Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ১৭

    সপ্তদশ অধ্যায়

    ৬ ডিসেম্বর।

    “তোমার গল্পটা বেজায় অদ্ভুত ফ্রাংক, সত্যি বলছি… যদি তোমাকে ব্যক্তিগতভাবে না চিনতাম, তবে হয়তো ভাবলাম কথাগুলো পাগলের প্রলাপ,” টেবিল থেকে ঘরের এক কোনে রাখা কফি মেশিনটার দিকে এগিয়ে গেলেন বিশপের অফিসের চ্যান্সেলর, ফাদার রায়ান।

    “আমি কফি খাব না ফাদার,” বলে উঠলেন ফাদার ম্যানকুসো।

    “হুম,” নিজের জন্য এক কাপ আর অফিসের দ্বিতীয় চ্যান্সেলর ফাদার নানসিওর জন্য আরেক কাপ দুধ ছাড়া কফি ঢাললেন ফাদার রায়ান।

    নিজের টেবিলে ফিরে এলেন তিনি, তারপর কফিতে বেশ কয়েকটা চুমুক দিয়ে বললেন, “তোমার কাছে তো অনেকেই পরামর্শের জন্য আসে। এসব আধিভৌতিক ব্যাপার নিয়ে এর আগে আর কেউ এসেছে? আসার তো কথা… শ’খানেক মানুষ তো হবেই, তাই না?”

    “তেমন না, আমি এসব ব্যাপারে তেমন অভিজ্ঞ নই,” হাসলেন ফাদার ম্যানকুসো।

    ফাদার নানসিও চুপচাপ কফিতে চুমুক দিয়ে যাচ্ছিলেন।

    ফাদার রায়ান বিশালদেহী মানুষ, মনে হচ্ছে যেন পুরোটা টেবিল জুড়েই বসে আছেন তিনি। উচ্চতা ছয় ফুট পাঁচ ইঞ্চি, মাথাভরতি কাঁচাপাকা চুল আর আইরিশদের মতো ভারী থলথলে মুখ। বয়স ষাটের ওপরে। মুখের ওপর কথা বলে দেওয়ার জন্য বেজায় বদনাম আছে এই লোকের। নিজের চেয়ে অনেক বেশি বয়সি যাজকদেরও খুব একটা তোয়াক্কা করেন না ইনি আর অল্প বয়স্ক যাজকেরা তো রীতিমতো ভয় পায় তাকে। স্বয়ং বিশপের মুখের ওপরও কয়েকবার হক কথা বলে দিয়েছেন! ফাদার নানসিও আবার ঠিক এর ঠিক বিপরীত। বেঁটে-খাটো মানুষ তিনি, মাথাভরতি কালো চুল, বয়স ৪২। কথা বলেন বেশ আস্তে আস্তে, ফাদার রায়ান যতটা হাসি-খুশি, ইনি ততটাই গম্ভীর।

    এতক্ষণ দু’জনে বেশ মন দিয়ে ফাদার ম্যানকুসোর অদ্ভুত অভিজ্ঞতা শুনছিলেন। লুজদের বাড়িতে প্রথম যাওয়া, সেই সতর্কবার্তা, ওদের দুর্ভোগ, নিজের বাজে অভিজ্ঞতা, সাম্প্রতিক ঝামেলা, অদৃশ্য হাতের থাপ্পর… কিছুই বাদ দেননি ম্যানকুসো। মাঝে মাঝে প্যাডে কিছু নোট লিখে নিয়েছেন ফাদার রায়ান। আধিভৌতিক ব্যাপার-স্যাপারে ফাদার ম্যানকুসোর অনভিজ্ঞতার কথা তারা দু’জনেই জানেন।

    প্যাডে লেখা নোটগুলোতে একবার চোখ বুলিয়ে মুখ তুললেন ফাদার রায়ান, “দেখো ফ্রাংক, তোমার সব কথাই তো শুনলাম। বিষয়টা তুমি কীভাবে সমাধান করবে সেই ব্যাপারে পরামর্শ দেওয়ার আগে তোমাকে কিছু প্রাথমিক তথ্য জানিয়ে রাখি, যেহেতু এক্ষেত্রে তোমার অভিজ্ঞতা বেশ কম। কিছু মনে করো না? ঠিক আছে? ফাদার নানসিও… তুমিই বলো।”

    “আচ্ছা ফ্রাংক শোনো,” কফির কাপটা নামিয়ে রাখলেন ফাদার নানসিও, “তুমি হয়তো ধরেই নিয়েছো যে লুজদের বাড়িতে যা হচ্ছে পুরোটাই আধিভৌতিক ব্যাপার, কোনো দুষ্ট আত্মা আছে বাড়িটায়, তাই না? কিন্তু আমাদের ক্যাথলিকদের বিশ্বাস অনুযায়ী কোনো জায়গা বা বস্তুর ওপর কখনও প্রেতশক্তির প্রভাব থাকতে পারে না। কেবল মানুষ আর অন্য প্রাণীদের ওপরই এরা প্রভাব বিস্তার করতে পারে,” এই বলে পকেট থেকে একটা সিগারের প্যাকেট বের করলেন তিনি। একটা সিগার নিয়ে প্যাকেটটা এগিয়ে দিলেন বাকি দু’জনের দিকে, কিন্তু কেউই নিল না। সিগার ধরিয়ে বেশ কয়েক টান মেরে তিনি আবার বলতে লাগলেন, “আসলে শয়তান নানানভাবে মানুষকে প্ররোচিত করে। তাদের ভুল পথ দেখায়… শয়তান ক্রমাগত আমাদের খারাপ কাজের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা শয়তানের সাথে লড়াই করাই কিন্তু আসল। কিছু ক্ষেত্রে শয়তান আমাদের মানসিক রোগেও আক্রান্ত করে ফেলে, তাই না?”

    “একদম,” মাথা নাড়লেন ফাদার ম্যানকুসো, “মাঝে মাঝেই লোকেরা আমার কাছে এমন সমস্যা নিয়ে আসে। ওরা খারাপ কাজ ছাড়তে চায়, কিন্তু পারে না। এসব মূলত শয়তানেরই প্ররোচনা। মানসিক সমস্যাগুলোও ওই অভিশপ্ত সত্তার কারণেই হয়।”

    “মাঝে মাঝে শয়তানি প্রভাব একটু অদ্ভুত রূপ ধারণ করে,” বলতে লাগলেন ফাদার রায়ান, “সে মানুষকে জাগতিক মোহে এমনভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলে যে মানুষ ভালো আর মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারে না। মাঝে মাঝে সে জাগতিক জিনিসপত্রকে মানুষের সামনে এমনভাবে তুলে ধরে, যে ওরা ভেবে নেয় দুনিয়াতেই সব আছে… পরকালের চিন্তা আর থাকে না। এই ব্যাপারটা বোঝা কিন্তু খুব জটিল… তাই না নানসিও?”

    “মোহ,” সিগারে আরও কয়েকটা টান মারলেন ফাদার নানসিও, “জগতের মোহে মানুষ সবকিছু ভুলে যায়। কারও ক্ষতি করতে একটুও বাধে না তার। এই পর্যায়ে এসে মানুষের সাথে শয়তানের আর কোনো পার্থক্য থাকে না। মানুষই শয়তান আবার শয়তানই মানুষ। তবে কোনোভাবেই মানুষকে বিপথে না নিতে পারলে শয়তান নিজের অলৌকিক শক্তি প্রয়োগ করে… ভূত-প্রেত, অশুভ আত্মারা সবাই তো তারই দাস।”

    “সেটাই সেটাই, তারপর?” আগ্রহী হয়ে উঠেছেন ফাদার ম্যানকুসো। বিশপের অফিসে আসার আগে তিনি বেশ চিন্তাতে ছিলেন। এখানকার এত জ্ঞানী যাজকেরা ওনার শুনে যদি হেসে ফেলেন? কিন্তু ইনারা যেভাবে মন দিয়ে ওনার কথা শুনেছেন, তাতে এখন উনি নিশ্চিত যে একটা না একটা সমাধান আসবেই।

    “আসলে এইসব ভৌতিক ব্যাপারগুলোকে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমরা সব মিলিয়ে পাঁচটি ব্যাপার দেখতে পেয়েছি,” আরেক কাপ কফি নিয়ে এলেন ফাদার রায়ান, “এক, মিথ্যা এবং ধোঁকাবাজি; দুই, এমন সব ঘটনা যার বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা আছে; তিন, মানসিক সমস্যা; চার, সত্যিকার অর্থেই পিশাচের প্রভাব; পাঁচ, এমন সব অলৌকিক ঘটনা যেগুলো কী কারণে হয় তা কেউ জানে না! তুমি যে ঘটনাটা বললে তা মিথ্যা হতে পারে না। কারণ জর্জ আর ক্যাথি তোমারই পরিচিত, তুমি যেহেতু ভালো মানুষ, ওরাও হয়তো এমন। যা ঘটেছে তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়াও কঠিন… তো আমরা ধরে নিচ্ছি ব্যাপারটা হয় মানসিক সমস্যা… নইলে এখানে আসলেই পিশাচের প্রভাব আছে।”

    “পাঁচ নম্বর যে ব্যাপারটার কথা ফাদার রায়ান বললেন,” মৃদু হাসলেন ফাদার নানসিও, “সেটাকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে জানো? আমরা মনে করি ওসব মূলত ঈশ্বরের হস্তক্ষেপে হয়। ঈশ্বর তো আর নিজের নিষ্পাপ সন্তানদের এভাবে কষ্ট দেবেন না, তাই না?”

    “অর্থাৎ,” আবার বলতে লাগলেন ফাদার রায়ান, “ঘুরে ফিরে ওই দুটো ব্যাপার নিয়েই আমাদের ভাবতে হবে। ক্যাথিকে অদৃশ্য কেউ স্পর্শ করল কিংবা জর্জ অদৃশ্য লোকেদের বাজনা শুনতে পেল এগুলো কিন্তু মানসিক সমস্যাও হতে পারে। পরামনোবিদরা এসব নিয়ে অনেক গবেষণা করছেন আজকাল। মানসিক সমস্যা খুব জটিল একটা বিষয়, তোমার পাশের মানুষের যদি এই সমস্যা থাকে তবে সে তোমাকেও আক্রান্ত করে ফেলতে পারে। নর্থ ক্যারোলাইনার ডারহামের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বিখ্যাত মনোবিদ ড. রাইনের মতে মানসিক সমস্যার চারটি ধাপ রয়েছে। প্রথমে আমাদের মস্তিষ্ক এমন একটা সংকেত পায় যে জায়গাটা অশুভ, তারপর ওই জায়গা সম্পর্কে আগে থেকে শোনা কিছু অদ্ভুত কথা আমাদের মনে আসে এবং তারপর চোখের সামনে অদ্ভুত সব দৃশ্য ভেসে ওঠে কিংবা আমরা অদ্ভুত গন্ধ পাই বা কোনো শব্দ শুনি। জর্জ কিন্তু আগে থেকেই জানত ওখানে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডগুলোর ব্যাপারে, তাই না? এই কারণে হয়তো সে রাত সোয়া তিনটার সময় উঠে যেত? আর সিংহটার স্থান পরিবর্তন? এটার জন্য চতুর্থ ধাপের ব্যাপার বুঝতে হবে তোমাকে। সাইকোকাইনেসিস বা মনোগতিসঞ্চারের নাম শুনেছ? কোনো বস্তুর ওপর গভীর মনযোগ দিয়ে তাকে মনের শক্তির মাধ্যমে অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করা! এটা কিন্তু আসলেই ঘটে! হতে পারে জর্জ বা ক্যাথি কেউ এই ক্ষমতা পেয়ে গেছে, কিন্তু বোঝেনি।”

    “সেটাই,” নিজের খালি কাপটা নিয়ে কফি মেশিনের দিকে এগিয়ে গেলেন ফাদার নানসিও, “এতকিছু যে আমরা তোমাকে বললাম, এমনি এমনি কিন্তু বলিনি। শুরুতেই ব্যাপারটাকে ভৌতিক কেন ধরে নিচ্ছ? এক কাজ করো, ডক্টর রাইনের মতো কোনো বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করো। তাদের দিয়ে বাড়িটা ভালো করে পরীক্ষা করাও। দেখো কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না-কি পরামনোবিজ্ঞান আজকাল অনেক এগিয়েছে।”

    “আচ্ছা, তাহলে আমার সমস্যা কেন হচ্ছে?” উঠে দাঁড়ালেন ফাদার ম্যানকুসো, “আমি কী করব?”

    “হুম,” একটু হাসলেন ফাদার রায়ান, “তুমি আর কখনও ওই বাড়িতে যেয়ো না। ওদের ফোন দিয়ে আমরা যা বলেছি সেগুলো বলে দিয়ো, কিন্তু নিজে আর যেয়ো না। কখনোই না, কোনোভাবেই না! ওই বাড়ি নিয়ে ভাবারও প্রয়োজন নেই তোমার।”

    “এ আবার কেমন কথা! এতক্ষণ আপনাদের কথা শুনে তো মনে হলো আপনারা বিশ্বাস করছেন না যে ওই বাড়িতে ভৌতিক কিছু আছে। তাহলে? আমি গেলে কী সমস্যা?” মেজাজ খারাপ হচ্ছে ফাদার ম্যানকুসোর।

    “হ্যাঁ, আমরা বিশ্বাস করছি না,” হাত নাড়লেন রায়ান, “কিন্তু ওই যে… মানসিক রোগ বড়োই ভয়ানক। ওদের সাথে থেকে, ওদের কথা শুনে… তুমিও বিশ্বাস করতে শুরু করেছ যে ওই বাড়িতে ভূত আছে। তাই দয়া করে… আর ওখানে যেয়ো না। বিশ্রাম নাও। ১১২ নম্বর ওশান অ্যাভিনিউতে যা ঘটছে সেগুলোর ব্যাখ্যা খুব তাড়াতাড়িই পাওয়া যাবে।”

    ****

    বাচ্চাদের নাস্তা খাইয়ে গাড়িতে করে দুই ছেলেকে ওদের নতুন স্কুলে নামিয়ে দিলো ক্যাথি, তারপর মিসিকে নিয়ে মায়ের বাড়ি বেড়াতে চলে গেল। ওদিকে জর্জ বাড়িতে একা, বেসমেন্ট পরিষ্কার করার জন্য নিচে নামল সে। কিন্তু কোনো গন্ধ নেই! আজব ব্যাপার! আগের দিনই গন্ধে বমি করে ফেলেছিল না। ওখানে দুটো ফ্যান লাগিয়ে দিলো সে।

    এরপর ভালো করে পুরো বেসমেন্ট ঘুরেও কোনো গন্ধ পেল না সে। অবশেষে প্লাইউডের দরজা সরিয়ে সেই লালঘরটাতে ঢুকল। টর্চ মেরে ভালো করে দেখল, ওখানেও কোনো গন্ধ নেই।

    “আশ্চর্য,” আপনমনেই বলে উঠল জর্জ, “নিশ্চয় এখানে কোনো ভেন্টিলেটর আছে, নইলে গন্ধ কী করে বেরিয়ে গেল? “

    গর্তটা খুঁজে বের করার জন্য পুরো ঘরটা তন্ন তন্ন করে দেখতে লাগল জর্জ। ওদিকে ফাদার ম্যানকুসো ফোন দিচ্ছেন তাকে। বিশপের অফিস থেকে তাড়াতাড়িই রেক্টরিতে ফিরেছেন তিনি। জর্জকে ফোন দিয়ে চ্যান্সেলরদের পরামর্শ যত তাড়াতাড়ি জানানো যায়, ততই ভালো। দশবার রিং হওয়ার পরেও ফোনটা কেউ ধরল না। ফাদার ভাবলেন হয়তো লুৎত্তরা বাইরে কোথাও গেছে।

    “একটু পর ফোন দেবো,” আপনমনেই বলে উঠলেন তিনি।

    ফোনের রিং কিন্তু একেবারেই শুনতে পায়নি জর্জ, অথচ বেসমেন্টের দরজা খোলাই ছিল। বাসার সব জায়গা থেকেই ফোনের রিং শোনা যায়, কিন্তু সেদিন শোনা গেছিল না।

    ওদিকে লাল ঘরটায় কিছু না পেয়ে ওপরে উঠে এলো সে। পুরো বাড়িটাকেই কেন যেন তার সন্দেহ হচ্ছে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে হবে সব। এভাবে খুঁজতে খুঁজতেই সদর দরজার সামনের সিঁড়ির মতো ধাপগুলোতে এসে থমকে দাঁড়াল জর্জ। ধাপের একদম পাশে গোলাকার একটা সিমেন্টের ঢাকনা দিয়ে কিছু যেন ঢেকে রাখা হয়েছে, ভালো করে না দেখলে বোঝা যায় না। সম্ভবত বাড়িটার কাজ শুরুর আগে ঠিকাদারের হুকুমে জায়গাটা ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। ময়লা জমে ঢাকনাটা বেশ শক্ত হয়ে আটকে গেছিল, বেশ কৌশলে ওটা খুলে ফেলল জর্জ। প্রথমদিকে টুপটাপ শব্দ পাচ্ছিল সে, কিন্তু ঢাকনাটা খোলার সাথে সাথে একটা পাথর বেশ নিচে গিয়ে পড়ল… পানি আছে নিচে! তাড়াতাড়ি টর্চ মারল জর্জ…

    “এ যে একটা কুয়া,” আর্তনাদ করে উঠল সে, “নকশাতে তো এটা দেখানো হয়নি! সম্ভবত পুরোনো যে বাড়িটা ভেঙে এই বাড়ি বানানো হয়েছে সেটার অংশ ছিল এই কুয়াটা!”

    রান্নাঘরের রাস্তা দিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ল জর্জ। দেওয়াল ঘড়িটার দিকে নজর পড়ল ওর, দুপুর প্রায় হয়ে এসেছে। ফাদার ম্যানকুসো এখনও যোগাযোগ করলেন না! নিজেই টেলিফোনটার দিকে এগিয়ে গেল জর্জ।

    ফাদারের ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন দিলো সে। একবার রিং হতেই ফোন ধরলেন ফাদার। কিছুক্ষণ আগে ফাদার ফোন দিয়েছিলেন শুনে বেশ অবাক হলো জর্জ।

    “আপনি আজ আসবেন না ফাদার?” নিজেকে সামলে নিয়ে বলল সে।

    জবাবে ফাদার ওকে বিশপের অফিসের ঘটনা খুলে বললেন, তারপর বললেন, “বুঝতেই পারছ জর্জ, ওনারা প্রথমেই ব্যাপারটাকে ভৌতিক বলে ধরে নিতে চাচ্ছেন না। নর্থ ক্যারোলাইনার একটি বিশেষ সংস্থার ঠিকানা আমাকে দিয়েছে অফিস থেকে, ওরা পরামনোবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করে। তুমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওদের সাথে যোগাযোগ করো।”

    “তা করব, কিন্তু আপনিও একবার আসুন।’

    “আমি আসতে পারব না জর্জ…

    “ফাদার আমি চাই আপনি একবার আসুন… এই যে সংস্থার কথা বললেন, ওদের কি আমি চিনি? আমি চিনি আপনাকে! আর আপনিই আমাদের সাহায্য করতে আসতে চাচ্ছেন না? আর ওরা যে আসবে, ওদের কি টাকা দিতে হবে? আমার কাছে তো এখন তেমন টাকা নেই!”

    আবার জর্জকে সবকিছু বোঝাতে লাগলেন ফাদার। অবশেষে সে কথা দিলো যে ওই সংস্থার সাথে যোগাযোগ করবে, তারপর ওরা কী বলল তা ফাদারকে জানাবে। তারপর ফোনটা রেখে দিলো।

    আসলে, ১১২ নম্বর ওশান অ্যাভিনিউ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কয়েক মাস পর জর্জ জানতে পেরেছিল যে ওর বাড়িতে আসার জন্য ফাদারের ওপর কী পরিমাণ অত্যাচার করেছিল অশুভ শক্তিরা… তখন বেজায় লজ্জা পেয়েছিল বেচারা।

    তবে ওই সময়ে ফাদারের ওপর ভীষণ রাগ হয়েছিল তার। ক্যাথির মায়ের বাড়িতে ফোন দিয়ে ওকে সব খুলে বলল সে, এটাও জানাল যে, কোনো সংস্থার সাথে যোগাযোগ করবে না সে। শুধু শুধু টাকা নষ্ট আর তাছাড়া ওর হাতের অবস্থাও ভালো না। ওদিকে বিশপের অফিসের চ্যান্সেলরদের নাম শুনেই ক্যাথি ভক্তিতে গদগদ… ও জর্জকে রীতিমতো চাপ দিতে লাগল ফাদার ম্যানকুসোর কথামতো কাজ করার জন্য।

    অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে জর্জ বলল, “ঠিক আছে, আমি মোটর সাইকেলে করে অফিসে যাচ্ছি। ওখান থেকে একটা চিঠি টাইপ করে নর্থ ক্যারোলাইনার ওই সংস্থার সাথে যোগাযোগ করব।’

    জর্জ ঠিক করল যে ও এরিকের সাথেও ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলবে। ওর প্রেমিকা তো ভূত-প্রেতের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। তবে ক্যাথিকে এ ব্যাপারে কিছু বলল না।

    ***

    বেশ ভালো লাগছে ফাদার ম্যানকুসোর। জর্জের সাথে কথা বলার পর থেকে ওনার কাঁধ থেকে যেন একটা ভারী বোঝা নেমে গেছে। জর্জরা ওই বাড়িতে ওঠার পর থেকেই তীব্র মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন তিনি, যা-ই হোক, বিশপের অফিসে গিয়ে আসলেই ভালো হয়েছে। চ্যান্সেলররা জ্ঞানী মানুষ, ওনারা যেহেতু পরামর্শ দিয়েছেন… ভালো কিছুই হবে। ঈশ্বর, ফাদার রায়ান আর ফাদার নানসিওর ভালো করুন।

    আগামী সপ্তাহে কী কী কাজ করবেন তার একটা তালিকা তৈরি করলেন ফাদার, তারপর ফাইলগুলো নিয়ে ডুবে গেলেন কাজে। সব কিছু শেষ হতে হতে বেশ রাত হয়ে গেল। এখনও কিছু ফাইল জমা হয়ে আছে টেবিলে। রান্না করতে গেলে এগুলো আর দেখা হবে না। রেক্টরির কাছের একটা চাইনিজ রেস্তোরাঁতে ফোন করে রাতের খাবার অর্ডার করলেন ফাদার। তারপর আবার ডুবে গেলেন কাজে, প্রায় এক ঘণ্টা পর চলে এলো খাবার। বুভুক্ষের মতো খাবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন ম্যানকুসো, বেজায় খিদে পেয়েছিল তার।

    ***

    অফিসে এসেই টাইপিস্টকে দিয়ে সেই সংস্থার কাছে পাঠাবার জন্য একটা চিঠি টাইপ করালো ফ্রাংক, বলে দিলো বিশেষভাবে বিশপের অফিসের ওই দু’জন চ্যান্সেলরের নাম উল্লেখ করতে। একবার পড়ে নিয়েই চিঠিটা পোস্ট করে দিলো সে। শুরুতেই ভেবেছিল ‘এয়ার মেল’ ডাকটিটেট লাগাবে, পরে ভাবল, “ওরা উত্তর দেবে না কি, কে জানে? আর দিলেই যে আমার বাড়ি আসতে চাইবে সেটারও তো কোনো নিশ্চয়তা নেই!” তাই সাধারণ একটা ডাকটিকেট লাগিয়েই সেটা ডাকবাক্সে ফেলে দিলো। তারপর এরিকের কাছ থেকে ওর প্রেমিকা ফ্রান্সিনের নম্বর নিয়ে ফোন করল।

    জর্জের সাথে বেশ আগ্রহ নিয়েই কথা বলল মেয়েটা। সে বলল ভূত-প্রেতের সাথে যোগাযোগ করা ওর জন্য নতুন কিছু না, অনেক আগে থেকেই কাজটা করে আসছে। খুব তাড়াতাড়িই ও জর্জের বাড়ি এসে দেখবে যে ওখানে আসলে কী হচ্ছে… এরিকও আসবে ওর সাথে। তারপর প্রয়োজন হলে, সেই অশুভ শক্তির সাথে যোগাযোগ করবে।

    এরপর হুট করেই মেয়েটা জর্জকে এমন একটা কথা বলল যে ওর চোখ কপালে উঠল রীতিমতো।

    ও বলেছিল, “স্যার, আপনি এক কাজ করুন। উঠানটা একটু ভালো করে দেখুন তো। ঢাকনা দেওয়া কোনো পুরোনো কুয়া খুঁজে পান না-কি।

    কিছুক্ষণ চুপ করে রইল জর্জ, তারপর ভাবল কুয়া যে ও ইতোমধ্যেই খুঁজে পেয়েছে সেটা চেপে যাবে।

    “আচ্ছা দেখব,” আস্তে করে বলল ও, “কিন্তু কুয়া দিয়ে কী হবে?”

    ফ্রান্সিনের উত্তর শুনে আরও খানিকটা চমকে গেল জর্জ, “আমার মনে হয় স্যার, ওই কুয়ার মধ্যেই প্রেতাত্মারা থাকে… ঢাকনিতে যদি একটুও ফাঁক থাকে…. সেই ফাঁক দিয়েই ওরা বেরিয়ে আসে। মধ্য যুগে প্রেতদের কুয়াতে বন্দি করে রাখার প্রচলন ছিল।”

    “আচ্ছা দেখব, সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তাড়াতাড়ি একবার এসো আমার বাড়িতে।”

    “আসব স্যার।”

    ফোনটা রেখে কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল জর্জ। তারপর ফাদারের দেওয়া ঠিকানাটা মনে করল, ফাদার সংস্থাটার ফোন নম্বরও দিয়েছিলেন। সংস্থাটার নাম ‘সাইকিয়াল রিসার্চ ইন্সটিটিউট’, নর্থ ক্যারোলাইনার ডারহামে ওদের অফিস। কী মনে করে ওদের নম্বরে ফোন দিলো জর্জ, কিছুক্ষণ পর একজন ধরল। জর্জ তাকে জানাল যে সে সাহায্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। লোকটা জানাল যে ওরা চিঠি পেলেই ব্যাপারটা খতিয়ে দেখার একজনকে পাঠাবে। জর্জও বলল যে পুরো তদন্তে যা খরচ হবে তা দিতে কোনো আপত্তি নেই ওর।

    ***

    সেদিন রাতে ফাদার ম্যানকুসোও বেশ অনেকক্ষণ ফোনে কথা বললেন। রাত এগারোটায় ফোন আসায় বেশ অবাকই হয়েছিলেন ফাদার। ফোনটা ধরে আরও অবাক হলেন, ভ্যান উইক মহাসড়কে তাকে যে যাজক বন্ধু সাহায্য করেছি, তিনিই ফোন করেছেন।

    এতদিন পর বন্ধুর কথা মনে পড়ল লোকটার?

    যা-ই হোক, কথায় কথায় অনেকটা সময় পেরিয়ে গেল। একটা সময়ে এলো সেই রাতের প্রসঙ্গ।

    “আচ্ছা শোনো, ওই রাতে তোমার উইন্ডশিল্ড ওয়াইপারে ঝামেলা হয়েছিল বলেছিলে,” প্রশ্ন করলেন ফাদার ম্যানকুসো, “এরপর আর কিছু হয়েছিল?

    “না,” দীর্ঘশ্বাস ফেললেন ওনার বন্ধু, “তবে আজকে তোমাকে ফোন দেওয়ার কয়েক মিনিট আগেই অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটল। সেটা বলতেই ফোন দেওয়া, কীভাবে যে বলব বুঝতে পারছিলাম না। যাক, তুমিই তুললে কথাটা…”

    বুকের ভিতরটা ধক করে উঠল ফাদার ম্যানকুসোর।

    “ফ্রাংক বুঝলে,” বলে চলল ওনার বন্ধু, “এই একটু আগে একটা ফোন এসেছিল। লোকটা যে কে… তা আমি জানি না, কোনো পরিচয়ও সে দেয়নি। কণ্ঠটাও অদ্ভুত। শুধু বলেছে, ‘ওই ব্যাটা যাজককে বলে দিয়ো, ও যেন আর ফিরে না আসে।”

    “এ তো দেখি অদ্ভুত ব্যাপার! তা যাজক বলতে আমাকেই বোঝাল এটা কীভাবে বুঝলে তুমি?”

    “জিজ্ঞাসা করেছিলাম ওকে। ওর কথা শুনেই বললাম, ‘কে আপনি? কোন যাজকের কথা বলছেন?’ সেই অদ্ভুত কণ্ঠের মালিক জবাব দিলো, “যে যাজককে তুমি বাঁচিয়েছিলে!”

    “শুধু এটুকুই? আর কিছু বলেনি?”

    “হুম, ও ফোন রাখার পর আমি অনেক চিন্তা করলাম। তুমি ছাড়া আর কোনো যাজককে আমি সাহায্য করলাম? মনে তো পড়ছে না! কে হতে পারে লোকটা ফ্রাংক? চেনো ওকে? তুমি বলতে চাইছ যে ও তোমার কথা বলেনি?”

    “তা আমার কথা তোমাকে ফোন করে বলবে কেন? ওর পরিচয় পাওয়া গেলে ভালো হতো!”

    “ও হ্যাঁ হ্যাঁ, ফোন রাখার আগে ও দুটো লাইন বলেছিল। প্রথম লাইনটা হলো—’ওই যাজক ভালো করেই জানে, যে আমি কে।”

    “আর তারপর? তারপরের লাইনটা?”

    “হুম… কেমন যেন ফ্যাসফ্যাস করে হেসে ব্যাটা বলল, “ওই ব্যাটাকে বলে দিয়ো, ও যদি আবার এখানে আসে তবে স্রেফ মারা পড়বে!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }