

    ।। ছয় ।।

    আবার ইন্দ্রের কথাতেই ফিরে আসছি। একবার দেবতা ও মহৰ্ষিরা ইন্দ্ৰকে স্বৰ্গ থেকে বিতারিত করেছিল । তাঁরা নহুষকে ইন্দ্রের আসনে বসান । কিন্তু আসনের দোষ যাবে কোথায় ? কিছুকাল পরে নহুষ ইন্দ্রের স্ত্রী শচীকে হস্তগত করবার চেষ্টা করে । শচী বিপদাপন্ন হয়ে নিজেকে নহুষের কামলালসা থেকে রক্ষা করবার জন্য বৃহস্পতির পরামর্শে শচী নহুষকে বলে যে নহুষ যদি সপ্তর্ষি-বাহিত যানে তার কাছে আসে, তা হলে সে নহুষের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। নহুষ সপ্তর্ষি বাহিত শিবিকায় যাবার সময় অগস্ত্যের মাথায় পা দিয়ে ফেলেন। এর ফলে, অগস্ত্যের শাপে নহুষ অজগর সর্পরূপে বিশাখাযুপ বনে পতিত হন । এভাবে শচীর সতীত্ব রক্ষা পায় ।

    ।। সাত ।।

    সমুদ্রমন্থনের পর দেবাসুরে যখন আবার যুদ্ধ হয়, বিপ্ৰচিত্তী তখন অসুরগণের, সেনাপতি ছিলেন । বিপ্ৰচিত্তী কশ্যপের স্ত্রী দনুর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন । তিনি নিজের বৈমাত্রেয় ভগিনী সিংহিকাকে বিয়ে করেছিলেন ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচোদ্দ শতকের বাঙালী – অতুল সুর
    Next Article ভারতের বিবাহের ইতিহাস – অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }