Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ১১

    একাদশ অধ্যায়

    ২৯-৩০ ডিসেম্বর।

    পরেরদিন সকাল, সোমবার। প্রচণ্ড ব্যথায় ডান পা বলতে গেলে নড়াতেই পারছে না জর্জ। গোড়ালিতে বেজায় চোট লেগেছে বেচারার। তবু ভাগ্য ভালো বলতে হবে, অল্পের ওপর দিয়ে বেঁচে গেছে সে। সিংহ মূর্তিতে হোঁচট খেয়ে ফায়ারপ্লেসের সামনে জড়ো করা কাঠগুলোর ওপর পড়েছিল জর্জ… যদি ফায়ারপ্লেসের ভেতর পড়ত? তবে? ডান চোখের ওপরেও খানিকটা কেটে গেছে, কিন্তু ক্যাথি তাড়াতাড়ি ব্যান্ড-এইড লাগিয়ে দেওয়ায় তেমন রক্ত পড়েনি। তবে ক্যাথি একটা অদ্ভুত জিনিস খেয়াল করেছে… জর্জের গোড়ালিতে দাঁতের চিহ্ন… যেন ওখানে কোনোকিছু কামড়েছে! ব্যাপারটা নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে আছে সে।

    খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে নিজেদের ১৯৭৪ সালের বিশেষ মডেলের ফোর্ড ভ্যানটায় উঠল জর্জ। বাইরে তাপমাত্র বিশ ডিগ্রির কাছাকাছি। জর্জ ভেবেছিল গাড়ির ঠান্ডা মোটর গরম হতে বেশ খানিকটা বেগ পেতে হবে। কিন্তু কয়েকবার চেষ্টা করলেই চালু হয়ে গেল ইঞ্জিন। সিয়োসেটের অফিসের দিকে রওনা হলো জর্জ। আজকের প্রথম কাজ হলো, ব্যাক্তিগত অ্যাকাউন্টে পাঁচশ ডলার জমা করে দেওয়া যাতে করে অ্যাস্টোরিয়া ম্যানরের ম্যানেজার টাকাটা পেয়ে যায়। নিজের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান উইলিয়াম এইচ. প্যারি ইনকরপোরেটেডের ক্যাশ বাক্স থেকেই টাকাটা নেবে সে।

    সানরাইজ হাইওয়ে ধরে এগিয়ে চলেছে জর্জের গাড়ি, হুট করেই পিছনে খুব জোরে ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল। রাস্তার একপাশে গাড়িটা থামিয়ে নামল জর্জ, পিছন দিকটা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। আশ্চর্য ব্যাপার! একটা শক অ্যাবজর্ভার রীতিমতো খুলে পড়ে গেছে! গাড়ি পুরোনো হলে এমনটা হতে পারে। সামনে এসে নিচের দিকের বিশেষ মিটারটা দেখল জর্জ, কেনার পর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ২৬,০০০ মাইল চলেছে গাড়িটা। আবার গাড়ি চালু করল সে, এবার একটু আস্তে চালাতে লাগল। অ্যামিটিভিলে ফিরে যাওয়ার পর শক অ্যাবজর্ভারটা বদলে নিতে হবে।

    ***

    জর্জ বেরিয়ে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ পরেই ক্যাথিকে ফোন করলেন ওর মা। বারমুডা থেকে জিমি আর ক্যারি ওনাকে পোস্টকার্ড পাঠিয়েছে।

    “আচ্ছা শোনো ক্যাথি, বাচ্চাদের নিয়ে আমার এখানে ঘুরে যাও একবার? বললেন ক্যাথির মা, “একা একা ভালো লাগছে না আমার।”

    জিমির গাড়িটা তখনও ক্যাথিদের বাড়িতেই ছিল, গ্যারেজের সামনেই রাখা ছিল ওটা। সেটা চালিয়ে বাচ্চাদের নিয়ে চাইলেই ঘুরে আসা যায়। কিন্তু ক্যাথির কেন যেন বেরোতে ইচ্ছা করছে না।

    “না মা, আজ না, অনেক কাপড় কাচতে হবে,” মাকে অজুহাত দেখাল সে, “তবে নববর্ষের আগের সন্ধ্যায় আমি আর জর্জ মিলে তোমার ওখানে আসতে পারি। যদিও তেমন কোনো পরিকল্পনা এখনও করিনি, তারপরেও জর্জ আসুক… বলে দেখি ওকে।”

    ফোনটা রেখে আশেপাশে তাকাল ক্যাথি। কী করবে ভেবে পাচ্ছিল না! গতকালের সেই মন খারাপের ভাবটা এখনও যায়নি। কাপড় কাচবে? বেসমেন্টে নামার সাহসই তো নেই ওর। রান্নাঘরেও একা যাচ্ছে না। সিরামিকের সিংহটার আধিভৌতিক আচরণের পর বসার ঘরে যেতেও ভয় লাগে। তারচেয়ে বরং ওপরতলা গিয়ে বসা যাক। মিসি তো দোতালাতেই আছে, ড্যানি আর ক্রিসও তিন তলায় খেলছে; ওদের কাছাকাছি থাকলে তেমন ভয়টয় লাগবে না।

    দোতালায় মিসির ঘরে উঁকি মারল ক্যাথি, তারপর তিন তলায় উঠে ড্যানি আর ক্রিসকে দেখে আবার দোতালায় নেমে শোবার ঘরে ঢুকে বিছানায় গা এলিয়ে দিলো। চুপচাপ পনেরো মিনিটের মতো শুয়ে থাকার পর সেলাইঘরের দিক থেকে অদ্ভুত শব্দ এলো ওর কানে। শব্দটা শুনে মনে হচ্ছে কেউ ঘরটার জানালার পাল্লা একবার খুলছে আবার বন্ধ করছে…

    বিছানা থেকে নেমে সেলাইঘরের সামনে গেল সে। দরজাটা বন্ধই আছে। আসার সময়ে দেখে এসেছে যে মিসি ঘরেই আছে, তিন তলা থেকে ড্যানি আর ক্রিসের গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। এটা নিশ্চিত যে ওরা কেউ ঘরে ঢুকে এই কাজ করছে না! তবে কে?

    থম মেরে দাঁড়িয়ে রইল ক্যাথি। দরজার ওপাশে শব্দ তখনও চলছেই। বন্ধ দরজায় কান পাতল ক্যাথি। না, ভেতরে কেউ হেঁটে বেড়াচ্ছে না… শুধু জানালার পাল্লার শব্দই পাওয়া যাচ্ছে। প্রায় দৌড়ে শোবার ঘরে চলে এলো সে, তারপর কম্বলটা টেনে নিয়ে মুখ পর্যন্ত ঢুকে শুয়ে রইল। খুব ভয় লাগছে ওর।

    ***

    সিয়োসেটের অফিসে একটা লোক অপেক্ষা করছিল জর্জের জন্য। লোকটা বলল, “আমি কর বিভাগের একজন পরিদর্শক। আপনার অফিসের সব কাগজ-পত্র দেখতে হবে, এছাড়া কর সংক্রান্ত সব নথিও পরীক্ষা করতে হবে।”

    জর্জ সাথে সাথে অফিসের হিসাব রক্ষককে ডেকে পাঠাল। তার সাথে কিছুক্ষণ আলোচনা করে পরিদর্শক বলল, “আমি তবে জানুয়ারির সাত তারিখে আসব। আপনারা সব কাগজ প্রস্তুত রাখবেন।”

    লোকটা বিদায় নেওয়ার পর হাঁপ ছেড়ে বাঁচল জর্জ। তাড়াতাড়ি কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থেকে পাঁচশ ডলার নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করল সে। এরপর কর্মচারীরা সবাই ওকে সেইসব কাজগুলোর ফাইল দেখাল যেগুলো এ ক’দিনে এসেছে। ভালো করে সবগুলো ফাইল পরীক্ষা করল জর্জ, তারপর অল্প কিছু নির্দেশনা দিলো সবাইকে। তাড়াহুড়ো করছিল সে, ডিফেও পরিবার আর ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটার অতীত সম্পর্কে জানতে হবে ওকে।

    তবে একজন কর্মচারী জিজ্ঞাসা করল, “বস, অফিসে হুট করে অনিয়মিত হয়ে গেলেন যে?”

    “আরে একটু অসুস্থ ছিলাম, বুঝলে?” হাসল জর্জ, “খুব তাড়াতাড়ি নিয়মিত হয়ে যাব।” এছাড়া আর কী-ই বা বলার আছে? বাড়ির অদ্ভুত ঘটনাগুলো তো আর খুলে বলা যায় না। আর বললেও ওরা বিশ্বাস করবে না। অফিসের কাজ শেষ করতে করতেই দুপুর একটা বেজে গেল।

    অফিস থেকে বেরিয়ে এলো জর্জ।

    লং আইল্যান্ডের সর্বাধিক প্রচলিত খবরের কাগজ হলো ‘নিউজডে’। বিভিন্ন কোম্পানিগুলো রীতিমতো হুমড়ি খেয়ে পড়ে ওদের কাগজে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য। জর্জও কয়েকবার নিজের কোম্পানির বিজ্ঞাপন দিয়েছে ওখানে। নিউজডের অফিস গার্ডেন সিটিতে। ডিফেওদের সম্পর্কে ওদের কাছেই সবচেয়ে বেশি তথ্য থাকার কথা।

    নিউজডে অফিসের রিসেপশনে বসে থাকা লোকটা জর্জকে চিনত। সবকিছু শুনে সে বলল, “আপনি এক কাজ করুন, আমাদের মাইক্রোফিল্ম বিভাগে চলে যান। ওখানে গিয়ে আমার কথা বললেই হবে। ওরা সব দেখাবে আপনাকে।”

    সেটাই করল জর্জ। জর্জের মুখে হত্যাকাণ্ডের তারিখ শুনে সেখানকার একজন কেরানি ওইদিনের ঘটনা আর রোনাল্ড ডিফেওর বিচার সংক্রান্ত কয়েকটা রিল বের করে দিলো। জর্জ শুধুমাত্র হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত রিলগুলোই চেয়েছিল। কিন্তু লোকটা বলল, “ওর বিচার তো শুরু হয়ে গেছে রিভারহেডে, এই ক’মাস আগে। বিচারসংক্রান্ত তথ্যগুলোও দেখে নিন। একবারেই সব দিয়ে দিলাম। পাশের ঘরে মেশিন আছে, ওখানে গিয়ে মাইক্রোফিল্মগুলো দেখুন।”

    ওই ঘরে গিয়ে রিল চালিয়ে দিলো জর্জ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওর সামনে ভেসে উঠল ১৪ নভেম্বর, ১৯৭৪ সালের খবরের কাগজে ছাপা রনি ডিফেওর ছবিটা! হত্যাকাণ্ডের পরেরদিন সকালে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে, ততক্ষণে ওশান অ্যাভিনিউতে গিয়ে ছয়টা মৃতদেহও পেয়ে গেছে পুলিশ। দাড়িওয়ালা চব্বিশ বছর বয়স্ক রোনাল্ড ডিফেও দেখতে অনেকটাই জর্জের মতো! কিছুক্ষণ থম মেরে বসে রইল জর্জ, তারপরেই ওর মনে পড়ল যে বেসমেন্টের ওই গোপন ঘরটায় দরজায় কয়েক মূহূর্তের জন্য ও যে ছায়ামূর্তিটা দেখেছিল ওটা আসলে রনি ডিফেও!

    বিবরণে বলা হয়েছে— “রনি সেদিন রাতেই বাড়ির কাছের একটা পানশালায় ছুটে গেছিল সাহায্যের জন্য। সেখানে গিয়ে ও বলে যে অজানা কেউ ওর বাবা, মা, ভাই আর বোনদের মেরে ফেলেছে, সুযোগ পেলে ওকেও মেরে ফেলবে। কিছুক্ষণ পর দু’জন বন্ধুকে নিয়ে ওশান অ্যাভিনিউয়ের বাড়িটাতে ফেরে রনি। বাড়ি এসে ওর বন্ধুরা দেখে—রোনাল্ড ডিফেও সিনিয়র(৪৩), লুইস(৪২), অ্যালিসন (১৩), ডন(১৮), মার্ক(১১) আর জন(৯); সবাই মৃত। প্রত্যেকেই উপুড় হয়ে শুয়েছিল, সবারই পিঠে গুলি করা হয়েছে। শব পরীক্ষকের মতে রাত সোয়া তিনটার দিকে মৃত্যু হয়েছে সবার। একই সময়ে ছয় জন মানুষের মৃত্যু বেশ অদ্ভুত।

    “পরেরদিন সকালে রনি ডিফেওকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ততক্ষণে রনি বলে দিয়েছে যে সে-ই আসলে খুন করেছে সবাইকে। অ্যামিটিভিল পুলিশের মতে খুনের কারণ- ২,০০,০০০ ডলারের জীবনবীমা আর রনির মা-বাবার শোবার ঘরের দেওয়াল আলমারিতে লুকানো টাকা ভরতি একটা সিন্দুক।

    “পুলিশ চার্জশিট দাখিল করার পর রিভারহেডের স্টেট সুপ্রিম কোর্টে রনির বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।”

    প্রথম রিলটা খুলে দ্বিতীয় রিলটা মেশিনে লাগাল জর্জ। এতে সাত সপ্তাহ ধরে চলা রনি ডিফেওর বিচারের প্রতিটি দিনের বিবরণ রাখা হয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চলেছিল ওর বিচার।

    এক জায়গায় বলা হয়েছে—”রনি ডিফেওর বিচার বেশ বিতর্কিত। পুলিশের বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তির জন্য রনির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনেরও অভিযোগ রয়েছে। রনি নিজেই আদালতে বলেছে যে কয়েকজন অফিসার ওকে নির্মমভাবে পিটিয়েছে, কেউ কেউ তো চুলও টেনে ধরেছে। রনির আইনজীবী উইলিয়াম ওয়েবার বেশ কয়েকবার প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে ওনার মক্কেল আসলে মানসিক ভারসাম্যহীন। কিছু মনোবিদও ওনার এই দাবির পক্ষে ছিলেন। কিন্তু জুরিরা এই দাবি নাকচ করে দিয়ে রনিকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। তাদের মতে রনি পুরোপুরি মানসিকভাবে সুস্থ এবং সে ঠান্ডা মাথাতেই খুনগুলো করেছে। তাকে পরপর ছয় মেয়াদে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি থমাস সল্ক’র মতে, ‘রনির অপরাধ খুবই জঘন্য এবং একেবারেই ক্ষমার অযোগ্য। এই শাস্তির মাধ্যমে পুরো আমেরিকাকে একটি বার্তা দেওয়া হলো, পাগলামির অজুহাত দেখিয়ে কখনও আইনের হাত থেকে বাঁচা যায় না!”

    “কিন্তু তারপরেও বিতর্ক থামছেই না। বেশ কিছু আইনজীবী বলেছেন পুলিশ ঠিকমতো তদন্ত করেনি। রনি আসলেই মানসিকভাবে সুস্থ নয়। তবে অ্যামিটিভিলের পুলিশ প্রধান এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।”

    রিলগুলো জমা দিয়ে ওই অফিস থেকে বেরিয়ে এলো জর্জ। বেশ ক’টা বিষয় নিয়ে মনের মধ্যে খচখচ করছে ওর। শব পরীক্ষকের মতে রাত সোয়া তিনটার দিকে ডিফেও পরিবারের ছয় জন সদস্যের মৃত্যু ঘটেছে আর ওই বাড়িটাতে আসার পর থেকে ঠিক একই সময়ে ঘুম ভাঙে ওর! ব্যাপারটা ক্যাথিকে খুলে বলতে হবে।

    আচ্ছা, বেসমেন্টের ওই লাল ঘরটা কি ডিফেওরাই বানিয়েছিল? হয়তো নিজেদের টাকা আর গয়না ওখানে লুকিয়ে রাখত ওরা? গাড়ি চালানোর সময়ে এতটাই চিন্তায় মগ্ন ছিল ও যে খেয়ালই করেনি গাড়ির বামদিকের চাকাটা দুলছে, যে-কোনো মুহূর্তে খুলে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে!

    ১১০ নম্বর রুটের লাল বাতির সামনে গাড়ি দাঁড় করাবার পর ডান পাশের গাড়ির ড্রাইভারের হর্নের শব্দে ঘোর কাটল জর্জের। জানালা দিয়ে মুখ বের করে কী যেন বলতে চাইছে লোকটা।

    কাচ নামাল জর্জ।

    “আরে, আপনার গাড়ির বামপাশের চাকাটা তো খুলে যাবে, দেখুন তাড়াতাড়ি… নইলে তো বিপদ!”

    “তাই না কি? অনেক ধন্যবাদ আপনাকে,” তাড়াতাড়ি গাড়ি থেকে বেরিয়ে এলো জর্জ। নেমে চাকাটা ভালো করে পরীক্ষা করল সে। চাকাটার সবগুলো নাট এমনভাবে ঢিলা হয়ে রয়েছে যে হাত দিয়েই সেগুলো খুলে ফেলা যায়! এমন হলে বেশ জোরেই শব্দ হয়। গাড়ির জানালা বন্ধ থাকলেও সেই শব্দ জর্জের শুনতে পাওয়ার কথা। হয়তো চিন্তায় মগ্ন ছিল বলে শুনতে পায়নি!

    হচ্ছে কী এসব? যাওয়ার পথে শক অ্যাবজর্ভার খুলে পড়ল আর আসার পথে চাকা! কেউ ইচ্ছা করে চাকাটা ঢিলা করে দেয়নি তো? চাকা খুলে গিয়ে ভয়ংকর দুর্ঘটনা হতে পারত! ও যদি মারা যেত? কেউ কি চায় যে ও বা ক্যাথি মারা যাক?

    গাড়ির ডিকি খুলে রীতিমতো মেজাজ খারাপ হয়ে গেল জর্জের। গাড়ি তোলার জ্যাক আর নাট টাইট দেওয়ার যন্ত্রটা নেই! অনেক খুঁজেও সেগুলো পেল না জর্জ… যেন রীতিমতো হাওয়া হয়ে গেছে! হাত দিয়েই নাটগুলো যতটা সম্ভব টাইট দিয়ে নিল সে। সামনে একটা গ্যারেজ আছে, ওখানে নেমে চাকাটা ঠিক করে নেওয়া যাবে। আজকে আর ওশান অ্যাভিনিউয়ের বাড়িটা সম্পর্কে কোনো খোঁজ নেওয়া হবে না।

    ***

    মঙ্গলবার।

    ফাদার ম্যানকুসোর হাতের তালুগুলো রীতিমতো লাল হয়ে ফুলে উঠেছে। কয়েক জায়গাতে ফোসকাও পড়েছে, হাত দিলেই টনটন করে ওঠে। প্রথমবারে ডাক্তার তাকে অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দিয়ে গেছিলেন… কিন্তু তারপরেও দ্বিতীয়বার ফ্লুতে আক্রান্ত হলেন তিনি! শরীরের তাপমাত্রা কমার কোনো লক্ষণই নেই! পুরো শরীরে অসহ্য ব্যথা। যেন কোনো অদৃশ্য দানব ক্রমাগত খুঁচিয়ে চলেছে তাকে! অস্থির হয়ে বিছানায় ছটফট করছিলেন ফাদার।

    আগের দিন, মানে সোমবার থেকে ব্যাপারটা শুরু হয়েছে। হুট করেই হাতের তালু লাল হয়ে গেল, তারপর ফোসকা পড়ল। প্রথমদিকে ওগুলো টেনে তুলে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন ফাদার… কিন্তু তাতে আবার অসহ্য যন্ত্রণা হয়। এখন তো অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে হাতদুটো দিয়ে কিছু তুলতেও পারছেন না… এক গ্লাস পানি খেতে গেলেও হাতে ব্যথা হয়। শীত শীত করছে, এই ক’দিনের মধ্যেই আবার জ্বর? কীভাবে সম্ভব?

    ***

    পরেরদিন সকালে অ্যামিটিভিল ইতিহাস সংস্থাতে গিয়ে ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটা সম্পর্কে বেশ কিছু আশ্চর্য তথ্য পেল জর্জ। কিছু নথির সূত্র অনুসারে, অ্যামিটিভিল নদীর ধার ঘেঁষে ওই এলাকাটা ছিল শিনেকক ইন্ডিয়ানদের অধীনে। নিজেদের মধ্যেকার সব উন্মাদ, অসুস্থ আর মুমূর্ষু লোকেদের ওখানে এনে রাখত ওরা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হতভাগা মানুষগুলোকে ওখানেই থাকতে হতো, বাইরে যেতে দেওয়া হতো না। বিশেষ করে বাড়িটা যে জমির ওপর, ওখানে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহগুলোকে শিনেককরা বাইরে নিয়ে যেত, ওই অঞ্চলে কাউকে কবর দেওয়া হতো না। কারণ ওদের ওঝাদের মতে জায়গাটাতে নরকের পিশাচেরা আছে।

    মূলত শিনেককরা বিশ্বাস করত যে নরকের পিশাচেরা পাগল আর অসুস্থদের ভয় পায়। তাই ওরা ওইসব লোককে এনে এখানে রাখত, যাতে করে পিশাচরা বেরোতে না পারে।

    বহু বছর ধরে শিনেককরা এই রীতি জারি রাখে। ওরা ঠিক কত বছর এখানে ছিল তা কেউ বলতে পারে না। তবে এটুকু জানা যায় যে ১৬০০ সালের শেষ দিকে শ্বেতাঙ্গরা এই অঞ্চল আক্রমণ করে। তাদের প্রতিরোধ করতে না পেরে লং আইল্যান্ডের আরও ভেতরে ঢুকে যায় ইন্ডিয়ানরা। লং আইল্যান্ডের পূর্বপাশে যেখানে ওরা বসতি গেড়েছিল সেই জায়গায় আজও ওদের বংশধরেরা থাকে। ওখানকার বেশিরভাগ বাড়ি, সম্পত্তি, দোকান আর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ওদেরই।

    তো যা-ই হোক, অঞ্চলটার নাম অ্যামিটিভিল হওয়ার পর এখানে যেসব শ্বেতাঙ্গরা বাস করতে এসেছিল তাদের মধ্যে সবচেয়ে কুখ্যাত হলো জন কেটহাম। যদিও অনেকের মতে তার নাম জন কেচাম। ওই লোককে ডাকিনীবিদ্যা চর্চা করার জন্য ম্যাসাচুসেটের সালেম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখানেও এই সেই চর্চা বজায় রাখে হতভাগা, জর্জদের বাড়ি থেকে ৫০০ ফুট দূরেই থাকত সে। অনেকে নথিতে বলা হয়েছে যে কেচামের মৃত্যুর পর তাকে স্থানীয় কবরস্থানে কবর না দিয়ে ওর বাড়ির জমির উত্তর-পূর্ব কোণে কবর দেওয়া হয়েছে।

    এরপর জর্জ গেল এলাকার শুল্ক অধিদপ্তরে। সেখান থেকে জানা গেল যে ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটা ১৯২৮ সালে মি. মোনাহান নামের একজন ওলন্দাজ ভদ্রলোক বানিয়েছিলেন। এরপর বেশ কয়েকবার বাড়িটা হাতবদল হয়। অবশেষে ১৯৬৫ সালে রাইলি পরিবারের কাছ থেকে ওটা কিনে নেয় ডিফেও পরিবার।

    সব মিলিয়ে প্রায় দু’দিন বাড়িটা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করল জর্জ। কিন্তু বেসমেন্টের ওই রহস্যময় লাল ঘরটা সম্পর্কে কিছুই জানতে পারল না। ওটা কোন সময়ে বা কেন তৈরি করা হয়েছিল তা কোনো নথিতেই উল্লেখ নেই।

    ***

    ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা।

    বাড়ি সম্পর্কে দু’দিনে যা যা জানতে পেরেছে সবটাই সন্ধ্যাবেলা ক্যাথিকে খুলে বলেছে জর্জ। এমনকি বাড়ির আশেপাশের অদ্ভুত জায়গাগুলোর কথাও বাদ দেয়নি।

    “জর্জ,” ভয়ে ভয়ে প্রশ্ন করল ক্যাথি, “তোমার কি মনে হয়? এই বাড়িটাতে ভূত আছে?”

    “আরে ধুর,” মাথা নাড়ল জর্জ, “ভূত বলে আবার কিছু আছে না কি? এখানে যা যা ঘটেছে… প্রতিটি ঘটনারই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। আমরা সেই ব্যাখ্যা জানি না… এটুকুই!”

    “আমার কিন্তু ভয় লাগছে… ওই সিংহের মূর্তিটা কথাই ভাবো!”

    “কী ভাবব? কিছুই না। হুট করেই পড়ে গেছে।”

    রান্নাঘরের আশপাশটা দেখল ক্যাথি। গত আধা ঘণ্টা ধরে ওখানেই বসেছিল ওরা। তারপর বলল, “আর রান্নাঘরে দু’বার যে ঘটনা ঘটল? আমাকে কে জড়িয়ে ধরেছিল?”

    “ওসব বাদ দাও সোনা,” আড়মোড়া ভেঙে উঠে দাঁড়াল জর্জ, “এগুলো তোমার কল্পনা। নতুন বাড়িতে এমন হয়ই,” তারপর ক্যাথির হাতটা ধরল ও, “আমারও তো অফিসে বসে মাঝে মাঝে মনে হয় আমার মৃত বাবা এসে আমার হাত ধরেছে,” ক্যাথিকে প্রায় জোর করেই চেয়ার থেকে টেনে তুলল সে, “কয়েকবার তো ওনাকে দেখেওছি! তো? উনি কি সত্যিই এসেছিলেন? অনেকের সাথেই এমনটা ঘটে। মানুষের ভুলো মন আরকি… কী আর বলব!”

    ক্যাথিকে জড়িয়ে ধরল জর্জ, চুমু খেলো ঘাড়ে। ক্যাথিও খানিকটা উত্তেজিত হয়ে উঠল। আজ রাতটা যে দারুণ কাটবে সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। রান্নাঘরের আলো নিভিয়ে বসার ঘরের দিকে এগিয়ে গেল ওরা। সিংহটা দেখে কেমন যেন করে উঠল ক্যাথির বুকের মধ্যে। ওটা যদি রাতের বেলা জীবন্ত হয়ে ওঠে? ধুর! কীসব ভাবছে সে!

    “জর্জ, আমরা অনেকদিন ধ্যান করি না। চলো কালকে বসি?” বলে জর্জের ঠোঁটে চুমু খেলো ক্যাথি।

    “আচ্ছা বসা যাবে। তা ধ্যানে বসলেই কি এই বাড়িতে ঘটে যাওয়া অদ্ভুত ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে? হুম?” ক্যাথিকে কোলে তুলে নিল জর্জ। তারপর রওনা দিলো ওপরে।

    সেই রাতে বেশ তাড়াতাড়িই ঘুমাতে চলে গেল ১১২ নম্বর বাড়িটার সব বাসিন্দা। ঘুমানোর আগে সেলাইঘরটা দেখে এসেছে জর্জ। আগের দিন বেজায় ভয় পেয়েছিল ক্যাথি, জর্জ বাড়িতে আসার সাথে সাথে ওকে নিয়ে ভেতরে ঢুকেছিল। কিন্তু সেদিনও জানালা বন্ধ ছিল আজও আছে!

    ***

    ওদিকে ফাদার ম্যানকুসোর সাথে যা হচ্ছে তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও বোধ হয় পাওয়া যাবে না। হাতের তালুতে আর ব্যথা তেমন নেই, কিন্তু খুবই চুলকাচ্ছে! একটা ঝামেলা থেকে আরেকটা… ঘুমানোর আগে প্রার্থনা করতে বসলেন তিনি। কিন্তু তাতে মোটেই মন নেই, বারবার শুধু মনে হচ্ছে ওনার এই শরীর খারাপের সাথে ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটার কোনো সম্পর্ক আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }