Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ১৫

    পঞ্চদশ অধ্যায়

    ২-৩ জানুয়ারি।

    ফাদার ম্যানকুসো যে আসবেন না তা বুঝতে বাকি রইল না জর্জ আর ক্যাথির এখন কী করবে ওরা? অন্য কোনো যাজককে ডাকবে? ক্যাথি একবার স্থানীয় অ্যামিটিভিল গির্জার যাজকের কথা বলেছিল, কিন্তু জর্জ না করে দিলো। খবরের কাগজে লোকটার ব্যাপারে দেখেছিল জর্জ, বেশ বয়স্ক মানুষ তিনি। রনি ডিফেওর স্বীকারোক্তি উনিই নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে এক সাংবাদিককে বলেছিলেন, “এসব অদৃশ্য কণ্ঠ আর ভূত-প্রেত সবই ফালতু কথা, রনি চিরকালই একটা বদ ছেলে ছিল!” এই যাজক ভূত-প্রেতেও বলতে গেলে তেমন বিশ্বাস করেন না। এমন একটা মানুষকে বাড়ি শুদ্ধ করার জন্য ডাকতে গেলে যে জর্জকে অপমানিত হয়ে ফিরতে হবে সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহই নেই।

    “আচ্ছা ক্যাথি, কেউ আমাদের ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে তাড়াতে চাচ্ছে না তো? হয়তো এখানে ভূত-প্রেত নেই… সবই মানুষের কারসাজি?” আস্তে করে বলল জর্জ।

    “দেখো জর্জ,” মাথা নাড়ল ক্যাথি, “আমাকে অদৃশ্য কেউ জড়িয়ে ধরে এটা আমার মনের ভুল হতে পারে! কিন্তু… ফায়ারপ্লেসে আমরা দু’জন যে মুখটা দেখেছিলাম? তারপর বরফে ফুটে ওঠা শুয়োরের পায়ের ছাপ? আচ্ছা, ধরে নিলাম কোনো মানুষ আমাদের তাড়ানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু এগুলো কীর্তি ঘটানো কি কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব? তুমি যাই-ই বলো না কেন… এই বাড়িতে ভয়ংকর এক অতিপ্রাকৃত শক্তি আছে! যা আমাদের ক্ষতি করতে চায়!”

    “হুম,” দীর্ঘশ্বাস ফেলল জর্জ, “কিন্তু এখন আমরা কী করব? ফাদারও তো আসছেন না।”

    অবশেষে অনেক চিন্তার পর ঘুমাতে চলে গেল তারা।

    “ক্যাথি,” হুট করেই উঠে বসল জর্জ, “আগামীকাল আমি অ্যামিটিভিল পুলিশ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করব!”

    ২ জানুয়ারি রাত সোয়া তিনটায় আবার ঘুম ভেঙে গেল জর্জের। নৌকার ছাউনি দেখতে বের হলো সে, সব ঠিকঠাকই ছিল। হ্যারিও ওর ঘরে অঘোরে ঘুমাচ্ছিল। দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক আগে থেকেই ঘুমিয়ে কুকুরটা। পরদিন সকালে ভ্যানে করে হ্যারিকে ডিয়ার পার্কের পশু হাসপাতালে নিয়ে গেল জর্জ। এখানকার ডাক্তারদের সাথে বহুদিন থেকেই তার পরিচয়, তাই এখানে আসা। ডাক্তাররা ভালো করে পরীক্ষা করল হ্যারিকে, অবশেষে কিছুক্ষণ পর তারা জানাল হ্যারি একদম সুস্থ আছে। ওকে কোনো প্রকার বিষ বা নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ানো হয়নি। ফাঁক দিয়ে জর্জের পকেট থেকে বেরিয়ে গেল ৩৫ ডলার। ডাক্তার এটাও বললেন যে হুট করেই নতুন পরিবেশ আর বেশি খাওয়ার কারণে কুকুরটা অলস হয়ে গেছে।

    ***

    ২ তারিখ সকালবেলা ফাদার ম্যানকুসো আবার নতুন করে অ্যামিটিভিলের বাড়িটার শুদ্ধীকরণ আচার পালন করলেন। তবে তিনি কিন্তু জর্জদের বাড়িতে যাননি, বরং লং আইল্যান্ড রেক্টরির ভেতরের গির্জাতেই সব করলেন। এই ধরনের শুদ্ধীকরণ সাধারণত খুব বিপদে না পড়লে করতে চান না যাজকেরা। তবে খুব শক্তিশালী প্রেতশক্তির খপ্পরে পড়লে এটা না করেও উপায় থাকে না। ফাদার ম্যানকুসোর ধারণা জর্জদের বাড়ির প্রেতশক্তিটা অসম্ভব ক্ষমতাবান, ওটার এলাকায় গেলেই তার বিপদ হবে।

    বেদির সামনে হাঁটু গেড়ে বসে নিজের হাতের গ্লাসভ খুলে ফেললেন ফাদার, তারপর বাইবেল থেকে পড়তে লাগলেন লাগলেন, “ “আমিই মানুষের রক্ষাকর্তা, ‘ প্রভু কহেন, ‘মানুষ যে বিপদেই পড়ুক না কেন, তারা আমাকে স্মরণ করুক, তাদের প্রার্থনার উত্তর দেওয়ার জন্য সর্বদা আমি বিরাজমান।’”

    বুকে ক্রুশ এঁকে কয়েক পাতা উলটে আবার পড়তে লাগলেন তিনি, “প্রভু, হে পরমপিতা, আপনিই আমাদের সব। আমাদের বিপদে পথ দেখান, অসুস্থকে সুস্থ করুন, বিপদগ্রস্থকে উদ্ধার করুন! আমাদের দুঃখ দূর করুন… করুণা করুন হে প্রভু!”

    মুখ তুলে যিশুর ক্রুশবিদ্ধ মূর্তির দিকে চাইলেন ফাদার, “হে পরম পিতা, আমাদের যে শাস্তি প্রাপ্য তা আপনিই আমাদের দেন, আবার আপনিই আমাদের বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। প্রভু যিশুর মাধ্যমে আমরা আপনার কাছেই প্ৰাৰ্থনা করি! শুধু আপনিই পারেন আমাদের উদ্ধার করতে!”

    বাইবেল বন্ধ করলেন তিনি, কিন্তু যিশুর মূর্তি থেকে চোখ সরালেন না, “হে প্রভু, লুৎজদের বাঁচান। ওরা আপনারই সন্তান! হে প্রভু অবিশ্বাসীরা যেভাবে আপনার পুত্রকে হত্যা করেছিল… ঠিক সেভাবেই আজ এক ভয়ংকর শক্তি কষ্ট দিচ্ছে লুজদের। লুৎজরা কোনো পাপ করে থাকলে তার যথেষ্ট শাস্তি ওরা ভোগ করেছে হে প্রভু, এবার ওদের মুক্তি দিন… হে পরমপিতা… আমার আহবান শুনুন! প্রভু যিশুর মাধ্যমে আপনার কাছে এই আমার প্রার্থনা… আমেন।”

    কাজ শেষ করে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে এলেন ফাদার। কিন্তু তালা খুলতেই মানুষের মলের একটা তীব্র গন্ধ এসে আঘাত করল ওনার নাকে! পুরো অ্যাপার্টমেন্টে ওই গন্ধ! গন্ধ রীতিমতো বেড়েই চলেছে! বমি এসে গেল ফাদারের… তাড়াতাড়ি সব জানালা খুলে দিলেন তিনি। ঠান্ডা বাতাসে ভরে গেল অ্যাপার্টমেন্ট। কয়েক মুহূর্তের জন্য যেন কমজোর হলো সেই গন্ধ, তারপরেই আবার হুট করে বেড়ে গেল! নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল ফাদারের… বাথরুমে কোনো সমস্যা হলো না কি? তাড়াতাড়ি সেখানে ছুটে গেলেন তিনি। কিন্তু নাহ, সব ঠিকই আছে। আবার বমি এলো তার।

    রেক্টরির সামনের উঠানে একটা ট্যাংকের মতো আছে, ওটা মলাধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আবার পিছন দিকে কতগুলো পুরোনো কুয়াও আছে। এই দুই জায়গার কোনো এক জায়গা দিয়ে গন্ধ আসছে না তো? রেক্টরির কলের মিস্ত্রিকে ডেকে পাঠালেন ফাদার। তারপর দু’জন মিলে কুয়াগুলো দেখতে গেলেন, নাহ ওখানে কোনো প্রাণীর মৃতদেহ পড়ে নেই। মলাধারটাও ঠিকই আছে, ওটার পাইপে কোনো ছিদ্র নেই।

    রীতিমতো ভয় পেয়ে গেলেন ফাদার। হয়তো এতক্ষণে গন্ধটা পুরো রেক্টরিতে ছড়িয়ে পড়েছে। একটু দূরেই কলেজ ভবন, ওখানে ছাত্ররা পড়ছে ওদিকেও গন্ধ যাবে নিশ্চিত! সব যাজকেরা ইতোমধ্যেই হয়তো নিজেদের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়েও পড়েছেন। প্রধান যাজক এখন কী করে সামলাবেন সব? এক কাজ করা যায়, সবগুলো অ্যাপার্টমেন্টে ধূপ জ্বালিয়ে দিলে কেমন হয়? তাতে হয়তো ওই গন্ধ আর নাকে লাগবে না।

    তখনও ফাদার ম্যানকুসো আসল ব্যাপারটাই বুঝতে পারেননি, যে গন্ধের আসল উৎস আসলে ওনার অ্যাপার্টমেন্ট। তাড়াতাড়ি করে অ্যাপার্টমেন্টে কয়েকটা ধূপ জ্বালিয়ে কলেজ ভবনের দিকে ছুটলেন তিনি।

    কিন্তু ওখানে কোনো গন্ধ নেই! আর কোথাওই কোনো গন্ধ নেই! ওনার বুঝতে বাকি রইল না যে লুজদের বাড়িটার জন্য সকালে বিশেষ আচার পালন করার ফলেই এমনটা হয়েছে। ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটাতে প্ৰথম যেদিন তিনি গেছিলেন, সেদিনই একটা বিকৃত কণ্ঠস্বর ওনাকে বলেছিল, “বেরিয়ে যাও!” ওই ভয়ংকর শক্তিই এখন রেক্টরিতে এসে তাকে জ্বালাতন করছে! এত ক্ষমতা ওই শক্তির? এমন পবিত্র জায়গাতেও ঢুকতে পারে?

    চুপচাপ ভবনে ফিরলেন ফাদার। তারপর ওপরে উঠে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন বারান্দায়। কোথাও কোনো গন্ধ নেই, শুধু ওনার অ্যাপার্টমেন্টই ভরে আছে ওই উদ্ভট গন্ধে। উঠানের দিকে উদাস দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজের ছাত্রজীবনের একটা স্মৃতি মনে পড়ে গেল তার। প্রেততত্ত্ব ক্লাসে একবার একজন বেশ অভিজ্ঞ যাজক বলেছিলেন, “শয়তানের উপস্থিতির একটা বড়ো সংকেত হলো মানুষের মলের গন্ধ। “

    ***

    বিকালবেলা অ্যামিটিভিল পুলিশ বিভাগের ডিটেকটিভ, সার্জেন্ট চার্লি ল্যু জাম্মাতারো এলো জর্জদের বাড়িতে। জর্জের সাথে ভাঙা গ্যারেজের দরজাটা দেখল সে, বরফের ওপর শুয়োরের পায়ের ছাপগুলো তখনও স্পষ্ট আছে। তারপর ভেতরে ঢুকল ওরা। ক্যাথি আর বাচ্চাদের সাথে সার্জেন্টকে পরিচয় করিয়ে দিলো জর্জ। ক্যাথি ওই ‘অদৃশ্য আলিঙ্গন’র কথা খুলে বলল সার্জেন্টকে, তারপর বসার ঘরে নিয়ে ফায়ারপ্লেসটা দেখাল… বলল ওখানে দেখা দানবটার কথা।

    খানিকটা বিরক্ত হলো সার্জেন্ট, মনে হচ্ছিল কথাগুলো বিশ্বাস করেনি সে।

    অবশেষে তাকে বেসমেন্টের সেই গোপন ঘরে নিয়ে গেল জর্জ আর ক্যাথি।

    “দেখুন সার্জেন্ট,” বলে উঠল জর্জ, “আমি নিজের চোখে রনি ডিফেওর ছায়ামূর্তিকে এই ঘরের দরজার আড়ালে মিলিয়ে যেতে দেখেছি।”

    “রনি তো জীবিত, না মরেই ভূত হয়ে গেল?” হাসল সার্জেন্ট।

    “আমার মনে হয় এই ঘরটা সেই-ই বানিয়েছে। স্থানীয় বারটেন্ডারও বলে এই ঘরটা নিয়ে অদ্ভুত সব স্বপ্ন দেখেছে সে। এই ঘরে হয়তো কোনো অশুভ কাজ করত খুনিটা? হুম?

    “কী প্রমাণ আছে আপনাদের কাছে? যে রনিই ঘরটা বানিয়েছিল? কারও স্বপ্নের কথা কিন্তু প্রমাণ হিসেবে আদালতে পেশ করা যায় না!”

    চুপ করে রইল জর্জ আর ক্যাথি।

    “দেখুন আপনাদের সব কথাই শুনলাম,” হাসল সার্জেন্ট, “আপনারা যা দেখেছেন, যা শুনেছেন… সেইসব কথা আমি উড়িয়ে দিচ্ছি না। তবে এসব ক্ষেত্রে পুলিশের কী করার আছে? আপনারা কোনো যাজকের সাথে যোগাযোগ করুন। আমেরিকার আইন এইসব ভূত-প্রেতে বিশ্বাস করে না, তাই এসব দেখাও পুলিশের কাজ না। তবে হ্যাঁ, ভাঙা গ্যারেজের দরজাটা নিয়ে আমি তদন্ত করে দেখব, ওটা কোনো বদ লোকের কাজ হতে পারে।”

    লুৎজদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে চড়ে বসল জাম্মাতারো। এসব কেসে পুলিশ কী-ই বা করতে পারে? তবে লুৎজদের জন্য খারাপ লাগছে ওর। ওদের গ্যারেজের ভাঙা দরজাটার ব্যাপারে তদন্ত করার জন্য একজন কনস্টেবলকে বলে দেবে, আপাতত এই। কিন্তু একটা ব্যাপার সে ওদের বলেনি। লুৎজ দম্পতি এমনিতেই ভয়ে আছে, ওরা আরও বেশি ভয় পাক তা চায়নি সার্জেন্ট। ব্যাপারটা হলো, বাড়িটাতে ঢোকার পর থেকেই ওর মনে হয়েছে, কেউ যেন ওর দিকে তাকিয়ে আছে… কেমন একটা অদ্ভুত পরিবেশ, পুরোটা সময় গা ছমছম করছিল ওর। ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটাতে আর কখনোই যাওয়ার ইচ্ছা নেই ওর।

    ***

    ওদিকে সন্ধ্যা নামার পরেও ফাদার ম্যানকুসোর অ্যাপার্টমেন্টের গন্ধটা যায়নি বরং ধূপের গন্ধের সাথে মিশে আরও উদ্ভট এক রূপ ধারণ করেছে। ধোঁয়ায় ভরে আছে ঘরগুলো, রীতিমতো চোখ জ্বলছে ফাদারের… শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে। বাইরে থেকেও লোকেরা এসে অবাক হয়ে যাচ্ছে, এক তরুণ যাজক তো প্রায় বমিই করে ফেলেছিল! কোনটা ধূপের গল্প আর কোনটা বাজে গন্ধ সেটাই এখন আর বোঝা যাচ্ছে না!

    জানালাগুলো এখনও খোলা রেখেছেন ফাদার। ঠান্ডা বাতাসও কেমন যেন অদ্ভুত আচরণ করছে, ধোঁয়া আর গন্ধটাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার বদলে আরও বেশি করে ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে! কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। একবার ফাদার ভাবলেন যে প্রধান যাজককে সবকিছু খুলে বলবেন, কিন্তু তখন ঝামেলা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে… হয়তো সেই অপার্থিব শক্তি আরও রেগে যাবে! ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা ছাড়া আর কিছুই করার নেই ফাদারের!

    ***

    সার্জেন্ট জাম্মাতারো চলে যাওয়ার একটু পরেই জর্জ খেয়াল করল যে নৌকা রাখার ছাউনির কমপ্রেসরটা কাজ করছে না। চিন্তায় পড়ে গেল জর্জ, সম্ভবত অতিরিক্ত চাপের কারণে সার্কিটে ঝামেলা হয়ে ফিউজ জ্বলে গেছে। বেসমেন্টে দিকে রওনা দিলো সে, ফিউজ বাক্সটা পরীক্ষা করতে হবে।

    বেসমেন্টের সেই দেওয়াল আলমারিটার পাশেই ফিউজ বাক্স। ওপর থেকে কতগুলো ভালো ফিউজ নিয়ে গেছিল সে। পুড়ে যাওয়া ফিউজটা বের করে সেটা পালটে দিলো জর্জ। তারপরেই কমপ্রেসর চালু হওয়ার শব্দ শুনতে পেল। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল জর্জ, দেখতে হবে… আবার ওভারলোড হয় না-কি। না হলো না, খুশি মনে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেল ও।

    অর্ধেকটা উঠতেই অদ্ভুত একটা গন্ধ এসে লাগল জর্জের নাকে। ওটা তেলের গন্ধ তো নয়… জর্জের হাতে টর্চ ছিল, কিন্তু ওটা চালু করার দরকার নেই। কারণ বেসমেন্টের আলো তখনও জ্বলছে। সিঁড়ি থেকে পুরো বেসমেন্টটাই দেখা যাচ্ছিল। ভালো করে খেয়াল করল জর্জ, গন্ধটা বেসমেন্টের উত্তর-পূর্ব দিকে থেকে আসছে… মানে প্লাইউডের ওই তাকটার দিক থেকে! ওখানেই তো সেই গোপন ঘর!

    আবার নিচে নেমে এসে তাকগুলোর সামনে দাঁড়াল জর্জ। গন্ধটা আরও বেড়ে গেল। নাক চেপে ধরে গোপন দরজাটায় ধাক্কা দিলো জর্জ। তারপর টর্চ মেরে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল লাল ঘরটা।

    আরে! এ যে মানুষের মলের গন্ধ! কুয়াশার মতো ধোঁয়া উড়ছে ছাদের কাছে। দম আটকে আসছে জর্জের, বমি পাচ্ছে রীতিমতো। কোনোমতে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বাইরে এসেই বমি করে ফেলল সে! নষ্ট হয়ে গেল মেঝে আর ওর পরনের কাপড়!

    ***

    কয়েক বছর ধরেই ফাদার ম্যানকুসোর সাথে লং আইল্যান্ড সেক্রেড হার্ট রেক্টরির প্রধান যাজকের বেশ ভালো বন্ধুত্ব, ম্যানকুসো রেক্টরিতে আসার পর থেকেই সম্পর্কটা হয়েছে। দু’জনের সারাদিন নানান কাজে ব্যস্ত থাকলেও সন্ধ্যাবেলা একটু-আধটু আড্ডা না দিলে আর হতো না। কী ভাবছেন? কাছাকাছি বয়স? আরে ধুর। প্রধান যাজকের বয়স প্রায় ৬৫, সেখানে ফাদার ম্যানকুসোর ৪২। প্রায় বিশ বছরের ব্যবধান হলেও উনাদের চিন্তাধারা বেশ মেলে।

    কিন্তু ৩ জানুয়ারি রাতে হুট করেই ব্যাপারটা একটা ধাক্কা খেলো।

    অ্যাপার্টমেন্টের গন্ধের কারণে মানসিক অবস্থা ভালো ছিল না ফাদার ম্যানকুসোর। তাই ঝোঁকের বশে তিনি প্রধান যাজকের সাথে এমন ব্যবহার করে বসলেন যে তাদের বন্ধুত্ব চিরকালের জন্য নষ্ট হয়ে গেল! ঘটনাটা শুরু হলো প্রধান যাজকের অফিসেই। ম্যানকুসোর কিছু প্রয়োজনীয় রিপোর্ট টাইপ করা হয়ে গেছিল তাই অফিসে এসে সেগুলো নিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে ফোন করেছিলেন প্রধান যাজক। কাগজগুলো নিতে গিয়ে ম্যানকুসো দেখলেন অফিস ফাঁকা, ওগুলো তুলে নিয়ে তিনি চলে আসবেন এমন সময়েই আরও তিনজন বয়স্ক যাজককে নিয়ে ঘরে ঢুকলেন প্রধান যাজক।

    ওদিকে গন্ধের কারণে ঠিকমতো খাবারও খেতে পারছিলেন না ম্যানকুসো, রাতের খাবারও গলা দিয়ে নামেনি। তাছাড়া ওনার পোশাকেও গন্ধটা লেগে ছিল! হুট করেই চার জন যাজককে একসাথে দেখে মেজাজটা গরম হয়ে গেল তার। আড়চোখে প্রধান যাজকের দিকে চেয়ে বেশ জোরেই উনি বলে উঠলেন, “শুধু আমার ঘরেই গন্ধ! না জানি কী অপরাধ করেছিলাম যে এমন শাস্তি আমায় দেওয়া হলো আপনাদের তরফ থেকে!”

    রীতিমতো অবাক হয়ে গেলেন প্রধান যাজক! ফাদার ম্যানকুসো কখনও এভাবে কথা বলতে পারেন তা উনি ভাবতেও পারেননি।

    “দেখো বন্ধু,” কোনোমতে হাসলেন তিনি, “তোমার ঘরের গন্ধের কথা কলের মিস্ত্রির কাছে শুনেছি। ব্যাপারটা দুঃখজনক! কিন্তু কেন যে এমন হলো… তা আমার জানা নেই! বিশ্বাস করো, আমরা কেউ কিছু জানি না!”

    “হুহ তাই না? আর কত ঢং করবেন?” হাত দিয়ে বাতাসে ঝটকা মারলেন ম্যানকুসো। অন্য যাজকেরাও হতবাক! ম্যানকুসোর মতো এত ভদ্র একটা মানুষ কী করে প্রধান যাজকের সাথে এভাবে কথা বলে? রাগে লাল হয়ে গেছে ম্যানকুসোর মুখটা, “আপনি মুখে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলেন… ও শুধু আপনি না, বাকি সবাই এমন! আমার সাথে ফাজলামো করছেন সবাই মিলে? তাই না?”

    “হলো কী আর এর?” অন্য যাজকদের দিকে তাকালেন প্রধান যাজক। কিন্তু তারা সবাই ওনার চোখে চোখ মেলাতে ভয় পাচ্ছে, আসলে এমন বিব্রতকর পরিস্থিতে কে পড়তে চায়? অবশেষে প্রধান যাজক আবার ম্যানকুসোর দিকে ঘুরলেন, “শোনো, মনে হয় গন্ধের কারণে তুমি রেগে আছ… যা-ই হোক, বন্ধু এসব নিয়ে কথা বলার সময় এখন না। পরে কখনও অন্য কোনো জায়গায় কথা হবে, ঠিক আছে?” এই বলে উঠে দাঁড়ালেন তিনি।

    “আরে আরে, আপনি সম্মানী মানুষ, যাবেন কেন? আমি যাচ্ছি!” এই বলে দরজার দিকে হাঁটা দিলেন ফাদার ম্যানকুসো। শেষবারের মতো জ্বলন্ত দৃষ্টিতে একবার তাকালেন প্রধান যাজকের দিকে। ওই সময়ে যেন অপার্থিব কিছু ভর করেছিল তার ওপর। এভাবে কখনোই কারও সাথে কথা বলেননি তিনি। পরবর্তীতে ফাদার ম্যানকুসো আমাদের বলেছেন, “আসলে ওই সময়ে আমি নিজের নিয়ন্ত্রণে ছিলাম না! যে শক্তি আমার অ্যাপার্টমেন্টকে দূষিত করেছিল তা আমার আত্মাকেও দূষিত করে ফেলেছিল!”

    ***

    বেসমেন্টের সেই ঘটনার পর বেশ অনেকটা সময় নিয়ে বমি পরিষ্কার করে জর্জ, তারপর ওপরে এসে নিজেও গোসল করে নেয়। রাত এখন এগারোটার মতো বাজে, রান্নাঘরে ক্যাথির সাথে বসে কফি খাচ্ছে সে। দু’জনের চোখে-মুখে দুঃশ্চিতার ছাপ স্পষ্ট! হচ্ছেটা কী এই বাড়িতে? যে-কোনো ঘরে যে-কোনো সময়ে অনেক কিছুই হতে পারে! এখন তো রান্নাঘরটা শুধু নিরাপদ মনে হচ্ছে ওদের। ঘুমাতে যেতেও ভয় পাচ্ছে দু’জন।

    “ক্যাথি,” বলে উঠল জর্জ, “এখানে তো বেশ ঠান্ডা, চলো বসার ঘরে গিয়ে ফায়ারপ্লেসের কাছে বসি,” উঠে দাঁড়াল সে। কিন্তু ক্যাথি বসেই রইল।

    “আমরা কী করব জর্জ?” কাঁদো কাঁদো স্বরে বলল ক্যাথি, “দিনের পর দিন অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে! আমার শুধু ভয় লাগছে… বাচ্চাদের কিছু হবে না তো?” মাথা তুলে ছাদের দিকে চাইল ক্যাথি, “ঈশ্বর জানেন কার নজর লেগে গেছে আমাদের পরিবারের ওপর! আর কত ভয়ংকর ঘটনা যে ঘটবে!”

    “শোনো ক্যাথি,” ওর কাঁধে হাত দিলো জর্জ, “আমি ঠিক করেছি বেসমেন্টে একটা ফ্যান লাগাব, যাতে করে উদ্ভট গন্ধ এলে ওটা ছেড়ে দেওয়া যায়। আর তাছাড়া ক’দিনের মধ্যেই মিস্ত্রি ডেকে ওই ঘরটার গোপন দরজার ওপরে একটা দেওয়াল তুলে দেবো… ওই ঘরটা অশুভ। ততদিন পর্যন্ত তুমি বাচ্চাদের কখনও বেসমেন্টে যেতে দিয়ো না। আমার কেন যেন মনে হয় সব সমস্যার মূলে ওই ঘরটা,” ক্যাথিকে টেনে তুলল সে, “তাছাড়া আমার অফিসে এরিক বলে একটা লোক আছে। ও একবার বলেছিল ওর প্রেমিকা নাকি এসব ভূতুড়ে বাড়ি নিয়ে কাজ করে…”

    “ভূতের বাড়ি? তাহলে মেনেই নিলে আমাদের বাড়িটা ভূতের বাড়ি? কিন্তু কার আত্মা আমাদের এভাবে জ্বালাচ্ছে?” জর্জের পিছে পিছে বসার ঘরের দিকে চলল সে, হুট করে থমকে দাঁড়াল, “আচ্ছা জর্জ, তোমার কী মনে হয়? আমরা যে ধ্যান করি… এর সাথে এই ঘটনাগুলোর সম্পর্ক আছে? অনেকেই তো বলে বেশি ধ্যান করলে ভূত চলে আসে!”

    “নাহ,” মাথা নাড়ল জর্জ, “যারা এসব বলে ওরা জীবনেও ধ্যান করেনি। কাউকে না কাউকে তো ডাকতেই হতো এই বাড়িতে, তাই না? ফাদার ম্যানকুসো তো আর এলেন না! হয়তো এই মেয়েটা আমাদের সাহায্য করতে পারে…” কথাটা শেষ করতে পারল না জর্জ! তার আগেই চিৎকার করে উঠল ক্যাথি।

    সিরামিকের সিংহমূর্তিটাকে জর্জ নিজের হাতে সেলাইঘরে রেখে এসেছিল! কিন্তু ওটা এখন ক্যাথির চেয়ারের পাশের টেবিলে বসে আছে! যেন দাঁত বের করে ভেংচি কাটছে ওদের দু’জনকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }