Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. নীলাদ্রির ঘুম ভাঙল

    ০২.

    নীলাদ্রির ঘুম ভাঙল কান্নার আওয়াজে। হইচই করে কান্না নয়, চাপা ফোঁপানি। রান্নাঘর থেকে ভেসে আসছে। নীলাদ্রি মাথার বালিশটা টেনে কানে চাপা দিল। পাঁচ বছর ধরে এই একই জিনিস চলছে। এ বাড়িতে সকাল হয় কান্নার আওয়াজ দিয়ে। রান্নাঘরে মা চা করে আর কাঁদে। কাপ, ডিশ, চামচের টুং-টাং শব্দের সঙ্গে সেই কান্নার আওয়াজ ভেসে-ভেসে বেড়ায়।

    দরজা ঠেলে কিঙ্কিনি ঘরে ঢুকল। এত সকালে সে ঘুম থেকে ওঠে না। আজকাল তার বিছানা ছাড়তে অনেক বেলা হয়। মাত্র উনিশদিন হল তার হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। পরীক্ষার শেষদিন কিঙ্কিনি তার বন্ধুদের কাছে ঘোষণা করেছিল–

    রেজাল্ট বেরোনো পর্যন্ত আমি বিছানা থেকে নামব না। বিছানায় বসে খাব, গল্পের বই পড়ব, টিভি দেখব, কম্পিউটারে চ্যাট করব, আর মাঝেমধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ব। আমার খাটের পাশে চেয়ার থাকবে। তোরা এলে সেই চেয়ারে বসবি। আড্ডা দিয়ে চলে যাওয়ার সময় বলবি, চল কিঙ্কি, দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিবি। আমি বলব, সরি, আমি যেতে পারছি না। রেজাল্ট বেরোনো পর্যন্ত আমার খাট থেকে নামা বারণ। পলিটিক্যাল নেতারা যেমন গৃহবন্দি হয়, আমি তেমন খাটবন্দি হয়েছি।

    শুধুমাত্র পরীক্ষা শেষ হয়েছে বলেই যে কিঙ্কিনি বেলা করে ঘুম থেকে ওঠে এমন নয়। অনেক সময় ভোরে তার ঘুম ভেঙে যায়। বিছানায় চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে অপেক্ষা করে। যামিনী কখন স্কুলে বেরিয়ে যাবে তার জন্য অপেক্ষা। যতটা মায়ের মুখোমুখি না হওয়া যায়। যামিনীর ছুটিছাটার দিনগুলোয় সে পারতপক্ষে বাড়ি থাকতে চায় না। বন্ধুর বাড়ি, সিনেমা হলে চলে যায়। কিছু না থাকলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলোমেলো ঘুরে বেড়ায়। সবদিন অবশ্য দেরি করে ঘুম থেকে উঠতে পারে না। কদিন হল নতুন ঝামেলা শুরু হয়েছে। কম্পিউটার ক্লাস। সপ্তাহে দুদিন করে। সকালে উঠে যেতে হয়। দাদার জোরাজুরিতে ভরতি হতে বাধ্য হয়েছে কিঙ্কিনি। আড়াল থেকে মায়ের চাপ থাকতে পারে। পারে কেন? নিশ্চয় ছিল। কিঙ্কিনির একেবারেই ইচ্ছে ছিল না। তার কম্পিউটারে চ্যাট করতে, গান শুনতে ভালো লাগে। কোর্স শিখতে ইচ্ছে করে না। অঙ্কের কিছু থাকলে তো একেবারেই নয়। ছোটবেলায় তার অঙ্ক নিয়ে যে সমস্যা ছিল। তা কাটেনি, বরং বেড়েছে। সেই কারণেই আর্টস নিয়ে হায়ার সেকেন্ডারি পড়া। কিঙ্কিনি জানে তাতেও খুব কিছু লাভ হবে না। তার রেজাল্ট বেশ খারাপই হবে। মাঝারি ধরনের সেকেন্ড ডিভিশন পেতে পারে। পড়াশোনা তার মাথায় ঢোকে না এমন নয়, কিন্তু পরীক্ষার জন্য যতটা পড়ার দরকার তা সে পড়েনি। যত দিন যাচ্ছে বুঝতে পারছে, লেখাপড়া তার বিষয় নয়। পড়তে তার ভালো লাগে না। তার বিষয় অন্য কিছু। সেই অন্য কিছুটা কী?

    কিঙ্কিনি নীলাদ্রির খাটের পাশে এসে দাঁড়াল। ঝুঁকে পড়ে ডাকল, দাদা, অ্যাই দাদা।

    নীলাদ্রি কোনও উত্তর দিল না। নড়েচড়ে শুল মাত্র। কিঙ্কিনি মশারির ফাঁকে হাত ঢুকিয়ে নীলাদ্রির মাথার বালিশ ধরে টান দিল। নীচু গলায় আবার ডাকল, কীরে উঠবি তো!

    চোখ বোজা অবস্থাতে নীলাদ্রি বিরক্ত গলায় বলল, কী হয়েছে?

    আগে ওঠ, তারপর বলছি।

    উঠতে পারব না। কী হয়েছে বল।

    কিঙ্কিনি খাটের একপাশে বসল। এক ঝলক দরজার দিকে তাকিয়ে ফিসফিসে গলায় বলল, আড়াইশো টাকা দিতে পারবি? ঠিক আছে আড়াইশো দিতে হবে না, দুশো কুড়ি পঁচিশ হলেই হবে। আছে?

    নীলাদ্রি এবার বালিশ সরিয়ে চিত হয়ে শুল। চোখ খুলল। আড়াইশো টাকা! কিঙ্কিনি তার কাছে মাঝেমধ্যে টাকা চায় বটে, কিন্তু সে তো পাঁচ দশ। খুব বেশি হলে পঞ্চাশ। কোনও কোনও সময় মোবাইল রিচার্জ করিয়ে দিতে হবে। একসঙ্গে এত টাকা তো কখনও চায়নি!

    কিঙ্কিনি হেসে বলল, কেন চাইছি জানতে চাইবি না কিন্তু।

    কিঙ্কিনি দেখতে সুন্দর হয়েছে। তবে যামিনীর মতো নরমসরম সুন্দর নয়। কিঙ্কিনির চেহারার মধ্যে একটা ঝকঝকে ছাপ রয়েছে। দেবনাথের মতো। চোখমুখ শার্প। হাঁটাচলা, হাবভাবের মধ্যেও দেবনাথের মতো চাপা কনফিডেন্স। ভাবটা এমন যেন আমি যা করি ভেবেচিন্তে করি, ঠিক করি। দেখলে মনে হয়, এই মেয়ের বুদ্ধি বেশি। শুধু দেখতে নয়, কথাবার্তাতেও সে তার বাবার মতো রসিকতা তৈরি করতে শিখেছে।

    কিঙ্কিনি এই সাতসকালেই বাইরে বেরোনোর জন্য তৈরি। স্নান সেরে জিনস আর কালো টপ পরেছে। মেয়েদের পছন্দের রং কালো নয়। তবু কিঙ্কিনি মাঝেমধ্যেই কালো রঙের পোশাক পরে। কারণ সে জানে তার গায়ের ফরসা রঙে কালো ঝলমল করে। নিজের সৌন্দর্যের বিষয়ে। বেশি মাত্রায় সচেতন কিঙ্কিনি। সে বুঝতে পারছে, শুধু নিছক সৌন্দর্য নয়, তার চেহারা ইতিমধ্যেই একধরনের আকর্ষণ তৈরি করতে শুরু করেছে। সম্ভবত একেই বলে শরীরী আকর্ষণ। খুব জোরালো নয়, কিন্তু তৈরি হয়েছে। অতি সাধারণ সাজগোজ করলেও রাস্তাঘাটে ছেলেরা তার দিকে না তাকিয়ে পারে না। বন্ধুরাও বিষয়টা জানে। ঠাট্টা করে বলে, তোর সঙ্গে বেরোতে ইচ্ছে করে না। আমাদের দিকে কেউ তাকায় না। বৈদভটিা অসভ্য। একটু গোলমেলেও আছে। একদিন আড়ালে ফট করে বুকে হাত দিয়ে বসল। বলল, হাউ নাইস কিঙ্কি! আউচ! কত বড় হয়ে গেছে!

    নীলাদ্রি ভুরু কুঁচকে বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। বোনকে সে ভালোবাসে। দেবনাথের নিরুদ্দেশ হওয়ায় সেই ভালোবাসা খানিকটা আশকারার চেহারা নিয়েছে। শুধু দেবনাথের নিরুদ্দেশ হওয়া নয়, আশকারার অন্য কারণও আছে। স্বামী হারিয়ে যাওয়ার পর থেকে কোনও এক অজ্ঞাত কারণে মেয়ের প্রতি যামিনী ক্রমশ অসন্তুষ্ট হয়ে উঠেছে। যত দিন। গেছে সেই ভাব বেড়েছে। মেয়েদের কোনও কিছু যেন তার পছন্দ হয় না। আচার-আচরণ, কথাবার্তা সবেতেই বিরক্ত হয়! ছোটখাটো বিষয়ে বকাঝকা করে, খোঁচা দিয়ে কথা বলে। একটা সময় মারধোরও করেছে। কঠিন মার। কিঙ্কিনি প্রথম প্রথম মায়ের এই ব্যবহারে অবাক হত। অভিমান করত। মা তার সঙ্গে কেন এমন করে! কই দাদার সঙ্গে তো করে না! সে কী দোষ। করল? তাকে বলার জন্য মা কেন খুঁজে খুঁজে কারণ বের করে? কারণ না পেলে, বানিয়ে বানিয়ে কারণ তৈরি করে। স্কুল থেকে ফিরতে দেরি হলে চুলের মুঠি চেপে ধরেছে। কিঙ্কিনি বলার চেষ্টা করেছে, দেরি সে করেনি, তার স্কুলবাস খারাপ হয়ে গিয়েছিল। মা শোনেনি। টিভি দেখলে রেগে যেত। টিভিতে সিনেমা বা সিরিয়াল নয়, ছোটবেলা থেকেই কিঙ্কিনির চ্যানেল ঘুরিয়ে খবর দেখার নেশা। দেবনাথের মতো। খবর কিছু বুঝত না। তবু দেখত। যামিনী রান্নাঘর থেকে ছুটে এসে চড় মারত। পাড়ার কোন বখাটে ছেলে দুদিন বাড়ির সামনে সাইকেলের বেল বাজিয়ে চলে গেছে, কিঙ্কিনি জানেও না। বেধড়ক মার খেয়েছে কিঙ্কিনি। অপমানের মার। পায়ের চটি খুলে মেরেছে যামিনী। তখন মাকে ভয় পেত কিঙ্কিনি, লুকিয়ে কাঁদত। একটা বয়সের পর যামিনী মেয়েকে মারধোর বন্ধ করল, কিন্তু বকাঝকা চলতে লাগল। কিঙ্কিনি খানিকটা বড় হয়ে কান্নাকাটি, মান অভিমান সব বন্ধ করে দিয়েছে। মায়ের বকাঝকা, বেঁকা কথা এখন আর তার গায়ে লাগে না, সে ভয়ও পায় না। হয় অবজ্ঞা করে, নয় মুখে মুখে কথা বলে। কিছুদিন আগেও মেয়ের তর্ক শুনলে যামিনী চিৎকার করে উঠত। কিঙ্কিনি শান্ত গলায় বলত, মা, তুমি যদি চিৎকার কর আমি তোমার ডবল চিৎকার করব। তুমি চিৎকার করতে করতে হাঁপিয়ে যাবে। আমি হাঁপাব না, কারণ আমার বয়স তোমার থেকে কম। আমার দম বেশি।

    তারপর থেকে যামিনী চিৎকার করা বন্ধ করে দিয়েছে। মেয়ের সঙ্গে কথা বলাই কমিয়ে দিয়েছে। যেটুকু না বললে নয়। গত সোমবারের কথা কাটাকাটির পর থেকে তা-ও বন্ধ। এখন পরোক্ষ ভাবে খাবার দেওয়া হয়েছে, ড্রেসিং টেবিলের ওপর টাকা রইল, ছাদ থেকে জামাটা তুলতে হবে গোছের কথা চলে। বাকিটুকু ভায়া নীলাদ্রি।

    মা-মেয়ে একসঙ্গে খেতে বসে না আজকাল। হায়ার সেকেন্ডারির সময় থেকেই কিঙ্কিনি এই নিয়ম চালু করেছে। পড়ার চাপ। সময় ধরে খাওয়াদাওয়া সম্ভব নয়। কোনওদিন ভাত খেতে বেলা গড়িয়ে যায়, কখনও ডিনারে বসতে রাত হয়। সুতরাং যে যার মতো খেয়ে নিতে হবে। তবু গত সোমবার দুজনে একসঙ্গে টেবিলে বসেছিল। মা-মেয়ে দুজনেরই তাড়া। কিঙ্কিনি শালিনীর সঙ্গে কলকাতায় যাবে। শালিনীর বড়মামা হাসপাতালে, ভাগনিকে দেখতে চেয়েছেন। সে একা যাবে না, বন্ধুকে নিয়ে যাচ্ছে। আসলে হাসপাতালে যাওয়ার আগে সিনেমা দেখবে দুজনে। ফেরা নিয়ে চিন্তা নেই। শালিনীর বাবা অফিস থেকে ফেরার পথে ওদের নিয়ে আসবে। চুপচাপই খাচ্ছিল দুজনে। টেবিলের দুদিকে বসে। মেনু নিয়ে আপত্তি তুলল কিঙ্কিনি। নিজের মনেই গজগজ করতে লাগল। ছাপোষা ডাল-ভাত আর মাছের ঝোল তার আর সহ্য হচ্ছে না। অরুচি ধরে গেছে। তারওপর রান্নাও খারাপ। স্বাদ নেই। নীচু গলায় কিঙ্কিনি একটানা বলতে থাকে

    এগুলো মানুষ খায়? নিজেকে গরুর মতো মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে ঘাস খাচ্ছি। রোজ রোজ এই অখাদ্যগুলো খাওয়ার থেকে না খাওয়া ভালো।

    যামিনী জানে, নীচু গলায় বললেও মেয়ে তাকে শুনিয়ে কথাগুলো বলছে। এতদিন পরে হঠাৎ এসব কথা কেন! যামিনী কথার উত্তর দেয় না। মাথা নামিয়ে দ্রুত খেতে থাকে। আর উত্তর দেবারই বা কী আছে? মেয়ে তো ভুল বলছে না। সত্যি তো খাবার স্বাদহীন। বিজলীকে অনেকদিন ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। না দিয়ে উপায় ছিল না। এই সংসারে আলাদা করে রান্নার লোক রাখার সামর্থ্যও কোথায়? যামিনী নিজেই রান্না করে। সেই রান্নায় যত্ন, মন কিছুই থাকে না। করতে হয় তাই করা। দু-একদিন মন দেওয়ার চেষ্টা করেছে, পারেনি। মনে হয়েছে, ঠিকমতো রান্না করা সে ভুলেই গেছে। আর কোনওদিনও পারবে না। মাঝেমধ্যে ভয় করে। যদি দেবনাথ ফিরে আসে? তখনও কি রাঁধতে পারবে না?

    যামিনী চুপ করে থাকলেও কিঙ্কিনি বলে চলে–

    একেই তো মেনু জঘন্য, রোজই এক খাবার, তারওপর কোনওদিন নুন থাকে না, কোনওদিন গাদাখানেক চিনি। আজ মাছের ঝোলে নুন চিনি কিছুই নেই। বমি আসছে।

    যামিনী আর পারল না। মুখ না তুলে ঠান্ডা গলায় বলল, কাল থেকে নিজে রান্না করে নিও।

    কিঙ্কিনি নাক মুখ কুঁচকে বলল, জানলে তাই করতাম।

    শিখে নাও। ঘর সংসারের কাজ শেখার বয়স তোমার হয়ে গেছে। সারাদিন তো হয় ঘুমোচ্ছ, নয় টইটই করে বেড়াচ্ছ।

    কিঙ্কিনি মুখ দিয়ে বিদ্রুপের আওয়াজ করল। বলল, হ্যাঁ, এখন সব ছেড়েছুঁড়ে রান্নাঘরে। ঢুকে হাঁড়ি ঠেলি আর কী। বয়ে গেছে। আমার কোনও বন্ধু রান্না করে না।

    যামিনী একটু চুপ করে থেকে বলল, বন্ধুদের সঙ্গে নিজেকে মেলাবে না।

    কিঙ্কিনি কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, কেন মেলাব না কেন? তারা কি আলাদা?

    যামিনী চোয়াল শক্ত করে বলল, হ্যাঁ, তারা আলাদা। তাদের বাবারা কেউ বউ-ছেলেমেয়ে ছেড়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়নি। তোমার বাবা গেছে।

    কিঙ্কিনি কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, মা, তুমি এমন বলছ যেন বাবা আমাদের জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। পানিশমেন্ট হিসেবে আমাকে রান্না করতে হবে, দাদাকে বাসন মাজতে হবে।

    যামিনী মুখ তুলে বলল, আমি সেকথা বলিনি। তুমি এমন ভাবে কথা বলছ কেন?

    আমি বলিনি, তুমি বলছ। আমি ডালের কথা বললাম, তুমি বাবার কথা বলছ। বাবার চলে যাওয়ার কথা। রান্না খারাপের সঙ্গে বাবার কথা আসে কীভাবে?

    গলায় ঝাঁঝ এনে যামিনী বলল, তোমার বাবা গেছে বলেই বলছি। সব কথাতেই আসবে।

    কিঙ্কিনি ঠোঁটের কোনায় বেঁকা হেসে বলল, বাবা আমার জন্য তো বাড়ি ছেড়ে চলে যায়নি। আমি কোন দুঃখে ঘাস পাতা খাব? কথাটার মধ্যে চাপা ইঙ্গিত ছিল।

    যামিনী স্থির চোখে মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, কার জন্য গেছে?

    কিঙ্কিনি মায়ের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিল। গলা নামিয়ে বলল, আমরা কী জানি? আমি দাদা দুজনেই তখন যথেষ্ট ছোট ছিলাম। যদি জানার হয় তুমি জানবে। যদি কেন? বাবার বিষয়টা তোমারই জানা উচিত।

    যামিনী থালা ঠেলে সরিয়ে দিয়ে বলল, তুই কী বলতে চাইছিস?

    কিঙ্কিনি গ্লাস তুলে জল খেল। তারপর টেবিল ছেড়ে উঠতে উঠতে হালকা ভঙ্গিতে বলল, কী বলতে চাইছি তুমি ভালো করেই জানো মা। আমি কেন সবাই তোমাকে এই কথাটাই বলে। বলে না?

    যামিনী কিছু বলতে গিয়ে থেমে রইল কয়েক মুহূর্ত। তারপর হিসহিসিয়ে বলে উঠল, চুপ কর কিঙ্কি, চুপ কর। খুব সাহস হয়েছে তোর, খুব সাহস, মুখে যা আসছে বলে ফেলছিস।

    যামিনীর ধমক কিঙ্কিনি পাত্তা দিল না। হাত ধোয়ার জন্য বাথরুমের দিকে যেতে যেতে সহজ গলায় বলল, সাহস হওয়া তো খারাপ নয় মা। যখন ছোট ছিলাম তখন অনেক কিছু বলতে পারিনি, অনেক কিছু অজানাও থেকে গেছে। এখন তো আর ছোট নেই। তারওপর অনেকে অনেকরকম বলে। সেটাই বলছি।

    যামিনী উঠে দাঁড়ায়। রাগে থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে বলে, কী বলে?

    বাথরুম থেকে কিঙ্কিনি চিৎকার করে বলে, কী বলে তুমি ভালো করেই জানো। জানো না?

    এরপর থেকে যামিনী মেয়ের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে। নীলাদ্রি শান্তপ্রকৃতির ছেলে। সে ঝগড়াঝাটি সহ্য করতে পারে না। পরদিন সকালে বোনকে বোঝানোর চেষ্টা করে।

    মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করিস না।

    দাদার দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে কিঙ্কিনি বলল, মা তোকে লাগিয়েছে?

    নীলাদ্রি বলল, এর মধ্যে লাগানোর কী আছে? মায়ের মুখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। কাল রাতে খায়নি। উফ তোরা কি একটুও চুপ করে থাকতে পারিস না?

    কিঙ্কিনি মুখ নামিয়ে বলল, আমি কিছু করিনি।

    যে-ই করুক, দয়া করে ঝামেলা বন্ধ কর।

    কিঙ্কিনি বলল, থামা বললেই কি থামবে দাদা? ঝামেলা তো শুধু আজ হচ্ছে না, বহুদিন ধরেই হচ্ছে। মা আমাকে সহ্য করতে পারে না। বাবা চলে যাওয়ার পর থেকেই এই কাণ্ড চলছে। আমাকে দেখলেই তার মাথায় আগুন জ্বলে ওঠে। মনে আছে দাদা, একবার সকালে বাবার মতো গরম চায়ের কাপ হাতে পেপার পড়ছিলাম বলে মা টেনে তুলে দেওয়ালে মাথা। ঠুকে দিয়েছিল? মনে আছে? এই দেখ এখনও দাগ রয়েছে। কপালের চুল সরায় কিঙ্কিনি। সত্যি বাঁদিকে ভুরুর পাশে দাগ রয়ে গেছে।

    নীলাদ্রি জানে কিঙ্কিনি যা বলছে ভুল বলছে না। মায়ের ওপর তার রাগ আর শুধু রাগে আটকে নেই। খানিকটা যেন ঘৃণার চেহারা নিয়েছে। মা যে কেন কিঙ্কির ওপর এত বিরক্ত, এতদিনেও বুঝতে পারে না নীলাদ্রি। তবু সে বলল, জানিসই তো মায়ের মনমেজাজ সবসময় খারাপ হয়ে থাকে।

    কিঙ্কিনি চুল বাঁধছিল। তার চুলের ব্যান্ড হারিয়ে গেছে। সামনে ছড়িয়ে থাকা বইখাতা, কাগজপত্র সরিয়ে ব্যান্ডটা খুঁজতে লাগল। আলগোছে বলল, কেন? মনমেজাজ খারাপ কেন?

    নীলাদ্রি বোনের দিকে তাকিয়ে বলে, জানিস না কেন? ঠাট্টা করছিস? বাবার ঘটনাটার পর থেকেই তো এরকম হয়ে গেছে। সেটাই নরমাল।

    কিঙ্কিনি ব্যান্ড খুঁজে পায়। চুলে লাগাতে লাগাতে বলল, জানবো না কেন? আমি তো আর ছোট খুকি নই, কিন্তু মা এমন ছোট খুকির মতো ব্যবহার করে কেন বলতে পারিস? মা কি মনে করে দেবনাথ চট্টোপাধ্যায় নামের মানুষটা শুধু তার স্বামী ছিল? আমাদের বাবা ছিল না? মানুষটা হারিয়ে যাওয়ায় আমাদের মনমেজাজ খারাপ হতে নেই? দুঃখ অপমান হতে পারে না? বাবা শুধু তার সম্পত্তি? তার মানুষ?

    নীলাদ্রি চুপ করে এই অভিমানের কথা শোনে। এগিয়ে এসে বোনের পিঠে হাত রেখে বলল, এইটুকু বয়েসে খুব পাকাঁপাকা কথা শিখেছিস।

    কিঙ্কিনি চুপ থেকে শান্ত গলায় বলল, শিখতে বাধ্য হয়েছি। যেসব ছেলেমেয়ের বাবা কাউকে কিছু না বলে হঠাৎ একদিন বাড়ি ছেড়ে চলে যায়, তারা সবাই কম বয়েসে পাকা কথা শিখে যায়। তুইও শিখেছিস। তুই ভালো ছেলে তাই বলিস না। আমি বলে বিপদে পড়ি।

    না বললেই পারিস। ওসব বলে মাকে রাগিয়ে দিস কেন?

    কিঙ্কিনি দাদার কথার উত্তর না দিয়ে বলে, আমি জানি মা কেন আমার ওপর এত খাপ্পা। নীলাদ্রি ভুরু কোঁচকালো। কিঙ্কিনি বলল, আগে বুঝতে পারতাম না, এখন বুঝি।

    নীলাদ্রি বলল, কেন?

    কিঙ্কিনি দাদার দিকে তাকিয়ে সুন্দর করে হাসল। বলল, থাক, শুনলে তোর মন খারাপ হয়ে যাবে।

    নীলাদ্রি সেদিন অবাক হয়েছিল। মেয়েটা এই কম বয়সেও কত ম্যাচিওরড হয়ে গেছে। রাগ অভিমানের মধ্যেও গুছিয়ে কথা বলতে শিখেছে। বাবাও এরকম গুছিয়ে কথা বলত।

    আজও অবাক হল নীলাদ্রি। এই সাতসকালে ঘুম ভাঙিয়ে টাকা চাইছেও কেমন সুন্দর করে!

    কিঙ্কিনি মাথা কাত করে বলল, কীরে দাদা টাকা হবে?

    কত হবে জানি না। পার্সটা দেখ, যা থাকে নিয়ে নে।

    কিঙ্কিনি খুশি হয়ে উঠে দাঁড়াল। বলল, সব নিয়ে নিলে তোর চলবে কী করে।

    নীলাদ্রি এবার উঠে বসল। আড়মোড়া ভেঙে বলল, সে আমি বুঝব।

    নীলাদ্রিকে তার বাবা-মা কারও মতোই দেখতে হয়নি। তাকে চট করে সুন্দর বলা যাবে না। একজন সাধারণ চেহারার যুবক। ভিড়ে মিশে যাওয়া ধরনের। একসময় আত্মীয়রা বলত, নীলাদ্রি নাকি তার মামার মতো চেহারা পেয়েছে। রোগা আর লম্বাটে গড়ন। শুধু চেহারায় সাধারণ নয়, শান্তস্বভাবের এই ছেলে লেখাপড়াতেও সাধারণ হয়ে গেছে। যে ছেলে চারটে লেটার নিয়ে মাধ্যমিক পাস করেছিল, সে হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষায় তেমন কিছু করতে পারল না। ইচ্ছে ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বার, হল না। হওয়ার কথাও নয়। তখন সবে কদিন হল দেবনাথ নিরুদ্দেশ হয়েছে। গোটা পরিবার বিপর্যস্ত, দিশেহারা। সাজানো গোছানো সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। যেন নাটক শেষ হওয়ার আগে মঞ্চের সামনে কেউ কালো, ভারী পরদা টেনে দিল। কদিন পরেই যে নীলাদ্রি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা পরীক্ষায় বসবে সেকথা কারও মাথায় রইল না। এমনকী নীলাদ্রিরও নয়। তখন বেঁচে থাকাটাই একটা পরীক্ষা। যেন প্রতিটা মুহূর্তে কঠিন প্রশ্নপত্রের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

    হায়ার সেকেন্ডারির মতো গ্র্যাজুয়েশনেও সাধারণ, মাঝারি রেজাল্ট। তাও যামিনী চেয়েছিল, ছেলেটা আরও পড়ুক। আজকাল রেজাল্ট খারাপ হলেও টাকা খরচ করে কেরিয়ার করবার অনেক ব্যবস্থা হয়েছে। ম্যানেজমেন্টে পড়া যায়। নীলাদ্রি সে পথে যায়নি। সে বুঝেছিল, এ-বাড়ির পক্ষে আর টাকা খরচ করা সম্ভব নয়। উলটে টাকা রোজগার করতে হবে। ছোটখাটো একটা ট্রেনিং করে আই টি সেক্টরে কাজ করছে। প্রজেক্ট অ্যাসিটেন্ট গোছের কাজ। আরও পাঁচজনের সঙ্গে বসে ডাটাবেস তৈরি করতে হয়। সবসময় কাজ থাকে না। এজেন্সির কাছে নাম লেখানো রয়েছে। তারা দরকার মতো খবর দেয়। তখন ছুটতে হয় সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে। তবে কাজ থাকলে পেমেন্ট খারাপ নয়। টানা কাজ থাকাটাই সমস্যা। আই টি সেক্টর বাইরে থেকে শুনতেই গালভারী। নীচের দিকে ভিড় বাড়ছে। অনেকটা সময় হাত গুটিয়ে বাড়িতে বসে থাকতে হয়। এখন যেমন বেশ কিছুদিন হল নীলাদ্রির বেকারদশা চলছে। নীলাদ্রি বুঝতে পারছে এভাবে চলবে না, একটা অন্য কিছু দেখতে হবে। পাকাপাকি কিছু। চেষ্টাও করছে। সরকারি চাকরির পরীক্ষাগুলো কয়েকটা দিয়েছে। এখনও লাগেনি।

    নীলাদ্রির ব্যাগে দুশো তিরিশ টাকা মতো পড়ে আছে। একশো টাকার নোটদুটো নিয়ে কিঙ্কিনি বলল, আজ আমাদের বন্ধুদের পিকনিক। আড়াইশো করে চাঁদা।

    নীলাদ্রি বলল, পিকনিক! এখন তো শীত নয়, পিকনিক কীসের?

    কিঙ্কিনি হেসে বলল, শুধু শীতেই পিকনিক করা যায় এমন কোনও কথা আছে নাকি? আর থাকলেও সে আমরা ভাঙছি। কোথায় যাচ্ছি জানিস দাদা?

    কোথায়?

    কিঙ্কিনি ঘাড় কাত করে নীলাদ্রির দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। মিটিমিটি হেসে বলল, উঁহু, বলব না। বললে তুই চিন্তা করবি। সবাই পিকনিক করতে সুন্দর জায়গায় যায়, আমরা একটা ভয়ংকর জায়গায় যাচ্ছি। সেখানে আমাদের ভয়ঙ্কর পিকনিক হবে।

    কিঙ্কিনি হাসি ঠাট্টা করলেও নীলাদ্রির বিষয়টা পছন্দ হচ্ছে না। যতই গুছিয়ে সুন্দর করে হাসি মুখে কথা বলুক আজকাল এই মেয়েটাকে নিয়ে চিন্তা হয়। কিঙ্কিনির মধ্যে কেমন একটা বেপরোয়া ভাব এসে যাচ্ছে। ধুম ধাড়াক্কা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। মা বলেছে, দু-একদিন রাত করেও নাকি বাড়ি ফিরেছে। কখনও আবার টানা তিনদিন নিজের ঘরেই দরজা আটকে বসে থাকে। শুধু খেতে আর স্নান করতে বেরোয়। কারও সঙ্গে কথা বলে না। কিছু বলতে গেলে রেগে যায়। মায়ের সঙ্গে পায়ে পা দিয়ে ঝগড়াও করে। খারাপ কথা বলে। বাইরে থেকে কেউ দেখলে মনে করবে, শাসন নেই। মেয়েটা বিগড়ে যাচ্ছে। মাও তাই বলে। নীলাদ্রির সেরকম মনে হয় না। তার মনে হয়, ছোটবেলায় মায়ের অতিরিক্তি বকাঝকা গোলমাল করে দিয়েছে। এই ডোন্ট কেয়ার ভাবটা এমনি এমনি তৈরি হয়নি। মায়ের প্রতি একটা প্রতিশোধ। কই তার সঙ্গে তো কিঙ্কি খারাপ ব্যবহার করে না। পরীক্ষার পর কম্পিউটার ক্লাসে ভরতি হতে বলেছিল, হয়েছেও। মনে হচ্ছে, এবার একদিন মা-কিঙ্কি দুজনকে একসঙ্গে নিয়ে বসতে হবে। ঠান্ডা মাথায় কথা বলতে হবে। মায়ের ওপর রাগ করে এই বয়েসে বড় কিছু গোলমাল করে ফেললে সর্বনাশ হবে। তবে কাজটা করতে হবে খুব সতর্ক হয়ে। এই মেয়ে যদি মনে করে দাদাও তাকে শাসন করতে চাইছে, তখন তার হাত থেকেও বেরিয়ে যাবে।

    নীলাদ্রি আড়মোড়া ভেঙে বলল, ভয়ঙ্কর না সুন্দর আমার জানার দরকার নেই, যেখানেই যাবে সাবধানে থাকবে। সন্ধের মধ্যে বাড়ি ফিরবে আর ফোন করলে ধরবে।

    কিঙ্কিনি হাত জোড় করে বলল, প্লিজ দাদা, তুই অন্তত আর গার্জেনগিরি করিস না। গার্জেনগিরি অনেক হয়েছে। কপালে স্টিচ, পিঠে জুতোর দাগ নিয়ে আই অ্যাম টায়ার্ড। আমাদের পিকনিকের আজ নিয়ম কেউ মোবাইল অন করতে পারবে না। যে করবে তার ফাইন হবে। অতএব নো কল।

    কিঙ্কিনি ঘর থেকে বেরোতে গেল। নীলাদ্রি ডাকল, অ্যাই কিঙ্কি শোন একবার। কিঙ্কিনি ঘুরে দাঁড়াল।

    ইস পিছনে ডাকলি তো, কী হল?

    নীলাদ্রি ফিসফিস করে বলল, মা, কাঁদছে না?

    কিঙ্কিনি ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল, কাঁদছে! কই না তো, দেখলাম টেবিলে বসে আরাম করে চা খাচ্ছে। মনে হয় সেকেন্ড কাপ। তোর আবার বেশি বেশি।

    কিঙ্কিনি বেরিয়ে যাওয়ার পরও নীলাদ্রি বেশ খানিকটা সময় চুপ করে শুয়ে রইল। মা কাঁদছে না! তা হলে কোন কান্নার আওয়াজে আজ তার ঘুম ভাঙল? স্বপ্নে কিছু শুনছে? অথবা কে জানে হয়তো অভ্যেস হয়ে গেছে। কেউ না কাঁদলেও মনে হয়, এ বাড়ির সকাল হয় কান্না দিয়ে। মনটা খারাপ হয়ে গেল নীলাদ্রির।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }