Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ১০

    দশম অধ্যায়

    ২৮ ডিসেম্বর।

    রবিবার সকাল। গির্জার আচার-অনুষ্ঠান শেষে সেক্রেড হার্ট রেক্টরিতে ফিরলেন ফাদার ফ্রাংক ম্যানকুসো। দুটো জায়গার দূরত্ব মাত্র কয়েক গজ, কিন্তু ফেরার পথে ঠান্ডা আবহাওয়া আর দুর্বল শরীরের কারণে ওইটুকু রাস্তাকেই অনেক মনে হচ্ছিল ফাদারের।

    রেক্টরির অতিথিকক্ষে ওনার জন্য একজন অপেক্ষা করছিল। সাফোক কাউন্টি পুলিশ বিভাগের সার্জেন্ট জিয়নফ্রিদো। তার সাথে করমর্দন করে ফাদার বললেন, “চলুন, দোতালাতেই আমার অ্যাপার্টমেন্ট। আপনি যোগাযোগ করাতে খুবই খুশি হয়েছি আমি… তবে নিজেই যে চলে আসবেন এতটা ভাবিনি!”

    “ব্যাপার না ফাদার,” হাসল সার্জেন্ট, “আজ আমার ছুটির দিন। ভাবলাম আপনার সাথে দেখা করে যাই।”

    ফাদার আড়চোখে তাকালেন সার্জেন্টের দিকে। বিশালদেহী একটা লোক, তবে চেহারায় আন্তরিকতা আছে।

    ফাদারের অ্যাপার্টমেন্টের বসার ঘরে এলো ওরা। জিয়নফ্রিদো দেখল ঘরটার চারদিকে শুধু বই আর বই। এমনকি চেয়ার-টেবিলও খালি নেই! কাউচ থেকে কয়েকটা বই সরিয়ে সেখানেই বসে পড়ল সার্জেন্ট।

    বেজায় ঠান্ডা লাগছিল ফাদারের। ঘরে একটু মদ থাকলে নিজেও খাওয়া যেত, সার্জেন্টকেও দেওয়া যেত। কিন্তু নেই তো। কী আর করা? অবশেষে রান্নাঘরে গিয়ে চা বসিয়ে দিলেন তিনি। পানি গরম হতেই চা পাতা ছেড়ে দিয়ে বসার ঘরে ফিরলেন তিনি।

    “বুঝলেন সার্জেন্ট,” বলে উঠলেন ফাদার, “লুজদের নিয়ে বেশ চিন্তিত আমি। এই কারণেই সেদিন আমার বন্ধু চার্লি জাম্মাতারো গুয়ারিনোকে ফোন করে বলেছিলাম, কাউকে দিয়ে ১১২ নম্বর বাড়িটার একটু খোঁজ নিতে। দাঁড়ান, চা নিয়ে আসি।”

    রান্নাঘরে ফিরে কাপ আর পিরিচ বের করলেন ফাদার। তারপর একটা সেগুলোতে চা ঢেলে বসার ঘরে চলে এলেন।

    সার্জেন্ট চুপচাপ বসেছিল।

    “চার্লিকে যখন ফোন করলাম,” কাপগুলো টেবিলে রাখলেন ফাদার, প্রথমে একটু অবাকই হলো। বলেছিল লুজদের ওই বাড়িতে ওঠা ঠিক হয়নি, কারণ ওখানেই তো এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ হয়েছিল! অবশ্য কিছু বন্ধুর কাছে আগেই আমি ব্যাপারটা শুনেছিলাম। তবে কী করে এসব হয়েছিল… তা জানা নেই! মানে রনি ডিফেও কেন এসব করেছিল?”

    “ওই কেসের তদন্তে আমিই ছিলাম ফাদার,” গম্ভীরকণ্ঠে বলল সার্জেন্ট।

    “জানি, চার্লি সেদিন বলল আমাকে। আপনার সাথে কথা বলার পরে ও আবার আমাকে ফোন করেছিল,” চায়ের কাপটা সার্জেন্টের দিকে এগিয়ে দিলেন ফাদার, তারপর একদম তার মুখোমুখি বসলেন, “যা-ই হোক, কাল রাতে আমার ঘুম আসছিল না। অনেক কষ্টে ভোরের দিকে ঘুমটা এলো। স্বপ্নে আমি ডিফেওদের দেখেছি! কেন এমন হচ্ছে সার্জেন্ট?”

    চুপচাপ চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চলল সার্জেন্ট। ওর মুখের দিকে চেয়ে রইলেন ফাদার। তিনি অভিজ্ঞ মানুষ, মানুষের মুখ দেখেই অনেক কিছু বুঝতে পারেন। কিন্তু এই সার্জেন্ট পুরো আলাদা। এর মুখ দেখে সহজে কিছু বোঝা যায় না। না-কি প্রথম দিনে অ্যামিটিভিলে ঘটে যাওয়া ঘটনা খুলে বলবেন সার্জেন্টকে? জর্জের সাথে টেলিফোনে কথা বলার সময়ের ওই অদ্ভুত সমস্যার কথাও বলা যায়।

    ওদিকে সার্জেন্ট জিয়নফ্রিদো কিন্তু ঠিকই ফাদারের মনের কথা বুঝে গেছে, “আপনার কী মনে হচ্ছে? বাড়িটাতে অদ্ভুত কিছু ঘটছে?”

    “কী যে মনে হচ্ছে! সেটা আমি নিজেই জানি না! তবে, আপনার কী মনে হয়?”

    চায়ের কাপটা নামিয়ে রাখল সার্জেন্ট, “আপনি কী ভাবছেন? বাড়িটা ভূতুড়ে? ওখানে অশুভ কোনো প্রেতশক্তির বাস? আপনি একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে ভৌতিক তথ্য চান?”

    “আরে আরে চটছেন কেন?” মাথা নাড়লেন ফাদার, “আচ্ছা ডিফেও পরিবারের লোকেরা যে রাতে খুন হয়… ওই রাতে আসলে কী ঘটেছিল? আমাকে একটু বলা যায়? রনি নামের ছেলেটা না-কি আদালতে বলেছিল যে আকাশ থেকে ভেসে আসা কোনো শব্দের হুকুমে এমনটা করেছে সে?”

    কিছুক্ষণ একদৃষ্টিতে ফাদারের দিকে রইল জিয়নফ্রিদো। তারপর একটু কেশে পুলিশি গাম্ভীর্য বজায় রেখে বলতে লাগল, “আপনি বোধ হয় বেশ চিন্তাতে আছেন, তাই না ফাদার? চোখ-মুখ বসে গেছে রীতিমতো। যা-ই হোক, আপাতদৃষ্টিতে তদন্ত মারফত যতটুকু বুঝা যায়, ১৯৭৪ সালের ১৩ নভেম্বর রাতের বেলা খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিল রোনাল্ড ডিফেও। সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পর খুব শক্তিশালী একটা রাইফেল দিয়ে ওদেরকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে পিশাচটা। হ্যাঁ, আদালতে ও বলেছিল যে অদৃশ্য এক কণ্ঠস্বর না-কি ওকে এসব করতে বলেছিল।”

    আরও কিছু শোনার জন্য অধীর আগ্রহে চেয়ে রইলেন ফাদার। কিন্তু সার্জেন্টের মুখে কোনো কথা নেই। এর বেশি কিছু বলার ইচ্ছা নেই ওর।

    ‘এটুকুই?” অবশেষে বলে উঠলেন ফাদার।

    “হ্যাঁ, মোটামুটি এটুকুই,” মাথা নাড়ল সার্জেন্ট।

    “ছোড়াটা এত গুলি করল, প্রতিবেশীদের ঘুম ভেঙে যায়নি? ওরা ছুটে এলো না কেন?”

    “না, কেউ শব্দ শোনেনি। ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুতই। রনি ডিফেও নিজেই একটু পর ঘটনাটা ‘দ্য উইচেস ব্রু’ পানশালার বারটেন্ডারকে বলে আসে। আমরা ওর কাছ থেকেই খবরটা পাই। ওশান অ্যাভিনিউয়ের কাছেই পানশালাটা। আসলে ছেলেটার মাথা ঠিক ছিল না।”

    অবাক হয়ে গেলেন ফাদার ম্যানকুসো, “মানে আপনি বলতে চাইছেন ছ-ছ’টা মানুষকে শক্তিশালী রাইফেল দিয়ে গুলি করা হলো… কিন্তু পাড়ার কেউ শুনতেই পেল না! একটা গুলির শব্দও না?”

    হুট করেই মাথাটা কেমন চক্কর দিয়ে উঠল জিয়নফ্রিদোর, একটু বমিও পেল। ও ভাবল ফাদারের অ্যাপার্টমেন্টের বদ্ধ পরিবেশের কারণে এমনটা হচ্ছে। ওভারকোটটা হাতে নিল সে।

    “একদম, ডিফেওদের বাড়ির দু’পাশের প্রতিবেশীরাই জানিয়েছে সেই রাতে ওরা কোনো শব্দই পায়নি,” উঠে দাঁড়াল সার্জেন্ট।

    “এটা কি অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়?

    “হ্যাঁ, আমারও অবাক লেগেছে,” ওভারকোটটা পরে নিল জিয়নফ্রিদো, “কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে ওটা ছিল তীব্র শীতের সময়। বেশিরভাগ লোকই দরজা-জানালা লাগিয়ে ঘুমায়। আর রাত সোয়া তিনটার দিকে কে জেগে থাকবে? সবাই তো গভীর ঘুমে অচেতন থাকে ওই সময়ে।”

    আরও কয়েকটা প্রশ্ন করতে চাইছিলেন ফাদার। কিন্তু তাকে সেই সুযোগ আর না দিয়ে রেক্টরি থেকে রীতিমতো ছুটে বেরিয়ে এলো সার্জেন্ট। খুব অস্বস্তি লাগছিল ওর সেখানে। বের হওয়ার একটু পরেই একটা ফাঁকা জায়গাতে গিয়ে বমি করে ফেলল সে।

    কিন্তু তবুও অস্বস্তিটা গেল না। কোনোমতে গাড়ি চালিয়ে অ্যামিটিভিলের দিকে চলল সার্জেন্ট জিয়নফ্রিদো। জানালা দিয়ে আসা বাতাসে অস্বস্তি একটু হলেও কাটল। সাধারণত ও ১১২ নম্বর বাড়িটার পাশ দিয়ে যায়, কিন্তু সেদিন কী মনে করে দ্য উইচেস ব্রু পানশালার পথ ধরল।

    উইচেস ব্রুতে সবসময়ই বলতে গেলে ভিড় থাকে। এলাকার নতুন সিগারেট আর মদ খেতে শেখা ছেলে-ছোকরাদের আড্ডা এটা। এছাড়া গ্রীষ্মকালে বাইরে থেকে অ্যামিটিভিলে আসা লোকেরাও এখানেই ভিড় করে। অন্য অঞ্চলের থেকে গ্রীষ্মে অ্যামিটিভিলের তাপমাত্রা বেশ কম থাকে, তাই অনেকেই এখানে ওই সময়ে কিছুদিনের জন্য বাড়ি ভাড়া নেয়।

    ডিসেম্বরের এই রবিবার বিকালে রাস্তাতে প্রচুর মানুষ থাকে, কিন্তু আজ ফাঁকা। পেশাদার ফুটবল[৮] লিগের খেলা আছে, তাই আজ অনেকেই টিভির সামনে থেকে উঠবে না।

    [৮. আমেরিকান ফুটবল, রাগবির কাছাকাছি পর্যায়ের একটি খেলা। ফুটবল বলতে আমরা যা বুঝি তাকে আমেরিকানরা সকার বলে।]

    উইচেস ব্রু’তে একটা লোক ঢুকছে। দেখেও দেখল না জিয়নফ্রিদো। হয়তো লোকটার ফুটবল পছন্দ না, তাই ফাঁকা পানশালায় মদ গিলতে চলে এসেছে। প্রায় পঞ্চাশ গজের মতো এগিয়ে হুট করেই গাড়ির ব্রেক কষল সে। পিছনে তাকাল, লোকটা ততক্ষণে ভেতরে ঢুকে গেছে! অদ্ভুত একটা ব্যাপার খেলা করছে ওর মাথায়… লোকটা দেহের গড়ন, দাড়ি, হাঁটার ধরন… সবকিছুই রনি ডিফেওর মতো!

    এক দৃষ্টিতে পানশালার দরজার দিকে চেয়ে রইল সার্জেন্ট। “ব্যাটা যাজকের সাথে কথা বলে আমার মাথাটাও গেল না কি?” আপনমনেই বলে উঠল সে, “ধুর ধুর, ওর কথা কে শোনে?” গাড়িটা চালু করল জিয়নফ্রিদো, প্রচণ্ড জোরে ওর গাড়িটা ছুটে চলল বাড়ির দিকে। বিশ্রাম দরকার সার্জেন্টের।

    ***

    ওদিকে দ্য উইচেস ব্রুর ভেতরে এক গ্লাস বিয়ার অর্ডার করল জর্জ।

    আচ্ছা, বারটেন্ডার ওর দিকে ওভাবে চেয়ে আছে কেন? সে ঢোকার পর থেকেই লোকটা ওভাবে তাকাচ্ছে। মিলার্স কোম্পানির বোতল থেকে গ্লাসে বিয়ার ঢালছে ব্যাটা, হুট করেই আবার জর্জের দিকে চাইল। কিছু একটা বলতে চায় যেন! তারপরে আবার বিয়ার ঢালাতে মন দিলো।

    তারপর গ্লাসটা দিয়ে গেল জর্জের সামনে। গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে আশপাশটা ভালো করে খেয়াল করল জর্জ। মেরিন বাহিনীতে থাকার সময়ে অনেক জায়গায় যেতে হয়েছে জর্জকে, বাহিনী ছাড়ার পর বেছে নিয়েছে ভূমি জরিপের কাজ… এটাও নানান জায়গায় ঘুরে ঘুরেই করতে হয়। লং আইল্যান্ডের ছোটো শহর আর গ্রামগুলোতে এমন পানশালা অনেক দেখেছে সে। টিমটিমে আলো, কোনায় পয়সা দিয়ে গান শোনার একটা জুকবক্স, সিগারেটের ধোঁয়া আর মদের গন্ধ! ও ছাড়া পুরো পানশালায় আর একজনই লোক আছে। লম্বা মেহগনি কাঠের তৈরি কাউন্টার টেবিলের একদম শেষ কোনায় বসে আছে ব্যাটা। কাউন্টারের সামনেই একটা বেশ লম্বা আয়না, কে জানে হয়তো বারটেন্ডার মুখ দেখে ওখানে? ওই আয়নার ওপরে একটা টিভি। সেখানেই চোখ আটকে আছে লোকটার। ফুটবল ম্যাচের প্রথমার্ধ চলছে।

    গ্লাসে বেশ কয়েকটা চুমুক দিয়ে আয়নায় ভেসে ওঠা নিজের মুখটার দিকে তাকাল জর্জ। বাড়ির মধ্যে চুপচাপ বসে ভাবার পরিবেশ নেই! বাচ্চাদের চেঁচামেচি তো আছেই, তাছাড়া ওখানে কেন যেন কোনো ব্যাপারেই মন বসে না ওর। একা একা বসে একটু ভাবতে হবে। বাড়িতে হচ্ছে কী? এসব ঘটনার কি আসলেই কোনো ব্যাখ্যা আছে? অদ্ভুত এক ধাঁধায় যেন ফেলে দিয়েছে কেউ ওদের।

    আর তাছাড়া নতুন বাড়িটাতে আসার পর বাচ্চাদেরও কিছু একটা হয়েছে! ওরা আর আগের মতো নেই। ভয়ংকর রকমের দুষ্ট আর জেদি হয়ে উঠেছে, কিছু কিছ ক্ষেত্রে তো অভদ্রও! অথচ এই ওরাই ডিয়ার পার্কে থাকার সময় কত ভালো ছিল!

    সবচেয়ে বেশি বদলে গেছে মিসির আচরণ। সেদিন রাতে কি সত্যিই মিসির ঘরের জানালায় ওর সাথে কোনো শুয়োরকে দেখেছিল সে? আর জিমির টাকাটারই বা কী হলো? সবার চোখের সামনে থেকে টাকাগুলো কে নিল? রীতিমতো যেন হাওয়াতে মিলিয়ে গেছে খামটা।

    গ্লাসের বিয়ার শেষ। আরেক গ্লাস দেওয়ার জন্য বারটেন্ডারকে ইশারা করল সে। তারপর আবার আয়নার দিকে চাইল। আজকাল নিজেকে নিজেই চিনতে পারছে না। শুধু কি বাচ্চাদের আচরণ বদলে গেছে? ও নিজেও তো অনেক বদলে গেছে। প্রায় পুরো সপ্তাহের বেশিরভাগ সময়ই সে ফায়ারপ্লেসের সামনে বসে থেকেছে, রাতের বেলা ঘুম থেকে উঠে নৌকা রাখার ছাউনিটা দেখতে গেছে… কিন্তু কেন? এখন আবার নতুন করে হাজির হয়েছে বেসমেন্টের লাল ঘরটা। এসব কী হচ্ছে? বাড়িটার ইতিহাস জানতে হবে, পুরোপুরি। অ্যামিটিভিল রিয়েল এস্টেট খাজনা আদায় দপ্তরে যেতে হবে কাল, ওখানে বাড়ি সংক্রান্ত যাবতীয় নথি থাকার কথা।

    “ও হ্যাঁ,” আপনমনেই বলে উঠল সে, “ব্যাংকে গিয়ে পাঁচশ ডলার জমা করতে হবে। নইলে অ্যাস্টোরিয়া ম্যানরের ম্যানেজার ঝামেলা করবে!”

    বিয়ারের দ্বিতীয় গ্লাসটাও এসে গেছে ততক্ষণে। এক চুমুকেই সেটুকু খেয়ে ফেলল জর্জ। তারপর খেয়াল করল যে বারটেন্ডার ওর সামনে দাঁড়িয়ে আছে। বোধ হয় ভাবছে আরও বিয়ার অর্ডার দেবে ও।

    “আর লাগবে না,” হাসল জর্জ।

    “কিছু মনে করবেন না স্যার,” আস্তে করে বলল বারটেন্ডার, “আপনি কি এদিক দিয়েই যাচ্ছিলেন? মানে বেড়াতে এসেছেন আমাদের অঞ্চলে?

    “আরে না না,” হাসল জর্জ, “আমি অ্যামিটিভিলেই থাকি। অল্প কিছুদিন হলো এসেছি,” বারটেন্ডারের হাতে বিয়ারের দাম দিলো সে।

    মাথা নাড়ল বারটেন্ডার, “আমারই ভুল হয়েছে, আপনাকে আমাদের এলাকার এক লোক ভেবে ভুল করেছিলাম, “ খুচরাগুলো কাউন্টারের ওপর রাখল ও, “আসলে সেই লোক আর নেই এখানে… খুব তাড়াতাড়ি যে ফিরবে সেই আশাও নেই। হয়তো আর কখনোই ওর সাথে দেখা হবে না।”

    “আমাকে মাঝে মাঝেই অন্য লোক ভেবে ভুল করে অনেকে,” টাকাগুলো তুলে পকেটে পুরল জর্জ, “সম্ভবত আমার দাড়ির কারণে। আজকাল অনেকেই তো এমন দাড়ি রাখছে। বুঝলেন? যা-ই হোক আবার দেখা হবে,” দরজার দিকে এগিয়ে গেল সে।

    “হ্যাঁ হ্যাঁ, আবার অবশ্যই আসবেন।”

    জর্জ বেরিয়ে যাবে, ঠিক তখনই বারটেন্ডার বলে উঠল, “আচ্ছা স্যার, এখানে কোন বাড়িটা নিয়েছেন আপনারা? “

    “এইতো কাছেই,” ফিরে তাকাল জর্জ, তারপর পশ্চিম দিকটা দেখিয়ে বলল, “গোটা দুই রাস্তা পেরিয়ে ওশান অ্যাভিনিউ আছে না? ওখানে।

    “ওশান অ্যাভিনিউয়ের কোন বাড়িটা?”

    “১১২ নম্বর বাড়ি।”

    সাথে সাথে চমকে উঠল বারটেন্ডার। বিয়ারের খালি গ্লাসটা ওর হাত থেকে মাটিতে পড়ে ভেঙে খান খান হয়ে গেল। ঝনঝনে একটা শব্দ হলো… তারপর সব চুপচাপ।

    ***

    জর্জের জন্য অপেক্ষা করছে ক্যাথি। বসার ঘরে ক্রিসমাস ট্রিটার পাশে চুপচাপ বসে আছে সে। আজকাল একা একা রান্নাঘরে থাকতে ভয় পায় মেয়েটা। আবার যদি সেই অদৃশ্য হাত তাকে ধরে? কিংবা পারফিউমের সেই গন্ধটা… নাহ, ওখানে একা থাকা যাবে না। তিন তলায় ক্রিস আর ড্যানির শোবার ঘরে গেছে মিসি। তিন জনে মিলে একটা পুরোনো সিনেমা দেখছে, আজকে ওদের কেউই তেমন দুষ্টুমি করেনি। ওপর থেকে মিসির হাসির শব্দ ভেসে এলো, খুব জোরে জোরে হাসছে সে… ওরা যে সিনেমাটা দেখছে সেটা নাম সম্ভবত ‘অ্যাবট অ্যান্ড কস্টেলো’।

    হুট করেই জিমির টাকার কথাটা মনে এলো ক্যাথির। সে আর জর্জ মিলে রান্নাঘর, বসার ঘর আর হলঘরের প্রতিটা ইঞ্চি খুঁজে দেখেছে। আলমারিগুলোও খুলে দেখা হয়েছে। পুরো বাড়ির আনাচেকানাচে সব জায়গা দেখা হয়েছে। কিন্তু খামটা আর পাওয়া যায়নি। যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে ওটা! কোথায় গেল ওটা? বাইরের কেউ এসে যে নেবে সেই সম্ভাবনাও নেই। ওদিন বাইরে থেকে কেউ এসেছিলও না।

    রান্নাঘরে কিছু নড়ে উঠল না? রীতিমতো পিলে চমকে গেল ক্যাথির। না না, সব ওর মনের ভুল। আজকাল রান্নাঘর নিয়ে একটু বেশিই ভাবছে সে। অন্য ঘরগুলো নিয়েও তো ভাবা যায়। আচ্ছা! কোন ঘর নিয়ে ভাববে? দোতালার সেলাইঘর? না কি বেসমেন্টের লাল ঘরটা? একবার বেসমেন্টে যেয়ে দেখবে না কি? চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াল সে। “না বাবা, একা ওখানে যাব না,” আপনমনেই বলে উঠল ক্যাথি। আবার বসে পড়ল সে। ঘরটাকে আরও ভালো করে দেখা উচিত ছিল ওদের। লাল দেওয়ালগুলো দেখেই ভয় পেয়ে গেছিল ও আর জর্জ!

    হাতঘড়ি সময় দেখল ক্যাথি। বিকাল চারটা বাজে প্রায়। জর্জ কোথায়? প্রায় এক ঘণ্টা আগে বেরিয়ে গেছে সে। ঠিক ওই সময়েই ক্যাথির মনে হলো ডানদিকে কিছু একটা নড়ছে!

    বিয়ের পর প্রথম বড়োদিনে ক্যাথি জর্জকে একটা বেশ বড়ো আকারের চারফুট লম্বা সিরামিকের সিংহমূর্তি দিয়েছিল। হাঁটু গেড়ে বসে থাকা নকল সিংহটা দেখলে মনে হয় এই যেন অদৃশ্য শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। এমনভাবে রং করা হয়েছে… দেখে মনে যেন ওটা আসল! জর্জের খুবই পছন্দের জিনিস ওটা, ডিয়ার পার্কের বাড়িটাতেও বসার ঘরে থাকত, এখানেও আছে। ফায়ারপ্লেসের কাছে জর্জের চেয়ারের পাশের বড়ো টেবিলটার ওপর রাখা থাকে সিংহটা।

    মূর্তিটার দিকে ঘুরে তাকাল ক্যাথি। সাথে সাথে চমকে উঠল সে… ওর সামনেই কয়েক ইঞ্চি এগিয়ে এলো নকল সিংহটা!

    ***

    সার্জেন্ট জিয়নফ্রিদো চলে যাওয়ার পর নিজের ওপরেই রাগ উঠল ফাদার ম্যানকুসোর। কী করবেন এখন তিনি? সার্জেস্ট ওনার কথা বিশ্বাস করেনি… হয়তো উনিই ঠিকমতো বুঝিয়ে বলতে পারেননি লোকটাকে। আচ্ছা, লুজদের বাড়িটা নিয়ে এত চিন্তা কীসের ওনার? কোনো সমস্যা হলে ওরাই তো ডাকবে, তাই না? নাহ, ওই ঘটনা নিয়ে এত ভাবলে চলবে না। নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। টেবিলের ওপর জমে থাকা গির্জার নানান কাজের ফাইলগুলো দেখতে বসলেন ফাদার। অসুস্থতার অজুহাত দিয়ে ওগুলো দেখা হয়নি।

    পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা যে কীভাবে কেটে গেল তিনি নিজেই বুঝতে পারলেন না। তবে এটুকু বুঝলেন যে শারীরিক দুর্বলতা অনেকটাই কেটে যাচ্ছে, শরীরের শীত-শীত ভাবটাও আর নেই। নাহ, আর ওই বাড়ির কথা ভাবা যাবে না। কিন্তু জিয়নফ্রিদো যেভাবে রোনাল্ড ডিফেওর অপকর্মের বর্ণনা দিলো… ব্যাপারটা কেমন যেন! ছ-ছ’টা মানুষকে ব্যাটা খুন করল, কিন্তু কেউ গুলির শব্দ পেল না? বাড়িটা নিয়ে ওনার আশংকার কথাও রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে লোকটা। সন্ধ্যা প্রায় ছ’টা বেজে গেছে, জিয়নফ্রিদোর সাথে ওই এক কাপ চা খাওয়ার পর আর কিছুই খাননি ফাদার। আড়মোড়া ভেঙে হাতের ফাইলটা টেবিলের ওপর রেখে রান্নাঘরে গেলেন তিনি। তখনই বসার ঘরের টেলিফোনটা বেজে উঠল। এটা ওনার ব্যক্তিগত নম্বর, শুধুমাত্র পরিচিত কিছু লোকের কাছেই আছে। এমনকি গির্জার কর্মচারীদের কাছেও নেই।

    “হ্যালো,” ফোনটা ধরলেন ফাদার। কিন্তু ওপাশ থেকে কোনো শব্দ নেই। শুধু একটানা ‘ক্যাঁচ-ক্যাঁচ শব্দ।

    ভয়ের একটা তীব্র স্রোত যেন জমিয়ে দিলো ফাদারকে। রিসিভারটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন উনি। শেষবার যখন জর্জ লুজের সাথে কথা বলেছিলেন তখনও তো এমনই হয়েছিল!

    ***

    রিসিভারটা কানে দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে জর্জ। ওপাশ থেকে ভেসে আসছে একটানা ‘ক্যাঁচ-ক্যাঁচ শব্দ। বেজায় বিরক্ত লাগছে ওর, আজকাল ক্যাথি একা রান্নাঘরে যেতে ভয় পায়। তাই জর্জ ওখানে বসেছিল। বাচ্চারাও পাশেই খেলছিল, তখনই বেজে ওঠে ফোনটা… আর ফোন ধরে এই অবস্থা! রাগের মাথায় ‘ধম’ করে রিসিভারটা ফোনের ওপর রেখে দিলো ও।

    “জর্জ, খাবার তৈরি, এসে পড়ো,” বলে উঠল ক্যাথি।

    “বুঝলে ক্যাথি, মনে হয় কোনো হারামজাদার হাতে আমাদের নম্বরটা পড়েছে! ফোন করে কোনো কথা বলে না… উদ্ভট আওয়াজ করে!”

    ক্রিসের থালায় তরকারি তুলে দিতে দিতে মুখ তুলে চাইল ক্যাথি। বাচ্চারা সন্ধ্যার নাস্তা খেতে বসে গেছে। একটু আগেই বাড়ি এসেছে জর্জ। ক্যাথি দেরির কারণ জিজ্ঞাসা করাতে বলেছে, “এই একটু পায়ে হেঁটে আশেপাশের এলাকা দেখে এলাম। আমাদের ওশান অ্যাভিনিউই অ্যামিটিভিলের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা, বুঝলে?” বেশ ফুরফুরে লাগছিল জর্জকে। তাই আর সিরামিকের সিংহের সরে আসার ঘটনাটা ওকে বলেনি ক্যাথি। কী দরকার মানুষটাকে শুধু শুধু এসব বলা? হতেও তো পারে ওর চোখের ভুল। আর তাছাড়া বললে যদি জর্জ মেজাজ খারাপ করে?

    সেই তো মেজাজ খারাপ করলই জর্জ!

    “কী হলো আবার?” ভয়ে ভয়ে বলে উঠল ক্যাথি।

    “আরে ফোন দিয়ে কোনো কথা বলে না… কেমন যেন উদ্ভট একটা শব্দ হয়! ফাজলামো না কি? হুঁ?” বসতে বসতে বলল জর্জ।

    “লাইনের ঝামেলাও তো হতে পারে!” তুমি খাও।

    “আরে দাঁড়াও,” উঠে দাঁড়াল জর্জ, “সেদিন ফাদার ম্যানকুসোর সাথে কথা বলতেও বলতেও এমনটাই হলো! উনিই আবার আমাদের ফোন করছেন না তো?” বলতে বলতেই টেলিফোনের কাছে গিয়ে ফাদারের ব্যক্তিগত নম্বর ডায়াল করে বসল সে।

    দশবার রিং হলো, কিন্তু ওপাশে কোনো সাড়া নেই। রিসিভারটা নামিয়ে রেখে রান্নাঘরের বেসিনের ওপর লাগানো ইলেকট্রিক ঘড়িটার দিকে তাকাল জর্জ। ঠিক সন্ধ্যা সাতটা বাজে। হুট করেই কেঁপে উঠল ওর শরীরটা, কেমন যেন শীত করছে! পুরো ঘরের তাপমাত্রা হঠাৎ করেই যেন কমে গেল!

    “ক্যাথি… ঘরটা কেমন যেন ঠান্ডা হয়ে আসছে, তাই না?” ফিসফিসিয়ে বলল জর্জ।

    ***

    ফাদার ম্যানকুসো থার্মোমিটারটা তুলে দেখলেন তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রি! তার মানে আবার জ্বর আসছে ওনার। নাড়ির স্পন্দন দেখতে হবে, হাত ঘড়ির সেকেন্ডের কাটা বারোটা স্পর্শ করল, একদম সন্ধ্যা সাতটা বাজে। কব্জিতে আঙুল রেখে গুণতে শুরু করলেন ফাদার। পুরো এক মিনিট গোনার পর চমকে উঠলেন তিনি… একশ বিশ! সাধারণত যেখানে গতি থাকে আশি। ওনার বুঝতে বাকি রইল না যে আবার অসুস্থ হতে চলেছেন!

    ***

    “ক্যাথি আমি ফায়ারপ্লেসে কিছু কাঠ দিয়ে আসি,” এই বলে বসার ঘরের দিকে ছুট দিলো জর্জ।

    “আরে আরে, না খেয়ে যাচ্ছ কোথায়?” ক্যাথিও উঠে পড়ল। মনটা বেজায় খারাপ হয়ে গেছে ওর। আবার ওইসব অদ্ভুত ঘটনা শুরু হয়েছে! ঠিক তখনই বসার ঘর থেকে খুব জোরে একটা শব্দ এলো।

    ক্যাথি গিয়ে দেখে জর্জ মেঝেতে পড়ে আছে!

    “এই বালের সিংহটা মেঝেতে কে রাখল?” খেঁকিয়ে উঠল জর্জ, “আরেকটু হলে মাথা ফেটে মরেই যেতাম মনে হয়!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }