Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. লোকটা জালিয়াত

    ০৯.

    এক ঝলক দেখেই নীলাদ্রি বুঝতে পারল, লোকটা জালিয়াত। ছোটখাটো জালিয়াতি নয়, বড় ধরনের জালিয়াত। বড় ধরনের জালিয়াতরা আজকাল টিয়াপাখির বদলে কম্পিউটার, মোবাইল সাজিয়ে এমন কায়দায় বসে যেন বিজ্ঞান প্রযুক্তি ছাড়া এক পা-ও নড়ে না। মানুষের ভাগ্য, কুষ্ঠি বিচার, আংটির পাথর, মাদুলির সাইজ সব কী বোর্ড টিপে বলে দেয়। এই লোকও তাই করেছে। টেবিলের ওপর ল্যাপটপ সাজিয়ে বসেছে। প্রতি কথার পরেই খটখট আওয়াজ করে কী বোর্ড টিপছে। এখানে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। তবু সে চুপ করে আছে। কারণ এই লোকের কাছে তাকে নিয়ে এসেছে শ্রীময়ী। দুম করে উঠে গেলে শ্রীময়ীকে অপমান করা হবে।

    লোকটা মুখ না তুলে বলল, কী হারিয়েছে ভাইটি?

    নীলাদ্রি পাশে বসা শ্রীময়ীর মুখের দিকে তাকাল। তারপর বলল, কী নয়, কে। আমার বাবা পাঁচ বছর হল নিখোঁজ।

    লোকটা মুখ তুলে একবার নীলাদ্রির মুখের দিকে তাকাল। বলল, ও। ফের ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বলল, তা বাবার নাম কী ভাইটি?

    ভাইটি ভাইটি শুনতে অসহ্য লাগছে নীলাদ্রির। শুধু ভাইটি নয়, তুমি সম্বোধনেও তার আপত্তি। এই ধরনের বুজরুকদের এগুলো এক একটা অংশ।

    বাবার নামটা বললে না?

    দেবনাথ। দেবনাথ চট্টোপাধ্যায়।

    বয়স কত?

    কোন বয়সটা বলব? যখন হারিয়ে গেছে? ফিফটি টু। তারপর পাঁচ বছর হয়ে গেল।

    ও তা হলে সাতান্ন হল, মা আছেন?

    হ্যাঁ যামিনী চট্টোপাধ্যায়।

    ভাইটি, মায়ের বয়স কত?

    এখনকার বয়স?

    না, এখনকার নয়, তোমার বাবা যখন বাড়ি ছাড়লেন সেই সময়ের বয়সটা বল।

    নীলাদ্রি বিরক্ত হয়ে ভুরু কোঁচকালো। পাশে বসা শ্রীময়ীর মুখের দিকে আবার তাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে বলল, ঠিক জানি না।

    ভাইটি এটা যে জানতে হবে। মায়ের বয়স না জানলে বাবার বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণ বোঝা যাবে কী করে?

    নীলাদ্রির ভুরু আরও কুঁচকে গেল। কপালে ভাঁজ পড়ল। লোকটা কী বলতে চাইছে? সে নড়েচড়ে বসল। রুক্ষ গলায় বলল, আমি তো আপনার কাছে বাবার চলে যাওয়ার কারণ জানতে আসিনি। শুনলাম, আপনি নাকি হারানো জিনিস, মানুষ খুঁজে দেন। যদিও আমি এসব বিশ্বাস করি না।

    লোকটা দাঁত বের করা ধরনের হেসে বলল, বিশ্বাস যে কর না দেখেই বুঝতে পারছি ভাইটি। তাতে কিছু এসে যায় না। আমার এই কাজ ধম্মকম্ম, পুজোআচ্চা নয়, এতে অং বং চং মন্ত্র নেই যে তোমাকে বিশ্বাস করতে হবে। জ্যোতিষীদের মতো পাথর, মাদুলি বিক্রির ব্যবসাও খুলে বসিনি। ওদের মতো তুমি কি আমার গায়ে নামাবলি বা কপালে তিলক দেখতে পাচ্ছ? পাচ্ছ না। কারও বিশ্বাস অবিশ্বাসের ওপর আমার কাজ নির্ভর করে না। আমি অন্য পদ্ধতিতে কাজ করি। দেখছই তো তোমার কাছ থেকে পাওয়া ইনফরমেশনগুলো আগে কম্পিউটারে তুলে নিচ্ছি। তারপর আমার পদ্ধতি অ্যাপ্লাই করব।

    কথাটা বলে লোকটা আবার সামনে রাখা ল্যাপটপে খটাখট আওয়াজ করল। নীলাদ্রির খুব ইচ্ছে করল জিগ্যেস করে, পদ্ধতিটা কী? আপনি কি হারিয়ে যাওয়া খুঁজে পাওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের কোনও সফটওয়্যার ব্যবহার করেন? তার আগেই শ্রীময়ী টেবিলের ওপর সামান্য ঝুঁকে পড়ে বলল, আসলে আমরা চাইছিলাম, আপনি যদি মানুষটার কোনও হদিস দিতে পারেন। শুনেছি…।

    লোকটা মুখ তুলে একইরকম অতি বিনয় মাখা গলায় বলল, তুমি কে বোনটি? দেবনাথবাবুর কন্যা?

    শ্রীময়ী তাড়াতাড়ি বলল, না না, আমি কেউ নই, আমি এর বন্ধু।

    তা হলে তো বোনটি তোমাকে একটু বাইরে গিয়ে অপেক্ষা করতে হয়।

    নীলাদ্রি কড়া গলায় বলল, ও এখানেই থাকবে। ও-ই আমাকে আপনার কাছে এনেছে।

    সেটা খুব আনন্দের কথা। কিন্তু বোনটিকে এখন ঘরে রাখা যাবে না। কোনও অনাত্মীয়কে সামনে রেখে আমি কাজ করব কী করে? ডাক্তার যখন রোগীকে পরীক্ষা করে বাইরের লোককে থাকতে দেয়?

    নীলাদ্রি দেখল এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার এটা সুযোগ। প্রতিবাদ জানিয়ে শ্রীময়ীর সঙ্গে সেও বেরিয়ে যাবে। শ্রীময়ী তার আগেই উঠে পড়ল। নীলাদ্রির কাঁধে হাত রেখে নীচু গলায় বলল, প্লিজ তুমি কথা বল। আমি বাইরে অপেক্ষা করছি।

    অনেকক্ষণ থেকেই নীলাদ্রির মেজাজ খারাপ হয়ে আছে। শ্রীময়ী ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যেতে সেটা আরও বাড়ল। সে এখানে একেবারেই আসতে চায়নি। শ্রীময়ীর জন্য বাধ্য হয়েছে। সেদিন। শ্রীময়ীকে বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিচ্ছিল। শ্রীময়ী বলল, একটা কথা বলব? রাখবে?

    নীলাদ্রি অবাক হয়ে বলল, বাবা, এমনভাবে বলছ যেন গন্ধমাদন পর্বত নিয়ে আসতে হবে।

    তোমাকে একজনের কাছে নিয়ে যাব, যাবে?

    কার কাছে?

    শ্রীময়ী বলল, সে একজন আছে। আগে বল যাবে। তোমার বাবার ব্যাপারে।

    নীলাদ্রি ঠোঁটের ফাঁকে একটু হেসে বলল, কার কাছে? তোমার চেনা কোনও পুলিশ অফিসার? কোনও লাভ নেই শ্রীময়ী। থানা পুলিশ করে করে ফেডআপ হয়ে গেছি। পাঁচ বছর তো কম সময় নয়।

    না, থানা পুলিশ নয়, একজন লোক আছে সে নাকি হারানো জিনিস, হারানো মানুষ খুঁজে দিতে পারে।

    নীলাদ্রি হাঁটতে হাঁটতে দাঁড়িয়ে পড়ে।

    ধ্যুৎ, তুমি জ্যোতিষে বিশ্বাস কর নাকি শ্রীময়ী! ছি ছি, একজন কবি হয়ে তুমি শেষ। পর্যন্ত কিনা আমাকে জ্যোতিষীদের শরণাপন্ন হতে বলছ!

    শ্রীময়ী তাড়াতাড়ি বলে, আমি মোটেও ওসব বিশ্বাস করি না। আর যার কাছে যেতে বলছি তিনিও মোটে জ্যোতিষী নন।

    তা ছাড়া আর কী হবে? হারানো মানুষ কোথায় আছে সে তো আর চোখ বুজে সাধারণ মানুষ বলতে পারবে না, তার জন্য অমুকবাবা তমুকবাবা কিছু একটা হতে হবে। যত সব ভণ্ড।

    শ্রীময়ী হাঁটতে শুরু করল। বলল, শুনেছি এই লোকটা অন্যরকম। আমাদের রান্নার মাসি সোনারপুরের দিক থেকে আসে। ও-ই গল্প করেছিল, লোকটা সোনারপুরে বসে। তিন চারটে করে জায়গার কথা বলে দেয়। তার মধ্যে একটায় হারানো জিনিস পাওয়া যায়।

    নীলাদ্রি বলল, এই রে, তুমি তোমাদের রান্নার লোকের কাছেও বাবার ঘটনা বলেছ!

    মোটেও না, আমি কিছুই বলিনি। মাসিই সেদিন গল্প করছিল। মেয়ের কানের দুল হারিয়ে যেতে ওরা সেই লোকের কাছে গিয়েছিল। লোকটা অনেকক্ষণ কথাবার্তা বলে, তিন জায়গার নাম বলে দিল। দ্বিতীয়টাতেই দুল পাওয়া যায়। বাড়ির পিছনে লঙ্কা গাছের টবে। আরও নাকি আছে। গ্রামের কে ছাগল হারিয়েছিল। পরদিন সেই লোকের কাছে যেতে…।

    নীলাদ্রি জেরে হেসে উঠল। পথচলতি কয়েকজন মুখ ঘুরিয়ে তাকাল। নীলাদ্রি বলল, আমার বাবা কানের দুল নয়, ছাগলও নয়। এভাবে মানুষ পাওয়া যাবে না।

    একটা ছেলেকেও খুঁজে দিয়েছে। আট-নবছরের ছেলে। বাড়ি থেকে পালিয়ে কলকাতায় চলে এসেছিল। বড়বাজার গিয়ে পাওয়া গেল। সে নাকি ট্রাকে চেপে মুম্বই যাবে। আমি রান্নার মাসির কাছ থেকে লোকটার ঠিকানা রেখে দিয়েছি। সোনারপুর স্টেশনে নেমে একটুখানি যেতে হবে।

    শ্রীময়ী, এগুলো বুজরুকি ছাড়া কিছুই নয়। শুনে মনে হচ্ছে, লোকটা কথাবার্তা বলে কয়েকটা প্রব্যাবিলিটি বুঝতে পারে। হারানো জিনিস কোথায় থাকতে পারে তার সম্ভাবনা। দু একটা কেস মিলে যায়। সেগুলিই মুখে মুখে ছড়ায়। বুজরুকের ব্যবসা বাড়ে। যেসব কেস ফেল। করে সেগুলো কেউ জানতে পারে না। কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাসের ব্যাপারগুলো সব এরকমই। মুখে মুখে শুনে মানুষ পাগলের মতো ছোটে। কাগজে দেখনি, মানুষ যখন চাঁদে জমি কেনার কথা ভাবছে তখন এখানে অসুখ সারাতে একদল মানুষ কাদায় গড়াগড়ি খাচ্ছিল! কোনও বহুদূরের গণ্ডগ্রামে নয়, কলকাতার কাছেই এ ঘটনা ঘটেছে। এইসব জালিয়াতদের পেইড এজেন্টও থাকে। তারা মুখে মুখে গপ্প ছড়ায়। তোমার এই রান্নার মাসি নিশ্চয় সেরকম একজন। কেন্স পিছু কমিশন পাবে। এসব একদম বিশ্বাস কর না।

    শ্রীময়ী বলল, আমি বিশ্বাস করি না, কিন্তু একবার যেতে অসুবিধেটা কোথায়? পাঁচ বছর ধরে কত জায়গায় তো ছুটোছুটি করছ। যে যেরকম বলেছে সেখানেই গেছ। এখানে কত আর খরচ হবে?

    নীলাদ্রি এবার বিরক্ত হলে বলল, খরচটা বিষয় নয়, বিষয়টা অন্য। যত বড়ই বিপদ হোক, তা বলে একজন বুজরুকের কাছে ছুটব; নিজেকে সারেন্ডার করব!

    সারেন্ডারের প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে! শুনে চলে এলেই হবে। নতুন একটা সম্ভাবনার কথাও তো লোকটা বলতে পারে। না বুঝেও বলতে পারে। তোমাদের খোঁজার একটা নতুন দিক খুলে যাবে। দেখ নীলাদ্রি, তোমার বাবাকে পাওয়া গেলে আমি তোমাদের থেকে কম খুশি হব না। তার কারণ তোমার বাবা নন, তুমি। কথাটা স্বার্থপরের মতো শোনালেও সত্যি, আমার ভালোবাসার মানুষটাকে রোজ মন খারাপ করতে দেখলে আমার কষ্ট হয়।

    নীলাদ্রি হতাশ গলায় বলল, ঠিক আছে চল, দেখি তোমার সাধুবাবা কী বলেন। তবে একটা কথা বলে দিচ্ছি, মেজাজ ঠিক থাকবে কিনা জানি না। ঘোরতর অবিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছি তো, রাগ না চড়ে যায়। মাকে পাঠালেই ভালো হত। কিন্তু সেটা করব না। মা ওই লোকের কথা বিশ্বাস করে ফেলতে পারে। একবার কোন পুরোহিত মশাই মায়ের হাত দেখে বলেছিল, আপনার স্বামী ফিরে আসবে, আপনি তিনদিন ধরে যজ্ঞ করুন। মা বলল, তিন দিন ধরে! সে তো বিরাট ঝামেলা। পুরুত মশাই বললেন, সে তো ঝামেলাই। তবে শাস্ত্রে বিকল্প ব্যবস্থা আছে। মা বলল, কী ব্যবস্থা? পুরুতমশাই বললেন যজ্ঞ করতে না পারলে তিন হাজার তিন টাকা ধরে দিন। মা বলল, তিন হাজার! এত টাকা? পুরুতমশাই বললেন, স্বামী তিন বছর নিখোঁজ, তাই তিন হাজার। মা টাকা দিয়ে দিল। এই কারণেই মাকে এখানে পাঠাব না।

    লোকটাকে মোটেই জ্যোতিষী বা পুরোহিতের মতো দেখতে নয়। ব্যস্ত রাস্তার ওপর একফালি চেম্বার। বাইরে ছোট একটা টিনের সাইনবোর্ডে এঁকাবেঁকা করে ভুল বানানে লেখা–

    মধুসূদন কুইল্যা। প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের সাহায্যে হারানো জিনিস খুঁজে পাবার পরামর্শ দেন। ভিজিট একশত টাকা মাত্র।

    ঘরে ঢুকে দেখা গেল লোহার টেবিলের ওদিকে কারুকাজ করা পাঞ্জাবি পরে চিমসে চেহারার একজন বসে আছে। লোকটার চেহারার মধ্যেই একটা ধূর্ত ভাব। চোখগুলো ঢুলু ঢুলু। গলায় একটা মোটা সোনার চেইন। সোনার না-ও হতে পারে, হয়তো ইমিটেশন। পাড়া গাঁয়ের লোকদের ঘাবড়ে দেবার জন্য পরে রেখেছে। অনেকসময় গরিব মানুষ বড়লোকদের বাড়তি বিশ্বাস করে। টেবিলে ল্যাপটপ খোলা। লোকটা সেই ল্যাপটপের দিকে চেয়ে আছে এক দৃষ্টিতে। পিছনের দেয়ালে অজস্র ঠাকুর দেবতার ফটো। কোনওটায় শুকনো মালা ঝুলছে। টেবিলের এপাশে দুটো লোহার চেয়ার। নীলাদ্রি, শ্রীময়ী এসে সেখানেই বসেছিল। শ্রীময়ী বেরিয়ে যাওয়ার পর নীলাদ্রি বলল, একটু তাড়াতাড়ি করবেন মধুসূদনবাবু।

    লোকটা চোখ তুলে গা জ্বালানো ধরনের হাসল।

    বন্ধুকে চলে যেতে বলেছি বলে রাগ হল ভাইটি?

    রাগে গা রি রি করে উঠল নীলাদ্রির। উপায় নেই সহ্য করতে হবে।

    কী করব বল, তোমার সঙ্গে এমন সব কথা হবে যা পরিবারের বাইরের কারও শোনা উচিত নয়। জিনিস হলে একটা কথা ছিল। তার পাপপুণ্য থাকে না। কিন্তু মানুষের বেলায় তা হবার নয় ভাইটি। তার অনেক লজ্জার ব্যাপার থাকে। সেসব অন্যরা শুনলে চলবে কেন? আমিই বা বলব কেন? যাক, ওসব বাদ দাও। মানুষ খোঁজার ভিজিট কিন্তু আমার বেশি।

    কত? ঠোঁট কামড়ে বলল নীলাদ্রি।

    বেশি নয়, তিনশত। হাত তুলে তিনটে আঙুল দেখাল মধুসূদন।

    নীলাদ্রি দ্রুত পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে টাকা দিল। আগে টাকা দিয়ে যদি আগে মুক্তি পাওয়া যায়।

    ধন্যবাদ। তুমি শিক্ষিত ছেলে বলে আগে টাকা দিলে। গাঁইয়াগুলো এটাই বুঝতে চায় না। বলে আগে জিনিস পাই তারপর ভিজিট। আরে বাপু, জিনিস কি আমি খুঁজে দেব বলেছি? তুই হারিয়েছিস তুই বুঝে নিবি। আমি শুধু পরামর্শ দেব। অ্যাডভাইস। ঠিক কিনা?

    নীলাদ্রি এসব কথা পাত্তা না দিয়ে বলল, বুঝতেই পারছেন মধুসুদনবাবু আমরা পাঁচ বছর ধরে কম খোঁজাখুঁজি করিনি। আজও করছি। পুলিশ ইনভেস্টিগেশন চলছে। এখনও ফোন করে ডেকে পাঠায়। সুতরাং বাদ প্রায় কিছুই নেই। আপনি সেটা মাথায় রাখবেন, তাতে আপনার পরিশ্রম কম হবে।

    মধুসূদন ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে বলল, এতে পরিশ্রম বাড়ল ভাইটি। আগে এলে কাজ সহজ হত। রোগী মর মর হলে তবে ডাক্তার বদ্যি ছেড়ে আত্মীয়রা মন্দিরে ছোটে। তখন ভগবান কিছু করতে পারেন না। কারণ ততক্ষণে কেস জটিল হয়ে গেছে, বেচারি ভগবান কী করবেন? তোমার বাবা মানুষটি কীরকম ছিলেন? রাগী না ঠান্ডা মাথার? খরুচে না কিপটে? ভীতু প্রকৃতির?

    নীলাদ্রি হেসে ফেলে বলল, এগুলো সব বলতে পারব না, তবে, মিষ্টি খেতে ভালোবাসতেন। ইনফরমেশনটা কাজে লাগবে?

    তুমি কি ঠাট্টা করছ ভাইটি?

    নীলাদ্রি সহজভাবে বলল, তা একটু করছি বইকি। ধরা যাক, আমার বাবা সাহসী ছিলেন, তাতে কী প্রমাণ হয়? উনি জঙ্গলে গিয়ে বাঘ-ভাল্লুকের সঙ্গে গা ঢাকা দিয়ে আছেন? এ সব জেনে আপনার লাভ?

    মধুসূদন চিবিয়ে বলল, ভাইটি, আমার লাভ ক্ষতিটা আমি বুঝলেই ভালো নয় কি? গোড়া থেকেই দেখছি তুমি তেড়েফুঁড়ে কথা বলছ। ব্যাপারটা কী বল তো? আমি তো হাতে পায়ে ধরে তোমাকে এখানে ডেকে আনিনি বাপু।

    নীলাদ্রি নিজেকে সামলে টেবিলের ওপর ঝুঁকে বলল, আমার বাবা একজন চমৎকার মানুষ ছিলেন। সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। আমাকে আর আমার বোনকে ভালোবাসতেন খুব। অফিস ছাড়া বাড়ি থেকে বেরোতেই চাইতেন না। যতটা পারেন হইচই করে সময় কাটাতেন।

    স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন ছিল? তোমার মায়ের সঙ্গে?

    নীলাদ্রি হেসে বলল, এই আপনার গোপন প্রশ্ন? লাভ নেই। ওই লাইনে অনেক তদন্ত হয়ে গেছে। আমার মায়ের সঙ্গে আমার বাবার সম্পর্ক ছিল লোহার শিকলে বাঁধা।

    মধুসূদন মুচকি হেসে বলল, লোহাতেও যে জং ধরে ভাইটি।

    সরি, আমার বাবা মানুষটা অন্যরকম।

    সব ছেলেমেয়েই এ কথা বলে। বাপ-মায়ের চরিত্রকে নিষ্কলঙ্ক, পবিত্র দেখে। তারপর এরকম একটা কাণ্ড ঘটলে সব ফঁস হয়। তখন মুখ লুকোনোর জায়গা পায় না।

    নীলাদ্রির চড়াৎ করে মাথায় রক্ত উঠে গেল। তারপরই মনে হল, এই লোকের ওপর রাগ করার কি কোনও মানে হয়? এই বুজরুক কি রাগ করার যোগ্য? সে গম্ভীর গলায় বলল, আমার বাবা আর পাঁচজনের মতো নয়।

    না, হলেই ভালো। কিছু মনে কোরো না ভাইটি, তোমার মা মানুষটি কেমন জানতে পারি কি? এই ধরনের গৃহত্যাগের ক্ষেত্রে স্ত্রী খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। স্ত্রীর চরিত্র গোলমাল থাকলে পুরুষমানুষের ঘরে মন টেকে না।

    নীলাদ্রি পিঠ সোজা করে বসল। বলল, মনে হচ্ছে আপনি একটু বেশি বলছেন। লিমিট ক্রস হয়ে যাচ্ছে না কি?

    মধুসূদন অবাক হওয়ার ভান করে বলল, এর মধ্যে কম বেশির কী হল? ঘরে আর কাউকে রাখিনি তো এই কারণেই। ডাক্তার, উকিল আর আমাদের মতো মানুষদের কাছে কিছু লুকোতে নেই। বাপ মায়ের কোনও দোষ থাকলে বলে দাও, আমার হিসেব করতে সুবিধে হবে। এই যে তুমি মাকে এখানে না এনে নিজে এসেছ, এটা একটি বুদ্ধিমানের কাজ করেছ। সে তো তার নিজের মুখে নিজের চরিত্রের কথা বলতে পারত না। নাও বল।

    কথা শেষ করে মধুসূদন কুইল্যা ফের তাকাল ল্যাপটপের দিকে।

    দাঁতে দাঁত চেপে নীলাদ্রি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছে। মনে হচ্ছে না পারা যাবে। এই বদ লোকটাকে ভালোমতো শিক্ষা দেওয়া দরকার।

    আমার মায়ের চরিত্র কেমন বলতে পারব না, তবে উনি বুজরুক দেখলে আমার মতো হাত গুটিয়ে বসে থাকেন না এটা জানি। ঠাটিয়ে চড় লাগান।

    মধুসূদন কুইল্যা চকিতে মুখ তুলে তাকাল। নীলাদ্রি নির্লিপ্ত ভাবে বলল, নিন এবার বলুন আপনার হিসেব কী বলছে?

    মধুসূদন পাশে রাখা মোবাইলটা তুলে কাকে যেন মেসেজ পাঠাল। তারপর বলল, অত হুটোপুটি করলে কী করে হবে? তা ছাড়া তুমি তো ইনফরমেশন প্রায় কিছু দিতেই পারছ না।

    যা পেরেছি সেটুকুতে কিছু হবে না? শুনেছি আপনি নাকি কেস পিছু খান তিন-চার অপশন দেন। আমার বাবার ক্ষেত্রে একটা অন্তত দিন। সেখানে গিয়ে একবার হারিয়ে যাওয়া মানুষটার খোঁজ করে দেখি।

    মধুসুদন কুইল্যার চোখ এখন আর ঢুলু ঢুলু নয়। পুরো খুলে নীলাদ্রির দিকে তাকিয়ে আছে। সেই চোখে রাগ। রাগ দেখে নীলাদ্রির নিজের রাগ একটু কমল। লোকটার মোবাইলে বিপ বিপ আওয়াজ করে আবার মেসেজ এল। লোকটা ফোন তুলে মেসেজ পড়ে জবাবও দিল। তারপর মুখ তুলে ঠান্ডা গলায় বলল, দেখুন, তিনশো টাকার আদ্দেকটা ফিরিয়ে দিচ্ছি, আপনি চলে যান। আমার অনেক সময় নষ্ট করেছেন। বাইরে অন্য কাস্টমাররা আছে। ঝামেলা করবেন না।

    তুমি থেকে সম্বোধন আপনি-তে উঠে যাওয়ায় নীলাদ্রি হাসল। হুমকি তা হলে ভালোই কাজ করেছে। চোখ বড় করে বলল, চলে যাব! সে কী দাদাভাই! চলে যাব কেন? বাবার কোনও হদিস দেবেন না? অত দূর থেকে এত কষ্ট করে এলাম। আমি তো ভিজিটের টাকা ফেরত চাই না, হারানো মানুষের খোঁজ চাই। সেই খোঁজ না পেলে তো এখান থেকে উঠব না।

    মধুসূদন কুইল্যা এবার চেয়ারে হেলান দিল। ঠোঁট দুটোকে সরু করে বলল, কী করবেন? মারবেন?

    নীলাদ্রি ডান পায়ের ওপর বাঁ-পাটা তুলে বলল, আমি তো সেরকম কিছু বলিনি। আমাকে দেখে আপনার গুন্ডা বলে মনে হচ্ছে? আপনি শুধু বাবা থাকতে পারেন এমন একটা জায়গা বলে দিন, আমি সেখানে চলে যাই। ব্যস, সমস্যা মিটে গেল।

    মধুসূদন কুইল্যা দুলতে দুলতে বলল, আপনি কিন্তু বাড়াবাড়ি করছেন।

    নীলাদ্রির মজা লাগছে। লোকটা ঘাবড়ে গেছে। মনে হচ্ছে, একটু পরেই কান্নাকাটি শুরু করে দেবে। ব্যস, তারপরেই উঠে পড়া যাবে।

    বাড়াবাড়ির এখনই কী দেখলেন? নিন, বলুন। নইলে আরও বাড়াবাড়ি হবে।

    মধুসূধন ঠোঁটের ফাঁকে হেসে বলল, জায়গা বললে আপনি সেখানে যেতে পারবেন?

    নীলাদ্রিও পালটা হেসে বলল, চেষ্টা করব।

    মধুসূদন একটু চুপ করে রইল। তারপর জিভ দিয়ে মুখে বিশ্রী একটা আওয়াজ করে বলল, হিসেবটিসেব কষে আমার কী মনে হচ্ছে জানেন? মনে হচ্ছে, আপনার বাবা জেলখানায় আছে। ছেলেকে দেখলেই বোঝা যাচ্ছে বাপটি কেমন। খুন বা রেপ করে পাকাপাকিভাবে ভেতরে ঢুকে গেছে। সেখানে তো আপনি যেতে পারবেন না ভাইটি।

    কথাটা বলে মধুসূধন কুইল্যা ফিক করে হাসলেন। নীলাদ্রি শান্তভাবে উঠে দাঁড়াল। বলল, কে বলেছে পারব না, খুব পারব।

    কীভাবে? চোখে কৌতুক নিয়ে মধুসূদন কুইল্যা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ল।

    এক মুহূর্তও সময় নিল নীলাদ্রি। মনে হয় দম টানল। তারপর গায়ের সব শক্তি দিয়ে চড় বসাল গালে। চিমসে লোকটা হুমড়ি খেয়ে পড়ল টেবিলের ওপর। নীলাদ্রি আঙুল তুলে বলল, আর একটু আছে দাদাভাই। ল্যাপটপটা তুলে ছুঁড়ে ফেলল মেঝেতে। ঝনঝন আওয়াজে বাইরে থেকে প্রথম দরজা ঠেলে ঢুকল শ্রীময়ী। টেবিলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে থাকা মধুসূদন কুইল্যা হিসহিস করে বলল, কাজটা ভালো করলে না ছোকরা, ভালো করলে না।

    রাগে কাঁপতে থাকা নীলাদ্রি শ্রীময়ীর হাত ধরে বলল, এবার চল, এই লোকটার একটা শিক্ষা দরকার ছিল।

    রিকশা ধরেও পালানো গেল না। নীলাদ্রিরা সোনারপুর স্টেশনে পৌঁছোনোর আগেই দুটো মোটরবাইক পথ আটকে দাঁড়াল। মোট চারজন এসেছে। বোঝাই যাচ্ছে, ঝামেলা হতে পারে ভেবে অনেক আগে থেকেই মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে এদের ডেকে নিয়েছিল মধুসূদন। নইলে এত তাড়াতাড়ি আসবে কী করে! তারা খুব ঠান্ডা গলায় নীলাদ্রিকে বলল, নেমে আয় শুয়োরের বাচ্চা।

    মোট দুদফায় মারা হল নীলাদ্রিকে। প্রথমবার রিকশা থেকে নামিয়ে রাস্তায়। দ্বিতীয়বার মধুসূধন কুইল্যার চেম্বারের সামনে। মধুসূদন নিজে লোহার রড এনে মারল। রক্তে ভেসে যাওয়া নীলাদ্রিকে আবার রিকশাতে তুলেও দিল ওরা যত্ন করে।

    গোটা পথটা তাকে জড়িয়ে শ্রীময়ী থরথর কাপল আর বিড়বিড় করে বলল, আমার জন্য হল, সব আমার জন্য হল…।

    রিকশা স্টেশনে পৌঁছনোর পরপরই নীলাদ্রি পুরোপুরি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দশটি রহস্য উপন্যাস – প্রণব রায়

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }