Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ১২

    দ্বাদশ অধ্যায়

    ৩১ ডিসেম্বর।

    ১৯৭৬ সাল প্রায় এসেই গেল। ৭৫ সালের শেষ দিনটায় এসে প্রবল তুষারপাত শুরু হয়েছে। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, দোকানপাট সবকিছুই ঢেকে গেছে বরফে। অনেকের মতেই এটা নাকি আগামী বছর ভালো যাওয়ার পূর্বাভাস!

    ওদিকে লুৎজ পরিবারের অবস্থা খুব একটা ভালো না। গত দুই দিন বেশ ব্যস্ত গেছে জর্জের, বাড়ি এবং বাড়ির বাইরে প্রচুর কাজ করেছে। কিন্তু তারপরেও রাতে ভালো ঘুম হয়নি। আজ রাতেও ঘুমটা ভেঙে গেল! জর্জ অবাক হয়ে খেয়াল করল ঘড়িতে সোয়া তিনটার বদলে আড়াইটা বাজে! চুপচাপ আবার শুয়ে পড়ল সে। খানিক পড়েই ঘুম এসে গেল।

    সাড়ে চারটার দিকে আবার ঘুম ভাঙল। বাইরে পুরোদমে তুষারপাত চলছে। কম্বলটার ভেতরে আরও খানিকটা ঢুকে গেল জর্জ, এপাশ-ওপাশ করল। কিন্তু ঘুম আর এলো না। জর্জের নড়াচড়ার কারণে ক্যাথির ঘুমে সমস্যা হলো, এমনভাবে সরে এলো সে… যাতে করে জর্জ একদম বিছানার কোনায় চলে এলো। এই অবস্থায় ঘুমানো যায়? জেগে জেগে ভাবতে লাগল জর্জ। প্রচণ্ড আর্থিক সমস্যায় পড়েছে ওরা, এখন কোথাও থেকে টাকা এলে ব্যাপারটা মন্দ হতো না! কিন্তু কে দেবে টাকা? আচ্ছা, এই বাড়িতে না কি লুকানো টাকা ছিল? সেগুলোর লোভেই তো খুন করেছিল রনি? তাই না? ইশশশ! টাকাগুলো যদি জর্জ পেত।

    একগাদা বিল জমা হয়েছে, সেগুলোর কথা ভাবলে জীবনটাই অসহ্য লাগে জর্জের। নতুন বাড়িটা নেওয়াতে অনেক টাকা খরচ হয়ে গেছে, বছরের শুরুরেই অফিসের কর্মচারীদের বেতন আর নববর্ষের বোনাস দিতে হবে। ও আর ক্যাথি মিলে বাড়িতে যে টাকাগুলো জমিয়েছিল তা পুরোনো বাড়িটার নানান বিল মেটাতেই চলে গেছে; নৌকাগুলো আর মোটরসাইকেল নিয়ে আসতেও খরচ হয়েছে অনেক টাকা। গাড়ির তেলের পিছনেও টাকা যাচ্ছে। ৭ তারিখে অফিসে আবার আসবে কর বিভাগের ওই পরিদর্শক… ব্যাপারটা রীতিমতো ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হতে যাচ্ছে যাচ্ছে ওর জন্য। আচ্ছা, জিমির টাকার ওই খামটা খুঁজে পেলেও তো মন্দ হতো না! জিমিকে এক হাজার ডলার ধার দিয়েছে সে, ওই হিসেবে ওখানকার এক হাজার ডলার তারই। বাকি পাঁচশ ডলারও ওকে বুঝিয়ে রেখে দেওয়া যেত। এই অভাবের সময়ে পনেরশ ডলার অনেককিছু! জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে তুষারপাত দেখতে লাগল জর্জ। খবরের কাগজে ও পড়েছে মি. ডিফেও মানে রোনাল্ড ডিফেও সিনিয়র বেশ বড়োলোক ছিলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অনেক টাকা ছিল ভদ্রলোকের। এছাড়া শ্বশুরের বিরাট গাড়ির কারবারেরও অংশীদার ছিলেন তিনি।

    শোবার ঘরের দেওয়াল আলমারির দরজার ঠিক নিচে জর্জ একটা চোরা- কুঠুরি খুঁজে পেয়েছে। অবশ্য রনিকে গ্রেপ্তার করার সময়ই পুলিশই প্রথম ওটা খুঁজে পায়। কিন্তু ওর ভেতর কোনো টাকাপয়সা পাওয়া যায়নি। এমনও তো হতে পারে যে অন্য কোথাও টাকা লুকিয়ে রেখেছিলেন মি. ডিফেও? টাকাগুলো খুঁজে পেলে কী যে উপকার হতো! এই বাড়ি এখন ওদের, তাহলে টাকাগুলোও তো ওদের পাওয়া উচিত!

    নৌকা রাখা ছাউনিটা! হুট করে রীতিমতো উঠে বসল জর্জ। প্রতি রাতে কেন ওর ওখানে যেতে মন চায়? নিজের ইচ্ছায় যায়? না কি অন্য কারও ইচ্ছায়? তাহলে কি মৃত ভদ্রলোক ওকে নিজের লুকিয়ে রাখা সম্পদের খবর জানাতে চান? অন্য সময় হলে এসব উদ্ভট কল্পনাকে পাত্তাই দিত না জর্জ, কিন্তু সেই রাতটা… একটু আলাদাই ছিল। ওর শুধুই মনে হচ্ছিল, প্রতি রাতে এমনি এমনি ও ছাউনিটার কাছে যায় না… হয়তো কোনো অপার্থিব শক্তি ওকে টেনে নিয়ে যায়। এভাবেই ভোর সাড়ে ছ’টা বেজে গেল। বিছানা থেকে উঠে পড়ল জর্জ, আর ঘুম আসবে না। ঘর থেকে বেরিয়ে নিচতলায় এলো সে। রান্নাঘরে বেশ সময় নিয়ে এক কাপ কফি বানাল।

    বাইরে তখনও রীতিমতো অন্ধকার। রান্নাঘরের দরজার কাছে বরফের একটা ছোটোখাটো ‘পাহাড়’ জমেছে রীতিমতো। পাশের বাড়িতেও একটা ঘরে আলো জ্বলছে। হয়তো ওটার মালিকও টাকার চিন্তায় ঘুমাতে পারছে না… আমেরিকার লোকেদের আজকাল বিল পরিশোধ করার চিন্তাই বড়ো চিন্তা। মনে মনে হাসল জর্জ।

    আজ আর অফিস যাবে না সে। সব কর্মচারীরা তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে নেবে, কাজ তেমন আর হবে না। বছরের শেষ সন্ধ্যাটা পরিবারের সাথেই কাটাতে ভালোবাসে সবাই, কেউ কেউ বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বসে। কফিটা শেষ করে ও ভাবল যে ছাউনি আর বেসমেন্টটা একটু ভালো করে খুঁজে দেখবে। হঠাৎ করে পুরো বাড়িটা একটু বেশিই যেন ঠান্ডা হয়ে এলো… কেঁপে উঠল জর্জ।

    গরম বেড়ে গেলে থার্মোস্টাট নিজে থেকেই রাত বারোটা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত তাপমাত্রা কমাতে থাকে। ছ’টার পর থেকে আবার ঘর গরম করতে শুরু করে, এখন প্রায় সাতটা বেজেছে। মনে হচ্ছে যন্ত্রটা ঠিকমতো কাজ করছে না। বসার ঘরে গিয়ে ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বালাবার জন্য কিছু কাগজ আর কাঠ দিলো জর্জ। আগুন জ্বলে ওঠার একটু আগে সে খেয়াল করল ফায়ারপ্লেসের পিছনের ইটের দেওয়ালটায় কেমন যেন কালি পড়ে আছে। ঘুমানোর আগে তো কালি পরিষ্কার করেই ঘুমিয়েছিল জর্জ! তাহলে? রাতে কেউ আগুন জ্বালিয়েছিল না কি?

    বাইরে একগাদা বরফ দেখে মাকে ঘুম থেকে রীতিমতো টেনে তুলল মিসি।

    “মা মা, ওঠো, দেখো বাইরে কত্ত বরফ! সুন্দর লাগছে না? আজ আমি বাইরে গিয়ে স্লেজ নিয়ে খেলবোই খেলব,” এই বলে ক্যাথির কপালে চুমু খেলো সে। আটটার দিকে মিসিকে সাথে করে নিচে নামল ক্যাথি। মিসির জন্য নাস্তা তৈরি করে ওকে খেতে বসিয়ে দিলো সে, কিন্তু নিজে তেমন কিছুই খেলো না। এক কাপ কফি বানিয়ে সিগারেট ধরাল।

    “ক্যাথি, এক কাপ কফি দিয়ে যাও তো,” বসার ঘর থেকে চেঁচাল জর্জ।

    “আমার মাথা ধরেছে জর্জ,” তুমি একটু রান্নাঘরে এসো।

    কিছুক্ষণ পর রান্নাঘরে এসে জর্জ কফি নিল।

    সাধারণত এই সময়ে ক্যাথি নিজেই বসার ঘরে গিয়ে জর্জকে কফি দিয়ে আসে, কিন্তু ওই সিংহ মূর্তির ঘটনাটার পর থেকে ওখানে যেতে ভয় লাগে ওর। তবে হ্যাঁ, মাথা ধরার ব্যাপারটা সত্যি। ঘুম থেকে ওঠার পরেই চিনচিনে একটা ব্যথা ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাথির মাথায়।

    নয়টা বাজতে বাজতে বসার ঘরের আগুনটা রীতিমতো গনগনে রূপ ধারণ করল। দশটার দিকেও তুষারপাত থামল না।

    “জর্জ,” রান্নাঘর থেকে চেঁচিয়ে উঠল ক্যাথি, “রেডিয়োতে বলছে যে আজ রাতের মধ্যেই অ্যামিটিভিল নদী পুরোপুরি জমে যাবে!”

    বিরক্ত হয়ে জামা-কাপড় আর বুট পরে বাইরে এলো জর্জ। নৌকা রাখার ছাউনিতে স্পিডবোটটা বেশ ভালো অবস্থাতেই আছে। কিন্তু কেবিন ক্রুজারটা নদীতেই ভাসছে, ওটাকে একটা দড়ি দিয়ে পাটাতনের সাথে বেঁধে রেখেছে জর্জ। অত বড়ো জিনিসটাকে ভেতরে তুলে আনতে অনেক খরচ হবে, সেই টাকা নেই ওর। নদীর পানি জমে গেলে চাপের কারণে দামি জিনিসটার অনেকটাই ভেঙে যাবে। কিন্তু জর্জের মাথায় একটা বেশ ভালো পরিকল্পনা রয়েছে।

    নিজের পেইন্ট কমপ্রেসরটা কী যেন ভেবে ছেলেকে দিয়ে দিয়েছিলেন জর্জের মা। যন্ত্রটার একটা প্লাসিক হোস পাইপে বেশ ক’টা ফুটো করে নিয়েছে জর্জ। পাইপটাকে কেবিন ক্রুজারের পাশের পানিতে ডুবিয়ে, যন্ত্রটা চালু করে দিলো জর্জ। পাইপের ফুটাগুলো দিয়ে অসংখ্য বুদ্ বেরিয়ে এলো। যন্ত্রটাকে ওভাবেই রেখে চলে এলো জর্জ। সারাটাদিন এখন ওভাবেই বুদ্ উঠবে আর এই কারণে আশেপাশের পানি অত সহজে জমবে না।

    ***

    সকাল থেকেই হাতের তালু বারবার পরীক্ষা করছেন ফাদার ম্যানকুসো। রাতের বেলা কেমন যেন স্যাঁতসেঁতে হয়ে গেছিল হাতগুলো, সেই ভাবটা আর নেই, তবে লালচে ফোসকাগুলো থেকেই গেছে।

    জ্বর এখনও একশ তিন। প্রধান যাজক একটু আগেই এসেছিলেন ওনাকে দেখছে। ভদ্রলোককে তিনি কথা দিয়েছেন যে সারাদিন বিছানা থেকে উঠবেন না। যদিও হাতের ব্যাপারে কিছুই জানাননি ফাদার ম্যানকুসো, পুরোটা সময়ই আলখাল্লার পকেটে হাত ঢুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

    প্রধান যাজক চলে যাওয়ার পর পকেট থেকে হাত বের করলেন ফাদার ম্যানকুসো। তালুর দিকে চাইতেই মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। অ্যামিটিভিলের ওই অপয়া বাড়িটাতে মাত্র একবার যাওয়ার জন্য এত দুর্ভোগ? কেন? কেন এসব হচ্ছে? ঈশ্বরের পথে প্রাণ দিতেও কোনো দ্বিধা করবেন না তিনি, কিন্তু সেই প্রাণের বিনিময়ে অন্য কারও প্রাণ তো বাঁচাতে হবে? তাই না? শুধু শুধু প্রাণ দিয়ে কী হবে? বাড়িটার সমস্যা কী? দীর্ঘকাল ধরে যাজকের কাজ করছেন তিনি, ভূত-প্রেত তাড়ানোর হালকা প্রশিক্ষণও নিয়েছেন… কিন্তু এমন ঝামেলায় কখনোই পড়েননি! রাগ উঠছে তার… এ এক অর্থহীন ক্রোধ

    রাগের সাথে সাথে হাতের তালুর ব্যথাটাও বাড়তে শুরু করল। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনার কোনো বিকল্প নেই, একমাত্র তিনিই পারেন পথ দেখাতে। ঈশ্বরের কথা ভাবতেই রাগটা কমে এলো। হাঁটু গেড়ে প্রার্থনায় বসলেন তিনি, দুই হাত মুঠি পাকালেন। না, এখন আর তেমন ব্যথা করছে না!

    উঠে দাঁড়ালেন তিনি। হাতের মুঠি খুললেন ধীরে ধীরে, তারপর ফোসকাগুলো দিকে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইলেন কিছুক্ষণ।

    “হে ঈশ্বর আপনাকে ধন্যবাদ,” চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে এলো ফাদারের, “সবই আপনার পরীক্ষা, আমি জানি!”

    আবার হাঁটু গেড়ে প্রার্থনায় বসলেন তিনি।

    ***

    সেদিন দুপুরবেলা ড্যানি আর ক্রিস ক্যাথিকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে বসল, যে তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবে। এর আগেও একবার এমন করেছিল তারা, ডিয়ার পার্কের বাড়িতে থাকার সময়। সেইবার মিথ্যা বলার অপরাধে ওদের দু’জনকে এক সপ্তাহ বাড়ি থেকে বাইরে না বের হওয়ার শাস্তি দিয়েছিল জর্জ, এই সময়ে টিভি দেখাও বন্ধ। দুই ছেলেই রেগে-মেগে বলেছিল জর্জের হুকুম তারা মানবে না। টিভি যদি দেখতে না দেওয়া হয় তবে ওরা বাড়ি থেকে চলে যাবে। জর্জও জানিয়ে দিয়েছিল যে সে যা করছে ওদের ভালোর জন্যই করছে। ওদের ইচ্ছা হলে বাড়ি থেকে চলে যেতে পারে, জর্জের কোনো সমস্যা নেই।

    রাগের মাথায় দুই ছেলেই নিজেদের সমস্ত কাপড়, খেলনা, ক্যাসেট, ম্যাগাজিন, গল্পের বই ইত্যাদি বিছানার চাদরে বোচকা বেঁধে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছিল। সদর দরজা দিয়েই বেরিয়েছিল ওরা, জর্জ দেখেও আটকায়নি। বাড়ির সামনের রাস্তাটা একটু পেরোতেই ভারী বোচকাদুটোর ওজনে রীতিমতো অস্থির হয়ে পড়ল বাচ্চাদুটো, হাঁটতেই পারছিল না। এই সময়ে একজন প্রতিবেশী তাদের দেখে ফেলে, তারপর বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এরপর থেকে আর কখনও এমন ছেলেমানুষি করেনি ওরা, কিন্তু এতদিন পর আবার…

    রান্নাঘর থেকে তিন তলায় ঝগড়া আর মারপিটের শব্দ শুনে তাড়াতাড়ি ওপরে উঠল ক্যাথি। গিয়ে দেখে ড্যানির বিছানায় ওর বুকের ওপর উঠে ঘুসি মারতে চলেছে ক্রিস। ওদিকে পাশের বিছানায় বসে খুশিতে হাততালি দিচ্ছে মিসি… যেন কুস্তি দেখে বেশ মজা পাচ্ছে সে!

    দুই ছেলেকে টেনে ছাড়াল ক্যাথি।

    “কী ব্যাপার হ্যাঁ?” চেঁচিয়ে উঠল ও, “মানে পেয়েছটা কী তোমরা? পাগল হয়ে গেছ? না কি বাড়িটাকে কুস্তির আখড়া মনে হয়? হুম?”

    “তুমি না বলেছিলে যে ড্যানি আজ ঘর গুছাবে? সেই কথা বলাতেই রেগে উঠেছে ও,” পাশ থেকে বলল মিসি।

    একদৃষ্টিতে ড্যানির দিকে কয়েক মুহূর্ত চেয়ে রইল ক্যাথি, তারপর বলল, “কেন? কেন ঘর গুছাবে না? ঘরের অবস্থা দেখেছ? এটা ঘর? না জঙ্গল?”

    ঘরের অবস্থা আসলেই খুব বাজে। মেঝে আর বিছানার এখানে সেখানে ছড়িয়ে আছে খেলনা। গোসল করার আগে নিজেদের ছাড়া পোশাকগুলো মেঝেতেই ফেলে রাখে ড্যানি আর ক্রিস। সেগুলোও পড়ে আছে, উৎকট গন্ধ আসছে রীতিমতো। ক’দিন আগে কিনে দেওয়া রং-তুলি সেটের তুলিগুলোর খোঁজ নেই, রঙের কৌটাগুলো একপাশে জমা করে রাখা, সেগুলো দিয়ে রং পড়ে ভিজে গেছে গালিচা, বড়োদিনে কিনে দেওয়া অনেক খেলনাই নষ্ট হয়ে ভেঙে গেছে সেগুলোও কোনাতে জমা করা।

    “তোমাদের নিয়ে যে কী করি,” হাল ছেড়ে দেওয়ার ভঙ্গিতে বলল ক্যাথি, “এত সুন্দর একটা বাড়ি কিনলাম, তোমাদের আলাদা খেলাঘর পর্যন্ত আছে… তা-ও…”

    ঝটকা মেরে হাত ছাড়িয়ে নিল ড্যানি, “ওই ফালতু খেলাঘরে খেলতে আমার ভালো লাগে না!”

    “একদম,” ওর সাথে গলা মেলাল ক্রিস, “এই পুরো এলাকাটাই আমাদের ভালো লাগে না, কেউ আমাদের সাথে খেলতে আসে না!”

    আবার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল ক্যাথির। আরও কয়েক মিনিট চলল ওদের তর্কাতর্কি। অবশেষে তর্কে না পেরে ড্যানি বলে উঠল, “আমরা আর এই বাড়িতে থাকব না, চলে যাব!”

    “হ্যাঁ হ্যাঁ, দেখা যাবে। একবার তো চেষ্টা করেছ, পেরেছিলে কী? দাঁড়াও তোমাদের বাবাকে বলে এমন ব্যবস্থা করছি যে দু’জনের কারও পিঠে চামড়া থাকবে না।”

    সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পরিবেশ খানিকটা ঠান্ডা হলো। ড্যানি আর ক্রিস রীতিমতো চুপচাপ। ওদেরকে নাস্তার টেবিলে ডেকে নিয়ে গেল ক্যাথি। আজকে টেবিলের পরিবেশ কেমন যেন থমথমে। ক্যাথি জর্জকে সাথে নিয়ে ওর মায়ের বাড়িতে যেতে চেয়েছিল।

    কিন্তু জর্জ বলেছে, “আরে ক্যাথি, অত দূর থেকে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যাবে। আজ তো মদ খেয়ে সব ট্রাক ড্রাইভার মাতাল হয়ে গাড়ি চালাবে… এই সময়ে রাস্তায় গাড়ি চালানো বেজায় ঝামেলা।”

    “তাহলে চলো কাছে কোনো বন্ধুর বাড়ি যাই? নববর্ষের আগের রাত এমন নিরামিষ হলে চলে?”

    “আশেপাশে কোনো বন্ধুর বাড়ি নেই আমাদের। ভুলে গেলে না কি?”

    “তাহলে চলো রাস্তার পর্দায় সিনেমা দেখি?”

    “এই ঠান্ডায়? মাথা খারাপ তোমার? বাড়িতেই থাকো।”

    ক্যাথির মনটা তখন থেকেই খারাপ। চুপচাপ খাওয়া শেষ করল সবাই।

    “বলছিলাম কী জর্জ, সিরামিকের সিংহটা সেলাইঘরে রেখে আসবে?” বলল ক্যাথি।

    “হুম, দাঁড়াও,” উঠে দাঁড়াল জর্জ, ক্যাথির একগাদা প্রস্তাব সন্ধ্যায় নাকচ করে দিয়েছে সে। এটাও নাকচ করলে দাম্পত্য কলহ বেধে যাবে।

    সিংহটা রাখতে গিয়ে জর্জ দেখে আবার নদীর দিকে মুখ করা জানালাটায় মাছি জমেছে। রাগে প্রায় অন্ধ হয়ে গেল সে, কাগজের একটা রোল নিয়ে হামলা চালাল মাছিগুলোর ওপর। কিছু মরল, বেশিরভাগই পালাল। বেশ জোরে দরজাটা বন্ধ করে গজগজ করতে করতে একতলায় নামল জর্জ।

    দশটা বাজতে বাজতে বসার ঘরের মেঝেতেই ঘুমিয়ে পড়ল মিসি। ক্যাথি কথা দিয়েছে যে সে মিসিকে রাত বারোটার একটু আগেই জাগিয়ে দেবে। বড়োদিনে উপহার পাওয়া নিজের ছোট্ট বাঁশিটা বাজিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেবে মিসি। ড্যানি আর ক্রিস তখনও জেগে আছে, ক্রিসমাস ট্রির নিচে খেলতে খেলতে টিভি দেখছে ওরা, টিভিতে বেশ পুরোনো একটা সিনেমা হচ্ছে।

    জর্জ যথারীতি ফায়ারপ্লেসের সামনে বসে একমনে কী যেন ভাবছে। ওর পাশেই বসে আছে ক্যাথি, দুয়েকবার জর্জের সাথে গল্প করার চেষ্টা করেছে সে, জর্জ কোনো আগ্রহ দেখায়নি। বাধ্য হয়ে টিভি দেখছে সে।

    ***

    রাত বাড়ার সাথে সাথে ফাদার ম্যানকুসোর হাতের ব্যথাটাও আবার ফিরে এলো। ফাসকাগুলোর অবস্থা আরও খারাপ, ধীরে ধীরে ওগুলো যেন ফোঁড়াতে পরিণত হচ্ছে, ধীরে ধীরে হাতের উলটাপিঠেও ছড়িয়ে পড়ছে সেগুলো। না না, ব্যাপারটা আর লুকিয়ে রাখা সম্ভব না। এই ব্যথা নিয়ে রাত কাটানো একেবারেই অসম্ভব।

    প্রধান যাজক আবার ডাক্তার ডেকেছেন।

    একটু পরেই এসে গেলেন তিনি। ম্যানকুসোর জ্বরের কী অবস্থা তা জিজ্ঞাসা করতেই হাত বাড়িয়ে দিয়ে ফাদার বললেন, “দেখুন তো, কী হয়েছে!”

    খুব ধীরে ধীরে মন দিয়ে ফোসকাগুলো পরীক্ষা করলেন ডাক্তার, ভ্রু কুঁচকে গেল তার, “দেখুন ফ্রাংক, আমি তো চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ নই, তাই ঠিক বুঝতে পারছি না… তবে এতটুকু বলতে পারি এসব অ্যালার্জির কারণেও হতে পারে…. আমার দুশ্চিন্তার কারণেও হতে পারে। আপনি কি কোনো কিছু নিয়ে চিন্তা করছেন? খুব বেশি?”

    ***

    “তা বলতে পারেন, “ আস্তে করে জানালার দিকে তাকালেন ফাদার, বাইরে বেশ জোরেই তুষারপাত শুরু হয়েছে, “হয়তো কেউ আমাকে ঝামেলায় ফেলার চেষ্টা করছে,” আবার ডাক্তারের দিকে মুখ ঘুরালেন তিনি, “কিংবা কিছু একটা…

    “ভাববেন না, কাল সকালের মধ্যেই আপনার শরীর অনেকটাই ভালো হয়ে যাবে,” এই বলে বেরিয়ে এলেন ডাক্তার। ওনাকে আবার একটা নববর্ষের পার্টিতে যেতে হবে।

    ***

    ওদিকে টিভিতে দেখাচ্ছে গাই লোম্বারদো[৯], ওয়ালড্রফ অ্যাস্টোরিয়া হোটেলে নববর্ষকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। লুৎজরা টিভিতে দেখছিল সবকিছু। টাইম স্কোয়ারের অ্যালায়েড কেমিক্যাল ভবনে একের পর ঘণ্টার বাড়ি পড়ছে। উপস্থাপক বেঞ্জামিন ফ্রাংকলিন গ্রয়ার গুনে গুনে বিদায় জানালের ১৯৭৫ সালের শেষ দশটি মুহূর্তকে।

    [৯. কানাডিয় প্রখ্যাত বেহালাবাদক।]

    আধ ঘণ্টা আগেই শোবার ঘরে চলে গেছে ড্যানি আর ক্রিস। অনেকক্ষণ টিভি দেখে আর জর্জের ফায়ারপ্লেসের ধোঁয়ার কারণে ওদের চোখগুলো রীতিমতো লাল হয়ে গেছিল। বারোটার আগেই মিসিকে জাগিয়ে দিয়েছিল ক্যাথি, কিন্তু একটু পরেই আবার ঘুমিয়ে পড়েছে সে। ওকে কোলে করে দোতালায় শুইয়ে দিয়ে আবার নিচে নেমে এসে জর্জের পাশের চেয়ারে বসল ক্যাথি।

    বারোটা এক বাজে। নতুন বছরের প্রথম মিনিট। এক দৃষ্টিতে ফায়ারপ্লেসের দিকে চেয়ে রইল ক্যাথি, আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে কাঠগুলো… লেলিহান শিখার নাচানাচি বড়োই অদ্ভুত। ঠিক তখনই সে খেয়াল করল ব্যাপারটা… আগুনের মধ্যে অদ্ভুত একটা কিছু যেন তৈরি হচ্ছে… কয়লায় কালো দেওয়ালের সামনে যেন সাদা একটা অবয়ব ফুটে উঠছে… ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে সেটা। মুখ… চোখ… নাক… কান… শিং!

    চিৎকার করে জর্জকে ডাকতে চাইল ক্যাথি, কিন্তু ওর গলা দিয়ে কোনো আওয়াজ বের হলো না। যেন কেউ বাকশক্তি কেড়ে নিয়েছে মেয়েটার। ফায়ারপ্লেসের দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনের মধ্যে ধীরে ধীরে ফুটে উঠতে থাকা দৈত্যটার দিক থেকে কিছুতেই চোখ ফেরাতে পারছে না সে।

    দৈত্যটার মাথায় একটা চোখা সাদা টুপি। আরও বড়ো হচ্ছে ওটা, ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে ওর দিকে! পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে ক্যাথি… মাথার অর্ধেকটা বিকৃত! কান আর নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে… চোখদুটোও গেলে দেওয়া… যেন কেউ খুব কাছ থেকে শটগান দিয়ে গুলি চালিয়েছে ওর ওপর।

    “জর্জ! ও জর্জ!” অবশেষে চেঁচিয়ে উঠল ক্যাথি।

    “কী হলো আবার?” মুখ তুলে চাইল জর্জ।

    কিছু বলতে পারল না ক্যাথি, শুধু আঙুল তুলে দেখাল… জর্জ দেখতে পেল একটা সাদা ধোঁয়াটে মূর্তি আগুনের পিছনে কাঠের গুঁড়িগুলোর সাথে আস্তে আস্তে পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }