Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. বাড়িটা হলুদ রঙের

    ০৬.

    বাড়িটা হলুদ রঙের। তবে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়ার কারণে রং ঠিকমতো বোঝা যাচ্ছে না। শেষ বিকেলের আলোকে বলে কনে দেখা আলো। এই আলোয় কালো মেয়েও নাকি ফরসা হয়ে ওঠে। অথচ এই বাড়িটাকে দেখাচ্ছে মলিন। মলিন বাড়ির দরজা দিয়ে ছিটকে বেরিয়ে এল। নীলাদ্রি। কোনওরকমে সিঁড়িকটা টপকে হুড়মুড়িয়ে নেমে গেল নীচে, পেট চেপে উবু হয়ে বসে পড়ল ফুটপাথের ওপর।

    রাস্তার দুপাশে অনেকেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কেউ একা দাঁড়িয়ে, কেউ এসেছে দল বেঁধে। তারা চাপা গলায় কথা বলছে। প্রায় সকলেরই চোখেমুখে উদ্‌বেগ। বড় রাস্তা থেকে একটু ঢুকে এই গলিটাই থমথমে। কয়েকজন নির্লিপ্ত ভঙ্গির মানুষও রয়েছে। তারা বসে আছে ফুটপাথে, ব্যাটারির খোল আর আধলা ইটের ওপর। বেশিরভাগেরই লুঙ্গির ওপর খালি গা, থলথলে শরীর। কেউ বিড়ি টানছে, কেউ কানের কাছে রেডিয়ো ধরে গান শুনছে। একজনের হাতে অ্যালুমিনিয়ামের থালা। কিছু খাচ্ছে। নীলাদ্রি পাশে বসে বমি করায় তারা বিন্দুমাত্র বিচলিত হল না। পুলিশ মর্গ থেকে ছিটকে বেরিয়ে মানুষ বমি করবে না তো কী করবে? আর এই ছেলে তো নেহাতই ছোট।

    রেডিয়োতে গান শোনা লোকটা কাছে ছিল। পাশে রাখা একটা মগ তুলে এগিয়ে দিল হাত বাড়িয়ে। নীলাদ্রি অবাক হয়েই মগটা ধরল। খানিকটা জল রয়েছে। লোকটা গানের তালে মাথা নাড়তে নাড়তেই ইঙ্গিত করল। চোখে মুখে জল ছিটিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত। নীলাদ্রি তাই করল। মগ ফেরত দিয়ে বলল, থ্যাঙ্কিউ। লোকটা গা করল না। মগটা পাশে রেখে ফের মন দিয়ে গান শুনতে লাগল। যেন ঘটনাটা কিছুই না।

    মর্গের দরজার মুখে একটা লোক এসে চিৎকার করছে—

    নেক্সট, নেক্সট…পরের জন কে আছেন? কৌন হ্যায়… তাড়াতাড়ি আসুন। জলদি জলদি…।

    বাইরে অপেক্ষা করা কয়েকজন ছুটে গেল দরজার দিকে। দরজায় দাঁড়ানো লোকটা বাংলা হিন্দি মিলিয়ে ধমক দিয়ে বলল, আরে আরে, এ কেয়া করতা হ্যায়! এক এক করকে আইয়ে। এ ডেডবডি আছে, ভাগ নেহি সকতা। ঠেলাঠেলি করবেন না। ঝামেলা পাকালে দরজা বন্ধ করে দেব।

    ধমক শুনে ছুটে যাওয়া মানুষগুলো থমকে দাঁড়াল। ভাবটা এমন যেন, সত্যি তারা ভুলে গিয়েছিল, তারা মৃতদেহ দেখতে যাচ্ছে। ধীরেসুস্থে গেলেও কোনও সমস্যা নেই। তারা একই। ভাবে শুয়ে থাকবে।

    পকেট থেকে রুমাল বের করে মুখ মুছল নীলাদ্রি। হাঁটতে শুরু করল। জায়গাটা ছেড়ে যত তাড়াতাড়ি সরে যাওয়া যায় তত ভালো। মুখটা তেতো লাগছে। থুতু কাটছে। মোবাইল বের করে সময় দেখল। শ্রীময়ীর আসতে এখনও একঘণ্টা দেরি। নন্দনের গেটে ঠিক ছটায় দাঁড়াবে। নীলাদ্রি ঠিক করে হাঁটবে। নন্দন পর্যন্ত না পারুক, যতটা পারে ততটা হাঁটবে। তারপর বাসে উঠবে। তার আগে ভালো করে মুখ ধোয়া দরকার। মোবাইল বেজে উঠল। নীলাদ্রি তুলে দেখল পরদায় মা ফুটে উঠেছে।

    বল।

    গিয়েছিলি?

    হ্যাঁ।

    যামিনী চুপ করে রইল। নীলাদ্রির সংক্ষিপ্ত উত্তরেই বোঝা যাচ্ছে, কোনও লাভ হয়নি। তবু তার রাগ হল। লাভ হোক বা না হোক ছেলেটা ফোন তো করবে।

    আমাকে ফোন করলি না তো!

    কিছু হলে করতাম।

    যামিনী আবার চুপ করে রইল মুহূর্তখানেক। তারপর বলল, বাঃ আমাকে একবার জানাবি না?

    বলছি তো কিছু হলে সঙ্গে-সঙ্গে তোমাকে জানাতাম। একই কথা কী বলব?

    যামিনী বলল, কী আর বলবি, মা ওকে পেয়েছি?

    নীলাদ্রি বুঝতে পারল কাজটা ভুল হয়েছে। একবার ফোন করা উচিত ছিল। সে বলল, উফ তুমি শান্ত হও তো মা। সবসময় হাইপার হয়ে থাক কেন। এই কারণে কিঙ্কির সঙ্গে তোমার এত লাগে। একটু বাদেই তোমাকে ফোন করতাম। আসলে দিনের পর দিন কী একই কথা বলব? সকালে তুমিই তো বললে গিয়ে কোনও লাভ হবে না। বলনি? এখন আবার রাগারাগি করছ!

    যামিনী কথাটা যেন শুনতে পেল না। বলল, আমি জানি, তোরা আমাকে গুরুত্ব দিস না। একটা মানুষ যে অপেক্ষা করে বসে আছে সেটুকুও পর্যন্ত মাথায় থাকে না। যাক, আমি ফোন রাখছি, আমার আজ বাড়ি ফিরতে দেরি হবে।

    কোথায় যাবে?

    যাব একটা জায়গায়। বিশাখা থাকবে।

    যামিনী ফোন কেটে দেওয়ার পরও মোবাইলের দিকে একটু সময় তাকিয়ে হইল নীলাদ্রি। মা কোথায় যাবে এটা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। নিশ্চয় কোথাও পুজো দিতে বা মানত করতে। পাঁচ বছরে কম করে পাঁচশো জায়গায় পুজো দেওয়া হয়ে গেছে। যে যেমন বুঝিয়েছে। প্রথম বছর সপ্তাহে একদিন উপোস পর্যন্ত শুরু করেছিল। আশ্চর্যের কথা হল, পাঁচ বছর পরেও মানুষটা বাবার জন্য অপেক্ষা করে আছে! সে আর কিঙ্কিনিও কি অপেক্ষা করে? কিঙ্কিনি করে না। বহুদিন আগে সে বলে দিয়েছে, প্লিজ দাদা, এবার তোরা খোঁজাখুঁজি বন্ধ কর। যে লোকটা নিজেই লুকিয়ে আছে তাকে তুই কোথায় পাবি?

    লুকিয়ে আছে বলছিস কেন? অ্যাক্সিডেন্ট হতে পারে।

    কী বলছিস তুই, অ্যাক্সিডেন্ট হলে ঠিক জানা যেত। এতগুলো থানায় খবর দেওয়া আছে, ফটো পাঠানো হয়েছে, কাগজে বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে।

    দুর বোকা, এত বড় দেশ রোজ কোথায় কী ঘটছে জানা যায়। পুলিশ জানতে পারে? দেখিস না রোজ কত মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে? তাদের কোনও ট্রেস পাওয়া যায় না। পেপারে পড়িস না? বিদেশেও তো কিছু হতে পারে। ধর বাবা ফরেনে কোথাও গিয়ে…।

    কিঙ্কিনি ঠোঁটের ফাঁকে হেসে বলল, তোদের মতো বুদ্ধিমান না হলেও আমি একেবারে বোকাও নই দাদা। বাবা রাতারাতি পাসপোর্ট বানিয়ে ভিসা করে জাপান, আমেরিকা বা আবুধাবি চলে গেছে এ কথা আমাকে বিশ্বাস করতে বলিস? সরি। আর যদি দেশের অন্য কোথাও অঘটন কিছু ঘটে থাকে আমি মনে করি সেটাও একই হল। আমাদের ছেড়ে চলে যেতে চেয়েছে বলেই তো কোথাও গেছে। অতবড় একটা মানুষকে তো ছেলেধরা ধরে পাচার করে দেয়নি। নাকি তোর মনে হয় দিয়েছে?

    নীলাদ্রি চুপ করে গিয়েছিল সেদিন। বোনের যুক্তি ভাঙতে পারেনি। আজ বোঝে যতটা না সে তার হারিয়ে যাওয়া বাবার জন্য অপেক্ষা করে আছে তার থেকে অনেক বেশি কর্তব্য করছে। শুধু কি কর্তব্য? নাকি আরও কিছু?

    মর্গে মৃতদেহ দেখতে আসা নীলাদ্রির এই প্রথম নয়। গত পাঁচ বছরে তাকে বহুবার আসতে হয়েছে। থানা থেকে আনক্লেইমড ডেডবডির খবর দিলেই দেখে যেতে হত। মৃত্যুর তালিকায় কিছুই বাদ যায়নি। বাসে চাপা, ট্রেনে কাটা, জলে ডোবা, আগুনে পোড়া সব পেয়েছে। নীলাদ্রি যখন আসত সঙ্গে কেউ না কেউ থেকেছে। হিন্দোল বেশ কয়েকবার গেছে। পাড়ার আর কলেজের বন্ধুরাও ছিল। একবার দেবনাথের অফিসের অনেকে এল। সেবার সবাই প্রায় নিশ্চিত ছিল, দেবনাথের মৃতদেহই আছে। পুলিশ সেরকমই বলেছিল। একেবারে প্রথম দিকের ঘটনা। হারিয়ে যাওয়ার মাস তিনেকও হয়নি। বড় ধরনের একটা বাস অ্যাক্সিডেন্ট ছিল সেটা। বাস খালে পড়ে গিয়েছিল। ঘটনার পনেরো দিন পরে জানা গেল, তিনটে মৃতদেহ এখনও আনক্লেইমড, নাম-ঠিকানা নেই, খুঁজতেও আসেনি। তার মধ্যে একজনকে নাকি অবিকল দেবনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মতো দেখতে। গায়ের জামা, হাতের আংটি, কপালে কাটা দাগ–সব মিলে যাচ্ছে। সবাই ছুটে এল মর্গে। কীভাবে মৃতদহ বাড়ি নিয়ে যাওয়া হবে তা-ও ঠিক হয়ে গিয়েছিল। দেহ। দেখেছিল নীলাদ্রিই। জামা, আংটি দেখতে হয়নি, একঝলক মুখ দেখেই বুঝেছিল, না, মানুষটা তার বাবা নয়। মর্গে অনেকে এলেও ভিতরে ভিড় বাড়ানোর নিয়ম নেই। একা গিয়ে মৃতদেহ দেখে আসত নীলাদ্রি। কোনও রকম সন্দেহ হলে আর একজনকে ডেকে নেওয়া যেত। সেরকম সন্দেহ খুব কমই হয়েছে। হাতে গুনে বার দুই বিভ্রান্ত হয়েছে। মনে হয়েছে হলেও হতে পারে। এই রকম একটা শার্ট ছিল না বাবার? ঘড়ির ব্যান্ডটাও তো এক! প্রথম প্রথম খুব খারাপ লাগত। বীভৎস মৃতদেহের সারি দেখে শিউরে শিউরে উঠত। ভয় করত। রাতে ঘুম হত না। একেকদিন যামিনীকে ডেকে তুলত।

    মা আর পারছি না। রোজ রোজ মরা মানুষের মুখ দেখে আমার শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

    কী করবি বল? যামিনী ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে বলত।

    আমি আর যাব না।

    যামিনী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলত, ঠিক আছে আমি যাব। আমিই তো যেতে চাই, পুলিশ বলে বাড়িতে পুরুষমানুষ কেউ থাকলে তাকে পাঠাবেন।

    নীলাদ্রি বলল, পুলিশকে বলে দেবে, আমরা কেউ যাব না। তুমি আমি কেউ নয়; দয়া করে তারা আমাদের যেন আর খবর না দেয়। অনেক হয়েছে। এনাফ ইজ এনাফ।

    যামিনী চুপ করে থেকে বলে, আচ্ছা, তাই বলে দেব।

    কদিন পরেই থানা থেকে আবার ফোন আসে–

    বাগনানের কাছে রেললাইনের পাশে একটা বডি পাওয়া গেছে ম্যাডাম। অবস্থা খুব খারাপ। মুখ প্রায় বোঝাই যাচ্ছে না। রেলেকাটা যেমন হয় আর কী। একবার যদি চান কাল মর্গে গিয়ে দেখে আসতে পারেন।

    আমরা আর ডেডবডি দেখব না বলতে গিয়েও থমকে যায় যামিনী। বুঝতে পারে একথা বলার ক্ষমতা তাদের নেই। ক্লান্ত গলায় বলে, ঠিক আছে আমি যাব।

    আপনি!

    কেন আমি হলে অসুবিধে?

    ওপাশের লোকটা সামান্য হাসল। বলল, আমাদের আর সুবিধে-অসুবিধে কী বলুন। ম্যাডাম? আমাদের কিছু নয়, আমরা বলি, মেয়েমানুষের ওসব সিন না দেখাই ভালো।

    মেয়েমানুষ শুনে যামিনী বিরক্ত হয়। কঠিন গলায় বলে, যাদের ঘরে পুরুষমানুষ নেই তারা কী করে?

    সে না থাকলে আর কী করা যাবে? আপনি যদি যেতে চান তো যাবেন।

    যামিনী খানিকটা আপনমনে বলল, হ্যাঁ, এবার থেকে আমিই যাব।

    যামিনীর নাকে-মুখে আঁচল। মর্গের থলথলে চেহারার ডোম প্রথমে ভুরু কুঁচকে যামিনীকে। দেখেছিল। তারপর খানিকটা দ্বিধা নিয়েই মৃতদেহের মুখ থেকে কাপড় সরিয়ে দিল। মুখ নয়, একটা খোবলানো মাংস পিণ্ড! মাথা ঘুরে সেখানেই পড়ে যায় যামিনী। মর্গের কর্মীরা বাইরে ছুটে আসে। খোঁজ নেয়, জ্ঞান হারানো মহিলার সঙ্গে কেউ এসেছে কিনা। না, কেউ আসেনি।

    সবাই খুব বকাবকি করেছিল সেবার। বিশাখা বলেছিল, এটা তোমার খুব অন্যায় হয়েছে যামিনীদি। অন্তত নীলকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।

    যামিনী বিষণ্ণগলায় বলেছিল, নীল আর পারছে না। আমার কিছু হত না, আসলে ডেডবডিটা খুব খারাপ ছিল। রেল অ্যাক্সিডেন্ট। মুখটা একেবারে বিকৃত হয়ে গেছে। মনে পড়তে শিউরে উঠল যামিনী।

    হিন্দোলকে বলতে পারতে।

    কত বলব? ছেলেটা তো সবই করছে। অনেকবার মর্গেও তো গেছে। ডেডবডি ঘাঁটার জন্য মানুষকে রোজ রোজ বলতে লজ্জা লাগে। তোদের দেবনাথদা তার বউ, ছেলের জন্য চমৎকার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছে। ডেডবডি দেখার ব্যবস্থা। খুব ভাগ্য করলে সংসার এমন মানুষ পায়।

    বিশাখা বলে, এমন করে বলছ কেন যামিনীদি? এমন করে বোলো না।

    যামিনী আর পারল না। ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বলল, এর থেকে যদি দুটো লাইন চিঠি লিখে বলত, আমি ভালো আছি, তোমরা চিন্তা করো না। আমি আর বাড়ি ফিরব না। তা হলে এই খুঁজে বেড়ানোর যন্ত্রণা থেকে আমরা মুক্তি পেতাম।

    তারপর থেকে আর কখনও মর্গে যায় না যামিনী। নীলাদ্রিই আবার শুরু করেছে। তবে যত দিন যাচ্ছে, ডাক কমে আসছে। প্রায় এক বছর পরে ভবানীভবন থেকে আজ সকালে ফোন এল। বসার ঘরে ফোনটা বেজে যাচ্ছিল, যামিনী ধরছিল না। কাউকে ধরতে বলছিলও না। স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল। কাল রাতের পর থেকে কথাবার্তা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। কিঙ্কিনি ফেরার পর নীলাদ্রিকে মোবাইলে ফোন করেছিল।

    ফিরে এসো।

    কিঙ্কি ফিরেছে?

    যামিনী থমথমে গলায় বলল, হ্যাঁ, ফিরেছে।

    নীলাদ্রি উদবিগ্ন হয়ে বলল, কী হয়েছিল?

    জানি না। জানতে চাইও না। মদ খেয়ে ফিরেছে।

    নীলাদ্রি একটু চুপ করে থেকে বলে, কী আজেবাজে কথা বলছ মা!

    যামিনী বলল, ঠিকই বলছি। তোমার বোন শুধু মদ খায়নি, বাড়িতে ঢুকে মাতালের। মতো আচরণ করছে। তুমি চলে এসো।

    হতভম্ব নীলাদ্রি দ্রুত সাইকেল চালিয়ে ফিরেছে। সন্ধের ঝড়-বৃষ্টিতে চারপাশ ঠান্ডা হয়ে গেছে। তার ওপর অনেক রাত। কিঙ্কি মদ খেয়েছে! হতেই পারে না। মা নিশ্চয় বানিয়ে বলছে। মেয়েটার ওপর মায়ের খুব রাগ। বানিয়ে বানিয়ে দোষ খোঁজে। তবে যতই রাগ থাকুক মেয়ে সম্পর্কে এমন বিশ্রী কথা বানিয়ে বলাও ঠিক নয়। কিঙ্কি শুনলে কী হবে? মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও তেতো হবে। এর একটা শেষ দরকার। তবে কিঙ্কিটা যেন কেমন হয়ে যাচ্ছে। পাড়ার দু-একজন পুরোনো বন্ধু তাকে বলেছে। বদ্র একদিন বলেছিল, একটা কথা বলব নীল? কিছু মনে করবি না তো?

    কী হয়েছে?

    বদ্রু একটু দ্বিধা করেই বলল, তোর বোন বলেই বলছি।

    কিঙ্কি! কী করেছে কিঙ্কি!

    বদ্রু একটা হাত নীলাদ্রির কাঁধে রেখে বলল, তোর বোন তো আমাদেরই বোনের মতো, সেদিন দেখলাম ঠা ঠা দুপুরে রেল গেটের কাছ দিয়ে যাচ্ছে।

    নীলাদ্রি বিড়বিড় করে বলল, হয়তো কাজে যাচ্ছিল, পড়তৌড়তে যায়।

    পড়তে যাচ্ছিল না, ওকে দেখেই বুঝতে পেরেছি। জায়গাটা তো ভালো নয়। রেলগেটের ভাঙা শিবমন্দিরে একটা বাজে আখড়া আছে, জানিসই তো। মদ-গাঁজা খাওয়া হয়।

    নীলাদ্রি বোনকে ডেকে বলেছিল। ভালোভাবেই বলেছিল, রাগারাগি করেনি।

    জায়গাটা বাজে, ওদিকে যাসনি।

    কিঙ্কিনি উড়িয়ে দিয়ে বলেছিল, কত বাজে? আমার বাড়ির থেকে বাজে তো নয়। আমি আজকাল বাজে জায়গাই পছন্দ করছি দাদা। ভাবছি একদিন ওই ভাঙা মন্দিরে যাব। তুই যদি চাস, চল না।

    সেদিন হাসাহাসি করলেও আজ মারাত্মক অন্যায় করেছে কিঙ্কি। কোনওভাবেই তাকে ক্ষমা করা যায় না। এত রাত করা তার উচিত হয়নি। মোবাইল ফোনটাও বন্ধ রেখেছিল! হায়ার সেকেন্ডারি কেন চাকরি করলেও কোনও মেয়ে এই কাজ করতে পারে না। না বলে এত রাত পর্যন্ত বাড়ির বাইরে! বাবা থাকলে, ও এই সাহস পেত? কিঙ্কি কেন? ছেলে হয়ে সে নিজেও একাজ করতে পারত না। নীলাদ্রি ঠিক করেছিল, বাড়ি ফিরেই কিঙ্কিনিকে বকাঝকা করবে। সে সুযোগ পায়নি। কিঙ্কিনি দরজা আটকে শুয়ে পড়েছিল। সেই দরজা সকালেও খোলেনি। মা বাড়ি থাকা পর্যন্ত সে খুলবে না তা-ও বোঝা যাচ্ছিল।

    ফোনটা বেজেই যাচ্ছিল। নীলাদ্রি নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে ধরল। ভবানীভবন শুনে বিরক্ত গলায় বলল, বলুন কী ব্যাপার।

    একটা সুইসাইড কেস হয়েছে। মিডল এজেড মেইল। দুবছর হল বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত। বাড়ি মানে একতলার একটা ঘর। কাল বিকেলে গলায় দড়ি দিয়েছে। পুলিশ গিয়ে জানতে পেরেছে, লোকটা বাড়িওলার কাছে নাম ঠিকানা সবই মিথ্যে দিয়েছিল। সুটকেসের একপাশে শুধু লেখা আছে ডি. চট্টোপাধ্যায়।

    নীলাদ্রি বলল, ডি মানেই দেবনাথ হবে এমনটা ভাবলেন কেন? ডি দিয়ে অনেক নাম হতে পারে।

    ওপাশ থেকে লোকটি বলল, আমরা কিছুই ভাবিনি। আপনাদের জানানোটা ডিউটি তাই জানালাম। নইলে আপনারাই তো বলবেন পুলিশ কিছু করে না। এখন বুঝতে পারছেন, পুলিশ করে। পাঁচ বছরের পুরোনো কেসও আমরা তামাদি করিনি।

    নীলাদ্রি চাপা গলায় বলল, লাভ তো কিছু হচ্ছে না, অকারণ ছোটাছুটি করছি।

    আর দুটো বছর কষ্ট করুন।

    তারপর কী? নীলাদ্রি অবাক হল।

    সাত বছর হয়ে গেলে গভর্মেন্ট থেকেই ডেথ ডিক্লেয়ার করে দেয় বলে শুনেছি। সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন।

    নীলাদ্রি মুখ দিয়ে আওয়াজ করে বলল, জানি, কিন্তু তারপর কি আর ডেডবডি দেখতে হবে না?

    লোকটা ব্যঙ্গের গলায় বলল, না দেখলেও চলবে। এত বিরক্ত হতে হবে না।

    নীলাদ্রি লজ্জা পেল। বিরক্ত ভাবটা বেশি দেখানো হয়েছে। সত্যি তো পুলিশ কী করবে? তারা যে আজও খবর দিচ্ছে, এটাই অনেক।

    যামিনী কোনও উৎসাহ দেখাল না। নীলাদ্রি আত্মহত্যার কথাটা গোপন রেখে বলল, সুটকেসের গায়ে না কোথায় ডি চট্টোপাধ্যায় লেখা পেয়েছে। কী করব? যাব?

    তুমি যদি চাও যাবে।

    নীলাদ্রি খবরের কাগজ টেনে নিয়ে বলল, যা চাই তা কি করা যায়? পাঁচ বছরে পেরেছি?

    যামিনী খানিকটা নিজের মনেই বলল, গিয়ে কোনও লাভ হবে না।

    জানি, তবু যেতে হবে। নীলাদ্রি কাগজে মন দেওয়ার চেষ্টা করল।

    যামিনী বলল, যদি যাও সঙ্গে কাউকে নিয়ে যেও, একা যেও না।

    নীলাদ্রি মুখ তুলে বলল, না, যাওয়ার হলে এবার থেকে আমি একাই যাব। কাউকে বলতে অপমান লাগে। মনে আছে, গতবার প্রণবকে বলেছিলাম, কেমন অ্যাভয়েড করে গেল। বলল ছেলেকে নিয়ে ব্যস্ত আছি। আর নয়।

    যামিনী খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, কাল ওখানে গিয়েছিলি না?

    কোথায়? বাবার অফিসে?

    কিছু হল? কিছু বলল? যামিনী দাঁড়িয়ে পড়ে ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।

    কাগজের পাতা উলটোতে উলটোতে নীলাদ্রি এমন ভান করল যেন কথাটা শুনতে পায়নি। যামিনী আবার বলল, কীরে, কী হল বললি না তো?

    নীলাদ্রি বলল, না, কিছু হয়নি। কথাটা বলেই বুঝল, মিথ্যেটা সহজভাবে বলা হল না।

    যামিনী ভুরু কোঁচকালো, হয়নি মানে!

    নীলাদ্রি মুখ নামিয়ে বলল, অর্ধেন্দুকাকুর সঙ্গে দেখা হয়নি।

    ও, তুই আর ফোন করেছিলি?

    নীলাদ্রি কথা ঘুরিয়ে দিয়ে বলল, না, পরে করব। মা শোনো, কিঙ্কিকে নিয়ে তোমার সঙ্গে আমার কথা আছে।

    যামিনী রান্নাঘরে ঢুকে যেতে যেতে বলল, আমার নেই।

    সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউর ওপর মিষ্টির দোকান দেখে দাঁড়িয়ে পড়ল নীলাদ্রি। এখানে জল পাওয়া যাবে। চা-ও রয়েছে। চা খেলে কি মুখের তেতো ভাবটা কমবে? চায়ের অর্ডার দিয়ে। ভালো করে মুখ ধুল নীলাদ্রি। দোকানের কিশোর ছেলেটি এগিয়ে বলল, আর কিছু খাবেন?

    না।

    খান না ভালো শিঙাড়া আছে। গরম।

    নীলাদ্রি হেসে হাত নাড়ল। ছেলেটা যদি জানত, খানিকক্ষণ আগে তার খদ্দের মর্গের ভেতর ছিল, তা হলে কি এত সহজে শিঙাড়ার কথা বলতে পারত? শ্রীময়ীকে না বললে সে ও কি বুঝতে পারবে? পরশু যখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছিল, তখন অবশ্য মর্গের বিষয়টা ছিল না। ফোনে শ্রীময়ী বলেছিল, ছটার সময় নন্দনের সামনে দাঁড়াই তা হলে?

    নীলাদ্রি বলল, আবার সেই নন্দন? তোমাকে বলেছি না, জায়গাটা আমার পছন্দ হয় না।

    শ্রীময়ী হেসে বলল, কেন বল তো, তোমার নন্দন নিয়ে এত অ্যালার্জি কীসের?

    নন্দন নিয়ে নয়, কবিদের ভিড় নিয়ে। শরীরের ভেতর আমার কেমন যেন করে? ইরিটেশন হয়।

    আমিও তো কবিতা লিখি। আমাকে নিয়ে ইরিটেশন হয় না তো? কথাটা বলে সুন্দর করে হাসল শ্রীময়ী।

    শ্রীময়ীর এই সুন্দর হাসি নীলাদ্রি প্রথম দেখে ঠিক দু-বছর আগে। কলকাতার কোনও এক বিয়েবাড়িতে। মেয়েটাকে আহামরি কিছু দেখতে নয়, চট করে চোখেও পড়েনি। হঠাৎ নীলাদ্রির নজর কাড়ল হাসি। চমকে উঠেছিল। মেয়েটা হেসে শুধু নিজেই সুন্দর হয়নি, চারপাশটাও বদলে দিয়েছে! ঝলমলিয়ে উঠেছে। মানুষের হাসি এত সুন্দর হয়। সেদিন সেই মেয়ে যতবার হেসেছে লুকিয়ে দেখেছিল নীলাদ্রি। বিয়েবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার সময়, সিঁড়ির কোনায় মেয়েটাই তাকে ধরে। সহজভাবে বলে, খেলেন, অথচ মেনুটা নিয়ে গেলেন না? খাবারের নাম তো সব ভুলেই যাবেন। নিন ধরুন। হাতে একটা কাগজ গুঁজে তরতরিয়ে ওপরে উঠে যায় একইরকম সহজ ভঙ্গিতে।

    হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে সেই কাগজ খুলেছিল নীলাদ্রি। কাগজে দ্রুত হাতে লেখা–

    একটা অচেনা মেয়ের দিকে অমন করে তাকিয়ে থাকতে হয়? ছিঃ। আমি খুব রাগ করেছি। আপনি কে? আমি শ্রীময়ী। আমার মোবাইল নম্বর নীচে লিখে দিলাম। আপনি কাল বিকেলে ফোন করে ক্ষমা চাইবেন। আমি অপেক্ষা করব।

    নীলাদ্রি পরদিন সকালেই ফোন করেছিল। সেদিন তার অফিসে কাজ ছিল। যাওয়ার পথেই করে। বিকেলে ছুটির পর দেখা করে শ্রীময়ী।

    শ্রীময়ী একদিন জিগ্যেস করেছিল, শুধু কি আমার হাসিও সুন্দর, আমি সুন্দর নই?

    নীলাদ্রি বলল, হাসি কান্না সুন্দর হলে তবেই মানুষ সুন্দর হয়।

    তোমার হাসিও সুন্দর নীল।

    নীলাদ্রি মুখ ফিরিয়ে বলেছিল, মনে হয় না।

    শ্রীময়ী হেসে বলে, তুমি কী করে বুঝবে? তুমি কি কখনও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের হাসি দেখেছ? আজই বাড়ি ফিরে দেখবে।

    নীলাদ্রি ম্লান হেসে বলল, আমাদের বাড়িতে বহুদিন হাসি বন্ধ শ্রীময়ী। হাসতে ইচ্ছে করলেও আমি বা আমার বোন হাসতে পারি না। কেন পারি না জানো? পাছে লোকে কিছু বলে, বলে এদের বাবা এদের ছেড়ে চলে গেছে তবু এরা হাসে কী করে! এদের লজ্জা করে না!

    শ্রীময়ী ঘন হয়ে আসে। নীলাদ্রির পিঠে হাত রেখে বলে, সব ঠিক হয়ে যাবে।

    হবে না শ্রীময়ী। মানুষ মারা গেলে একদিন সব ঠিক হয়ে যায়। হারিয়ে গেলে হয় না। মাঝেমধ্যে বড় অপমানিত লাগে।

    শ্রীময়ী থামিয়ে দেয়। নীলাদ্রির হাত ধরে বলল, ওসব কথা রাখো। এখন আমার দিকে তাকাও তো, অ্যাই তাকাও বলছি। একটা কবিতা লিখেছি শুনবে?

    নীলাদ্রি মুখ ফিরিয়ে হেসে ফেলে। বলে, আমাকে কবিতা শোনাবে! খেয়েছে, আমি কবিতার কী বুঝব?

    শ্রীময়ী হেসে বলল, কেন তুমি কি শুধু হাসি বোঝ? হাসিবিশারদবাবু? এবার থেকে তোমাকে কবিতাও বুঝতে হবে। কবিতা রাগ দুঃখ অপমান সব মুছে দিতে পারে।

    চায়ের কাপ মুখে তুলতে গিয়ে নীলাদ্রি হাত সরিয়ে নেয়। একটু আগে দেখে আসা মুখটা আবার মনে পড়ল। কী ভয়ঙ্কর! গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করলে মানুষের মুখ এত ভয়াবহ হয়ে যায়! এত বীভৎস। জিভ ঝুলে পড়েছে, চোখ বেরিয়ে এসেছে ঠিকরে। যেন শেষ মুহূর্তে সবটা দেখে নিতে চেয়েছিল! একটা জীবনে যতটা দেখা যায়, যতটা বাকি রয়ে গেল– সব। ভাগ্যিস মানুষটা তার বাবা ছিল না। মা এই দৃশ্য সহ্য করতে পারত না।

    আবার গা গুলিয়ে উঠল নীলাদ্রির। সে ভরা চায়ের কাপ রেখে দাম মিটিয়ে বেরিয়ে এল। ফোন করে আজ আসতে বারণ করে দেবে শ্রীময়ীকে? বাড়ি ফিরে যাবে? না থাক, শ্রীময়ীর সঙ্গে থাকলে মনটা ভালো হয়।

    মন ভালো হল না নীলাদ্রির। মর্গের কথা শুনে শ্রীময়ীও মুষড়ে পড়ল।

    নীলাদ্রি বলল, সরি, তোমাকে বলা ঠিক হয়নি।

    শ্রীময়ী ফিসফিস করে বলল, না, তুমি সবই বলবে। সব।

    নীলাদ্রি বিষণ্ণ হেসে বলল, একটা সুন্দর হাসির মেয়ে কেমন দুঃখের মধ্যে জড়িয়ে পড়ল বল দেখি।

    একশোবার পড়ব। তুমি কিছু লুকোবে না, তোমার সব কষ্ট আমাকে জানাবে। নীলাদ্রি আবার হাসল। সব জানাবে কী করে? সব কি জানানো যায়? সব কি সে নিজেও জানে? জানে না। কেন কিঙ্কির ওপর মায়ের এত রাগ, এত ঘৃণা? কেন অর্ধেন্দু দত্ত তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বাবার অফিসে পিওনের কাজ দিতে চায়? কীসের প্রতিশোধে সে এই অপমান করে? কেন কিঙ্কির মতো চমৎকার মেয়ে মদ খেয়ে বাড়ি ফেরে? তার থেকেও বড় কথা পাঁচ পাঁচটা বছর পার হয়ে গেল, আজও জানা হল না, সেই মানুষটা কেন সব ছেড়ে চলে গেল? সবাইকে ছেড়ে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }