Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ১

    প্রথম অধ্যায়

    ১৯৭৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর জর্জ আর ক্যাথি লুৎজ সপরিবারে ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটাতে ওঠে। মাত্র আটাশ দিন থাকতে পেরেছিল ওরা, তারপর পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ওদের মতে এই ভয়ংকর বাড়িতে থাকা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব না। সেই কাহিনি শুরু করার আগে ওদের বাড়ি কেনার অভিজ্ঞতাটাও তুলে ধরা দরকার।

    জর্জ লি লুজের বয়স আটাশ। ওই বাড়িতে আসার আগে লং আইল্যান্ডের ডিয়ার পার্কে থাকত ওরা। ঘরবাড়ি আর জমিজমা কেনা-বেচার ব্যাপারে বেশ অভিজ্ঞ জর্জ। উইলিয়াম এইচ. প্যারি ইনকরপোরেটেড নামের একটি ভূমি জরিপ সংস্থার মালিক সে। মাঝে মাঝেই গর্ব করে ও বন্ধুদের বলতো, “তিন পুরুষ ধরে জমি-জমার ব্যাবসা করছি, আমাকে ঠকাবে এমন সাধ্য কারও আছে না কি?” সংস্থাটা খুলেছিলেন ওর দাদা, তারপর দায়িত্ব নেন ওর বাবা, এরপর জর্জ।

    জর্জের স্ত্রী ক্যাথলিনের বয়স ত্রিশ। অ্যামিটিভিলের বাড়িটা দেখার আগে জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত লং আইল্যান্ডের দক্ষিণে প্রায় পঞ্চাশটা বাড়ি দেখেছে ওরা দু’জন, কিন্তু কোনোটাই পছন্দ হয়নি। ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার ডলারের মধ্যে সাগরতীরের কাছাকাছি একটাও ভালো বাড়ি পাওয়া যায়নি যেখানে জর্জ তার ব্যাবসা স্থানান্তর করতে পারে।

    এভাবে খুঁজতে খুঁজতেই জর্জ, ম্যাসাপেকা পার্কের ‘কংকলিন রিয়্যালটি অফিস’র সাথে যোগাযোগ করে। সেখানকার কর্মচারী এডিথ ইভান্স জর্জকে জানান যে তাদের হাতে মোটামুটি নতুন একটা বাড়ি আছে এবং জর্জ চাইলে সেদিনই দুপুর তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার মধ্যে তিনি বাড়িটা দেখাতে পারেন। মহিলা ছিলেন খুবই আন্তরিক, বেশ সুন্দরীও। জর্জ ভাবল, বাড়িটা দেখাই যাক না? সে মহিলাকে জানাল যে দুপুরের আগ দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে আসছে। মহিলা বললেন, তিনিও প্রস্তুত থাকবেন।

    জর্জরা ঠিক সময়েই এসে পড়ল, এডিথও প্রস্তুত ছিলেন। দুপুর তিনটার দিকেই ওরা পৌঁছে গেল বাড়িটাতে।

    “বুঝলেন, আপনাদের বয়স কম,” হাসলেন এডিথ, “তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। জানি না বাড়িটা আপনাদের পছন্দ হবে না-কি। তবে এটুকু বলতে পারি, এটা কিনলে ঠকবেন না। পুরো অ্যামিটিভিলে এমন বাড়ি আর নেই।”

    বাড়ি দেখে ক্যাথি আর জর্জ তো অবাক! ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটাকে রীতিমতো প্রাসাদই বলা যায়। দু’শ সাইত্রিশ ফুট লম্বা আর পঞ্চাশ ফুট চওড়া জমির ওপর কাঠের টালিওয়ালা একটা বিরাট তিন তলা বাড়ি। আগের মালিক নিশ্চিতভাবেই বেশ পুরোনো আমলের লোক ছিলেন, কারণ বাড়িটা বেশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বানানো। ছায়ায় ঢাকা এবং বেশ পরিপাটি, ভেতরে কেমন যেন একটা অন্ধকার ভাব। বাড়ির সামনে পঞ্চাশ ফুটের মতো লম্বা একটা উঠান। সেখান থেকে একটু সামনে গিয়ে ডান দিকেই বাড়ির সদর দরজা। পাশেই একটা বেশ বড়ো গলি, ওটার মেঝে পাকা। তারপর গাড়ি রাখার গ্যারেজ। খুব সহজেই গাড়ি চালিয়ে ঢোকা যাবে ওই গলি দিয়ে। পিছন দিকে অ্যামিটিভিল নদীর ধার ঘেঁষে বেশ বড়ো একটা ছাউনিও রয়েছে। ওখানে সম্ভবত আগে নৌকা বেঁধে রাখা হতো। একটু পাশে আরেকটা গাড়ি রাখার গ্যারেজ। সেদিকে গাড়ি ঢোকানোর জন্য পিছনদিকে আরেকটা বিশেষ গলি

    গাড়ি চালানোর সামনের গলিটার পাশে একটা ল্যাম্পপোস্ট। ওতে একটা ফলক ঝোলানো, তাতে লেখা রয়েছে—’হাই হোপস’। আগের মালিক বাড়িটার এই নাম দিয়েছিলেন।

    বাড়ির বারান্দাগুলোও বেশ চওড়া। নিচতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে আশেপাশের বাড়িগুলো খেয়াল করল জর্জ। এই অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি বাড়িই বেশ পুরোনো ধাঁচের। বাড়িটার দু’পাশে জন্মানো অসংখ্য সবুজ গাছপালা এটাকে প্রতিবেশীদের নজর থেকে অনেকটাই আড়াল করে রেখেছে। উদাস নজরে চেয়ে রইল সে, তারপরেই হুট করে একটা জিনিস খেয়াল করল… আশেপাশের বাড়িগুলোতে এই বাড়িটার দিকে মুখ করা যত জানালা রয়েছে, সবগুলোই হয় বন্ধ করা নয়তো পর্দা দিয়ে ঢাকা। ভালো করে খেয়াল করল সে, ওই বাড়িগুলোর অন্য দিকের জানালাগুলো কিন্তু ঠিকই খোলা রয়েছে।

    এই বাড়িটা প্রায় এক বছর ধরে অবিক্রীত অবস্থায় রয়েছে। কোনো পত্ৰ- পত্রিকায় অবশ্য বিজ্ঞানপন দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র এডিথের কোম্পানির খাতায় বাড়িটার কথা ছিল—

    অ্যামিটিভিলে বাড়ি বিক্রি
    ১১২ নম্বর, ওশান অ্যাভিনিউ

    ওলন্দাজ আমলের বিশেষ স্থাপত্যশৈলীতে বানানো আরামদায়ক বড়ো বাড়ি, ছয়টি শোবার ঘর, একটি বড়ো বসার ঘর, খাবার ঘর, প্রতি তলাতে একটা করে ফুল[২] আর হাফ[৩] বাথরুম, দুটো গ্যারেজ, গাড়ি ঢোকানোর রাস্তা, সুইমিংপুল (পানি গরম করার ব্যবস্থা রয়েছে) আর নৌকা বাঁধার একটি বড়ো ছাউনি। প্রস্তাবিত মূল্য—আশি হাজার ডলার।

    [২. আমেরিকানরা ফুল বাথরুম বলতে বোঝে যেখানে মলত্যাগ, গোসল করা এবং মুখ ধোয়ার জায়গা রয়েছে।

    ৩. অপর দিকে যেগুলোতে শুধু মলত্যাগ আর মুখ ধোয়ার ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলো হাফ বাথরুম।]

    এমন একটা বাড়ির দাম মাত্র আশি হাজার ডলার! প্রথম দেখাতে কে বিশ্বাস করবে? হয়তো ভেবে বসবে যে টাইপিস্ট ভুল করে আশি হাজারের ‘৮’-এর আগে একটা ‘১’ লিখতে ভুলে গেছে। আবার কেউ কেউ ভাবতে পারে বাড়িটা শুধু বাইরেই ফিটফাট, কিন্তু ভেতরে সদরঘাট! জর্জেরও খানিকটা তেমনই মনে হয়েছিল, তাই সে এডিথকে জিজ্ঞাসা করল বাড়ির ভিতরটা দেখা যাবে না-কি। এডিথ সানন্দে ওদের দু’জনকে বাড়িটার ভেতরে নিয়ে গেলেন। যথেষ্ট কৌতূহল নিয়ে সবকিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল জর্জ আর ক্যাথি, যদিও একদিনে কি আর সব বোঝা সম্ভব? যা-ই হোক, সবকিছু মিলে বাড়িটা বেশ পছন্দ হয়ে গেল ওদের। এমন একটা বাড়ির স্বপ্ন বহুদিন ধরেই ছিল ক্যাথির, কিন্তু টাকার কথা চিন্তা করে জর্জকে বলতে পারছিল না। বাড়ির ভেতরের অবস্থা যথেষ্ট ভালো! শুধু কী তাই? সবগুলো আসবাবপত্রও খুবই ভালো অবস্থায় রয়েছে।

    এডিথের বুঝতে বাকি রইল না যে বাড়িটা লুজদের পছন্দ হয়েছে। তাই তিনি আর রাখঢাক না রেখে বলেই বলসেন যে এটাই ছিল ‘ডিফেওদের বাড়ি’। এখানে আসলে লুকানোর কিছু ছিল না, তিনি না বললে জর্জরা অন্য কোথাও থেকে জানত। গোটা আমেরিকাই জানে রোনাল্ড ডিফেওর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের কথা। ১৯৭৪ সালের ১৩ নভেম্বর নিজের বাবা-মা, দুই ভাই আর দুই বোনকে ঘুমের মধ্যে গুলি করে হত্যা করে রোনাল্ড ডিফেও।

    টিভির খবর আর সংবাদপত্রে লুৎজরাও পড়েছিল এই ভয়াবহ ঘটনার কথা। পুলিশের মতে খুবই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রাইফেল দিয়ে গুলি করেছিল রোনাল্ড। সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো ছয়টি মৃতদেহকেই পুলিশ একই অবস্থাতে খুঁজে পায়। সবাই হাতের ওপর মাথা দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল। পুলিশের জেরার মুখ রোনাল্ড একটা সময়ে মেনে নেয় যে সে-ই সবাইকে খুন করেছে, ও বলেছিল – “হ্যাঁ, আমিই মেরেছি ওদের। কিন্তু জানি না কেন! হুট করেই সব শুরু হলো… আবার হুট করেই শেষ। এত দ্রুত সবকিছু শেষ হয়ে গেল যে আমি কিছু বুঝতেই পারলাম না। নিজেকে সামলানোর সুযোগটুকুও পাইনি।”

    আদালতে মামলা চলার সময়ে রোনাল্ডের আইনজীবী উইলিয়াম ওয়েবার বারবার চেষ্টা করেছেন রোনাল্ডকে মানসিক ভারসাম্যহীন প্রমাণ করতে। রোনাল্ডও বিবৃতি দিয়েছিল, “ওই রাতের অনেক মাস আগে থেকেই আমি অদ্ভুত সব শব্দ শুনতাম। অপরিচিত সব কণ্ঠ… আশেপাশে তাকাতাম, কিন্তু কাউকেই দেখতে পেতাম না। মাঝে মাঝে মনে হতো স্বয়ং ঈশ্বর আমার সাথে কথা বলছেন!”

    যা-ই হোক, কোনো যুক্তিই টেকেনি। ছয় জন মানুষকে খুন করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে পরপর ছয় মেয়াদে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।

    “ভাবছিলাম, ব্যাপারটা আপনাদের বাড়িটা দেখানোর আগে বলব না পরে? অনেক চিন্তা করে পরেই বললাম,” আস্তে করে বললেন এডিথ, “কারণ আমি দেখতে চাই যে ভবিষ্যতে এই বাড়ি যারা কিনতে আসবে তারা এসব শুনে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়। বিশেষ করে যাদের আশি থেকে নব্বই হাজার ডলারে বাড়ি কেনার ইচ্ছা আছে।” আসলে লুজরা অনেক কম দামে বাড়ি খুঁজছিল, তাই এডিথ ভাবতেই পারেননি যে ওরা এই বাড়ি কিনে ফেলবে।

    “বুঝলেন ম্যাডাম,” চারপাশে একবার চোখ বুলিয়ে বলল ক্যাথি, “এখন পর্যন্ত আমরা যত বাড়ি দেখেছি সেগুলোর মধ্যে এটাই সেরা। আমি যেমনটা চেয়েছিলাম, ঠিক তেমন! এত অসাধারণ একটা বাড়ি যে খুঁজে পাবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু আমার স্বামী…”

    “আরে না না, কোনো সমস্যা নেই,” হেসে উঠল জর্জ। সে ততক্ষণে ঠিক করে ফেলেছে যে বাড়িটা নিয়ে নেবে। নিজের বউয়ের শখ পূরণ করতে না পারলে আর টাকা রেখে কী হবে? আর তাছাড়া বাচ্চারাও এমন একটা বাড়িতে থাকতে পারলে খুশিই হবে। কোনকালে কোন উন্মাদ কী করেছিল, সেইসব ভেবে কোনো কাজ আছে?

    এভাবেই ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটার ভয়ংকর ইতিহাসকে একেবারেই পাত্তা না দিয়ে ওটা কিনে ফেলল জর্জ আর ক্যাথি। ওরা যদি জানত যে কত বড়ো ভুল করতে যাচ্ছে!

    নভেম্বরের বাকি সময় আর ডিসেম্বরের প্রথম সন্ধ্যাগুলো লুৎজ দম্পতি নতুন বাড়ি সাজানো-গোছানো আর প্রয়োজন মতো সামান্য পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করেই কাটিয়ে দিলো। জর্জ এসব ব্যাপারে আগে থেকেই বেশ অভিজ্ঞ, তাই ওদের খুব একটা অসুবিধা হলো না।

    জর্জ আর ক্যাথি ঠিক করল যে তিন তলার একটা শোবার ঘরে থাকবে ওদের দুই ছেলে। ছোটো ছেলে ক্রিস্টোফারের বয়স সাত আর বড়ো ছেলে ড্যানিয়েলের বয়স নয়। আরেকটা হবে তিন বাচ্চার খেলার ঘর। দোতালার বড়ো শোবার ঘরটাতে ঘুমাবে ওরা দু’জন আর পাশের ছোট্ট ঘরটায় থাকবে ওদের ছোটো মেয়ে পাঁচ বছর বয়সি মেলিসা ওরফে ‘মিসি’। ক্যাথির জন্য থাকবে আলাদা একটা সেলাইঘর, এছাড়া সবার জামাকাপড় রাখা আর সাজসজ্জার জন্য বড়ো একটা সাজঘরও থাকবে। ক্রিস, মিসি আর ড্যানি তিন জনেই থাকার ব্যবস্থা নিয়ে বেজায় খুশি।

    নিচতলার বড়ো ঘরটা নিয়ে একটু সমস্যাই হয়ে গেল। খাবার ঘরের ডাইনিং টেবিল বা অন্য কোনো সরঞ্জাম লুজদের ছিল না। অবশেষে ক্যাথির সাথে আলোচনা করে জর্জ ঠিক করল যে কথাবার্তা পাকা হওয়ার পর এডিথকে বলে গুদামে রাখা ডিফেওদের খাবার ঘরের সরঞ্জামগুলোই তারা কিনে নেবে। বাড়িটাতে মেয়েদের শোবার ঘরের সরঞ্জামও দেখেছিল ক্যাথি। সে জর্জকে বলল সেগুলোও কিনে নিতে। অমত করল না জর্জ। পরেরদিন সকালে আবার আলোচনায় বসলো তারা, অবশেষে ঠিক হলো—রোনাল্ড ডিফেওর শোবার ঘরের সমস্ত মালামাল, টিভি দেখার চেয়ার, অতিরিক্ত দুটো খাট… এগুলোও কিনে নেবে তারা।

    আসলে এডিথ তাদের জানিয়েছিলেন যে বাড়িটার দাম আসবাবপত্রগুলো ছাড়া আশি হাজার, আসবাবপত্রগুলো কিনতে অতিরিক্ত দাম দিতে হবে।

    এডিথের সাথে কথা বলে মাত্র চারশ ডলারে সবকিছু পেয়ে গেল জর্জ। এছাড়া বিনামূল্যে পেল সাতটা সেকেলে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র, দুটো কাপড় ধোয়ার যন্ত্র, দুটো ড্রায়ার, একটা প্রায় নতুন ফ্রিজ আর একটা ডিপফ্রিজ।

    এবার পুরোনো বাড়ি ছেড়ে নতুন বাড়িতে ওঠার পালা। এর আগেও তো ঝামেলা কম নয়। শুধুমাত্র জিনিসপত্র বেঁধে অন্য বাড়িতে পাঠালেই তো হবে না, আইনি অনেক জটিলতা রয়েছে। নতুন বাড়ির মালিকানা ঠিকমতো বুঝে নিতে হবে। বাড়ি এবং আশেপাশের জমির মালিকানা ছিল রোনাল্ড ডিফেওর মা-বাবার নামে। ডিফেওর বাবা বাড়িটা সন্তানদের নামে উইল করে দিয়েছিলেন। নিজের পরিবারের সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করার পরে ডিফেও পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য হিসেবে এসবের মালিক এখন রোনাল্ড ডিফেও। আদালতে উইলের সত্যতা নতুন করে প্রমাণ করার আগ পর্যন্ত ওই সম্পত্তি বিক্রি করা সম্ভব না সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পক্ষে। কোম্পানি থেকে লুজদের জানানো হয় যে আদালতে সবকিছুর নিষ্পত্তি হতে হতে খানিকটা সময় লাগবে আবার পুরো সম্পত্তি লুজদের কাছে হস্তান্তরেও বেশ কিছু আইনি জটিলতা আছে।

    লুৎজরাও যোগাযোগ করে এক আইনজীবীর সাথে। সেই ভদ্রলোক তাদের জানান এগুলো ব্যাপার আইনের প্রতিটি ধারা মেনে শেষ করতে বেশ খানিকটা সময় লাগে, তবে এমনও কিছু উপায় রয়েছে যা অনুসরণ করলে খুব দ্রুত সব পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করা যাবে। তিনি জর্জকে বলেন, বাড়িটার দায়িত্বে থাকা কোম্পানিকে আগাম চল্লিশ হাজার ডলার দিতে, যাতে করে ওই কোম্পানি কাগজে-কলমে এটা দেখাতে পারে যে বাড়িটা তারা লুজদের কাছে বন্ধক রেখেছে। আইনি জটিলতায় বাড়ি বিক্রিতে সমস্যা থাকলেও, বন্ধক রাখতে তেমন কোনো ঝামেলা নেই। যতদিন বাড়িটার মালিকানা তাদের নামে না আসে ততদিন এভাবেই থাক।

    কোম্পানিও এতে রাজি হয়ে যায়। তারা জানতে চায় যে লুৎজরা কবে ওই বাড়িতে উঠতে চাচ্ছে। জর্জ তারিখ বলার পর কোম্পানির তরফ থেকে জানানো হয় যে কাগজে-কলমে বন্ধক বাড়িটা ছাড়িয়ে নেওয়ার শেষ দিন হিসেবে ওই দিনটাই দেখানো হবে। এর আগেই যেন লুজরা বাকি টাকা পরিশোধ করে দেয়। এরপর কোম্পানি আদালতে গিয়ে বলবে যে তারা বন্ধক বাড়িটার কোনো টাকাই পরিশোধ করতে পারেনি, তাই ওটার মালিক লুজরা।

    খুশিমনে নিজেদের ডিয়ার পার্কের বাড়িতে ফিরে গেল জর্জ আর ক্যাথি। খুব তাড়াতাড়িই নিজেদের পুরোনো বাড়িটা বিক্রি করে দিলো তারা। এবার সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার পালা। জিনিসপত্রগুলো বেঁধে ফেলার দায়িত্ব পড়ল ক্যাথির ওপর। এই সময়ে বাচ্চারা ভীষণ জ্বালাতন করে। তাই ক্যাথি করল কী, ওদেরকেও কাজে লাগিয়ে দিলো। তিন জন মিলে নিজেদের খেলনাগুলো জড়ো করে বাক্সে পুরলো, এরপর হাত দিলো জামা-কাপড়ে। এরপর ওরা নিজেদের ঘরগুলো পরিষ্কার করে ফেলল, যাতে করে বাড়িতে নতুন যারা আসবে তাদের আর অতিরিক্ত খাটতে না হয়। জর্জ ঠিক করল যে ওর সিয়োসেটের অফিসটা বন্ধ করে নতুন বাড়ির একটা ঘরে অফিস খুলবে। এতে করে অফিসের ভাড়াটাও বেঁচে যাবে। সবচেয়ে বড়ো কথা আশি হাজার ডলার খরচ করে বাড়ি কেনার পরিকল্পনা তার ছিল না, কিন্তু ক্যাথি পছন্দ করেছে… তাই কিনে ফেলেছে। এখন খরচ কমাতে হবে। নতুন বাড়িটার বেসমেন্ট বেস ভালো অবস্থায় আছে, ওখানেই নতুন অফিস বানানো যেতে পারে। ওর অফিসের সরঞ্জামগুলো নিয়ে আসা বেশ সময়ের ব্যাপার, তাছাড়া বেসমেন্টটা নতুন করে রংও করাতে হবে। এছাড়া বাড়ির পিছনের ছাউনি আর গ্যারেজটাও ফাঁকা রাখা যাবে না। ছাউনিটা পঁয়তাল্লিশ ফুট লম্বা আর বাইশ ফুট চওড়া, গ্যারেজটাও অনেক বড়ো। জর্জের একটা পঁচিশ ফুট লম্বা কেবিন ক্রুজার বোট আর পনেরো ফুট লম্বা স্পিডবোট ছিল। কাছেরই একটা বন্দরে সেগুলো রাখার জন্য বেশ চড়া ভাড়া গুণতে হতো তাকে। ওগুলো এখানে এনে রাখা যাবে। অনেকগুলো টাকাই বেঁচে যাচ্ছে।

    বেশ বড়ো একটা ট্রাক ভাড়া করতে হলো জলযানদুটো আনার জন্য। ক্যাথি শুরুর দিকে খানিকটা বিরক্ত হলেও পরে আর কিছু বলেনি। জর্জের খুবই প্রিয় ওদুটো।

    এছাড়াও নতুন বাড়িটাতে আরও অনেক কাজই আছে। অনেকদিন ধরে ফাঁকা আছে ওটা, তাই ময়লা জমেছে। সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। ঘরগুলো রং করতে হবে, সামনের উঠানে নানান ফুলের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা জর্জের। শীতকালে তুষারপাতে সেগুলোর যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। আগাছা পরিষ্কার করতে হবে, ল্যাম্পপোস্টগুলোতে নতুন বাল্ব লাগাতে হবে, মাটিতে চুন দিতে হবে।

    জর্জ মাঝে মাঝেই বাড়িটাতে গিয়ে অল্প অল্প করে কাজ এগিয়ে রাখতে লাগল। ধীরে ধীরে বাগানের সব আগাছা পরিষ্কার করে ফেলল সে, ঘরগুলোও মোটামুটি সাফ করে দিলো। বেশ মন দিয়ে ঠিক করল চিমনিটা তারপর হাত দিলো ফায়ারপ্লেসে। সামনে বড়োদিন… ঠান্ডা বেড়েই চলেছে, তাই এগুলো ঠিক করাটা জরুরি। ওদিকে পুরোনো বাড়িতে সবকিছু বাঁধা হয়ে গেছে, শেষ রাতটা মেঝেতেই ঘুমাল লুৎজ পরিবার।

    সকালবেলা বড়ো একটা ট্রাকে ধীরে ধীরে মালামাল তুলতে লাগল জর্জ আর ক্যাথি। পুরোনো বাড়িটাও মোটামুটি পরিষ্কার করেই রেখে গেল ওরা।

    ওদিকে বাড়ির মালিকানা হস্তান্তরের আইনগত প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছিল। নিজের আইনজীবীকে নিয়ে কোম্পানির অফিসে গেল জর্জ। গম্ভীরমুখে একটা টেবিলে বসেছিল কোম্পানির আইনজীবী, তার পাশে বসে টাইপরাইটিং মেশিনে পাতার পর পাতা টাইপ করে চলেছিল একটা লোক। কোম্পানির আইনজীবী জর্জের আইনজীবীকে এক কোনায় ডেকে নিলেন। কিছুক্ষণ পর ভদ্রলোক ফিরে এসে জর্জকে জানালেন, বাকি টাকাটা এখনই না দিতে, কিছুটা জটিলতা নতুন করে দেখা দিয়েছে, ব্যাপারটা আদালতে উঠেছে। প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। জর্জের তো মাথায় হাত! কিন্তু দুপুরের আগেই আদালতের রায় এসে গেল। বাড়ির মালিকানা লুৎজদের কাছে হস্তান্তর করা হলো। আইনজীবী ওকে জানালেন যে খুব তাড়াতাড়িই বাড়ির দলিলপত্র ওকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। খুশিমনে বাকি টাকা মিটিয়ে দিলো জর্জ।

    বেলা একটার মধ্যে জর্জদের মালামালবাহী ট্রাকটা পৌঁছে গেল ওশান অ্যাভিনিউতে। জর্জই ওটা চালিয়ে এনেছিল। ওদিকে ডিফেওদের ফ্রিজ, কাপড় ধোয়ার যন্ত্র, ড্রায়ার, ডিপ ফ্রিজ আগে থেকেই সাজানো ছিল। ট্রাকের পিছন পিছন জর্জদের ফ্যামিলি ভ্যানে করে এলো ক্যাথি আর বাচ্চারা, ভ্যানের পিছনে জর্জের মোটর সাইকেলটাও ঢোকানো ছিল। জর্জের পাঁচ জন বন্ধু আগে থেকেই বাড়িটাতে উপস্থিত ছিল। সবাই মোটামুটি জর্জেরই বয়সি। অত মালামাল ভেতরে নেওয়া তো আর সহজ কথা নয়, তাই ওদের ডাকা।

    ধীরে ধীরে মালামাল নামানো শুরু হলো। কাঠের বাক্স, খেলনার বাক্স, জামাকাপড়, বাসন-পত্র সবকিছু একে-একে নামানো শুরু হলো। সবকিছু সদর দরজার সামনে জড়ো করে রাখা হলো।

    সদর দরজার সামনে গিয়ে পকেটে হাত ঢুকিয়ে একটা চাবির গোছা বের করল জর্জ। কিন্তু কোনো চাবিতেই দরজাটা খুললো না। এতদিন পিছনের দরজা দিয়ে বাড়িতে ঢুকেছিল জর্জ, সদর দরজা দিয়ে কখনও ঢোকেনি। কিন্তু পিছনের দরজা দিয়ে তো এত মালামাল ঢোকানো যাবে না। সে ক্যাথিকে জিজ্ঞাসা করল যে ওদেরকে কি আর কোনো চাবি দেওয়া হয়েছিল? ক্যাথি জানাল যে কোম্পানি থেকে এই এক গোছা চাবিই দেওয়া হয়েছে। জর্জের মনে পড়ে গেল যে সামনের দরজার চাবিটা আসলে এডিথের কাছে রয়েছে, প্রথমবার বাড়ি দেখতে আসার দিন উনিই দরজাটা খুলেছিলেন। কাছের একটা ফোনবুথ থেকে সে এডিথকে ফোন করল।

    কিছুক্ষণ পর এসে চাবিটা দিয়ে গেলেন এডিথ।

    খুলে গেল দরজাটা। সাথে সাথে নিজেদের খেলনার বাক্সগুলো নিয়ে বাড়িতে ঢুকল বাচ্চারা। “দেখো জর্জ,” হেসে উঠল ক্যাথি, “প্যারেড করে ঢুকছে একদল ছোট্ট সেনা।” এরপর মালামাল ঢোকানো শুরু করল জর্জের বন্ধুরা। কোথায় কোন বাক্স থাকবে সেটা ক্যাথি বলে দিচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর বাচ্চারাও বেরিয়ে এলো, সবার দেখাদেখি ভারী ভারী জিনিসগুলো ধরাধরি করে ভেতরে নিতে লাগল ওরা। ওদের অবস্থা দেখে জর্জ হেসে ফেলল।

    সরু সিঁড়ি দিয়ে দুই আর তিন তলাতে জিনিস তুলতে গিয়ে রীতিমতো জান বেরিয়ে গেল জর্জ আর তার বন্ধুদের। বেলা দেড়টার দিকে ‘বাড়ি শুদ্ধীকরণ’ প্রক্রিয়ার জন্য এসে পৌঁছলেন সেক্রেড হার্ট রেক্টরির ফাদার ম্যানকুসো। সেদিনের তারিখ ছিল ১৮ ডিসেম্বর। ভয়ংকর এক সময়ের শুরু…

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }